Tag: আন্তর্জাতিক খবর

  • ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    ব্রিটিশ রাজনীতিতে বড় ধাক্কা! পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিয়ার স্টারমার। ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে তিনি ইতোমধ্যে নিজের পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

    রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়তে পারেন স্টারমার। তবে তিনি নিজের সুবিধাজনক সময় ও শর্ত অনুযায়ীই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চান।

    প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন স্টারমার। তাই মর্যাদা বজায় রেখেই সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    এদিকে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সমালোচনার কারণে সরকারের জনপ্রিয়তা কমে গেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

    পিটার মেন্ডেলসনকে ঘিরে বিতর্ক এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার অতীত যোগাযোগের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় আসে। একই সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবিও স্টারমারের নেতৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় অভ্যন্তরীণ চাপ ও জনসমর্থন কমে যাওয়ায় স্টারমারের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে তার পদত্যাগ এখন ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

  • মালয়েশিয়ার ভাসমান গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই হাজারের বেশি ঘর—উদ্বাস্তু ৯ হাজার মানুষ

    মালয়েশিয়ার ভাসমান গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই হাজারের বেশি ঘর—উদ্বাস্তু ৯ হাজার মানুষ

    এবিএনএ: মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের সানদাকান শহরের একটি ভাসমান গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ৯ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টা ৩২ মিনিটে উপকূলীয় এলাকার কামপুং বাহাগিয়া নামের ভাসমান গ্রামটিতে আগুন লাগে। জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত দেড়টার দিকে ঘটনাটি জানা যায় এবং ভোর ৪টার দিকে এলাকাটিকে দুর্যোগপূর্ণ ঘোষণা করা হয়।

    দমকল বিভাগ জানায়, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অগ্নিনির্বাপক সদস্যদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় অনেক ঘরবাড়ি মুহূর্তেই পুড়ে যায়। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকাটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০টি ঘর ছিল। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৯ হাজারের বেশি বাসিন্দা নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলোর বেশিরভাগই বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

    ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রাণহানির খবর ছড়িয়ে পড়লেও তা নাকচ করেছে পুলিশ। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। কিছু মানুষ নিজেদের জিনিসপত্র উদ্ধার করতে গিয়ে অথবা অন্যদের সহায়তা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি সহায়তা ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দমকল বিভাগ, বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালাচ্ছে। আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কেন্দ্রীয় সরকার ও সাবাহ রাজ্য সরকার যৌথভাবে কাজ করছে এবং দ্রুত পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    এবিএনএ: মাত্র ৪০ দিনের সংঘাতে ইরানের বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, শিল্পকারখানা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ফলে দেশটির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকার সমান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে বহু বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প এলাকা, সেতু এবং বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন।

    ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ড জানান, সংঘাতে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ আবাসিক বাড়ি রয়েছে, যেগুলোর কিছু আংশিক এবং কিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে— ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জরুরি ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা খাতেও ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৮৫৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি রেডক্রসের ২০টি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমানবন্দর ও বেসামরিক বিমান অন্তর্ভুক্ত। বেসামরিক অবকাঠামোর পাশাপাশি সামরিক স্থাপনাগুলোরও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ইরানের চারটি বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র— খোজির, পারচিন, হাকিমিয়েহ ও শারাউদ— গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রেও আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের অভিযোগে ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, তেল সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের অভিযোগে ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, তেল সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজ থেকে টোল আদায়ের অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, অচিরেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

    বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। প্রথম পোস্টে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে ইরান টোল নিচ্ছে— এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ইরানকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং যদি টোল আদায় শুরু হয়ে থাকে, তা অবিলম্বে বন্ধ করার কথা বলেন।

    পরবর্তী পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের সঙ্গে ইরানের আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং অসম্মানজনক। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি সমঝোতার মধ্যে এমন কোনো শর্ত ছিল না।

    তৃতীয় পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান সহযোগিতা করুক বা না-ই করুক— হরমুজ প্রণালিতে তেলের প্রবাহ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

    এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত ইউনিট ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোকে আগাম টোল দিতে হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্রিপ্টোকারেন্সি অথবা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।

    অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে ইরানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেলবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেল তেলের বিপরীতে ১ ডলার করে টোল নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বৈশ্বিক তেলবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

  • ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান: পাইলট উদ্ধারে ব্যর্থ চেষ্টা, উত্তেজনা বাড়াচ্ছে সংঘাত

    ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমান: পাইলট উদ্ধারে ব্যর্থ চেষ্টা, উত্তেজনা বাড়াচ্ছে সংঘাত

    এবিএনএ:  মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ইরানে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক অভিযান চালালেও তা এখন পর্যন্ত সফল হয়নি বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে ইরানের বিপ্লবী গার্ড একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে। তবে প্রকাশিত ধ্বংসাবশেষের ছবির ভিত্তিতে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, সেটি আসলে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান হতে পারে।

    এই ঘটনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। অন্যদিকে তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ভূপাতিত বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনী বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে পাইলট জীবিত নাকি নিহত—এ বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    ঘটনাস্থলের আকাশে নজরদারি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। উদ্ধার অভিযানে একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার এবং সি-১৩০ হারকিউলিস ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু ইরানি বাহিনীর বাধার কারণে হেলিকপ্টারটি পিছু হটতে বাধ্য হয়।

    তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি সেনাদের সক্রিয় প্রতিরোধের কারণে উদ্ধার অভিযান এখনো ব্যর্থ রয়েছে এবং পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে।

    উল্লেখ্য, এর আগেও গত মার্চ মাসে একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। তবে সে সময় পাইলট দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে জরুরি অবতরণ করে প্রাণে রক্ষা পান।

    বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

  • হরমুজ প্রণালি খুলতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র—ট্রাম্পের দাবি, তবে লাগবে কিছুটা সময়

    হরমুজ প্রণালি খুলতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র—ট্রাম্পের দাবি, তবে লাগবে কিছুটা সময়

    এবিএনএ:  বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথটি পুনরায় পুরোপুরি সচল করা তাদের জন্য কঠিন নয়, তবে এতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে।

    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “আর কিছুটা সময় পেলেই আমরা সহজেই হরমুজ খুলে দিতে পারব। তখন এখান থেকে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

    অন্যদিকে, সামুদ্রিক বিশ্লেষক সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার এই পথ দিয়ে ১৬টি জাহাজ অতিক্রম করেছে, যা টানা কয়েকদিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

    সংস্থাটি আরও জানায়, এসব জাহাজ ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে চলাচল করছে এবং তারা লারাক দ্বীপ সংলগ্ন রুট ব্যবহার করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিভিন্ন দেশ নিজেদের জাহাজ নিরাপদে চালাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা জোরদার করছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আরও বাড়তে পারে। তবে বর্তমানে যে পরিমাণ জাহাজ চলাচল হচ্ছে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম।

    বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব অপরিসীম। ফলে এই রুটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নজর রয়েছে।

  • মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়েছে IranIsrael। শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের একাধিক অঞ্চলে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

    Israel Defense Forces (আইডিএফ) জানিয়েছে, অন্তত পাঁচ দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এসব হামলার সময় রাজধানী Jerusalemসহ মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়।

    সামরিক সূত্রের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। সর্বশেষ হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে। আইডিএফ জানায়, নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত হানতে দেওয়া হয়।

    একই সময় লেবানন সীমান্ত থেকেও উত্তর ইসরায়েলের দিকে একাধিক রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও বেশ কয়েকটি খোলা জায়গায় গিয়ে পড়ে।

    আইডিএফ আরও জানায়, নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সংকেত পাওয়ার পর উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়। এছাড়া শফেলা অঞ্চল এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকাতেও সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও এই ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • ‘পৃথিবীর কোথাও আর নিরাপদ নও’—ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

    ‘পৃথিবীর কোথাও আর নিরাপদ নও’—ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর হুঁশিয়ারি, বাড়ছে যুদ্ধের উত্তাপ

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারিতে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে বিশ্বের কোনো স্থানই ইসরাইলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের জন্য নিরাপদ থাকবে না।

    শুক্রবার (২০ মার্চ) ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল আবুল ফজল শেকারচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, ইরানের কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে শত্রুপক্ষের ব্যক্তিরা বিশ্বের যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব। এমনকি পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র কিংবা পর্যটন এলাকাও তাদের জন্য নিরাপদ নয় বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    সম্প্রতি ইসরাইলের ধারাবাহিক বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে এক বড় ধরনের হামলায় দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রাণ হারান।

    এরপর একাধিক হামলায় দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও নিহত হন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আলি লারিজানি, বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেমানি এবং গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিব।

    সবশেষ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি নিহত হয়েছেন। এসব হামলার জবাব হিসেবেই তেহরান এবার কঠোর বার্তা দিয়েছে।

    পরমাণু ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। এরপর থেকে পাল্টাপাল্টি হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইরান ইতোমধ্যে ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

    চলমান এই সংঘাত এখন রক্তক্ষয়ী রূপ নিয়েছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্টের তথ্যমতে, হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে নিহতের সংখ্যা ১,৪৪৪ জন ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ২০৪ জন শিশু রয়েছে। অন্যদিকে লেবাননেও ইসরাইলি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা এক হাজারের বেশি বলে জানা গেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুমকি ও হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান—কঠোর বার্তা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান—কঠোর বার্তা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স, ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে।

    জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা কমানো ও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়। কিন্তু তেহরান সেই উদ্যোগে সাড়া দেয়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ইরানের নতুন নেতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যতক্ষণ না তাদের বিরুদ্ধে চালানো হামলার দায় স্বীকার করে, পরাজয় মেনে নেয় এবং ক্ষতিপূরণ দেয়, ততক্ষণ কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।

    তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রথম বৈঠকেই মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

    এদিকে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা টানা তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে, আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

    জবাবে ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে তেল পরিবহন বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

    এর আগে গত সপ্তাহেও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেয়। তবে সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয় বলে জানা গেছে।

    অন্যদিকে, ইসরাইল দাবি করেছে—তাদের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন। যদিও এসব দাবির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।

    পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

  • দুবাই বিমানবন্দর ও ফুজাইরাহ তেল বন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা, উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন উত্তেজনা

    দুবাই বিমানবন্দর ও ফুজাইরাহ তেল বন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা, উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন উত্তেজনা

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ তেল বন্দর ও দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে নতুন করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সঙ্গে যুক্ত এই হামলার ঘটনাকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১৬ মার্চ) দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে ড্রোন-সংক্রান্ত একটি ঘটনার পর সেখানে আগুনের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

    একই সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ফুজাইরাহ বন্দরের তেল শিল্প এলাকায়ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর সেখানে আগুন লাগে বলে জানা গেছে। ফুজাইরাহ অঞ্চলটি দেশটির অন্যতম বড় তেল সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত।

    এদিকে রাজধানী আবুধাবির উপকণ্ঠে আল বাহিয়া এলাকায় একটি গাড়িতে রকেট হামলায় একজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় মিডিয়া অফিস জানিয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। এরই মধ্যে তেহরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে ১,৯০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

    তবে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, সোমবার তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ২১টি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরুর পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এটি তৃতীয়বারের মতো ড্রোন হামলার ঘটনা। উল্লেখ্য, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।

    এই হামলার কারণে কিছু ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে এবং কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তিতে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

    ফুজাইরাহ বন্দর ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্ব উপকূলে ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত। ফলে এখানকার জাহাজগুলোকে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে হয় না, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের ক্ষেত্রে বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।