Tag: জাতীয় নির্বাচন

  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    ঘোষণায় জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—বগুড়া-৭, ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে লড়বেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় রাজনীতিকরা। বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী তালিকা সাজানো হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ আটটি বিভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

    কিছু আসন এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে, সেসব আসনে আলোচনা শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।

    ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “এই তালিকা বিএনপির ঐক্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দৃঢ়তার প্রতিফলন।”

    উল্লেখ্য, বিএনপি এবার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কে পেলেন কোন আসন-
    রংপুর বিভাগ
    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির
    পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ
    ঠাকুরগাঁও-১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ঠাকুরগাঁও-৩: মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জাহিদ
    দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া
    দিনাজপুর-৪: মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিয়া
    নীলফামারী-১: স্থগিত
    নীলফামারী-২: এএইচএম মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ রুবেল
    নীলফামারী-৩: স্থগিত
    নীলফামারী-৪: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর সরকার
    লালমনিরহাট-১: মোহাম্মদ হাসান রাজীব প্রধান
    লালমনিরহাট-২: স্থগিত
    লালমনিরহাট-৩: আসাদুল হাবিব দুলু
    রংপুর-১: মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার
    রংপুর-৩: শামসুজ্জামান শামু
    রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫: মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    রংপুর-৬: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা
    কুড়িগ্রাম-২: মোহাম্মদ সোহেল হোসেন কায়কোবাদ
    কুড়িগ্রাম-৩: তাসভীরুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-৪: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
    গাইবান্ধা-২: আনিসুজ্জামান খান বাবু
    গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার
    রাজশাহী বিভাগ
    জয়পুরহাট-১: মোহাম্মদ মাসুদ রানা প্রধান
    জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী
    বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম
    বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার
    বগুড়া-৪: মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
    বগুড়া-৫: মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ
    বগুড়া-৬: তারেক রহমান
    বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
    নওগাঁ-১: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
    নওগাঁ-২: শামসুজ্জোহা খান
    নওগাঁ-৩: ফজলে হুদা বাবুল
    নওগাঁ-৪: একরামুল বারী টিপু
    নওগাঁ-৫: স্থগিত
    নওগাঁ-৬: শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
    রাজশাহী-১: মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন
    রাজশাহী-২: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু
    রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক নজরুল ইসলাম
    রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ
    নাটোর-১: ফারজানা শারমিন
    নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
    নাটোর-৩: স্থগিত
    নাটোর-৪: মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ
    সিরাজগঞ্জ-১: স্থগিত
    সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
    সিরাজগঞ্জ-৩: আইনুল হক
    সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম আকবর আলী
    সিরাজগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান
    সিরাজগঞ্জ-৬: এম এম মহিত
    পাবনা-১: স্থগিত
    পাবনা-২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব
    পাবনা-৩: মোহাম্মদ হাসান জাফির তুহিন
    পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব
    পাবনা-৫: মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
    খুলনা বিভাগ
    মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুণ
    কুষ্টিয়া-১: রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা
    কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী
    কুষ্টিয়া-৩: মোহাম্মদ জাকির হোসেন সরকার
    কুষ্টিয়া-৪: মোহাম্মদ মেহেদী আহমেদ রুমি
    ঝিনাইদহ-২: মাহমুদ হাসান খান
    ঝিনাইদহ-১: স্থগিত
    ঝিনাইদহ-২: স্থগিত (পুনরাবৃত্তি)
    ঝিনাইদহ-৪: এম সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
    যশোর-১: মোহাম্মদ মফিজুল হাসান তৃপ্তি
    যশোর-২: মোহাম্মদ সাবিরা সুলতানা
    যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
    যশোর-৪: টি এস আইয়ুব
    যশোর-৫: স্থগিত
    যশোর-৬: কাজী রওনাকুল ইসলাম
    মাগুরা-১: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
    মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী
    বাগেরহাট-২: স্থগিত
    বাগেরহাট-৩: স্থগিত
    খুলনা-১: স্থগিত
    খুলনা-২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু
    খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল
    খুলনা-৪: শরীফ শাহ কামাল তাজ
    খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আজগর
    খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী
    সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব
    সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ
    সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দিন
    বরিশাল বিভাগ
    পটুয়াখালী-১: এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৩: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন
    ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর
    ভোলা-২: মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম
    ভোলা-৩: মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
    ভোলা-৪: মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন
    বরিশাল-১: জহিরউদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২: সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
    বরিশাল-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    বরিশাল-৪: মোহাম্মদ রাজিব হাসান
    বরিশাল-৫: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সরোয়ার
    বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান
    ঝালকাঠি-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
    পিরোজপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    পিরোজপুর-২: আহমেদ সায়েম মনজুর
    পিরোজপুর-৩: মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল
    ঢাকা বিভাগ
    টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু
    টাঙ্গাইল-৩: এ এস এম উবায়দুল হক নাসির
    টাঙ্গাইল-৪: মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন
    টাঙ্গাইল-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    টাঙ্গাইল-৬: রবিউল আউয়াল লাভলু
    টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
    জামালপুর-৩: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল
    জামালপুর-৪: মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম
    জামালপুর-৫: শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন
    শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন
    শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
    শেরপুর-৩: মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল
    ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ ইমরান সালেহ
    ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার
    ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেন
    ময়মনসিংহ-৪: স্থগিত
    ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন
    ময়মনসিংহ-৬: মোহাম্মদ আক্তারুল আলম
    ময়মনসিংহ-৭: ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
    ময়মনসিংহ-৮: লুৎফুল্লাহেল মাজেদ
    ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খান চৌধুরী
    ময়মনসিংহ-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ময়মনসিংহ-১১: ফখরুদ্দিন আহমেদ
    নেত্রকোনা-১: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
    নেত্রকোনা-২: মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক
    নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হেলালী
    নেত্রকোনা-৪: মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর
    নেত্রকোনা-৫: আবু তাহের তালুকদার
    কিশোরগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    কিশোরগঞ্জ-৩: ডক্টর ওসমান ফারুক
    কিশোরগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ ফজলুর রহমান
    কিশোরগঞ্জ-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-৬: মোহাম্মদ শরিফুল আলম
    মানিকগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খান
    মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা
    মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
    মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা
    মুন্সিগঞ্জ-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক
    ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৫: নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন
    ঢাকা-৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম
    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব
    ঢাকা-১৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি
    ঢাকা-১৫: শফিকুল ইসলাম খান
    ঢাকা-১৬: আমিনুল হক
    ঢাকা-১৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৮: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৯: ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
    গাজীপুর-২: মনজুরুল করিম রনি
    গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডাক্তার এ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
    গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
    গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন
    নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন
    নরসিংদী-২: ডক্টর আব্দুল মঈন খান
    নরসিংদী-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    নরসিংদী-৪: সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
    নরসিংদী-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বকুল
    নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
    নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ
    নারায়ণগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম মান্নান
    নারায়ণগঞ্জ-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান
    রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
    রাজবাড়ী-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদ ইসলাম
    ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ
    ফরিদপুর-৪: শহিদুল ইসলাম বাবুল
    গোপালগঞ্জ-১: মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা
    মাদারীপুর-১: কামাল জামাল মোল্লা
    মাদারীপুর-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    মাদারীপুর-৩: আনিসুর রহমান
    শরীয়তপুর-১: সৈয়দ আহমেদ আসলাম
    শরীয়তপুর-২: শফিকুর রহমান কিরণ
    শরীয়তপুর-৩: মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু
    সিলেট বিভাগ
    সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক
    সুনামগঞ্জ-৫: কলিমউদ্দিন মিলন
    সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী
    সিলেট-২: মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদীর
    সিলেট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
    সিলেট-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৬: ইমরান আহমেদ চৌধুরী
    মৌলভীবাজার-১: নাসিরউদ্দিন আহমেদ মিঠু
    মৌলভীবাজার-২: শওকত হোসেন শকু
    হবিগঞ্জ-২: আবু মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন
    চট্টগ্রাম বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এ কে এম হান্নান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: খালেদ হোসেন মাহবুব
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান
    কুমিল্লা-১: ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন
    কুমিল্লা-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কুমিল্লা-৩: কাজী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ
    কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল ইসলাম মুন্সী
    কুমিল্লা-৫: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
    কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের
    কুমিল্লা-৯: মোহাম্মদ আবুল কালাম
    কুমিল্লা-১০: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর
    চাঁদপুর-১: আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    চাঁদপুর-২: মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ হোসেন
    চাঁদপুর-৪: মোহাম্মদ মোমিনুল হক
    নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩: মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বুলু
    নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
    নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান সামি
    লক্ষ্মীপুর-৩: শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন চেয়ারম্যান
    চট্টগ্রাম-২: সরোয়ার আলমগীর
    চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
    চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ
    চট্টগ্রাম-৯: মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বক্তা প্রথমে এই নামটি বলেন, পরে স্থগিত ঘোষণা করেন)
    চট্টগ্রাম-১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৩: সরোয়ার জামাল নিজাম
    চট্টগ্রাম-১৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা
    কক্সবাজার-১: সালাউদ্দিন আহমেদ
    কক্সবাজার-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কক্সবাজার-৩: লুৎফর রহমান কাজল
    কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী
    খাগড়াছড়ি: আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া
    রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান
    বান্দরবান: সাচিং প্রু
  • সব দলের ক্ষোভ একজায়গায়: সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে রাজনৈতিক অস্থিরতা

    সব দলের ক্ষোভ একজায়গায়: সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে রাজনৈতিক অস্থিরতা

    এবিএনএ:  স্বৈরাচারবিরোধী জুলাই বিপ্লবের পর যে অন্তর্বর্তী সরকারকে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছিল, সেই সরকারের বিরুদ্ধে এখন উঠেছে তীব্র অভিযোগের ঝড়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার সম্পর্কে বিরোধী দলগুলো বলছে— জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে তারা।

    প্রথমদিকে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যান্য দল অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু মাত্র ১৫ মাসের ব্যবধানে চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, নাগরিক ঐক্যসহ একাধিক রাজনৈতিক দল সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। সরকার ও কমিশন উভয়ই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন বিলম্বিত করার চক্রান্ত চলছে।”

    জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আর দেরি করলে সরকার জনআস্থা হারাবে। এখনই বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে গণভোটের আয়োজন করতে হবে।”

    নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মন্তব্য করেন, “যে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে, তার কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা বৃথা। দেশের সংকট কাটাতে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা ছাড়া বিকল্প নেই।”

    এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে কোনো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রাখা যাবে না। অন্যদিকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক মনে করেন, “অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করছে, যা আমাদের সমর্থনের পরিসীমায় পড়ে না।”

    আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “বাংলাদেশে বারবার স্বৈরাচার পতনের পর নতুন স্বৈরাচারের জন্ম হয়—এটাই আমাদের রাজনৈতিক দুর্ভাগ্য।”

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সতর্ক করে বলেন, “জুলাই সনদের নামে রাজনীতিতে বিভাজন বাড়ছে। এই বিভক্তি থাকলে নির্বাচনের সময়সূচি ঝুঁকির মুখে পড়বে।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জুলাই বিপ্লবের পর গড়ে ওঠা ঐক্য আজ ভেঙে পড়ছে। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় দলটি এটিকে ‘রাজনৈতিক প্রতারণা’ হিসেবে দেখছে। বিপরীতে জামায়াত ও এনসিপি কমিশনের সুপারিশকে ইতিবাচক বলে দাবি করছে।

    এই বিভক্ত অবস্থান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা ‘না’ লিখে পোস্ট দিচ্ছেন, অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপির সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ প্রচারণায় ব্যস্ত।

    ফলে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমশ বাড়ছে। যদিও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “যে সিদ্ধান্তই হোক, নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই হবে।”

    তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ মনে করেন, “জুলাই সনদ ইস্যুর সমাধান না হলে নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাবে।”

    সব মিলিয়ে দেশের রাজনীতি এখন নতুন মোড়ে—প্রায় সব দল সরকারের বিরুদ্ধে একজোট, অথচ নির্বাচনের পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।

  • এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি এখন প্রার্থী নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপে। দলটি চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই প্রায় ২০০ আসনে প্রার্থিতা নিশ্চিত করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে পাঁচটি আলাদা জরিপ সম্পন্ন হয়েছে, যার ভিত্তিতে বেশিরভাগ আসনে একক প্রার্থী নির্ধারিত হয়েছে।

    তবে শতাধিক আসনে এখনো অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রুপিং থাকায় সেখানে সমঝোতা গঠনের চেষ্টা চলছে। এরই অংশ হিসেবে প্রার্থীদের ডেকে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে একযোগে কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।


    গোপনীয় প্রার্থী চূড়ান্ত প্রক্রিয়া

    স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা প্রস্তাব দিয়েছেন, মাঠে বিভ্রান্তি এড়াতে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমানে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে গ্রিন সিগন্যাল বা ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া হচ্ছে একক প্রার্থীদের। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এ তথ্য না জানায় মাঠ পর্যায়ে তৈরি হচ্ছে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ।

    দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে।


    ইসি’র সঙ্গে বৈঠক আজ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। দলের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকায় অনেক জামায়াতপন্থি কর্মকর্তা স্থান পাচ্ছেন। এ বিষয়ে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আজ বুধবার বিএনপি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবে।

    বিএনপি দাবি করেছে, ভোটের প্রতিটি ধাপে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।


    প্রশাসনে ‘জামায়াতীকরণ’ নিয়ে উদ্বেগ

    বৈঠকে নেতারা প্রশাসনে সাম্প্রতিক রদবদল ও নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএনপির অভিযোগ, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    এই উদ্বেগের বিষয়টি জানাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে।


    বিএনপির লক্ষ্য: নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন

    দলটির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন থেকে দূরে থাকায় আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামই প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসতে পারে। সে কারণে বিএনপি মাঠে সংগঠিত শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে। প্রার্থী নির্ধারণের মাধ্যমে তারা নির্বাচনকেন্দ্রিক শক্ত অবস্থান নিতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের ঘোষণা: ফেব্রুয়ারিতেই হবে উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের ঘোষণা: ফেব্রুয়ারিতেই হবে উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।

    বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে, যেখানে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়, সেখানে তিনি এই নিশ্চয়তা দেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা এমন এক নির্বাচন আয়োজন করতে চাই, যেখানে মানুষ আনন্দের সঙ্গে ভোট দিতে যাবে। এর জন্য যা কিছু প্রয়োজন, আমরা সেটি করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এই বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।”

    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে ইউনূস আরও বলেন, “আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় সনদ তৈরি করেছেন, এখন সরকারের দায়িত্ব সেই সনদের ভিত্তিতে একটি উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। যদি আমরা সেটি করতে না পারি, তবে সনদটির গুরুত্ব নষ্ট হয়ে যাবে।”

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জুলাই সনদের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। তাই নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে সেই সনদের নীতি অনুসরণ করা হবে।”

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষরে রাজি বিএনপি, তবে শর্ত ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থাকতে হবে

    জুলাই সনদে স্বাক্ষরে রাজি বিএনপি, তবে শর্ত ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থাকতে হবে

    এবিএনএ:  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করতে তারা সম্মত, তবে এতে দলের আপত্তিগুলো ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকা আবশ্যক।

    বুধবার সন্ধ্যায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষর দেওয়ার বিষয়টি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়। যে কোনো পরিস্থিতিতেই আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “জুলাই সনদে স্বাক্ষর মানে এটি সঙ্গে সঙ্গে আইনি কাঠামো পাবে—এমন নয়। পরবর্তীতে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তাদেরকেই সনদটির আইনি বৈধতা দিতে হবে। কারণ এই সনদের আইনি ভিত্তি সংসদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পেতে হবে।”

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা সনদে স্বাক্ষর করব, তবে আমাদের মতবিরোধ বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো অবশ্যই নথিভুক্ত থাকতে হবে। সবাই যদি একমত হতো, তাহলে আলোচনার প্রয়োজনই পড়ত না।”

    বিএনপির এই নেতা আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১৭ অক্টোবর জাতীয় সনদে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর সম্পন্ন হবে এবং তা জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। পরে ঐকমত্য কমিশন সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দিষ্ট প্রস্তাবও দেবে বলে জানান তিনি।

  • পিআর নয়, নির্বাচনই আগে — মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা: পদ্ধতি দিয়ে বিলম্ব চান কিছু রাজনৈতিক দল

    পিআর নয়, নির্বাচনই আগে — মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা: পদ্ধতি দিয়ে বিলম্ব চান কিছু রাজনৈতিক দল

    এবিএনএ: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, পিআর (প্রতিনিধিত্বমূলক) পদ্ধতি নিয়ে কথাবার্তা চালানো ও আন্দোলন মূলত নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে। রবিবার ঢাকায় ডিআরইউতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, সংস্কার কমিশনের কোনো প্রস্তাবে পিআর পদ্ধতি নেই—বাহির থেকে কেবল কিছু রাজনৈতিক শক্তি এটাকে অজুহাত বানিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলছে।

    ফখরুল বলেন, “তাদের লক্ষ্য একটাই — নির্বাচনের সময় পিছিয়ে দেওয়া। জনগণের হাতে ক্ষমতা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটাকেই তারা স্থগিত করতে চায়।” তিনি আরও বলেন, এই পদ্ধতিটি মানুষের কাছে জনপ্রিয় নয় এবং চাপিয়ে দিলে জনগণ গ্রহণ করবে না। আলোচনা সভায় রাখা প্রশ্নে উপস্থিত নেতাদের অনেকেই স্বীকার করেন, তারা পিআর পদ্ধতিটি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখেন না।

    মির্জা ফখরুল মনে করিয়ে দেন, বিএনপি আগেই বলেছে—আসন্ন নির্বাচনের জন্য নেই কোনো বিলম্ব; অন্তর্বর্তী সরকারের কমিটমেন্ট অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তারা সেটাই দেখতে চায়। তিনি আরও বলেন, “জনগণ পরীক্ষিত ও কাজ করা সেই দলকেই বেছে নেবে, যে দল মানুষকে আশার আলো দেখিয়েছে।”

    বিএনপির শীর্ষনেতার ভাষ্য, দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতি রক্ষা করতে জনগণের ঐক্য ও সচেতনতা প্রয়োজন; যে কোনো ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তকে জনগণই মোকাবিলা করবে। তিনি জনগণকে নেতৃত্ব, ঐক্য ও প্রতিবাদী মনোভাব বজায় রেখে সামনে এগিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়ে শেষ করেন।

  • অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে গতি আনছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যেই অধিকাংশ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে ‘সবুজ সংকেত’।

    সোমবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে জানানো হয়, প্রতিটি আসনে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এখন থেকে তরুণ ও জনসম্পৃক্ত প্রার্থীদেরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    স্থায়ী কমিটির এক নেতা বলেন, “প্রতি আসনে বহু প্রার্থী থাকলেও দল এমন প্রার্থী বেছে নিচ্ছে যারা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমান নিজেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া তদারক করছেন এবং দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে।

    এবারের নির্বাচনে প্রায় চার কোটি তরুণ ভোটারের মনোভাব বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি জেন-জি প্রজন্মের অংশগ্রহণ ও সমর্থন নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তও এসেছে বৈঠকে।

    গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত
    বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজনের প্রস্তাব সমর্থন করেছে বিএনপি স্থায়ী কমিটি। নেতারা মনে করেন, সংবিধানের ধারা অনুযায়ী এখন রেফারেন্ডামের জন্য আলাদা সংশোধন প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সংসদ ‘হ্যাঁ-না’ ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

    অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে আলাদা গণভোট চাইলেও বিএনপি মনে করে, তা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ এতে সময়ক্ষেপণ ও নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকার নির্দেশ
    স্থায়ী কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে। এর প্রতিকারে তারা ফ্যাক্টচেক ও তথ্যভিত্তিক প্রচারণা জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    দলীয় ঐক্যে জোর
    বৈঠকে আগামী নির্বাচনে ঐক্য ধরে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। নেতারা বলেন, একজন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও অন্যরা যাতে ক্ষুব্ধ বা নিষ্ক্রিয় না হন, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, যেসব নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার করা হয়েছিল কিন্তু পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের দলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

  • একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সম্ভব, ব্যয় ও সময় বাঁচাবে—সালাহউদ্দিন আহমদ

    একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সম্ভব, ব্যয় ও সময় বাঁচাবে—সালাহউদ্দিন আহমদ

    এবিএনএ:  সরকার চাইলে অধ্যাদেশ জারি করে বা আরপিও সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনকে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তার মতে, আইনগতভাবে এমন কোনো বাধা নেই যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজন করা যাবে না। বরং একই দিনে আয়োজন করলে প্রশাসনিক ব্যয়, সময় ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ অনেক কমে যাবে।

    সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘আগামী নির্বাচন গুণমানসম্পন্ন ও সবার জন্য গ্রহণযোগ্য করার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নাগরিক যুব ঐক্য এই আলোচনার আয়োজন করে।

    সালাহউদ্দিন বলেন, “গণভোট ও নির্বাচন একসঙ্গে হলে ব্যয় কমবে, ভোটারদের জন্যও সুবিধা হবে। একই ব্যালট বক্স, একই ভোটকেন্দ্র, একই প্রশাসনিক ব্যবস্থা—সবকিছু একসঙ্গে ব্যবহৃত হতে পারে। আলাদা দিনে আয়োজন করলে সময় ও অর্থ দুটোই বেশি লাগবে।”

    তিনি আরও বলেন, “কেউ কেউ বলছেন আগে গণভোট, পরে নির্বাচন—এটি অপ্রয়োজনীয় জটিলতা। এসব অজুহাতে নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করা উচিত নয়। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে, এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্ধারিত সময়ে সুষ্ঠু ভোট আয়োজন।”

    অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আগে যেখানে মানুষ নির্বাচনের বিষয়ে সন্দিহান ছিল, এখন তা কেটে গেছে। নির্বাচন এখন সময়ের দাবি। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনেই সব পক্ষের নজর দেওয়া উচিত।”

    তিনি আরও বলেন, “গণভোট ও নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজনের কোনো আইনি বাধা নেই। মূল বিষয় হলো প্রার্থীদের নীতি, কর্মসূচি ও জনগণের আস্থা অর্জন করা। ভোটাররা এখন শুধু ‘মার্কা’ নয়, প্রার্থীর যোগ্যতাও বিবেচনা করছেন।”

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাইফুল হক, তানিয়া রব, মুজিবর রহমান মঞ্জু, রাশেদ খান ও হাসনাত কাইয়ুমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

  • দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, আর এখন চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপি এবার শরিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে শরিক দলগুলোর কাছ থেকে আসনবণ্টনের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকাও বিএনপির হাইকমান্ডের হাতে তুলে দিয়েছে। সব তালিকা যাচাইয়ের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তবে তার আগেই যোগ্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য পাঁচটি মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন—

    1. এলাকায় ক্লিন ইমেজ: যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম, দখল বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    2. জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা: সারা দেশে চালানো জরিপে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হবে।

    3. দল ও দেশের জন্য ত্যাগ: যারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, কারাবরণ করেছেন বা পরিবার থেকে কেউ নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

    4. সংগঠনে অবদান: দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে থেকে যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    5. কোন্দলমুক্ত নেতৃত্ব: যেসব প্রার্থী এলাকায় গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে দূরে ছিলেন, তারাও গুরুত্ব পাবেন।

    এই পাঁচটি মানদণ্ডে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল। তবে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ডই নির্ধারণ করবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্তি ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ।

  • জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    এবিএনএ: সরকার জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ কার্যক্রমে জড়িত অনেক নেতা-কর্মী টেলিগ্রাম ও বোটিম ব্যবহার করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

    জানা গেছে, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে রাতে এই দুটি অ্যাপের গতি সীমিত করা হতে পারে। তবে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে অ্যাপ দুটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে একজনের নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধন করা সম্ভব হলেও নতুন সিদ্ধান্তে তা অর্ধেক করা হচ্ছে।

    এছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিন পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, জেলা পর্যায়ের আইনজীবী সমিতি ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জামিন প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে এ ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজারেরও বেশি আসামি জামিন পেয়েছেন।

    এ বৈঠকে মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে সাম্প্রতিক অভিযোগও আলোচনা হয়। দুই পক্ষই একে অপরকে বাংলাদেশের সহায়তা করার অভিযোগ তুলেছে। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশকে দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে, না হলে এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এছাড়া পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী, র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভার পর সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, জাতীয় নির্বাচন, দুর্গাপূজা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়েই মূলত আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।