এ বি এন এ : মার্কিন অ্যাপল সংস্থা আইফোনের লোগোতে অ্যাপল থাকলেও তা অ্যাপলের মতো দেখতে নয়। কিন্তু চীনের কাকা টেকনোলজির সংস্থার তৈরি করা ম্যাঙ্গো ফোনটি দেখতে হুবহু আমের মতোই। ডুয়েল সিম সমৃদ্ধ এই ফোনটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। 2 ইঞ্চির QVGA টাচ স্ক্রিন, 1.3 মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে ফোনটিতে। ফ্লিপ ধরণার এই মোবাইলটির ক্যামেরাতে ফ্ল্যাশ রয়েছে। GPRS, ওয়াপ, এমএমএস, গেমস ফান, ই-বুক রিডার রয়েছে ফোনটিতে। এছাড়াও এফএম রেডিও রয়েছে। চীনের বাজারে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে।
Category: তথ্য প্রযুক্তি
-

আইসিটি খাতে আয় বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে: জয়
এ বি এন এ : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি সেক্টরের রফতানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ২০১৮ সালের মধ্যেই আইসিটি খাতে রফতানি আয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটলে দুই দিনব্যাপী ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। ২০২১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যআয়ের দেশে পরিণত হবে। এজন্য লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে সরকার। আইসিটি খাতকে লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, আউটসোর্সিং খাতে বাংলাদেশ অনেক সাফল্য অর্জন করেছে। তবে গ্লোবাল মার্কেটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে হলে দেশের অভ্যন্তরীণ মার্কেটগুলোকে উন্নত করতে হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েন অব কল সেন্টার আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে এই সামিটের আয়োজন।অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সেখানো আরো বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক টেলিকমিউকেশন সংস্থার মহাপরিচালক হাওলিন ঝাও, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ।
-

ফেসবুকে সবচেয়ে অদ্ভূত ভিডিও
এ বি এন এ : ফেসবুকে নানা ধরনের ভিডিও ব্যবহারকারীরা শেয়ার করে থাকেন। এর মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে অনেকে দুঃসাহসিক কাণ্ডের ভিডিও পোস্ট করে থাকেন।
তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার ক্যাসপার নাইট নামক এক গায়ক তার ফেসবুকে যে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, সেটিকে সবচেয়ে ভয়ংকর, জঘন্য, নাকি অদ্ভূত ভিডিও বলা উচিত, সেটা অনেকে ভেবে পাচ্ছেন না।
ঘটনা হচ্ছে, ক্যাসপার নাইট নামক এই গায়ক তার নিজের গালে গুলি করার একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। জনপ্রিয়তার পেতে তার এ ধরনের কাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে ক্যাসপার তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, তিনি তার একটি মিউজিক ভিডিওতে এ দৃশ্যে রাখতে চান, কিন্তু কোনো ক্যামেরাম্যান এই দৃশ্য ধারণে রাজি হচ্ছিল না। তাই তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিওটি তৈরি করেছেন। নিজের গালের গুলি চালানোটা তার জন্য নতুন কিছু নয়, এর আগে তিনি এমনটা করেছেন। এবং গুলির এই ব্যাথার মাত্রাটা ১০ এর মধ্যে ৪ এর মতো।
ভিডিওটি তার অ্যাকাউন্টে আপলোডের পরপরই ৫ লাখ মানুষ দেখে। তবে জনপ্রিয়তা পেতে তার এই ভিডিওটিকে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী জঘন্য বলে উল্লেখ করায়, ক্যাসপার নাইট তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি আপাতত বন্ধ রেখেছেন। তবে কেউয়ি নামক ফেসবুকে অন্য আরেকজন ভিডিও শেয়ার করেছেন। এবং সেখানে ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১৫ লাখের বেশিবার এবং শেয়ার হয়েছে ৩০ হাজারের বেশি। কমেন্ট ২০ হাজারের বেশি।
https://www.facebook.com/KueiOG/videos/1139771389414070/
-

৪.৮৩ বিলিয়ন ডলারে ইয়াহুকে কিনে নিল ভেরিজন
এ বি এন এ : বিশ্বখ্যাত টেক জায়ান্ট ইয়াহু ইনকর্পোরেটেডের ইন্টারনেট ব্যবসা নগদ ৪.৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে আত্তীকরণ প্রক্রিয়া শেষ করেছে টেলি কমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান ভেরিজন। এতে ধুকতে থাকা প্রতিষ্ঠানটির একটি যুগের অবসান হলো।ইয়াহুর ইন্টারনেট ব্যবসা কিনে নেয়ার পরে ভেরিজন তাদের আমেরিকান অনলাইন (এওএল.কম) এর উন্নতি ঘটাতে পারবে। ৪.৪ বিলিয়ন ডলারে গত বছর প্রতিষ্ঠানটিকে কিনেছিল তারা। ইয়াহুর বিজ্ঞাপন টেকনোলজি, মেসেঞ্জার ও মেইল ব্যবহার করে এখন সেটির উন্নয়ন সাধন করতে পারবে।এই চুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইয়াহুর সমাপ্তি ঘটলো। তবে এই চুক্তিতে চাইনিজ ই কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা গ্রুপের ১৫ শতাংশর মালিকানা, ইয়াহু জাপান কর্পোরেশনের ৩৫.৫ শতাংশ অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আলিবাবা ও ইয়াহু জাপানের বিনিয়োগের পরিমাণ ৪০ বিলিয়ন ডলার যেখানে শুক্রবার পর্যন্ত ইয়াহু ইনকর্পোরেটেডের বাজারমূল্য ছিল ৩৭.৪ বিলিয়ন ডলার। -

পেপ্যাল নিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা কী ভাবছেন?
এ বি এন এ : অবশেষ বাংলাদেশে চালু হচ্ছে অনলাইন-ভিত্তিক অর্থ লেনদেনসেবা পেপ্যাল। পেপ্যালের সঙ্গে কিছুদিন আগে চুক্তি করেছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের পক্ষে উপমহাব্যবস্থাপক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এ চুক্তিতে সই করেন। প্রথমে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে খসড়া চুক্তিতে সই করে তা পাঠানো হয় পেপ্যালের সদর দপ্তরে। সেখান থেকে পেপ্যালের পক্ষে চুক্তিতে সই করা হয়েছে বলেও সোনালী ব্যাংক জানিয়েছে। এর ফলে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং কাজে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা। বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু হওয়ার ব্যাপারে কথা বলেছেন কয়েকজন সফল ফ্রিল্যান্সার।
দেশে অর্থ আনার একটি অতিরিক্ত মাধ্যম যোগ হবে
এমরাজিনা ইসলামফ্রিল্যান্সার। বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্ত
পেপ্যাল আসছে, এমন খবর আমরা আগেও অনেকবার শুনেছি। কিন্তু এবার মোটামুটি নিশ্চিত হতে পেরেছি পেপ্যাল আসছে। এটি আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুবই আনন্দের সংবাদ। কারণ, টাকা আনার একটি অতিরিক্ত মাধ্যম আমরা পেতে যাচ্ছি। কিন্তু আমি জানি না বাংলাদেশে পেপ্যাল কেমন ফি কাটবে। আমি বর্তমানে পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডে এবং ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে টাকা আনছি। পেওনিয়ারের চার্জের চেয়ে যদি পেপ্যালের চার্জ বেশি হয়, তবে পেপ্যালে টাকা আনব না। চার্জ কম রাখলে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অনেক ভালো হবে। যেসব মাধ্যম আছে টাকা আনার, তার মধ্য থেকে পেপ্যালের পরিচিতি অনেক বেশি, এটি সব দেশে অ্যাকসেস আছে। তা ছাড়া অনলাইন কেনাকাটার জন্য পেপ্যাল খুবই ভালো একটি মাধ্যম হবে। খুব সহজেই কেনাকাটা করা যাবে। মাঝে আমি কিছুদিন একটা মার্কিন ওয়েবসাইটে ছবি বিক্রির জন্য দিয়েছিলাম। সেখানে শিল্পীরা তাঁদের আঁকা ছবি বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু বিক্রির টাকা আনার একমাত্র মাধ্যম ছিল পেপ্যাল।ই–কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য আশীর্বাদ
মাহফুজা সেলিম
ফ্রিল্যান্সার। বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্ত
পেপ্যাল একটি সহজ, নিরাপদ ও সর্বাধিক ব্যবহৃত অর্থ লেনদেনের মাধ্যম। অধিকাংশ বিদেশি ক্রেতা এতে লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। যখনই আমরা জানাই যে আমাদের দেশে পেপ্যাল কাজ করে না, তখন তাঁরা পাশের দেশ বা অন্য কোথাও থেকে কাজটি করিয়ে নেন। এটি হয়তো তাঁর মনে একধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেখানে পেপ্যালের মতো একটি সাধারণ লেনদেনব্যবস্থা নেই, সেখানে কাজ করতে গিয়ে হয়তো নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে। ক্লায়েন্টের সঙ্গে আমার চুক্তি হয়ে গেলেও তাঁকে আবার তৃতীয় একটি পেমেন্ট সিস্টেম খুঁজতে হয়, যেটিতে হয়তো ক্লায়েন্ট লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না।
আমার মনে হয়, পেপ্যাল এলে এই সমস্যাগুলো আর থাকবে না। দেশে প্রচুর ক্লায়েন্ট আসবেন, রেমিট্যান্স বাড়বে কয়েক গুণ। বর্তমানে আমরা যেসব লেনদেনমাধ্যম ব্যবহার করি, এগুলো তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। পেপ্যাল এলে এই সমস্যা দূর হবে। পেপ্যাল শুধু মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্যই নয়, দেশের ই-কমার্স ও অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে।এর-ওর কাছে যেতে হবে না
শাহরিনা ইয়াসমিন
ফ্রিল্যান্সার, বেসিসের আউটসোর্সিং পুরস্কারপ্রাপ্ত
পেপ্যাল সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয়। আন্তর্জাতিক বাজারে পেপ্যালের গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশে পেপ্যাল এলে শুধু ফ্রিল্যান্সাররা নন, আন্তর্জাতিক অনলাইন বাজার থেকে কেনাকাটা শুরু করে সবকিছুই সহজ হয়ে যাবে। অনলাইনে কোনো প্রশিক্ষণ নিতে গেলে পেপ্যালের দরকার হয়। প্রকল্প ব্যবস্থাপনার মতো প্রশিক্ষণ আন্তর্জাতিক কোনো ওয়েবসাইট থেকে নিতে হলে পেপ্যালের কোনো বিকল্প নেই। আমি যুক্তরাষ্ট্রে যখন থাকতাম, তখন পেপ্যাল ব্যবহার করেছি। আমার কাছে অনেকে যোগাযোগ করতেন প্রশিক্ষণের এই ফি দেওয়ার জন্য। অনেকে দেখা যায় শুধু পেপ্যাল বা এমন লেনদেনের মাধ্যমের জন্যই কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারছেন না। বাংলাদেশে পেপ্যাল এলে খুবই ভালো হবে বলে মনে করি। আমি এখন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে অর্থ আনছি। তিন-চার বছর ধরে বেশ কটি ব্যাংক এই সুবিধা দিচ্ছে।আর লজ্জা পেতে হবে না
