Category: লাইফ স্টাইল

  • করোনা আক্রান্তের পর ঘুম কমলে কী করবেন

    করোনা আক্রান্তের পর ঘুম কমলে কী করবেন

    এবিএনএ : অতিমারির এই পরিস্থিতিতে সবারই নিত্যদিনের রুটিন বদলে গেছে। অফিসে কিংবা বাড়ির কাজে এসেছে পরিবর্তন। এছাড়া করোনার সংক্রামণে উদ্ভূত পরিস্থিতি অনিশ্চয়তা ও ভীতি সৃষ্টি করছে সবার মনে। এসব কারণে ঘুম কমে গেছে অনেকের। অন্যদিকে, ঘুম কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসেরও সরাসরি ভূমিকা আছে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যারা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশের ঘুম কমে গিয়েছে।

    কোভিডের রুটিন বদলে যাওয়া বা অনাকাঙ্খিত অবসর তৈরি হওয়ায় রাতজাগার পরিমাণ বাড়ছে। অনেকেরই নেই সকালে অফিস বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস। করোনা বিভিন্নভাবে শরীরের ক্ষতি করছে। তার মধ্যে ঘুমের সমস্যাও অন্যতম। এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে কোভিড নিয়ে গবেষণারত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাস ফুসফুস বা অন্ত্রের যে ক্ষতি করেছে, তার ফলে শ্বাসের সমস্যা, খাবার হজম হওয়ার সমস্যা হচ্ছে। এর পাশাপাশি স্নায়ুরও ব্যাপক ক্ষতি করেছে। স্নায়ুর এই পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবটি গিয়ে পড়ছে ঘুমের উপর।

    করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ থেকে জলদি সেরে ওঠার জন্য বিশ্রাম খুব প্রয়োজন। প্রতিদিন তাই পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। কিন্তু যাদের ঘুমের সমস্যা হচ্ছে, তাদের সুস্থ হয়ে উঠতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, কোভিডের কারণে ঘুম না আসাটা কোনো মারাত্মক বা ভয়াবহ সমস্যা নয়। সাধারণত, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কয়েক দিন পরেই ঘুমের সমস্যা কেটে যায়। কিন্তু ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত অনিয়মিত ঘুম হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতেই হবে। এক্ষেত্রে হয়তো তাদের ঘুমের ওষুধ দিতে পারেন চিকিৎসকেরা। তবে, কোভিড থেকে সেরে উঠা রোগীদেরও আতঙ্ক বা উদ্বেগ কমাতে হবে। মনকে রাখতে হবে শান্ত। তাহলে ঘুমের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ মিলবে সহজেই।

  • গরমে সুস্থ থাকতে এই ৫টি খাবার এড়িয়ে চলুন

    গরমে সুস্থ থাকতে এই ৫টি খাবার এড়িয়ে চলুন

    এবিএনএ : আমাদের বেঁচে থাকার জন্য এবং শরীরে সঠিক পুষ্টি উপাদানের জন্য খাবার অনেক জরুরি।  কিন্তু গরমে আমাদের অবশ্যই বুঝেশুনে খাবার খেতে হবে। কারণ এমন অনেক খাবার আছে, যা গরমের দিনে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ জন্য শরীরকে হাইড্রেট রাখতে হলে অবশ্যই কিছু খাবার গরমের দিনে এড়িয়ে চলতে হবে।

    লবণ : লবণে সোডিয়াম ক্লোরাইড থাকে, যা খাবারের স্বাদবর্ধক। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় লবণ খেলে হার্টের সমস্যা, প্রেসার বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া লবণ বেশি খেলে কিডনির সমস্যা, ডিহাইড্রেশনের সমস্যা তৈরি হয়।  এর অর্ধ হচ্ছে, কোষ থেকে শরীর পানি বের করে দেয়।  এ জন্য লবণ যত কম খাওয়া যায় তত ভালো

    চা-কফি

    গরমে শরীর সুস্থ রাখতে হলে চা-কফি কমাতে হবে বা সম্ভব হলে একেবারে বাদ দিতে হবে। কারণ গরমের দিনে গরম চা-কফি শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গরমের দিনে চা-কফির বদলে লেবুর শরবত, আমের শরবত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    মসলাজাতীয় খাবার

    গরমের দিনে যত ঝাল ও মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়া যায় তত ভালো। ঝালজাতীয় খাবারে ক্যাসেসিন নামের এক উপাদান থাকে, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।  এর ফলে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হয়।

    ভাজা খাবার ও জাঙ্ক ফুড : জাঙ্ক ফুড শরীরের জন্য কত খারাপ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সমুচা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস, জাঙ্ক ফুড আমাদের অনেকের পছন্দ। তবে এসব খাবার শরীর ডিহাইড্রেট করে দেয়, সেই সঙ্গে হজমেও সমস্যা করে।

    আচার : আচারের নাম শুনলেই জিবে জল চলে আসে। তবে আচারে অতিরিক্ত সোডিয়াম থাকার কারণে আচার বেশি খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। বেশি আচার খেলে পেটে সমস্যা থেকে আলসার হতে পারে।

  • করোনায় ফুসফুস ভালো রাখবে যে যোগাসন

    করোনায় ফুসফুস ভালো রাখবে যে যোগাসন

    এবিএনএ : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে মানুষের শরীরে অনেক সময় অক্সিজেনের স্বল্পতা তৈরি হয়। এ কারণে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা ঘন ঘন অক্সিজেন স্যাচুরেশন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন। এ জন্য পালস অক্সিমিটার ব্যবহার করতে পারেন।

    শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে প্রোনিং। এটি এক ধরনের ব্যায়াম। তবে মেদান্তা হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. নরেশ ত্রিহান ফুসফুস সুস্থ রাখতে ইয়োগা করারও পরামর্শ দিয়েছেন। করোনায় তিনি যে প্রাণায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন তা হলো অনুলোম-বিলোম প্রাণায়াম। এই যোগাসন ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী বলে জানান তিনি।

    অনুলোম-বিলোম প্রাণায়াম যেভাবে করবেন

    পিঠ এবং ঘাড় সোজা রেখে মেডিটেশন বা ধ্যানের ভঙ্গিতে বসুন। চোখ বন্ধ করুন। ডান হাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে নাকের ডান ফুটো চেপে বন্ধ করে বাঁ ফুটো দিয়ে শ্বাস নিন। শ্বাস ধীরে ধীরে ফুসফুস ভরে নিতে হবে। তাড়াহুড়ো করবেন না। এরপর ডান হাতের অনামিকা দিয়ে নাকের বাঁ ফুটো বন্ধ করে ডান ফুটো দিয়ে পুরোটা শ্বাস বের করে দিন। একইভাবে কয়েকবার শ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।

  • গরমেও ত্বক থাকবে সতেজ

    গরমেও ত্বক থাকবে সতেজ

    এবিএনএ : গরমকাল এলেই একটাই চিন্তাই মাথায় ঘোরে৷ সেটি হল ত্বক৷ ত্বককে ঠিক রাখতে কত কিছুই না করা হয়৷ যা বলে সেটাই একবার করে পরীক্ষা করা হয়ে থাকে৷ আবার কারোর ত্বক যদি তৈলাক্ত প্রকৃতির হয়৷ তাহলে দুশ্চিন্তা দ্বিগুণ হয়ে যায়৷ গরমে ঘামও হয় বেশি৷ তাই ধুলোবালি খুব সহজেই ত্বকে মেখে যায়৷ দরকার ত্বকের বাড়তি যত্ন৷ তবে জেনে নিন এই সময় ঘরোয়া পদ্ধতিতে কিভাবে ত্বককে ঠিক রাখবেন৷

    গরমে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন৷ পানি শুধু শরীরে আর্দ্রতা যোগায় না, ত্বককে সজীব করে তোলে৷ সকালে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করুন৷ যদি এমন হয় সারাদিন বাইরে বের হননি তবুও রুটিন করে ত্বক পরিষ্কার করতে ভুলবেন না৷ আর যতবার পারবেন ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুবেন৷

