Category: আন্তর্জাতিক

  • অধ্যাপনায় ফিরছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

    অধ্যাপনায় ফিরছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ মনমোহন সিং আবার অধ্যাপনায় ফিরছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমানে তাঁর বয়স ৮৩ বছর।

    জানা গেছে, মনমোহন সিং ১৯৫৪ সালে ভারতের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম এ পাস করেন। পরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে তিনি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন দপ্তরে ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স অফিসার হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি ভারতে এসে ১৯৮২ সালে ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর হন। এর পর ১৯৮৫ সালে তিনি প্লানিং কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান হন। ১৯৯১ সালে ভারতের অর্থমন্ত্রী হন তিনি।

    ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত তিনি ছিলেন ভারতের রাজ্যসভার বিরোধী দলের নেতা। আর ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন কংগ্রেস সরকারের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জওহরলাল নেহরু’ চেয়ার গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানালে তিনি তাতে সায় দেন। এ ব্যাপারে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অরুণ কুমার গ্রোভার বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে রাজি হয়েছেন। এই খবর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

  • ভারত যাচ্ছেন উইলিয়াম ও কেট

    ভারত যাচ্ছেন উইলিয়াম ও কেট

    এবিএনএ : ব্রিটিশ সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন আগামী রোববার ভারত সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তাঁরা বলিউড তারকাদের সঙ্গে দেখা করবেন। সময় কাটাবেন মুম্বাইয়ের বস্তির শিশুদের সঙ্গে।

    প্রথমবারের মতো এ উপমহাদেশে সরকারি সফর করছেন রাজদম্পতি। উইলিয়াম তাঁর প্রয়াত মা ডায়নার স্মৃতিবিজড়িত আগ্রার তাজমহলে যাবেন।

    ভারত থেকে ভুটানেও যাবেন রাজদম্পতি। সেখানে তাঁরা ভুটানের রাজা ও রানির সঙ্গে দেখা করবেন। হিমালয় অঞ্চল দেখবেন।

    গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই একের পর এক বিভিন্ন দেশে সফর করছেন উইলিয়াম ও কেট। তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীন সফর করেন।

    কেনসিংটন প্যালেসের মুখপাত্র বলেন, ভারত ও ভুটানে এই রাজদম্পতির সফরের উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা। সফরে গিয়ে উইলিয়াম ও কেট ভারতের গৌরবময় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে চান।

    আগামী সোমবার উইলিয়াম ও কেট নয়াদিল্লি যাবেন। কেট বনজঙ্গল পছন্দ করেন। তাই তাঁরা মঙ্গল ও বুধবার আসামের কাজীরাঙা ন্যাশনাল পার্কের বনে যাবেন।

    ছেলেমেয়ে জর্জ ও শার্লটকে বাড়িতে রেখে সফরে যাচ্ছেন উইলিয়াম ও কেট।

  • বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হবে: বিজেপি

    বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হবে: বিজেপি

    এবিএনএ : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হলে বিজেপি বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বন্ধ করে দেবে।
    আজ বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর জেলার গড়বেতায় বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এ কথা জানান।
    রাজনাথ সিং বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ক্রমাগত অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে। অথচ রাজ্য সরকার সেই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। বারবার বলা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়নি। তাই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হবে।’
    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এখন একমাত্র বোমা তৈরির শিল্পই বেঁচে আছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই বোমা তৈরির শিল্পকে বন্ধ করে দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ সরকার প্রয়োজন, যা একমাত্র বিজেপি দিতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা পেলে এখানকার পরিস্থিতিরও উন্নতি ঘটানো হবে।’
    তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাজনাথ। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তনের সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ৩৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করেছে।

    এরপর তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে পরিবর্তন আনবে, দারিদ্র্য দূর করবে। কিন্তু বাস্তবে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যবাসীর প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। রাজ্যের পরিস্থিতি কিছুই বদলায়নি, আগের মতোই রয়ে গেছে।’
    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানিয়ে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে রাজনাথ বলেন, ‘এ রাজ্যের উন্নয়ন করতে পারে একমাত্র বিজেপি। তাই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার লক্ষ্যে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করুক।’
    এর আগে আসামের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচরণায় গিয়ে একইভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে আসামের কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন রাজনাথ। তিনি বলেছিলেন, আসামে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আসাম-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে গত ৪ এপ্রিল প্রথম দফার প্রথম পর্বে ১৮ টি আসনে ভোট হবে। আগামী ১১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার দ্বিতীয় পর্বে ভোট হবে ৩১ আসনে।

  • আমেরিকার আদলে আসছে সৌদি গ্রিনকার্ড

    আমেরিকার আদলে আসছে সৌদি গ্রিনকার্ড

    এবিএনএ : কর্মরত বিদেশিদের স্থায়ী নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব। ২০২০ সাল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। খ্যাতনামা গণমাধ্যম ব্লুমবার্গকে গত সোমবার এক সাক্ষাতকারে সৌদি আরবের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানান।

    উপ-প্রধানমন্ত্রী সালমান জানান, তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে সরে আসতে চাইছে সৌদি আরব। তার অংশ হিসেবে আয়ের উৎস বাড়াতে বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানান সালমান। সে পরিকল্পনার অংশ হচ্ছে কর্মরত বিদেশিদের স্থায়ী নাগরিকত্ব দেয়া।

    পরিকল্পনা অনুয়ায়ী, সৌদি আরবে কর্মরত সব বিদেশি নাগরিকদের জন্য এ সুযোগ উন্মুক্ত। আগ্রহী যে কোনো বিদেশি চাইলে নাগরিকত্বের আবেদন জানালে সরকার বিবেচনা করবে। নাগরিকত্বের এ সুযোগ অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ডের আদলে করা হচ্ছে। নাগরিকত্ব দেয়ার এ প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হতে পারে বলে ধারনা করছেন সরকারের নীতি নির্ধারকরা।

    সৌদি উপ-প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের এ বক্তব্য আশান্বিত করেছে দেশটির বসবাসরত বাংলাদেশিদের। তারা বলছেন, এ সুযোগ বাংলাদেশিদের জন্য আনন্দের। সৌদি সরকারের এ সম্পর্কিত নীতিমালা বিস্তারিত জানতে অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশিরা।

    উল্লেখ্য, সৌদি আরবে বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছে। যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলে অভিমত অনেকের। মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ এ দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

  • জাতিসংঘ মহাসচিব প্রার্থী হচ্ছেন হেলেন ক্লার্ক

    জাতিসংঘ মহাসচিব প্রার্থী হচ্ছেন হেলেন ক্লার্ক

    এবিএনএ : গত কয়েক মাসের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব পদের জন্য প্রার্থী হবেন।

    এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে জার্মানি, জাপান, ব্রাজিল এবং ভারতকে স্থায়ী সদস্য পদ দিয়ে তিনি নিরাপত্তা পরিষদের আমূল সংস্কার করতে চান।

    এছাড়া একুশ শতকের বাস্তবতা মাথায় রেখে আফ্রিকার দুটি দেশকেও নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য পদ দেয়া যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন। ক্লার্ক বর্তমানে সংস্থাটির উন্নয়ন কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব বান কি মুনের মেয়াদ এবছরের ডিসেম্বরে শেষ হবার কথা রয়েছে।

  • পানামা পেপার্স: আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    পানামা পেপার্স: আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

    এবিএনএ : একটি বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে গোপনে বিনিয়োগ করার অভিযোগ ওঠায় আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ড গুনলাগসনের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির পার্লামেন্টের বাইরে অনেক মানুষ জড়ো হয়েছেন।

    এরআগে স্ত্রীর সঙ্গে যৌথ মালিকানায় থাকা কোম্পানি উইনট্রাসের বিস্তারিত প্রকাশ্য হয়ে পড়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তার সরে যাওয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসে।

    কিন্তু তিনি পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানান।

    দেশটির বিরোধীদলগুলো জানিয়েছে, তারা পার্লামেন্টে আস্থা ভোটের আয়োজন করবে।

    প্রধানমন্ত্রী গুনলাগসন জানিয়েছেন, তিনি কোনো আইন ভঙ্গ করেননি এবং তার স্ত্রী আর্থিকভাবে লাভবানও হননি।

    সম্প্রতি পানামার একটি ল’ ফার্মের এক কোটি দশ লাখ গোপন নথি ফাঁস হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে; বিশ্বের ধনী আর ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা কোন কৌশলে কর ফাঁকি দিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বেরিয়ে আসছে সেই তথ্য।

    তাতে দেখা যায়, অ্যাইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী একটি বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে দেশের ব্যাংকগুলোতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছেন, যা তিনি গোপন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ড গুনলাগসন (ডানে) ও তার স্ত্রী আনা সিগুরলাগ পালসডোটির। ছবি: আইসল্যান্ড মনিটর আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ড গুনলাগসন (ডানে) ও তার স্ত্রী আনা সিগুরলাগ পালসডোটির। ছবি: আইসল্যান্ড মনিটর বিবিসি বলছে, ফাঁস হয়ে যাওয়া নথির বরাতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ড গুনলাগসন ও তার স্ত্রী ২০০৭ সালে উইনট্রাস নামের কোম্পানিটি ক্রয় করেন।
    ২০০৯ সালে দেশটির পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হওয়ার সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাওয়া লভ্যাংশের কথা গোপন করেছিলেন।

    ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী গুনলাগসনের স্ত্রী আনা সিগুরলাগ পালসডোটিরের সই করা একটি নথিতে দাবি করা হয়েছে, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কোম্পানিটির মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    ফাঁস হয়ে যাওয়া তথ্যে জানা গেছে, গুনলাগসনকে উইনট্রাসের সাধারণ আইনি ক্ষমতা দেওয়া আছে। এর মধ্যদিয়ে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই তাকে কোম্পানিটি পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়।

    গুনলাগসনের মুখপাত্র দাবি করেছেন, পালসডোটির সবসময় কর কর্তৃপক্ষের কাছে তার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। কিন্তু পার্লামেন্টের নিয়ম অনুসারে উইনট্রাসের লাভ জানানোর প্রয়োজন নেই গুনলাগসনের।

  • যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হওয়ার পথ আরও সংকুচিত

    যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হওয়ার পথ আরও সংকুচিত

    এবিএনএ : শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ার পর এবার কর্ম ভিসার (ওয়ার্ক পারমিট) ক্ষেত্রেও নানা কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটি। আসছে ৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন নিয়মে যুক্তরাজ্যে অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ লাভের সম্ভাবনা আরও সংকুচিত হয়েছে।

    এত দিন একটানা পাঁচ বছর কর্ম ভিসায় যুক্তরাজ্যে থাকার পর বিদেশি নাগরিকেরা দেশটিতে স্থায়ী বাসের (আইএলআর) আবেদন করতে পারতেন। এ জন্য তাদের কোনো সুনির্দিষ্ট আয় দেখাতে হতো না। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি কর্মীর বেতন বছরে কমপক্ষে ৩৫ হাজার পাউন্ড (প্রায় ৪০ লাখ টাকা), তারাই কেবল স্থায়ী বসবাসের আবেদন করতে পারবেন। যাদের আয় বছরে ৩৫ হাজার পাউন্ডের কম, তারা সর্বোচ্চ ছয় বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করতে পারবেন।

    যুক্তরাজ্যে সাধারণ চাকরিজীবীরা বছরে গড়ে ২৫ হাজার পাউন্ডের মতো বেতন পেতে পারে। তাই উচ্চ বেতনের শর্ত চাপানোর ফলে হাসপাতালের সেবিকা (নার্স), শিক্ষক, সাংবাদিক, হিসাবরক্ষক সহ বিভিন্ন পেশার বিদেশি কর্মীরা স্থায়ী বাসের সুযোগ লাভ থেকে বঞ্চিত হবেন। অবশ্য সমালোচনার মুখে সরকার সেবিকা ও বিজ্ঞানের শিক্ষকদের উচ্চ বেতনের ওই শর্ত থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অব্যাহতি দিয়েছে।
    এ ছাড়া বিদেশি কর্মী নিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে বেতন সীমা বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর একটি লেভি (বার্ষিক শুল্ক) আরোপ করা হয়েছে। এপ্রিল থেকে অভিজ্ঞ বিদেশি কর্মীর ন্যূনতম বেতন হতে হবে বছরে ২৫ হাজার পাউন্ড। আর ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে এটা বেড়ে হবে ৩০ হাজার পাউন্ড। তবে অনভিজ্ঞ বা নতুন আবেদনকারীর (নিউ এনট্রেন্স) জন্য বছরে ২০ হাজার ৭০০ পাউন্ড ন্যূনতম বেতনের বিধান অপরিবর্তিত থাকছে।
    ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে বছরে কর্মী প্রতি এক হাজার পাউন্ড করে শুল্ক (লেভি) দিতে হবে। কেবল ক্ষুদ্র ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই শুল্কের পরিমাণ হবে কর্মী প্রতি বছরে ৩৬৪ পাউন্ড। আন্তকোম্পানি কর্মী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বছরে ন্যূনতম বেতন ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ৫০০ পাউন্ড।

    নতুন নিয়মে ডিগ্রি পর্যায়ের কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের কর্ম ভিসায় স্থানান্তরিত হওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছে। কোর্স সম্পন্ন করা বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধার্যকৃত শুল্কও প্রদান করতে হবে না।

    এদিকে নতুন নিয়মে গৃহকর্মী (ডোমেস্টিক ওয়ার্কার) ভিসা ও আশ্রয়প্রার্থীদের (অ্যাসাইলাম সিকার) জন্যও নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। এত দিন গৃহকর্মী ভিসায় আসা ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট স্পিকারের কাজ ব্যতীত অন্য কাজ করতে পারতেন না। নতুন নিয়মে ছয় মাস পর তারা চাইলে অন্য নিয়োগদাতার অধীনে কাজের আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া, আশ্রয় প্রার্থীর আবেদন নিষ্পত্তি না হলেও ছয় মাস পর তাদের কাজের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে নতুন নিয়মে।

    বিবাহ সূত্র, শিক্ষার্থী ভিসা কিংবা কর্ম ভিসা-এই তিন পন্থায় যুক্তরাজ্যে এসে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা স্থায়ী বসবাসের সুযোগ নিতেন। বৈবাহিক সূত্র (স্পাউস ভিসা) ও কর্ম ভিসায় পাঁচ বছর পর স্থায়ী হওয়ার সুযোগ এখনো রয়েছে। তবে স্পাউস ভিসার ক্ষেত্রে স্পন্সরের ন্যূনতম আয় বছরে ১৮ হাজার ৬০০ পাউন্ড আগেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ওই শর্তের ফলে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন অভিবাসী সম্প্রদায়ে দেশে নিয়ে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এবার কর্ম ভিসার ক্ষেত্রে বছরে ৩৫ হাজার পাউন্ড বেতনের শর্ত আরোপের ফলে সাধারণ অভিবাসীদের জন্য স্থায়ী হওয়ার সুযোগ অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    আবার কোনো অভিবাসী বৈধ উপায়ে টানা ১০ বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু এই সুযোগ বন্ধ করতে ২০১৪ সালে শিক্ষার্থী ভিসায় সর্বোচ্চ ৮ বছর থাকার সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আর ৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নিয়ম অনুযায়ী কর্মী ভিসার লোকেরা সর্বোচ্চ ৬ বছরের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না। ফলে কোনো অভিবাসীর ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে এসে টানা ১০ বছর অবস্থান প্রায় অসম্ভব।

  • গোপন আর্থিক আঁতাত? পানামা তালিকায় পুতিন, শিনফিং, মেসি, বচ্চন!

    গোপন আর্থিক আঁতাত? পানামা তালিকায় পুতিন, শিনফিং, মেসি, বচ্চন!

    এবিএনএ : দুনিয়ার অ(সৎ) কি এক হয়ে গেলেন, অন্তত একটা ব্যাপারে?

    আয়কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে নামে ও বেনামে কোম্পানি খুলে কালো টাকা জমানোর ‘বস্তুবাদে’ কারই-বা আস্থা নেই?

    তাতে যেমন আগ্রহ রয়েছে চিনের কমিউনিস্ট প্রেসিডেন্টের, তেমনই এ ব্যাপারে আগ্রহে ঘাটতি নেই ঘোর কমিউনিস্ট-বিদ্বেষী রুশ প্রেসিডেন্টেরও! যার ওপর ভরসা রাখেন আমেরিকার ‘কাছের লোক’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। আস্থা রাখেন বলিউডের মেগা স্টার অমিতাভ বচ্চন, ঐশ্বর্যা রাই আর ফুটবলার লিওনেল মেসিও। এই ‘বস্তুবাদে’ অন্তত কোনও ‘দ্বন্দ্ব’ নেই!

    কালো টাকা জমানোর নেশা ভূগোলের সব বেড়ি-বাঁধনকেই কি তা হলে ভেঙে দিল?

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্র সহ বিশ্বের একশোটিরও বেশি সংবাদ মাধ্যমের চালানো ওই যৌথ তদন্তে উঠে এসেছে ওই সব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    সেই তদন্তে দেখা গিয়েছে, নামে-বেনামে ওই রাষ্ট্রপ্রধান, রাজনীতিক, শিল্পপতি, ফুটবলার, ফিল্ম স্টার সহ সমাজের মান্যগণ্য ব্যক্তিরা আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিদেশে কালো টাকা জমিয়ে চলেছেন। নামে ও বেনামে একের পর এক খুলে চলেছেন বেআইনি কোম্পানি। আর দিয়ে চলেছেন আয়কর ফাঁকি। এই ‘বস্তুবাদে’ আস্থা রয়েছে কম করে ৫০০ জন বিশিষ্ট ভারতীয়ের। আর নাম রয়েছে বিশ্বের অন্তত ১৪০ জন রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রথম সারির রাজনীতিকের।

    তবে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছেন মূলত দু’জন। যাঁদের এক জনের রাজনীতি ‘বস্তুবাদে’র পক্ষে। চিনের প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং। অন্য জন রাজনীতিতে রয়েছেন একেবারেই তাঁর বিপরীত মেরুতে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    ওই তদন্ত জানাচ্ছে, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের বেআইনি সম্পত্তির রা্শ টানতে হালের দুর্নীতি-বিরোধী অভিযানের ‘হোতা’ প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং আর তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বেশ কয়েকটি ‘বেআইনি’ সংস্থার হদিশ মিলেছে বিদেশে। সে ক্ষেত্রে অনেক ‘সাবধানী’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তদন্তে যাঁর নাম উঠে এসেছে তিনি রুশ প্রেসিডেন্টের ‘ডান হাত’। যিনি ‘বাঁ হাতে’ অন্তত দু’শো কোটি ডলার পাচার করেছেন বিদেশে। আর সেই ব্ল্যাক মানি হয় রেখেছেন কোনও বিদেশি ব্যাঙ্কে। না হলে তার একাংশ ব্যবহার করেছেন কোনও বেআইনি কোম্পানি খুলতে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের আত্মীয়ের নামে বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অন্তত চারটি বেআইনি সংস্থা।

  • অর্থ পাচারকারী বিশ্বনেতারা

    অর্থ পাচারকারী বিশ্বনেতারা

    এবিএনএ : বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারসংক্রান্ত এক কোটি দশ লাখ নথি ফাঁস হয়েছে। পানামার আইনি প্রতিষ্ঠান মোসাক ফনসেকার এসব নথিতে নাম রয়েছে বিশ্বের বর্তমান ও প্রাক্তন ৭২ জন রাষ্ট্রপ্রধানের। এ ছাড়া বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড় থেকে শুরু করে অভিনেতা পর্যন্ত বহু তারকা ব্যক্তিত্বের নামও রয়েছে এসব নথিতে।

    কর ফাঁকি দিয়ে অর্থ পাচার করে সম্পদের পাহাড় গড়া এসব ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে সাংবাদিকদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টের (আইসিআইজে) ওয়েবসাইটে। এসব নথিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রপ্রধানের নাম উঠে এসেছে তাদের ঘনিষ্ঠজনদের কল্যাণে। তাদের কারো স্ত্রী, কারো সন্তান, কারো ভাইবোন আবার কারো বা পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ বন্ধু মোসাক ফনসেকার মাধ্যমে অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ফাঁকি ও অর্থ পাচার করেছেন। আইসিআইজে যাদের নাম প্রকাশ করেছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যদের নাম রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

    এই তালিকায় রয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মৌরিসিও মাকরি। মাত্র এক বছর আগে তিনি স্বল্প ভোটের ব্যবধানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। জর্জিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও কোটিপতি বিদজিনা ইভানিশভিলি। ২০১২ সালে নির্বাচিত হয়ে মাত্র ১৩ মাস তিনি ক্ষমতায় ছিলেন। আইসল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সিগমুন্ডুর দাভিজো গুনলাউগসন। নথিতে নাম এসেছে ইরাকের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়াদ আল্লাউই, জর্ডানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলি আবু আল রাঘিব, কাতারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হামিদ বিন জসিম বিন জাবের আল থানি, কাতারের সাবেক শাসক শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি, সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ বিন আবদুল রহমান আল সৌদ, সুদানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আহমাদ আলি আল মিরঘানি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান, ইউক্রেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পাভলো লাজারেঙ্কভ ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট পেত্রো পেরোশেঙ্ক, আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের। নথিতে সরাসরি তার নাম না এলেও রয়েছে তার স্ত্রী, সন্তান ও বোনের নাম।

    চীনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লি পেং কর ফাঁকিতে তার বোন লি শিয়াওলিনের নাম ব্যবহার করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নামে এসেছে পরোক্ষভাবে। নথিতে তার দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরকাদি, সের্গেই রলদুগিন ও বরিস রোটেনবার্গ নাম রয়েছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। বাবা ইয়ান ক্যামেরনের সূত্রে নথিতে নাম এসেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের ।মিশরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক, মরক্কোর বর্তমান রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ, পাকিস্তনের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ, ঘানার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জন আগিকুম কুফুর, মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক, আর্জেন্টিনার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নেস্টর কিরচনার ও ক্রিস্টিয়ানা ফার্নান্দেজ।

    আরো আছে মেক্সিকোর বর্তমান প্রেসিডেন্ট এনরিক পিনা নিয়েতো, স্পেনের প্রাক্তন রাজা প্রথম জুয়ান কার্লোস, আইভরি কোস্টের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লরেন্ট গেবাগো, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা, গিনির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লাসানা কন্টি, ফিলিস্তিনের উপপ্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ মুস্তফা, ইকুয়েডরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর পেত্রো দেলাগাতো, গ্রিসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সামারাসের ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কার্যালয়ের উপপ্রধান স্টাভরস পাপাস্টাভরু, কঙ্গোর পার্লামেন্ট সদস্য জায়নেত ডিসিরি কাবিলা কাউঙ্গু, কাজাখস্তানের আস্তানার উপ মেয়র নুরুলা আলিয়েভ, আলজেরিয়ার শিল্প ও খনিমন্ত্রী আব্দেস্লাম বউচৌরেব, অ্যাঙ্গোলার তেলমন্ত্রী হোসে মারিয়া বোথেলহো, কম্বোডিয়ার বিচারমন্ত্রী অং ভং ভাথোনা।

    এ ছাড়া আছে ফ্রান্সের প্রাক্তন বাজেটমন্ত্রী জেরম চাহুজাক, আইসল্যান্ডের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী জারনি বেনেডিক্টসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওলফ নরডাল, মাল্টার জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোনার্ড মিজ্জি, সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন নাইফ, ইংল্যান্ডের হাউজ অব লর্ডসের সদস্য ব্যারোনেস পামেলা শার্পলেস ও প্রাক্তন সদস্য মাইকেল অ্যাশক্রফট, ব্রিটেশ পার্লামেন্টের প্রাক্তন সদস্য মাইকেল ম্যাটস, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব কফি আনান, হন্ডুরাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেইম রোসেনথাল, সেনেগালের প্রাক্তন মন্ত্রী করিম ওয়াদে, চীনের প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী বো শিলাই।

  • চীনা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও ‘অভিযোগের তীর’

    চীনা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও ‘অভিযোগের তীর’

    এবিএনএ : পানামার একটি ল’ ফার্মের ফাঁস হয়ে যাওয়া এক কোটি ১৫ লাখ গোপন নথির মধ্যে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও তার পরিবারের বিদেশে গোপন অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে ইঙ্গিত প্রকাশ পেয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে শুরু হওয়া তদন্তে বেশ কয়েকটি দেশের বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানদের নাম আছে।

    এদের মধ্যে মধ্যে আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট এবং সৌদি আরবের বাদশার নামও আছে।

    পাশাপাশি ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি ও চলচ্চিত্র তারকা জ্যাকি চ্যানেরও নাম আছে।

    তবে এসব নামের মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর নামটি সম্ভবত চীনা প্রেসিডেন্টের নাম। নিজ দেশে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট শি।

    দেশটির দুর্নীতিবিরোধী এই অভিযানে দেশের শীর্ষ পদগুলোতে আসীন কমিউনিস্ট পার্টির অনেক নেতা ধরাশায়ী হয়েছেন।

    কিন্তু ফাঁস হওয়া নথিপত্রে সেই চীনা প্রেসিডেন্ট শি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিদেশে গোপন ব্যাংক একাউন্ট আছে এমন ইঙ্গিত প্রকাশ পেয়েছে।