Tag: আন্তর্জাতিক রাজনীতি

  • অনিয়মিত অভিবাসনে লাগাম টানছে ইইউ: কে আসবে, সিদ্ধান্ত নেবে ইউরোপই

    অনিয়মিত অভিবাসনে লাগাম টানছে ইইউ: কে আসবে, সিদ্ধান্ত নেবে ইউরোপই

    এবিএনএ: অনিয়মিত পথে ইউরোপে প্রবেশকারী অভিবাসীদের নিজ দেশে দ্রুত ফেরত পাঠানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য—কে বা কারা ইউরোপে প্রবেশ করবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ইউরোপ নিজেই।

    এই লক্ষ্য সামনে রেখে ইইউ তাদের অভিবাসন ও আশ্রয় নীতি নিয়ে একটি নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। পরিকল্পনাটিতে অনিয়মিত অভিবাসন কমানোর পাশাপাশি ইইউর বাইরের দেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    ইইউর অভিবাসন কমিশনার মাগনুস ব্রুনার বলেন, অনিয়মিত আগমন সীমিত রাখা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। তাঁর মতে, অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার জনমনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করে, যা একদিকে আশ্রয় ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ায়, অন্যদিকে দক্ষ ও মেধাবী কর্মীদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টাকেও দুর্বল করে।

    যদিও পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৫ সালে ইইউজুড়ে অনিয়মিত অভিবাসীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে, তবুও রাজনৈতিক চাপ কমেনি। এই বাস্তবতায়ই নতুন এই কৌশলকে ‘অভিবাসন নীতিতে নতুন অধ্যায়’ হিসেবে দেখছে ইউরোপীয় কমিশন।

    তবে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে তৃতীয় দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

    এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট হেন্না ভিরকুনেন বলেন, অনিয়মিত আগমন কমে আসার ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে হবে। একই সঙ্গে আইনি ও নিরাপদ পথে ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো জরুরি, কারণ এটি ছাড়া অর্থনীতি ও সমাজের ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব নয়।

    ইউরোপই নেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

    ইউরোপীয় কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি ন্যায্য ও দৃঢ় অভিবাসন কাঠামোর মাধ্যমে ইউরোপই নির্ধারণ করবে—কে, কখন এবং কোন শর্তে ইইউতে প্রবেশ করতে পারবেন।

    এই নীতির আওতায় মানবপাচার রোধ, আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকানো এবং প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মী ঘাটতি পূরণের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    কমিশনের মতে, ইইউর বহু গুরুত্বপূর্ণ খাতে দক্ষ জনশক্তির সংকট রয়েছে। তাই বিদেশি কর্মীদের যোগ্যতা স্বীকৃতি সহজ করা, প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং ইউরোপকে বৈশ্বিক প্রতিভার জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    রিটার্ন হাব ও ফেরত প্রক্রিয়া

    ইইউ জানিয়েছে, যাদের ইউরোপ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে মাত্র ২৫ শতাংশ বাস্তবে নিজ দেশে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, কার্যকর ও মর্যাদাপূর্ণ করতে চায় কমিশন।

    এ লক্ষ্যে ইইউর বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ বা প্রত্যাবাসন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে। এসব কেন্দ্রে অনিয়মিত ও প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের নিজ দেশে পাঠানোর আগে রাখা হবে।

    পরোক্ষভাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীদের গ্রহণে অনাগ্রহী দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ এবং প্রয়োজন হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথাও বিবেচনায় রয়েছে।

    এরই মধ্যে লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশর, মরক্কো ও মৌরিতানিয়ার মতো দেশের সঙ্গে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে চুক্তি করেছে ইইউ। এসব দেশের সহযোগিতার বিনিময়ে অর্থ ও বিনিয়োগ সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

  • যুদ্ধের গুজবে নির্ঘুম রাত: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে ইরানের সাধারণ মানুষ

    যুদ্ধের গুজবে নির্ঘুম রাত: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে ইরানের সাধারণ মানুষ

    এবিএনএ: ৩০ জানুয়ারির রাতটি ইরানের সাধারণ মানুষের জন্য ছিল অস্বাভাবিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গুজবে বলা হচ্ছিল—যে কোনো সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনো হামলা হয়নি, তবুও মানুষের মনে জমে থাকা আতঙ্ক দূর হয়নি।

