Category: ধর্ম

  • পবিত্র লাইলাতুল কদর আজ

    পবিত্র লাইলাতুল কদর আজ

    এবিএনএ : যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর পালিত হবে।
    ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে শবে কদরের রাত হাজার রাতের চেয়ে পুণ্যময়। মহান রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেছেন, ‘হাজার রাতের চেয়েও উত্তম’ পবিত্র শবে কদর সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যময় রজনী। এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত লাভের আশায় ইবাদত বন্দেগিতে সময় কাটাবেন।

    পবিত্র রমজান মাসে এই লাইলাতুল কদরে পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়েছিল। তাই মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা আজ প্রায় সারা রাত ইবাদত বন্দেগি করবেন। এ রাতে মুসলমানেরা নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়াসহ নানা ইবাদতে মশগুল থাকবেন। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘পবিত্র লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে ওয়াজ পেশ করবেন মিরপুর বায়তুল মামুর জামে মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মুকিত আযহারী।

    এছাড়া বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, ধর্মীয় বয়ান ও আখেরি মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে তারাবিহর পর থেকে ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন থাকছে।

  • বিজোড় রাতে শবেকদরের সম্ভাবনা

    বিজোড় রাতে শবেকদরের সম্ভাবনা

    এবিএনএ : রমজান বছরের শ্রেষ্ঠ মাস। এ মাসের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দিন হলো শেষ ১০ দিন। কেননা এ দশকেই রয়েছে পবিত্র শবেকদর। বিশেষ হেকমতের কারণে শবেকদরের দিনক্ষণ ঠিক করে দেওয়া হয়নি। এর মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ইবাদতের প্রতি মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। শবেকদর সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। তুমি কি জান, লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সুরা : কদর, আয়াত : ১-৩)।

    আরবি লাইলাতুল কদরের ফারসি হলো শবেকদর। বাংলায় ভাগ্যরজনী। এটি শ্রেষ্ঠতম রাত। এ রাতের ইবাদতের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় শবেকদরে ইবাদত করবে, তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ৭৬০; বুখারি, হাদিস : ২০১৪)

    যারা এ রাতের রহমত ও বরকত থেকে বঞ্চিত, তারা সবচেয়ে হতভাগা। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা এমন একটি মাস পেয়েছ, যার মধ্যে এমন একটি রজনী রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। যে ব্যক্তি এই পুণ্যময় রাতে বঞ্চিত থাকে, সে সমূহ কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত থাকে। সে খুবই হতভাগা, যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকে। (মিশকাত, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা-১৭৩; ইবনে মাজাহ : দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১২০)

    সুতরাং এই রাতের ফজিলত লাভে সচেষ্ট হওয়া আমাদের সবার কর্তব্য। অন্তত এশা ও ফজরের নামাজ যদি জামাতের সঙ্গে আদায় করা যায়, তবু সারা রাত নামাজ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যাবে। এক হাদিসে এসেছে : ‘যে ব্যক্তি এশা ও ফজর জামাতের সঙ্গে পড়ল সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ল।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৫৬)

    শবেকদর কবে? হাদিস শরিফে এসেছে : ‘তোমরা শেষ দশকের বিজোড় রাতে শবেকদর তালাশ কর।’ (বুখারি, হাদিস : ২০১৭)  নির্দিষ্টভাবে ২৭ রমজানের রাতকে শবেকদর বলা উচিত নয়। কেননা হাদিস শরিফে শেষ দশকের বিজোড় রাতে শবেকদর অন্বেষণ করতে বলা হয়েছে। কোনো কোনো হাদিসে রমজানের শেষ সাত দিনের কথাও এসেছে। হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, কয়েকজন সাহাবি রমজানের শেষ সাত রাতে স্বপ্ন মারফত শবেকদর হতে দেখেছেন। সাহাবিদের এ স্বপ্নের কথা জানতে পেরে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘আমি দেখছি তোমাদের স্বপ্নগুলো মিলে যাচ্ছে শেষ সাত রাতে। সুতরাং কেউ চাইলে রমজানের শেষ সাত রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতে পার।’ (বুখারি ও মুসলিম)

    মূল কথা হলো, শেষ দশকের সব রাতেই যথাসম্ভব বেশি বেশি ইবাদত করা চাই। বিশেষত শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে রমজানের অন্যান্য রাতের তুলনায় বেশি বেশি ইবাদত, নফল নামাজ, তাসবিহ-তাহলিল ও কোরআন তেলাওয়াত করা চাই। শবেকদরের একটি বিশেষ আমল হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, “আমি রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছি, ‘হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমি শবেকদর পেয়ে যাই, তবে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব?’ রাসুল (সা.) বলেন, ‘এই দোয়া পড়বে—আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।” অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাকারী এবং আপনি ক্ষমা করা পছন্দ করেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

  • আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!

    আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!

    এবিএনএঃ আগামী ৪ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা আছে এবং পরদিন ৫ জুন বুধবার পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালিত হবে। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ অ্যাসট্রোনোমিক্যাল সোসাইটির (বিএএস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, আগামী ৩ জুন সোমবার বিকাল ৪টা ২ মিনিটে বর্তমান চাঁদের অমাবস্যা কলা পূর্ণ করে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। চাঁদটি ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা হতে ১ ডিগ্রি নিচে ২৯২ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে। তাই এদিন চাঁদের কোনো অংশই দেশের আকাশে দেখা যাবে না।

    চাঁদটি পরদিন ৪ জুন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সূর্যাস্তের সময় দিগন্ত রেখা থেকে ১১ ডিগ্রি উপরে ২৮৯ ডিগ্রি দিগংশে অবস্থান করবে এবং ৫৮ মিনিট দেশের আকাশে অবস্থান শেষে সন্ধ্যা ৭টা ৪১ মিনিটে ২৯৪ ডিগ্রি দিগংশে অস্ত যাবে। এই সময় চাঁদের ১% অংশ আলোকিত থাকবে এবং দেশের আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকলে একে বেশ স্পষ্টভাবেই দেখা যাবে। এই সন্ধ্যায় উদিত চাঁদের বয়স হবে ২৬ ঘণ্টা ৪০ মিনিট এবং সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৭টা ৮ মিনিটে।

    সুতরাং, ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী আগামী ৪ জুন সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখার সাপেক্ষে আগামী ৫ জুন ২০১৯, বুধবার থেকে আরবি ১৪৪০ হিজরির ‘শাওয়াল’ মাসের গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালিত হবে।

  • এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

    এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা

    এবিএনএঃ এ বছরের জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বায়তুল মোকাররমে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ নিজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া মতে, আটা, খেজুর, কিশমিশ, পনির ও যব-এসব পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা দেওয়া যায়। ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিশমিশ, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

    মুহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, সারাদেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেউ চাইলে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন। পণ্যগুলোর স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

  • সাহরি খাওয়া সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি

    সাহরি খাওয়া সম্পর্কে যা বলেছেন বিশ্বনবি

    রোজার উদ্দেশ্যে ভোর রাতে খাবার গ্রহণই সাহরি। সাহরি খাওয়া সুন্নত। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষণায় সাহরিতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ। অমুসলিমরাও রোজা পালন করে, তাদের রোজায় সাহরি নেই। তাই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহরি গ্রহণ করতে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন।

    সাহরি সম্পর্কে বিশ্বনবির ঘোষণা-
    – ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাও। কেননা, সাহরিতে বরকত রয়েছে।’ (মুসলিম)

    – রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সাহরি খাওয়া বরকতময় কাজ। সুতরাং তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সাহরি কর। কারণ যারা সাহরি খায় আল্লাহ তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।’ (মুসনাদে আহমদ, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা, ইবনে হিব্বান)

    – রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমাদের রোজা এবং আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। (অর্থাৎ মুসলিমরা সাহরি খায় আর ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানরা সাহরি খায় না)।’ (মুসলিম, নাসাঈ)

    সাহরি খাওয়ার সময়
    ভোর রাতের শেষ মুহূর্তে সাহরি খাওয়া উত্তম। তা পেট ভরে খেতে হবে এমন নয় বরং অল্প হলেও তা অনেক বরকত ও কল্যাণের। কারো যদি পেট ভরা থাকে তাহলে তার অন্তত এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি গ্রহণ করা উচিত। হাদিসে এসেছে-

    সাহরি খাওয়ার সময় শুরু হয় মধ্যরাত থেকে। আর শেষ হয় ফজরের আগে। তবে ফজরের আগে তথা শেষ রাতে সাহরি গ্রহণ করাই সর্বোত্তম।

    যদি কেউ মধ্যরাতের আগে খাওয়া-দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়ে; তবে তাকে সাহরি গ্রহণের জন্য শেষ রাতে উঠতে হবে। আর মধ্য রাতের পর খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে সাহরি খাওয়ার বরকত ও হুকুম আদায় হয়ে যাবে।

    – হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যায়েদ বিন সাবেত তাকে জানিয়েছেন যে, তাঁরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে সাহরি খেয়ে (ফজরের) নামাজ পড়তে ওঠে গেছেন।

    – হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সাহরি খাওয়া ও ফজরের আজান হওয়ার মধ্যে সময়ের ব্যবধান কতটুকু? উত্তরে যায়েদ বিন সাবেত রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’৫০ অথবা ৬০ আয়াত পড়তে যতক্ষণ সময় লাগে।’ (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি)

    ৫০/৬০ আয়াত বলতে মধ্যম ধরনের আয়াত। যা তেলাওয়াতে ১৫/২০ মিনিট সময় লাগবে। সে আলোকে ফজরের আজানের ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে সাহরি খাওয়া। অতএব সাহরি খাওয়ার সুন্নাত সময় হলো ফজরের ১৫/২০ মিনিট আগে সাহরি খাওয়া।

    সাহরি গ্রহণের উপকারিতা
    প্রিয় নবি বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাওয়ার অভ্যাস গঠন কর। কারণ সাহরি বরকতময় খাদ্য।’ (মুসনাদে আহমদ, নাসাঈ) যেহেতু সাহরি বরকতময়। তাই সাহরিতে বরকত থাকার অর্থই হলো-
    – সাহরি গ্রহণে রোজাদার সারাদিন সুস্থ ও সবল থাকবে।
    – ইবাদত-বন্দেগিতে আগ্রহের কমতি থাকে না।
    – রোজার কষ্ট হালকা হয়।
    -প্রিয়নবির নির্দেশ পালন করা হয়। এবং
    – ইয়াহুদি-খ্রিস্টানসহ অমুসলিমদের অনুসরণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

    ক্ষুধা না থাকলেও সাহরিতে যা খাবেন 
    সাহরি খাওয়া বরকতের, তাই বলে সাহরি খাওয়া নিয়ে বাড়াবাড়ি একদমই ঠিক নয়। বিশাল আয়োজনে পেট ভরে সাহরি গ্রহণের কোনো দিক-নির্দেশনাও নেই। বরং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে ইবাদত-বন্দেগিতে অলসতা চলে আসে। রমজানের কাঙ্ক্ষিত ফল লাভে বঞ্চিত হয় মুমিন মুসলমান।

    তাই অল্প-বিস্তর যে কোনো খাবার গ্রহণেই সাহরি খাওয়ার বিধান পালিত হয়ে যাবে। কেউ যদি খেজুর কিংবা এক ঢোক পানি বা দুধ পান করে অথবা ২/১টি বিস্কুট বা এ পরিমাণ সামান্য খাবারও খায়; তাতেও সাহরি খাওয়ার বরকত অর্জিত হয়ে যাবে।

    – হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সাহরি খাওয়ায় বরকত আসে। সুতরাং তোমরা তা (সাহরি) খেতে ছেড়ো না; যদিও তোমরা তাতে এক ঢোক পানিও খাও। কেননা যারা সাহরি খায়, তাদের জন্য আল্লাহ রহমত নাজিল করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন।’ (মুসনাদে আহমাদ)

    – হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় এসেছে, প্রিয়নবি বলেছেন, ‘মুমিনের শ্রেষ্ঠ সাহরি হলো খেজুর।’

    এমন যেন না হয়-
    সাহরিতে বিভিন্ন খাবার গ্রহণের ফলে শ্বাস কষ্ট হওয়ার মতো অবস্থা যেন না হয়। যার ফলে দিনের শুরুতে ফজর সালাত আদায়ে কষ্ট হয়ে যায়। ফজর পরবর্তী সময়ে আল্লাহর জিকিরে বসার আগ্রহ ও মনোযোগ হারিয়ে না যায়।

    আল্লাহ তাআলা সব রোজাদারকে প্রতিদিন সাহরি খাওয়ার তাওফিক দান করুন। সাহরির বরকত লাভের তাওফিক দান করুন। ফেরেশতাদের মাগফেরাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • ‘রমজানে পণ্যমূল্য কমান, পরকালে প্রতিদান পাবেন’

    ‘রমজানে পণ্যমূল্য কমান, পরকালে প্রতিদান পাবেন’

    এবিএনএঃ আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার এবং ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। বলেছেন, রোজাদারদের সম্মানে নিত্যপণ্য কমদামে বিক্রি করলে আল্লাহ পরকালে প্রতিদান দেবেন।

    রবিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আল্লামা শফী বলেন, রমজান একটি অতিপবিত্র মাস। এ মাসের মর্যাদা আল্লাহ তায়ালার কাছে অন্য ১১ মাসের তুলনায় অনেক বেশি। এ মাসের একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজের সমান। আর রমজানের একটি ফরজ অন্য মাসের সত্তরটি ফরজের সমান। প্রবীণ এই আলেম বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস এবং পুণ্য লাভের উদ্দেশে রোজা রাখবে, আল্লাহ তার পূর্ববর্তী পাপগুলো মোচন করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস এবং পুণ্য লাভের উদ্দেশে তারাবির নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তার পূর্ববর্তী পাপগুলো মোচন করে দেবেন।

    আহমদ শফী বলেন, এ পবিত্র মাসে কোনো একজন রোজাদারকে ইফতার করালে রোজা রাখার সওয়াব বলে নবীজি ঘোষণা দিয়েছেন। কাজেই এমন পবিত্র মাসে ইবাদত-বন্দেগি করাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সহনীয় পর্যায়ে রাখার আহ্বান জানান তিনি। সরকার ও প্রশাসনকে উদ্দেশ্য আল্লামা শফী বলেন, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী নিম্নমানের পণ্যদ্রব্য এবং ভেজাল খাদ্য সরবরাহ করে মানুষের দুর্বলতার সুযোগে পুঁজিপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। এসব ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করুন।

    ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা পবিত্র মাহে রমজান এবং রোজাদারদের সম্মানে যথাসম্ভব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য কমদামে বিক্রি করার চেষ্টা করুন। এই পবিত্র মাসে আপনার এ প্রয়াস পরকালে মহান প্রতিদান হিসেবে আল্লাহ আপনাকে ফেরত দেবেন। আল্লামা শফী বলেন, ইমানদাররা সবসময় আল্লাহর পুরস্কারের আশায় থাকেন। তাই পরকালের সঞ্চয়ের জন্য রমজান একটি বড় সুযোগ।

  • তারাবি পড়াতে বিশ্বের ৩৫ দেশে ইমাম পাঠাবে সৌদি

    তারাবি পড়াতে বিশ্বের ৩৫ দেশে ইমাম পাঠাবে সৌদি

    এবিএনএ: আর মাত্র এক সপ্তাহ পরেই শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। মহিমান্বিত এই মাসে তারাবি এবং শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজের ইমামতির জন্য বিশ্বের ৩৫টি মুসলিম দেশে ৭০ জন ইমাম পাঠাচ্ছে সৌদি আরব। বিশ্বব্যাপী ইসলামের সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে সৌদি আরবের এই উদ্যোগ। এজন্য ইতোমধ্যে ৭০ জন সৌদি ইমামকে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির ইসলাম ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে করে বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে সৌদি আরবের নিবিড় এবং দায়িত্বপূর্ণ যোগাযোগ তৈরি হবে বলে মনে করে সৌদি আরব।

    মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আবদুল লতিফ আল আশেইখ বলেন, কুরআনে হাফেজ এই ৭০ জন ইমাম সৌদি আরবের শরিয়াহ কলেজ থেকে বাছাইকৃত। যারা ইসলামের গভীর এবং সঠিক জ্ঞানে জ্ঞানী। এই ইমামগণ বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের সঙ্গে সহজে মিশতে পারবেন, ইসলামের সারল্য এবং এর গভীর ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে ইসলামের গভীরতার বিষয়ে আলোকপাত করাতে পারবেন এবং সুন্দর তিলাওয়াতে কুরআনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে পারবেন বলে মনে করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    সুযোগ্য এই ইমামরা মুসলিম দেশগুলোর জন্য একেক জন সৌদি আরবের দূতের মতো। ইসলামের বিষয়ে বিভিন্ন ভ্রান্তি কাটিয়ে ইসলামের নানা বিষয়ে অপব্যাখ্যা দূর করে সঠিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে দেশগুলোর মুসল্লিদের সাহায্য করবেন তারা। মুসলিম দেশগুলোর প্রতি সৌদি আরব দায়িত্বশীল, ইমামদের মাধ্যমে এই বার্তাও সৌদি আরব পৌঁছে দিতে চায়। তবে কোন ৩৫টি দেশে এই ৭০ জন ইমাম যাচ্ছেন তা এখনও ঘোষণা দেয়া হয়নি।

  • আজ পবিত্র শবে বরাত

    আজ পবিত্র শবে বরাত

    এবিএনএ: আজ হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ-পবিত্র শবে রবাত। আজকের রাতটি মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি মহিমান্বিত রাত। মর্যাদাপূর্ণ এই রাতে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বান্দাদের জন্য তার অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন।

    মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় রাত জেগে নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকবেন। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন। আজ বাড়ি বাড়ি হালুয়া, ফিরনি, রুটিসহ হরেক রকমের উপাদেয় খাবার তৈরি করা হবে। এসব খাবার বিতরণ করা হবে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিব-দুঃখীর মধ্যে। অনেকে রাতভর ইবাদত করে ভোরে কবরস্থানে যাবেন। চিরনিদ্রায় শায়িত আপনজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করবেন।

    পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, শবে বরাত মুসলমানদের জন্য এক মহিমান্বিত ও বরকতময় পবিত্র রজনী। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ‘আসুন, সব ধরনের কুসংস্কার, কূপমণ্ডূকতা পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা করি।’ বিশেষ এই রাতকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পবিত্র শবে বরাত পালনের জন্য কর্মসূচি নিয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আজ বাদ মাগরিব থেকে রাতব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ফজরের পর আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররম মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান। শবে বরাতের পরদিন অর্থাৎ কাল সোমবার সরকারি ছুটি।

  • শবে বরাতে আতশবাজি নিষিদ্ধ : ডিএমপি

    শবে বরাতে আতশবাজি নিষিদ্ধ : ডিএমপি

    এবিএনএ: পবিত্র শবে বরাতে উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকাবাজি নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ অর্ডিন্যান্সের ২৮ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে কমিশনার এ নির্দেশনা জারি করেছেন।
    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, পবিত্র শবে বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং  অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণাটি ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত বহাল থাকবে। নগরবাসীকে এ নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

  • ২১ এপ্রিলই পবিত্র শবে বরাত

    ২১ এপ্রিলই পবিত্র শবে বরাত

    এবিএনএ: পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতেই পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। এ নিয়ে কোন প্রকার বিভ্রান্তি নেই। মঙ্গলবার বিকেলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিজ দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। শাবান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, নতুন চাঁদের বিষয়টি সম্পূর্ণ দ্বীনি বিষয়। এ ব্যাপারে ইসলামী শরিয়তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। ২৯ রজবের সন্ধ্যায় যেহেতু জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির নিকট চাঁদ দেখেছেন বলে কেউ সাক্ষ্য দিতে আসেননি, তাই ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী পরের দিনকে ৩০ রজব হিসেবে গণ্য করে এর পরের দিন সোমবার থেকে পয়লা শাবান ঘোষণা করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৯ রজব সন্ধ্যায় কোথাও নতুন চাঁদ দেখা গেছে এমন বক্তব্য সামনে আসার পর তথ্য পর্যালোচনার জন্য আলেম ওলামাদের নিয়ে ১৩ এপ্রিল একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায়  এ বিষয়ে তদন্ত করে শরীয়া মোতাবেক সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য মুফতি আব্দুল মালেককে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু চাঁদ দেখেছেন বলে যারা দাবি করেছেন তাদের কেউ কমিটির নিকট সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত হননি বরং সাক্ষীর সাক্ষ্য না পাওয়ায় কমিটির সুপারিশ মতে ৬ এপ্রিল ঘোষিত চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। সে হিসেবে ২১ এপ্রিল দিবাগত রাত  সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। পরেরদিন সরকারি ছুটি থাকছে।

    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পড়ে শোনান। এ সময় ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান, কমিটির প্রধান মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল মালেকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শনিবার (৬ এপ্রিল) হিজরি শাবান মাসের চাঁদ বাংলাদেশের আকাশে কোথাও দেখা যায়নি বলে ঘোষণা দিয়েছিল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছিলেন, চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত পালিত হবে।

    পরবর্তীতে মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল নামক একটি সংগঠন দাবি করে, ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সংগঠনটির দাবি, ভুল তারিখে পবিত্র শবে বরাতের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। শবে বরাতের তারিখ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। বিভ্রান্তি দূর করতে শনিবার জরুরি বৈঠকে বসে চাঁদ দেখা কমিটি। এই বৈঠকে মুফতি আব্দুল মালেককে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন শোলাকিয়ার ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা রুহুল আমীন, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মুফতি ফয়জুল্লাহ, বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মিজানুর রহমান, মুফতি ইয়াহইয়া।

    মঙ্গলবার কমিটি এ বিষয়ে যাচাই বাছাই ও তথ্যানুসন্ধান শেষে ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে শবে বরাত বহাল রাখার সুপারিশ করেন। একইসঙ্গে শবে বরাতের এই তারিখ নিয়ে কোন প্রকার বিভ্রান্তি নেই বলেও জানান। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানিয়ে দেন, ২১ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।