Tag: আন্তর্জাতিক রাজনীতি

  • শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌসেনা নিহতের জেরে পাল্টা হামলা: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল লক্ষ্য করে ইরানের অভিযান

    শ্রীলঙ্কা উপকূলে নৌসেনা নিহতের জেরে পাল্টা হামলা: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল লক্ষ্য করে ইরানের অভিযান

    এবিএনএ: শ্রীলঙ্কা উপকূলে সংঘটিত এক হামলায় নিজেদের নৌসেনা নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ‘ইহুদিবাদী শক্তির’ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ২০তম হামলা পরিচালনা করেছে।

    ইরানের দাবি, এই হামলা উৎসর্গ করা হয়েছে শ্রীলঙ্কা উপকূলে একটি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন হামলায় নিহত নৌসেনাদের স্মরণে। ওই ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিশোধের ঘোষণা দেয় তেহরান।

    তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এই অভিযানের মাধ্যমে নিহত নৌসেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। যদিও হামলার লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

    বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    এদিকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে কড়া বার্তা আইআরজিসির: ‘আরও নরকের দরজা খুলবে’

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে কড়া বার্তা আইআরজিসির: ‘আরও নরকের দরজা খুলবে’

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা তীব্রতর হওয়ায় ইরানের সামরিক নেতৃত্ব আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। দেশটির অভিজাত সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) জানিয়েছে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আঘাত আরও জোরদার করা হবে।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, সামনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য আরও কঠিন পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। তার ভাষায়, “শত্রুপক্ষকে ধারাবাহিক ও কঠোর জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।” তিনি ইঙ্গিত দেন, সামরিক অভিযান থামার কোনো লক্ষণ নেই।

    এদিকে তেহরান ইউরোপীয় দেশগুলোকেও সতর্ক করেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলো অংশ নিলে তা সরাসরি যুদ্ধঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে ইরান। তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনও সমন্বিত পদক্ষেপকে আক্রমণাত্মক জোটের অংশ হিসেবেই দেখা হবে।

    ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা মোকাবিলায় সম্ভাব্য “প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা” নেওয়ার কথা উল্লেখ করার পরই তেহরানের পক্ষ থেকে এই সতর্কবার্তা আসে।

    অন্যদিকে সংঘাতে ইরানে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, গত চার দিনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। পরিস্থিতি ক্রমেই মানবিক সংকটের দিকে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি ও সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

  • ইরানে তৃতীয় দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আগুন, এক নজরে ভয়াবহ চিত্র

    ইরানে তৃতীয় দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আগুন, এক নজরে ভয়াবহ চিত্র

    এবিএনএ: ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার তৃতীয় দিনে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। একদিকে ইরানের বিভিন্ন শহরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর মিলছে, অন্যদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা আঘাত চালাচ্ছে তেহরান। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বহু দেশে বিস্ফোরণ, অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

    ইরানের ভেতরের চিত্র

    রাজধানী **তেহরান**সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলার ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আঘাতে বেসামরিক লোকজনের ক্ষতি বেড়েছে। মধ্যাঞ্চলের সানান্দাজ শহরেও হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ।

    উপসাগরীয় দেশগুলোতে বিস্তার

    ভোরের দিকে আবুধাবি ও **দোহা**য় বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়ায়। কাতার আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করছে বলে জানানো হয়েছে। জরুরি নিরাপত্তাজনিত কারণে কাতার এয়ারওয়েজ সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
    এদিকে ওমান উপকূলে একটি তেল ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। কুয়েত-এ মার্কিন দূতাবাসসংলগ্ন এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়; শোধনাগারের কাছে ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও এসেছে। বাহরাইন বন্দর ও শিল্পাঞ্চলে হামলার পর দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

    ইসরায়েল জানিয়েছে, ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্ণ সক্রিয় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানে তাদের সামরিক অভিযান নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এবং ‘দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে’ রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা নেই। মার্কিন পক্ষ হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করে ভবিষ্যতে আরও কঠোর প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

    লেবানন, সিরিয়া ও জর্ডানে উত্তাপ

    সংঘাতের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে লেবানন-এর রাজধানী **বৈরুত**সহ বিভিন্ন এলাকায়; বিমান হামলায় বহু হতাহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। **সিরিয়া**তে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বেসামরিকরা আহত হয়েছেন। জর্ডান আকাশসীমা আংশিকভাবে বন্ধ করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

    ভূমধ্যসাগরে নতুন মাত্রা

    ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস-এ অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার খবর মিলেছে। রয়্যাল এয়ার ফোর্স পরিচালিত আক্রোতিরি ঘাঁটির আশপাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় সীমিত ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের পরিধি দ্রুত বাড়ছে এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে উঠছে। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ।

  • ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত

    ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত

    এবিএনএ: ইরানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান মাহমুদ আহমেদিনেজাদ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত একটি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে জানা গেছে। তেহরানের একটি লক্ষ্যবস্তুতে চালানো এ হামলায় তাঁর মৃত্যু ঘটে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্র দাবি করেছে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, হামলা তেহরানের নারমাক এলাকার কাছে তাঁর আবাসস্থলকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল, যেখানে তিনি ক্ষমতা ছাড়ার পর নিয়মিত বসবাস করছিলেন। হামলায় তাঁর নিরাপত্তা টিমের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছে। যদিও ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ এখনও এ তথ্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কি ঘোষণা দিয়েছে তা নিশ্চিত নয়।

    আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আন্তর্জাতিক মঞ্চে পশ্চিমা শক্তি, বিশেষ করে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর অবস্থানের জন্য সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর শাসনামলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

    তার প্রেসিডেন্সির দ্বিতীয় মেয়াদে পরিচালিত ২০০৯ সালের নির্বাচন নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল এবং নির্বাচন পরবর্তী আম হলে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। ইরানজুড়ে সেই সময় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার এক পর্যায়ে এমন একটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের মৃত্যুর সংবাদটি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে বিস্ময় ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ঐতিহাসিকভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম এ অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন।

  • তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: খামেনির সুরক্ষিত কমপাউন্ড ধ্বংস, স্যাটেলাইট ছবিতে বিধ্বস্ত চিত্র

    তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: খামেনির সুরক্ষিত কমপাউন্ড ধ্বংস, স্যাটেলাইট ছবিতে বিধ্বস্ত চিত্র

    এবিএনএ: তেহরানে চালানো সাম্প্রতিক হামলার পর স্যাটেলাইট ছবিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের আবাসিক এলাকার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর সুরক্ষিত কমপাউন্ডের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে এবং চারপাশে পোড়া দাগ রয়েছে—যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়।

    পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরানের পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই ভোররাতে শুরু হওয়া অভিযানে তেহরানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ অন্তত ৩০টির বেশি স্থানে আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও কয়েকজন মন্ত্রীর আবাসিক এলাকার কাছেও হামলা হয়েছে।

    ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, তেহরানের শেমিরান এলাকায় প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের আশপাশ ও খামেনির কমপাউন্ডের নিকটে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এপি-এর প্রতিবেদনে খামেনির দপ্তরের আশপাশে বিস্ফোরণের তথ্যও উঠে এসেছে।

    বর্তমানে খামেনির অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁকে তেহরানের বাইরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাঁর জানা অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা জীবিত আছেন। সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • রক্তাক্ত ভোর ইরানে: ৩১ প্রদেশের ২০টির বেশি অঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ, শিশু নিহতের খবরে শোক

    রক্তাক্ত ভোর ইরানে: ৩১ প্রদেশের ২০টির বেশি অঞ্চলে ধ্বংসযজ্ঞ, শিশু নিহতের খবরে শোক

    এবিএনএ: ভোরের আলো ফোটার আগেই ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে জনপদ। শনিবার শুরু হওয়া সমন্বিত সামরিক অভিযানে দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২০টির বেশি এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। ইরানের উদ্ধারকারী সংস্থা ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বহু স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

    দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বহু শিশুর প্রাণহানির খবর দেশজুড়ে গভীর শোকের আবহ তৈরি করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়াদের উদ্ধারে রেড ক্রিসেন্টের দলগুলো কাজ করছে।

    রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যেসব স্থাপনা থেকে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে বা সহায়তা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে তেহরান বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করবে। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে ইরান প্রস্তুত।

    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র জানান, রাজধানী তেহরানসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক প্রদেশে একযোগে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারীরা অনেক এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    দীর্ঘদিন ধরে চলা ইরান ও ইসরাইলের ‘ছায়াযুদ্ধ’ এবার প্রকাশ্য সংঘাতে রূপ নিয়েছে। তেহরান থেকে পাল্টা জবাবের কড়া বার্তা আসার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ও তাদের মিত্রদের সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

  • ইরানে হামলা নিয়ে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের: উত্তেজনা কমাতে সংলাপে ফেরার আহ্বান

    ইরানে হামলা নিয়ে কড়া বার্তা বেইজিংয়ের: উত্তেজনা কমাতে সংলাপে ফেরার আহ্বান

    এবিএনএ:ইরানে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়ার ঢেউ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে বেইজিং থেকে জানানো হয়েছে, সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে সংযম দেখাতে হবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দেশটির অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়—ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সম্মান করা আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পরমাণু ইস্যুতে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই ভোররাতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। অভিযানে রাজধানী তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে সংলাপ পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানায় বেইজিং।

    ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইরানও পাল্টা জবাব দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার খবর আসে। কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল দাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা জানানো হয়। এসব ঘটনায় পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

    এদিকে, এই সংঘাতের নিন্দা জানিয়ে রাশিয়া পরিস্থিতিকে দ্রুত রাজনৈতিক সমাধানের পথে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছে। মস্কোর মতে, সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—ঘটনার নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে।

    ইউরোপীয় পর্যায়েও উদ্বেগের সুর শোনা যাচ্ছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ উত্তেজনা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলছে। কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ইরানে আগে আঘাত ইসরাইলের—তাতে যুক্তরাষ্ট্রের লাভ? ট্রাম্প উপদেষ্টাদের কৌশল ফাঁস

    ইরানে আগে আঘাত ইসরাইলের—তাতে যুক্তরাষ্ট্রের লাভ? ট্রাম্প উপদেষ্টাদের কৌশল ফাঁস

    এবিএনএ: ইরানকে লক্ষ্য করে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ইসরাইল যেন প্রথম আঘাত হানে—এমন কৌশল নিয়ে আলোচনা চলছে ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ঘনিষ্ঠ মহলে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো-র বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের একটি অংশ মনে করছে, ইসরাইল আগে হামলা করলে পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র-এর জড়ানো রাজনৈতিকভাবে তুলনামূলক সুবিধাজনক হবে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলার জবাবে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। সে ক্ষেত্রে মিত্রদেশের পাশে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযানে গেলে দেশটির ভেতরে জনসমর্থন আদায় সহজ হবে—এমন হিসাব কষছেন ট্রাম্প শিবিরের কিছু নীতিনির্ধারক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আগে ইসরাইল আঘাত হানলে ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দেওয়া তুলনামূলক সহজ হবে।

    পলিটিকোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান ইস্যুতে আলোচনার প্রক্রিয়া চললেও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে আশঙ্কা—শেষ পর্যন্ত সামরিক সংঘাত এড়ানো নাও যেতে পারে। সম্ভাব্য দৃশ্যপটে তেহরানে যৌথভাবে মার্কিন-ইসরাইল হামলার কথাও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

    এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রসঙ্গে বিশ্লেষকেরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন—ইরাক আক্রমণের পর থেকে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও সামরিক সম্পদ সবচেয়ে বেশি মোতায়েন রয়েছে। এমন অবস্থায় নতুন করে সংঘাত ছড়ালে তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে।

    প্রতিবেদনে উদ্বেগের জায়গাটিও তুলে ধরা হয়েছে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন অস্ত্র ও মনোযোগ ব্যস্ত হয়ে পড়লে চীন সুযোগ নিয়ে তাইওয়ান ইস্যুতে আগ্রাসী অবস্থান নিতে পারে। পাশাপাশি, ইরানে বড় পরিসরে হামলা হলে তেহরান নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী পাল্টা আঘাত হানতে পারে, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা ও স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

    একাধিক সূত্র বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানো হলে তা শুধু ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে। ফলে ট্রাম্প শিবিরের ভেতরে “আগে ইসরাইল, পরে যুক্তরাষ্ট্র”—এই কৌশল নিয়ে আলোচনা থাকলেও বাস্তবতায় তা কতটা এগোয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

  • ইরানে হামলার প্রস্তুতি? মার্কিন অনুরোধে না বলল লন্ডন:ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সবুজ সংকেত দেয়নি ব্রিটেন

    ইরানে হামলার প্রস্তুতি? মার্কিন অনুরোধে না বলল লন্ডন:ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সবুজ সংকেত দেয়নি ব্রিটেন

    এবিএনএ: ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুরোধ জানালেও লন্ডন তা নাকচ করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবে সম্মতি দেননি বলে জানা গেছে। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন—এমন খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ

    ওয়াশিংটনের প্রস্তাব ছিল দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছাকাছি অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ঘাঁটি ব্যবহার করার। তবে ব্রিটিশ সরকারের আশঙ্কা—এতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থা অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে—এমন অভিযোগও করেন তিনি। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, প্রস্তাবিত ঘাঁটি থেকে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকতে পারে।

    ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী, কোনো মিত্র দেশের সামরিক অভিযানে সহযোগিতা করলে নির্দিষ্ট শর্তে দায় ভাগাভাগির প্রশ্ন আসে। তবে উল্লিখিত ঘাঁটি ব্যবহার হলে অভিযানের বিস্তারিত আগাম জানার বাধ্যবাধকতা নাও থাকতে পারে—এই অনিশ্চয়তাই লন্ডনের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত।

    এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বেড়েছে। অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে। সিএনএনসিবিএস নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে—তবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যাবেন কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও স্পষ্ট নয়।

  • গোপন পারমাণবিক পরীক্ষার অভিযোগ উড়িয়ে দিল রাশিয়া—চীনের নাম জড়ানোয় উত্তপ্ত কূটনীতি

    গোপন পারমাণবিক পরীক্ষার অভিযোগ উড়িয়ে দিল রাশিয়া—চীনের নাম জড়ানোয় উত্তপ্ত কূটনীতি

    এবিএনএ: গোপনে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগকে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে রাশিয়া। ক্রেমলিন জানিয়েছে, রাশিয়া কিংবা চীন—কেউই গোপন কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র-এর পক্ষ থেকে তোলা অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে মস্কো।

    বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেন, নির্দিষ্ট কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করে রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তবে বাস্তবে এ ধরনের কোনো গোপন পরীক্ষা হয়নি। তিনি আরও জানান, এই অভিযোগ আগেই চীন প্রত্যাখ্যান করেছে।

    এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ওয়াশিংটন দাবি করে, ২০২০ সালে চীন গোপনে একটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে। একই সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নতুন ও আরও বিস্তৃত চুক্তির প্রস্তাব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সেই চুক্তিতে রাশিয়ার পাশাপাশি চীনকেও যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

    নতুন চুক্তি প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংকে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, এটি নিউ স্টার্ট চুক্তি-এর বিকল্প কাঠামো হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে চালু থাকা এই অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ চলতি মাসের শুরুতে শেষ হওয়ায় বৈশ্বিক পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ফের বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

    এদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চীনের বিরুদ্ধে পারমাণবিক পরীক্ষার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, ২০২০ সালে চীন এমন এক ধরনের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যা ভূকম্পন যন্ত্রে সহজে ধরা পড়ে না। তবে বেইজিং এই বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বড় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক চাপ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আরও তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে।