Tag: নির্বাচন কমিশন

  • জুলাই ঘোষণাপত্র ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঘোষণাকে বিএনপির স্বাগত, জানাল রাজনৈতিক বার্তা

    জুলাই ঘোষণাপত্র ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঘোষণাকে বিএনপির স্বাগত, জানাল রাজনৈতিক বার্তা

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জুলাই ঘোষণাপত্র ও ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার রাতে গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই প্রতিক্রিয়া জানান।

    তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা দুটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন—একটি হলো জুলাই ঘোষণাপত্র এবং অন্যটি আগামী নির্বাচনের ঘোষণা। বিএনপি উভয় ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করছে।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, “বিগত এক বছরে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যেসব শহীদ প্রাণ দিয়েছেন, তাদের জাতীয় বীরের মর্যাদা প্রদান যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যাশার প্রতিফলন।”

    তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ দেশকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে দেবে। এ ঘোষণার মাধ্যমে জাতি একটি দোলাচলের অবসান ঘটাল।”

    বিএনপি নেতার মতে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবে এবং তা হবে ইতিহাসের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা আশা করি, জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবে।”

    তিনি বলেন, “এক বছর আগে এই দিনে ফ্যাসিস্ট শক্তির পতন হয়েছিল। সেই রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি, এই অর্জন ধরে রাখতে হবে। বিগত ১৬ বছরের সংগ্রামের যে ফসল, এখন তা গণতন্ত্রের শিকড়ে রোপণ করতে হবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বিএনপির আলোচনা হয়েছে এবং জাতির ভবিষ্যতের কাঠামো কীভাবে হবে তা নিয়ে ঐকমত্য গড়ে উঠেছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি, শিগগিরই এই ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সই সম্পন্ন হবে এবং তা বাস্তবায়নে বিএনপি সক্রিয় অংশগ্রহণ করবে।”

    এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, “নির্বাচনের এই ঘোষণার ফলে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং নাগরিক জীবন আবার গতিশীল হবে।”

    এভাবেই জুলাই ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনের প্রস্তুতির মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে একটি নতুন গণতান্ত্রিক দিগন্তের দিকে—এই বার্তাই দিচ্ছে বিএনপি।

  • ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন, ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার

    ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন, ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ: জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করতে চায় সরকার। এই লক্ষ্যে শিগগিরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠানো হবে যাতে রমজান শুরু হওয়ার আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হয়।

    আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেয়া এই ভাষণে তিনি বলেন, “আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এখন একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ শুরু করেছি।”

    প্রধান উপদেষ্টা জানান, নির্বাচন যেন নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয়—তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, “আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন এই নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং জনগণ নতুন বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।”

    ভবিষ্যতের নির্বাচনকে ঘিরে তিনি দেশের নাগরিকদের অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে জানান, আগামীকাল থেকেই মানসিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হবে যাতে এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকে।

    তিনি আরও বলেন, “ভোটার উপস্থিতি, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ যেন এই নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য হয়, সেটিই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।”

  • বাগেরহাটে সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহাসড়কজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে সংসদীয় আসন কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহাসড়কজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব ঘিরে জেলাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে শহরের দশানী ট্রাফিক মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়, যা খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়।

    বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম, জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, খেলাফত মজলিস, ইমাম সমিতি, যুব দল ও এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

    নেতারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বিদ্যমান। হঠাৎ করেই কোনও পরামর্শ ছাড়াই একটি আসন বাতিলের উদ্যোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে এমন প্রস্তাব দিয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

    বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “এই সিদ্ধান্ত যদি বাতিল না করা হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবো। প্রয়োজনে বাগেরহাটকে সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ডাক দেবো।” তারা আরও জানান, আগামীকালও প্রতিবাদ চলবে এবং জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

  • ২১টি রাজনৈতিক দল সময়মতো আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি, নিবন্ধন বাতিলের ঝুঁকিতে কয়েকটি দল

    ২১টি রাজনৈতিক দল সময়মতো আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি, নিবন্ধন বাতিলের ঝুঁকিতে কয়েকটি দল

    এবিএনএ:  ২০২৪ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয়নি ২১টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে ১০টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করলেও বাকি ১১টি দল কোনো হিসাব জমা দেয়নি এবং সময় চেয়ে আবেদনও করেনি।

    ইসির জনসংযোগ পরিচালক শরিফুল আলম জানান, নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৯টি দল সময়মতো অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ছিল এই হিসাব জমার শেষ দিন। একইদিন ইসির নির্বাচন সহায়তা-১ শাখা থেকে সারসংক্ষেপও প্রকাশ করা হয়।

    ২০০৮ সাল থেকে ইসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে স্বীকৃত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিরীক্ষিত অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কেউ নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা দিতে না পারলে সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারে। আইন অনুযায়ী, টানা তিন বছর হিসাব না দিলে দলের নিবন্ধন বাতিল হতে পারে।

    এই বছর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া ২৯টি দলের মধ্যে রয়েছে—বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, কল্যাণ পার্টি, গণফোরাম, তরিকত ফেডারেশন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, নাগরিক ঐক্য, আমার বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এনডিএম, জিইওপি, বিএনএফ, খেলাফত মজলিস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল (এমএল) সহ অন্যান্য দল।

    এদিকে, এক মাস সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে:

    • এলডিপি

    • সিপিবি

    • জেএসডি

    • বিজেপি

    • খেলাফত মজলিস

    • মুক্তিজোট

    • বিএনএম

    দুই মাস সময় চেয়েছে:

    • ন্যাপ

    • বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি

    • বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল)

    অন্যদিকে হিসাব জমা দেয়নি এবং সময়ও চায়নি যেসব দল, তারা হলো:

    • কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

    • বিকল্পধারা বাংলাদেশ

    • জাসদ

    • জাকের পার্টি

    • বাসদ

    • বাংলাদেশ মুসলিম লীগ

    • গণফ্রন্ট

    • বাংলাদেশ ন্যাপ

    • তৃণমূল বিএনপি

    • বাংলাদেশ জাসদ

    • গণসংহতি আন্দোলন

    এবারই প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি এই তালিকার বাইরে রয়েছে। অন্যদিকে আদালতের আদেশে পুনঃনিবন্ধিত জামায়াত ও সদ্য নিবন্ধিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির ক্ষেত্রে হিসাব জমা প্রযোজ্য ছিল।

  • ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্গঠন: নির্বাচন কমিশনের খসড়া চূড়ান্ত

    ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্গঠন: নির্বাচন কমিশনের খসড়া চূড়ান্ত

    এবিএনএ:  আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের ৩৯টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্গঠন করে খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

    তিনি বলেন, “সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৩৯টি আসনের সীমানায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এটি এখন চূড়ান্ত খসড়া আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। যেকোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা সংস্থা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই খসড়ার বিরুদ্ধে আপত্তি জানাতে পারবেন।”

    সীমানা পরিবর্তন হওয়া সংসদীয় আসনগুলো হলো:

    • উত্তরাঞ্চল: পঞ্চগড়-১, পঞ্চগড়-২, রংপুর-৩, সিরাজগঞ্জ-১, সিরাজগঞ্জ-২

    • দক্ষিণ-পশ্চিম: সাতক্ষীরা-৩, সাতক্ষীরা-৪, বাগেরহাট-২, বাগেরহাট-৩

    • মধ্যাঞ্চল: শরীয়তপুর-২, শরীয়তপুর-৩, ঢাকা-২, ঢাকা-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-১০, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৯

    • উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চল: গাজীপুর-১, গাজীপুর-২, গাজীপুর-৩, গাজীপুর-৫, গাজীপুর-৬, নারায়ণগঞ্জ-৩, নারায়ণগঞ্জ-৪, নারায়ণগঞ্জ-৫

    • সিলেট বিভাগ: সিলেট-১, সিলেট-৩

    • চট্টগ্রাম বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, কুমিল্লা-১, কুমিল্লা-২, কুমিল্লা-১০, কুমিল্লা-১১, নোয়াখালী-১, নোয়াখালী-২, নোয়াখালী-৪, নোয়াখালী-৫, চট্টগ্রাম-৭, চট্টগ্রাম-৮

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, খসড়া প্রকাশের পর প্রাপ্ত আপত্তি ও পরামর্শ মূল্যায়ন করে পরবর্তী চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এই সিদ্ধান্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে, কারণ সীমানা পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আসন কাঠামো ও কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে।

  • একযোগে বদলি ৭১ নির্বাচন কর্মকর্তা, পদায়ন পেয়েছেন আরও দুইজন

    একযোগে বদলি ৭১ নির্বাচন কর্মকর্তা, পদায়ন পেয়েছেন আরও দুইজন

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) একযোগে ৭১ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে বদলির আদেশ দিয়েছে। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের অধিকাংশই উপজেলা ও থানা পর্যায়ের দায়িত্বে ছিলেন।

    রবিবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ৩ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত তারিখে অবমুক্ত না হলে, ৪ আগস্ট থেকে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ঢাকা নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনকে ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দা সাদিকা সুলতানাকে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সহকারী পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে।

    এই রদবদলকে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন জটিলতা: বিএনপি-জামায়াত ভোটে রাজি নয়

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন জটিলতা: বিএনপি-জামায়াত ভোটে রাজি নয়

    এবিএনএ:  তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় ভোটাভুটির বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। তারা বলছে, একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে উপদেষ্টা বাছাই করবে, অন্যথায় সাবেক প্রধান বিচারপতির মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচন করা হবে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংলাপে এই মতামত দেয় দল দুটি। তবে এনসিপিসহ বেশিরভাগ দল ভোটের মাধ্যমে উপদেষ্টা নির্বাচন করতে চায়।

    কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তাব ছিল, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, বিরোধী ডেপুটি স্পিকার এবং তৃতীয় বৃহত্তম দলের প্রতিনিধি মিলে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি বিভিন্ন দলের প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে ভোটের মাধ্যমে উপদেষ্টা নির্বাচন করবে।

    বিএনপি এই প্রস্তাবে একমত হয়নি। তারা চায়, সর্বসম্মতিতে নির্বাচন হোক, যাতে কোনো পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সুবিধা নিতে না পারে। জামায়াতও একই যুক্তি দেখিয়ে বলে, ভোট হলে হর্স ট্রেডিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, বিএনপি-জামায়াতসহ কয়েকটি দলের আপত্তির কারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে যেসব দল একমত নয়, তাদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

    সংলাপে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে যেভাবে সর্বসম্মতিক্রমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল, এবারও সে রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হোক।

    জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেন সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কেউ ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে না পারে।

    কমিশনের নতুন একটি প্রস্তাব ছিল, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমাতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন। যদিও দুর্নীতি দমন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া এই কমিটির আওতার বাইরে থাকবে।

    সবমিলিয়ে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো ও উপদেষ্টা নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনও পরিষ্কার সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বিএনপি ও জামায়াতের আপত্তির মুখে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা আপাতত অনিশ্চিত।

  • নিবন্ধনের দৌড়ে ১৪৪ দল, কিন্তু নেই গঠনতন্ত্র, কমিটি, কার্যালয়: ইসির চিঠিতে অস্বস্তিতে সব দল

    নিবন্ধনের দৌড়ে ১৪৪ দল, কিন্তু নেই গঠনতন্ত্র, কমিটি, কার্যালয়: ইসির চিঠিতে অস্বস্তিতে সব দল

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে আত্মপ্রকাশ করতে আগ্রহী ১৪৪টি দল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলেও তাদের অধিকাংশই নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এসব দলের অনেকেরই নেই গঠনতন্ত্র, সক্রিয় কেন্দ্রীয় বা জেলা কমিটি কিংবা নিজস্ব কার্যালয়ের ঠিকানা।

    নিয়ম অনুযায়ী, ইসি আবেদনপত্র যাচাই করে প্রতিটি দলকে ১৫ দিনের সময় দিয়েছে তথ্যের ঘাটতি পূরণে। ১৫ জুলাই থেকে শুরু করে দুই ধাপে প্রথমে ৬২টি এবং পরে আরও ৮২টি দলকে চিঠি দেওয়া হয়েছে, যেখানে ঘাটতির বিস্তারিত উল্লেখ করে যথাযথ নথিপত্র জমা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    আইনি শর্তানুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য দলের কেন্দ্রীয় কমিটি, একটি সচল কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলার কার্যকর কমিটি, ১০০ উপজেলা বা মহানগরে কার্যালয় এবং প্রতিটি কার্যালয়ে ২০০ ভোটার সদস্য থাকতে হবে। এছাড়া ১০টি নির্ধারিত শর্ত পূরণের প্রমাণ ও নিবন্ধন ফি বাবদ পাঁচ হাজার টাকা জমা দিতে হয়।

    এনসিপির আবেদনেও একাধিক ঘাটতি পাওয়া গেছে। ইসি থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের তালিকা, অফিস ভাড়া সংক্রান্ত দলিল, ভোটার সদস্যদের পূর্ণ তালিকা ও গঠনতন্ত্রের মধ্যে সংসদীয় বোর্ডের প্রার্থী মনোনয়নের বিধান অনুপস্থিত। এমনকি কিছু জায়গায় একই ভোটারের নাম একাধিকবার দেওয়া হয়েছে।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, তাদের আবেদনে যে ত্রুটিগুলো পাওয়া গেছে, তা সংশোধনের কাজ চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া হবে।

    অন্যান্য দলগুলোর অবস্থাও প্রায় একই। অন্তত ৩০টি দলের নেতারা ইসির চিঠিতে উল্লেখিত ঘাটতির কথা স্বীকার করেছেন। অনেকেই গঠনতন্ত্র, অফিসের কাগজপত্র, এমনকি নিবন্ধন ফিও জমা দেননি।

    কিছু দলের অবস্থা আরও দুর্বল। যেমন—বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পার্টি, জাস্টিস পার্টি, তৃণমূল জনতা পার্টি, মুক্তি ঐক্যদল, জনজোট পার্টি, ইনসাফ দল, বেকার মুক্তি পরিষদ, ইউনাইটেড পার্টি, আজাদী পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট পার্টির ঘাটতি অনেক বেশি।

    ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “সব দলের তথ্যেই ঘাটতি রয়েছে। ১৫ দিনের সময়সীমা শেষে যারা শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবে, তাদের আবেদন বাতিল হবে।”

    নিবন্ধনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই চালানো হবে, এবং কোনো ধরনের অসংগতি ধরা পড়লে তা দলটির নিবন্ধনপ্রাপ্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

    এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান প্রমাণ করছে—নিবন্ধন শুধু দল গঠনের ঘোষণা দিয়ে নয়, বাস্তব কাঠামো ও সাংগঠনিক উপস্থিতি দিয়েই অর্জন করতে হবে।

  • মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে বিতর্কে এনসিপি, ইসিতে আপত্তি তুলল ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’

    মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে বিতর্কে এনসিপি, ইসিতে আপত্তি তুলল ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’

    এবিএনএ: নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মোবাইল ফোন প্রতীক চেয়ে আবেদন করায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছে ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’ নামের একটি দল। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা মোবাইল ফোন প্রতীকে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন এবং নিবন্ধনের সময়েও এই প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।

    সোমবার এক বিবৃতিতে ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’-এর প্রেসিডেন্ট বাবুল হোসেন জানান, “আমরা নির্বাচন কমিশনের সব নিয়ম মেনেই মোবাইল ফোন প্রতীকের জন্য আবেদন করেছি। অথচ আমাদের আগেভাগে ব্যবহৃত প্রতীকটি এনসিপি দাবী করছে, যা ন্যায়সংগত নয়।”

    এই ইস্যুতে তিনি ইসির সিনিয়র সচিব বরাবর লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নিয়ে গঠিত এনসিপি সম্প্রতি, ২২ জুন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য আবেদন জমা দেয়। প্রস্তাবিত প্রতীক হিসেবে তারা শাপলা চাইলেও বিকল্প প্রতীক হিসেবে চেয়েছে মোবাইল ফোন ও কলম।

    তবে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় শাপলা প্রতীক তালিকাভুক্ত না থাকায় বিকল্প প্রতীকগুলোকেই মূল বিবেচনায় আনতে পারে নির্বাচন কমিশন। এদিকে মোবাইল ফোন ও কলম প্রতীক চেয়ে ইতিমধ্যে আরও কয়েকটি দল আবেদন জমা দিয়েছে, যার ফলে প্রতীক নিয়ে জটিলতা বাড়ছে।

    ‘জনস্বার্থে বাংলাদেশ’ মনে করে, প্রতীক নিয়ে এই ধরণের দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাই সবার আগে যার দ্বারা প্রতীকের কার্যকর ব্যবহার প্রমাণিত—তাদের প্রতিই কমিশনের অগ্রাধিকার থাকা উচিত বলে দাবি করেছে দলটি।

  • “নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতা বদল হবে, দেশ চালাবে নির্বাচিত সরকার”— মির্জা ফখরুল

    “নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতা বদল হবে, দেশ চালাবে নির্বাচিত সরকার”— মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকারের পরিবর্তন সম্ভব এবং সেই নির্বাচিত সরকারই দেশের নেতৃত্ব দেবে।” তিনি বলেন, উদার গণতন্ত্রে আস্থাশীল বিএনপি সবসময় গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে “জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ সাংবাদিক পরিবারকে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

    ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন কমিশনকে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছেন—এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন দ্রুত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করবে।

    তিনি বলেন, “দেশের মানুষ ভোটাধিকার রক্ষায় আন্দোলন করেছে, প্রাণ দিয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করে গ্রহণযোগ্য পরিবেশ তৈরি করা।”

    বিএনপির সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সংস্কারের জন্যই সৃষ্টি হয়েছি। কোনো গুজব বা বিভ্রান্তি দিয়ে বিএনপিকে সংস্কারবিরোধী প্রমাণ করার চেষ্টা করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” তিনি জানান, তিনদিন আগে এ বিষয়ে একটি স্পষ্ট সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

    সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নিয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে বলেও মন্তব্য করেন ফখরুল। তিনি বলেন, “পুশইন কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়ার বিষয় নয়। ভারতের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সমাধান দরকার।”

    পানি বণ্টনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা এখন জাতীয় স্বার্থের বিষয়।” একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে “জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার” আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ অন্যান্য বিশিষ্টজন।