Category: আন্তর্জাতিক
-

সিরিয়ায় সিরিজ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০
এ বি এন এ : সিরিয়ার লাতাকিয়া প্রদেশে একাধিক আত্মঘাতী হামলায় কমপক্ষে ১০০ জন নিহত হয়েছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত তারতাউস এবং জাবলেহ শহরের সাতটি এলাকায় এই বিস্ফোরণগুলি প্রায় একই সময়ে ঘটেছে।জাবলেহ শহরের একটি হাসপাতালও হামলার শিকার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জঙ্গি সংগঠন আইএসের সমর্থক একটি বার্তা সংস্থা এই হামলাগুলোর দায়িত্ব স্বীকার করেছে। উল্লেখ্য, সিরিয়ার ক্ষমতাসীন আসাদ সরকারের সাহায্যকারী রাশিয়া এই লাটাকিয়া অঞ্চলে ঘাঁটি গেড়েছে। তারতাউস বন্দরে রাশিয়ার একটি নৌঘাঁটি রয়েছে এবং জাবলেহ-তে রয়েছে একটি বিমান ঘাঁটি।আসাদ সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব এলাকায় এত বড় ধরণের হামলা খুব বিরল। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সিরিয়ান টিভি জানিয়েছে, একজন আত্মঘাতী পায়ে হেটে এবং আরেকজন গাড়িতে করে বাস স্টেশনে হামলা জানিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, জাবলেহ এর একটি বাস স্টেশনে রকেট হামলা চালানো হয়। -

সিরিয়ায় কারাগারে ৬০ হাজার বন্দির মৃত্যু!
এ বি এন এ : বিগত পাঁচ বছরে সিরিয়ায় কারাগারগুলোতে সরকারি বাহিনীর নির্যাতন কিংবা মানবেতর অবস্থায় থেকে কমপক্ষে ৬০ হাজার বন্দির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। দেশটির সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার সংগঠনটি এ দাবি করে।সংগঠনটির প্রধান রামি আবদেল রহমান বলেন, ‘২০১১ সালের মার্চ থেকে সরকারি কারাগারে থেকে নির্যাতনে কিংবা খাদ্য, চিকিৎসার অভাবে ভয়াবহ অবস্থায় থেকে কমপক্ষে ৬০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।’২০১১ সালে সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। দ্রুতই সে বিক্ষোভ সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। এ যুদ্ধে গত পাঁচ বছরে চার লাখ মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন সিরিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত স্ত্যাফান দি মিস্তুরা। নিহত লোকজনের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করা অসম্ভব। কারণ, বহু সিরীয়কে গুম করা হয়েছে, যাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা অজানাই রয়ে গেছে।মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) বৈরুতভিত্তিক গবেষক নাদিম হৌরি অভিযোগ করেছেন, সিরীয় সরকার ‘ভয়াবহ নির্যাতন’ করছে। -

