Category: তথ্য প্রযুক্তি

  • আপনার স্মার্টফোন কি গরম হয়? তাহলে পড়ুন

    আপনার স্মার্টফোন কি গরম হয়? তাহলে পড়ুন

    এ বি এন এ : কেউ বলে, অতিরিক্ত কথা বললে স্মার্টফোন গরম হয়ে যায়। কেউবা বলে, গেম খেললে গরম বেশি হয়। আবার কেউবা বলে, ডেটা কানেকশন অন করে নেট ব্যবহার করলে। কিন্তু কথা বলার জন্য, গেম খেলার জন্য কিংবা নেট করার জন্যই তো স্মার্টফোন। তাহলে গরম কেন হবে? এর প্রতিকারই বা কী? সামান্য স্মার্টফোন থেকে শুরু করে গাড়ি, কম্পিউটার সব। এর কারণ বেশ স্বাভাবিক। খবর-অনলাইন

    কিন্তু সব স্মার্টফোন সমান গরম হয়! হয় না হয়তো। কোনোটা কম কোনোটা বেশি। আসলে কিছু কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্মার্টফোন গরম হয়ে যায়। সমস্যার সমাধান না করলে অনেক সময় দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হয়। তাই জেনে রাখা দরকার কী কী কারণে স্মার্টফোন গরম হয়ে থাকে এবং তার প্রতিকার কী।

    প্রসেসর : স্মার্টফোন বেশি গরম হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই নজরে আসে প্রসেসর ভ্যালু। মূলত এটিই গরম হওয়ার প্রধান কারণ। যে কোনো স্মার্টফোনের মূল অঙ্গই হলো প্রসেসর। আপনি ফোন ব্যবহার করুন আর নাই করুন প্রসেসর তো থেমে নেই। এটি সবসময় চলতে থাকে। সে তার কাজ বন্ধ রাখে না। পার্থক্য শুধু ব্যবহারে কম-বেশি। প্রসেসর নির্মাণ করা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে এবং এর ভিতর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রন থাকে। যখন প্রসেসর তার কাজ করে তখন এই ইলেকট্রনগুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে।

    এ সময় ইলেকট্রনগুলো নিজেদের ভিতর সংঘর্ষ ঘটায় এবং তাপ উৎকদন করে। অর্থাৎ আপনার প্রসেসর যত বেশি কাজ করে তাপ ও তত বেশি উৎকদন হয়। আপনি যদি শুধু কথা বলা কিংবা মিউজিক শুনে থাকেন তবে ফোনটি কম গরম হবে। আর যদি গেম খেলা ও ফাইল ডাউনলোড একসঙ্গে করেন তবে স্বভাবতই প্রসেসরে প্রেসার পড়বে। সাধারণ কথা বলা কিংবা গান শোনার তুলনায় টানা ডাউনলোড করলে ইলেকট্রনগুলো কাজ করার ফলে বেশি তাপ উত্পন্ন করে। এর ফলে আপনার সাধের ফোনটি গরম হয়। প্রসেসর ফোনের বডির সঙ্গে লেগে থাকে। ফলে মাঝে মাঝে অতিরিক্ত গরম অনুভূত হয়।

    ব্যাটারি : স্মার্টফোনের প্রযুক্তিতে ব্যাপক উন্নতি হলেও ব্যাটারির প্রযুক্তি সেভাবে উন্নত হয়নি। আগে স্মার্টফোন একটু মোটা ছিল কিন্তু এখন অনেক পাতলা, স্লিমফিগারের স্মার্টফোন বাজারে এসেছে। সে তুলনায় ব্যাটারির কার্যক্ষমতা বাড়েনি। দুর্বল ব্যাটারি বেশি তাপ তৈরি করে। আর যন্ত্রপাতিগুলোর একে অপরের মধ্যে খুব বেশি দূরত্ব না থাকার ফলে এই ব্যাটারির গরম সব দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনার স্মার্টফোন অত্যধিক গরম হয়ে পড়ে। খেয়াল রাখবেন, আপনার স্মার্টফোন চার্জ নেওয়ার সময়ে বা ডিসচার্জ করার সময়ে ফোনকে বেশি গরম হয়। এটা স্বাভাবিক।

    দুর্বল নেটওয়ার্ক : আপনি যদি এমন জায়গায় থাকেন, যেখানে নেটওয়ার্ক নেই কিংবা দুর্বল। সিগন্যাল আসছে আবার ছেড়ে দিচ্ছে। স্মার্টফোনের ডেটা কানেকশন অন থাকার পর দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে ফোন গরম হতে থাকে। আবার অনেক সময় ওয়াইফাই সিগন্যাল পেতে ফোনটিকে খুব বেগ পেতে হচ্ছে, তবে সেই পরিস্থিতিতে স্মার্টফোনের চার্জ বেশি খরচ হয়। সেক্ষেত্রেও দুর্বল নেটওয়ার্কে সিগন্যাল পাওয়ার জন্য ফোনটি বেশি শক্তি প্রয়োগ করে। প্রসেসরে চাপ পড়ে। আর এতেই স্মার্টফোনটি অত্যধিক গরম হয়।

    গরমের স্বাভাবিকতা : অনেকে মনে করেন কম দামি ফোন বলে গরম হয়, কথাটি ভুল। আপনার ফোনটি গরম হয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়েন। এমনকি অনেক সময় ফোন গরম হয়ে নানা দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। সেক্ষেত্রে জানা দরকার গরমের স্বাভাবিকতা।

    সাধারণত গ্রীষ্মকালে আমাদের দেশের তাপমাত্রা ৩৫-৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই তাপমাত্রায় স্মার্টফোন ব্যবহার করলে এটি গরম হয়ে যাবে। আর যদি স্ট্যান্ডবাই মুডে যদি ফোনটি ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম থাকে তবে বুঝবেন সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সমাধানের চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন স্মার্টফোন বেশি গরম হলে প্রসেসরের ক্ষতি হয়। কর্মক্ষমতা কমে যায়। প্রসেসর এমনভাবে তৈরি যাতে এটি বেশি গরম হলে ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য নিজের থেকেই কাজ কমিয়ে দেয়। অর্থাৎ সে তার পূর্ণ কার্য সম্পাদন করতে পারে না। এমনটা বার বার হলে প্রসেসর নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সমস্যার সমাধান : স্মার্টফোনে বেশি কথা বলা যাবে না বা বেশি গেম খেলা যাবে না এমনকি ডেটা কানেকশনও বেশি করা যাবে না ধারণাগুলো একেবারেই ঠিক নয়। বরং খেয়াল রাখুন ফোনে যেন সবসয়ম চার্জ থাকে বিশেষ করে ডাউনলোড করার সময়।

    একসঙ্গে অনেক অ্যাপস বা প্রোগ্রাম ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। বেশি অ্যাপস খুলে রাখবেন না। এতে করে প্রসেসরে বেশি প্রেসার পড়ে। নিয়মিত অ্যাপস সফটওয়্যার আপডেট করুন। কোন কোন অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি জায়গা নিচ্ছে তা খুঁজে বন্ধ করে রাখুন। সদা র্যাম ও ক্যাশ পরিষ্কার রাখুন। অপ্রয়োজনীয় মেসেজ ডিলিট করে দিন। অ্যানিমেশন ব্যবহারে বিরত থাকুন। অপ্রয়োজনে ওয়াইফাই অফ রাখুন। স্মার্টফোনের জন্য এমন কভার বেছে নিন যেটা আপনার ফোনের তাপ শুষে নিতে পারে। বাইরের তাপ যেন ফোনকে আরও গরম না করে সেদিকটাও খেয়াল রাখুন। ফোন যতটা সম্ভব রোদ থেকে দূরে রাখুন।

    – See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/90085/index.html#sthash.red9hE71.dpuf

  • ঢেউ থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

    ঢেউ থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ

    এবিএনএ : আজকাল বিদ্যুৎ শক্তির উৎস হিসেবে বিকল্প ব্যবস্থার অনুসন্ধান চলছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রাকৃতিক শক্তি হচ্ছে সমুদ্রের ঢেউ। ডেনমার্কে তৈরি হয়েছে এমন একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র যার নাম ওয়েভ স্টার। এই যন্ত্রের সাহায্যে সমুদ্রের ঢেউ থেকে উৎপন্ন শক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব।

    এতে ব্যবহৃত হয়েছে ঢেউয়ের উপর থাকা কতকগুলো পাটাতন। এই পাটাতনগুলো ঢেউয়ের সাথে সাথে উপরে নিচে ওঠানামা করে। সমুদ্রের ঢেউ থেকে উৎপন্ন হওয়া গতিশক্তি হাইড্রোলিক পাওয়ার জেনারেটরে স্থানান্তরিত হয়। এই যন্ত্রে বাতাস (বায়ুকল) এবং সূর্যের শক্তিকে (সোলার প্যানেল) ব্যবহার করার সুযোগও রয়েছে।

    নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে যন্ত্রটি একটি শক্তিশালী পাওয়ার স্টেশন হিসেবে কাজ করে। এই পাওয়ার স্টেশনটি আগামী বছর বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া যাবে। ওয়েভ স্টারের আয়তন ৬৬ ফুট। প্রতিটি পাওয়ার স্টেশন ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে সক্ষম।

    এক একটি মেশিন থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ৪ হাজার ঘরের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে পারবে। আমরা যদি স্রোত থেকে উৎপন্ন শক্তির ০.১ শতাংশ শক্তিও ব্যবহার করতে পারি তাহলে পৃথিবীতে বর্তমান সময়ের বিদ্যুৎ চাহিদার পাঁচগুণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবো।

  • বাংলাদেশে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে ফেসবুক

    বাংলাদেশে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে ফেসবুক

    এবিএনএ : বিশ্বের একটি অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এর জনপ্রিয়তা। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন ব্যবহারকারী। বাংলাদেশেও এখন শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে ফেসবুক। বিশেষ করে বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশে মূলধারার গণমাধ্যমগুলো কোন সংবাদ বা ঘটনা এড়িয়ে গেলেও ফেসবুকে আলোচনার কারণে সেটি গণমাধ্যমে স্থান পাচ্ছে।

    মূলধারার গণমাধ্যমের ওপর সরকারের একটা চাপ থাকে যার কারণে তারা চাইলেও অনেক ঘটনা প্রকাশ করতে পারে না। তবে ফেসবুকের ক্ষেত্রে এ ধরনের চাপ নেই। আর এ কারণেই এখন খবর প্রচার ও প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে ফেসবুক।

    আজ সারাবিশ্বে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম’ দিবস পালিত হচ্ছে। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে কথা বলার এখনই সময়।

    সরকার কিংবা বিভিন্ন পক্ষের চাপের কারণে মূলধারার গণমাধ্যম যখন কোন সংবাদ পরিবেশন করতে পারেনা তখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমই যেন হয়ে উঠছে সংবাদ প্রকাশের প্রধান বাহন।

    এ সম্পর্কে চ্যানেল আই অনলাইনের সম্পাদক জাহিদ নেওয়াজ খান জানান, বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ফেসবুক একটি সামাজিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব খবর আসে সেটি সরকার চাইলেও অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা।

    এ সম্পর্কে সাম্প্রতিক ঘটনার একটি উদাহরণ দেয়া যায়। বেশ কিছুদিন আগে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর কলেজ ছাত্রী তনু হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও এই খবরটি মূলধারার গণমাধ্যমে আগে প্রকাশ হয়নি। বরং ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখির কারণে শেষ পর্যন্ত মূলধারার গণমাধ্যম সেটিকে তাদের এজেন্ডায় নিয়ে আসতে বাধ্য হয়। ফেসবুকে আলোচনার কারণেই তনু হত্যার দু’দিনের মাথায় সবগুলো মূলধারার গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ করা হয়।

    একই ভাবে সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি প্রথম সবার নজরে এসেছিল ফেসবুকের মাধ্যমে। তারপর এটি নিয়ে সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন চ্যানেলে খবর প্রচারিত হয়।

    তনু হত্যাকাণ্ডের খবরটি পরিবেশন না করার জন্য সরকার কিংবা সেনাবাহিনীর দিক থেকে মূলধারার গণমাধ্যমের উপর সরাসরি কোন চাপ ছিলনা। কিন্তু সেনাবাহিনী বা সেনানিবাস সংক্রান্ত এসব খবরে সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলো নিজেরাই এক ধরনের চাপ অনুভব করে। সে কারণেই মূলধারার গণমাধ্যমে খবরটি প্রথমে আসেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারের কারণে সরকার হয়তো ভেবে থাকতে পারে যে, খবর ধামাচাপা দেয়ার চেয়ে খবর প্রচার করাই ভালো। এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাহিদ নেওয়াজ খান।

    আবার সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনের খবর নিয়ে পাঠক কী ধরনের মনোভাব পোষণ করছেন সেটি তাৎক্ষনিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়না। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঠকদের মনোভাব তাৎক্ষনিকভাবেই জানা যায়। তাই যে কোনো ঘটনা ফেসবুকেই বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

  • ধরিত্রী দিবসে ফেসবুকের শুভেচ্ছা

    ধরিত্রী দিবসে ফেসবুকের শুভেচ্ছা

    এবিএনএ : আজ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পৃথিবীকে মানুষের বসবাসযোগ্য রাখতে প্রতিবছর ২২ এপ্রিল এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পৃথিবীর জন্য বৃক্ষ’। আর ব্যবহারকারীদের এই দিবসটিকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার গুরু দায়িত্ব পালন করল জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে ধরিত্রী দিবসে ফেসবুক শুভেচ্ছা জানিয়েছে।

    এই দিবস উপলক্ষে বুলবুল আনিসুর নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী নিজের পোস্টে লিখেছেন, প্রতিদিন একজন মানুষ ৩২৯৭ টাকার অক্সিজেন ব্যবহার করেন। বছরে তার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৫ টাকা। যদি ৬৫ বছর বাঁচি তাহলে অক্সিজেন বাবদ আমাদের খরচ দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এত টাকার অক্সিজেনের সবটুকুই বিনামূল্যে পাচ্ছি আমাদের চারপাশের গাছপালা থেকে। … আমাদের অনেকেই জীবনের সাথে গাছের ভূমিকাকে বেমালুম ভুলে যান এবং গাছ কেটে পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিচ্ছেন। আসুন গাছ লাগাই পৃথিবী বাঁচাই।

