Category: শিক্ষা

  • স্কুলে যাচ্ছে সোনামণি

    স্কুলে যাচ্ছে সোনামণি

    এবিএনএ : স্কুল মানেই সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠা। এর পর ইচ্ছা না থাকতেও তৈরি হওয়া এবং গুটি গুটি পায়ে মা কিংবা বাবার হাত ধরে স্কুলের পথে রওয়ানা হওয়া। একটা সময় ছিল যখন স্কুল বলতে ছিল বিশাল মাঠ। আর তাতে নানা ফলের গাছ, সেখানে লুটোপুটি, খেলাধূলা আর ছুটে বেড়ানো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সব পাল্টে গেলেও স্কুল তার আগের জায়গাতেই আছে। স্কুলে যেতেই হয় সোনামণিদের।

    বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলের কথা বেশি বেশি মনে পড়তে থাকে। বন্ধুত্ব কিংবা ভালোবাসা স্কুল জীবনের এ অধ্যায়গুলো ভোলা যায় না। স্কুলে যাওয়ার সময় আবার থাকত নানা অজুহাত। কখনও পেটে ব্যথা আবার কখনও জ্বর। আর বছরে ঘুরে ঘুরে আসা পরীক্ষা যেনো স্কুলের আতংকের নাম ছিল।

    এসব কিছুর পরও স্কুল এক স্বপ্নের রাজ্য। যেখানে মানুষ তার জীবনের ভিত্তি গড়তে শেখে। তার জীবনের পথচলার প্রথম হাতেখড়ি আসে এ স্কুল জীবন থেকেই। আর এ স্কুলের সবচেয়ে মজার সময় হচ্ছে নতুন বছর।

    নতুন বছর মানেই নতুন বই, নতুন ব্যাগ, নতুন ক্লাস, নতুন পানির বোতল আর নতুন রং পেনসিল বক্স। হাজার কল্পকাহিনী নিয়ে গল্পের বই যাতে আছে রাজা রানী আবার কখনও সিন্ড্রেলার কাহিনী। তাই নতুন বছরের সব কিছুতেই শিশু চায় নতুনের ছোঁয়া। এটি শিশুর কোমল মনে যেমন স্কুলে যাওয়ার আগ্রহ তৈরি করে তেমনি আপনার সঙ্গে শিশুর সম্পর্কতেও নতুনত্ব আনে। আপনি বুঝতে পারেন আপনার শিশু কেবল রঙের কেমন ডিজাইনের স্কুলের ব্যাগ, পেনসিল বক্স আর অন্যান্য সরঞ্জাম পছন্দ করছে।

    সন্তানের জন্য স্কুল ব্যাগ কেনার সময় লক্ষ্য রাখুন তা যেন তার নিতে সুবিধা হয়। ব্যাগটা হতে হবে শিশুর দেহের ওজনের দশভাগের এক ভাগের নিচে। শিশুদের জন্য দুই বেল্টের ব্যাগ কেনা ভালো। এতে কাঁধে সমানভাবে চাপ পড়ে এবং শিশুর কাঁধে ব্যথা হয় না। চামড়ার ব্যাগের চেয়ে ক্যানভাসের ব্যাগ বেশি সুবিধাজনক। কারণ এর ওজন কম। আর ব্যাগ কেনার সময় লক্ষ্য রাখুন যাতে তা পানিরোধক হয়।

    ব্যাগের ভেতর দরকারি জিনিস রাখার জায়গা আলাদা আলাদা করে দেয়া আছে কিনা তা দেখে নিন। স্কুল ব্যাগে কাঁধের দুটি স্ট্রাম্পের পাশাপাশি কোমরকে ঘিরে স্ট্রাম্প আছে কিনা তা দেখে নিন। এটি কাঁধের ওপর থেকে ওজন কমিয়ে পায়ের দিকে ওজনকে ছড়িয়ে দেয়।

    স্কুল ব্যাগ হয়ে থাকে নানা ধরনের। কোনোটিতে রংবেরঙের পশুপাখি আবার কখনও বারবিডলের ছবিতে ভর্তি ব্যাগ। এর পাশাপাশি টম অ্যান্ড জেরি কার্টুন, মিকি মাউস চরিত্রের ডিজাইনের ব্যাগ বাচ্চাদের খুব পছন্দ। পাখির আকৃতির কিংবা মাছের আকৃতির ব্যাগও পাওয়া যায় বাজারে। যা শিশুকে আকৃষ্ট করে স্কুলে যাওয়ার জন্য।

    নতুন বছরে কেউ স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আবার কেউ উঠেছে নতুন ক্লাসে। ছুটি-ছাটা শেষ। এখন আবার স্কুলে যাওয়া আসা শুরু হয়েছে।

    অনেকটা সময় শিশুকে স্কুলে থাকতে হয়। আর এর জন্য এ সময় পানি খাওয়াটা খুব জরুরি। টানা একটা সময় পানি পান না করলে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাই তার ব্যাগে সব সময় পানির বোতল রাখুন। এ ক্ষেত্রে বোতলটি যাতে আকর্ষণীয় হয় সে দিকে খেয়াল রাখুন। এতে শিশু পানি যেমন খাবে তেমনই পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে।

    পানির বোতলের ক্ষেত্রে পছন্দ করতে পারেন প্লাস্টিক, স্টিলের, চাঁচের নানা ডিজাইনের পানির বোতল এবং ফ্লাক্স। তাতে থাকে ফড়িঙ্গের ছবি, আবার কখনও মুগলি চরিত্র কিংবা মটু পাতলু। এর সঙ্গে সঙ্গে আছে ওগি অ্যান্ড দ্যা কক্রোচেজ আর টম অ্যান্ড জেরির ছবি।

    পেনসিল বক্স আর রঙ পেনসিল বক্স পছন্দ করে না এমন শিশু পাওয়া কঠিন। পড়া লেখায় মন না বসলে একটি শিশু থাকে তার আঁকা রঙের দুনিয়ায়। তাই শিশুকে রং পেনসিল এবং ওয়াটার কালার কিনে দিন। ছবি আঁকা শিশুর মনে না বলা কথা বলতে যেমন সাহায্য করে তেমনি তার মানসিক বিকাশেও সাহায্য করে।

    খাবারের বেলায় কোনো শিশুই খেতে যায় না। তাই শিশুর টিফিক বক্স কেনার সময় রঙিন টিফিন বক্স নির্বাচন করুন। টিফিন বক্সে যাতে আলাদা আলাদা জায়গা থাকে তা দেখে নিন। শিশুর জন্য প্লাস্টিকের টিফিন বক্স নির্বাচন করা ভালো।

    কোথায় পাবেন : যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, গাউসিয়া মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মৌচাক মার্কেট, বসুন্ধরা সিটিসহ বিভিন্ন মার্কেট।

    দাম : শিশুদের কাপড়ের স্কুলের ব্যাগ পাবেন ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এর সঙ্গে নানা কার্টুনে আঁকা ব্যাগ পাবেন ৫০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে। দেশের বাইরে তৈরি ব্যাগ পাবেন ১ হাজার টাকার মধ্যে। পানির বোতল পাবেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। জলরঙের বক্স আকারভেদে পাবেন ১৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। মোম রঙের পেনসিল পাবেন ২৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। পেনসিল বক্স পাবেন আকারভেদে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। টিফিন বক্স পাবেন ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।

  • ময়মনসিংহ মেডিকেল বন্ধ ঘোষণা

    ময়মনসিংহ মেডিকেল বন্ধ ঘোষণা

    এবিএনএ : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের পর উত্তেজনার মধ‌্যে এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

    উপাধ্যক্ষ ও বিএমএ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ.ন.ম ফজলুল হক পাঠান জানান, কলেজের ৫ম বর্ষের ছাত্র শহীদুলকে গত ১৮ জানুয়ারি কয়েকজন ছাত্র মারধর করে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ সহযোগী অধ্যাপক এম. এ বারীকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি তদন্ত শেষে রিপোর্ট পেশ করে।

    সোমবার সকালে কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কলেজের ৫ম বর্ষের ছাত্র শহীদুলকে মারধর করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২য় বর্ষের ছাত্র হিমেল, অনুপম ও সিয়ামকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেইসাথে যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে এমবিবিএস অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর ক্লাস স্থগিত ঘোষণা করা হয় এবং আবাসিক ছাত্র ও ছাত্রীদের সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে ছাত্রাবাস ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। এই নির্দেশ বিদেশি শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের বেলায় কার্যকর হবে না। বিদেশি ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারবেন।

    ময়মনসিংহ কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের জন্য শহরে বাঘমারা মেডিকেল হোস্টেলে কড়া পুলিশী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

  • ‘৫০ বছর ধরে শুনছি শিক্ষার মান কমে গেছে’

    ‘৫০ বছর ধরে শুনছি শিক্ষার মান কমে গেছে’

    এবিএনএ : গত ৫০ বছর ধরে শুনছি, শিক্ষার মান কমে গেছে। বিষয়টি যদি সত্য হতো, তাহলে এতদিনে মান বলে কিছুই থাকতো না। তারপরও যারা মান নিয়ে কথা বলছেন, তারা যদি মানের মাপকাঠি নির্ধারণ করে দিতেন, সেটিকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যেতাম। আজ বুধবার বিকেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এসব কথা বলেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং ইভালুয়েশন উইং এ কর্মশালা আয়োজন করে। দিনব্যাপী এ কর্মশালা শুরু হয় সকাল ৮ টায়। বিকেল ৩ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আলমগীর, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি টি এম আসাদুজ্জামান প্রমুখ। এ ছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ এবং কর্মশালার ওপর ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইং-এর পরিচালক ড. মো. সেলিম মিয়া। কর্মশালার দ্বিতীয় পর্বে গ্রুপভিত্তিক ফলাফল উপস্থাপন করেন ১৩টি গ্রুপের গ্রুপপ্রধানরা।

    গ্রুপভিত্তিক ফলাফল উপস্থাপনের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব কিছু দেখে-শুনে মনে হলো- শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য আপনাদের সব আয়োজন-পরিশ্রম। কিন্তু অনেকেই বলছেন শিক্ষার মান কমে গেছে। তিনি বলেন, শিক্ষার মান হিসেবে আমরা কোনো দেশের মানটাকে ধরবো, সেটা কেউ বলে দিচ্ছে না। আমরা চাইলেই তো ইউরোপ-আমেরিকার মানে যেতে পারবো না। আমরা ধীরে ধীরে এগোচ্ছি।

    আপাতত আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব শিশুকে স্কুলে নিয়ে আসা, নারী-পুরুষের সমতা বিধান এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন। এখন যে অবস্থায় আছে, তার থেকে অনেক উপরে উঠলেও শোনা যাবে, মানের আরো উন্নয়ন করতে হবে। তবে আমরা কারও মতকে অশ্রদ্ধা করছি না। সবার মতামত, সমালোচনা, যুক্তি, পরামর্শ নিয়ে সামনে এগোতে চাই। শুধু একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, শুধু সমালোচনা নয়, শিক্ষার্থীদের উৎসাহও দিতে হবে। নইলে তারা হতাশ হবে।

  • পাঠ্যবইয়ে ভুলের জন্য কেউ রেহাই পাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    পাঠ্যবইয়ে ভুলের জন্য কেউ রেহাই পাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ : নতুন পাঠ্যবইয়ে ভুলের জন্য দায়ীদের কেউ রেহাই পাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
    মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ভুলত্রুটির বিষয়টি দেখতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) একটি কমিটি করেছে। কেন হল, কারা দায়ী— তা বের করা হবে। প্রাথমিকভাবে দুইজনকে চিহ্নিত করে ওএসডি করা হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এর ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভুল-ত্রুটির সংশোধনী দেওয়া হবে।
    তিনি বলেন, ‘যারা ভুলত্রুটি করেছেন তারা রেহাই পাওয়ার যোগ্য না।’ তবে ভুল-ত্রুটি হতেই পারে— এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীরা বই পাচ্ছে আনন্দ করছে, উৎসব করছে। কেবল ভুল তুলে ধরে এগুলোকে নিরুৎসাহিত করে ছাত্র-ছাত্রীদের হতাশ করে দেওয়া ঠিক না।’

    এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভুলের বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাজ শুরু হয়েছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মধ্যে নেতিবাচক প্রচার না করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।’ বছরের প্রথম দিন গত পহেলা জানুয়ারি ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার ২০১ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করে সরকার। শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই যাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ভুল-ত্রুটি ধরে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে সমালোচনা হচ্ছে। বানান ভুলের খতিয়ান তুলে ধরে অনেকে প্রশ্ন রেখেছেন— শিশুদের পাঠ্যবইয়ে এসব কী শেখানো হচ্ছে?
    নতুন পাঠ্যবইয়ের ভুল নিয়ে ফেসবুকে তীব্র সমালোচনার পর ওইসব ভুল-ত্রুটি পর্যালোচনায় একটি কমিটি করে এনসিটিবি।

  • প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণির ভর্তির মেধা তালিকা বৃহস্পতিবার

    প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণির ভর্তির মেধা তালিকা বৃহস্পতিবার

    এবিএনএ : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমের ২য় ও সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকা ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হবে।
    এসএমএস এর মাধ্যমে বিকেল ৪টা থেকে যে কোন মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে এবং রাত ৯টায় ওয়েব সাইট থেকে ফল পাওয়া যাবে।
    এ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট থেকে জানা যাবে।

  • ‘নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ইন্টারঅ্যাকটিভ ই-বুকে রূপান্তর করা হয়েছে’

    ‘নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ইন্টারঅ্যাকটিভ ই-বুকে রূপান্তর করা হয়েছে’

    এবিএনএ : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক ইন্টারঅ্যাকটিভ ই-বুকে রূপান্তর করা হয়েছে।
    তিনি বলেন, পাঠদান পদ্ধতি আরো উন্নত ও সহজতর করার জন্য সরকার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

    শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল রিডিং মেটেরিয়েল দেয়া হচ্ছে।
    তিনি আরো বলেন, এসব ই-লার্নিং রিসোর্স ও ই-ম্যানুয়েল প্রকাশের ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে পাঠ নিতে পারবে এবং শিক্ষকরাও পাঠদানের জন্য ডিজিটাল মাধ্যমে একটি গাইডলাইন পাবেন।
    আজ ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ই-লার্নিং ও ই-ম্যানুয়েল কনটেন্ট উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
    টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট-২ (টিকিউআই-২) প্রকল্পের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এথিকস এডভান্সড টেকনোলজি লিমিটেড (ইএটিএল) এই ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করেছে।
    শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মান রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব নয়। শিক্ষার মান বাড়াতে নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক প্রয়োজন। পাঠদান পদ্ধতি উন্নত ও সহজ করা প্রয়োজন। পাঠ্যপুস্তক সহজবোধ্য ও সুখপাঠ্য করা এবং ক্লাসরুমের পরিবেশ আনন্দময় করাও প্রয়োজন।
    তিনি বলেন, ৪০ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে। পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করে কম বিষয়ে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। পরিবর্তনের এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
    শিক্ষার মান উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যেসব স্কুলে গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীরা পাশ করত না, সেসব স্কুলে সেকায়েপ প্রকল্পের মাধ্যমে অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। ফলে এসব স্কুলে পাশের হার বেড়েছে।
    অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আলমগীর, টিকিউআই প্রকল্পের সাবেক পরিচালক বনমালী ভৌমিক, এনসিটিবি‘র চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা, টিকিউআই-২ এর প্রকল্প পরিচালক মো. জহির উদ্দিন বাবর, এডিবি‘র সিনিয়র সোসাল সেক্টর অফিসার এস এম এবাদুর রহমান এবং ইএটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান বক্তব্য রাখেন।
    পরে শিক্ষামন্ত্রী আনষ্ঠিানিকভাবে ই-লার্নিং ও ই-ম্যানুয়েল উদ্বোধন করেন। ই-লার্নিং কনটেন্টে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, সাধারণ গণিত, ইংরেজি ও হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের অনুশীলনগুলো পাওয়া যাবে। এনসিটিবি‘র ওয়েবসাইট িি.িহপঃন.মড়া.নফ-তে এ বিষয়গুলোর ই-কনটেন্ট পাওয়া যাবে।

  • নতুন বই আমরা সব সময় পেতাম না : মুহিত

    নতুন বই আমরা সব সময় পেতাম না : মুহিত

    এবিএনএ : শৈশবে বছরের প্রথম দিনে নতুন বইয়ের ‘গন্ধ’ না পাওয়ার আক্ষেপ ঝরেছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কণ্ঠে।  তিনি বলেন, ”আমিও কালকে রাত থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    কাল থেকে ভাবছি, এমন একটা আসরে যাব, যে আসরটা আমাদের সময়ে কখনও হতো না। এই রকম নতুন বই আমরা সব সময় পেতাম না। অনেক সময় পুরনো বই দিয়ে ক্লাস করতে হতো। ”

    আজ রবিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বই বিতরণ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, ”আমি আজকে সকালে ভাবছিলাম, তোমাদের এখানে আসব, এই রকম অনুষ্ঠানটা আমি কখনো দেখিনি জীবনে, কী করব, কী বলব, কি কাপড় পরব সবই চিন্তা করেছি।

    মুহিত বলেন, আজকের দিনে আমার খুব আনন্দ, তোমাদের হাতে এই বইগুলো যাবে, তোমরা অত্যন্ত খুশি হবে, নতুন বইয়ের গন্ধ শুঁকবে এবং সেখানে মোটা মোটা হরফে নাম লিখে দেবে।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা অত্যন্ত আনন্দের ব্যাপার এবং তারপর যথাসময়ে যখন তোমাদের পড়াশোনা শেষ হয়ে যাবে, তখন বইটিকে বিসর্জন করে দিবে। সেখানেও আনন্দ আছে। হ্যাঁ.. আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি, বইটা পড়েছি, জ্ঞান আহরণ করেছি, শিক্ষিত হয়েছি।

    শিশুদের উপদেশ দিয়ে মুহিত বলেন, ”বই তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যটা হচ্ছে, আমাকে জ্ঞান আহরণ করতে হবে, শিক্ষাদীক্ষা করতে হবে, মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তাহলে আমি এই দেশের উন্নয়নে ভবিষ্যতে অবদান রাখতে পারব। ”

    শিক্ষার সুযোগ অনেক বাড়ার কারণে এখনকার শিশুরা অনেক সৌভাগ্যবান বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ”আমাদের যারা কর দেন, তাদের টাকা-পয়সা আমরা এখানে খরচ করি। আমাদের জনগণও কখনও শিক্ষার ব্যাপারে আপত্তি করে না। তারা বেশ খুশিই হয়। কারণ এতে তাদেরই লাভ হয়। তাদের সন্তানরা তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে।

    তিনি আরো বলেন, “এই যে ভবিষ্যৎটা গড়ে ওঠার দায়িত্বটা তোমরা এখন গ্রহণ করছ, আজকে নতুন বই নিয়ে, সেটার যে উদ্দেশ্য সেটা যদি সাফল্য লাভ করে তাহলে সেটা আজকের দিনে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ”

    এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতিতে সরকারের নানা উদ্যোগের কথা শোনান। বিদ্যালয়ে শিক্ষকের ঘাটতি কিছুদিন পর থাকবে না বলে আশাও দেখান তিনি।

  • বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : নতুন বছরের প্রথম দিনেই ‘জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিনামূল্যে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।
    শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কয়েকটি স্কুল ও মাদরাসার প্রথম থেকে নবম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর আজিমপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে ‘জাতীয় পাঠ্যপুস্তক উৎসব-২০১৭’ উদ্বোধন করবেন।
    রাজধানীর ৩১টি বিদ্যালয়ের পাঁচ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ওই অনুষ্ঠানে যোগদান করবে। এর আগে এনসিটিবি চেয়ারম্যন অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, সরকার ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫টি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করবে।তিনি জানান, সারাদেশে ৪ কোটি ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯২৯ জন ইবতেদায়ী, দাখিল, দাখিল কারিগরি, এসএসসি ভোকেশনাল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে এসব বই বিতরণ করা হবে।

  • জেএসসি-জেডিসিতে ২৮ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    জেএসসি-জেডিসিতে ২৮ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    এবিএনএ : চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় ৯ হাজার ৪৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে। তবে ২৮টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি।

    গত বছর জেএসসি-জেডিসিতে ৮ হাজার ৫৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছিল। আর ৪৩টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। এই হিসেবে এবার শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৬৭টি বেড়েছে। আর শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ১৫টি। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এবার ২৮ হাজার ৭৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
    সংবাদ সম্মেলনে সরবরাহ করা ফলাফলের সার-সংক্ষেপ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে এক হাজার ১২৯, রাজশাহীতে এক হাজার ৫১৭, কুমিল্লায় ৩৪৮, যশোরে ৯৯৯, চট্টগ্রামে ১৯২, বরিশালে ৯১৯, সিলেটে ২৪৪ ও দিনাজপুর বোর্ডে ৮৯৯টি শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩ হাজার ২০৩টি, গত বছর এ সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৭৮৪টি। এ বোর্ডের ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। গত বছরও এ সংখ্যা ছিলো ২০টি।

    অপরদিকে ঢাকা ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে একটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৬টি শূন্যপাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বোর্ডে কোন শূন্য পাস স্কুল নেই।এবার পাসের হার জেএসসিতে ৯২ দশমিক ৮৯ শতাংশ ও জেডিসিতে ৯৪ দশমিক ০২ শতাংশ।

  • জেএসসি-জেডিসিতে গড় পাসের হার ৯৩.০৬%

    জেএসসি-জেডিসিতে গড় পাসের হার ৯৩.০৬%

    এবিএনএ : জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার এই দুই সমাপনী পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৯৩.০৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
    জেএসসি-জেডিসি ছাড়াও প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফলাফলের সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের উপস্থিতিতে আটটি সাধারণ বোর্ড ও মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান জেএসসি-জেডিসির ফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী ও ইবতেদায়ী সমাপনীর ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে দেন।
    আজ বেলা ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জেএসসি-জেডিসির ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, এবার দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৩ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫৯ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৭৫ জন। এবার ৯ হাজার ৪৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সব শিক্ষার্থী পাস করেছে। গতবারের চেয়ে এবার ৮৬৭টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮। গতবার এই সংখ্যা ছিল ৪৩।
    শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু আট বোর্ডের অধীন জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯২.৮৯ শতাংশ। এই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯ জন পরীক্ষার্থী। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬১৯ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪৯৬ জন।
    অপরদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন।
    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা গত ১ নভেম্বর শুরু হয়। শেষ হয় ১৭ নভেম্বর। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা ২০ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ২৭ নভেম্বর। জেএসসি-জেডিসি ও প্রাথমিক-ইবতেদায়ী পরীক্ষায় এবার মোট ৫৬ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন এবং প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন।