Category: শিক্ষা

  • শিশুদের ওপর জিপিএ–৫ নির্যাতন হচ্ছে: আসাদুজ্জামান নূর

    শিশুদের ওপর জিপিএ–৫ নির্যাতন হচ্ছে: আসাদুজ্জামান নূর

    এবিএনএ : সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্দেশ দিয়ে রোবোটের মতো শিশুদের বড় করা হচ্ছে। তাদের ওপর জিপিএ-৫ নির্যাতন হচ্ছে। এ নির্যাতনের কারণে তাদের অবস্থা খারাপ। অভিভাবকেরা জিপিএ-৫ এর পেছনে না ছুটে শিশুদের সুকুমার মনের বিকাশ ঘটাতে হবে।

    কথাগুলো বলেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। রাজধানীর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘শিশুদের স্বপ্নের পৃথিবী’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আজ শনিবার সকালে ব্রাইটার টুমরো ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    আসাদুজ্জামান নূর বলেন, শিশুদের আঁকা ছবি দেখলেই তাতে মা-বাবার নির্দেশ আছে বোঝা যায়। তারা তাদের কল্পনার রাজ্যে ঘুরে বেড়ায়। বড়দের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় তাদের মনে কী চলছে। শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি প্রকৃতি-আকাশ-নদী-ফুল-পাখি চেনাতে হবে। তাদের গ্রামে নিয়ে যেতে হবে।

    মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ এক উপস্থাপনায় বলেন, শিশুদের সুস্থভাবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সদিচ্ছাই যথেষ্ট নয়, এ জন্য তাদের কী প্রয়োজন তা বুঝতে হবে। তিনি মাছ ও বানরের বন্ধুত্বের গল্প দিয়ে বিষয়টি বোঝান। এক ঝড়ের দিনে মাছটি বিপদে পড়েছে মনে করে তাকে বাঁচাতে বানর বন্ধু তাকে গাছে তুলে নেয়। ফলে মারা যায় মাছটি। এভাবে যেন ভালো করতে গিয়ে শিশুদের অমঙ্গল ডেকে না আনা হয়।
    .অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন বলেন, শিশুদের ওপর গোপন নজরদারি করা উচিত নয়। এতে তার মন সন্দেহপ্রবণ হয়। এ ছাড়া শিশুকে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিতে শেখাতে হবে। প্রযুক্তির যৌক্তিক ব্যবহার শেখাতে হবে।
    চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া হৃদিতার বাবা মাহফুজুল হক বলেন, ‘এখানে এসে আমার প্রাণটা যেন জেগে উঠেছে। শিশুদের ভালোভাবে বেড়ে ওঠা ও গড়ে তোলার জন্য মা-বাবার কাউন্সেলিং প্রয়োজন।’
    শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে গঠিত ব্রাইটার টুমরো ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জয়শ্রী জামান বলেন, ‘ব্রাইটার টুমরো মানেই শিশু। আমার সন্তানদের হারিয়েছি। আমি চাই না আর কোনো পরিবারে এ ধরনের ঘটনা ঘটুক। প্রতিটি শিশু যেন তার মনের রঙে বেড়ে ওঠে।’
    সংগঠনের সহসভাপতি রাশেদ আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা করেন জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য ডা. অরূপ রতন চৌধুরী, ভারতীয় হাইকমিশন থেকে প্রকাশিত ভারত বিচিত্রার সম্পাদক নান্টু রায়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এস এম বদরুদ্দোজা, পর্বতারোহী এম এ মুহিত, ব্রাইটার টুমরো ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. ফারসিক ভূইয়া, শিল্পী তরুণ ঘোষ প্রমুখ।
    আলোচনা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ৬০ জন শিশু-কিশোরকে প্রথম পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

  • শিশুদের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের স্কুলব্যাগ বহনে নিষেধাজ্ঞা

    শিশুদের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের স্কুলব্যাগ বহনে নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ : শিশুর শরীরের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের স্কুলব্যাগ বহন করানো যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি তদারকির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও আশিস রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন।

    শিশুদের ব্যাগ বহনে সুনির্দিষ্ট আইন, বিধিমালা ও নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে গত ৯ আগস্ট আইনজীবী মাসুদ হোসাইন দোলন, মোহাম্মদ জিয়াউল হক ও আনোয়ারুল করিম একটি রিট আবেদন করেন। ওই রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট স্কুল শিশুদের ব্যাগ বহনে আইন, নীতিমালা বা বিধিমালা প্রণয়নে কেন সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারি করেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    একই সঙ্গে আইন সচিব, শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মানবাধিকার কমিশনকে দুসপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রুলে প্রাথমিক পূর্ব শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যাগ বহন না করতে এবং প্রাথমিক পরবর্তী শিশুদের ক্ষেত্রে শিশুর ওজনের ১০ ভাগের বেশি নয়, এমন ওজনের ব্যাগ বহনের বিষয়ে আইন, নীতিমালা বা বিধিমালা প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

  • বাংলা একাডেমির ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    বাংলা একাডেমির ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    এবিএনএ : জাতির আবেগ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত বাংলা একাডেমির ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ (৩ ডিসেম্বর)। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশে) ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি ।

    রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন-পরবর্তী কালের প্রেক্ষাপটে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন “বর্ধমান হাউজ”-এ এই একাডেমির সদর দফতর স্থাপিত হয়। একাডেমির “বর্ধমান হাউজে” একটি “ভাষা আন্দোলন জাদুঘর” আছে।

    ঐতিহাসিক বশীর আল-হেলালের মতে, বাংলা একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও সংগঠনের চিন্তা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ প্রথম করেন। তিনি ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৪৮-এ পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলনে ভাষা সংক্রান্ত একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবী করেন।  এছাড়া দৈনিক আজাদ পত্রিকাও বাংলা একাডেমি গঠনে জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। ১৯৫২ সালের ২৯ এপ্রিল পত্রিকাটি `বাংলা একাডেমী` প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে এ প্রসঙ্গে সম্পাদকীয় প্রকাশ করে।

    এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে সময় কিছু প্রচেষ্টা নেয়। ১৯৫৪ সালে তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়। কিন্তু অর্থাভাবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হলে শিক্ষামন্ত্রী সৈয়দ আজিজুল হক নির্দেশ দেন।

    অবশেষে ১৯৫৫ সালে ৩ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার  `বাংলা একাডেমি`র উদ্বোধন করেন। বাংলা একাডেমির প্রথম সচিব মুহম্মদ বরকতুল্লাহ। তার পদবী ছিল `স্পেশাল অফিসার`। ১৯৫৬ সালে একাডেমির প্রথম পরিচালক নিযুক্ত হন অধ্যাপক মুহম্মদ এনামুল হক। বাংলা একাডেমির প্রথম প্রকাশিত বই আহমদ শরীফ সম্পাদিত দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত `লাইলী মজনু`। স্বাধীনতার পর থেকে একাডেমি চত্বরে স্বল্প পরিসরে বইমেলা শুরু হয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে বড় আকার ধারণ করে। ২০০৯-২০১১ খ্রিষ্টাব্দে একাডেমির “বর্ধমান হাউজ” ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ভাষা আন্দোলন জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
    সাংগঠনিক কাঠামো

    বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলা একাডেমি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। একাডেমির কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে রয়েছেন একজন মহাপরিচালক। এর প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম, যিনি ২ জুন ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলা একাডেমি। কর্মসূচির শুরুতে আজ সকালে মহান ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হবে। বিকেল ৪টায় একাডেমির রবীন্দ্রচত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ‘বাংলা একাডেমি : বাঙালির মননতীর্থ’ শীর্ষক বক্তৃতা দেবেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, লেখক-গবেষক অধ্যাপক পবিত্র সরকার।

  • মাধ‌্যমিকে মান বাড়াতে ১৫টি সুপারিশ

    মাধ‌্যমিকে মান বাড়াতে ১৫টি সুপারিশ

    এবিএনএ : মাধ‌্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মান বাড়ানোর জন্য অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়াসহ ১৫টি দফার সুপারিশ করেছেন শিক্ষাবিদরা। সম্প্রতি দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে দুই দিনের এক কর্মশালায় এসব সুপারিশ উঠে এসেছে বলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন।
    আজ সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব সুপারিশের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষার সময় চাপ কমাতে শিক্ষাবিদরা বিষয় কমানোর সুপারিশ করেছেন।
    সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষার সময় ও শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে এসএসসি পর্যায়ে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা, চারু ও কারুকলা ও ক্যারিয়ার শিক্ষাকে পাবলিক পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত না করে এগুলোকে বিদ্যালয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা।
  • প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু

    প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু

    এবিএনএ : দেশের সাত হাজারের বেশি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে প্রাথমিক ও ইবেতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, যাতে এবার অংশ নিচ্ছে ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন শিক্ষার্থী।
    পঞ্চম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন অংশ নিচ্ছে ইংরেজি পরীক্ষায়। সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। সমাপনী পরীক্ষা শেষ হবে ২৭ নভেম্বর।
    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার রোববার রাজধানীর অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজে সমাপনী পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
    কেরানীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ‌্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সচিব স্বপন কুমার রায় জানান, নির্ধারিত সময়েই তার কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রাথমিকে ৬৯ জন এবং ইবতেদায়িতে ৮ জন এ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।
    এ সমাপনী পরীক্ষায় গত বছর ৩২ লাখ ৫৪ হাজার ৫১৪ জন অংশ নিয়েছিল। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ২৪ হাজার ২২৬ জন।
    প্রাথমিক সমপানীতে এবার ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৩ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩২ জন ছাত্র; ১৫ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪১ জন ছাত্রী।
    ইবেতেদায়ির ২ লাখ ৯৯ হাজার ৭১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩১৯ জন ছাত্র এবং ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৯৬ জন ছাত্রী।
    এবার প্রাথমিক সমাপনীতে ২ হাজার ৮৫৭ জন এবং ইবতেদায়িতে ৯০ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (অটিস্টিক) পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
    দেশের বাইরে ১১টি কেন্দ্রেও প্রাথমিক ও ইবেতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা হচ্ছে।

  • ১৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ ঘোষণা

    ১৮ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ ঘোষণা

    এবিএনএ : ১৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকৃত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকার কথা জানিয়ে ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সনদ অবৈধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

    পাশাপাশি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্টদের জেনে-শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

    ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী এবং একাডেমিক কর্মকর্তা।

    ইউজিসি চেয়ারম‌্যান বলছেন, সনদ অবৈধ হলেও শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি বাতিল করা হয়নি। ওইসব সনদ ‘রেগুলারাইজড’ করার সুযোগ আছে।

    যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ

    ঈশাখাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জেড এইচ শিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোনো উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকায় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের বৈধতা নেই।

    প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শীর্ষ তিনটি পদই ফাঁকা থাকায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কাদিরাবাদে আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, সৈয়দপুরে আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং কুমিল্লায় বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সনদও অবৈধ।

    এশিয়ান এবং রয়েল ইউনিভার্সিটিতে ২০০৯ সাল পর্যন্ত উপাচার্য থাকলেও বর্তমানে শীর্ষ তিনটি পদ শূন্য থাকায় এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ।

    ইবাইস ইউনিভার্সিটিতে ২০১২ সাল, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে ২০১৩ সাল এবং দি পিপলস ইউনিভার্সিটি ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সির্টিতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উপাচার্য ছিল। বর্তমানে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকায় সেগুলোর সনদও অবৈধ।

    সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এবং জার্মান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে গত মার্চ মাস পর্যন্ত উপাচার্য থাকলেও এখন উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের তিনটি পদ ফাঁকা থাকায় ওইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ ঘোষণা করেছে ইউজিসি।

  • পিএসসি পরীক্ষা শুরু ২০ নভেম্বর

    পিএসসি পরীক্ষা শুরু ২০ নভেম্বর

    এবিএনএ : আগামী ২০ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) ও এবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা  শুরু হচ্ছে, শেষ হবে ২৭ নভেম্বর।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য জানান।
    মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৩ পরীক্ষার্থী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। অন্যদিকে, এবতেদায়ীতে অংশ নেবে দুই লাখ ৯৯ হাজার ৭১৫ শিক্ষার্থী। তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্নের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় থেকে।
  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু

    এবিএনএ : অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এই পরীক্ষা শুরু হয়।
    প্রথম দিন জেএসসিতে বাংলা প্রথমপত্র, আর জেডিসিতে কোরআন মাজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার ৯টি বোর্ডের অধীনে ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে জেএসসিতে ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৩ ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে পরীক্ষার্থী তিন লাখ ৭৪ হাজার ৪৭২ জন। আর  গত বছরের তুলনায় এবার এ দুটি পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থী বেড়েছে ৮৬ হাজার ৮৪২ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন। গত বছর এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন। সেই হিসেবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৮৬ হাজার ৮৪২ জন।
  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার

    এবিএনএ : অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। নকলমুক্ত পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া প্রতিরোধে এবার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

    সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন। জেএসসি ও জেডিসি উভয় পরীক্ষাতেই এবার ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৪০২ জন ছাত্রী এবং ১১ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৩ জন ছাত্র।

    এবার ২৮ হাজার ৭৬১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা ২ হাজার ৭৩৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। এ বছর মোট কেন্দ্র বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৭টি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১২৯টি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১০ সাল থেকে পরীক্ষা শুরুর পর থেকে প্রতিবছরই জেএসসি ও জেডিসিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাদের পরিসংখ্যান মতে, ২০১১ সালে ১৮ লাখ ৬১ হাজার ১১৩, ২০১২ সালে ১৯ লাখ ৮ হাজার ৩৬৫, ২০১৩ সালে ১৯ লাখ ২ হাজার ৭৪৬, ২০১৪ সালে ২০ লাখ ৯০ হাজার ৬৯২ জন এবং ২০১৫ সালে ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থী ২৪ লাখ ১২ হাজার

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থী ২৪ লাখ ১২ হাজার

    এবিএনএ : অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) শুরু হবে আগামী মঙ্গলবার (১ নভেম্বর)। গত বছরের তুলনায় এবার এ দুটি পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থী বেড়েছে ৮৬ হাজার ৮৪২ জন। এ বছর ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিল ২৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন।

    সচিবালয়ে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার আটটি বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৩০৩ ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে পরীক্ষার্থী ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭২ জন।

    তিনি বলেন, ২০১৬ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ছাত্রের তুলনায় এক লাখ ৬৪ হাজার ২৯ জন ছাত্রী বৃদ্ধি পেয়েছে। নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, পরীক্ষা শেষ হবে ১৭ নভেম্বর। আমরা ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল দেব।