    গরমের সময়ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার বন্ধ করবেন না৷ কারণ ময়েশ্চারাইজার ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর পাশাপাশি ত্বককে নরম রাখে৷ তবে গরমের সময় ওয়াটার বেজ ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন৷ টোনার ত্বকের রোমকূপ বন্ধ ও ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে৷ বাজার থেকে ভালো কোম্পানির টোনার দেখে কিনুন৷ ঘরোয়া টোনার হিসেবে গোলাপজল ভালো কাজ করে৷

    বেসন ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে খুব কার্যকর৷ বেসনের সঙ্গে টকদই ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন৷ শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন৷ রোদে পোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস ভালো কাজ করে৷ পেঁপে প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে ভালো কাজ করে৷ তাই ত্বক পরিষ্কার করতে দুই টেবিল চামচ চটকানো পেঁপের সঙ্গে এক চা চামচ মধু ও একটা ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন৷

    গরমে ত্বক শীতল রাখা খুব প্রয়োজন৷ এক টেবিল চামচ কোরানো শসার সঙ্গে এক টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। খুবই সতেজ অনুভব করবেন। এ ছাড়া পুষ্টিকর খাবার, ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুম ত্বক ভালো রাখার জন্য খুবই জরুরি।

    গরমের সময় ত্বকের মরা কোষ দূর করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য ত্বককে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি৷ কারণ এই সময় ধুলোময়লা জমে ত্বক অপরিচ্ছন্ন হয় বেশি৷ চার-পাঁচ চামচ বেসনের সঙ্গে এক চামচ হলুদ, পাঁচ-ছয় ফোটা গোলাপজল ও দুধ মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন৷ আধঘণ্টা পর ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন৷

  • যেসব ফল ও সবজি খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

    যেসব ফল ও সবজি খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

    এবিএনএ : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যার যত বেশি তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কম। তাই চিকিৎসকরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর প্রতি জোর দিচ্ছেন। বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি। জেনে নিন সেই সম্পর্কে।

    ১. লেবু: লেবুতে থাকে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। ভিটামিন সি শরীরে উৎপাদিতহয় না। তাই খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। লেবু খুব সহজ লভ্য। পাতি লেবু, কমলা লেবু, বাতাবি লেবু ইত্যাদি রোজকারডায়েটে রাখলে শরীরে ভিটামিন সির যোগান অটুট থাকবে যার ফলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

    ২. ব্রকোলি: ব্রকোলি ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সম্বৃদ্ধ। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ও ভিটামিন ই থাকে। এর পাশাপাশি ব্রকলিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    ৩. রসুন: প্রত্যেকের রান্নাঘরে রসুন থাকেই। রসুন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রাচীনকালে সংক্রমন প্রতিরোধে ব্যবহার করা হতো রসুন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রসুন হার্টের জন্য ভালো। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। রসুনে উপস্থিত সালফার ও আয়লিসিনিনইমিউনিটি বাড়ায়।

    ৪. পালং শাক: পালং শাকে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন সহ অনেক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

    ৫. পেঁপে: পেঁপে ভিটামিন সিসম্বৃদ্ধ। পেঁপে ইমিউনিটি বৃদ্ধির পাশাপাশি হজমের সমস্যা সমাধান করে ও লিভারকে ভালো রাখে।

  • গরমে ত্বকের যত্ন

    গরমে ত্বকের যত্ন

    এবিএনএ: ঋতু অনুয়ায়ী ত্বকের যত্ন ও পরিচর্যা ভিন্ন হয়ে থাকে। তার মধ্যে গরমকালে ত্বকের বিশেষ রুপচর্চা ও যত্ন প্রয়োজন হয়। জেনে নিন গ্রীষ্মে বাড়িতেই কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন।

    সানস্ক্রিনের ব্যবহার

    গরমকালে রোদের তাপে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যেতে পারে। তা থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন অবশ্যই ব্যবহার করুন। রোদে বেরোনোর প্রায় ১৫ মিনিট আগে, মুখ-হাত-পা এবং শরীরের খোলা অংশে সানস্ক্রিন লাগান। এক্ষেত্রে আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী সানস্ক্রিন বাছাই করুন। তবে শুধু রোদ না, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সামনে কাজ করার আগে ও রান্না করার আগেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বেশ কার্যকরী।

    ঘন ঘন মুখে পানির ঝাপটা দেওয়া

    গরমকালে কম-বেশি সকলেরই ঘাম হয়। তাই বারবার মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে ত্বকে ঘাম বসবে না। সেই সঙ্গে অনেকটা সতেজও লাগবে।

    সাবান পরিবর্তন করা

    শীতকালে মুখ ধোওয়ার জন্য যে সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করতেন, গরমে তা কিন্তু চলবে না। কারণ গরমে মুখের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল বের হয়। ফলে গরমে আলাদা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে বডি সোপের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রচুর ফল খাওয়া

    গরমে যতটা বেশি সম্ভব ফল খান। এতে শরীরে পানি ও অন্যান্য তরলের ভারসাম্য বজায় থাকবে। এছাড়া ফলে থাকা ভিটামিন, পুষ্টিগুণ ত্বক ও শরীর ভালো রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে

    অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় ক্রিম ব্যবহার

    গরমকালে অতিরিক্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত ক্রিম বা সেরাম ব্যবহার করুন। কারণ এর ফলে আপনার কোমল ত্বকের কোনও ক্ষতি হবে না। সেই সাথে ত্বকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও সুষমভাবে বজায় থাকবে।

    প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা

    গরমকালে শরীরে বেশি মাত্রায় টক্সিন বা দূষিত পদার্থ জমা হয়। তাই গ্রীষ্মে বেশি জল খাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে জল খেলে ত্বক হাইড্রেটেট থাকবে এবং উজ্জ্বলতা বাড়বে।

    টোনার ব্যবহার

    গরমে টোনার ব্যবহার করা উচিত। কারণ টোনার ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমিয়ে দেয় এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে। এমনকি টোনার ব্যবহার করলে ত্বকে সজীব ভাব আসে।

    কম মেকআপ

    এই সময়ে যতটা সম্ভব কম মেকআপ ব্যবহার করুন। গরমে ঘাম বেশি হয়। তার ওপরে মেকআপ করলে ত্বকে চাপ পড়ে যা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। গরমে মেকআপ সামগ্রীও বুঝে বাছাই করা উচিত৷

  • করোনা সংক্রমণ এড়াতে কী খাবেন কী খাবেন না

    করোনা সংক্রমণ এড়াতে কী খাবেন কী খাবেন না

    এবিএনএ : করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিদিন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আগের তুলনায় বাড়ছে সংক্রমণ। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে বারবারই সতর্ক থাকতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে থাকে। ফলে, সংক্রামক রোগগুলির ঝুঁকি কম থাকে। তাই করোনাকে মোকাবেলা করতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, করোনা থেকে বাঁচতে ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার, প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

    করোনাকালে যেসব খাবার খাওয়া ঠিক নয় 

    ১. অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে মানুষ খুব দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়ে। করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি লবণ না খাওয়াই শ্রেয়। খাদ্যতালিকায় অ্যাভোকাডো, মাছ, অলিভ অয়েল, মাংস, নারকেল, পনির এবং ঘি রাখার চেষ্টা করুন।
    ২. প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন। এর ফলে শরীরে পানির কোনও অভাব হবে না এবং দেহের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যতটা সম্ভব পানীয়তে চিনির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। বিশেষভাবে প্যাকেটজাত ফল এবং শাকসবজি ব্যবহার করার সময়, লেবেলে পরিমাণ মতো চিনি এবং লবণের পরিমাণটি পড়তে ভুলবেন না।

    কী খাবেন 

    ১. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সপ্তাহে একবার বা দু’বার রেড মিট খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া, মাছ, ডিম এবং দুধের সঙ্গে ১৬০ গ্রাম মাংস, মটরশুটি খাবার খাওয়া উচিত।

    ২. শস্য এবং বাদাম ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। যে কেউ যদি ভুট্টা, ওট, গম, বাদামি চাল বা আলুর মতো ১৮০ গ্রাম শস্য খায় তবে সে সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল এবং শাকসবজি ছাড়াও বাদাম, নারকেল, পেস্তা জাতীয় বাদামও অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে, করোনা সংক্রমণ এড়ানোর জন্য পেয়ারা, আপেল, কলা, রুটবেরি, আঙুর, আনারস, পেঁপে, কমলা জাতীয় খাবার রোজ দু’কাপ পরিমাণে খাওয়া উচিত। সবজির মধ্যে সবুজ বেল পেপার, মরিচ, রসুন, আদা, কলা, ধনে, কাঁচা মরিচ, ব্রকলি খেতে হবে। চিনি, লবণ এবং ফ্যাটযুক্ত খাবারের চেয়ে বেশি করে তাজা ফল এবং শাকসবজি খাওয়া উচিত। এগুলি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুব উপকারী। সঠিক খাবার গ্রহণ ছাড়াও করোনা এড়াতে সবার স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।  ব্যায়াম, মেডিটেশন এবং পর্যাপ্ত ঘুম প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করবে।

  • সেহরীতে কী খাবেন, কী খাবেন না

    সেহরীতে কী খাবেন, কী খাবেন না

    এবিএনএ : পবিত্র রমজান মাস।  এ মাসে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখেন এবং ইবাদত করেন।

    রমজানে কোভিড-১৯ এর কথা মাথায় রেখে এবং আমাদের সকলের সুস্থতার জন্য চাই একটু বাড়তি সতর্কতা।  এ মাসে খাদ্যাভ্যাস এমন হওয়া প্রয়োজন যেন আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি খাবার থেকে পাই এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

    রমজানের সময় এমনিতেই আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আসে এবং অনেকে পানিশূণ্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি, বুকে পেটে ব্যাথা, বদ-হজম সহ নানা জটিলতায় ভোগেন।  তবে খাবার গ্রহণে কিছুটা সতর্কতা ও নিয়ম মেনে চললে অনেক স্বাস্থ্যগত সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

    ইফতার, রাতের খাবার ও সেহেরীর প্রতি সমান গুরুত্ব দেয়া একান্ত প্রয়োজন। অনেকে সেহেরীর সময় শুধু পানি, খেজুর খেয়ে রোজা রাখেন। পানি, খেজুর আমাদের শরীরের জন্য অবশ্যই ভালো। তবে এই দুটো জিনিস আমাদের সারাদিনের শক্তি সরবরাহের জন্য যথেষ্ট নয়। কেমন হবে সেহেরীর খাবার চলুন জেনে নেই।

    এই সময়ের খাবারে জটিল শর্করা যেমন- লাল চাল, লাল আটা, ওটস, বার্লি, শস্য দানা খেলে অনেক সময় পর্যন্ত শক্তি পাওয়া যায়।  কেননা এই জাতীয় খাবার ধীরে হজম হয় এবং সময় নিয়ে রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করে।

    সেহেরীতে প্রোটিন জাতীয় খাবার অবশ্যই রাখতে হবে।  প্রথম শ্রেণির প্রোটিন যেমন- মাছ,মাংস, ডিম, দুধ এই ধরণের খাবার খেতে হবে।

    রোজায় ডাল জাতীয় খাবার পরিমাণে বেশি খাওয়া হয় বলে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে।

    প্রাণি থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন হাই বায়োলজিক্যাল ভ্যালু সম্পন্ন হওয়ায় এটি অধিক সময় আমাদের কর্মক্ষম রাখে এবং শরীরের ক্ষয় পূরণ করে।

    সেহেরীতে আঁশ সমৃদ্ধ খাবারকে বেছে নিতে হবে। আঁশ সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে বিভিন্ন শাক-সবজি রয়েছে। রঙিন ও পানি জাতীয় সবজি (লাউ, পটল, পেঁপে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, টমেটো, চালকুমড়া, ক্যাপ্সিকাম, বীট, গাজর, ইত্যাদি) পাকস্থলিতে উত্তেজনা কমায় এবং সহজে হজম হয়। তাই মিশ্র সব্জিও সেহেরীতে রাখতে পারেন। তবে যারা সেহেরীতে তরকারি জাতীয় খাবার খেতে চান না তারা দুধ, কলা, আম দিয়েও খেয়ে নিতে পারেন।  সেই সঙ্গে বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুট যেমন কিসমিস, কাঠবাদাম, খেজুর (১/২ টি)-ও এসময় খাওয়া যায়। এগুলো শরীরে শক্তি সরবরাহ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাস-তন্ত্রের জটিলতা দূর করে, হজমে সহায়তার পাশাপাশি হার্ট ভালো রাখে।
    ইফতার থেকে সেহেরী পর্যন্ত সারা দিনের বরাদ্দকৃত ১.৫-২ লিটার পানি পান অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।  তবে সেহেরীতে একবারে অনেকটা পানি খাওয়া ঠিক নয়। কোনোভাবেই যেন পানিশূন্যতা না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    অনেকের সেহেরীর পর চা, কফি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে।  চা, কফি ডাইইউরেটিক হওয়ার ফলে সহজেই শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের হবে দেয়। ফলে খুব দ্রুত পানি পিপাসা পায়।  অনেক সময় পেটে অস্বস্তি বৃদ্ধি করে।  চা, কফির ক্যাফেইন আমাদের শরীরে আয়রন শোষণে ব্যাঘাত ঘটায়।

    তাই চেষ্টা করুন এই জাতীয় খাবার সেহেরীতে না খাওয়ার। ডায়বেটিক রোগীদের মিষ্টির ক্ষেত্রে সর্তক থাকতে হবে। এ সকল রোগীর রক্তের গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া কোনটিই ভালো নয়।  সেহেরী যথাসম্ভব দেরি করে খেলে পেট দীর্ঘ সময় ভরা থাকে।  সুষম খাবার আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে আমাদের সকলেরই খাবারের ৬টি উপাদানের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

  • ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই কীভাবে বুঝবেন গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে?

    ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই কীভাবে বুঝবেন গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে?

    এবিএনএ : সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে- প্রত্যেক গর্ভবতী নারী গর্ভাবস্থার শুরুতেই এটি জানতে চান। প্রকৃতপক্ষে, যেসব দম্পতি প্রথমবার মা-বাবা হতে যাচ্ছেন তাদের কথোপকথনের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ হলো গর্ভস্থ বাচ্চার লিঙ্গ।

    অনেক দম্পতি এ বিষয়ে এতটাই কৌতূহলী হন যে, জানতে চিকিৎসকের কাছে যান। হ্যাঁ এটা সত্য যে, আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু কন্যাশিশু মেরে ফেলার কারণে কিছু দেশে গর্ভস্থ বাচ্চার লিঙ্গ শনাক্তকরণ পরীক্ষা নিষিদ্ধ করেছে। যেমন: ভারত। অনেকের মতে, ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই কিছু লক্ষণ দেখে বোঝা যায়, পরিবারে কন্যা সন্তানের আগমন ঘটতে যাচ্ছে। কিন্তু এসব ধারণা কতটা সত্য?

    উঁচু পেট

    পেট বেশি উঁচু হলে অনেকে নিশ্চিত থাকেন যে, মেয়ে হবে। আমরা বলছি না, তাদের ধারণা মিথ্যা। তবে এই ধারণা ভুলও হতে পারে। এটা মনে রাখা ভালো যে, পেট বেশি উঁচু হওয়ার আরেকটি কারণ রয়েছে। ভালো শারীরিক গঠনের যেসব নারী প্রথমবার মা হতে যাচ্ছেন তাদের পেট বেশি উঁচু হতে পারে। নারীর শরীরের আকৃতি, পেটের পেশি এবং গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি- এসব কারণেও পেট উঁচু হতে পারে। কয়েকবার গর্ভবতী হলেও পেটের পেশির নমনীয়তার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এসবের ওপর বাচ্চার লিঙ্গের কোনো প্রভাব নেই।

    পেটের কোথায় গর্ভস্থ বাচ্চার ওজন বহন করা হচ্ছে তার ভিত্তিতে একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। কারো পেটের মাঝখানে গর্ভাবস্থাজনিত ওজন বাড়লে ধারণা করা হয় যে তিনি কন্যা সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন। কিন্তু এটাও একটি ভুল ধারণা। কোনো নারী পেটের মাঝখানে ওজন বহন করলে এটা নিশ্চিত হওয়া যাবে না যে মেয়ে হবে। তিনি ছেলে সন্তানেরও মা হতে পারেন। গর্ভাবস্থাজনিত ওজন কোথায় বাড়বে তা নির্ভর করে গর্ভবতী নারীর শারীরিক আকৃতি, ওজন বৃদ্ধি ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থার ওপর।

    গর্ভস্থ বাচ্চার দ্রুত হৃদস্পন্দন হার

    কেউ কেউ অধীর আগ্রহ নিয়ে চিকিৎসকের কাছে জানতে চান, শিশুর হৃদস্পন্দন হার (হার্ট রেট) কত? কারণ তারা শুনেছেন, হৃদস্পন্দন হার যত বেশি হবে, মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। অনেকের মতে, গর্ভস্থ বাচ্চার হৃদস্পন হার প্রতি মিনিটে ১৪০ এর বেশি হলে মেয়ে হবে। কিন্তু জেনে রাখুন, এটাও ভুল ধারণা। সাধারণত মেয়ে শিশুর হৃদস্পন্দন ছেলে শিশুর চেয়ে দ্রুত হয়, কিন্তু এটা কেবলমাত্র প্রসব প্রক্রিয়া শুরুর পরে। গর্ভাবস্থার ৫ম সপ্তাহে ভ্রুণের হৃদস্পন্দন হার মায়ের মতো একই থাকে- প্রতি মিনিটে ৮০ থেকে ৮৫ এর মধ্যে। তারপর ৯ম সপ্তাহ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত হারে বাড়তে থাকে- প্রতি মিনিটে ১৭০ থেকে ২০০। এরপর কমতে শুরু করে গড়ে ১২০ থেকে ১৬০ হয়।

    মিষ্টি খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা

    বলা হয়, গর্ভাবস্থায় বেশি করে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে চাওয়ার মানে হলো শরীরের ভেতর কন্যা সন্তান বেড়ে ওঠছে। এর পরিবর্তে এ সময় যাদের লবণাক্ত বা টক জাতীয় খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়ে তারা নাকি ছেলে সন্তানের মা হবেন। কিন্তু এসব আসলে ধারণা মাত্র। গবেষকরা জানান, গর্ভাবস্থায় অদ্ভুত অদ্ভুত খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধির একটি সম্ভাব্য কারণ হলো, কিছু নির্দিষ্ট মিনারেলের ঘাটতি। এর সঙ্গে গর্ভস্থ বাচ্চার লিঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই।

    ব্রণ ও তৈলাক্ততা

    গর্ভাবস্থায় অনেকের ত্বকে বেশি করে ব্রণ ওঠে ও তৈলাক্ততা বাড়ে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে। একটি সাধারণ বিশ্বাস যে, পেটের ভেতর কন্যা শিশু আছে বলে এমনটা হচ্ছে। কারণ মায়ের সৌন্দর্য তার কাছে চলে যাচ্ছে। গবেষকদের মতে, গর্ভকালে ত্বক তৈলাক্ত হওয়া ও ব্রণ ওঠার সঙ্গে গর্ভস্থ সন্তানের লিঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই। এর দায়ভার হরমোনের ওপর চাপাতে পারেন। গর্ভাবস্থায় অ্যান্ড্রোজেন নামক হরমোন বেড়ে যায় বলে বেশি করে সিবাম উৎপন্ন হয়। এই তৈলাক্ত পদার্থ ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে দেয় ও ব্রণের প্রাদুর্ভাব ঘটায়।

    সকালবেলা বেশি অসুস্থতা

    আরেকটি প্রচলিত বিশ্বাস যে, গর্ভাবস্থার যে কোনো পর্যায়ে সকালে অত্যধিক অসুস্থ হওয়ার অর্থ হলো, মেয়ে শিশু জন্ম নিতে যাচ্ছে। কিন্তু এটাও একটি ভুল ধারণা। প্রকৃতপক্ষে, গর্ভকালে সকালের অসুস্থতা (বিশেষত বমিভাব ও বমি) হলো একটি সাধারণ উপসর্গ। সাধারণত গর্ভাবস্থার প্রথম চার মাসে এই লক্ষণ প্রকট হয়। এটি প্রায়ক্ষেত্রে গর্ভবতী হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ। হরমোনের মাত্রা বেড়ে গেলে একজন গর্ভবতী নারী সকালে অসুস্থতা অনুভব করতে পারেন। এর আরেকটি কারণ হলো, রক্ত শর্করা কমে যাওয়া। যাদের পেটে যমজ বাচ্চা রয়েছে তারা বেশি অসুস্থতা অনুভব করতে পারেন। যিনি প্রথমবার মা হতে যাচ্ছেন তিনিও বেশি অসুস্থ হতে পারেন।

    মেজাজের দ্রুত পরিবর্তন

    হঠাৎ করে দ্রুত মেজাজ খুব খারাপ হয়ে গেলে অনেকে মনে করেন মেয়ে হবে। কিন্তু এই ধারণার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। গবেষকদের মতে, গর্ভাবস্থায় মেজাজের অননুমেয় পরিবর্তনের একটি কারণ হলো হরমোন বৃদ্ধি। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক দিনগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উৎপন্ন হয়। এই দুটি হরমোন মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে, যার ফলে গর্ভবতী নারীর ভালো মেজাজ দ্রুত খারাপ হয়ে যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না।

  • যে ৫ কারণে ভেঙে যেতে পারে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক

    যে ৫ কারণে ভেঙে যেতে পারে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক

    এবিএনএ : সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকবেই। তবুও সংসার সুখের করতে ত্যাগ সহ্য করতে হয়। কখনো হাসি, কখনো কান্না এ নিয়েই সংসার। পথে বহু বাঁক আসে, চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। সংসার টিকে থাকে দু’জন মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের উপর। তবে কিছু আচরণ রয়েছে যা অবিশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে সম্পর্কের ভিত উপড়ে ফেলে অবিশ্বাস। এজন্য সংসারে যতই ঝড় আসুক না কেন, কিছু আচরণ রয়েছে যেগুলো দীর্ঘদিনের সম্পর্কও নষ্ট করে দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কোন আচরণ?

    >> ছোট-বড় কোনো কিছুই সঙ্গীর কাছ থেকে কিছু লুকাবেন না। সে টাকা-পয়সা হোক, ধার-দেনা হোক, পারিবারিক সমস্যা হোক, পুরোনো সম্পর্ক হোক কিংবা অন্য কিছু- কোনো বিষয়ই লুকাবেন না। এতে পরস্পরের মধ্যে অবিশ্বাস জন্মাতে পারে। যা সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে করে দিতে পারে।

    >> যত কঠিন বিষয় নিয়েই ঝগড়া হোক না কেন কখনো কথা বন্ধ করবেন না। দোষ বা ভুল যারই হোক, পরস্পর আলোচনার মাধ্যমে খোলাখুলি কথা বলে সমাধান করুন। কথা বন্ধ করে থাকলে দু’জনের প্রতি তিক্ততা আরও বেড়ে যাবে।

    >> সঙ্গীর নামে অপরের কাছে কখনো নিন্দা করবেন না। খুবই খারাপ বিষয় এটি। নিজের বন্ধু বা আত্মীয়দের কাছে এতে সঙ্গীকে অপমানিত করা হবে। যখন সঙ্গী তার সম্পর্কে কোনো খারাপ কথা অন্যের মুখে শুনবে; তখন সম্পর্কের ভিত নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এ বিষয়ে সাবধান থাকুন।

    >> কখনো পুরনো রাগ-ক্ষোভ মনের মধ্যে জমিয়ে রাখবেন না। এতে এক পর্যায়ে মারাত্মক ঘটনা ঘটতে পারে। তাই যখনকার রাগ; তখনই ঝেড়ে ফেলুন। সবচেয়ে ভালো হয়, পরস্পরের মধ্যকার দোষ ও অভিযোগ নিয়ে কথা বলে মীমাংসা করা।