Tag: আন্তর্জাতিক খবর

  • দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন আঘাত, বাংলাদেশিসহ আহত ৪—তবু স্বাভাবিক রয়েছে ফ্লাইট চলাচল

    দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন আঘাত, বাংলাদেশিসহ আহত ৪—তবু স্বাভাবিক রয়েছে ফ্লাইট চলাচল

    এবিএনএ: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর একটি Dubai International Airport–এর কাছাকাছি এলাকায় দুটি ড্রোন আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশিসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    বুধবার (১১ মার্চ) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানায়, ড্রোনের আঘাতে তিনজন ব্যক্তি হালকা আহত হয়েছেন এবং একজন মাঝারি মাত্রার আঘাত পেয়েছেন। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    খবরে বলা হয়েছে, আহত চারজনের মধ্যে দুইজন ঘানার নাগরিক, একজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

    তবে এই ঘটনার পরও Dubai–এর প্রধান বিমানবন্দরটির কার্যক্রমে বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান ওঠানামা স্বাভাবিকভাবেই চলছে এবং যাত্রীসেবাও বন্ধ হয়নি।


    এর আগেও ঘটেছিল ড্রোন হামলা

    এর আগে গত ৭ মার্চ দুবাইয়ে আরেকটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। সে সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়।

    তবে ওই ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ মাটিতে পড়ে এক প্রবাসী পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হন বলে জানা যায়।


    আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব

    মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি Iran–এ সামরিক অভিযান শুরু করে IsraelUnited States। পরবর্তীতে এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করে।

    এই আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ইরানের ড্রোন হামলায় আবু ধাবির শিল্পাঞ্চলে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায়

    ইরানের ড্রোন হামলায় আবু ধাবির শিল্পাঞ্চলে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায়

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী Abu Dhabi-তে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পর শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    ফরাসি সংবাদ সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি)-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ইরানের একটি ড্রোন আঘাত হানে আবু ধাবির Ruwais Industrial City এলাকায়। এতে শিল্পাঞ্চলের একটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।

    আবু ধাবির সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয় জানিয়েছে, হামলার পরপরই দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ জানায়, ড্রোনের আঘাতে শিল্পাঞ্চলের একটি স্থাপনায় আগুন লাগে। আগুন নেভাতে দমকলকর্মীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    তবে এই হামলায় জ্বালানি অবকাঠামো বা গুরুত্বপূর্ণ শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ।

    অন্যদিকে UAE Ministry of Defence জানিয়েছে, মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বেশিরভাগ হামলাই প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পর থেকে ইরানি বাহিনী নিয়মিতভাবে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট স্বার্থকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব হামলার প্রভাব পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে।

    এ ধরনের হামলার ফলে Qatar, Kuwait, United Arab Emirates এবং Bahrain-এ হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি প্রবাসীও রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে, যা গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

  • ইরানের হামলায় ধ্বংস ৩০ কোটি ডলারের মার্কিন রাডার ব্যবস্থা, মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ

    ইরানের হামলায় ধ্বংস ৩০ কোটি ডলারের মার্কিন রাডার ব্যবস্থা, মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। প্রায় ৩০ কোটি ডলার মূল্যের এই রাডারটি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বলে জানা গেছে।

    মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে স্থাপিত যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সংঘাতের শুরুর দিকেই ওই স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে এক মার্কিন কর্মকর্তা এই ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই রাডার ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অঞ্চলে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামসহ বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় এসব ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।

    সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য বলছে, থাড ব্যবস্থার প্রতিটি ব্যাটারির মোট মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে কেবল রাডার ব্যবস্থার জন্যই ব্যয় হয় প্রায় ৩০ কোটি ডলার।

    আমিরাত, কুয়েত ও ইসরায়েলে ড্রোন হামলার দাবি

    এদিকে আঞ্চলিক যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়ানোর মধ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের নৌবাহিনী।

    ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবারের অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি, কুয়েতের একটি মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

    পরে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করে, আমিরাতের আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতেও তারা হামলা চালিয়েছে। এতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আকাশযুদ্ধ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা, আগাম সতর্কীকরণ রাডার এবং ফায়ার কন্ট্রোল রাডারের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এরপর থেকেই ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল ও ওই অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হানছে।

  • যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে জাহাজ, পৌঁছাতে পারে ১৪ মার্চ

    যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে জাহাজ, পৌঁছাতে পারে ১৪ মার্চ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে একটি কার্গো জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ ও ‘ফোর্স ম্যাজেউর’ ঘোষণা করার পর এটিই কাতারের প্রথম এলএনজি চালান বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার থেকে ছেড়ে আসা এই জাহাজটি তার সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের নাম সংকেত পাঠিয়েছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই চালানটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারে।

    জাহাজ ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার কাতারের এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র থেকে একটি ট্যাঙ্কার যাত্রা শুরু করে। জাহাজটির পানির নিচের অংশের গভীরতা বা ড্রাফট লেভেল বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘লেব্রেথাহ’ নামের ট্যাঙ্কারটি কাতারের রাস লাফান এলএনজি রপ্তানি টার্মিনাল ছেড়ে যাত্রা শুরু করেছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে এটি আগামী ১৪ মার্চ বাংলাদেশের কোনো টার্মিনালে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজেও এলএনজি লোড করা হয়েছিল। তবে সেটি এখনো পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব জাহাজ শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি সরবরাহ যে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, চলমান সংঘাতের কারণে সেই রুট কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ‘লেব্রেথাহ’ জাহাজটি আপাতত ভাসমান গুদাম হিসেবেও ব্যবহার করা হতে পারে।

    এর আগে ইরানের ড্রোন হামলার ঘটনার পর কাতার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। সেই ঘটনার আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। তবে এসব চালান বা গন্তব্য নিয়ে কাতারএনার্জির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা চরমে: ২৭৪ তালেবান নিহত ও ৭৩ চৌকি ধ্বংসের দাবি ইসলামাবাদের

    পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা চরমে: ২৭৪ তালেবান নিহত ও ৭৩ চৌকি ধ্বংসের দাবি ইসলামাবাদের

    এবিএনএ: পাকিস্তান-আফগান সীমান্তে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ নিয়ে বড় ধরনের দাবি করেছে পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর। শুক্রবার ইসলামাবাদে এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে ২৭৪ জন আফগান তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ৭৩টি চৌকি ধ্বংস ও ১৭টি চৌকি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করা হয়।

    তার বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযানে আফগান বাহিনীর চার শতাধিক সদস্য আহত হয়েছেন এবং অন্তত ১১৫টি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান ও কামান অচল করা হয়েছে। অপরদিকে আফগানিস্তান থেকে চালানো হামলায় পাকিস্তানের ১২ সেনা নিহত হয়েছেন বলেও তিনি জানান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সীমান্তে অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

    সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এলাকা হিসেবে উঠে এসেছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাজাউর সীমান্ত অঞ্চল। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে, অনেক স্থানে স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর মিলেছে।

    এদিকে কাবুলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা সংঘাত বাড়াতে চায় না। আফগান সরকারের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, পাকিস্তান আগ্রাসন চালালে আফগানিস্তান পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম। তার ভাষ্য, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের মাধ্যমে তারা ‘বার্তা’ দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ইস্যুকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বিষয়টি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

    দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ না নিলে এই উত্তেজনা বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

  • ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন কারাবন্দি ইমরান খান

    ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন কারাবন্দি ইমরান খান

    এবিএনএ: পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে আটক সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তির বড় অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া মেডিকেল টিমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে তার দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত, অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ।

    চিকিৎসার আবেদন জানিয়ে সম্প্রতি আইনজীবী সালমান সাফদারের মাধ্যমে আদালতে আবেদন করেন ইমরান খান। আবেদন আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত আদিয়ালা কারাগারে একটি বিশেষ মেডিকেল টিম পাঠানোর নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে সালমান সাফদারকেও ওই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    কারাগারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রক্ত জমাট বাঁধা সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছিলেন ইমরান খান। এই সমস্যার চিকিৎসা শুরুর পর থেকেই তার চোখের সমস্যা বাড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি দ্রুত কমে গিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    মেডিকেল প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিক সাধারণত শারীরিক অসুস্থতার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে খুব একটা অভিযোগ করতেন না। তবে চোখে সমস্যা শুরু হওয়ার পর তিনি একাধিকবার বিষয়টি জানান। অভিযোগ রয়েছে, শুরুতে কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবরের পর থেকেই ইমরান খানের চোখে জটিলতা দেখা দেয়। আইনজীবী সালমান সাফদার জানান, সাক্ষাতের সময় ইমরান খানের চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছিল এবং বারবার টিস্যু দিয়ে মুছতে হচ্ছিল।

    আইনজীবীর অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক সময় সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন ইমরান খান।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসেন সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান। পরবর্তীতে সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে রাজনৈতিক সংকটে পড়েন তিনি। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একাধিক মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০২৩ সাল থেকে আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

  • নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির সাজা বাড়ল! ইরানে ফের ছয় বছরের কারাদণ্ড ও নির্বাসনের আদেশ

    নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির সাজা বাড়ল! ইরানে ফের ছয় বছরের কারাদণ্ড ও নির্বাসনের আদেশ

    এবিএনএ: ইরানে মানবাধিকার আন্দোলনের পরিচিত মুখ ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত নার্গিস মোহাম্মাদির বিরুদ্ধে নতুন করে কারাদণ্ড ঘোষণা করেছে দেশটির আদালত। রোববার দেওয়া রায়ে তাকে ছয় বছরের কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে বলে তার আইনজীবীর বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়।

    আইনজীবী মোস্তাফা নিলি জানান, ‘অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সমাবেশে অংশগ্রহণ ও যোগসাজশের’ অভিযোগে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দুই বছর তিনি দেশ ছাড়তে পারবেন না—এমন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

    এতেই শেষ নয়, আলাদা মামলায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা’ ছড়ানোর অভিযোগে মোহাম্মাদির আরও দেড় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই বছরের জন্য ইরানের পূর্বাঞ্চলের সাউথ খোরাসান প্রদেশের খোসফ শহরে নির্বাসনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ২০২৩ সালে মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান নার্গিস মোহাম্মাদি। ইরানে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ ও নারীদের বাধ্যতামূলক পোশাকবিধির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে বছরের পর বছর মামলা-মোকদ্দমা ও কারাবরণের মুখে পড়তে হয়েছে।

    গত দশকের বড় একটি সময় তিনি কারাগারেই কাটিয়েছেন। ২০১৫ সালের পর থেকে প্যারিসে থাকা তার যমজ সন্তানের সঙ্গে দেখা করতেও পারেননি এই মানবাধিকারকর্মী। আন্তর্জাতিক মহলে তার সাজা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

  • ইসলামাবাদের শিয়া মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, প্রাণ গেল ৩১ জনের—আহত শতাধিক

    ইসলামাবাদের শিয়া মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, প্রাণ গেল ৩১ জনের—আহত শতাধিক

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৬৯ জন। শুক্রবার জুমার নামাজ চলাকালে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা, মুহূর্তেই রক্তাক্ত হয়ে পড়ে উপাসনালয়টি।

    নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আত্মঘাতী হামলাকারী মসজিদের প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করা হলে সে নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক সক্রিয় করে।

    পুলিশের ধারণা, পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি)-সংশ্লিষ্ট কোনো জঙ্গি এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি।

    ইসলামাবাদ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহতদের দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মসজিদের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা মরদেহ ও ভাঙা কাচের জানালা দেখা গেছে।

    এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

    উল্লেখ্য, অতীতেও ইসলামাবাদসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ এই হামলা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

  • ট্রাম্পের প্রকাশিত তালিকায় চমক: যুক্তরাষ্ট্রে অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি পরিবার নির্ভর করছে সরকারি সহায়তায়

    ট্রাম্পের প্রকাশিত তালিকায় চমক: যুক্তরাষ্ট্রে অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশি পরিবার নির্ভর করছে সরকারি সহায়তায়

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর অর্ধেকের বেশি সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল—এমন তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশিত এক তালিকায়। এতে দেখা যায়, দেশটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি পরিবারের ৫৪ শতাংশেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে।

    স্থানীয় সময় রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের অভিবাসী পরিবার নিয়ে এ তালিকা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশের নাম থাকলেও ভারতের নাম অন্তর্ভুক্ত না থাকায় বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেন ভারতের তথ্য রাখা হয়নি, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    যুক্তরাষ্ট্র সরকার অভিবাসী পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা এবং বাসাভাড়া সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সহায়তা দিয়ে থাকে।

    প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, সহায়তা গ্রহণের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ভুটানের অভিবাসী পরিবার—যাদের ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ সরকারি সহায়তা পায়। এরপর রয়েছে ইয়েমেন (৭৫ দশমিক ২ শতাংশ) এবং সোমালিয়া (৭১ দশমিক ৯ শতাংশ)।

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি পরিবারগুলোই সবচেয়ে বেশি সহায়তা গ্রহণ করছে। এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের মধ্যে আফগানিস্তানের অভিবাসী পরিবারের ৬৮ দশমিক ১ শতাংশ, পাকিস্তানের ৪০ দশমিক ২ শতাংশ এবং নেপালের ৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার সরকারি সহায়তা পাচ্ছে বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • মাঝ-আকাশেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: যুক্তরাষ্ট্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই উড়োজাহাজ, নিহত পাইলট

    মাঝ-আকাশেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডি: যুক্তরাষ্ট্রে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই উড়োজাহাজ, নিহত পাইলট

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে মাঝ আকাশে ভয়াবহ উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। হ্যামন্টন মিউনিসিপ্যাল বিমানবন্দরের ওপর আকাশে দুটি ছোট উড়োজাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন পাইলট প্রাণ হারিয়েছেন এবং অপরজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সংঘর্ষের পর একটি উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুত পাক খেতে খেতে নিচে পড়ে যায় এবং আগুন ধরে যায়। পরে উদ্ধারকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় জড়িত উড়োজাহাজ দুটি ছিল এনস্ট্রম এফ-২৮এ এবং এনস্ট্রম ২৮০সি মডেলের। প্রতিটি উড়োজাহাজে কেবল একজন করে পাইলট ছিলেন। দুর্ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং অপর পাইলটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    দুর্ঘটনাস্থলের কাছের একটি ক্যাফের মালিক সাল সিলিপিনো জানান, নিহত ও আহত দুই পাইলটই নিয়মিত তার ক্যাফেতে আসতেন। তিনি বলেন, “আমি নিজেই তাদের উড্ডয়ন করতে দেখেছি। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি উড়োজাহাজ ঘুরতে শুরু করে, তারপর আরেকটিও নিয়ন্ত্রণ হারায়। মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ।”

    হ্যামন্টনের বাসিন্দা ড্যান ডেমশেক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তিনি জিম থেকে বের হওয়ার সময় বিকট শব্দ শুনে আকাশের দিকে তাকান এবং উড়োজাহাজ দুটিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘুরতে দেখেন।

    প্রায় ১৫ হাজার জনসংখ্যার শহর হ্যামন্টন নিউ জার্সির আটলান্টিক কাউন্টিতে অবস্থিত, যা ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

    এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে এফএএ ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাইলটদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং তারা একে অপরকে সময়মতো দেখতে পেয়েছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাবে।