Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • হামাস-ইসরায়েল চুক্তি: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

    হামাস-ইসরায়েল চুক্তি: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা?

    এবিএনএ: দীর্ঘ দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর অবশেষে হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে পৌঁছেছে। তবে এই সমঝোতা শান্তির পথে এক নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করলেও ঝুঁকি ও সংশয় রয়ে গেছে নানা বিষয়ে। হামাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা সম্পূর্ণভাবে ফিলিস্তিন ভূমি না ছাড়লে তারা নিরস্ত্রীকরণে রাজি নয়।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, হামাস এখন ইসরায়েলের কাছ থেকে সেনা প্রত্যাহারের নিশ্চয়তা চায়। এই অবস্থায় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে উভয়পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়।

    প্রথম ধাপে ইসরায়েল কিছু সামরিক অভিযান স্থগিত করলেও হামলা পুরোপুরি বন্ধ করেনি। আরব দেশগুলো বলছে, এই চুক্তি তখনই অর্থবহ হবে যখন এটি ফিলিস্তিনের পূর্ণ স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করবে। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—“স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।”

    অন্যদিকে, হামাস জানিয়েছে তারা গাজার প্রশাসন আরব ও মুসলিম দেশসমর্থিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে হস্তান্তরে আগ্রহী, তবে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে কোনো বিদেশি তত্ত্বাবধান মানবে না।

    চুক্তির আলোচনায় বন্দি মুক্তিও বড় ইস্যু। হামাস চাইছে, যেসব শীর্ষ ফিলিস্তিনি নেতাকে আগের যুদ্ধবিরতিতে মুক্তি দেওয়া হয়নি—তাদের এবার অগ্রাধিকার দেওয়া হোক। তাদের তালিকায় ফাতাহ নেতা মারওয়ান আল-বারঘৌতি ও পিএফএলপি প্রধান আহমেদ সাদাতের নামও রয়েছে।

    তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—যুদ্ধ থামলেও গাজা কে শাসন করবে? যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আরব দেশগুলো হামাসের কোনো শাসন ভূমিকা রাখতে রাজি নয়। ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী গঠিত হতে যাওয়া নতুন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে হামাস কতটা গ্রহণ করবে, তা নিয়েও সন্দেহ থেকেই গেছে।

    ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে, হামাস ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। অপরদিকে, ইসরায়েল প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দিতে পারে, যার মধ্যে অনেকেই যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন।

    ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহও বাড়ানো হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিদিন ৪০০–৬০০ ট্রাক খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে গাজায় প্রবেশ করবে। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, এই চুক্তিই হতে পারে তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য।

    তবে সবকিছুর পরও যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ইসরায়েলি বাহিনী এখনও কিছু এলাকায় সক্রিয়। গাজার মানুষ চুক্তি উদযাপন করলেও তাদের মনে ভয়—যদি আবারও যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায়, যেমনটি ঘটেছিল মার্চ মাসে।

  • ওষুধ, ট্রাক ও আসবাবপত্রে নতুন শুল্ক আরোপে ট্রাম্পের ঘোষণা, বিশ্ববাজারে শঙ্কা

    ওষুধ, ট্রাক ও আসবাবপত্রে নতুন শুল্ক আরোপে ট্রাম্পের ঘোষণা, বিশ্ববাজারে শঙ্কা

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ওষুধ, ভারী ট্রাক এবং গৃহস্থালি আসবাবপত্রের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তার দাবি, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ উৎপাদকদের সুরক্ষা দেবে এবং বিদেশি প্রতিযোগিতা রুখতে সহায়ক হবে।

    বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্প তার সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে শুল্ক বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন। ঘোষণায় বলা হয়, কোনো কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা না গড়ে তুললে তাদের উৎপাদিত ওষুধ আমদানিতে শতভাগ শুল্ক বসানো হবে।

    এছাড়া ভারী ট্রাকে ২৫ শতাংশ, রান্নাঘর ও বাথরুমের ক্যাবিনেটে ৫০ শতাংশ এবং আগামী সপ্তাহ থেকে সোফা ও অন্যান্য গদিযুক্ত আসবাবপত্রে ৩০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, বিদেশি পণ্য আমদানির কারণে স্থানীয় শিল্পক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, পিটারবিল্ট ও ম্যাক ট্রাকসের মতো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানিগুলো এ নীতির মাধ্যমে উপকৃত হবে।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো শুরু থেকেই নতুন শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করেছে। তাদের দাবি, ভারী ট্রাকের যন্ত্রাংশের বড় অংশ আমদানি হয় মেক্সিকো, কানাডা, জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও জাপান থেকে। এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হওয়া সত্ত্বেও শুল্ক আরোপ শিল্পখাতে খরচ বাড়াবে এবং উৎপাদন ব্যাহত করবে।

    এর আগে চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের চেম্বার অব কমার্স হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করেছিল যে দেশীয়ভাবে এসব যন্ত্রাংশ তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। তবুও প্রশাসন তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন শুল্ক নীতি যুক্তরাষ্ট্রের স্বল্পমেয়াদি স্বার্থে কার্যকর হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষত কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো দীর্ঘদিনের অংশীদার দেশগুলো বিকল্প বাণিজ্যিক পথ খুঁজে নিতে পারে।

    ট্রাম্প অবশ্য আশাবাদী যে, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন শক্তিশালী করবে এবং শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে। তবে বাস্তবে এই নীতির ফলে আমেরিকার বাজারে কতটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে এখনো গুরুতর প্রশ্ন রয়ে গেছে।

  • গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প

    গাজা ইস্যুতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে ট্রাম্প

    এবিএনএ:  গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকট ঘিরে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, বৈঠকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিশর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান বা উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হবে গাজার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, বৈঠকে শান্তি প্রস্তাব ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার শাসন কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা আলোচনায় আসবে। সেখানে জিম্মি মুক্তি, যুদ্ধের অবসান, ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার এবং হামাস ছাড়া বিকল্প শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    ওয়াশিংটন চাইছে, আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজায় শান্তিরক্ষী সেনা পাঠাক, যাতে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করতে পারে। একইসঙ্গে পুনর্গঠন ও স্থানান্তরকালীন ব্যয়ের জন্য অর্থায়নেও মুসলিম দেশগুলোর সহায়তা চাওয়া হবে।

    ট্রাম্পের এই উদ্যোগ সামনে এলো এমন এক সময়ে, যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বিশ্বের বহু দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও বেলজিয়ামের মতো প্রভাবশালী দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে— টেকসই শান্তির একমাত্র সমাধান হলো দুই-রাষ্ট্র নীতি। তবে ইসরায়েল এই স্বীকৃতিকে ‘সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা’ বলে উল্লেখ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেও ‘ইতিবাচক’ বার্তা দিলেন মোদি

    যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যেও ‘ইতিবাচক’ বার্তা দিলেন মোদি

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী ও ভবিষ্যতমুখী।

    মোদি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সৌহার্দ্যপূর্ণ মন্তব্য ও ইতিবাচক মূল্যায়ন আমি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করছি এবং একইভাবে তাকেও তা ফিরিয়ে দিচ্ছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বর্তমানে সর্বাত্মক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিদ্যমান, যা আগামী দিনে আরও গভীর হবে।

    তবে এ বক্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন দুই দেশের সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। পাশাপাশি রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত অপরিশোধিত তেল আমদানি করে ইউক্রেন যুদ্ধকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন।

    তবুও মোদি ও ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ট্রাম্প প্রথম মেয়াদ থেকেই মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি একাধিকবার বলেছেন, “আমি সবসময় মোদির বন্ধু থাকব।”

    যদিও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উষ্ণতা ফেরাতে সম্প্রতি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে মোদির বেইজিং সফর ট্রাম্পকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে ভারতকে কাছে রাখার প্রতিযোগিতা নতুন করে স্পষ্ট হচ্ছে।

  • পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    এবিএনএ:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

    চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক তিয়ানআনমেন স্কোয়ারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে এই তিন নেতা একসাথে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে চীন তাদের আধুনিক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে—যার মধ্যে ছিল লেজার প্রযুক্তি, যা প্রতিপক্ষের বিদ্যুৎ লাইন বিকল করতে সক্ষম। এছাড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত সাবমেরিন ও মানববিহীন যুদ্ধ ব্যবস্থা প্রদর্শন করা হয়।

    কুচকাওয়াজের উদ্বোধন করে শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এখনো শান্তি নাকি যুদ্ধের বিকল্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও যোগ করেন, “চীন অপ্রতিরোধ্য।” এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে শি-র পাশে ছিলেন পুতিন ও কিম।

    ট্রাম্প পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে লেখেন, “আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, দয়া করে পুতিন ও কিমকে আমার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবেন।” যদিও বার্তার শেষে তিনি চীনের জনগণের জন্য শুভকামনা জানান।

    অন্যদিকে, ট্রাম্পের অভিযোগকে গুরুত্বহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের শীর্ষ কূটনৈতিক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, “এখানে কোনো ষড়যন্ত্র নেই। শি, পুতিন ও কিম—কোনও নেতার মধ্যেই এমন ভাবনা ছিল না।”

  • সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ নিয়ে বড় আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলো তাকে একের পর এক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

    গত সপ্তাহে ১১১ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ফেডারেল রিজার্ভের একজন গভর্নরকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। লিসা কুক নামে ওই গভর্নরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মনোনয়ন পাওয়ার আগে বন্ধক-সংক্রান্ত কাগজে ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিলেন। তবে কুক অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে অবৈধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হলেও এখনও রায় ঘোষণা হয়নি।

    অর্থনীতিতে ট্রাম্পের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হলো নতুন শুল্ক আরোপ। যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত কর বসানোর পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, ভারত ও চীনের পণ্যের ওপরও বিশেষ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। কিন্তু ফেডারেল আপিল আদালত এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে জানিয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে কর আরোপ করতে পারেন না।

    রবিবার ট্রাম্প প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি এই রায় সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন। আদালতের রায়কে তিনি ‘র‍্যাডিকাল লেফটের ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, “শুল্ক ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র টিকতে পারবে না, ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    এদিকে বিদেশি সহায়তা আটকে রাখার বিষয়েও ট্রাম্প প্রশাসন নতুন জটিলতার মুখে পড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে, সুপ্রিম কোর্টের সামনে এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো—মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত সীমা কোথায় নির্ধারণ হবে তা স্থির করা।

  • মার্কিন আদালতের রায়ে ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষিত, কংগ্রেসের এখতিয়ার নিশ্চিত

    মার্কিন আদালতের রায়ে ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষিত, কংগ্রেসের এখতিয়ার নিশ্চিত

    এবিএনএ:  মার্কিন ফেডারেল সার্কিট আপিল আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বৈশ্বিক শুল্কের বেশিরভাগকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। আদালতের মতে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) অনুযায়ী শুল্ক আরোপ প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারের বাইরে, যা শুধুমাত্র কংগ্রেসের কর্তৃত্বাধীন।

    সাত-চার ভোটে দেওয়া রায়ে আদালত স্পষ্ট জানায়, ট্রাম্পের যুক্তি আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ১২৭ পৃষ্ঠার বিস্তারিত রায়ে বলা হয়, আইইইপিএতে কোথাও শুল্ক আরোপের অনুমতি নেই এবং কংগ্রেসই কর ও শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থা।

    এই রায় কার্যকর হবে আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে, যাতে ট্রাম্প প্রশাসন চাইলে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সময় পায়।

    রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এই রায় বহাল থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাবে।” তিনি আরও দাবি করেন, আদালত পক্ষপাতদুষ্ট এবং আমেরিকার স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তার মতে, শুল্ক তুলে নিলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।

    ট্রাম্প পূর্বে যুক্তি দিয়েছিলেন, বাণিজ্য ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং তাই জরুরি অবস্থা জারি করে শুল্ক আরোপ বৈধ। তবে আদালত বলেছে, ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস আইইইপিএ পাশ করলেও তা কখনো প্রেসিডেন্টকে সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ছিল না। বরং শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে সবসময় ‘ট্যারিফ’ বা ‘ডিউটি’ শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে কংগ্রেসের কর্তৃত্বই নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের করা মামলার ভিত্তিতেই আদালত এই রায় দেয়। এসব মামলার সূত্র ছিল ট্রাম্পের গত এপ্রিলে দেওয়া নির্বাহী আদেশ, যেখানে তিনি প্রায় সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক এবং আরও কিছু দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন।

  • বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা বাড়ল

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা বাড়ল

    এবিএনএ:  বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও উর্ধ্বমুখী। মঙ্গলবার এক লাফে তা পৌঁছেছে গত দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ স্তরে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর লিসা কুককে বরখাস্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পর এই প্রভাব স্বর্ণবাজারে দেখা দেয়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং মার্কিন সম্পদের প্রতি আস্থা নড়বড়ে করেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম আউন্সপ্রতি ০.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩৭৮.৬৪ ডলারে। এর আগের সেশনে দাম পৌঁছায় ৩ হাজার ৩৮৬.২৭ ডলারে, যা ১১ আগস্টের পর সর্বোচ্চ। ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের দামও ০.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪২৬ ডলারে।

    সোমবার ট্রাম্প বন্ধকি ঋণ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে নজিরবিহীনভাবে কুককে বরখাস্ত করেন। এই সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

    সুইসকোট ব্যাংকিং গ্রুপের বিশ্লেষক কার্লো আলবার্তো ডি কাসা বলেন, “অনেকে মনে করছেন ট্রাম্পের পদক্ষেপ ফেডারেল রিজার্ভের মধ্যে সুদের হার কমানোর পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা। এতে ব্যাংকের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে এবং বাজার অনিশ্চয়তায় পড়ছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ কিনতে ঝুঁকছেন।”

    সাধারণত সুদের হার কমে গেলে এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিলে স্বর্ণের মতো নন-ইয়েল্ডিং সম্পদের দাম বাড়তে থাকে।

    এসপিডিআর গোল্ড ট্রাস্ট জানিয়েছে, তাদের হাতে থাকা স্বর্ণের মজুত সোমবার ০.১৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৫৮.৪৯ মেট্রিক টনে, যা শুক্রবার ছিল ৯৫৬.৭৭ টন।

    এদিকে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল শুক্রবার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আগামী মাসে সুদের হার কমানো হতে পারে। যদিও তিনি স্বীকার করেছেন, মুদ্রাস্ফীতি এখনও একটি বড় হুমকি।

    কার্লো আলবার্তো ডি কাসার মতে, বাজার এখন ২৫ বেসিস পয়েন্ট হারে সুদ কমার আশা করছে। তবে আরও বড় ধরনের সুদ হ্রাসের সম্ভাবনা কম থাকলেও, যদি ঘটে, তাহলে স্বর্ণবাজারের জন্য তা আরও সহায়ক হবে।

  • বাল্টিমোরে সেনা পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের, চরম উত্তেজনা ছড়াচ্ছে মার্কিন রাজনীতিতে

    বাল্টিমোরে সেনা পাঠানোর হুমকি ট্রাম্পের, চরম উত্তেজনা ছড়াচ্ছে মার্কিন রাজনীতিতে

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার ম্যারিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে সেনা মোতায়েনের হুমকি দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে গভর্নর ওয়েস মুরের সঙ্গে তার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও প্রকট আকার ধারণ করছে।

    কয়েক দিন আগেই ওয়েস মুর ট্রাম্পকে নিরাপত্তা পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, প্রয়োজন হলে তিনি ‘সেনা পাঠাবেন’, যেমন ওয়াশিংটন ডিসিতে পাঠানো হয়েছিল। তার দাবি, এভাবেই দ্রুত অপরাধ দমন সম্ভব হবে।

    ডেমোক্র্যাট নেতারা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাদের অভিযোগ, শহরের ভেতরে সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা সরাসরি ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’। গভর্নর মুর ট্রাম্পের মন্তব্যকে ‘অজ্ঞতাপূর্ণ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন, স্থানীয় জনগণের বাস্তবতা না জেনেই বারবার ভুল ধারণা ছড়ানো হচ্ছে।

    ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন করেছেন, যেখানে অপরাধ দমন অভিযানে কয়েকশ’ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, রাজধানীসহ অন্যান্য শহরে সেনা নামানো মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ।

    ২০২৪ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে অপরাধের হার ৩০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, আর ২০২৫ সালেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবুও ট্রাম্প শিকাগো ও নিউইয়র্কেও সেনা পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার এটিকে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    এক জরিপে দেখা গেছে, বাল্টিমোরের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ শহরে সেনা বা ফেডারেল বাহিনী মোতায়েনের বিপক্ষে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও বাড়িয়ে তুলবে।

  • মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে ভারতের আহ্বান

    মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে ভারতের আহ্বান

    এবিএনএ:  মার্কিন প্রশাসনের চাপ ও অতিরিক্ত শুল্কের হুমকির মাঝেও রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে নতুন করে জোর দিচ্ছে ভারত। মস্কো সফরের প্রথম দিনেই দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও প্রসারিত করার আহ্বান জানান।

    রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মন্তুরেভের সঙ্গে বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের বাজারে রাশিয়ার সংস্থাগুলোর জন্য বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেগুলোকে আরও কাজে লাগানো উচিত। তিনি জানান, গত চার বছরে ভারত-রাশিয়া বাণিজ্য পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার থেকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারে। তবে বাণিজ্য ঘাটতিও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

    জয়শঙ্করের ভাষায়, “বিশ্ব রাজনীতির জটিল পরিস্থিতির মধ্যেও দুই দেশের নেতৃত্ব কৌশলগত অংশীদারিত্ব অটুট রেখেছে এবং সেটি আরও প্রসারিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী মন্তুরেভ জানান, গত পাঁচ বছরে দুই দেশের বাণিজ্য ৭০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং বর্তমানে ভারত রাশিয়ার শীর্ষ তিন বাণিজ্য অংশীদারের মধ্যে রয়েছে।

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও নগরায়ণ প্রক্রিয়া বিদেশি ব্যবসার জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এসব উদ্যোগ রাশিয়ার কোম্পানির জন্য ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করছে।

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো ব্যবসায়ীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং সরকার ও ব্যবসায়ীদের পরিকল্পনার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন এবং ২৭ আগস্ট থেকে আরও ২৫ শতাংশ কার্যকর হবে। এতে মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে। এই প্রেক্ষাপটেই রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য জোরদার করার বিকল্প পথ খুঁজছে ভারত।