Tag: জাতীয় নির্বাচন

  • ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন জাতির কপালে কলঙ্ক’—চরমোনাই পীরের কড়া সমালোচনা, তদন্তের দাবি

    ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন জাতির কপালে কলঙ্ক’—চরমোনাই পীরের কড়া সমালোচনা, তদন্তের দাবি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে “জাতির কপালে কলঙ্কের দাগ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির হিসেবে শনিবার রাজধানীর রামপুরায় দলটির নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় তিনি বলেন, অনিয়ম ঠেকাতে এত ত্যাগ ও আত্মদান সত্ত্বেও নির্বাচনী ব্যবস্থায় পুরোনো চিত্রের পুনরাবৃত্তি জাতিকে হতাশ করেছে।

    তিনি বলেন, সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জনগণ স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু ভোটগ্রহণকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। দলের প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে চরমোনাই পীর বলেন, অভিযোগগুলোকে পক্ষপাতহীনভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    পর্যালোচনা সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সারা দেশ থেকে আসা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা ও ভোটের দিনকার বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা হয়। নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ জরুরি।

  • ভোগান্তির অবসান: ৪ দিন পর খুলে গেল এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তালা

    ভোগান্তির অবসান: ৪ দিন পর খুলে গেল এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেনের তালা

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচনে অর্থের অপব্যবহার ঠেকাতে সাময়িকভাবে সীমিত করা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের লেনদেন অবশেষে স্বাভাবিক হয়েছে। চার দিনের বিধিনিষেধ শেষে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে সব ধরনের লেনদেনে আগের নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা প্রত্যাহারের পর মধ্যরাত থেকেই গ্রাহকেরা পূর্বের সীমা অনুযায়ী লেনদেন করতে পারছেন। এতে বিকাশ, নগদরকেট-এর মতো এমএফএস প্ল্যাটফর্মে টাকা পাঠানো ও গ্রহণের প্রক্রিয়া আগের ছন্দে ফিরেছে। বিধিনিষেধ চলাকালে প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাচ্ছিল না এবং দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেনের সীমা থাকায় অনেক গ্রাহক প্রয়োজনীয় লেনদেনে পড়েছিলেন সমস্যায়।

    গত রোববার রাতে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এসব ডিজিটাল সেবায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের ক্ষেত্রে এমএফএস ও আইবিএফটি ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত। ফলে নির্ধারিত ৯৬ ঘণ্টা সময়জুড়ে পিটুপি লেনদেনের অঙ্ক ও সংখ্যা সীমিত রাখা হয় এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

    তবে এই সময়ে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধের মতো সেবাগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই চালু রাখা হয়েছিল। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকেরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্তের আগে গ্রাহকদের আগাম জানালে ভোগান্তি কমবে।

  • ঘরে বসেই ভোটের ফল জানুন মুহূর্তে: ইসির নতুন অ্যাপে মিলছে লাইভ আপডেট

    ঘরে বসেই ভোটের ফল জানুন মুহূর্তে: ইসির নতুন অ্যাপে মিলছে লাইভ আপডেট

    এবিএনএ: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) চালু করেছে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার ও সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল এবং নির্বাচনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য রিয়েল-টাইমে দেখতে পারবেন।

    যেভাবে ব্যবহার করবেন অ্যাপটি

    ১) অ্যাপ ডাউনলোড ও ইনস্টল
    অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর এবং আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Smart Election Management BD লিখে সার্চ করুন। ডাউনলোড শেষে অ্যাপটি ইনস্টল করে খুলুন।

    ২) লগইন দরকার কি না
    সাধারণভাবে ফলাফল দেখতে লগইনের প্রয়োজন নেই। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য, ভোটার স্ট্যাটাস বা ইভিএম–সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে চাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে লগইন করতে হতে পারে।

    ৩) ফলাফল দেখার ধাপ

    • নির্বাচন ও এলাকা নির্বাচন: হোম স্ক্রিন থেকে ‘ইলেকশন রেজাল্টস/ভোটিং রেজাল্টস’ অপশনে গিয়ে জাতীয় সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা বা ইউনিয়ন নির্বাচন বেছে নিন। এরপর জেলা ও উপজেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করুন।

    • কেন্দ্রভিত্তিক লাইভ আপডেট: প্রতিটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হলে ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাপে আপডেট হয়। প্রার্থী বা দলভিত্তিক ভোটসংখ্যা ও শতাংশ দেখা যায়।

    • গ্রাফ ও চার্টে উপস্থাপনা: ফলাফল গ্রাফ/চার্টে দেখানো হয়, ফলে এগিয়ে থাকা প্রার্থী বা দলের অবস্থান এক নজরেই বোঝা যায়। লাইভ আপডেটে ধাপে ধাপে অগ্রগতিও দেখা যায়।