মেয়েদের রাজনীতির জগতটা কেমন?
এ বি এন এ : সাই ইং ওয়েন তাইওয়ানের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুক্রবার। জানুয়ারি মাসের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাধিক্যে বিজয়ী হন মিস সাই। সাবেক আইনের ছাত্রী এবং বেড়াল-প্রিয় মিস সাই-এর কোনোদিন প্রেসিডেন্ট হবার কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না।
তবে পূর্ব এশিয়ার নারী রাজনীতিকদের মধ্যে তিনি স্বতন্ত্র লিখছেন বিবিসির তাইপেই সংবাদদাতা সিন্ডি সুই।
পূর্ব এশিয়ায় সাধারণত নারী রাজনীতিকরা ক্ষমতায় এসেছেন বাবা, ভাই বা স্বামীর সূত্রে। যেমন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পাক গুন-হে, ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট কোরাজন অ্যাকিনো অথবা থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক চিনাওয়াত। কিন্তু সাই ইং ওয়েনের ক্ষেত্রে সেটা ঘটে নি। তাইওয়ানে এটা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়।
শুধু মিস সাই নন, তাইওয়ানে বহু নারী রাজনীতিকেরই কোনো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নেই- তারা রাজনৈতিক পরিবারে বড় হন নি। এদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট, এবং কাওশিউং শহরের মেয়র। তারা নিজেদের চেষ্টা ও যোগ্যতা দিয়ে তাদের অবস্থানে পৌঁছেছেন ।
তাইওয়ানের সংসদেও দেখা যায় মেয়েদের ভাল দাপট। দেশটির সংসদে প্রায়ই যে মারপিট- হাতাহাতি হয় তাতে নারী সংসদ সদস্যরাও যে শুধু সমানতালে অংশ নেন তাই নয়, কখনও কখনও এতেও তারা নেতৃত্ব দেন।
জানুয়ারির নির্বাচনের পর তাইওয়ানে সংসদ সদস্যের হার এখন রেকর্ডসংখ্যক- ৩৮ শতাংশ- যা এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি তো বটেই। এমনকী যুক্তরাজ্য, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক বিশ্বে নারী আইনপ্রণেতাদের গড় সংখ্যাও এর থেকে অনেক কম – ২২ শতাংশ।
কিন্তু তাইওয়ানে নারী রাজনীতিকদের সংখ্যা এত বেশি হলেও মিস সাইয়ের চল্লিশ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভায় কেন মাত্র চারজন নচুচারমন্ত্রিসভার একজন মুখপাত্র বলছেন এর মূল কারণ এসব নারী রাজনীতিকের অভিজ্ঞতার অভাব। তিনি বলছেন মিস সাইয়ের দল বহু বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার ফলে তাদের ঝুলিতে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা জমা হয় নি।
আর অভিজ্ঞ ও যোগ্য অনেকে মন্ত্রী পদের দায়িত্ব নিতে রাজিই হননি।এদের একজন ৬৫ বছরের হো মেই উয়ে- একসময় অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি বলছেন জীবনের ৩৩ বছর তিনি সরকারকে দিয়েছেন। সংসার সামলানোর পাশাপাশি রাজনীতিতে সময় দিয়েছেন। “কিন্তু নিজেকে আমি বঞ্চিত করেছি।”
“আমাকে চাকরিও করতে হয়েছে, আবার ছেলেপুলে মানুষ করতে হয়েছে। এখন নিজেকে সময় দিতে চাই।” তাইওয়ানে মেয়েদের জন্য সংসার সামলে রাজনীতি করা কঠিন বলেই তিনি বললেন। তবে, তাইওয়ানের রাজনীতিতে নারীদের এই উঁচু হারের পেছনে কিন্তু বিশেষ কোটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংসদে কিছু আসন রয়েছে যার অর্ধেকই মহিলাদের প্রাপ্য। এছাড়াও স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার চারটি আসনের মধ্যে একটি মহিলাকে দিতে হবে।
তাইওয়ানের রাজনীতিতে নারীদের অবস্থান নিয়ে গবেষনা করেছেন আমেরিকান অধ্যাপক জয়েস গেল্ব। তিনি বলছেন -“দেশটির সংবিধানে নারীদের জন্য বিশেষ অবস্থান সংরক্ষিত আছে। একমাত্র স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো এই নীতি নিয়েছে। এশিয়া বা অন্যান্য দেশের জন্য এটা একেবারেই নতুন।”তবে, নারী আইনপ্রণেতাদের সংখ্যা এখন এই কোটাকেও অতিক্রম করে যাচ্ছে। ফলে অনেকেই বলছেন এই কোটা পদ্ধতি তুলে দেওয়ার সময় এসেছে।
তবে, মিজ সাই-এর মন্ত্রিসভায় সংখ্যার হিসাবে নারীদের যে দুরাবস্থা তা দেখে বলা যায় এই কোটার প্রয়োজনীয়তা এখনও রয়েছে।
তাইপেই-এর একজন গবেষক নাথান বাত্তো বলছেন, এই কোটা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে দলগুলো নারী রাজনীতিকদের আরো প্রস্তুত করে তোলায় মনোযোগী হতে পারবে। তবে তার মতে, “সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”– See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/91427/index.html#sthash.DDrQd08R.dpuf
-

ভূমধ্যসাগরে বিধ্বস্ত মিসরীয় বিমানের সব আরোহী নিহত
এ বি এন এ : প্যারিস থেকে কায়রোগামী ইজিপ্টএয়ারের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে এর ৬৬ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মিসরের সামরিক বাহিনী।
মিসরের নৌবাহিনী ভূমধ্যসাগরে ভেসে থাকা বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও যাত্রীদের মালামাল খুঁজে পেয়েছে। আলেক্সান্দ্রিয়া উপকূল থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার উত্তরে সমুদ্রে ধ্বংসাবশেষগুলো খুঁজে পাওয়া গেছে। বিমানের ব্ল্যাক বক্সের খোঁজে ওই এলাকায় এখনো তল্লাশি অভিযান চলছে।
মিসরের রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থার এয়ারবাস এ৩২০ বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৯ মিনিটে ফ্রান্সের শার্ল দা গল বিমানবন্দর ছাড়ে। মিসরের স্থানীয় সময় রাত ২টা ৫৫ মিনিটে সেটির কায়রো বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু গ্রিক আকাশসীমা পেরোনোর পরপরই কায়রোর স্থানীয় সময় বুধবার রাত ২টা ৪৫ মিনিটে (বাংলেদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫) বিমানটি রেডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়।
গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পানোস কাম্মেনোস এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, বিমানটি সাগরে পড়ার আগে আকাশে দুইবার চক্কর খেয়েছিল বলে তারা জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, “ফ্লাইট এমএস৮০৪ মিসরের আকাশসীমায় প্রবেশ পরপরই ৯০ ডিগ্রি বামে এবং ৩৬০ ডিগ্রি ডানে চক্কর খায়। এরপর বিমানটি ৩৭ হাজার ফুট থেকে একেবারে ১৫ হাজার ফুট নিচে নেমে এসে রেডার থেকে হারিয়ে যায়।” সর্বপ্রথম ফ্রান্স ভূমধ্যসাগরে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে। কায়রোর কর্মকর্তারা বিমানটির আরোহীদের মৃত্যুর খবর জানানোর পর মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পেছনে সন্ত্রাসীদের হাত থাকতে পারে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মিসরের প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল বলেন, “এখনও নিশ্চিত করে কিছু বলার সময় আসেনি। তবে কোনো আশঙ্কাকেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।” যদিও এখন পর্যন্ত কোনো জঙ্গি সংগঠন এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। মিসরের বিমান পরিবহনমন্ত্রী বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির তুলনায় সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
-

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় মমতা
এ বি এন এ : পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় আবারো ক্ষমতায় আসছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস। গতবারের চেয়েও বেশি আসন নিয়ে বিপুল বিক্রমে রাজ্য সরকার গঠন করতে চলেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট গণনায় ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগে ২০১১ সালের নির্বাচনে ১৮৪ টি আসন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাদের। অপরদিকে কংগ্রেস ৪৭ ও বামফ্রন্ট ২৮টি আসনে জয় পেয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা বিজেপি পেয়েছে তিনটি আসন।
নির্বাচন শেষ হওয়া পর ফলাফলের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, মমতা ১৬৫ থেকে ১৭০টি আসনে জয় পেয়ে ফের ক্ষমতায় আসতে পারেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের ভরাডুবি ঘটিয়ে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছে তৃণমূল।
দ্বিতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হতে যাওয়ায় এরই মধ্যে মমতার বাসার সামনে উদযাপন শুরু হয়ে গেছে।
সারদা কেলেঙ্কারি ও নারদা স্টিং অপারেশনের কারণে কিছুটা পেছানো ছিলেন মমতা। এর সঙ্গে কলকাতায় ফ্লাইওভার ধসে তার ওপর আরো বেশি চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে ফলাফলে দেখা যাচ্ছে এতোকিছুর পরও ঘাস ফুলেই গেছে গণরায়।
অবশ্য নিজের জয় নিয়ে প্রায় নিশ্চিত ছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। নির্বাচন চলাকালে একটি সভায় জয়ের বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
জোট ছাড়া বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেই মমতা ঘোষণা দিয়েছেন, রাজ্যে বিজয়োৎসব চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। গত পাঁচ বছর তৃণমূল সরকার যে ঢালাও উন্নয়ন করেছে রাজ্যে তার জন্যই এই বিপুল জয়, বলেন মমতা।
-

সন্ধ্যায় বিয়ে, সকালে বিচ্ছেদ!
এ বি এন এ : মহা ধুমধামের মধ্যে সন্ধ্যায় চার হাত এক হলো। কিন্তু সকাল হতে না হতেই বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে ইতি ঘটল সম্পর্কের। অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনর জেলায়।কনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাদের সিন্দুক থেকে প্রায় দেড় লাখ রুপি ও গহনা চুরি হয়েছে। এই ঘটনায় বরযাত্রীসহ বরকেও আটক করে করে পক্ষ।কনের পরিবারের অভিযোগ, বরের এক আত্মীয় অর্থ চুরি করেছে। সকালে পুলিশ আসার পর বরযাত্রী মুক্ত হন। আর মুক্ত হওয়ার পরপরই বর কনেকে তালাক দিতে সময় নেননি।গ্রামবাসীদের ভাষ্যে, সোমবার পাশের চান্দপুরান গ্রাম থেকে বরযাত্রীসহ বিয়ে করতে আসেন কারি ইমরান। কনের বাবা নাসির আহমেদ অভিযোগ করেন, বরের ভাতিজা আকিব ও এক নারী এক লাখ ৪৫ হাজার রুপি ও কিছু গয়না সিন্দুক থেকে চুরি করেন।বরের আত্মীয়স্বজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, কনের আত্মীয়রা তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে ও বরযাত্রীদের আটক করে রেখেছে। এর মধ্যে কেউ পুলিশকে খবর দিলে সকালে এসে পুলিশ তাদের মুক্ত করে।মুক্ত হওয়ার পর পরই ইমরান তার নববিবাহিত স্ত্রীকে তালাক দিতে বিন্দুমাত্র সময় নেননি। এ বি এন একে তিনি বলেছেন, আমি তালাক দিকে প্রস্তুত ছিলাম না, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েছি।এ ঘটনার পর উভয় পক্ষকেই থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানান স্থানীয় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিব কুমার। কোনো পক্ষই লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি বলেও জানান তিনি।গ্রামপ্রধান রশিদ কোরেশি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করার চেষ্টা করছেন তারা। -

শ্রীলঙ্কায় ভূমিধস, ২০০ পরিবার নিখোঁজের শঙ্কা
এ বি এন এ : শ্রীলঙ্কায় অতিরিক্ত বৃষ্টি শেষে হওয়া ভূমিধসে ২০০ পরিবার মাটিচাপা পড়েছে বলে আশঙ্কা করছে রেড ক্রস। দেশটির কেগাল্লে জেলায় তিনটি গ্রামের ওপর এই ভূমিধস হয়েছে। সেখানে উদ্ধার অভিযান চলছে।গ্রাম থেকে ১৩ জনের দেশ উদ্ধার করা গেছে। আরো তিনজনের মৃতদেহ জেলার অপর এক স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভূমিধসের পর ১৫০ জন মানুষকে উদ্ধার করা হলেও ৬০টি ঘর এখনও কাদা-মাটির নিচে রয়ে গেছে।শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৩ দিনে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের কারণে হওয়া বন্যায় কমপক্ষে ৩২ জন মারা গেছে। প্রায় তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে।উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৩০০ জন অফিসার ভূমিধসের পর থেকে সেখানে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত আছে। এখন পর্যন্ত ১৫০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জনের লাশ আমরা পেয়েছি। -

সিরিয়ার হাসপাতালে আইএসের হামলায় নিহত ৫৫
এ বি এন এ : সিরিয়ার দের আল জোর শহরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এক হাসপাতালে আইএসের হামলায় ৩৫ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। এদিকে এই ঘটনায় আইএসের ২০ জন নিহত হয়েছে ।দের আল জোর শহরের আল-আসাদ হাসপাতালে হঠাৎ আক্রমণ চালায় আইএস। শহরটির অর্ধেক দখল করে রাখা এই জঙ্গি গোষ্ঠী চেষ্টা করছে শহরটির আরো বেশ কিছু অংশ দখল করে নিতে। হাসপাতালে আইএস আক্রমণ চালানোর পর প্রায় ঘণ্টা ব্যাপী সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ চলে। এ সময় হাসপাতালের কর্মী ও সরকার সমর্থিত বাহিনীর ৩৫ জনকে হত্যা করে আইএস। অন্যদিকে সরকারি বাহিনীর হামলায় এ সময় মারা যায় আইএসের ২০ জন সদস্য। আইএসের সদস্যরা হাসপাতাল ত্যাগের পূর্বে বেশ কয়েকজন হাসপাতাল কর্মচারী ও ডাক্তারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তাদের ভাগ্যে কি আছে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।উল্লেখ্য, গত দুই বছর ধরে রাক্কা শহরের সংযোগ স্থল হিসেবে তেল সমৃদ্ধ দের আল জোর শহরের অর্ধেকাংশ দখল করে রেখেছে। আইএসের কল্পিত খেলাফতের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে রাক্কাকে। রাক্কা ও দের আল জোর শহরের দুই লাখ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে তারা। -

ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
এ বি এন এ : ইমামকে নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।
দেশটির প্রাক্তন একজন ইমামকে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর সমর্থক বলার কারণে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি প্রাক্তন ইমাম সুলায়মান গানিকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন।
আইএস সমর্থক বলার অভিযোগে ক্যামেরনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইমাম সুলায়মান গানি।
ডেভিড ক্যামেরন যে সময়ে এই মন্তব্য করেন সে সময়ে লন্ডনের মেয়র নির্বাচনের প্রচারণা চলছিল। নির্বাচনে বিরোধী লেবার পার্টির সাদিক খান বিজয়ী হয়েছেন।
-

ড্রাইভারের ছেলে সেই মেয়রের জীবনের গল্প
এ বি এন এ : লন্ডনে প্রথমবারের মত একজন মুসলিম ব্যক্তি মেয়র পদে গতকাল শপথ করেছেন। সেই ব্যক্তিকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। কোথা থেকে এসে আজ তিনি এই আসনে জানতে চান?
তিনি বিভিন্ন কাউন্সিল এস্টেটে বড় হলেও তিনি বর্ণবাদ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন কৌশল শিখেছেন। লন্ডনের লেবার মেয়রের সম্পূর্ণ নাম সাদিক আমান খান। তার বর্তমান বয়স ৪৫ বছর। তার জন্ম হয়েছে লন্ডনের টুটিং শহরে। তিনি তুলা রাশির জাতক। তিনি নর্থ লন্ডন এবং ল’ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সাদিক খান পাকিস্তানের একজন বাস ড্রাইভারের ছেলে। তার বাবার নাম আমানুল্লাহ খান এবং সেহেরুন খান। সাদিক খানের আরও আট ভাইবোন রয়েছে।
তিনি প্রথম থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে প্রস্তুত। তিনি জানতেন তার বর্ণবাদ ও ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হবে। তাই তিনি আগে থেকে এর উত্তর তৈরি করে রেখেছেন। সাদিক খান একজন মানবাধিকার উকিল হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তিনি শৈশব থেকে দাঁতের ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু একটি টিভি শো দেখার পর তিনি আইনজীবী হবার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ২০০৪ সালে কোর্ট ত্যাগ করে বাম সংসদে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে।
সাদিকের সস্ত্রী সাদিয়া একজন আইনজীবী। তিনি গত ২২ বছর আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার দুইজন কন্যা রয়েছে। তাকে মুসলমান হিসেবে একজন টুইটারে কটাক্ষ করার পর তিনি তাকে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমি একজন মুসলিম বলে আমার দিকে আঙ্গুল তুলে কোন লাভ নেই। আমি নির্বাচনী লিফলেটে তা পূর্বেই জানিয়ে দিয়েছি।’
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বই লিখেছেন। ২০১৪ সালের ম্যারাথনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি।