Tag: বাগেরহাট

  • বাগেরহাটে ভয়াবহ আগুন: পুরোনো শীত কাপড় মার্কেট পুড়ে ছাই, দেড় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

    বাগেরহাটে ভয়াবহ আগুন: পুরোনো শীত কাপড় মার্কেট পুড়ে ছাই, দেড় কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

    এবিএনএ: বাগেরহাট শহরের পুরাতন লঞ্চঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুরোনো শীত কাপড় মার্কেটের ১৫টি দোকান ও একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত পুরোনো শীত কাপড়ের এই মার্কেটে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ১৫টি পুরোনো কাপড়ের দোকানের সব মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঈদ সামনে রেখে অনেক ব্যবসায়ী নতুন পণ্য মজুদ করছিলেন, পাশাপাশি দোকানে নগদ অর্থও ছিল বলে জানান তারা।

    আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অন্যতম মালিক জাহিদ চাকলাদার বলেন, দীর্ঘদিনের কষ্টে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটি এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে। আগুনে আমাদের সব যন্ত্রপাতি ও কাগজপত্র পুড়ে গেছে।

    একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কাপড় ব্যবসায়ী লিটু খান জানান, ঋণ করে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। ঈদের প্রস্তুতির জন্য দোকানে পণ্য ও নগদ টাকা রাখা ছিল, আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে।

    এ বিষয়ে বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

  • নির্বাচনী উত্তাপে বাগেরহাটে আগুন! স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রস্তাবিত মেডিকেল প্রকল্পে দুর্বৃত্তদের হামলা

    নির্বাচনী উত্তাপে বাগেরহাটে আগুন! স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রস্তাবিত মেডিকেল প্রকল্পে দুর্বৃত্তদের হামলা

    এবিএনএ: বাগেরহাট শহরের স্টেডিয়াম-সংলগ্ন এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেলে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে একটি স্পিড বোর্ড ও আশপাশের কয়েকটি গাছ পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে এম এ এইচ সেলিমের বড় ছেলে মেহেদী হাসান পিন্স জানান, বাগেরহাটবাসীর জন্য একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন ছিল তাদের। আগে জমি নির্ধারণও করা হয়েছিল। স্টেডিয়াম এলাকার ওই স্থানে আগে একটি স্থানীয় পত্রিকার অফিস ছিল, সেখানে দুটি সেমিপাকা ঘর ও সামনে একটি স্পিড বোর্ড রাখা ছিল। আগুনে বোর্ডটি ও বেশকিছু গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় দুটি টিনশেড ঘর অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে।

    তিনি অভিযোগ করেন, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, কর্মীদের হুমকি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ তার। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান পরিবারটি।

    বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে এবং ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।

  • কচুয়ায় ভোটের মাঠ রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে আহত অন্তত ৫ জন

    কচুয়ায় ভোটের মাঠ রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে আহত অন্তত ৫ জন

    এবিএনএ: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচনী উত্তেজনা সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ঘোড়া ও ধানের শীষ প্রতীকের অন্তত পাঁচজন সমর্থক আহত হয়েছেন। শুক্রবার গোপালপুর ইউনিয়নের ধোপাবাড়ি পোল এলাকায় সর্বশেষ এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রচারণা চলাকালে প্রতিপক্ষ ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৮) গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুইজন আহত হন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেও গোপালপুর এলাকায় দুই প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় ঘোড়া প্রতীকের একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এতে উভয় পক্ষের দুই কর্মী আহত হন। এসব ঘটনায় কচুয়া থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    আহত জাহাঙ্গীর হোসেনের দাবি, তিনি মোটরসাইকেলে করে গোপালপুর যাচ্ছিলেন, এ সময় কয়েকজন তাকে পথরোধ করে লাঠি দিয়ে মারধর করে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    এদিকে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ তুলে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনী টিম। তারা প্রচারণায় বাধা, কার্যালয় ভাঙচুর ও কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা দাবি করেছেন।

    অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করে বলা হয়েছে, তাদের প্রচারণা ও পোস্টারেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনও জানিয়েছে, বিষয়গুলো নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • কচুয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের ওপর রামদা হামলা: আতঙ্কে গ্রাম, সন্ত্রাসীর গ্রেপ্তারের দাবি

    কচুয়ায় সাবেক ইউপি সদস্যের ওপর রামদা হামলা: আতঙ্কে গ্রাম, সন্ত্রাসীর গ্রেপ্তারের দাবি

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ফুলতলাহাট এলাকার নিজ বাড়ির সামনে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।

    আহত ব্যক্তি শেখ আলম হোসেন (৬৫)। তিনি গোপালপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শেখ আনোয়ার হোসেনের সহোদর ভাই। হামলার পর তাকে গুরুতর অবস্থায় কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে শেখ আলম হোসেন বাড়ির সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে স্থানীয়ভাবে সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত জামাল হোসেন (৪২) তার ওপর রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে তার হাঁটু ও বাম পায়ে গভীর জখম হয়। পাশাপাশি বাম পাশের পাঁজরের হাড় ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত জামাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে ফুলতলা ও মালিপাটন গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষসহ সাধারণ বাসিন্দাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়, লুটপাট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনে জড়িয়ে পড়ে সে।

    এলাকাবাসীরা জানান, এসব ঘটনায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রকাশ্যে এ ধরনের হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, অফিসে তালা দেওয়া, ভাঙচুর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, মাহবুবুর রহমান টুটুল, সামিদ আল হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    এম এ এইচ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে তার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ, প্রচারণার মাইক ভাঙচুর এবং যাত্রাপুর এলাকার অফিসে তালা লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

    তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এ এইচ সেলিমের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কর ফাঁকির অভিযোগ সত্য হলে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হতো না। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

  • রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।

    ভোররাতে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের রোজা শুরু হয় এবং সন্ধ্যায় ইফতারের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়। সারাদিন রোজাদাররা আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে খাদ্য ও অন্যান্য ভোগ্য বিষয় থেকে বিরত থাকেন। হাদিসে রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে—রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধির চেয়েও উত্তম (বুখারি, মুসলিম ও তিরমিজি)।

    রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগের জন্য পৃথক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এতে খুলনাসহ বিভাগের সব জেলার জন্য নির্ধারিত সময় উল্লেখ রয়েছে, যা অনুসরণ করে রোজাদাররা নির্ভুলভাবে ইবাদত পালন করতে পারবেন।

    📍 খুলনা বিভাগের জেলার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি (২০২৬):

    • খুলনা জেলা: Khulna Sehri Iftar Time 2026

    • সাতক্ষীরা: Satkhira Sehri Iftar Time 2026

    • যশোর: Jashore Sehri Iftar Time 2026

    • মেহেরপুর: Meherpur Sehri Iftar Time 2026

    • মাগুরা: Magura Sehri Iftar Time 2026

    • বাগেরহাট: Bagerhat Sehri Iftar Time 2026

    • নড়াইল: Narail Sehri Iftar Time 2026

    • ঝিনাইদহ: Jhenaidah Sehri Iftar Time 2026

    • চুয়াডাঙ্গা: Chuadanga Sehri Iftar Time 2026

    • কুষ্টিয়া: Kushtia Sehri Iftar Time 2026

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • জামিন মিললেও মুক্তি অনিশ্চিত! যশোর কারাগারে কেন আটকে আছে সাদ্দামের মুক্তি

    জামিন মিললেও মুক্তি অনিশ্চিত! যশোর কারাগারে কেন আটকে আছে সাদ্দামের মুক্তি

    এবিএনএ: হাইকোর্টের আদেশে ছয় মাসের জামিন পেলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। কারণ, তার জামিননামা এখনো কারাগারের জেলগেটে পৌঁছায়নি।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ। তিনি জানান, আদালতের জামিন আদেশ থাকলেও আনুষ্ঠানিক জামিননামা হাতে না পাওয়ায় সাদ্দামকে আপাতত মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পৌঁছানোর পরই তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

    মানবিক দিক বিবেচনায় সাদ্দামকে এই জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। আদালতে তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।

    আইনজীবী জানান, বাগেরহাটের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাদ্দাম জামিন পেয়েছেন। অন্য মামলাগুলোতে তিনি আগেই জামিনে ছিলেন। ফলে আইনি দিক থেকে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকার কথা নয়।

    উল্লেখ্য, একাধিক মামলায় কারাবন্দি সাদ্দাম সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে চরম ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হন। গত ২৪ জানুয়ারি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে মৃত স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। প্যারোল মঞ্জুর না হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সে করেই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারের সামনে।

    এর আগে, বাগেরহাট সদর উপজেলার বেখেডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী এবং শিশু সন্তান নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় প্যারোল না দেওয়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন সাদ্দাম। পরে গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হন।

  • লাভের মুখ দেখছে আখ চাষ, প্রণোদনা পেলে বদলে যেতে পারে বাগেরহাটের কৃষকের ভবিষ্যৎ

    লাভের মুখ দেখছে আখ চাষ, প্রণোদনা পেলে বদলে যেতে পারে বাগেরহাটের কৃষকের ভবিষ্যৎ

    এবিএনএ,বাগেরহাট : ধানসহ অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশি লাভের সম্ভাবনায় বাগেরহাটে আবারও আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সার ও কীটনাশকের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারি প্রণোদনার অভাব—সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েও চলতি মৌসুমে ভালো ফলন ও ন্যায্য দামে আখ বিক্রি করে স্বস্তি ফিরেছে অনেক চাষির মুখে। বাজারে আখের কেনাবেচা ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য।

    ফুলতলা গ্রামের কৃষক রুবেল শেখ জানান, গত বছর প্রথমবার আখ চাষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়লেও হাল ছাড়েননি। ধার করে চলতি বছর ১০ কাঠা জমিতে আখ আবাদ করে তিনি এবার ৭০ হাজার টাকার বেশি লাভ করেছেন। তবে আগের ক্ষতির ঋণ এখনো দুশ্চিন্তার কারণ বলে জানান তিনি।

    কচুয়া উপজেলার বাধাল বাজারে হাটের দিনগুলোতে ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রলি, ভ্যান ও ট্রাকে করে আখ নিয়ে হাজির হন কৃষকেরা। বাজার সমিতির হিসাব অনুযায়ী, সপ্তাহের দুই হাটে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার আখ কেনাবেচা হয়। আকার ও মানভেদে প্রতি ১০০ আখ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায়।

    আখ চাষি ওমর শেখ বলেন, সার ও ওষুধের খরচ দিন দিন বাড়লেও এবছর ফলন ভালো হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। অন্যদিকে পাইকারি ক্রেতারা জানান, বাধাল বাজারের আখ মানসম্মত হওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকেও তারা এখানে আখ কিনতে আসেন।

    বাজার ইজারাদার খান শহিদুজ্জামান মিল্টন জানান, কম খাজনা ও ভালো নিরাপত্তার কারণে এ বাজারে আখের বেচাকেনা ক্রমেই বাড়ছে। এখান থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলায় আখ সরবরাহ হচ্ছে।

    কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বাগেরহাটে প্রায় ৭৫০ একর জমিতে আখের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন।

    এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন বলেন, অন্যান্য ফসলের মতো আখ চাষিদের জন্য সরকারি প্রণোদনা চালু হলে আবাদ আরও বাড়বে। আখ থেকেই গুড় ও চিনি উৎপাদন সম্ভব—যা আমদানি নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে। প্রণোদনা পেলে কৃষকরা ঝুঁকি ছাড়াই আখ চাষে আরও উৎসাহী হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • কারাবন্দি স্বামীর হতাশা! ৯ মাসের শিশুকে হত্যা করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    কারাবন্দি স্বামীর হতাশা! ৯ মাসের শিশুকে হত্যা করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় ৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ওই নারী ও তার শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত গৃহবধূর নাম কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২)। পুলিশ জানায়, ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় স্বর্ণালীর মরদেহ পাওয়া যায় এবং মেঝেতে পড়ে ছিল তার শিশুসন্তান নাজিম হোসেনের নিথর দেহ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর তিনি নিজে গলায় ফাঁস দেন। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    স্বর্ণালী বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির নেতা রুহুল আমিন হাওলাদারের কন্যা। দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিল নিহত শিশু নাজিম। প্রায় পাঁচ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত জুয়েল হাসান সাদ্দাম বর্তমানে যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

    নিহতের ভাই শুভ জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী কারাবন্দি থাকায় স্বর্ণালী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। স্বামীকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে তিনি নানাভাবে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। হতাশা ও মানসিক চাপ থেকেই এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে পরিবারের ধারণা।

    স্বর্ণালীর বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, “আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলেই আমরা বিশ্বাস করি। কাউকে দোষারোপ করতে চাই না। ময়নাতদন্ত শেষে প্রশাসন যা সিদ্ধান্ত নেয়, আমরা সেটাই মানব।”

    বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • মোংলায় গভীর রাতে যৌথ অভিযানে বিদেশি মদ ও ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক

    মোংলায় গভীর রাতে যৌথ অভিযানে বিদেশি মদ ও ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক

    এবিএনএ, মোংলা : মোংলা পৌর শহরের মাদ্রাসা রোড এলাকায় গভীর রাতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ অর্থসহ এক নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে মোংলা থানা পুলিশ ও নৌবাহিনী।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে মাদ্রাসা রোডের একটি বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে ১৮ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৪২ হাজার টাকা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    আটক নারী সাফিয়া বেগম (৫৬), তিনি মোংলা পৌর এলাকার বাসিন্দা এবং মো. আব্দুর রহিমের স্ত্রী। অভিযানে অংশ নেয় মোংলা থানা পুলিশ ও নৌবাহিনীর একটি দল।

    মোংলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র গাইন জানান, উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করে আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলার আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হবে।