    ইসির এই উদ্যোগের ফলে ফল প্রকাশে স্বচ্ছতা বাড়বে, বিভ্রান্তি কমবে এবং ভোটাররা দ্রুত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন—সবকিছুই নিজের স্মার্টফোনে।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • কার পাল্লায় যাবে ১ কোটি ১৩ লাখ সংখ্যালঘু ভোট? ভোটের আগে দুশ্চিন্তা ও প্রত্যাশা

    কার পাল্লায় যাবে ১ কোটি ১৩ লাখ সংখ্যালঘু ভোট? ভোটের আগে দুশ্চিন্তা ও প্রত্যাশা

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট কোন দিকে মোড় নেবে—এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ। এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারই সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জুড়ে রয়েছেন।

    পরিসংখ্যান বলছে, দেশে বর্তমানে হিন্দু ভোটার রয়েছেন আনুমানিক ১ কোটি ১০ লাখের বেশি। খ্রিষ্টান ভোটার প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার, বৌদ্ধ ভোটার ৭ লাখ ৯০ হাজার এবং অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভোটার সংখ্যা কয়েক দশ হাজারের মতো। নির্বাচন ঘিরে একদিকে যেমন ভোটাধিকার প্রয়োগের আগ্রহ বাড়ছে, অন্যদিকে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও কাটেনি।

    সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কয়েকটি ঘটনার তথ্য তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত বছরে শতাধিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা প্রশ্নকে আরও গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে ভোটের দিন জানমালের সুরক্ষা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

    সংগঠনটির নেতারা মনে করছেন, কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা যথেষ্ট নয়—সব রাজনৈতিক দলেরই সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার প্রয়োজন। যে দল বা প্রার্থী এ বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিশ্রুতি দেবে, তার পক্ষেই সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘু ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কমিশন বলছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যেক নাগরিক নির্বিঘ্নে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

  • ভোটের টানে দুবলারচর ছাড়লেন হাজারো শুঁটকিশ্রমিক জেলে, নৌপথে ফিরছে জনস্রোত

    ভোটের টানে দুবলারচর ছাড়লেন হাজারো শুঁটকিশ্রমিক জেলে, নৌপথে ফিরছে জনস্রোত

    এবিএনএ,মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মাছ ধরা বন্ধ রেখে দুবলারচর ছেড়েছেন ৮ সহস্রাধিক জেলে। গত দুই দিনে এ সকল জেলে নিজ নিজ বাড়ীর পথে রওয়ানা হয়ে গেছেন।

    দুবলার আলোরকোল থেকে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) মোবাইল ফোনে বলেন, সুদুর বঙ্গোপসাগরের দুবলারচরেও লেগেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢেউ। আলোরকোল, মাঝেরকেল্লা, নারিকেলবাড়ীয়া ও শেলারচর নিয়ে দুবলারচর গঠিত। দুবলার এ চারটি চরে দশ সহস্রাধিক জেলে অবস্থান নিয়ে সাগরে মাছ ধরে শুঁটকি করণ করে থাকেন।

    এ সকল জেলেদের বেশির ভাগের বাড়ী সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর, তালা, বাগেরহাটের মোংলা ও রামপাল এবং খুলনার দাকোপ, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা দুবলারচরে জেলেদের মাঝে জনসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে গেছেন। ভোট দেওয়ার জন্য গত দুই দিনে ৮ সহস্রাধিক জেলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে দুবলারচর ছেড়ে বাড়ীর পথে চলে গেছেন। ভোট দিয়ে তারা আবার দুবলারচরে ফিরে আসবেন বলে দুবলা ফিসারমেন গ্রুপের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন।

    আলোরকোলের রামপাল জেলে সমিতির সভাপতি মোঃ মোতাসিম ফরাজী বলেন. গত এক যুগে ভোট দিতে পারিনি এবার ভোটের পরিবেশ ফিরে আসায় ভোট দিতে বাড়ী যাচ্ছি।

    সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের দুবলার আলোরকোল ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্টার তানভির হাসান ইমরান মোবাইল ফোনে বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদের ভোট দেওয়ার জন্য গত দুই দিনে প্রায় ৮ হাজার জেলে নিয়ম অনুযায়ী বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে দুবলারচর থেকে বাড়ী চলে গেছেন।

  • উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    এবিএনএ: আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, প্রচারণা পর্যায়ে কোথাও কটু বক্তব্য বা অশোভন আচরণ চোখে পড়েনি, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

    শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের তার বক্তব্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়েছে। তবে সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকে শতভাগ নিখুঁত করা। ভোট যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়—এটাই মূল লক্ষ্য।

    তিনি জানান, সামনে আসা সপ্তাহটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রত্যাশা, ভোটের দিনটি হবে উৎসবের মতো। নারী ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, পরিবারসহ মানুষ অংশ নেবে ভোটের আনন্দে। এই নির্বাচন ভবিষ্যতে একটি স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সারা দেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি কয়েকটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্যামেরার কার্যকারিতা যাচাই করেন।

    এছাড়া নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ এখন পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে বলে জানান তিনি। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোনো কেন্দ্র বা কেন্দ্রের আশপাশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে সংকেত পৌঁছে যাবে। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    প্রেস সচিব আরও বলেন, অতীতে দুর্গাপূজার সময় একই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা, ‘শান্তিতে থাকতে দেবে না প্রতিষ্ঠিত শক্তি’—মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং প্রশাসনের একাংশের পক্ষপাতমূলক ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে বা ভবিষ্যতে যে সরকারই দায়িত্ব নিক না কেন, বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠিত শক্তি দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেবে না।

    শনিবার রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় হক ক্যাসেল ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন সাবেক এই মন্ত্রী।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে কারও কারও মধ্যে বিশেষ কিছু প্রার্থীর প্রতি দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রভাবশালী মহল আগেই নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর নাম তালিকাভুক্ত করে রেখেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে সংসদে পাঠানো হবে—ভোট পড়ুক বা না পড়ুক। তিনি বলেন, এমন বাস্তবতা গণতন্ত্র ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকি।

    গণআন্দোলনের ইতিহাস টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জেল-জুলুম সহ্য করে বিএনপিই আন্দোলনের পথ তৈরি করেছে। অথচ এখন কেউ কেউ এমন ভঙ্গিতে কথা বলছেন, যেন তারাই এককভাবে পরিবর্তনের নায়ক। তিনি মন্তব্য করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কেউ ক্ষমতার দাবি করেনি, অথচ আজ অনেকেই ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবছে।

    নির্বাচনী রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের মিত্র শক্তি পরোক্ষভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করছে এবং নির্বাচনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। তার মতে, আওয়ামী লীগের পর বিএনপিকেও রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার একটি অপচেষ্টা দৃশ্যমান।

    নিজের এলাকা ঢাকা-৮ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধির কার্যকর উপস্থিতি পায়নি। তবে তিনি সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন বলে দাবি করেন। অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে থাকাকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখাই ছিল তার নীতি।

    রমনা পার্ক উন্নয়নসহ এলাকার নানা জনস্বার্থমূলক কাজে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতেও যেকোনো প্রয়োজনে এলাকার মানুষ তাকে এক ফোনেই পাশে পাবেন।

  • ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    এবিএনএ: ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার–২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।

    শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার উপস্থাপন করেন।

    ইশতেহারে বলা হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর আওতায় মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হবে, যা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

    কৃষি খাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সুবিধা পাবেন মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

    স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক সেবা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগরে মানসম্মত চিকিৎসা এবং মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।

    শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরির অঙ্গীকার করা হয়েছে। সরকারি নিয়োগে মেধা ও স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথাও বলা হয়।

    এছাড়া ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষায় নদী-খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

    ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ও কল্যাণমূলক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম পেপাল চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব গঠন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে।

    ইশতেহার ঘোষণার সময় তারেক রহমান বলেন, এটি কেবল নির্বাচনী অঙ্গীকার নয়, বরং জনগণের সঙ্গে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক চুক্তির প্রতিফলন। জনগণের রায়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।

  • ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    ভোটের মাঠে মিথ্যা নয়, সত্যের রাজনীতি চান মির্জা আব্বাস—ঢাকা-৮ এ কড়া বার্তা

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় ভিন্নমত বা সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই স্বাভাবিক রাজনৈতিক আচরণ নয়।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় ফ্ল্যাট মালিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি সততা ও নৈতিকতায়। ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ থেকেই আমরা রাজনীতি করি। তাই ভোটের মাঠে দাঁড়িয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের কাজের হিসাব এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে। অন্য দলের প্রার্থী বা নেতাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কিংবা অশোভন ভাষা ব্যবহারের পথে তারা যাবেন না।

    ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, দেশের মানুষ বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে ভোটাধিকার অর্জন করেছে। তাই প্রত্যেক ভোটার যেন নির্ভয়ে ও সঠিকভাবে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন—এটাই তার প্রত্যাশা।

    ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক উপস্থিতি থাকবে। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাতে জড়ানো যাবে না। তবে প্রয়োজনে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    শেষে এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা আব্বাস ভোটে সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।