Category: বাংলাদেশ

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: ডাকাতের কবল থেকে জীবিত ফিরলেন ৬ জেলে

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: ডাকাতের কবল থেকে জীবিত ফিরলেন ৬ জেলে

    এবিএনএ,মোংলা: সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ধর্ষ ডাকাতচক্র ‘নানা ভাই বাহিনী’র হাতে জিম্মি ছিলেন।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, গত ৭ মার্চ মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ৬ জেলে অপহরণের শিকার হন। পরে ডাকাতরা তাদের আটকে রেখে নির্যাতন চালায় এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। বিষয়টি ১০ দিন পর কোস্ট গার্ডের জরুরি নম্বর ১৬১১১-তে জানানো হলে অভিযান প্রস্তুতি শুরু হয়।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ মার্চ ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ডের নলিয়ান আউটপোস্ট শিবসা নদীর কাছাকাছি কালির খাল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় জিম্মি থাকা ৬ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ডাকাতরা দ্রুত বনের ভেতরে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন—রফিকুল (৩০), আলামিন (২৬), ইসমাঈল শানা (২৪) (খুলনার কয়রা থানা) এবং রমজান আলী (৩৬), রেজওয়ান (২২), মিয়া রাজ (১৮) (সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানা)।

    বর্তমানে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

    কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, খাবারে নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারে জরিমানা

    মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, খাবারে নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারে জরিমানা

    এবিএনএ,মোংলা: বাগেরহাটের মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত এবং নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারের অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়েছে। এ সময় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার মোংলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের পাশের একটি বেকারি এবং সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারি নামের একটি মিষ্টির দোকানে এই অভিযান পরিচালনা করেন মোংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওসীনা আরিফ।

    অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কিছু দোকানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপরিচ্ছন্ন স্থানে বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরি করা হচ্ছিল। এতে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    এছাড়া পরিদর্শনের সময় বিএসটিআই অনুমোদনহীন খাদ্য রঙ ব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়ে। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় বরিশাল বেকারিকে ২০ হাজার টাকা এবং একটি মিষ্টির দোকানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওসীনা আরিফ বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে। যারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি আরও জানান, আজকের অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অভিযান চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয় ক্রেতারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন।

  • নারায়ণগঞ্জে উত্তেজনা: ভুয়া পুলিশ সন্দেহে এসআইকে মারধর, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

    নারায়ণগঞ্জে উত্তেজনা: ভুয়া পুলিশ সন্দেহে এসআইকে মারধর, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

    এবিএনএ: নারায়ণগঞ্জ শহরে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) এবং তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকে স্থানীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে শহরের গলাচিপা ও আলমখান লেনের মাঝামাঝি রেললাইনের পাশে থানকাপড় মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজান একজন সোর্সকে সঙ্গে নিয়ে হোসিয়ারি কর্মচারী রমজান এবং তার এক সহকর্মীকে আটক করেন। পরে তাদের একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে হাতকড়া পরানোর চেষ্টা করা হয়।

    এ সময় আটক দুই যুবক চিৎকার করলে আশপাশের দোকানদার ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা বিষয়টি জানতে চাইলে এসআইয়ের সঙ্গে থাকা ব্যক্তি নিজেকে র‍্যাব সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন বলে জানা যায়। তবে তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তাদের থানকাপড় মার্কেটের একটি অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের পরিচয় স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে পারেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত লোকজন তাদের ভুয়া পুলিশ সন্দেহে মারধর শুরু করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারধরের একপর্যায়ে এসআই মিজানের জামাকাপড় ছিঁড়ে যায় এবং তিনি সেখান থেকে দ্রুত সরে যান।

    অন্যদিকে আটক হওয়া হোসিয়ারি কর্মচারী রমজান বলেন, তিনি এবং তার সহকর্মী কেনাকাটার জন্য মার্কেটে গিয়েছিলেন। সেই সময় কোনো কারণ না দেখিয়েই তাদের আটক করা হয় এবং সিএনজিতে তুলে হাতকড়া পরানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।

    ঘটনার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন ও অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, থানকাপড় মার্কেট এলাকায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করতে ইতোমধ্যে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে আবহাওয়ার রূপ বদল, ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা

    বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে আবহাওয়ার রূপ বদল, ১০ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা

    এবিএনএ: বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের অন্তত ১০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে।

    রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রপাতসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর পুনঃ ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    অন্যদিকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে।

    এই পরিস্থিতির প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির কারণে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে।

  • মোংলায় মহিলা দল নেত্রীর বাড়িতে কোস্টগার্ডের অভিযান: ১৯৭ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার, স্বামী আটক

    মোংলায় মহিলা দল নেত্রীর বাড়িতে কোস্টগার্ডের অভিযান: ১৯৭ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার, স্বামী আটক

    এবিএনএ,মোংলা : বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের পরিমাণ ১৯৭ বোতল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে মোংলা থানার চিলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয় এবং একই সঙ্গে একজনকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তি অভিজিৎ পাড়ই শান্ত। তিনি মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের দক্ষিণ কাইনমারী গ্রামের বাসিন্দা পিতর পাড়ইয়ের ছেলে বলে জানা গেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি, যে বাড়ি থেকে মদ উদ্ধার করা হয়েছে সেটি মোংলা থানা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি তানিয়া বিশ্বাস (লিথি)-এর বসতবাড়ি। অভিযানের সময় তিনি বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে আটক অভিজিৎ পাড়ই শান্ত পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন।

    এ বিষয়ে তানিয়া বিশ্বাস লিথি জানান, তাদের বাড়ি থেকে মদ উদ্ধারের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করছেন না। তবে তার দাবি, জব্দ করা মদের মালিক তারা নন। তার স্বামীর এক পরিচিত ব্যক্তি এগুলো সাময়িকভাবে তাদের বাড়িতে রাখার জন্য দিয়েছিল। যদিও ওই ব্যক্তির নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

    মোংলা থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক লিপি বেগম বলেন, অপরাধের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক নেই। যদি কেউ মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকে, তবে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তিনি আরও জানান, বিষয়টি সংগঠনের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শুক্রবারের অভিযানে ১৯৭ বোতল বিদেশি মদসহ অভিজিৎ পাড়ই শান্তকে আটক করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, জব্দ করা মদ এবং আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোংলা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গম: পঞ্চম চালানে এলো ৫৮ হাজার ৫০০ টন, খালাস কার্যক্রম শুরু

    মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের গম: পঞ্চম চালানে এলো ৫৮ হাজার ৫০০ টন, খালাস কার্যক্রম শুরু

    এবিএনএ,মোংলা: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ টন গম নিয়ে একটি জাহাজ মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজ থেকে গমের নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ‘এমভি ক্যালাপসো এন’ নামের জাহাজটি বুধবার সমুদ্রসংলগ্ন বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়ায় নোঙর করে। এরপর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জাহাজ থেকে গম নামানোর কাজ শুরু হয়।

    জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রতিষ্ঠান সেভেন সিজের ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের কালামা বন্দর থেকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ১১ মার্চ বন্দরের ফেয়ারওয়ে এলাকায় পৌঁছায় এবং পরদিন থেকে গম খালাস কার্যক্রম চালু করা হয়।

    মোংলা খাদ্য বিভাগের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবহান সরদার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় এই গম আমদানি করা হচ্ছে। এই চুক্তির অধীনে মোট চার লাখ ৫০ হাজার টন গম মোংলা বন্দরের মাধ্যমে দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি জানান, চলমান আমদানি কর্মসূচির অংশ হিসেবে এটি পঞ্চম চালান। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আরও চারটি চালান মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

    খাদ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২ নভেম্বর প্রথম চালানে ২২ হাজার ৭৮০ টন, ১৪ নভেম্বর দ্বিতীয় চালানে ৬০ হাজার ৮৭৫ টন, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি তৃতীয় চালানে ২২ হাজার ৭৫৬ টন এবং ১ ফেব্রুয়ারি চতুর্থ চালানে প্রায় ৫৬ হাজার টন গম আমদানি করা হয়।

    এসব গম প্রথমে মোংলা বন্দরের সরকারি খাদ্যগুদাম বা সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গত বছরের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় নিয়মিত খাদ্যশস্য আমদানি করা হচ্ছে।

  • মোংলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: বর-বধূসহ বিএনপি নেতার পরিবারের ৯ জনের দাফন, শোকের ছায়া

    মোংলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: বর-বধূসহ বিএনপি নেতার পরিবারের ৯ জনের দাফন, শোকের ছায়া

    এবিএনএ,বাগেরহাট : খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বর-বধূসহ বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের ৯ সদস্যকে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মোংলা পৌরসভার সরকারি কবরস্থানে তাদের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়।

    দাফনের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    দাফন সম্পন্ন হলেও শোক কাটেনি স্বজনদের। নিহতদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে মোংলা পৌরসভার শেলাবুনিয়া গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে ও বর আহাদুর রহমান সাব্বির, সাব্বিরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ঐশীর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ এবং দুই মেয়ে আরফা ও ইরাম।

    এছাড়া দুর্ঘটনায় নিহত হন মাইক্রোবাসচালক মো. নাঈম শেখ। তার বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের সিংগেরবুনিয়া গ্রামে।

    অন্যদিকে কনের পক্ষের নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাব্বিরের নববধূ মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে।

    পরিবারের এত সদস্য হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আব্দুর রাজ্জাকের বড় ছেলে আশরাফুল আলম জনি। তিনি বলেন, “আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। স্ত্রী, সন্তান, বাবা, ভাই-বোন—সবাইকে হারিয়েছি। আমি এখন একা।” এ কথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

    এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, খুলনা–মোংলা মহাসড়ক অত্যন্ত ব্যস্ত একটি সড়ক। প্রতিদিন হাজার হাজার পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী যান চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সড়কটি চার লেনে উন্নীত না হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ও যানজটের ঘটনা ঘটে।

    মোংলা পৌরসভার বাসিন্দা আলী আজম বলেন, “এই মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখনো এটি চার লেন করা হয়নি। দ্রুত সড়কটি সম্প্রসারণ করা এবং এই দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।”

    এদিকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল, জেলা পরিষদ এবং সড়ক পরিবহন আইনের ৫৪ ধারার আওতায় নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মাইক্রোবাসচালক মো. নাঈম শেখের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে মোংলা পৌরসভার শেলাবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর বরযাত্রীদের নিয়ে মাইক্রোবাসটি বিকেলে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

  • মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় থানা যুবদল আহ্বায়ক নিহত

    মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় থানা যুবদল আহ্বায়ক নিহত

    এবিএনএ,মীরসরাই, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের মীরসরাই জাতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় কামাল উদ্দিন (৪০) নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর দুইটার দিকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিপ্পন ফ্যাক্টরির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত কামাল উদ্দিন মীরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পোলমোগরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মৃত মজিবুল হকের ছেলে এবং মীরসরাই থানা যুবদলের আহ্বায়ক ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কামাল উদ্দিন একটি প্রাইভেটকারে করে অর্থনৈতিক অঞ্চল সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার পর তিনি দীর্ঘ সময় গাড়ির ভেতরে আটকা পড়ে ছিলেন।

    পরে স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মীরসরাইয়ের স্থানীয় সেবা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মীরসরাই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শাহ মোহাম্মদ ফোরকান উদ্দিন বলেন, আহত অবস্থায় কামাল উদ্দিনকে চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয়ে মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ১৩

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ১৩

    এবিএনএ,বাগেরহাট :বাগেরহাটের খুলনা মোংলা মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুইটি শিশুও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৪ টা ৪৫ মিনিটে মহাসড়কের গোনাইব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

    বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত চারটি মরদেহ এখনো রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, সেখানে আটটি লাশ নেওয়া হয়েছে।

    মৃত রাজ্জাকের আপন শ্যালক জানায় , মোংলা পৌর ৮ নং ওয়াড বিএনপির সভাপতি তার দুলাভাই ছোট ছেলে সাব্বিরের বিয়ে শেষ করে নতুন ছেলে বৌ কে নিয়ে খুলনার কয়রা থেকে মোংলায় ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। গাড়িতে থাকা তার পরিবারের সকল সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে তার সহধমিনী মোংলার বাড়িতে ছিলেন ।

    মাইক্রোবাসে বর পরিবারের ১১, কনে পরিবারের ৩ জন ও ড্রাইভার সহ ১৫ জন যাত্রীছিল। আর মৃতদের মধ্যে মোংরা পোর্ট পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সহ বর পরিবারের ৯ জন, কনে পরিবারের ৩ জন ও ড্রাইভার নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি ৪ জনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। আহত আরও বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রামপালে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ১২ জনের মধ্যে ১১ জনই একই পরিবারের সদস্য এবং তারা সবাই মোংলা পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে রূপ নেওয়ায় নিহতের বাড়িতে এখন শোকের মাতম চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ রিপোর্ট রেখা পর্যন্ত পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার কাজ শেষ করে বর্তমানে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

  • অস্ত্র ও গুলিসহ সুন্দরবনের জলদস্যু আটক

    অস্ত্র ও গুলিসহ সুন্দরবনের জলদস্যু আটক

    এবিএনএ,মোংলা: সুন্দরবনের জলদস্যু করিম শরিফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ( প্রধান সহকারী) ওসমান গনিকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে শেলা নদীর মুর্তির খাল থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

    কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে কুখ্যাত জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের শেলা নদী সংলগ্ন মূর্তির খাল এলাকায় অবস্থান করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৬টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালীন সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণিকে আটক করা হয়।

    এসময় ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১টি একনলা বন্দুক, ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড।

    আটককৃত জলদস্যু ওসমান গণি (৩৮) সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে এবং দস্যু দলকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করতো বলে জানায় কোস্ট গার্ড।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, জব্দকৃত অস্ত্র ও আটককৃত দস্যুকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মোংলা থানায় হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।