Category: আন্তর্জাতিক

  • সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ১৬

    সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত ১৬

    এবিএনএ : সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে একটি হাসপাতালের নিকট চালানো সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আল-জাজিরা। এই ঘটনায় ২০ জন আহত হয়।

    শহরটির আল-কুদাস হাসপাতালের কাছে বিমান হামলা চালানো হলে বেসামরিক মানুষের পাশাপাশি হাসপাতলটির বেশ কয়েকজন স্টাফও মারা যায় বলে জানায় আল-জাজিরা। এদিকে সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়ার নামক সংগঠন এএফপিকে জানায়, এই ঘটনায় শিশু ও নারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে ঠিক কতজন মারা গেছে তা নিশ্চিত করেনি সংগঠনটি।

    আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সন্ধ্যায় চালানো বিমান হামলায় হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ড. ওয়াশিম মাজসহ বেশ কয়েকজন স্টাফ এবং আরো কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। ওয়াশিম ওই বিদ্রোহী এলাকার একমাত্র শিশু বিশেষজ্ঞ ছিলেন।

    এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

  • আগুনে পুড়ে ছাই দিল্লির জাতীয় জাদুঘর

    আগুনে পুড়ে ছাই দিল্লির জাতীয় জাদুঘর

    এবিএনএ : বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল দিল্লির ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক ইতিহাস সম্বলিত জাতীয় জাদুঘর। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৪০টি ইঞ্জিন। আগুন নেভাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন ৬ দমকলকর্মী।

    মঙ্গলবার ভোররাত ২টার দিকে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।

    দমকলকর্মী রাজেশ নাওয়ার জানিয়েছেন, ওই বহুতলের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কাজ করছিল না। তবুও আমরা ২ ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। বিধ্বংসী আগুন নেভাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন ৬ দমকল কর্মী। তাদের ভর্তি করা হয়েছে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে।

    এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী প্রকাশ জাওড়েকর দেশের ৩৪টি জাদুঘরের অগ্নিনির্বাচপক ব্যবস্থা সংক্রান্ত অডিট করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ক্ষতি টাকার মূল্যে বিচার করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের অনুমান, তানসেন রোডের ওই বহুতলের সবচেয়ে উপরের তলায় প্রথমে আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা বহুতলে।

    এ ছাড়াও নানা ইতিহাস সমৃদ্ধ এই জাদুঘরে অগ্নিকাণ্ডের পর মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী প্রাকশ জাওড়েকর।

    এ সময় আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, “এটা দুঃখজনক ঘটনা। জাতীয় ইতিহাস জাদুঘর হল জাতীয় সম্পত্তি। এই ক্ষতি অপূরণীয়।”

    ১৯৭৮ সালের ৫ জুন তৈরি হওয়া এই জাদুঘরে ছিল ১৬ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের জীবাশ্ম, যার পা ছিল টিকটিকির মতো। –সংবাদমাধ্যম

  • ইউক্রেন স্মরণ করল চেরনোবিল দুর্ঘটনার ৩০তম বছর

    ইউক্রেন স্মরণ করল চেরনোবিল দুর্ঘটনার ৩০তম বছর

    এবিএনএ : পৃথিবীর পরমাণু ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের নাম চেরনোবিল। ইউক্রেন স্মরণ করল এই দুর্ঘটনার ৩০তম বছর। ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিল পাওয়ার প্ল্যান্টের ৪ নম্বর রিঅ্যাক্টরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের আওতাধীন ইউক্রেন ও বেলারুশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। ঘটনাটি ঘটে মূলত আনুমানিক রাত দেড়টার কাছাকাছি সময়ে।

    বলা হয়ে থাকে, নিরাপদ শীতলীকরণের উপর একটি সাধারণ পরীক্ষা চালানোর সময়, কর্তৃপক্ষের ভাষ্য মতে, কর্তব্যরত কর্মীদের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু এই দুর্ঘটনা নিয়ে অনেক রহস্য আজও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়ে গেছে। দুর্ঘটনার ৩০ বছর পর আজও চেরনোবিল এলাকা মানুষ শূন্য। তবে ‘কারেন্ট বায়োলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রবন্ধ অনুসারে, মানুষের জন্য নিষিদ্ধ ওই এলাকাটি বলগাহরিণ, হরিণ, নেকড়ে, শূকর ও বন বেড়ালসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    কিন্তু এখনও এই অঞ্চল তেজস্ক্রিয় পদার্থের কারণে উত্তপ্ত অবস্থায় আছে। বিস্ফোরণ স্থলের ৩০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে এখনও নির্ধারিত পোশাক ছাড়া কারো প্রবেশ নিষেধ করেছে দুই দেশের সরকার। বিস্ফোরণের আগে ওই অঞ্চলে প্রায় ৬০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। কিন্তু বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন মারা ও অনেক মানুষ তেজস্ক্রিয়তার শিকার হলে সকল অধিবাসীকে ওই অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

    চেরনোবিলের এই দুর্ঘটনা শুধু ইউক্রেন ও বেলারুশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইউরোপের ১৫টি দেশের অর্ধেক এলাকা তেজস্ক্রিয় মেঘে দূষিত হয়ে যায়। এই বিপর্যয়ের কারণেই মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন বিস্তার পরিকল্পনার লাগাম টেনে ধরে। তবে আক্ষরিক অর্থে যে ওই পরিকল্পনা কোনো কাজে লাগেনি তা আমরা জাপানের ফুকুশিমার দুর্ঘটনার দিকে তাকালেই দেখতে পাই।

    চেরনোবিল দুর্ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কম রাজনীতি হয়নি। ওই দুর্ঘটনায় যেহেতু সরাসরি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মারা যায়নি তাই পারমাণবিক জ্বালানির পক্ষের বিশেষজ্ঞরা একে আমলে না আনার জন্য বিভিন্ন মহলে বক্তব্য দিতে থাকেন। কিন্তু চেরনোবিল দুর্ঘটনার ফলে দীর্ঘমেয়াদে মানুষের শরীরে যে ক্যান্সার সৃষ্টি হচ্ছে সেটা বেমালুম চেপে যাওয়া হয় দীর্ঘদিন। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চেরনোবিলের কারণে সৃষ্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক লক্ষাধিক মানুষ মারা যায় বিভিন্ন সময়। এখনও অনেক মানুষ আছেন যারা ফুসফুস এবং থাইরয়েড ক্যান্সার নিয়ে ওই দুর্ঘটনাকে সাক্ষী মেনে বেঁচে আছেন।

    সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকায় এখনও সুস্থ-সবল শিশু ২০ শতাংশেরও কম। বহু শিশু বিকলাঙ্গতা অথবা স্নায়ুতন্ত্রের গোলযোগ নিয়ে জন্মাচ্ছে। চেরনোবিলের দুর্ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেশ কয়েক দফা বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আন্তর্জাতিক তহবিল গঠনের কথা জানায়। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০০৪ সালে একবার চেরনোবিল কমিটি অর্থসংক্রান্ত এক বৈঠকের আহ্বান জানায়। সেই বৈঠকে ইউরোপের নেতারা তহবিল গঠনের শতভাগ আশ্বাস দিলেও ২০১১ সালেও সেই তহবিল গঠিত হয়নি। এমনকি, দুর্ঘটনার কারণ যে ৪ নম্বর রিঅ্যাক্টর থেকে, সেই রিঅ্যাক্টরের শরীরে এখনও ফাটল রয়ে গেছে, যা এখনও ঠিক করা হয়নি।

    গবেষকদের প্রকাশিত তথ্য মতে, চেরনোবিল দুর্ঘটনা হিরোশিমায় ফেলা আণবিক বোমার চেয়ে চারশ’ গুণ বেশি তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়েছিল। বর্তমানে সেই দুর্ঘটনাস্থলটিকে অন্যতম পর্যটক স্পট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    ইউক্রেনের বাৎসরিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চেরনোবিল অঞ্চলে প্রতি বছর প্রায় বিশ হাজার পর্যটক আসেন স্থানটি ঘুরে দেখতে। কিন্তু এই পর্যটকদের নিরাপদে ঘুরে বেড়ানোর এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় অনেক পর্যটকই পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগের মুখোমুখি হচ্ছেন। এমনও দেখা গেছে যে, চেরনোবিল থেকে ফিরে আসার পর শরীরে ক্যান্সার ধরা পরেছে।

    এদিকে ‘নিষিদ্ধ এলাকায়’ চালানো পূর্ববর্তী গবেষণাগুলোতে বন্যপ্রাণীদের উপর তেজস্ক্রিয়তার বড় ধরনের প্রভাব ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়ার সুস্পষ্ট নজির দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চালানো জরিপে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, স্তন্যপায়ীর সংখ্যা ফের বৃদ্ধি পেয়ে দুর্ঘটনার আগের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।

    সাম্প্রতিক জরিপ ও গবেষণায় ওই এলাকায় বলগাহরিণ, স্থানীয় আরেক ধরনের হরিণ, লাল হরিণ এবং বন্য শূকরের প্রাচুর্যতা তুলনামূলক ভাবে ইউক্রেনের অন্যান্য সংরক্ষিত প্রাকৃতিক বনাঞ্চলগুলোর সমপর্যায়ে পৌঁছে গেছে বলে দেখা গেছে। তবে চেরনোবিল এলাকায় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেকড়ের সংখ্যা, আর তা একই ধরনের যে কোনো সংরক্ষিত প্রাকৃতিক বনের নেকড়ের সংখ্যা থেকে সাতগুণেরও বেশি।

  • পড়শোনার জন্য শরীর বিক্রি করছে সিয়েরা লিয়নের মেয়েরা!

    পড়শোনার জন্য শরীর বিক্রি করছে সিয়েরা লিয়নের মেয়েরা!

    এবিএনএ : ‘একে দেশ অতি দরিদ্র, তাতে বিদ্যা একেবারে নেই বললেই হয়’ – উক্তিটি যথার্থ ভাবেই প্রয়োগ করা যায় আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে গরিব দেশ সিয়েরা লিয়নের ক্ষেত্রে। সার্বিক শিক্ষার হাল এতটাই খারাপ, যে আলাদা করে নারীশিক্ষার প্রসঙ্গ কেউ তোলেও না। কিন্তু, এই নারীশিক্ষার প্রসঙ্গই ফের আন্তর্জাতিক খবরের শিরোনামে নিয়ে এসেছে একদা ব্লাক ডায়মন্ডের জন্য পরিচিত এই দেশকে।

    দেশটিতে নারীশিক্ষার হার পড়তে পড়তে বর্তমানে ৯.৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ধরা পড়েছে শিক্ষার জগতে টিকে থাকতে কোন পর্যায়ে নামতে হচ্ছে সিয়েরা লিয়নের মেয়েদের। পড়াশোনার মাধ্যমে দারিদ্র্যের অন্ধকারকে জয় করে আলোর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ইচ্ছাটুকুই সম্বল। কিন্তু, তা করতে গিয়ে দেহব্যবসায় নামতে হচ্ছে নাবালিকা, কিশোরীদের। এমনই এক কিশোরীর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে ডেইলি মেইল। যেখানে শিউরে ওঠার মতো দাবি করেছে সে।

    ‘রাত প্রতি ৩ ইউরো করে পাই। কোনো রাত ভালো গেলে ৯ থেকে ১০ ইউরো মেলে।’ বলছিল ১৪ বছরের কিশোরীটি। পড়াশোনার খরচা তোলার জন্য যাকে নিজের শরীর বিক্রি করতে হয়। আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, একা এই কিশোরী নয়, এ রকম আরও বহু নাবালিকা-কিশোরীদের পড়াশোনার সম্বল হলো দেহব্যবসা। অনেকে আবার এর থেকে বেরতেও পারে না। বহুক্ষেত্রেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে তারা। সে ক্ষেত্রে কৈশোর জীবনে সহ্য করতে হয় গর্ভপাতের যন্ত্রণা। এই জীবনই নিত্য হয়ে উঠেছে কিশোরীদের।

  • যে ৫টি জায়গায় উদ্দাম নগ্ন পার্টি হয়!

    যে ৫টি জায়গায় উদ্দাম নগ্ন পার্টি হয়!

    এবিএনএ : পুরোটাই লুকিয়ে চুরিয়ে। পুলিশ টের পেলে হাতকড়া পরাবে নিশ্চিত। খোঁজ করলে দেখা যাবে, ভারতের সর্বত্র এমন কাণ্ড ঘটে চলেছে। কিন্তু পাঁচটি জায়গা এর মধ্যেই বেশ নাম করেছে এ বিষয়ে। ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলা এমন খবর প্রকাশ করেছে।

    ১. আগাত্তি আইল্যান্ড বিচ, লাক্ষাদ্বীপ। তাল এবং নারকেল গাছে ভর্তি সমুদ্রতট। শোনা যায়, এই বিচে হামেশাই ন্যুড পার্টির আসর বসে।
    ২. ওম বিচ, গোকর্ণ। বলা হয়, ভারতে এমন ‘উষ্ণ’ বিচ নাকি দ্বিতীয়টি নেই।
    ৩. প্যারাডাইস বিচ, গোকর্ণ। এখানে নাকি এক গুপ্ত স্থান রয়েছে। মাঝিমাল্লাদের বিশেষ বখশিস দিতে পারলে সেখানে নিয়ে যান। নগ্নতার আসর বসে সেই গুপ্ত স্থানে।
    ৪. মারারি বিচ, কেরল। মারারি বিচ-এর প্লাস পয়েন্ট হল এর নির্জনতা। একেবারে শুনশান বছরের বেশিরভাগ সময়ে। নগ্নতার শ্রেষ্ঠ জায়গা?
    ৫. ওজরান বিচ, গোয়া। ভিড়ে ঠাসা গোয়ার প্রায় সব বিচ। কিন্তু এখানে নাকি বিশেষ লোকজন ধরলে পাওয়া যায় ন্যুড পার্টির সন্ধান।

  • ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৬

    ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৬

    এবিএনএ : ইকুয়েডরে বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হানার এক সপ্তাহ পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৬ হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট কোরিয়া জানিয়েছেন এখনো ১৩০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

    ১৬ এপ্রিল ইকুয়েডরের উপকূলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। সাত দশকে ইকুয়েডরে সবচেয়ে ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে অসংখ্য মানুষ আহত হয় এবং অনেক শহর ধ্বংস হয়ে যায়। ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট নিহতদের স্মরণে আট দিনের জাতীয় শোক পালন করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    এই ভূমিকম্পকে জাতীয় ট্র্যাজেডি উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের জন্মভূমির এখন দুঃখের দিন। দেশ এখন সংকটে আছে। ২৭ টি দেশ থেকে উদ্ধারকর্মী ইকুয়েডরে গেছে। তাদের প্রশংসা করে কোরিয়া বলেন, ১১৩ জনকে ধ্বংস্তুপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

  • জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দুই নারী

    জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দুই নারী

    এবিএনএ : জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মোট নয়জন প্রার্থী। এখনো তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার পর্বের পর তিনজনের সম্ভবনা বেড়েছে। ওই তিনজনের দুজনই নারী।

    এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা হলেন পর্তুগালের আন্তোনিও গুতিয়েরেস, নিউজিল্যান্ডের হেলেন ক্লার্ক ও বুলগেরিয়ার ইরিনা বোকোভা। উল্লেখ্য, গুতিয়েরেস ও ক্লার্ক উভয়েই তাঁদের দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। মধ্যপ্রাচ্যের একজন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই তিনজনকেই ‘ফ্রন্ট রানার’ বা অগ্রসর প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত করেন।

    ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল প্রার্থীরা টানা ১৮ ঘণ্টা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে এক প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার পর্বে অংশ নেন। সদস্য রাষ্ট্র ছাড়াও সুশীল সমাজভুক্ত বিভিন্ন সংগঠন ও তথ্যমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এই প্রক্রিয়ায়। তাঁদের পাঠানো প্রায় এক হাজারটি প্রশ্ন ছাড়াও বিভিন্ন সম্পূরক প্রশ্নের সম্মুখীন হন প্রার্থীরা।

    সাক্ষাৎকার পর্ব শুরুর আগে অনেকেই বুলগেরিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইউনেসকোর মহাপরিচালক বোকোভাকে এক নম্বর প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু দুই ঘণ্টা স্থায়ী সাক্ষাৎকারে বোকোভা সবাইকে খুশি করতে পারেননি। অন্যদিকে, গুতিয়েরেস, যিনি বিশ্ব সংস্থার সাবেক উদ্বাস্তু হাইকমিশনার, অত্যন্ত খোলামেলা ভাষায় এই সংস্থার আমলাতান্ত্রিক সংকটের ছবিটি তুলে ধরে সুনির্দিষ্ট সংস্কার প্রস্তাব রাখেন। আর বর্তমানে ইউএনডিপির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বরত হেলেন ক্লার্ক সংস্থার উন্নয়ন বিষয়ক অগ্রাধিকার নিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উপস্থাপন করেন। তার বক্তব্যে চমৎকৃত হয়েছেন অনেকেই।

    বোকোভার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেছিল রাশিয়া। কিন্তু তাঁর দুর্বল সাক্ষাৎকারের পর মস্কোর উৎসাহে ভাঁটা পড়েছে। এখন তারা চাচ্ছে, সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীটি যেন জাতিসংঘেরন মহাসচিব হন। সংস্থার অনানুষ্ঠানিক নিয়ম অনুসারে পরবর্তী মহাসচিব পূর্ব ইউরোপ থেকে আসার কথা। জাতিসংঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত চুরকিন সাংবাদিকদের বলেছেন, এই আঞ্চলিক আবর্তন-ব্যবস্থা ধরে রাখার ব্যাপারে তাঁরা অনড় নন। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, রাশিয়ার এই পরিবর্তিত মনোভাবের ফলে সবচেয়ে লাভবান হবেন পর্তুগালের গুতিয়েরেস ও নিউজিল্যান্ডের ক্লার্ক।

    জানা গেছে, যে নয়জন ইতিমধ্যে তাঁদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন, তার বাইরে আরও চার বা পাঁচজন প্রার্থী শিগগিরই তাঁদের সরকারের মাধ্যমে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করবেন। ইতিমধ্যে যাঁদের নাম জানা গেছে, তাঁরা হলেন আর্জেন্টিনার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুসানা মালকোরা, কলম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া আঙ্গেলা হলগুইন, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুড ও স্লোভাকিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিরোস্লাভ লাজাক।

    এদিকে, পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে একজন নারীর নিয়োগ নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংস্থার প্রায় ৬০টি দেশ। সুশীল সমাজের পক্ষ থেকেও সে দাবির সমর্থনে বহুমুখী প্রচারণা চলছে। কিন্তু সাক্ষাৎকার পর্বের শেষে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কূটনীতিক জানিয়েছেন, নারী বা পুরুষের চেয়ে একজন যোগ্য মহাসচিব খুঁজে পাওয়াই এখন আসল চ্যালেঞ্জ।

    চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর মহাসচিব বান কি মুন তাঁর মেয়াদ শেষে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবেন নতুন মহাসচিবকে।

  • পাঁচ বছর ধরে অমাবস্যার অন্ধকারে পশ্চিমবঙ্গ: মোদি

    পাঁচ বছর ধরে অমাবস্যার অন্ধকারে পশ্চিমবঙ্গ: মোদি

    এবিএনএ : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, পাঁচ বছর ধরে অমাবস্যার অন্ধকারে ডুবে আছে পশ্চিমবঙ্গ। তাই এই অন্ধকার থেকে, সর্বনাশের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাটের এক স্কুল মাঠে জনসভায় মোদি এ কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে এই নিয়ে আজ তৃতীয়বারের মতো পশ্চিমবঙ্গে আসেন তিনি।

    মোদি বলেন, ‘মমতা বলতেন, বামদের সূর্যাস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে বামদের সূর্যাস্ত হলেও এখন অমাবস্যার অন্ধকার ফিরে এসেছে এই রাজ্যে। বাংলার মানুষ এই রাজ্যে বাম শাসন থেকে পরিবর্তন আনার জন্য মমতাকে ক্ষমতায় এনেছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর মমতা এই রাজ্যে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। বরং পশ্চিমবঙ্গকে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তাই এই বাংলাকে সর্বনাশের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।’
    মোদি অভিযোগ করেন, কেন্দ্র এই রাজ্যের জন্য অর্থ দিলেও রাজ্য সরকার তা খরচ করে না। পশ্চিমবঙ্গে শিল্প হচ্ছে না। বেকার বাড়ছে।
    সারদা-কাণ্ড প্রসঙ্গে মোদি বলেন, সারদার গরিবের অর্থ কে নিয়েছে, তা সবাই এখন জেনে গেছে।

    বসিরহাটের পর হাওড়ায় আরেক জনসভায় মোদি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সব দফার ভোটেই হিংসার খবর মিলছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি এখন বাংলাকে শেষ করে দিচ্ছে। অথচ একসময় দেশকে নেতৃত্ব দিত এই বাংলা। আজ দেশবাসী এই বাংলার কথা ভাবতে পারছে না। আজ এখানে মানুষের ভোট লুট হচ্ছে। সারদার গচ্ছিত গরিবের টাকা লুট হচ্ছে।
    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির একমাত্র বিধায়ক হলেন শমিক ভট্টাচার্য। মূলত তাঁরই প্রচারের জন্য মোদি এখানে আসেন। আর হাওড়া উত্তরের প্রার্থী হলেন রূপা গাঙ্গুলি। তাঁর প্রচারের জন্য তিনি হাওড়ায় জনসভা করেন।

  • ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩

    ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩

    এবিএনএ : ইকুয়েডরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ জন হয়েছে। রবিবার দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে রিখটার স্কেলে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পরে এখনো উদ্ধার কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

    ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরিয়া জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে বিলিয়ন ডলারের বেশি লাগবে। গত সাত দশকে ইকুয়েডরের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই দুর্যোগটি এমন সময় দেশটিতে আঘাত হানলো যখন জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশটি তেলের দাম কমে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ভাবে ধুকছে।

    এদিকে সোমবার উপকূলীয় শহর মানতা থেকে দুটি মেয়ে, একটি তিন বছর ও একটি নয় মাসের শিশু সহ ছয়জনকে বিধ্বস্ত হোটেলের ধ্বংস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

  • অভিশংসিত হওয়ার পথে ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট রৌসেফ

    অভিশংসিত হওয়ার পথে ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট রৌসেফ

    এবিএনএ : ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফের অভিশংসনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ। ৫১৩ সদস্যের নিম্নকক্ষের ৩৬৭ সদস্য রৌসেফের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

    প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো ২০১৪ সালে পুন:নির্বাচনের সময় বাজেট আইন ভঙ্গ করে সরকারি হিসেবে কারসাজি করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পেট্রোবাসের কোটি টাকার একটি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে । যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রৌসেফ।

    তবে তাঁর অভিশংসন প্রক্রিয়া নিয়ে কদিন ধরেই বিতর্ক চলছিলো, বিরোধী দলসহ অনেকে তাঁর অভিশংসনের পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন। রৌসেফের অভিশংসন নিয়ে পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষে শুরু হয়েছে ভোটাভুটি। এ পর্যন্ত ৫১৩ সদস্যের ৩৬৭ জনই তাকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং ১৬৭ জন দিয়েছেন বিপক্ষে। সাতজন ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকেন এবং ‍দুইজন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন। দুই তৃতীয়াংশের বেশি সমর্থন পাওয়ায় প্রস্তাবটি উচ্চকক্ষ সিনেটে তোলা হবে । আর প্রস্তাবটি সিনেটে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন পেলেই কেবল প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফ স্থায়ীভাবে পদচ্যুত হবেন।

    রৌসেফ এই অভিশংসন প্রক্রিয়াকে ‘বেসামরিক ক্যু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এদিকে প্রেসিডেন্ট রৌসেফের অভিশংসন প্রক্রিয়ার পক্ষে-বিপক্ষে হাজার হাজার মানুষ কংগ্রেস ভবনের সামনে এবং দেশের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করছে।