Category: শিক্ষা

  • ঢাবিতে দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

    ঢাবিতে দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

    এবিএনএ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের উদ্যোগে ‘ব্যাবাস ও অর্থনীতি’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে শুরু হয়েছে।

    সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘একুশ শতকের জন্য নতুন ব্যবসা’। ঢাবি উপাচার্য  অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

    এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার সুইনবার্ন ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বার্নাডিন ভ্যান গ্রামবার্গ, যুক্তরাজ্যের এসেক্স ইউনিভার্সিটির বিজনেস স্কুল-এর ডিন অধ্যাপক ড. জিওফরে টি উড এবং যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস্ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. পার্থ এস ঘোষ সম্মেলন বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের কো-চেয়ার অধ্যাপক ড. এম সাদিকুল ইসলাম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, সারাবিশ্বে মানুষের সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় সকলকে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। দারিদ্র ও সমৃদ্ধির মধ্যে বিরাজমান দূরত্ব ঘোচাতে হবে।

    তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্র, সমতা, উদারতা, শান্তি, মানবাধিকার, দারিদ্র বিমোচন, ধর্ম-নিরপেক্ষতা, বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ সাধন, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন তথা মানবতার সার্বিক কল্যাণে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। বিশ্ব মানবতার কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. নাসরিন আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের সম্মেলন নিয়মিত আয়েজন হলে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা নতুন শতকের ব্যবসার নানা ধরনের জ্ঞান সম্পর্কে জানতে পারবে।

    উপ-উপাচার্য (প্রসাশন) ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েঠে এবং আমরা বেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে বর্বরভাবে হত্যা করা না হলে বাংলাদেশ আরো দ্রুত এই অবস্থান অর্জন করত।

    সম্মেলনে অধ্যাপক ড. পার্থ এস ঘোষ বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিখাতের ব্যবহার আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের নেতাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্য পরিচালনায় দারুনভাবে প্রভাবিত করছে। যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নতুন শিল্প ও বিজ্ঞানকে আপন করে নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যেতে পারবে, তারাই বিশ্ব অর্থনীতিকে এক নতুন যুগে নিয়ে যাবে।

    অধ্যাপক অধ্যাপক ড. জিওফরে টি উড তুলনামূলক কর্পোরেট গভার্নেন্স নিয়ে আলোচনা করেন, যেখানে বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে ব্যবসা বিস্তারের বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। একটি প্রতিষ্ঠানের আপেক্ষিক কার্যক্ষমতা নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। এ সময় তিনি ফার্মগুলোর মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদী অপ্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক দৃঢ়করণে গুরুত্বারোপ করেন।

    সামাজিক রুপান্তরের ক্ষেত্রে বর্তমানে ব্যবসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করে ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে গবেষণার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। এ ধরনের সম্মেলন নিয়মিত আয়োজনের তাগিদ দেন তিনি।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও কুয়েতের শতাধিক শিক্ষক ও গবেষক এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই

    এবিএনএ : আগামী ১ থেকে ১৭ নভেম্বর পূর্বনির্ধারিত সময়েই চলতি বছরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। হঠাৎ করে দায়িত্ব পাওয়ায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিতে কিছুটা চাপ হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংশ্লিষ্ট সবার উদ্দেশে বলেন, ‘এ পরীক্ষা নিয়ে আপনারা দ্বিধাদ্বন্দ্ব বা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবেন না। অন্যান্যবার যেভাবে পরীক্ষা হয় এবারও সেভাবে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

    প্রস্তুতি নিয়েও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় হুট করে এবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ায় নিজেদের অবস্থান জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তাদের (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়) অনভিজ্ঞতার কারণেই এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বাকি সময়ের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করে পরীক্ষা আয়োজন করতে পারব।’ চলতি বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার দায়িত্ব নিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও শেষ করে এনেছিল মন্ত্রণালয়টি। কিন্তু মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এ উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বুঝতে পেরে এ প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত উল্লেখসহ পুরো অবস্থার বিবরণসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার দায়িত্ব ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে একটি চিঠিও দিয়েছেন।

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনেই জেএসসি পরীক্ষা

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনেই জেএসসি পরীক্ষা

    এবিএনএ : প্রস্তুতির পরও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হচ্ছে না। আগের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনেই জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা বোর্ডগুলোর সহায়তায় এ বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম চলছিল। তবে মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এ উদ্যোগ সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় এ প্রক্রিয়া থেকে সরে আসছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হলেও আজ (বৃহস্পতিবার) শিক্ষামন্ত্রী ও সচিব বরাবর একটি চিঠি দেবে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    গত ১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীতকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা এ বছর থেকেই বাতিল হয়ে অষ্টম শ্রেণিতে প্রাথমিক সমাপনী হবে বলে গত ২১ জুন জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

    তবে গত ২৭ জুন মন্ত্রিসভা ‘অষ্টম শ্রেণিতে প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) পরীক্ষা পদ্ধতি চালুপূর্বক পঞ্চম শ্রেণি পর্যায়ে বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল’ এর প্রস্তাব অনুমোদন না দিয়ে তা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে উপস্থাপনের নির্দেশনা দেয়। পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা ও অষ্টম শ্রেণির জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা এ বছরও থাকবে বলে সিদ্ধান্ত দেয় দেশের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম মন্ত্রিসভা।

    এরপর গত ১৭ জুলাই গণশিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা যৌথভাবে এ পরীক্ষাটা নেব। যদিও পরীক্ষা পরিচালনার মূল দায়িত্ব থাকবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ই এটা করবে, এতে সহযোগিতা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’

    সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্তের লিখিত কপি পর্যালোচনা করেছেন জানিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার বলেন, ‘আমরা বুঝেছি শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে (জেএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব) হস্তান্তর করলে হবে না। এ বিষয়ে ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত লাগবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত না হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের কাছে পুরোপুরি (পরীক্ষা নেওয়া) ছেড়ে না দেবেন, ততোক্ষণ আমরা ওটা পরিচালনা করতে আইনগতভাবেই পারব না। সেই বিজনেসটা আমার কাছে এলোকেটেড (সরকারি নিয়মে কর্মবণ্টন) হয়নি।’

  • জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রীকে আবারো হত্যার হুমকি, নিরাপত্তা জোরদার

    জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রীকে আবারো হত্যার হুমকি, নিরাপত্তা জোরদার

    এবিএনএ : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসমিন হককে আবারো হত্যার হুমকি প্রদান করা হয়েছে।
    ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়ে সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি আক্তার হোসেন শনিবার দুপুরে জানান, তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাসভবনে সার্বক্ষণিক সশস্ত্র পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে।
    জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের নামে গত বুধবার এই শিক্ষক দম্পতিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। শুক্রবার বিকেলে এ ব্যাপারে তাঁরা সিলেট নগরীর জালালাবাদ থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। ডায়েরি নং ৫৯২(১৪/১০/২০১৬)।
    উল্লেখ্য এর আগেও একই ভাবে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়।
  • প্রবাসীকর্মীর মেধাবী সন্তানের জন্য শিক্ষাবৃত্তি

    প্রবাসীকর্মীর মেধাবী সন্তানের জন্য শিক্ষাবৃত্তি

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উদ্যোগে প্রবাসীকর্মীর মেধাবী সন্তানের জন্য শিক্ষাবৃত্তির আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

    সূত্র জানায়, আবেদনকারীকে ২০১৬ সালে এসএসসি অথবা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে দেশের যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ অথবা সমমান শ্রেণিতে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। তবে প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর সন্তান জিপিএ-৪ পেলে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া বিদেশে বৈধভাবে গমনকারী বা বৈধভাবে কর্মরত কর্মীর সন্তান আবেদন করতে পারবেন।

    সূত্র আরো জানায়, শিক্ষাবৃত্তির জন্য মনোনীত হলে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ২ বছর এবং ডিপ্লোমা শ্রেণিতে ৪ বছর মাসিক দেড় হাজার টাকা হারে বৃত্তি পাবে। এছাড়া বৃত্তির সাথে বাৎসরিক এককালীন বই কেনাসহ অন্যান্য খরচ হিসেবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ২ বছর এবং ডিপ্লোমা শ্রেণিতে অধ্যয়নরতদের ৪ বছর ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

    শিক্ষাবৃত্তি পেতে আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এরসঙ্গে প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, মূল নম্বরপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হেবে। তবে প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীর সন্তানের জন্য দূতাবাস থেকে এনওসি ও মৃত্যু সনদ আনতে হবে।

    আবেদনপত্র সব জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ওয়েবসাইটwww.wewb.gov.bd থেকে বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারবেন।

    আবেদনপত্র পূরণ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ আগামী ১০ নভেম্বর ২০১৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে জমা দিতে হবে।

  • সৃজনশীলের প্রশ্ন সাতটিই থাকছে

    সৃজনশীলের প্রশ্ন সাতটিই থাকছে

    এ বি এন এ : এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সৃজনশীলে প্রশ্নপত্র সাতটিই থাকছে। সৃজনশীলে ছয়টির স্থলে সাতটি প্রশ্ন দিয়ে ১০ নম্বর বাড়িয়ে ও এমসিকিউতে ১০ নম্বর কমিয়ে সময় বিভাজনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সচিবালয়ে রবিবার মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত পরামর্শক কমিটির সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, এখন থেকে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে আর কোনো বিরতি না রেখে সৃজনশীল অংশে প্রশ্ন বাছাইয়ের সুবিধা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    এখন একশ নম্বরের সৃজনশীল অংশে ১১টির মধ্যে ৭টি এবং ৭৫ নম্বরের পরীক্ষায় ৮টির মধ্যে ৫টির উত্তর দিতে হবে। আগে যথাক্রমে ৯টির মধ্যে ৬টি ও ৬টির মধ্যে ৪টির উত্তর করতে হতো। এছাড়া এমসিকিউর ওএমআর শিট ও সৃজনশীলের অলিখিত উত্তরপত্র পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে বিতরণ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। সৃজনশীলে একটি প্রশ্নের মাধ্যমে ১০ নম্বর বাড়িয়ে এমসিকিউতে নম্বর কমানোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে আসছেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ সিদ্ধান্তের কোন পরিবর্তন হবে না। এটা পরিবর্তনের কোন যুক্তি নেই। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত সচিব এএস মাহমুদ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, প্রশ্ন কম থাকায় বিভ্রান্তি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, প্রশ্ন কম থাকায় বিভ্রান্তি

    এ বি এন এ : আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এক সেট প্রশ্নে একটি প্রশ্ন কম ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী ওই সেট প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন তারা সবাই বাদপড়া প্রশ্নের জন্য নম্বর পাবেন।

    শুক্রবার ঢাকার ৫৫টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা হয়। এবার প্রশ্নপত্রে সেটের নাম না লিখে বারকোড ব্যবহার করা হয়।

    ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও বাণিজ্য অনুষদের ডিন শিবলী রুবায়েত-উল-ইসলাম বলেন, ”প্রশ্নের অনেকগুলো সেট থাকে। একটি প্রশ্ন কম থাকা সেটে যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা সবাই কমন নম্বর পাবেন।”

    একটি প্রশ্ন কম থাকা প্রশ্নে যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ওএমআর শিট পূরণ করেছেন ও যারা ওএমআর শিটে ওই প্রশ্নের উত্তর পূরণ করেননি উভয়ই নম্বর পাবেন বলে জানান তিনি।

    পরীক্ষার্থীরা জানান, ‘গ’ ইউনিটের একটি সেটের প্রশ্নে ৭ নম্বর প্রশ্ন ছিল না। ওই সেটে ৬ নম্বর প্রশ্নের পরই ছিল ৮ নম্বর প্রশ্ন।

    পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি পরীক্ষকদের জানালে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ৭ নম্বর প্রশ্নের ঘর ফাঁকা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক শিবলী।

    সেটে প্রশ্ন না থাকা সত্ত্বেও যেসব শিক্ষার্থী ৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর পূরণ করেছিলেন তাদের বেশ কয়েকজনকে ওএমআর শিট বদলে দেওয়া হয় বলেও প্রক্টর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

    পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা টেলিযোগাযোগ করা যায় এ রূপ কোনো ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বা যন্ত্র সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জালিয়াতি ঠেকাতে পরীক্ষার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ, নীলক্ষেত হাই স্কুল, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, বেগম বদরুন্নেছা মহিলা কলেজ এবং উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল ও কলেজ কেন্দ্র ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে।

     

  • ৩৫তম বিসিএসে মনোনীত ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    ৩৫তম বিসিএসে মনোনীত ঢাবি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    এ বি এন এ : ৩৫তম বিসিএসে চূড়ান্তভাবে মনোনীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগের ৯০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
    মঙ্গলবার দুপুরে ঢাবি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়।
    সাকসেস ফাউন্ডেশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  ছিলেন ঢাবি উপাচার্য  ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘রাজা দেখে রাজা হোন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ১২০তম মোটিভেশনাল সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন।
  • ঢাবি খ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ১১.৪৩

    ঢাবি খ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ১১.৪৩

    এ বি এন এ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ‘খ’ ইউনিটের অধীনে প্রশম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।
    এতে ৩৩ হাজার ২৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৩ হাজার৮০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। যা শতকরা হিসাবে ১১.৪৩। খ ইউনিটের অধীনে আসন রয়েছে ২ হাজার ৩৩৩টি।  বিভিন্ন কারণে ৮৭৯ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র বাতিল করা হয়েছে।
    সোমবার সন্ধ্যায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রশাসনিক ভবনে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করেন।
    পরীক্ষার বিস্তারিত ফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের admission.eis.du.ac.bd ওয়েব সাইটে জানা যাবে। এছাড়া, DU KHA লিখে roll no টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে যেকোন অপারেটরের মোবাইল ফোন থেকে send করে ফিরতি SMS -এ ভর্তিচ্ছুরা ফল জানতে পারবে।
    পাসকৃত শিক্ষার্থীরা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টা থেকে ৯ অক্টোবর বিকাল ৩টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবে। কোটায় আবেদনকারীদের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ডিন অফিস হতে কোটার ফরম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে ডিন অফিসে জমা দিতে হবে। বিষয় মনোনয়নের সাক্ষাৎকার শুরু হবে আগামী ১৬ অক্টোবর থেতে।

     

  • চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের চিঠির জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের চিঠির জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    এ বি এন এ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর এক স্কুলছাত্রের লেখা চিঠির জবাবে পায়রা নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    গত ১৫ আগস্ট পটুয়াখালী গভ. জুবিলী হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শীর্ষেন্দু বিশ্বাস মির্জাগঞ্জ উপজেলায় পায়রা নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি লিখেছিল।

    পরে প্রধানমন্ত্রী ওই চিঠির জবাবে বলেন, শীর্ষেন্দুর চিঠি পেয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। নৌকায় নদী পার হবার ঝুঁকি নিয়ে ছেলেটির উদ্বেগের প্রশংসা করেন তিনি।

    class-four-student-lette

    প্রধানমন্ত্রী জানান, মির্জাগঞ্জের পায়রা নদী যে অত্যন্ত খরস্রোতা সে বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। শীর্ষেন্দুকে ওই নদীতে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    স্কুল সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর শীর্ষেন্দুর লেখা চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে ২০ সেপ্টেম্বর। প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে শীর্ষেন্দু জানায়, সে বাংলাদেশের একজন নাগরিক। তার বাবার নাম বিশ্বজিৎ বিশ্বাস এবং মায়ের নাম শীলা রাণী সন্নামত।
    “আমি পটুয়াখালী গভ. হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার দাদু অবিনাস সন্নামত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।”

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার পায়রা নদীতে ব্রিজ নির্মাণের অনুরোধ জানিয়ে শীর্ষেন্দু জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর শৈশবকাল নিয়ে রচনা লিখে সে তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

    “আমাদের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি। আমাদের মির্জাগঞ্জ নদী পার হয়ে যেতে হয়… ওই নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ… কখনো নৌকা ডুবে যায়, কখনো কখনো ট্রলার ডুবে যায়।”

    class-four-student-letter
    ছেলেটি জানায়, এসব দুর্ঘটনায় অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন এবং সে তার বাবা-মাকে হারাতে চায় না। কারণ সে তাদের খুব ভালোবাসে।

    “তাই আমাদের জন্য মির্জাগঞ্জের পায়রা নদীতে একটি ব্রিজ তৈরির ব্যবস্থা করুন’, চিঠির শেষে এই কথা লিখে শীর্ষেন্দু।

    শীর্ষেন্দু গণমাধ্যমকে জানায়, ১৫ আগস্ট সে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে এবং ডাকযোগে পাঠায়।

    শীর্ষেন্দু তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তার বাবা পটুয়াখালী শহরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এবং মা সমাজকল্যাণ দফতরে কাজ করেন। শহরের পুরানবাজার এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন তারা।

    শীর্ষেন্দুর বাবা বিশ্বজিৎ বলেন, তাকে নিয়ে আমরা খুব গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী তার চিঠির জবাব দিয়েছেন বলে আমরা আনন্দিত।

    প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠি আগামীকাল শীর্ষেন্দুর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী গভ. হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান।