Blog

  • ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বায়োমেট্রিক না করলে সিম বন্ধ

    ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বায়োমেট্রিক না করলে সিম বন্ধ

    এবিএনএ : ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রি-রেজিস্ট্রেশন না করলে সিমকার্ড বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিদের এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রি-রেজিস্ট্রেশন না করলে সিমকার্ড বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবে পরবর্তীতে রি-রেজিস্ট্রেশন করলে তা ফের খুলে দেওয়া হবে।

    জনগণকে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তার ব্যবহৃত মোবাইলের সিম কার্ডটি তিনি বায়োমেট্টিক পদ্ধতিতে রি-ভেরিফিকেশন করে নেবেন, জানান অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। তারানা হালিম বলেন, দেশে ৯ হাজারেরও বেশি ডাকঘর রয়েছে। এসব ডাকঘরে বায়োমেট্টিক পদ্ধতি চালু করে জনগণের সিমকার্ড ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে কাজও শুরু হয়েছে।

  • আবাসিক এলাকার অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান সরাতে হবে

    আবাসিক এলাকার অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান সরাতে হবে

    এবিএনএ : আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ছয় মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়াও অনুমতি ছাড়া আবাসিক এলাকায় কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যাবে না।

    সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা ক্যাম্পাস, বার, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতালসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    বৈঠকে আবাসিক এলাকার অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ছয় মাসের মধ্যে রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমন্বিত অভিযান পরিচালনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। ছয় মাসের সময় গণনা আজ থেকে শুরু হচ্ছে।

  • প্রচলিত আইনেই তনু হত্যার বিচার সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

    প্রচলিত আইনেই তনু হত্যার বিচার সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচার প্রচলিত আইনেই সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রচলিত আইনে দ্রুত এ বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সরকার দেখাবে এটা সম্ভব হয়েছে।

    সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে তনু হত্যা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির দেয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

  • সিম নিবন্ধনে ঝুঁকি নেই: মন্ত্রিসভা

    সিম নিবন্ধনে ঝুঁকি নেই: মন্ত্রিসভা

    এবিএনএ : বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধনে গ্রাহকরা আঙুলের ছাপ দেওয়ার কারণে কোনো ঝুঁকিতে পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সিম পুনর্নিবন্ধন বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে উল্লেখ করা হয়।

    সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সূত্র জানায়, সিম পুনর্নিবন্ধন নিয়ে যেসব আশঙ্কা ও সমালোচনা হচ্ছে, তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তখন ডাক তার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, মোবাইল অপারেটরদের কাছে কোনো তথ্য জমা থাকছে না। মোবাইল অপারেটরদের বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন যন্ত্রে আঙুলের ছাপ সংরক্ষণেরও কোনো ব্যবস্থা নেই। এটা কোনোভাবে অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না। অপারেটররা শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য ভান্ডারের সঙ্গে গ্রাহকদের তথ্য মিলিয়ে নিচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইন অনুসারে কোনো কোম্পানি এসব তথ্য বাইরে ব্যবহার করতে বা কাউকে দিতে পারেন না। টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী অপারেটররা কোনো আইন ভঙ্গ করলে তাদের ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

    গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে ছয়টি মোবাইল অপারেটর গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ নিয়ে সিম/রিম নিবন্ধন ও তথ্য যাচাই শুরু করে। এরপর থেকে নানা মহল থেকে সমালোচনা করে বলা হচ্ছে, বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের সময় নেওয়া গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ মোবাইল অপারেটরদের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। সেখান থেকে অন্যদের কাছে এসব তথ্য চলে যাওয়ার আশঙ্কা করে বলা হচ্ছে, নাগরিকের একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য বিদেশে চলে যাবে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে নিরীহ মানুষকে জড়ানো হবে। আঙুলের ছাপসহ অন্যান্য তথ্য অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকবে।

  • চলচ্চিত্র বিকাশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

    চলচ্চিত্র বিকাশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

    এবিএনএ : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু দেশে চলচ্চিত্রের পুনরুজ্জীবন ঘটাতে আধুনিক ডিজিটাল প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, পাইরেসি রোধ ও মানসম্মত সিনেমা নির্মাণের তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকল চলচ্চিত্রসেবীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আজ জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান। এর আগে বিএফডিসি প্রাঙ্গণ থেকে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ নেতৃত্ব দেন হাসানুল হক ইনু।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ। বাংলাদেশ সিনেমা ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, ‘দর্শক সংকট ও বিলুপ্তির পথে প্রেক্ষাগৃহ : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, মসিউদ্দীন সাকের, ম. হামিদসহ চলচ্চিত্র শিল্পী-কলাকুশলীবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র টিকে থাকার শিল্প। যতই টেলিভিশনে বা মোবাইলে দেখা হোক না কেন, বড় পর্দায় হলে বসে সিনেমা দেখার আবেদন অটুট থাকবে। ইনু বলেন, প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে গেলে যাপিত জীবন থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের জন্য দর্শকেরা চলে যান মন ও মননের এক ভিন্ন জগতে।

    তিনি বলেন, ‘সুতরাং, চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ করুন, ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন’। মন্ত্রী জানান, সাভারের কবিরপুরে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিতে আগামী জুলাই মাস থেকে শ্যুটিং করা যাবে। এছাড়া, বিএফডিসি সংলগ্ন স্থানে বৃহদায়তন চলচ্চিত্র-শিল্পী-সাহিত্য মিলন কেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসের সেমিনারে তথ্যমন্ত্রী পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের দুটি সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ চলচ্চিত্রের বিকাশে সংশ্লিষ্ট আইন যুগোপযোগী করা ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • ভারত ও পাকিস্তানকে ওবামার আহ্বান পরমাণু হুমকি প্রশমনে একযোগে কাজ করুন

    ভারত ও পাকিস্তানকে ওবামার আহ্বান পরমাণু হুমকি প্রশমনে একযোগে কাজ করুন

    এবিএনএ : এক দিন আগে হোয়াইট হাউসে নৈশভোজে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ ছিল সেই নৈশভোজ। পরদিন, অর্থাৎ শুক্রবার সেই ওবামা উপমহাদেশের ভয়াবহ পরমাণু হুমকি প্রশমনে ভারত-পাকিস্তানের প্রতি তাগিদ দিলেন।

    ওয়াশিংটনে দুই দিনের আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার। সম্মেলনের শেষ দিন শুক্রবার ওবামা বলেন, পরমাণুক্ষেত্রে ভারত ও পাকিস্তানকে আরও উন্নতি করতে হবে। তারা সামরিক শক্তি সঞ্চয় করছে। কিন্তু তারা ভুল পথে যাচ্ছে না, সে বিষয়ে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে।’

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগ দিলেও লাহোরে সাম্প্রতিক ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কারণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবার এ সম্মেলনে যোগ দেননি। পাকিস্তানে জঙ্গিবাদের প্রসারের পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশের পরমাণু অস্ত্রসম্ভার বেহাত হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে।

    কয়েকটি দেশে পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার ঘটছে, এ কথা উল্লেখ করে ওবামা এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যেসব দেশ ছোট আকারের পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে, সেসব দেশ থেকে তা চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আইএসের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ‘পাগলা মানুষদের’ পারমাণবিক অস্ত্র বা ‘ডার্টি বোমা’ অর্জন রুখতে অধিকতর সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে।

    এবার চতুর্থবারের মতো আয়োজিত হলো পরমাণু নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলন। ছয় বছর আগে প্রথম ওয়াশিংটনে এই সম্মেলনের আয়োজন হয়। তখন নবীন প্রেসিডেন্ট ওবামাই এর আয়োজন করেছিলেন। সেই আয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরমাণু অস্ত্রমুক্ত একটি বিশ্বের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেবেন ওবামা। তাই এবারেরটি ছিল তাঁর শেষ সম্মেলন।

  • তনু হত্যা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও বৃহস্পতিবার

    তনু হত্যা: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও বৃহস্পতিবার

    এবিএনএ : তনুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে আগামী ৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট এবং সম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য।

    রোববার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রগতিশীল ছাত্রজোট এবং সম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যের সমন্বয়ক আশরাফুল আলম সোহেল।

    তিনি বলেন, “আগামী চার দিনের মধ্যে তনুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে ৭ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করা হবে। এর পর যদি কাজ না হয় তাহলে সারা দেশের ছাত্র সমাজকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

    আশরাফুল আলম সোহেল বলেন, “তনু হত্যার ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এ হত্যার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য এখনো কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতেও আমরা দেখিনি।”

    তনু হত্যার বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উচিত ছিল তনু হত্যার বিচারের জন্য দ্রুত সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া। কিন্তু তিনি তার দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন।”

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকি আক্তারসহ অন্যান্য প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    তনুর খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে।

  • ‘ট্যানারি নিয়ে আর কোনো খেলা নয়’

    ‘ট্যানারি নিয়ে আর কোনো খেলা নয়’

    এবিএনএ : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, সরকার ট্যানারি স্থানান্তর নিয়ে আর কোনো খেলা খেলতে দেবে না। গুটি কয়েক মানুষের জন্য কোটি কোটি মানুষের জীবন বিপন্ন হতে দেয়া যাবে না।

    রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পাঁচ দিনব্যাপী জাতীয় এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    তিনি ট্যানারি মালিকদের রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সকল ট্যানারি অবিলম্বে সাভারে সরিয়ে নেয়ার তাগাদা দিয়েছেন।
    আমির হোসেন আমু বলেন, বর্তমানে সাভারস্থ চামড়া শিল্প-নগরির কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) ৪০ থেকে ৬০টি কারখানা চালু করার মত অবস্থানে রয়েছে। যুগ যুগ ধরে যে সব ব্যবসায়ী মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে,তাদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। যে কোনো মূল্যে হাজারিবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে সরিয়ে নিতে হবে।

    শিল্পমন্ত্রী এর আগে বিআইসিসি’তে চতুর্থ জাতীয় এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি এলাকাভিত্তিক কাঁচামালের সহজলভ্যতা বিবেচনা করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসতে উদ্যোক্তাদের প্রতি পরামর্শ দেন।
    দেশের কোথায় কোন ধরনের এসএমই শিল্প স্থাপন লাভজনক হবে,সে বিষয়ে কার্যকর সমীক্ষা ও গবেষণা চালাতে তিনি এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতি নির্দেশনা দেন।

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম.এ. মান্নান বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন কে এম হাবিব উল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম।

  • টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    এবিএনএ : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জমজমাট ফাইনাল। মুখোমুখি ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দু’দলই জিতেছে একটি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা। এবার জিতলেই হবে ইতিহাস। সর্বোচ্চ দু’বার। কে গড়বে সেই ইতিহাস? তারই আগে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।

    বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল একদিন আগেই জাগো নিউজে লেখা কলামে বলেছিলেন টসটা হতে পারে খু্বই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইডেনে রান চেজ করা হবে খুব সহজ। সে হিসেবে ম্যাচ শুরুর আগেই কী তবে অর্ধেক জিতে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ! ম্যাচ শেষেই মিলবে এর জবাব। আর আগে জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষা।

    গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হয়েছিল দু’দল। ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের করা ১৮২ রানের বিশাল স্কোর গড়েও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ক্রিস গেইলের ৪৭ বলে গড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে জিতে যায় ক্যারিবীয়রা। সেই ম্যাচেরই যেন পুনরাবৃত্তি শুরু হলো এই ম্যাচে। ওই ম্যাচেও টস জিতেছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যরেন স্যামি।

    টস জয়ের পর স্যামি কিন্তু কেন প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন সে কথা জানাননি। তিনি বলেন, ‘দিন শেষে আমরা চাই ভক্ত-সমর্থকদের একটা বিনোদন দিতে। এ কারণেই আমরা চাই জয় নিয়ে মাঠ ত্যাগ করতে। দলে কোন পরিবর্তন নেই। টুর্নামেন্ট খেলতে যখন এসেছিলাম তখনও ছিল আমাদের অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস। কেউ আমাদের সুযোগ তৈরী করে দেয়নি। তবে আমরা জানি নিজেদের কী করতে হবে। আজ আমরা দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র এক ধাপ দুরে। আমি আগেও বলেছি, আমাদের রয়েছে ১৫জন ম্যাচ উইনার। অবশ্যই কেউ না কেউ দায়িত্বটা নিয়ে নেবে। আমরা অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটারদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছি। এবার তো আমাদের সামনে নারী ক্রিকেটাররা আরও বড় উদাহরণ তৈরী করলো।’

    ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান বলেন, ‘টস জিতলে আমিও বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতাম। যাই হোক, উইকেটটা খুবই ভালো মনে হচ্ছে। ঘাসে ঢাকা। সাধারণত এখানে ন্যাড়া উইকেট থাকে এবং অনেক টার্নও হয়। দলে কোন পরিবর্তন নেই। আমি মনে করি ম্যাচ জিততে গলে তিনটি ডিপার্টমেন্টেই ভালো করতে হবে। আমরা নিজেদের গড়ে তুলেছি আসলে আত্মবিশ্বাস দিয়ে। গেইল সম্পর্কে আমাদের প্রতিটি মিটিংয়েই আলোচনা হয়। আসলে আমরা তো একজন খেলোয়াড়কে নিয়ে পরিকল্পনা করতে পারি না। কারণ, ভারতের বিপক্ষে ক্যারিবীয়রা সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে।’

    ইংল্যান্ড
    জ্যসন রয়, আলেক্স হেলস, জো রুট, ইয়ন মরগ্যান, জস বাটলার, বেন স্টোকস, মঈন আলি, ক্রিস জর্ডান, ডেভিড উইলি, আদিল রশিদ এবং লিয়াম প্লাঙ্কেট।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ
    জনসন চার্লস, ক্রিস গেইল, মারলন স্যামুয়েলস, লেন্ডল সিমন্স, আন্দ্রে রাসেল, দিনেশ রামদিন, ডোয়াইন ব্র্যাভো, ড্যারেন স্যামি, কার্লোস ব্রাফেট, স্যামুয়েল বদ্রি, সুলেমান বেন।

  • ঢাকায় হবে চার পাতালপথ

    ঢাকায় হবে চার পাতালপথ

    এবিএনএ : রাজধানীতে যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থায় চারটি পাতাল পথ (সাবওয়ে) নির্মাণের পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। ব্যয় নির্ধারণসহ দুটি পরিকল্পনার খসড়া প্রণয়ন এবং বাকি দুটির প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

    রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর সেতু ভবনে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ সাবওয়ের পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। এসময় চারটি সাবওয়ে রুটের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রকৌশলী ড. হোসাইন মো. শাহীন।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম সাবওয়েটি হবে টঙ্গী থেকে বিমানবন্দর-বনানী কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত। দ্বিতীয় লাইনটি আমিনবাজার থেকে গাবতলী-শ্যমলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এ দুটি সাবওয়ে নির্মাণ করা যাবে। তৃতীয় রুটটি হবে গাবতলী থেকে সদরঘাট এবং চতুর্থটি রামপুরা থেকে সদরঘাট পর্যন্ত।
    এসময় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, ট্রাফিক চাহিদা বুঝে সাবওয়ের রুট চিন্তা করতে হবে। সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক জেনারেট করবে এমন পথে সাবওয়ের লাইন নিয়ে যাওয়া উচিত। সাবওয়ের রুট আপাতত চূড়ান্ত না করে আরও গভীর পর্যালোচনা ও সমীক্ষার ওপর জোর দেন তিনি।

    পরিকল্পনায় টঙ্গী থেকে বিমানবন্দর-কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার সাবওয়ে নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫.২৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    আমিনবাজার থেকে শুরু করে গাবতলী-শ্যমলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের প্রধান মেজর জেনারেল মো. ছিদ্দিকুর রহমান সরকার, মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মো. মাসুদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ারুল ইসলাম, সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মুজিবুর রহমান, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল হক, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, স্থানীয় সরকার বিভাগের যগ্ম সচিব রওশন আরা বেগম, সেতু বিভাগের উপ-সচিব হাবিবুর রহমান প্রমুখ।