Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন অভিযান: এক আইনেই বদলে গেল যুক্তরাষ্ট্রের চিত্র

    ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন অভিযান: এক আইনেই বদলে গেল যুক্তরাষ্ট্রের চিত্র

    এবিএনএ: ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অভিবাসন আইনকে কেন্দ্র করে একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। গত জুলাইয়ে পাস হওয়া ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে অভিবাসন নীতিকে নতুন করে সাজিয়ে আরও কঠোর কাঠামোতে নিয়ে যান তিনি। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অভিবাসীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আইনি অনিশ্চয়তা, উদ্বেগ এবং আর্থিক সংকট।

    আইনের নতুন সংশোধনীতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেরিত অর্থের ওপর ‘রেমিট্যান্স কর’ আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অভিবাসীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে আশ্রয়ের সব আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে ১৯টি দেশকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এসব দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড পর্যালোচনা এবং অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠিন করা হয়েছে। দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, ইরান, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা, কিউবা, মিয়ানমারসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ।

    কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের (সিএফআর) প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ নির্বাসন অভিযান’ পরিচালনার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের অভিবাসন আইন প্রয়োগের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়াই অনথিভুক্ত অভিবাসীদের গ্রেপ্তার ও নির্বাসন কার্য সম্পাদন করা হচ্ছে।

    আইসিইর (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) কার্যক্রম এখন কেবল অভিবাসন আইনেই সীমাবদ্ধ নয়; তারা সীমান্ত সুরক্ষা, কাস্টমস এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায়ও সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের মধ্যে ৬৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে আইসিই গ্রেপ্তার বা নজরদারিতে রেখেছে। এমনকি বিচারকের ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে ট্রানজ্যাকশনাল রেকর্ডস অ্যাক্সেস ক্লিয়ারিং হাউস।

    ট্রাম্প প্রশাসনের এই আক্রমণাত্মক কৌশলের সমালোচনা করেছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অভিবাসীদের মৌলিক অধিকার হরণের শামিল। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শতাব্দি প্রাচীন এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্ট ব্যবহার করে ট্রাম্প অভিবাসন নীতিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

    এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় দুই লাখ ইউক্রেনীয় অভিবাসী এখন আইনি অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। তাদের কাজের অনুমতি নবায়নে দেরি হওয়ায় অনেকেই চাকরি ও বসবাসের অধিকার হারিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষক, ডিজাইনার, শিক্ষার্থীরাও এখন অনিশ্চয়তায়।

    মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে এখন জরুরি অবস্থা কার্যকর। সান দিয়াগোসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় আগে যে দৃশ্যগুলো দেখা যেত, ট্রাম্পের কঠোর নীতির পর তা এখন প্রায় অদৃশ্য। সীমান্ত পার হওয়ার ঝুঁকি কমলেও মানবিক সংকট বেড়েছে বহুগুণ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের একটি বড় পরীক্ষা।

  • অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা ট্রাম্পের: তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

    অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা ট্রাম্পের: তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও অভিবাসন নীতিতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হতে পারে। শুধু তাই নয়, যারা এখনো মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেনি, তাদের জন্য ফেডারেল সুবিধা ও সরকারি ভর্তুকি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনাতেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। তবে কীভাবে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে বা কোন প্রক্রিয়ায় তা বাস্তবায়িত হবে— সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। ট্রাম্পের পূর্বে করা একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত আদালত এবং কংগ্রেসে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।

    এর আগে হোয়াইট হাউসের নিকটবর্তী এলাকায় ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পরই অভিবাসন স্থগিতের বিষয়ে নতুন বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সিএনবিসি জানায়, তাঁর পোস্টে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো কোনগুলো তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। সাধারণ ধারণায় ‘তৃতীয় বিশ্ব’ বলতে দরিদ্র, অস্থিতিশীল ও কম মানব উন্নয়ন সূচকসম্পন্ন দেশগুলোকে বোঝানো হয়।

    ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুযায়ী, মানব উন্নয়ন সূচকে সবচেয়ে নিচের অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ সুদান, সোমালিয়া, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, চাদ ও নাইজার। এ তালিকায় উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

    হোয়াইট হাউসের ঘটনার পর আটক হয়েছেন একজন আফগান নাগরিক। এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও নীতিমালা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ২০২১ সালে বিশেষ সুবিধায় দেশে প্রবেশ করা আফগান নাগরিকদের অভিবাসন আবেদনও ইতোমধ্যে স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, “যারা আমাদের দেশের জন্য কল্যাণকর নয়, তাদের দেশ ছাড়তে হবে।”

    গ্রিন কার্ড পুনর্বিবেচনায় ১৯ দেশ
    বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া গ্রিন কার্ডগুলো পুনরায় কঠোরভাবে পর্যালোচনা করবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবার প্রধান জোসেফ এডলো জানিয়েছেন, উদ্বেগজনক দেশগুলোর নাগরিকদের গ্রিন কার্ড যাচাই করতে প্রেসিডেন্ট বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।

    অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, গত জুনে হোয়াইট হাউসের এক ঘোষণায় যে দেশগুলোর নাম উল্লেখ ছিল, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, কিউবা, হাইতি, ইরান, সোমালিয়া ও ভেনেজুয়েলা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক নয়, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ।

  • হোয়াইট হাউসের পাশেই গুলিবর্ষণ, আফগান নাগরিক আটক—স্থগিত সব অভিবাসন প্রক্রিয়া!

    হোয়াইট হাউসের পাশেই গুলিবর্ষণ, আফগান নাগরিক আটক—স্থগিত সব অভিবাসন প্রক্রিয়া!

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসের কয়েক ব্লক দূরে ঘটে গেলো গুলির ভয়াবহ ঘটনা। স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে ফ্যারাগাট ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে এক সশস্ত্র ব্যক্তি গুলি চালালে ন্যাশনাল গার্ডের দু’জন সদস্য আহত হন। দ্রুতই ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীকে আটক করে। হামলাকারীর পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে আফগান নাগরিক হিসেবে।

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনায় কঠোর নিন্দা জানিয়ে জানিয়েছেন, আটক হামলাকারী রাহমানুল্লাহ লাখানওয়াল ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আফগানিস্তান থেকে আগত সব অভিবাসীর বসবাসের আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করারও নির্দেশ দেন তিনি।

    ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে সব আফগান নাগরিকের অভিবাসন প্রক্রিয়া। যদিও হামলাকারীর অভিবাসন স্ট্যাটাস এখনো পরিষ্কার নয়, তবু তার নাম নিশ্চিত করা হয়েছে—রাহমানুল্লাহ লাখানওয়াল।

    ঘটনা ঘটার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফ্লোরিডায় অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের অতিরিক্ত ৫০০ সদস্য মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। আগে থেকেই ২ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ছিল, যা নিয়ে বিতর্ক চলছিল।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুলি করার পর হামলাকারী নিজেও আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ফ্যারাগাট ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশন থেকে হোয়াইট হাউসের দূরত্ব মাত্র কয়েক ব্লক, যা ঘটনার গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    শহরের মেয়র একে ‘টার্গেটেড শুটিং’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এটি কোনো এলোমেলো হামলা নয়—বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী, বাড়ানো হয়েছে উচ্চ সতর্কতা।

    ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

  • ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’ হলেও পিছিয়ে যাব না: নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি

    ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’ হলেও পিছিয়ে যাব না: নিউ ইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি

    এবিএনএ: নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, শহরটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নগরী থেকে সাশ্রয়ী মূল্যের শহরে রূপান্তর করাই তার প্রধান লক্ষ্য। বুধবার এবিসি নিউজকে দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বিজয় জনগণের কাছ থেকে পাওয়া এক “স্পষ্ট ম্যান্ডেট”—যা নিউ ইয়র্কবাসীর জন্য বাস্তব পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি বহন করছে।

    মামদানি জানান, “উচ্চাকাঙ্ক্ষী সাশ্রয়ী নীতি” বাস্তবায়নে তিনি কর বৃদ্ধি ছাড়া বিকল্প দেখছেন না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, সাধারণ নাগরিকদের নয়, নিউ ইয়র্কের শীর্ষ এক শতাংশ ধনী শ্রেণির ওপর বাড়তি কর আরোপের পরিকল্পনা তার।

    প্রতি বছর এক মিলিয়ন ডলারের বেশি আয়ের ব্যক্তিদের জন্য দুই শতাংশ অতিরিক্ত কর এবং কর্পোরেট কর ১১.৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা জানিয়েছেন তিনি। এতে বছরে প্রায় নয় বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহ সম্ভব হবে বলে ধারণা তার।

    ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের শহর ছেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, “শিশু যত্ন ও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ই কর্মীদের শহর ছাড়তে বাধ্য করছে। কর বৃদ্ধি নয়, বরং মানবিক জীবনযাত্রাই প্রতিভা ধরে রাখার উপায়।”

    নির্বাচনের আগে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, মামদানি জিতলে নিউ ইয়র্কের ফেডারেল তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় মামদানি বলেন, “যদি প্রেসিডেন্ট শহরের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেন, আমি তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে প্রস্তুত। ট্রাম্পের হুমকি ‘অনিবার্য’, কিন্তু ভয় পাওয়ার কিছু নেই।”

