Tag: রাজনীতি

  • ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের হয়ে মাঠে কোকোর স্ত্রী

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের হয়ে মাঠে কোকোর স্ত্রী

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে নির্বাচনী কার্যক্রমে ব্যস্ত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলেও সারাদেশের প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে নিজ এলাকায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারছেন না তিনি। এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি।

    এবিএনএ: শনিবার বিকেলে রাজধানীর শাহজাদপুর এলাকায় সুবাস্তু নজর ভ্যালি মার্কেটের সামনে থেকে তারেক রহমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেন শামিলা রহমান সিঁথি। এরপর তিনি গুলশান এলাকার ডিএনসিসি মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন।

    এ সময় তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে তারেক রহমানের জন্য দোয়া ও ভোট কামনা করেন। গণসংযোগকালে শামিলা রহমান সিঁথি বলেন, তিনি ভাইয়ের পক্ষ থেকে ভোটারদের কাছে এসেছেন এবং সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

    এই প্রচারণায় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিনের স্ত্রী ব্যারিস্টার মেহেনাজ মান্নানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এদিকে ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম এবং যুগ্ম সমন্বয়ক ফরহাদ হালিম ডোনার।

  • রিকশাচালকও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে—পরিবারতন্ত্র ভাঙার ডাক জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের

    রিকশাচালকও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে—পরিবারতন্ত্র ভাঙার ডাক জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারতন্ত্র ও বংশানুক্রমিক রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়াই জামায়াতের লক্ষ্য। এমন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চান তারা, যেখানে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে একজন রিকশাচালকও দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পাবে।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ফেনীতে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যুব সমাজের প্রত্যাশা পূরণে জামায়াত কাজ করবে এবং যারা বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে, তাদের প্রথম সিদ্ধান্ত হবে দেশের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলা, দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত হবে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নেওয়া।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, পুরোনো ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি জনগণ আর গ্রহণ করবে না। দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, নারীদের সম্মানহানির রাজনীতি জামায়াত কখনো মেনে নেবে না।

    বিএনপির প্রস্তাবিত বেকার ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত ভাতা নির্ভর নয়, বরং কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায়। তার ভাষায়, “আমরা বসে বসে ভাতা নেব না, আমরা কাজ সৃষ্টি করব। ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”

    ফেনীবাসীর উদ্দেশে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে জামায়াত আমির জানান, ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যা নিরসনে কার্যকর বাঁধ নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক মানের একটি স্টেডিয়াম গড়ে তোলার চেষ্টাও করবে জামায়াত।

    জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ফেনী-২ আসনের প্রার্থী মুজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

    ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে বলেন, পুরোনো বন্দোবস্তের রাজনীতি বজায় থাকলে মানুষ চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে।

    শুক্রবার সকাল থেকেই ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ১০টায় আমিরে জামায়াত সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেন। জনসভায় জামায়াত ও জোটভুক্ত দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ২১ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান, পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ ঘিরে কঠোর বিধিনিষেধ সিএমপির

    ২১ বছর পর চট্টগ্রামে তারেক রহমান, পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ ঘিরে কঠোর বিধিনিষেধ সিএমপির

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। জনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সময়ে নগর এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। একইসঙ্গে কোনো ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী প্রতীক, ব্যানার বা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনও করা যাবে না।

    পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ২৯ ধারার আওতায় এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০ অনুসারে অননুমোদিত ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির নির্বাচনী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি একদিন আগেই চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন।

    সবশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফরে এসে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর তার এই আগমনকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রস্তুতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

  • ভারতবিরোধিতা আছে, কিন্তু মার্কিন প্রশ্নে নীরবতা কেন? রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘিরে ফরহাদ মাজহার

    ভারতবিরোধিতা আছে, কিন্তু মার্কিন প্রশ্নে নীরবতা কেন? রাজনৈতিক দলগুলোকে ঘিরে ফরহাদ মাজহার

    এবিএনএ: দেশের সব রাজনৈতিক দলই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মাজহার। তার মতে, অনেক রাজনৈতিক শক্তি ভারতবিরোধী বক্তব্যে সরব হলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রশ্নে তারা নীরব ভূমিকা পালন করে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। সভার বিষয় ছিল—দেশজুড়ে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং এ ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের করণীয়।

    আলোচনায় ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রসঙ্গ টেনে ফরহাদ মাজহার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি দেখা যায়নি।

    ফরহাদ মাজহার বলেন, “জামায়াত যদি গাজায় এই বাহিনী পাঠানোর বিরোধিতা না করে, তাহলে বোঝা যায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি নীতিগত সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই যে অবস্থান নিয়েছে, সেটি বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে—এটাকে আমি অত্যন্ত অশুভ সংকেত হিসেবে দেখি।”

    যুক্তরাষ্ট্রকে একটি শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক ক্ষমতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক আইন কার্যত অকার্যকর। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণই সেই বাস্তবতার স্পষ্ট উদাহরণ।

    তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলই কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত। ভারতবিরোধী বক্তব্য শোনা গেলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিবাদ খুব কমই দেখা যায়।”

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) আহমেদ ফেরদৌস এবং কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ রোমেল।

  • চাঁদাবাজির রাজনীতি আর নয়, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের

    চাঁদাবাজির রাজনীতি আর নয়, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ডা. শফিকুর রহমানের

    এবিএনএ: সারাদেশে বেসরকারি ট্যাক্সের নামে চলমান চাঁদাবাজির সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে তা সম্পূর্ণ নির্মূলের অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য ইনসাফ নিশ্চিত না হলে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা-১৫ আসনের উদ্যোগে মিরপুর-১০ এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় করের বাইরে এক ধরনের অবৈধ ট্যাক্স দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছোট দোকানদার, হকার, পথচারী এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী চাঁদা নেবে না, চাঁদা দেবে না এবং দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করবে না।

    বিএনপির দুই হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের সাময়িক সহায়তা স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এসব উদ্যোগে মধ্যস্বত্বভোগীদের সুবিধা নেওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়, যা অতীতে বহুবার দেখা গেছে।

    ইনসাফের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সমাজে বৈষম্য, লুটপাট ও দুঃশাসনের মূল কারণ ন্যায়বিচারের অভাব। ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীরা কখনোই নিরাপদে দেশ ছাড়তে পারত না।

    গত দেড় দশকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের শাসনে বহু মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এখনো অনেক পরিবার তাদের স্বজনদের ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

    জনসভায় উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত জনগণ আর কোনো ভোট ডাকাতকে ক্ষমা করবে না। যারা নিজেদের দলের ভেতরে দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমন করতে পারবে, তারাই দেশকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে সক্ষম হবে।

    মিরপুর এলাকার অবকাঠামোগত দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, খালগুলো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানসম্মত হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মিরপুরকে একটি আদর্শ এলাকায় পরিণত করা হবে। তরুণ সমাজকে কেবল সার্টিফিকেটধারী নয়, নৈতিকতা ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

  • ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    এবিএনএ:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনে কারচুপির যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করার দুঃসাহস যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। এবার জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, মাঠে থাকার কথা থাকলেও বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

    তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী কর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। কর্মীদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, মারধর, এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়েছে, অথচ এসব ঘটনায় এখনো মামলা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বড় রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে লড়াই করলেও তিনি ভয় পান না। প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ২০১৮ সালের মতো আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সবার ওপরই পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অবহিত করবেন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা।

    ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দেশের মানুষ বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে। প্রতিকূলতা যতই থাকুক, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

  • নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় তারেক রহমান, সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে বিএনপির প্রচারণা

    নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় তারেক রহমান, সিলেট থেকেই শুরু হচ্ছে বিএনপির প্রচারণা

    এবিএনএ: আসন্ন নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিতে সিলেটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ৩৮ মিনিটে তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পথে রওনা হন।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহাদী আমীন জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তারেক রহমান সিলেটে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি গভীর রাতে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। পরদিন সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

    সিলেট সফর শেষে পর্যায়ক্রমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জনসভায় অংশ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এসব কর্মসূচি শেষে তিনি রাতেই ঢাকায় ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র।

    মাহাদী আমীন বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি দিতেই তাদের সফরসঙ্গী করা হচ্ছে। ভবিষ্যৎ সফরগুলোতেও আরও ত্যাগী নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    এই সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, মামুন হাসান, আবদুল মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ইয়াসীন ফেরদৌস মুরাদ ও রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ একাধিক তরুণ নেতা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট থেকে শুরু হওয়া এই সফর তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গতি আনবে।

  • নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আটজন নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

    ইসির এক চিঠিতে জানানো হয়, গাজীপুর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত তার জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    অন্য একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দলের সাতজন শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

    নিরাপত্তার আওতায় আসা জামায়াত নেতারা হলেন—
    আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ এবং মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীদের নিরাপদ প্রচার-প্রচারণা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম শর্ত। সে লক্ষ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

  • দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    দেশ রক্ষায় কঠোর বার্তা মির্জা আব্বাসের: প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে ক্ষমতা যেতে দেব না

    এবিএনএ: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার এবং রাজনৈতিক বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করবেন, তবে কোনোভাবেই প্রতারক ও ধান্দাবাজদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা যেতে দেবেন না।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির উদ্যোগে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, নির্বাচনী রাজনীতিতে নামার পর বিএনপির বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, যেভাবে কুৎসা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তা সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, তিনি কোনোভাবেই পরিচয়হীন রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তার ঠিকানা ও পরিচয় স্পষ্ট—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দায়িত্বশীল রাজনীতিই তার পথ।

    নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনীতি ধৈর্য ও ত্যাগের জায়গা। অল্প বয়সে ক্ষমতার লোভে অস্থির না হয়ে শেখার মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। দেশ গঠনের রাজনীতিতে বিএনপি সব সময় সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে রাজপথে থাকার ইতিহাস বিএনপির রয়েছে। স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে অতীতের আন্দোলনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিএনপি কখনো ব্যক্তিস্বার্থে রাজনীতি করেনি।

    আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। জিএম কাদের জানান, বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আরও দুই থেকে তিনজন প্রার্থী তালিকায় যুক্ত হতে পারেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দলটি এখনো সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) পাচ্ছে না। বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী বর্তমানে কারাগারে থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মামলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন জিএম কাদের।

    মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যত্রতত্র মামলা দিয়ে ভয়ভীতি তৈরি করা হচ্ছে। এতে পুলিশসহ বিভিন্ন পক্ষ জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। কারো বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে, কারো বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক স্বার্থে, আবার কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।

    সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে এসব অনিয়ম বন্ধ করে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।