এ বি এন এ : কারিগরি প্রস্তুতি ছাড়াই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। ফলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে জটিলতা। ১৫ হাজার শূণ্যপদের বিপরীতে ১৩ লাখ আবেদনকারীর প্রার্থীতা নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগ গত বছরের ২২ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। নতুন বিধিমালা অনুসারে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির বদলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের পরীক্ষা নেয়া ও নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা পেয়েছে। কিন্তু পুরনো নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ ও ১৩ তমদের পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ নিয়ে গ্যাঁড়াকলে পড়েছে তারা। নিয়োগ দিতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনা। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২১ অক্টোবরের আগে প্রক্রিয়া শুরু করা এন্ট্রি লেভেলে নিয়োগ দিতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দেয়ায় ধোয়াশা বেড়েছে বলে মনে করছেন প্রার্থীরা। নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ আইনের সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের চাহিদার তথ্য চেয়েছে এনটিআরসিএ। যেসব স্কুল এমপিওভুক্ত নয়, তারাও চাহিদা জানিয়েছে। আবার প্রার্থীরা না বুঝে এমপিওভুক্ত নয় এমন অনেক স্কুলের জন্য আবেদন করেছেন। এখন পর্যন্ত দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ হয়েছে। উত্তীর্ণ প্রার্থী প্রায় সাড়ে চার লাখ। তাঁদের তিন লাখেরও বেশি জনের এখনো চাকরি হয়নি। দশম নিবন্ধন পর্যন্ত সনদের মেয়াদ ছিল আজীবন। ফলে একজন প্রার্থীর ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চাকরি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু একাদশ নিবন্ধন থেকে মেয়াদ মাত্র তিন বছরের। ত্রয়োদশ নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এবার থেকে যতগুলো পদ শূন্য থাকবে ততজনকে উত্তীর্ণ করা হবে। তাহলে দ্বাদশ নিবন্ধন পরীক্ষা পর্যন্ত উত্তীর্ণরা কি আর চাকরির সুযোগ পাবেন না? এ ধরনের নানা জটিল হিসাব-নিকাশের গ্যাড়াঁকলে পড়েছে এনটিআরসিএ। আবেদনকারীরাও উৎকন্ঠায় রয়েছেন। হাসান তারেক নামের এক প্রার্থী বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জটিলতা রয়েছে। ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ নেই। আমরা কত দিন অপেক্ষা করব? তিনি বলেন, যদি উপজেলা কোটায় নেওয়া হয়, তাহলে আগেই কেন উপজেলা মেধাতালিকা প্রকাশ করা হলো না? আমি ১০টি আবেদন করেছি। প্রতিটিতে ১৮০ টাকা খরচ হয়েছে। উপজেলা মেধাতালিকা জানা থাকলে এত টাকা খরচ হতো না। জানা যায়, ১৫ হাজার পদের জন্য গত জুলাই মাসে ১৩ লাখ আবেদনপত্র জমা পড়ে। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে পারছে না এনটিআরসিএ। এক বছর ধরে নিয়োগ বন্ধ থাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট চরমে পৌঁছেছে। ব্যাহত হচ্ছে লেখাপড়া। আগে শিক্ষক নিয়োগ দিত স্কুল ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি। তাদের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে অদক্ষ শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য একেকজনকে দিতে হতো ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা। এ জন্যই বিধিমালা সংশোধন করে এনটিআরসিএর কাছে নিয়োগের ক্ষমতা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সবাই এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক আবেদনপত্র নিয়ে গ্যাড়াঁকলে পড়েছে এনটিআরসিএ। এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এ এম এম আজহার বলেন, ১৩ লাখ আবেদনপত্রের ডাটা প্রসেসিংয়ে সময়ের দরকার। দিনক্ষণ ঠিক করে বলতে পারব না কবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএর একাধিক সূত্র জানায়, গত জুনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে শিক্ষকের চাহিদার তথ্য নেয় এনটিআরসিএ। জুলাইয়ে অনলাইনে আবেদনপত্র চাওয়া হয়। ১৫ হাজার পদের জন্য ১৩ লাখ আবেদনপত্র জমা পড়ে। আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই নিয়েই হ-য-ব-র-ল অবস্থা। তারা বলেন, একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ে যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই রকম সফটওয়্যার ব্যবহৃত হওয়ার কথা। ওই সফটওয়্যার সাত-আট দিনের মধ্যে ৩০ লাখের বেশি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে ফল দিতে পারে। অথচ এখানে আবেদনপত্র জমা পড়েছে মাত্র ১৩ লাখ। এর পরও দেড় মাস ধরে তাদের যাচাই-বাছাই চলছে। অপর এক সূত্র জানায়, নিবন্ধন অফিসের কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে প্রক্রিয়া শেষ হতে এত সময় লাগছে। প্রথমবারের মতো তারা এত বড় পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট হয়েছেন। এর চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তাদের কেউ আগে এ ধরনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। বাংলাদেশ অধ্যক্ষ পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান জানান, ১৪ লাখ শিক্ষার্থীকে অনলাইনে কলেজে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বুয়েটের সহায়তা নেওয়া হয়। এ নিয়োগের কাজে আইটি বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে দ্রুত কাজ শেষ করা সম্ভব হতো। এনটিআরসিএর পরিচালক মো. তৌহিদুর রহমান বলেন, আমরা দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করছি। ১৩ লাখ আবেদনকারীর তথ্য যাচাই-বাছাই করতে হচ্ছে। ভুল হলে বড় সমস্যা তৈরি হবে। চেষ্টা করছি চলতি মাসেই যাচাইয়ের কাজ শেষ করতে।
Category: শিক্ষা
-

এইচএসসিতে ঢাকায় জিপিএ-৫ পেল আরো ১১৫ জন
এ বি এন এ : ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার বিকাল ৫টায় এই ফল প্রকাশ করা হয়।এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে ১১৫ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এ নিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ২২৫ জনে। পুনর্নিরীক্ষণের আগে প্রকাশিত ফলে এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৮ হাজার ১১০ জন শিক্ষার্থী।ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘মোট ৪২ হাজার ১৫১ জন প্রার্থী ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৪২টি পত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে অনুত্তীর্ণ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০৪ জন। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১৫ জন। এ ছাড়া গ্রেড (ফল) পরিবর্তন হয়েছে ১ হাজার নয়জনের।’এদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মঞ্জুরুল কবীর জানিয়েছেন, আটটি সাধারণ ও মাদরাসা বোর্ডে এবার প্রায় ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২২টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে আলাদাভাবে পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে।গত ১৮ আগস্ট এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। এরপর পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেয়া হয়। -

শিক্ষা খাতে ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
এ বি এন এ : শিক্ষা খাতের উন্নয়নের জন্য ৮০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজ শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।বৃস্পতিবার রাজধানীর শেরে নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব কাজী শফিকুল আযম এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর জাহিদ হোসেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৬ সালের জুলাই হতে ২০২১ সালের জুন মাসপর্যন্ত।প্রকল্পের জন্য আইডিএ অর্থায়নের ঋণ ৬ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এ ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক শূণ্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং শূণ্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে। তবে চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘদিন ধরে কমিটমেন্ট ফি শূণ্য শতাংশে নির্ধারিত হয়েছে। -

‘এবারও বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক’
এ বি এন এ : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘এবারও বছরের প্রথম দিন পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবসে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া সম্ভব হবে।’তিনি বলেন, ‘আগামী বছরের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক ছাপানো ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।’মন্ত্রী বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘২০১৭ সালের প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি ও সমমানের স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪ কোটি ২৬ লাখ ৩৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজনীয় ৩৬ কোটি ২২ লাখ ৩৪ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে ৫ কোটি বই ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট বই ছাপানো, বাঁধাই ও তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানোর কাজও যথাসময়ে সম্পন্ন হবে।’তিনি বলেন, ‘আগামী পয়লা জানুয়ারি সারাদেশে পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবসে প্রথমবারের মতো ৫টি উপজাতীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষায় প্রাক-প্রাথমিকের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক দেয়া হবে। একইসাথে প্রথমবারের মতো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক দেয়া হবে। এছাড়া শিক্ষকদের শ্রেণি-শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের জন্য বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্দেশিকাও দেয়া হবে।’এর আগে, এনসিটিবি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা এবং কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী পাঠ্যবই ছাপানো এবং উপজেলায় পাঠানোর সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন।শিক্ষামন্ত্রী বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক ছাপানোর কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবশিষ্ট বই বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে ছাপানোর কাজ শেষ করতে নিয়মিত ছাপাখানা পরিদর্শনের জন্য এনসিটিবি’র চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন। তিনি বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তকের যথাযথ মান নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেন।এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এস মাহমুদ ও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। -

৩৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় নিষিদ্ধ ঘড়ি
এ বি এন এ : ছত্রিশতম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা কেন্দ্রে ফোন, সব ধরনের ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, বই-পুস্তক ও ব্যাগ নিষিদ্ধ করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)।
মঙ্গলবার পিএসসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিখিত পরীক্ষায় মোবাইল ফোন, ঘড়ি, সব ধরণের ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, বই-পুস্তক ও ব্যাগসহ পরীক্ষা হলে প্রবেশ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সময় জানার জন্য প্রত্যেক হলের পরীক্ষা কক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেয়াল ঘড়ি থাকবে বলেও জানিয়েছে কমিশন।
এতে আরও বলা হয়, পরীক্ষার হলে কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে এসব ডিভাইস পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতে পিএসসির সব নিয়োগ পরীক্ষায় অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
পিএসসি বলেছে, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর গাণিতিক যুক্তি পরীক্ষার দিন সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। গণিত, ফলিত গণিত, পদার্থবিদ্যা, ফলিত পদার্থবিদ্যা, পরিসংখ্যান, হিসাব বিজ্ঞান, ফিন্যান্স, ব্যাংকিং, মার্কেটিং, পুরকৌশল, তড়িৎকৌশল, যন্ত্রকৌশল, ইলেকট্রনিক্স এবং অন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের পরীক্ষার দিন সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করা যাবে।
ওই পরীক্ষা ছাড়া অন্য পরীক্ষার দিন কোনো প্রার্থীর কাছে ক্যালকুলেটর পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিল করে কমিশনের সব পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
আগামী ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৬তম বিসিএসের আবশ্যিক এবং ৫ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা হবে।
ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে একযোগে লিখিত পরীক্ষা হবে। ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার সময় চার ঘণ্টা আর ১০০ নম্বরের পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টা।
-

রিশা হত্যাকারীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
এ বি এন এ : রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশার (১৪) হত্যাকারী ওবায়দুল খানকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়ার দাবিতে স্কুলের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে স্কুলের সামনে এই মানববন্ধনে জড়ো হন তার স্বজন, সহপাঠী ও অন্যান্য সংগঠনের কর্মীরা।এ সময় তারা ব্যানার ও প্লাকার্ড নিয়ে রিশার হত্যাকারীকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে শ্লোগান দেন। তারা এই সময় সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবারও হুঁশিয়ারি দেন। -

দুর্যোগ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের কৌশল রপ্ত করার ওপর শিক্ষামন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
এ বি এন এ : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ দুর্যোগ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের কৌশল রপ্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। শিক্ষার্থীরা যাতে ভূমিকম্প, ঘুর্ণিঝড়, বন্যা ও অগ্নিকান্ডের মতো দুর্যোগ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়, সে লক্ষ্যে তাদের যথাযথভাবে প্রস্তুত করার জন্য তিনি শিক্ষক, অভিবাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। আজ রাজধানীর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মিলনায়তনে ‘বিদ্যালয়ে দুর্যোগ সাড়া প্রদান সহায়িকা’ চূড়ান্তকরণ শীর্ষক দু’দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এস.এম. ওয়াহিদুজ্জামনের সভাপতিত্বে অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর শামছুল হুদা এবং সেভ দ্য সিল্ড্রেনের প্রোগ্রাম কোয়ালিটির প্রধান স্যারন হেইজার বক্তৃতা করেন। পরিবেশ দূষণ রোধ করে প্রাকৃতিক দুযোগ হ্রাস করা সম্ভব উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তবে সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ রোধ করা যায় না। তাই নতুন প্রজন্মকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল রপ্ত করাতে হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে পরিবেশ দূষণ রোধ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল সর্ম্পকিত বিষয় অর্šÍভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষকদের দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশলের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। ‘বিদ্যালয়ে দুর্যোগ সাড়া প্রদান সহায়িকা’ দুর্যোগ মোকাবেলার কৌশল শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিখাতে ভূমিকা রাখবে বলেও মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
-

‘বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বিশ্বে শিক্ষার উন্নয়নে রোল মডেল’
এ বি এন এ : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশে বাস্তবায়নাধীন উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তকের মতো বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি সারা বিশ্বে শিক্ষার উন্নয়নে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের স্টাইপেন্ড ডাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। উচ্চ মাধ্যমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শ্যামা প্রসাদ বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামানও বক্তৃতা করেন। শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, উপবৃত্তি বিতরণ ব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার স্বচ্ছতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিতরণ ব্যবস্থাকে অনেক সহজ করেছে। তিনি বলেন, এখন অতি সহজে মুহুর্তের মধ্যে দরিদ্র শিক্ষার্থী মোবাইলে উপবৃৃত্তির টাকা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ণ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধরে রাখতে উপবৃত্তি কার্যকর ভূমিকা বিবেচনা করে সরকার এ ধরনের প্রকল্প আরও প্রসারিত করার কথা বিবেচনা করছে বলে শিক্ষা মন্ত্রী জানান। স্টাইপেন্ড ডাটা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার বিষয়ে দিনব্যাপি ওরিয়েন্টেশন ও মতবিনিময় সভায় সারাদেশের উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাগণ অংশ নেন।
-

‘রিশার হত্যাকারীকে গ্রেফতার করে শাস্তি দেয়া হবে’
এ বি এন এ : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘সুমাইয়া আক্তার রিশার হত্যাকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে।’
আজ সোমবার বেলা ১২ টার দিকে রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশার জন্য আয়োজিত শোকসভায় এ কথা বলেন তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা অবিলম্বে এ হত্যাকারীকে গ্রেফতার করবে বলে জানিয়েছে।এ সময় উপস্থিত রিশার বাবা-মা ও পরিবারকে সান্ত্বনা দেন তিনি।এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা রিশার হত্যাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে ধর্মঘট পালন করছে। ধর্মঘটে স্কুলের কোনো ক্লাস হয়নি। সকালই শিক্ষার্থীরা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে কাকরাইল ফুটওভার ব্রিজে স্টার্ন মল্লিকা মার্কেটের বৈশাখী টেইলার্সের কার্টিং মাস্টার ওবায়দুল খান রিশাকে ছুরিকাঘাত করেন। রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিশা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।এ ঘটনায় রিশার মা তানিয়া আহমেদ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। রিশার বাবা রমজান হোসেন পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজারের একজন ক্যাবল অপারেটর ব্যবসায়ী। -

জগন্নাথের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ফের ছাত্রলীগের হামলা
এ বি এন এ : আবাসিক হলের দাবিতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর আজ সোমবার ফের কয়েক দফা হামলা চালিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এতে ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সুমনা ক্লিনিক ও ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
আন্দোলনরত কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য, সকাল নয়টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এরপর তাঁরা হল নির্মাণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থী রফিুকল ইসলাম, আমজাদ হোসেনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হন। তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সুমনা ক্লিনিক ও ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কয়েকজন চিকিৎসা নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন, কয়েকজন চিকিৎসাধীন।
সকাল ১০টার দিকে সব শিক্ষার্থী আবার জড়ো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় আবার হামলা চালানো হয়। এতে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। এ সময় ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন। তাঁদের কয়েকজনকে ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।
এরপর থেকে ক্যাম্পাসে একসঙ্গে পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থীকে কথা বলতে দেখলেই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের চড়–থাপ্পড় মারছেন। এতে শিক্ষার্থীরা বিভাগের ক্লাসরুমে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।
ছাত্রধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল আমিন বলেন, ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলার কারণে প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আট–নয়জনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের বাধার কারণে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে পারছেন না।
ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মেহরাব আজাদ বলেন, ছাত্রলীগের হামলায় আজকের কর্মসূচি পণ্ড হয়ে গেছে। বেলা দুইটার দিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ হবে। সেখান থেকে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, কারও ওপর তাঁরা হামলা করেননি। বরং হল নির্মাণের দাবিতে তাঁরাও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করছেন।