    নিউ ইয়র্কের নাগরিকরা আশা করছেন, মামদানির নেতৃত্বে শহরটি নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করবে—যেখানে সমতা, সুযোগ এবং সাশ্রয়ী জীবনযাত্রা অগ্রাধিকার পাবে।

  • ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলার গুজব উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, জানালেন নেই কোনো পরিকল্পনা

    ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলার গুজব উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, জানালেন নেই কোনো পরিকল্পনা

    এবিএনএ:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই। সম্প্রতি মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভেনেজুয়েলার উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েনের খবর ছড়িয়ে পড়লেও, ট্রাম্প সেই গুঞ্জন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি জানান, মাদক পাচার রোধে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের কৌশলগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। তার ভাষায়, “আমরা দেশের মাদক সন্ত্রাস বন্ধ করতে মার্কিন শক্তির প্রতিটি উপাদান ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত।”

    গত সপ্তাহে ট্রাম্প এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “যারা যুক্তরাষ্ট্রে মাদক নিয়ে আসে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই মন্তব্যের পর ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

    তবে ট্রাম্প পরে স্পষ্ট করেন, “না, আমরা কোনো সামরিক পদক্ষেপের কথা ভাবছি না,”— এমন উত্তরই দেন তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, যখন তিনি এয়ারফোর্স ওয়ানে যাত্রা করছিলেন।

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করে আসছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশটির সার্বভৌমত্বের জন্য এটি বড় হুমকি।

    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লেখেন, “মিয়ামি হেরাল্ডে প্রকাশিত তথাকথিত সূত্রভিত্তিক সংবাদ সম্পূর্ণ ভুয়া।”

    এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জানিয়েছেন, মাদুরোর নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাশিয়া দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে। তিনি বলেন, “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া সব ধরনের সহযোগিতায় প্রস্তুত।”

  • ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য: “মোদি দেখতে সুন্দর, কিন্তু তিনি একজন খুনি!”

    ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য: “মোদি দেখতে সুন্দর, কিন্তু তিনি একজন খুনি!”

    এবিএনএ: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দক্ষিণ কোরিয়ায় এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন,

    “প্রধানমন্ত্রী মোদি দেখতে সবচেয়ে সুন্দর মানুষদের একজন। তাকে দেখে মনে হয় যেন আপনি তাকে পিতার মতো ভালোবাসতে চাইবেন। কিন্তু মোদি হলেন একজন খুনি, অত্যন্ত কঠোর মানুষ।”

    ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।


    ট্রাম্প বর্তমানে এশিয়া সফরে রয়েছেন এবং এপেক সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া গেছেন। ওই সফরের অংশ হিসেবে তিনি ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন,

    “আমি সেই যুদ্ধ থামিয়েছিলাম। আমি দুই দেশকেই অনুরোধ করেছিলাম যুদ্ধ বন্ধ করতে, কিন্তু তারা রাজি হয়নি। এরপর আমি জানাই, যুদ্ধ চললে আমরা তাদের সঙ্গে কোনো বাণিজ্য চুক্তি করব না। শেষ পর্যন্ত তারা আমার কাছে এসে যুদ্ধ থামানোর অনুরোধ করে।”


    তিনি আরও বলেন,

    “আমি ভারতের সঙ্গে বড় একটি বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। মোদির সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল। তারা দুজনই শক্তিশালী মানুষ, কিন্তু তখন পরিস্থিতি বিপজ্জনক দিকে যাচ্ছিল।”

    ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় সাতটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল এবং উভয় দেশই পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত হওয়ায় পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ।
    তিনি বলেন,

    “আমি মোদিকে বলেছিলাম—যুদ্ধ চালালে কোনো চুক্তি হবে না। পরে পাকিস্তানকেও একই কথা বলেছি। দুদিনের মধ্যেই তারা যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়।”

  • ট্রাম্পের পরমাণু ধ্বংসের দাবিতে খামেনির কটাক্ষ: ‘স্বপ্ন দেখতেই থাকুন’

    ট্রাম্পের পরমাণু ধ্বংসের দাবিতে খামেনির কটাক্ষ: ‘স্বপ্ন দেখতেই থাকুন’

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করেছে—এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘স্বপ্নের মতো কল্পনা’ আখ্যা দিয়ে খামেনি বলেন, “এমন দাবি বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। স্বপ্ন দেখতেই থাকুন!”

    সোমবার প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে খামেনি আরও বলেন, “ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়েছে—এই কথা বলা নিছক এক মনগড়া গল্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্য কেবল তাদের মানসিক কল্পনার বহিঃপ্রকাশ।”

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, “একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কী করা হবে বা হবে না—এই নির্দেশ দেওয়ার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কে দিয়েছে?”

    খামেনির এই প্রতিক্রিয়া আসে এমন সময়ে, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, আর তেহরান তা ‘মিথ্যা প্রচারণা’ বলে দাবি করছে।

    ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনী একযোগে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানসহ গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করেছে। এসব অভিযানে স্টেলথ বোমার ও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে তার দাবি।

    তবে ইরান সে দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ অক্ষত এবং ট্রাম্পের বিবৃতি কেবল রাজনৈতিক প্রচারণা ছাড়া কিছু নয়।

    এদিকে, হামলার পর ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণ চালায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তবে ২৪ জুন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলে সংঘাত আপাতত থেমে যায়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির এই কটাক্ষ শুধু ট্রাম্পকেই নয়, বরং ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধেও এক প্রতীকী প্রতিক্রিয়া।

  • ট্রাম্পের দাবির জবাবে ভারতের কড়া ব্যাখ্যা: “মোদির সঙ্গে কোনো ফোনালাপই হয়নি”

    ট্রাম্পের দাবির জবাবে ভারতের কড়া ব্যাখ্যা: “মোদির সঙ্গে কোনো ফোনালাপই হয়নি”

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক আলোচনার ঝড়। বুধবার ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর ফোনালাপ হয়েছে এবং মোদি তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে। তবে আজ বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—এমন কোনো ফোনালাপই হয়নি।

    সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমার জানা মতে, গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে কোনো ফোনালাপ হয়নি।”

    ট্রাম্পের দাবি ছিল, রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির বিষয়টি শিগগিরই বন্ধ করবে ভারত এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে মোদির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তবে নয়াদিল্লি জানায়, মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে জ্বালানি খাত নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু ভারত তার নিজস্ব জ্বালানি স্বার্থ ও ভোক্তা নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেবে।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা ট্রাম্পের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বিষয়টি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন।

    ভারত বর্তমানে রাশিয়ার তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, রাশিয়ার তেল বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ ইউক্রেনে আগ্রাসনের খরচ জোগাচ্ছে। তাই ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে ভারত, চীন ও জাপান রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করুক, যাতে রাশিয়ার অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হয়।

    তবে দিল্লির বার্তা পরিষ্কার—ভারতের জ্বালানি নীতি ভারতের স্বার্থেই নির্ধারিত হবে, বাইরের চাপ নয়।

  • মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির বার্তা নিয়ে মিসরে পৌঁছালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির বার্তা নিয়ে মিসরে পৌঁছালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে সামনে রেখে মিসরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার বিকেলে ইসরায়েল সফর শেষ করে তিনি মিসরের শার্ম আল-শেখে অবতরণ করেন।

    এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের ২০ জন প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

    সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয় হবে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি, মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের এই সফরকে বিশ্লেষকরা অঞ্চলে নতুন কূটনৈতিক সমন্বয়ের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

    শার্ম আল-শেখে এই সম্মেলনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্মেলনে ট্রাম্প বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সফর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

  • নোবেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প: নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া হোয়াইট হাউজের

    নোবেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প: নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া হোয়াইট হাউজের

    এবিএনএ: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজ। এবছর নোবেল কমিটি ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে শান্তিতে নোবেল প্রদান করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন প্রকাশ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরেই শান্তি চুক্তি ও যুদ্ধবিরতি উদ্যোগে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে আসছিলেন ট্রাম্প। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে তার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রশাসন বেশ প্রচারণাও চালিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নোবেল কমিটির মন গলাতে পারেননি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র স্টিভেন চুং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্টে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধ থামাতে এবং বিশ্বে শান্তি আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার মানবিকতা ও ইচ্ছাশক্তি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। কিন্তু নোবেল কমিটি রাজনীতিকে শান্তির চেয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছে।”

    নরওয়ের নোবেল কমিটি জানিয়েছে, স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকার জন্য মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তারা মনে করছে, মাচাদো বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতীক।

    অন্যদিকে, ট্রাম্প সমর্থকরা এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ। তারা মনে করেন, ট্রাম্পের মতো নেতাই আসল শান্তির দূত। সম্প্রতি গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ভূমিকা রাখার দাবি করে ট্রাম্প নিজেকে শান্তির নায়ক হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।

    যদিও নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের বিষয়ে ট্রাম্প সরাসরি কিছু বলেননি, তবে নিজের সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ গাজা চুক্তি উদযাপনের কয়েকটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।

    অতীতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তার নেতৃত্বেই বিশ্বের আটটি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। তার ভাষায়, “নোবেল পুরস্কার আমার প্রাপ্য, কিন্তু তারা সেটি আমাকে দেবে না। তারা সবসময় এমন কাউকে পুরস্কৃত করে, যে আসলে কিছুই করেনি।”

    নোবেলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩১ জানুয়ারি। ট্রাম্প জানুয়ারি মাসেই দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে ফিরে আসেন।