    তেহরানের বাসিন্দা ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী (ছদ্মনাম মিলাদ) জানান, পুরো রাত তিনি ঘুমোতে পারেননি। বিস্ফোরণের শব্দ শোনার অপেক্ষায় জেগে ছিলেন। তার ভাষায়, ভোর না হওয়া পর্যন্ত মনে হচ্ছিল—এই বুঝি কিছু ঘটে যায়।

    পূর্ব তেহরানের এক পার্কে নিয়মিত হাঁটতে যাওয়া ৬৮ বছর বয়সী সোহরেহ নামের এক নারী বলেন, শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে—এমন কথাই তিনি আশপাশের মানুষের মুখে শুনেছেন। এই গুজবেই চারপাশে ভয় আরও ছড়িয়ে পড়ে।

    সোহরেহর মতে, বিদেশি হামলার বিরোধিতা করলেও সমাজের একাংশ ভিন্নভাবে ভাবছে। অনেকে মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে বর্তমান সংকটের অবসান ঘটতে পারে। সরকারের দমন-পীড়নে মানুষের হতাশা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা ভালো-মন্দের পার্থক্য করতেও দ্বিধায় পড়ছে।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতির খবর ইরানের মানুষের মনে যুদ্ধকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু বলেন, প্রকাশ্যে কেউ কথা না বললেও ভেতরে ভেতরে সবাই ভয় পাচ্ছেন। কারণ গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে তারা যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছেন।

    আতঙ্কের কারণে অনেকেই জানালা বন্ধ করে রাখছেন। আরজু জানান, তার ভবনসহ আশপাশের প্রায় সব বাড়ির জানালা বন্ধ। মানুষের ধারণা—হামলা হলে তখন আর সরকারপন্থী বা বিরোধী বলে কিছু থাকবে না।

    ভয়ের প্রভাব পড়েছে দৈনন্দিন জীবনেও। বহু মানুষ অন্তত ১০ দিনের খাবার ও পানি মজুদ করছেন। জরুরি কাগজপত্র আলাদা ব্যাগে গুছিয়ে রাখা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত বাড়ি ছাড়তে পারা যায়। অনেক পরিবার বাড়ির বের হওয়ার পথও আগেভাগে প্রস্তুত রাখছেন।

  • যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কঠোর জবাব দেবে ইরান: এবার পাল্টা আঘাত আর সীমিত থাকবে না

    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কঠোর জবাব দেবে ইরান: এবার পাল্টা আঘাত আর সীমিত থাকবে না

    যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালায়, তবে তার জবাব আর আগের মতো সীমাবদ্ধ থাকবে না—এমন কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, ভবিষ্যতে যেকোনো পাল্টা হামলা হবে দীর্ঘস্থায়ী ও দৃঢ়সংকল্পের প্রতিফলন।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আঘাত এলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তার ভাষায়, এবার আর প্রতিক্রিয়া সীমিত পর্যায়ে আটকে থাকবে না।

    পটভূমি হিসেবে তিনি গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টানেন। ওই সংঘাতের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। সে সময় মার্কিন বিমানবাহী রণতরীও ব্যবহৃত হয়। তবে তখন উভয় পক্ষই সীমিত পরিসরে হামলা চালিয়েছিল। ইরান কাতারে অবস্থিত মার্কিন আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে মিসাইল নিক্ষেপ করে জবাব দেয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

    ইরানি সেনা মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি এমন থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ফলাফল তাদের কল্পনার মতো সহজ হবে না। তিনি বলেন, “হঠাৎ হামলা চালিয়ে পরে অভিযান শেষের ঘোষণা দেওয়া—এমন দৃশ্য আর দেখা যাবে না।”

    এ সময় তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক রণতরীগুলো ইরানের মিসাইল সক্ষমতার সামনে নিরাপদ নয়। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের মধ্যম পাল্লার মিসাইলের আওতার মধ্যেই রয়েছে বলে জানান তিনি।

  • ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইউরেনিয়াম মজুদ শূন্য, মিসাইল শক্তিতেও লাগাম দাবি

    ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইউরেনিয়াম মজুদ শূন্য, মিসাইল শক্তিতেও লাগাম দাবি

    এবিএনএ: ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ফের কড়া অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চুক্তিতে আসতে হবে, অন্যথায় সামরিক হামলার ঝুঁকি এড়ানো যাবে না।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর একাধিক কঠোর শর্ত আরোপ করতে চায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো—ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া এবং সেই সীমার বাইরে কোনো নতুন মিসাইল উৎপাদন নিষিদ্ধ করা। পাশাপাশি দেশটির ইউরেনিয়াম মজুদ সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই দাবিগুলো নিয়ে বর্তমানে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে এসব শর্ত মেনে নেওয়ার বিষয়ে তেহরানের সম্মতির সম্ভাবনা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনও বিস্তর ব্যবধান রয়ে গেছে।

    আলজাজিরা আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যে শর্তগুলো দিচ্ছে, ইরান তা মানার কাছাকাছিও নেই। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে, যা সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো করছে।

    অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে প্রয়োজনে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও স্পষ্ট করেছে দেশটি।

  • সমুদ্রের তলদেশে লুকানো শত শত মিসাইল! যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়ে গোপন সুড়ঙ্গ প্রকাশ করল ইরান

    সমুদ্রের তলদেশে লুকানো শত শত মিসাইল! যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়ে গোপন সুড়ঙ্গ প্রকাশ করল ইরান

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক শক্তি প্রদর্শনে নতুন বার্তা দিল ইরান। দেশটি প্রথমবারের মতো সমুদ্রের তলদেশে থাকা তাদের গোপন মিসাইল সুড়ঙ্গের তথ্য প্রকাশ করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো হামলা হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ থাকবে না।

    বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের নৌ শাখার প্রধান আলীরেজা তাঙসিরি পানির নিচে অবস্থিত একটি মিসাইল সুড়ঙ্গ পরিদর্শন করছেন। সেখানে সারিবদ্ধভাবে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ক্রুস মিসাইল।

    নৌ কমান্ডার তাঙসিরি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চল ও ওমান সাগরে অবস্থানরত বিদেশি নৌবহর মোকাবিলায় সমুদ্রের নিচে বিস্তৃত মিসাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। এসব সুড়ঙ্গে শতাধিক নয়, বরং কয়েকশ মিসাইল মজুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, এসব মিসাইল প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশেষ করে ‘কাদের ৩৮০ এল’ নামের মিসাইলগুলোতে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা আঘাতের মুহূর্ত পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে।

    এদিকে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ইরান যদি বড় ধরনের হামলা এড়াতে চায়, তবে দ্রুত একটি চুক্তিতে আসতে হবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই মিসাইল সুড়ঙ্গ প্রকাশ এবং ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর হুমকি— দুই মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

  • ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইরান যদি নতুন করে হামলা এড়াতে চায়, তাহলে দ্রুত আলোচনায় এসে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।

    ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে আরও কঠোর ও ভয়াবহ।

    তার ভাষায়, “একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর এখন ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এর নেতৃত্বে থাকা বহরটি ভেনেজুয়েলায় পাঠানো ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’ রণতরীর নেতৃত্বাধীন নৌবহরের চেয়েও বড়।”

    ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই বহর যেকোনো সময় অভিযানে যেতে প্রস্তুত এবং পরিস্থিতি দাবি করলে দ্রুত ও মারাত্মক হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে ছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, তখনকার অভিযানে ইরান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “ইরান যদি এবারও আলোচনায় না আসে, তাহলে পরবর্তী হামলা হবে আরও ভয়াবহ। সময় প্রায় শেষ। সমাধানের সুযোগ এখনও আছে, কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”

    এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • তেহরানে ক্ষমতার ভীত নড়বড়ে! ইরান সরকার নিয়ে ট্রাম্পকে গোপন সতর্কবার্তা মার্কিন গোয়েন্দাদের

    তেহরানে ক্ষমতার ভীত নড়বড়ে! ইরান সরকার নিয়ে ট্রাম্পকে গোপন সতর্কবার্তা মার্কিন গোয়েন্দাদের

    এবিএনএ: ইরানের বর্তমান ইসলামিক সরকার চরম চাপে রয়েছে এবং তাদের ক্ষমতার ভিত নড়বড়ে হয়ে উঠেছে—এমনই মূল্যায়ন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর। এসব গোপন তথ্য সরাসরি জানানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

    গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে শাহ শাসনের পতনের পর এই প্রথমবার ইরানের শাসনব্যবস্থা এতটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, জনসমর্থন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা—সব ক্ষেত্রেই সরকারের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে এই তথ্য জানানো হয়, যখন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নতুন করে বিবেচনা করছেন। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটির ওপর হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। মাঝখানে কিছুটা নরম অবস্থান নিলেও সাম্প্রতিক সময়ে আবার আগ্রাসী কৌশলে ফিরেছেন ট্রাম্প।

    মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে নজিরবিহীন সংকটে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে জনঅসন্তোষ বেড়েছে, যা সরকারকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

    এই উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। এর সঙ্গে রয়েছে একাধিক যুদ্ধজাহাজ, যেগুলোতে টোমাহকসহ আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী কেন? সময় এলে কারণ বুঝবে ইরান: কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী কেন? সময় এলে কারণ বুঝবে ইরান: কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও রণতরী মোতায়েনের পেছনের কারণ সময় হলেই ইরান জানতে পারবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। ইরান যদি বর্তমান নীতিতে পরিবর্তন না আনে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও স্পষ্ট করে জানান তিনি।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুকাবি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে হুমকি দেন, তা বাস্তবায়ন করতেই পরিচিত। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের ঘোষণাকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।

    এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল নৌবহর। এতে আধুনিক যুদ্ধবিমান, রণতরী ও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    ইরানকে লক্ষ্য করে এত বড় সামরিক প্রস্তুতির কারণ জানতে চাইলে মাইক হুকাবি বলেন, “যখন জানার উপযুক্ত সময় আসবে, তখন ইরান নিজেই বুঝে নেবে কেন এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছিল। ওই হামলার আগেও ট্রাম্প প্রশাসন একাধিকবার এমন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছিল।

    হুকাবির ভাষায়, “গত গ্রীষ্মে ইরান কার্যত দেখেছে, ট্রাম্প যা বলেন—তা তিনি করে দেখান।” তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে ইউরেনিয়াম মজুদ বা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না।

    এদিকে, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হলেও মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে তা কঠোরভাবে দমন করা হয়। সে সময় ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। পরিস্থিতি একপর্যায়ে যুদ্ধের কাছাকাছি পৌঁছালেও পরে ট্রাম্প জানান, মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হওয়ায় আপাতত সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    মাইক হুকাবি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে ইরান যদি আবার বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা ফাঁসির আদেশ দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

  • ইরান ইস্যুতে হঠাৎ সুর নরম ট্রাম্পের: সামরিক পদক্ষেপ আপাতত স্থগিত কেন?

    ইরান ইস্যুতে হঠাৎ সুর নরম ট্রাম্পের: সামরিক পদক্ষেপ আপাতত স্থগিত কেন?

    এবিএনএ:  ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনকে কেন্দ্র করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এমন সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে না।

    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিক্ষোভ চলাকালে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সাধারণ মানুষ নিহত হওয়ার বিষয়টি তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের বিচার বিভাগ ৮৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ—এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

    উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে আন্দোলনের সূচনা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা দেশটির প্রায় সব প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধসহ নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনা মোতায়েন করে।

    বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন এবং আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থনের বার্তা দেন। গ্রেপ্তার হওয়া প্রায় ৯০০ আন্দোলনকারীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তিনি প্রকাশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারিও দেন।

    পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক চাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়ার মুখে ইরান সরকার সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখে। তখন এই সিদ্ধান্তের জন্য ইরানকে প্রকাশ্যে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।

  • অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উত্তাল রাজপথ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উত্তাল রাজপথ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। মঙ্গলবার দেশজুড়ে শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও অভিবাসনপন্থি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে তার অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে এক মার্কিন নারীকে গাড়ি থেকে জোরপূর্বক নামানো এবং ৩৭ বছর বয়সী রেনে গুড নিহত হওয়ার ঘটনায় জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটন ডিসি ছাড়াও নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিলের মতো ছোট শহরগুলোতেও শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের বিষয়ে তারা ভোটারদের কাছ থেকে সুস্পষ্ট সমর্থন পেয়েছে। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আইসিই ও অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।

    ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগানে বিক্ষোভ করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে হাই স্কুল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে অংশ নেন।

    ইন্ডিভিজিবল, ৫০৫০১সহ বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন ও তৃণমূল আন্দোলনকারীরা এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। টেক্সাসের এল পাসোর একটি অভিবাসী আটক কেন্দ্রে ছয় সপ্তাহে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। এই বিক্ষোভ এখন সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটলের মতো পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।