Category: ধর্ম

  • ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের সাত মুসল্লির মৃত্যু

    ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের সাত মুসল্লির মৃত্যু

    এবিএনএ : পর্বের ইজতেমা শুরুর পর দ্বিতীয় দিন শনিবার সকাল পর্যন্ত তাদের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ। অসুস্থ্য ও বার্ধক্যজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি সা’দ কান্ধলভির অনুসারীদের এ পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন। গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ স্থাপিত কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে রংপুরের ওসমান পুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে হুমায়ুন কবির শ^াসকষ্ট জনিত কারণে মারা গেছেন। অপর মুসল্লি ঝিনাইদহের কালাহাট গোপালপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে আ ফ ম জহুরুল আলম মারা গেছেন স্ট্রোক করে। সকালে তাদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর  সাড়ে ছয়টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান গাইবান্ধ্যার কামালের হাট গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুস সোবহান। এছাড়া শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যা নোয়াখালীর আজিমনগর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মো. মনির উদ্দিন। ইজতেমা ময়দানে তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

  • একত্রে ইজতেমা করার আহ্বান ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর

    একত্রে ইজতেমা করার আহ্বান ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর

    এবিএনএ : আগামীতে আবার একত্রে (দুই গ্রুপ একসঙ্গে) সুন্দরভাবে বিশ্ব ইজতেমা করার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।তিনি বলেন, ‘‘ছোটখাট ভুলক্রটি যদি থাকে, এগুলো সমাধান করে আগামীতে আবার একত্রে সুন্দরভাবে ইজতেমা হোক, এটা সকলের কাছে আমার আবেদন।’’

    বৃহস্পতিবার দুপুরে টঙ্গীর ইজতেমাস্থলে হামদার্দ ওয়াকফ বাংলাদেশ লিমিটেডের ফি মেডিকেল ক্যাস্প উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। আগামীকাল শুক্রবার শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথমপর্ব। এ পর্বে মাওলানা জুবায়ের অনুসারী মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথমপর্ব। পরে চারদিন বিরতি দিয়ে ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা। এতে মাওলানা সা’দ অনুসারী মুসল্লিরা অংশ নেবেন।

    গত কয়েক বছর দুই পর্বে দুই মতের অনুসারীরা ইজতেমা করছেন। এর আগের বছরগুলোতে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হলেও সবাই একত্রে অংশ নিতেন। ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিশ্ব ইজতেমা বিশ্বের কাছে পবিত্র জমায়েত। বিদেশে বিশ্ব ইজতেমা মানে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ন্যামে খ্যাত। ইসলামের মৌলিক বিষয়ে কোনো পার্থক্য নেই। তাবলিগ যারা করেন, তারা নিঃস্বার্থভাবে করেন। সবার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে।’’

    হামদার্দ ওয়াকফ বাংলাদেশ লিমিটেডের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়াম্যান গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, ধর্মমন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম।

  • ঈদে মিলাদুন্নবী ১০ নভেম্বরঈদে মিলাদুন্নবী ১০ নভেম্বর

    ঈদে মিলাদুন্নবী ১০ নভেম্বরঈদে মিলাদুন্নবী ১০ নভেম্বর

    এবিএনএ: বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪১ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে।  ফলে বুধবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস শুরু হচ্ছে। সে হিসেবে ১০ নভেম্বর সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম সচিব ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সহ-সভাপতি মো. আনিছুর রহমান। এতে ওয়াকফ প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মীর মো. নজরুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) মো. খলিলুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন/অর্থ) মো. জহিরুল ইসলাম মিয়া, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন, ঢাকা জেলার এডিসি (জেনারেল) মো. শাহিদুজ্জামান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাহ মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রহমান, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. হারুন অর রশিদ,বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় ১৪৪১ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ২৯ সফর ১৪৪১ হিজরি, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ উঠেছে।

  • পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ত, তাসবীহ, দোয়া ও মোনাজাত ।

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ত, তাসবীহ, দোয়া ও মোনাজাত ।

    এবিএনএ: নামাজ ইসলাম ধর্মের প্রধান ইবাদত। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত (নির্দিষ্ট নামাযের নির্দিষ্ট সময়) নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক বা ফরয্‌। নামায ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। শাহাদাহ্‌ বা বিশ্বাসের পর নামাযই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাই সকলের জন্য সঠিক ভাবে নামাজ আদায় করা আবশ্যক। জেনে নিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ত ও বাংলায় মোনাজাত।

    ফজরের নামাজ

    ফজরের ২ রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তাআলা মুতাও য়াজজিহান্ ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আক্বার।)

    ফজরের ২ রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল ফাজরি, ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    বিশেয় দ্রষ্টব্যঃ  ইমামতি করিতে-আনা ইমামুল্লিমান হাজারা ও মাইয়্যাফজুরু সহ মুতাওয়াজ্জিহান বলতে হবে আর ইমামের পিছনে নামাজ পড়িতে হলে বলতে হবে(এক্তাদাইতু বিহা-যাল ইমামি মুতা ওয়াজ্জিহান…)

    জোহরের নামাজ

    জোহরের নাময মোট ১২ রাকাত। সূর্য মাথার উপর হইতে পশ্চিম্ দিকে একটু হেলিয়া পড়িলেই জোহরের নামাযের ওয়াক্ত আরম্ভ হয় এবং কোন কিছুর ছায়া দ্বিগুণ হইলে জোহরের ওয়াক্ত শেষ হইয়া যায়।

    জোহরের ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি সুন্নাতু রাসুলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। )

    জোহরের ৪ রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি সালাতিজ জোহরি ফারজুল্লাহি তাআলঅ মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    জোহরের ২ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতাই সালাতিজ জোহরি সুন্নাতি রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    জোহরের ২ রাকায়াত নফল নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল নাফলি মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    আছরের নামাজ

    আছরের নামায মোট ৮ রাকাত। কোন লাকড়ির ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার পর হইতে সূর্যাস্তের ১৫/২০ মিনিট পূর্বে পর্যন্ত আছরের নামাযের সময় থাকে।

    আছরের চার রাকায়াত সুন্নাত নামাযের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকায়াতি সালাতিল আছরি ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    মাগরিবের নামাজ

    মাগরিবের নামায মোট ০৭ রাকায়াত। সূর্যাস্তের পর হইতে মাগরিবের নামাযের সময় হয় মাগরিবের ওয়াক্ত অতি অল্পকাল স্থায়ী।

    মাগরিবের ৩ রাকায়াত ফরজ নামাযের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকয়াতি সালাতিল মাগরিব ফারজুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    মাগরিবের ২ রাকায়াত সুন্নাত ফরজ নামাযের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকয়াতাই সালাতিল মাগরিবি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)
    উক্ত দুই রাকায়াত সুন্নত নামায শেষ হইলে দুই রাকয়াত নফল নামাজ পরিবেন।

    এশার নামাজ

    এশার ৪ রাকায়াত সুন্নত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি সুন্নাতু রাসূলিল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    এশার চার রাকায়াত ফরজ নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইত ুআন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা আরবাআ রাকয়াতি এশায়ি ফারজুল্লা-হি তায়ালা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

    এশার দুই রাকায়াত সুন্নাত নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা রাকায়াতি সালাতিল এশায়ি সুন্নাতু রাসুূলিল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    তিন রাকায়াত বেতের নামাজের নিয়ত

    বাংলায় : (নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তাআলা ছালাছা রাকায়াতি সালাতিল বিতরি ওয়াজিবুল্লা-হি তাআলা মুতাওয়াজজিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।)

    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের তাসবিহ

    ১। ফজরের নামাজের তাসবিহ
    বাংলায় : (হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।)-তিনি চির জীবিত ও চিরস্থায়ী।
    ২। জোহরের নামাজের তাসবিহ
    বাংলায় : (হুয়াল আলিইয়্যাল আজীম)-তিনি শ্রেষ্ট্রতর অতি মহান।
    ৩। আছরের নামাজের তাসবিহ
    বাংলায় : (হুয়ার রাহমা- নুর রাহীম)-তিনি কৃপাময় ও করুনা নিধান।
    ৪। মাগরিবের নামায পড়ে পরিবার তাসবিহ
    বাংলায় : (হুয়াল গাফুরুর রাহীম)- তিনি মার্জনাকারী ও করুণাময়।
    ৫। এশার নামায পড়ে পরিবার তাসবিহ
    বাংলায় : (হুয়াল্ লাতিফুল খাবীর)- তিনি পাক ও অতিশয় সতর্কশীল।

    সালাম বাংলায় : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। )

    মোনাজাত বাংলায় :

    (রাব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাওঁ ওয়াফিল আখিরাতি হাছানাতাওঁ ওয়াকিনা আজাবান্নার। ওয়া সাল্লাল্লাহু- তাআলা আলা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ-লিহি ওয়াআছহাবিহী আজমায়ীন। বিরাহমাতিকা ইয়া আরিহামার রাহিমীন।)

    বিঃ দ্রিঃ কেহ যদি ভুলিয়া কেবলা ঠিক করিতে না পারে তবে নিজের বিবেক যেই দিকে সাক্ষ্য যে, সেই দিকে মুখ করিয়া নামায পরিবে।

  • এবার উপমহাদেশের সর্ব বৃহৎ বাগেরহাটের হাকিমপুর শিকদার বাড়ী দূর্গা মন্দিরে ৮০১ প্রতিমা

    এবার উপমহাদেশের সর্ব বৃহৎ বাগেরহাটের হাকিমপুর শিকদার বাড়ী দূর্গা মন্দিরে ৮০১ প্রতিমা

    বাগেরহাট থেকে কামরুজ্জামান শিমুল : উপমহাদেশের সর্ব বহৎ বাগেরহাটের হাকিমপুর শিকদার বাড়ীর দূর্গা মন্দিরে প্রতিমা তৈরী ও সাজ সজ্জার কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। এ বছর মন্দিরে১০০টি প্রতিমা বৃদ্ধি করে ৮০১ টি প্রতিমা প্রদর্শন করা হবে। সাথে থাকবে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। জানাগেছে, গত ১লা বৈশাখ থেকে ২০ জন ভাস্কর দিন রাত পরিশ্রম করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করবে। ভক্তদের মনকে পুলকিত করার জন্য বিশ্বামিত্রের সংগে শ্রীরাম লন, রংগ ভুমিতে দুই রাজকুমার, তাড়কা সংহরি, চার কুমারের বিবাহ, পিতার বাক্য পালন।, সিতার উপদেশ বন গমন ও চিত্রকুটের শোভা সহ নানান কাহিনী নিয়ে রুপায়িত হচ্ছে শিকদার বাড়ীর মন্দির। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, শিল্পপতি লিটন শিকদারের স্বর্গীয় পিতা দুলাল শিকদারের আত্মার শান্তির জন্য এবছর আরও ১০০ টি প্রতিমা বৃদ্ধি করেছে।
  • একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হল ৪ যমজ বোন

    একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হল ৪ যমজ বোন

    এবিএনএ: ফিলিস্তিনের জেরুসালেমে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হল যমজ চার বোন। মেধা, স্মৃতিশক্তি ও পড়াশোনায় তারা অনন্য। জেরুসালেমের নিকটস্থ উম্মে তুবা গ্রামে তাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা।ওই যমজ চার বোনের নাম হচ্ছে—দিনা, দিমা, সুসান ও রাজান। তাদের বয়স এখন আঠারো। একসঙ্গে তাদের পাঠশালায় যাওয়া ও পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। ফিলিস্তিনে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই চার বোন কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের স্কুলের নাম জেরুসালেম সুরবাহার আবু বকর সিদ্দিক গার্লস স্কুল। সেখান থেকে তারা এই বছর মাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যথাক্রমে ৯৩.৯, ৯২.১, ৯১.৪ এবং ৯১.১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

    তাদের মা নাজাহ আল-শুনাইতি। তিনি জানান,আমার এই চার সন্তান যমজ হওয়ায় তাদের প্রায় সবকিছুতে মিল রয়েছে।তাদের পড়াশোনা ও জ্ঞানভিত্তিক তাড়নায় নিজেই অবাক হন নাজাহ। চার হাফেজ সন্তানের জননী আরও বলেন, আমার এই চার সন্তানের মধ্যে অদ্ভুদ কিছু মিল রয়েছে। শৈশব থেকেই তারা একসঙ্গে থাকত, সব কাজ করত, অসুস্থ হতো, সুস্থ হতো, খেলাধুলা করত, একইরকম পোশাক পরতে চাইত। চারজনেরই কালো রং পছন্দ এবং ‘কিব্বা’ ও ‘লাসগিনা’ তাদের প্রিয় খাবার। ফুটবল, বাস্কেটবল এবং ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ‘দাবাকা’ও পছন্দ করে চারজন। বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়া চারজনের স্বপ্ন। তাই তাদের গ্রামের মসজিদে পাঠানো হয় কোরআন হিফজ করতে। নামাজ পড়ার জন্য একই রকমের পোশাকও কিনে দেয়া হয়।

    সংবাদমাধ্যমকে নাজাহ জানান, তারা যখন ছোট ছিল তখন তাদের চারজনকে ভিন্ন ভিন্নভাবে চিনতে কষ্ট হতো। তাই চিনতে সহজ হওয়ার জন্য তিনি তাদের হাতে আলাদা রঙের উলের সুতা পরিয়ে দিতাম।তবে এখন আর তাদের চিনতে কষ্ট হয় না। কণ্ঠস্বর শুনেই আলাদা আলাদাভাবে তাদের চেনা যায়। তবে এই চার হাফেজের জন্মের সময় চিকিৎসকরা নাজাহকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এই চার যমজের দুইজনকে গর্ভপাত করে ফেলতে। কিন্তু গর্ভের সপ্তম মাসে চার বোনই সুস্থ অবস্থায় জন্ম নেয়। নাজাহ বলেন, ছয় সন্তানের পর এই চার মেয়ে তার জীবন ‘আলোকিত’ করেছে।

    যেভাবে কোরআনের হিফজ শুরু

    হাফেজ দিনা সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে তাদের পড়াশোনা সম্পর্কে জানান।তিনি বলেন, তেরো বছর বয়সে একসঙ্গে চার বোন কোরআন হিফজ শুরু করি। এলাকার ‘মারকাজ আবদুল্লাহ বিন মাসউদে’ কোরআন হিফজ শুরু করি। সতেরো বছর বয়সে তাদের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই কোরআনের পূর্ণ হিফজ সম্পন্ন করি।

    দিমা আরও জানায়, কোরআন হিফজ তাদেরও তেজস্বী ধী-শক্তি দিয়েছে। ইসলামী শিষ্টাচার ও আরবিভাষায় তাদের সাহায্য করেছে। অধ্যয়ন-অধ্যাবসায় ও সময়ের ব্যবস্থাপনায় বরকত তৈরি করেছে। ফিলিস্তিনের প্রসিদ্ধ কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বা প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া স্বপ্ন দেখেন তারা। তাদের বাবা মারয়ি-আল-শুনাইতির স্বপ্ন, এই চার সন্তানের অধ্যয়নের জন্য বড় কোনো স্কলারশিপ যোগাড় করতে পারবেন। যা তিনি তাদের পড়াশোনা বাবদ এবং তাদের স্বপ্ন পূরণে খরচ করতে পারবেন

  • জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, কোরবানির ঈদ ১২ আগস্ট

    জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, কোরবানির ঈদ ১২ আগস্ট

    এবিএনএ : দেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসেবে ১০ আগস্ট (শনিবার) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।পরদিন ১১ আগস্ট (রবিবার) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এ অনুযায়ী ১২ আগস্ট (সোমবার) বাংলাদেশসহ উপমহাদেশীয় অঞ্চলে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হবে।

    শুক্রবার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রথমে খুলনায় হিজরি সনের শেষ ও হজের মাস জিলহজের চাঁদ দেখা যায় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন।

    তিনি বলেন, সন্ধ্যায় জেলা স্টেডিয়াম এলাকা থেকে আমরা আকাশে জিলহজের চাঁদ দেখতে পাই।

    এদিকে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন করে চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়টি জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (০১ আগস্ট) সৌদি আরবের তুমাইর এলাকায় জিলহজ মাসের চাদঁ দেখা যায় বলে জানায় দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি। তাই সেখানে শুক্রবার থেকে জিলহজ মাসের গণনা শুরু হয়েছে। এর ফলে ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এ দিন সন্ধ্যার পরপরই মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন হাজিরা।

    শুক্রবার (০৯ আগস্ট) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সে দিন রাতে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। পরদিন আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুৎবা দেওয়া হবে।

    হজের খুৎবা শেষে সেখানে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা। সে দিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন বিভিন্ন দেশ থেকে হজ সফরে যাওয়া বিভিন্ন দেশের  হজযাত্রীরা। রোববার ফজরের নামাজ শেষে বড় জামারায় (প্রতীকী বড় শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দেবেন তারা।

    এ বছর বাংলাদেশ থেকে হজ করতে সৌদি আরবে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন যাওয়ার কথা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ ব্যালটি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৬ হাজার ৪০১ নন-ব্যালটি হজ করতে যাচ্ছেন। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৫ লাখ হজ পালনার্থীর সৌদি আরবে পৌঁছার কথা।

  • সৌদি আরবে ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    সৌদি আরবে ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

    এবিএনএ : সৌদি আরবে হজ পালন করতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৬ বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ হজ ম্যানেজম্যান্ট পোর্টালের বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ এবং দুজন নারী রয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ হজযাত্রী মক্কায়, দুজন মদিনায় এবং একজন জেদ্দায় মৃত্যুবরণ করেন।

    সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ফয়েজ উল্লাহ (৬৫)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন মক্কার হজ কাউন্সিলর মাকসুদুর রহমান। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ৮১১ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৬০৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১ হাজার ২০৭ জন সৌদি গেছেন।

  • হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম নেই : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

    হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম নেই : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

    এবিএনএ : হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো অনিয়ম নেই জানিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন, হজযাত্রার শুরুতেই আমি বলেছি অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সেই কথা মতো এখনও সবকিছু ভালো আছে। বিমানের কোনো ফ্লাইট এখন পযর্ন্ত বাতিল হয়নি। আশা করছি সামনে কোনো সমস্যা হবে না। হাজিদের খেদমতে আমরা সচেতন।

    আজ শনিবার সকালে রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হাজিদের বিষয়টি সব সময় খেয়াল রাখেন। তাই এখানে আমাদের ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজে সবকিছু দেখভাল করেন, সেখানে কাজ না করার কোনো উপায় নেই।

    তিনি বলেন, প্রথমদিন হাজিদের এই সুবিধা দিতে না পারলেও দ্বিতীয় দিন থেকে হাজিদের ইমিগ্রেশন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে হাজিদের কষ্ট অনেকাংশে কমে গেছে। আগে সৌদিতে এই ইমিগ্রেশন শেষ করতে সময় লাগতো ৬-৭ ঘণ্টা। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন হজ ক্যাম্পের পরিচালক সাইফুল ইসলাম, হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমসহ আরো অনেকে।

  • চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ

    চাঁদ দেখা যায়নি, বৃহস্পতিবার ঈদ

    এবিএনএ : বাংলাদেশের আকাশে আজ মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামীকাল বুধবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে।

    বাংলাদেশের আকাশে আজ মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামীকাল বুধবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে।

    পরদিন বৃহস্পতিবার শাওয়াল মাস শুরু হবে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।ধর্মীয় পরিভাষায় ঈদুল ফিতরকে পুরস্কার দিবস হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখা বা সিয়ামসাধনার পর বিশ্বের মুসলমানরা এই দিনটি ধর্মীয় কর্তব্য পালনসহ খুব আনন্দের সঙ্গে পালন করে থাকে। সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বৃহস্পতিবার মেতে উঠবে ঈদ আনন্দে, উৎসবে। আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে, ধনী-গরিব- নির্বিশেষে সব মানুষ অংশ নেবে ঈদের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে।

    আজ রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামীকাল বুধবার পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে শাওয়াল মাস শুরু হবে এবং ওই দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

    বাংলাদেশের আকাশে আজ মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামীকাল বুধবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে।
    পরদিন বৃহস্পতিবার শাওয়াল মাস শুরু হবে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।ধর্মীয় পরিভাষায় ঈদুল ফিতরকে পুরস্কার দিবস হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখা বা সিয়ামসাধনার পর বিশ্বের মুসলমানরা এই দিনটি ধর্মীয় কর্তব্য পালনসহ খুব আনন্দের সঙ্গে পালন করে থাকে। সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বৃহস্পতিবার মেতে উঠবে ঈদ আনন্দে, উৎসবে। আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে, ধনী-গরিব- নির্বিশেষে সব মানুষ অংশ নেবে ঈদের ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে।

    আজ রাত ৮টা ৫৬ মিনিটে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। আগামীকাল বুধবার পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করবে। পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে শাওয়াল মাস শুরু হবে এবং ওই দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ।এক মাস সিয়ামসাধনা শেষে মানুষ ঈদ উৎসবে অংশ নিতে উদগ্রীব হয়ে ছিল। উৎসবে অংশ নিতে যে যার সাধ্যমতো কেনাকাটাও করছে। প্রিয়জনকে ঈদ উপহার দিচ্ছে। রাজধানী ফাঁকা হতে শুরু করেছে। ঈদ আনন্দে শরিক হতে ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। প্রিয় মানুষের সঙ্গে একটু দেখা-সাক্ষাৎ, কুশলবিনিময়, পারস্পরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করতে ঘরে ফেরার ভোগান্তির কথা মুহূর্তেই ভুলিয়ে দিচ্ছে। মানুষ এখন উন্মুখ হয়ে আছে সেই ধর্মীয় উৎসবে অংশ নেওয়ার জন্য।

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এইচ এম এরশাদ। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঈদের প্রধান জামাতের নামাজে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা, বিদেশি কূটনীতিক, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ সাধারণ মুসল্লিরা নামাজ আদায় করবেন।

    প্রতিবারের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।

    ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে মুসলমানদের অবশ্যই ফিতরা আদায় করার বিধান রয়েছে। এই বিধান মেনে এবারও ইসলামিক ফাউন্ডেশন সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফিতরার হার নির্ধারণ করে। এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা। সর্বোচ্চ ফিতরার এই হার ধরা হয়েছে এক হাজার ৯৮০ টাকা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, যে কেউ ইচ্ছা করলে সর্বনিম্ন ৭০ টাকা থেকে শুরু করে এক হাজার ৯৮০ টাকা পর্যন্ত ফিতরা প্রদান করতে পারবেন।