ওবায়েদুল ইসলাম
আউটসোর্সিং প্রশিক্ষক
পেপ্যাল এলে সবচেয়ে বড় ব্যাপারটা হলো নিজের একটা ঠিকানা থাকবে। এর-ওর কাছে গিয়ে বায়না ধরতে হবে না। বাইরের অনেক ই-কমার্স সাইট আছে, যেগুলোতে পেপ্যাল ছাড়া কোনো লেনদেন হয় না। ইবেসহ বিভিন্ন সাইটে শুধু পেপ্যাল দিয়েই লেনদেন করা সম্ভব। পেপ্যাল এলে এই কেনাকাটাগুলো অনেক সহজ হবে। বড় কথা হলো, বাইরের ক্লায়েন্টের কাছে লজ্জা পেতে হবে না। কারণ, তাঁরা চান পেপ্যালে লেনদেন করতে। এখন ভয় হচ্ছে, কেমন চার্জ দিতে হবে? কী শর্ত আর কোন পরিমাণ অর্থ লেনদেন করতে পারব, এটা আসল বিষয়। লেনদেনে কোনো লিমিট দিয়ে দিলে সেটার খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। আমার চাওয়া হলো, সরকার এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে যেন কাজ করে এবং ভ্যাটের পরিমাণ যেন খুব বেশি না হয়।কেনাকাটা সহজ হবে
রাসেল আহমেদ
ফ্রিল্যান্সার, প্রধান কর্মকর্তা, আর আর ফাউন্ডেশন
পেপ্যাল বাংলাদেশে এলে লেনদেন অনেক সহজ হবে। আমি এখন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ আনছি। এতে অবশ্য ফি একটু বেশি কাটছে। কিন্তু পেপ্যাল এলে অর্থ সরাসরি পাব। আর চার্জও তুলনামূলকভাবে কম হবে। বাইরের গ্রাহকেরা পেপ্যালে পেমেন্ট করতে চান। এই সমস্যাটি আর থাকবে না। তা ছাড়া এতে স্থানীয় ই-কমার্স সাইটগুলো লাভবান হবে। পেপ্যালের মাধ্যমে কেনাকাটাও সহজ হয়ে যাবে। পেপ্যাল ব্যাংকের মাধ্যমে আসছে, এখন দেখার ব্যাপার কী কী শর্ত দেয়।পেপ্যাল নেই এমন উত্তরে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়
শাহ ইমরাউল কায়ীশ
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেকনো বিডি ওয়েব সলিউশন্স
পেপ্যাল বাংলাদেশে এলে সুবিধা অনেক। আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ হবে। অনেক সাইট আছে, যেখানে পেপ্যাল ছাড়া কোনো কিছু কাজ করে না। একটা বিষয় দেখা যায় যে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা কিছু কিনতে চাইলে পেপ্যালের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে চান। পেপ্যাল নেই এমন উত্তরে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। পেপ্যালের নেটওয়ার্ক অনেক বড়। বাইরে থেকে খুব সহজেই পছন্দের পণ্য কেনা যাবে পেপ্যাল এলে। এখন দেখার বিষয় পেপ্যাল বাংলাদেশে কীভাবে আসে। তাদের মডেলটি কেমন হবে বাংলাদেশের জন্য।এখন যে মাধ্যমে অর্থ আসে
* সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে (ওয়্যার ট্রান্সফার)
* পেওনিয়ার (মাস্টার কার্ড) -

নিরাপত্তাহীনতায় বাড়ছে অনলাইন শপিং
এ বি এন এ : কয়েক সপ্তাহ আগেই ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার কারণে বাংলাদেশের সবাই এখন কিছুটা হলেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিশেষ করে ওই হামলার পর পরই অনেক শপিং কমপ্লেক্স এবং রেস্টুরেন্টে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা।এমনকি ঘর থেকে বের হয়ে ঘুরে ঘুরে শপিং কমপ্লেক্স থেকে কেনার মত মানুষের সংখ্যাও অনেক কমে গেছে।কিছুটা বাধ্য হয়েই এবং সময় বাঁচাতে এখন ক্রেতাদের মূল আকর্ষণ এসে ঠেকেছে অনলাইন সাইটগুলোতে।ব্যস্ত মানুষজন হাতে কিছুটা সময় বের করে ইন্টারনেটেই কেনাকাটা সেরে ফেলছেন। দেখে নেয়া যাক, এখনকার অনলাইন সাইট গুলোর হাল-চাল।জমজমাট ফ্যাশন পণ্য বিক্রির সাইটঃকয়েকদিন আগেই শেষ হয়েছে ঈদ-উল-ফিতর। গেল ঈদে বেশ জমজমাট ছিল অনলাইনে ঈদের বাজার। ফ্যাশন ই-কমার্স সাইট জুমজুম সাধারণ মাসের তুলনায় এবারের ঈদের বাজারে প্রায় দ্বিগুণ পণ্যের অর্ডার পেয়েছিল।এমনকি ঈদের পরেও কিন্তু থেমে নেই পণ্যের অর্ডার। বাগডুম, কেইমু, দারাজের মতো সাইটগুলোও ঈদের পরে আবার শুরু করেছে তাদের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন। এসব পোস্টগুলো আবার বেশী মানুষের হোমপেজে পৌঁছে দিতে অনেক বেশী বুস্টও করা হচ্ছে। এসব সাইটের ফেসবুক পোস্টগুলো ঘেঁটে দেখা যাচ্ছ, একেকটি পোস্টে কয়েক হাজার লাইকের সাথে প্রায় শ’খানেক কমেন্টও যোগ হচ্ছে। জুমজুমের কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভের সাথে কথা বলে জানা গেল, শুধু ফেসবুকে কমেন্ট, ম্যাসেজ করেই নয় অনেকেই ফোন করেও বিভিন্ন পণ্যের অর্ডার করছেন।আর ওয়েবসাইটে যেয়ে ক্লিক করেও অর্ডার করা গ্রাহকের সংখ্যাও খুব একটা কম না।অনলাইন সাইটগুলোর উপর নির্ভরতাও বাড়ছে:কয়েক বছর আগেও অনলাইন সাইট থেকে কোন পণ্য কেনার আগে বেশ কয়েকবার চিন্তা করতে হতো। কিন্তু সম্প্রতি অনলাইন গুলো তাদের সেবার মান অনেকখানি বাড়ানোতে এখন ক্রেতারাও আগ্রহী হচ্ছে অনলাইন সাইটগুলোতে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, ঘরে বসে অর্ডার করে ঘরে বসেই অর্ডার গ্রহণ করা যাচ্ছে, বাড়তি যাতায়াত খরচটাও বেঁচে যাচ্ছে। -

দেশের বাজারে চার ইঞ্চির পিসি
এ বি এন এ : ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ও ফ্যাবলেটের পর ক্লাউড সুবিধাযুক্ত ইন্টেল উদ্ভাবিত একটি বিশেষায়িত পিসি দেশের বাজারে এনেছে কম্পিউটার সোর্স। শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।পিসিটি দৈর্ঘে ও প্রস্থে চার ইঞ্চি বাই দেড় ইঞ্চি এবং আধা ইঞ্চি পুরু। ল্যাপটপ ও ডেস্কটপের মধ্যে সমন্বয়সাধনকারী ৩২ জিবি ধারণক্ষমতার দুইটি ভিন্ন মডেলের ইন্টেল কম্পিউট স্টিক পিসিটি দেখতে অনেকটা পেনড্রাইভের মতো। বুকপকেটে বহনযোগ্য দঙ্গল আকৃতির এই কম্পিউটারকে তাই পেনড্রাইভ পিসি বলা হচ্ছে।এই পেনড্রাইভ পিসিটি মনিটর কিংবা টিভির এইচডিএমআই পোর্টে সংযুক্ত করে মাউস আর কি-বোর্ড জুড়লেই দিব্যি ডেস্কটপ পিসি’র কাজ করবে। এতে রয়েছে ২জিবি র্যাম ও ১.৮৩/১.৮৪ এটম কোয়াডকোর প্রসেসর। চাইলে ধারণক্ষমতা ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যায়। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে অরিজিনাল উইন্ডোজ ১০। আছে লাইসেন্স এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারও।ওয়াইফাই ও ব্লু-টুথ প্রযুক্তি থাকায় এটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারে কোনো বেগ পেতে হয় না। একইসঙ্গে স্বল্প ব্যায়ে ডিজিটাল প্রচারণা এবং করপোরেট মিটিংয়ে প্রেজেন্টেশন দেয়া ছাড়াও বাসা ও অফিস কাজের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে। কার্যক্ষেত্রে অ্যাপস ও সফটওয়্যার বিড়ম্বনা ঘুচে দেয়।এক বছরের ওয়ারেন্টিযুক্ত রকমারি সুবিধার ইন্টেল এর এই ডব্লিউএফপি মডেলের পেনড্রাইভ পিসিটির দাম ১১ হাজার টাকা এবং ডব্লিউ৩২এসসি মডেলের দাম ১৩ হাজার টাকা। -

পৃথিবীর দ্রুততম অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন
এ বি এন এ : সচরাচর অ্যানড্রয়েড ফোনগুলিতে অক্টা-কোর প্রসেসর থাকে। পারফরমেন্সের দিক দিয়ে ডেকা-কোর প্রসেসর হল অক্টা-কোরের চেয়ে উন্নত। সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশ ভারতের বাজারে এল ‘জোপো স্পিড ৮’। নির্মাতা সংস্থার দাবি এই ফোনটি হল পৃথিবীর দ্রুততম অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন কারণ এই ফোনের প্রসেসরটি হল ডেকা-কোর।
একটি ফোন কতটা দ্রুত হবে সেটা মূলত নির্ভর করে ফোনের প্রসেসর এবং কত বেশি র্যাম তার উপরে। এই ফোনটিতে রয়েছে মিডিয়াটেক ডেকা-কোর প্রসেসর হেলিও এক্স ২০ প্রসেসর যা এই ফোনের মূল ইউএসপি।
এএনআই সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, জোপো মোবাইলের ব্র্যান্ড ম্যানেজার চার্লস বার্ডের বক্তব্য এই প্রথম কোনও অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যারে ব্যবহার করা হল ডেকা-কোর প্রসেসর এবং তাই এটিই পৃথিবীর দ্রুততম স্মার্টফোন। দেখে নিন ফোনটির ফিচারসমূহ :
৫.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন
১৯২০ x ১০৮০ ফুল এইচডি ডিসপ্লে
ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে এই ফোনের পিছনদিকে
এছাড়া রয়েছে এনএফসি ট্যাগ অর্থাৎ আশপাশের এনএফসি সেন্সর থাকলে রেসপন্ড করবে এই ফোন
অ্যানড্রয়েড মার্শমেলো ভার্সন
৪ জিবি র্যাম
৩৬০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং রয়েছে টাইপ-সি ইউএসবি তাই চার্জিংও হবে খুবই দ্রুত
৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ
ডুয়াল ন্যানো সিম ফোরজি সাপোর্ট
কম্পাস বা ম্যাগনেটোমিটার সেন্সর
২১ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা যাতে রয়েছে সোনিন আইএমএক্স২৩০ সেন্সর এবং ডুয়াল-এলইডি ফ্ল্যাশ
৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা ফ্ল্যাশ-সহ
ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ব্লু-টুথ, এফএম
-

পেপ্যালের সেবা ভিসা কার্ডে
এ বি এন এ : আন্তর্জাতিক অনলাইন লেনদেন–ব্যবস্থা পেপ্যালের সঙ্গে চুক্তি করেছে ভিসা ইনকরপোরেশন। অনলাইন লেনদেন ব্যবসাকে বাড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার এই চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি। এই চুক্তির ফলে ভিসার ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য পেপ্যাল থেকে লেনদেনে বিশেষ সুবিধা হবে।
এ চুক্তির মাধ্যমে অনলাইনভিত্তিক লেনদেন থেকে বাহ্যিক অবকাঠামোগত লেনদেনের পথে এগিয়ে গেল পেপ্যাল।
সম্প্রতি পেপ্যাল কর্তৃপক্ষ তাদের প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময় জানিয়েছে, ই-কমার্স কোম্পানি ই-বে থেকে আলাদা কোম্পানি হিসেবে কাজ শুরুর পর পেপ্যালের কার্যক্রম আরও বেড়ে গেছে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির আয় গত বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেড়েছে।
ভিসার সঙ্গে চুক্তি হওয়ার ফলে পেপ্যালের এখন আরও অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে গেল। পেপ্যালের কর্মকর্তারাও সে ইঙ্গিত দিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসিডেন্ট ড্যান স্কুলম্যান বলেন, ‘আমাদের ইকোসিস্টেমে অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’
পেপ্যালের প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গ্লোবাল হেড বিল রেডি বলেন, ভিসা-পেপ্যালের চুক্তির ফলে ভিসার ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীরা সরাসরি পেপ্যাল অ্যাকাউন্টের অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন লাগতে পারে। এদিকে ভিসা কর্তৃপক্ষ পেপ্যালকে ট্যাপ অ্যান্ড পে ফিচারে যুক্ত করবে। এতে যাঁরা কেনাকাটা করেন, তাঁরা মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার করে কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করতে পারবেন।
১৮ বছরের পুরোনো প্রতিষ্ঠান পেপ্যালের বর্তমান গ্রাহকসংখ্যা ১৮ কোটি ৮০ লাখ, যা গত বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেড়েছে। পেপ্যালের ২৮ শতাংশ (২৪ বিলিয়ন ডলার) লেনদেন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে হয়ে থাকে।
বাংলাদেশেও শিগগিরই পেপ্যাল সুবিধা চালু হতে পারে। পেপ্যালের সঙ্গে চুক্তি করেছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। এতে আগামী মাস থেকেই পেপ্যালের সেবা মিলতে পারে বাংলাদেশে। অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশে পেপ্যালের সেবা চালু করার দাবি ছিল।
পেপ্যাল বাংলাদেশে চালুর ব্যাপারে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ বলেন, ‘আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে পেপ্যালের কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। এতে আমরা অনেক দূর এগিয়েছিও। আশা করি, ফ্রিল্যান্সারসহ দেশবাসীকে অল্প কিছুদিনের মধ্যে একটি সুখবর দিতে পারব।’ -

‘সেলফি’ নয় এবার জানুন ‘বেলফি’ নিয়ে তথ্য
এ বি এন এ : শব্দের কারিকুরির আর শেষ নেই। কয়েক বছর আগেও ‘সেলফি’ বলতে ঠিক কী বোঝায় তা বহু লোকেই জানতেন না। স্মার্ট ফোনের আবির্ভাবে এখন ‘সেলফি’ ঘরে ঘরে পরিচিত শব্দ। কিন্তু এর মধ্যে এবার হাজির ‘বেলফি’। স্মার্ট ফোনের নয়া দিগন্তে ‘সেলফি’ এখন ফ্যাশন। আর এই ফ্যাশনে বুঁদ সকলেই। সেলফি তোলার তো আবার এক বিশেষ ভঙ্গিমাও আছে। সামনে অর্ধেক ঝুঁকে মুখটা ছুঁচোর মতো কিঞ্চিৎ বেঁকিয়ে স্মার্টফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরায় ক্লিক। ব্যস্, তৈরি সেলফি। ‘বেলফি’ অনেকটা এরকমই। তবে ‘সেলফি’ যেমন সামনে থেকে বা সাইড থেকে নেওয়া হয়, ‘বেলফি’ হবে অনেকটাই পিছন থেকে নেওয়া। কোমরটা যতটা সম্ভব ঘুরিয়ে, মুখটাকে কাঁধের উপর দিয়ে পিছন করে পোজ দিয়ে ছবি তোলাটাই হল ‘বেলফি’। সামনে থেকে নেওয়া হয় বলে এটাকে ‘সেলফি’ বলে। আর পিছন থেকে নেওয়া হয় বলে এমন ছবির নাম ‘বেলফি’। তবে ‘সেলফি’-তে হাত যেমন লম্বাটে থাকে এবং মূল মুখমণ্ডলেই ফোকাস থাকে, ‘বেলফি’ মানেই পিছন-সর্বস্ব ব্যাপার। বিশেষ করে প্রকৃত ‘বেলফি’ বলতে বোঝায় স্মার্ট ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরায় বন্দি নিতম্বের ছবি। এতে পিঠ, কাঁধ বা মুখ দেখা যাবে বটে, তবে ফোকাস থাকবে নিতম্বের উপর। কারণ ‘বেলফি’ শব্দটিই এসেছে ইংরেজি ‘বাট’‘সেলফ’ এবং ‘টাইমার’ শব্দ যোগ করে।
