Category: বাংলাদেশ

  • লোকালয়ে ছাগল গিলে ফেলেছিল বিশাল অজগর! সুন্দরবনে অবমুক্ত

    লোকালয়ে ছাগল গিলে ফেলেছিল বিশাল অজগর! সুন্দরবনে অবমুক্ত

    এবিএনএ,বাগেরহাট: সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে এসে আস্ত ছাগল গিলে খেয়ে ঝোপের মধ্যে পড়ে ছিল বিশাল এক অজগর। ছাগলের মালিক তার নিখোঁজ ছাগল খুঁজতে গিয়ে দেখতে পান এই দৃশ্য। পরে সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি) ও কমিউনিটি পেট্রলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যদের খবর দিলে তারা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে। অজগর সাপে ছাগল গিলে খাওয়ার খবর মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত মানুষ জড়ো হন সেখানে। পরে অজগরটি সুন্দরবেন অবমুক্ত করে বনবিভাগ।

    সুন্দরবনের ওয়াইল্ড টিমের শরণখোলা ফিল্ড ফেসিলিটেটর মো. আলম হাওলাদার জানান, দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের দিনমজুর সোহরাব ফরাজীর পোষা ছাগলটি আগেরদিন সোমবার বাড়ির কাছাকাছি বনসংলগ্ন চরে ঘাস খেতে যায়। কিন্তু ওইদিন ছাগলটি আর ফিরে আসেনি। পরেরদিন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনের কাছাকাছি একটি ঝোপের মধ্যে ছাগল খেয়ে অজগরটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে ভিটিআরটি ও সিপিজি সদস্যরা গিয়ে অজরটি উদ্ধার করে বনবিভাগের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়িতে হস্তান্তর করেন। সুন্দরবন থেকে অজগরটি খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে এসেছিল। ১৮ ফুট লম্বা অজগরটির ওজন প্রায় ৫০ কেজি। আর গিলে খাওয়া ছাগলটির ওজন হবে ২০ কেজির মতো। ছাগলটি খেয়ে অজগরটি নড়াচড়া করতে পারছিল না।

    সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম জানান, ছাগল খেয়ে অজগরটি কিছুটা অসুস্থ ছিল। তবে সতর্কতার সাথে অজগরটি উদ্ধার করেন প্রশিক্ষিত পরিবেশ কর্মীরা। দুপুর ১টার দিকে অজগর সাপটি সুন্দরবনের দাসের ভারাণী টহল ফাঁড়ির বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ,মোংলা : সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর ১ সক্রিয় সদস্য আটক।

    মঙ্গলবার ১০ মার্চ  বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর এক সদস্য রসদ সরবরাহের নিমিত্তে সুন্দরবনে গমন করবে।  তথ্যের ভিত্তিতে  ১০ মার্চ  মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও আউটপোস্ট নলিয়ান কর্তৃক দাকোপ থানাধীন শিবসা নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন ওই এলাকা হতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দয়াল বাহিনীর অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহকারী আব্দুল হালিমকে আটক করা হয়।

    পরবর্তীতে আটককৃত ডাকাতের তথ্যের ভিত্তিতে, আজ দুপুর ১টায় দাকোপ থানাধীন টাকাতোলা খাল সংলগ্ন এলাকা হতে ১টি একনলা বন্দুক ও ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়।

    আটককৃত ডাকাত আব্দুল হালিম (৩৬) সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা। সে দীর্ঘদিন যাবৎ দয়াল বাহিনীর সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে সহযোগিতা করে আসছিলো।

    জব্দকৃত আলামত ও আটককৃত ডাকাতের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা দস্যুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    এবিএনএ,মোংলা : মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাসের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় শতশত নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ রাজারে বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। এ মানববন্ধনে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নারী-পুরুষেরা অংশ নেন।

    মানববন্ধন শেষে সেখানে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা যুবদল নেতা শেখ জিহাদুল ইসলাম মৃদুল, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনি পাটোয়ারী, উপজেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক নুর নাহার বেগম।
    এ সময় বক্তারা বলেন, হাবিব একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। সে এখানকার ঘের ও জমি দখল করছে। তেল পাম্প, হোটেল ও দেকানপাট থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা নিচ্ছে। আর সে প্রতিনিয়ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় থাকে। স্থানীয় নারীদেরকে কুপ্রস্তাবসহ গালিগালাজ ও অপমান অপদস্ত করে থাকে। এই চাঁদাবাজকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সভাপতির পদ থেকে বহিস্কৃত করতে হবে। অন্যথায় আমরা বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের মোংলা-রামপালের এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোনভানেই চাঁদাবাজী, দখল, সন্ত্রাসী ও মাদক বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই, চাঁদাবাজ হাবিবকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার চাই।
  • বাগেরহাটে কিশোরীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, অপমানে বিষপান—হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

    বাগেরহাটে কিশোরীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, অপমানে বিষপান—হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অপমান ও লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নে বসবাসকারী এক দশম শ্রেণির ছাত্রীকে একা পেয়ে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে এক যুবক। ভুক্তভোগী ছাত্রীটি রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং একটি হাইস্কুলের শিক্ষার্থী।

    অভিযোগ রয়েছে, একই ইউনিয়নের মহসিন সরদারের ছেলে রোহান (২০) সুযোগ পেয়ে ওই কিশোরীর ওপর জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। এ সময় কিশোরী চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে অভিযুক্ত দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

    ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কিশোরী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। সামাজিক অপমান ও লোকলজ্জার আশঙ্কায় রোববার (৯ মার্চ) সকালে সে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

    পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, কিশোরীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তারা মৌখিকভাবে শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • শরণখোলায় আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষকের বাড়ি, মুহূর্তেই ছাই সবকিছু

    শরণখোলায় আগুনে পুড়ে গেল শিক্ষকের বাড়ি, মুহূর্তেই ছাই সবকিছু

    এবিএনএ,শরণখোলা (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক শিক্ষকের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    রবিবার (৮ মার্চ) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো ঘরটি দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে এবং ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদের ছেলে এবং এসবি তাফালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আবু সালেহের বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় তার স্ত্রী শিশুদের জন্য রান্না করতে চুলা জ্বালিয়েছিলেন। পরে তিনি অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লে রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পরবর্তীতে আগুন দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। ঘরের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ও ফ্রিজ বিস্ফোরণের মতো শব্দে ফেটে যাওয়ায় আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষক আবু সালেহ জানান, আগুনে তার শিক্ষাগত সনদপত্র, চাকরির নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র, জমির দলিল, নগদ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা, তার স্ত্রী ও মায়ের স্বর্ণালংকারসহ অনেক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    শরণখোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা আফতাব ই আলম বলেন, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তবে এলাকার রাস্তা সরু হওয়া এবং আশপাশের খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা সমস্যা হয়।

    এদিকে সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বালতি দিয়ে পানি এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিস এলেও পানির সংকটের কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হয়।

    শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান বলেন, ঘটনাটি তিনি জেনেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

  • বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনে বিশৃঙ্খলা: নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি র‍্যালি, ক্ষোভ অংশগ্রহণকারীদের

    বাগেরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনে বিশৃঙ্খলা: নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি র‍্যালি, ক্ষোভ অংশগ্রহণকারীদের

    এবিএনএ,বাগেরহাট : বাগেরহাটে নানা অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে কর্মসূচি শুরু হওয়ায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

    রবিবার (৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে নারী দিবস উপলক্ষে একটি র‍্যালি বের হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও র‍্যালি শুরু হয়নি। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে নিজের গাড়িতেই অপেক্ষা করতে থাকেন।

    পরে জেলা প্রশাসক উপস্থিত হলে সকাল প্রায় ১০টার দিকে র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার কথা থাকলেও মাত্র প্রায় ২৫০ গজ পথ অতিক্রম করে স্বাধীনতা উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    এরপর সেখানে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাদিয়া ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) অনুপ দাস, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু রিয়াদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. আতিয়া খাতুন এবং বাগেরহাট মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহেলা পারভীনসহ অন্যান্যরা।

    তবে অনুষ্ঠানস্থলে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বসার কোনো আলাদা ব্যবস্থা না থাকায় সাংবাদিকদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা যায়।

    র‍্যালি ও আলোচনা সভা চলাকালে কয়েকটি স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তাদের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিও তৈরি হতে দেখা যায়।

    র‍্যালিতে অংশ নিতে আসা কয়েকজন নারী জানান, রমজান মাস হওয়ায় সকালেই অনেক দূর থেকে এসে দীর্ঘ সময় রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু হলে এ ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হতো না।

    এসব বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। একই সঙ্গে সংবাদকর্মীরাও আয়োজনে নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    এ বিষয়ে বাগেরহাট মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহেলা পারভীন বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবসের কর্মসূচি কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে বড় ধরনের কোনো অব্যবস্থাপনা হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকরা অনেক সময় ছোট বিষয়কে বড় করে তুলে ধরেন।” পরে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

  • মোংলার বাজারে মিলল বিরল ‘গোলপাতা’ মাছ, কেজি ৫০০ টাকাতেও কিনতে ভিড় ক্রেতাদের

    মোংলার বাজারে মিলল বিরল ‘গোলপাতা’ মাছ, কেজি ৫০০ টাকাতেও কিনতে ভিড় ক্রেতাদের

    এবিএনএ,মোংলা : সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় তিন মণ ওজনের বিরল প্রজাতির দুটি গোলপাতা মাছ। এই মাছটির বৈজ্ঞানিকভাবে নাম সেইল ফিস। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে মোংলার প্রধান মাছ বাজারের রাইজিং ফিস আড়তে জেলেরা মাছটি নিয়ে আসেন। এ সময় মাছটি একনজর দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

    পরে নিলামের মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন রমজান মিঞা নামের এক মাছ ব্যবসায়ী।

    বাজারে আসা খায়রুল আলম নামে এক ব্যক্তি বলেন, মোংলা বাজারে সব সময় এত বড় মাছ আসতে দেখা যায় না। সকালে জেলেরা ট্রলার থেকে মাছটি নিয়ে এলে মাছটি এক নজর দেখতে আসি’।

    এমরান শেখ নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি এত বড় গোলপাতা মাছ আগে কখনো দেখিনি’।

    মাছ ব্যবসায়ী রমজান মিঞা বলেন, মোংলা বাজারে বড় মাছ উঠলে আমি কেনার চেষ্টা করি। সকালে রাইজিং ফিস আড়তে মাছ দুটি উঠানো হলে ডাকের মাধ্যমে আমি ২৪ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। মাছ দুটি প্রায় ১৫ ফুট লম্বা। মাছটি কেটে ৫০০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি করছি। সুস্বাদু মাছ হিসেবে স্থানীয় বাজারে এর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে বলে জানান তিনি।

    মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের গোলপাতা মাছ বলতে মূলত বঙ্গোপসাগরে পাওয়া বিরল প্রজাতির সেইল ফিশ (Sailfish) বা গোলপাতা মাছ কে বোঝায়, যা দেখতে গোলপাতার মতো চ্যাপ্টা বা বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয়রা এই নাম দিয়েছেন।

    এটি বিশাল ওজনের সামুদ্রিক মাছ, যা সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মাঝে মাঝে জেলেদের জালে ধরা পড়ে।  এটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দ্রুতগামী সামুদ্রিক মাছ, যা সাধারণত গভীর সমুদ্রে বাস করে। এর শরীর চ্যাপ্টা ও পিঠের দিকে বড় একটি পাখনার মতো অংশ থাকে, যা দেখতে গোলপাতার ফলের মতো বা বড় পাতার আকৃতির হয় বলেও জানান তিনি।

  • স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    এবিএনএ: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড বাজার কমিটির অফিসে ডেকে নিয়ে রুপশ্রী জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী অপু কর্মকার (৫২) নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও বাজার কমিটির সহ-সম্পাদক মামুন শেখের বিরুদ্ধে। শুধু মারধরই নয়, ভুক্তভোগী অপু কর্মকারের স্বর্ণের দোকানে বাজার কমিটির সিল সম্বলিত তালাও লাগিয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত ওই নেতা। এ বিষয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।

    অভিযোগকারী অপু কর্মকার জানান, সাইনবোর্ড বাজারে প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি স্বর্ণের ব্যবসা করছেন। বাজারে তার মালিকানাধীন আরও তিনটি দোকান ভাড়া দেওয়া আছে। জাতীয় নির্বাচনের ঠিক ১০ দিন আগে থেকেই মামুন শেখ ওই ভাড়াটিয়াদের কাছে ভাড়া চাইতে শুরু করেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একবার মীমাংসা হলেও, সম্প্রতি মামুন আবারও নতুন করে ভাড়া দাবি করেন।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে অপু কর্মকার বলেন, “ভাড়া দিতে নিষেধ করায় মামুন লোক পাঠিয়ে আমাকে বাজার কমিটির অফিসে ডেকে নেয়। ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেনের কাছে কেন নালিশ করেছি—এই অজুহাতে আমাকে মারপিট শুরু করে। মামুন মারতে মারতে আমাকে নিয়ে দোকানের সামনে আসে এবং দোকানে ঢুকেও আমাকে আবার মারে। শেষে আমার দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়।”

    “আমার স্বামী একজন নিরীহ ব্যবসায়ী। গায়ের জোরে তার দোকান থেকে ভাড়া তুলে নিতে চায়। ভাড়া দিতে নিষেধ করায় তাকে মারধর করেছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”— অর্পিতা কর্মকার, ভুক্তভোগীর স্ত্রী

    তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিএনপি নেতা ও বাজার কমিটির সহ-সম্পাদক মামুন শেখ। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, অপু কর্মকারের ছোট ভাই সঞ্জয় স্বর্ণকার স্ত্রীকে ফেলে পালিয়ে গেছেন। সঞ্জয়ের স্ত্রী বাজার কমিটিতে অভিযোগ দিলে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে বিষয়টি দেখভাল করছিলেন।

    মামুন শেখ বলেন, “দোকানের ডিড বা মালিকানা দলিল সঞ্জয়ের নামে। তাই আমি রায় দিয়েছি যে সঞ্জয়ের অবর্তমানে ভাড়ার টাকা তার স্ত্রী পাবেন। এটা বলার পরেই অপু কর্মকার আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাকে মারপিট করা হয়নি, কথা বলার সময় হয়তো দু-একটি ধাক্কা লেগেছে।”

    ***

    এদিকে অভিযুক্ত নিজ দলের নেতা হলেও তার কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাজার কমিটির সভাপতি ও রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মামুন শেখ একজন ব্যবসায়ীকে এভাবে মারধর ও দোকানে তালা দিতে পারে না। এটি ক্ষমতার অপব্যবহার। এ বিষয়ে আমরা জরুরি সভা আহ্বান করেছি এবং সেখানে আলোচনা সাপেক্ষে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

    এ বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান জানতে চাইলে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান জানান, স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    প্রেক্ষাপট

    ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের কতিপয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠছে। দলের হাইকমান্ড এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গত ১১ মাসে সারা দেশে প্রায় ৫,০০০ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। বাগেরহাটের এই ঘটনাটিও দলের ভাবমূর্তির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: বিএনপি নেতা শেখ আল মামুনের দাবি

    চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: বিএনপি নেতা শেখ আল মামুনের দাবি

    বাজার কমিটির সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত অপপ্রচারের অভিযোগ

    এবিএনএ: স্থানীয় বাজার কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপি নেতা শেখ আল মামুনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি। একটি পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরোধ মীমাংসার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তিনি এই অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন বলে জানান।

    শেখ আল মামুন বলেন, “সাম্প্রতিক ঘটনার জের ধরে গত কয়েকদিন একটি মহল আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে আমি চাঁদাবাজির জন্য অপু স্বর্ণকারকে মারধর করেছি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

    অভিযোগের পেছনের ঘটনা

    মামুন জানান, অপু স্বর্ণকারের ছোট ভাই সঞ্জয় স্বর্ণকারের স্ত্রী বাজার কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সঞ্জয় স্বর্ণকার বিয়ের পর তার স্ত্রীকে এলাকায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    বিষয়টি বাজার কমিটির পক্ষ থেকে যাচাই-বাছাই করা হলে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট দোকানের মালিকানা সঞ্জয় স্বর্ণকারের নামেই রয়েছে এবং দোকানের ডিড ডকুমেন্টও তার সঙ্গেই সম্পৃক্ত।

    বাজার কমিটির সিদ্ধান্ত

    পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ভাড়াটিয়াদের নির্দেশ দেওয়া হয় যে, সঞ্জয় স্বর্ণকার ফিরে না আসা পর্যন্ত দোকানের ভাড়া তার স্ত্রীকে প্রদান করতে হবে। এটি ছিল বাজার কমিটির একটি সাময়িক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।

    মামুন বলেন, “আমরা শুধু ডিড ডকুমেন্ট অনুযায়ী ন্যায্য সিদ্ধান্ত দিয়েছি। সঞ্জয় অনুপস্থিত থাকায় তার পরিবারের সদস্য হিসেবে তার স্ত্রীকে ভাড়া দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    অপপ্রচারের অভিযোগ

    শেখ আল মামুনের অভিযোগ, বাজার কমিটির এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার শুরু করে।

    তিনি বলেন, “একদিন বাজারে এসে তিনি আমার অফিসে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করেন এবং বাজার কমিটির সিদ্ধান্ত অস্বীকার করে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ সময় সামান্য বাকবিতণ্ডা হলেও কোনো ধরনের মারধর বা চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি।”

    ‘চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নই’

    শেখ আল মামুন আরও বলেন,
    “আমি কখনোই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নই। বাজার কমিটির দায়িত্ব পালন করে একটি ন্যায্য সিদ্ধান্ত দেওয়ার কারণেই আমাকে লক্ষ্য করে এই মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”

    স্থানীয়দের মতামত

    স্থানীয় কয়েকজনের মতে, বাজার কমিটির পক্ষ থেকে দেওয়া সিদ্ধান্তটি ছিল পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে যে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

    অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান

    এ বিষয়ে শেখ আল মামুন সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

  • শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগের দাবিতে প্রতিবাদ

    শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগের দাবিতে প্রতিবাদ

    এবিএনএ: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র আবৃত্তি বিভাগ প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রতিবাদী আবৃত্তি ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন আবৃত্তি শিল্পী ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তারা মনে করেন, আবৃত্তি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলেও এখনো রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে এ শিল্পচর্চার জন্য আলাদা বিভাগ গড়ে ওঠেনি।

    রাজধানীতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন আবৃত্তি সংগঠনের শিল্পী, প্রশিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচির শুরুতে কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদী আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আবৃত্তি শিল্পের বিকাশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

    বক্তারা বলেন, নাটক, সংগীত ও নৃত্যের মতো আবৃত্তিও বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অথচ শিল্পকলা একাডেমিতে এ শিল্পচর্চার জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিভাগ নেই। ফলে প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং নতুন শিল্পী তৈরির কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    তাদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একটি পূর্ণাঙ্গ আবৃত্তি বিভাগ চালু করা হোক। এ বিভাগ চালু হলে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, উৎসব এবং গবেষণার মাধ্যমে আবৃত্তি শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আবৃত্তি শিল্পীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এ দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এখনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হয়েছেন। ভবিষ্যতেও দাবি আদায়ে সাংস্কৃতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দেন।