    বৃক্ষের সাথে মানুষের জীবন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ফলজ বৃক্ষ আমাদেরকে বহুকাল জীবনধারনের উপযোগিতা দান করে। সেই হিসাবে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য যথার্থ হয়েছে বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।

    তবে ফলের উৎপাদনে বিষের ব্যবহারে জীবন ও প্রকৃতি বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা করেন অনেকে। এই অবস্থায় মৌসুমি ফলের সময় মধুমাস জৈষ্ঠ্য আসছে। তাই মৌসুমি ফলের প্রাপ্তি নিয়ে কাটছে না শঙ্কাও। অতীতে মৌসুমি ফলের উৎপাদনে ব্যাপক ভাবে বিষের ব্যবহার লক্ষ করা গেছে।

  • শিয়াওমির বাজিমাত!

    শিয়াওমির বাজিমাত!

    এবিএনএ : এ বছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৮ লাখ ইউনিট ফোন বিক্রি করেছে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা শিয়াওমি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএএইচএস টেকনোলজির বিশ্লেষক কেভিন ওয়ং এ দাবি করেছেন। চীন ও চীনের বাইরে বিভিন্ন দেশে বিক্রি হওয়া ফোন মিলিয়ে প্রথম প্রান্তিকে বাজিমাত করেছে শিয়াওমি।
    ওয়ং দাবি করেছেন, এ বছরে প্রথম প্রান্তিকে শিয়াওমি যে পরিমাণ ফোন বিক্রি করেছে, তা প্রায় গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের সমান। গত বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ইউনিট ফোন বিক্রি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। অবশ্য এ বছরের প্রথম প্রান্তিকের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রকাশ করেনি শিয়াওমি।
    ২০১৬ সালকে গুরুত্বপূর্ণ বছর হিসেবে মনে করছে শিয়াওমি। গত বছরে চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড লেনোভো ও হুয়াওয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে শিয়াওমির বার্ষিক লক্ষ্য পূরণ হয়নি। গত বছর তারা সর্বমোট সাত কোটি ইউনিট ফোন বিক্রি করেছে, যা তাদের ধারণার চেয়ে কম ছিল। অবশ্য লক্ষ্য পূরণ না হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্মার্টফোন বাজারে গত বছর শীর্ষে ছিল শিয়াওমি। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস ও স্ট্র্যাটেজি অ্যানালাইটিকস দাবি করেছে, এ বছর চীনের বাজারে শীর্ষ অবস্থানে যেতে হুয়াওয়ের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে শিয়াওমি।

  • বায়োমেট্রিকের অপপ্রচারকারীরা দেশ বিরোধী : তারানা

    বায়োমেট্রিকের অপপ্রচারকারীরা দেশ বিরোধী : তারানা

    এবিএনএ : মোবাইল ফোনের সিম রেজিস্ট্রেশনে যারা বায়োমেট্রিক পদ্ধতির বিরোধীতা করছে তারা দেশ বিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রি রেজিস্ট্রেশনে বাংলালিংকের দেশব্যাপী রোড শো শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    তারানা হালিম বলেন, “আঙ্গুলের ছাপ কোনো মতেই সংরক্ষণ হচ্ছে না। যারা অপপ্রচার করছে তারা দেশের বিরোধী শক্তি। জামায়াত-বিএনপি এবং অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা ছাড়া দেশের সকল মানুষ বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের পক্ষে।”

    বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেসবুকে ছবি দেখবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও!

    ফেসবুকে ছবি দেখবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও!

    এবিএনএ : গোটা ইন্টারনেটই তো ছবির দখলে। ফেসবুকেও তাই। কিন্তু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা সেই ছবিগুলো দেখতে পান না! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এবার তাঁরাও ‘দেখতে’ পারবেন ছবি। ফেসবুক নতুন একটি প্রযুক্তি চালু করবে, যা ফেসবুকের ছবিগুলো ‘পড়ে’ শোনাবে এবং তাতে কী আছে তাও জানিয়ে দেবে।

    সুবিধাটি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গ গতকাল মঙ্গলবার তাঁর ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘প্রতিদিন আমরা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ম্যাসেঞ্জার এবং হোয়াটসঅ্যাপে ২০০ কোটির বেশি ছবি শেয়ার করি। ছবি আমাদের আরও বেশি যুক্ত করে পরস্পরের সঙ্গে, নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে সাহায্য করে। কিন্তু লাখ লাখ মানুষ এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা দেখতে পান না বলে। আজ ফেসবুক অ্যাকসেসিবিলিটি নতুন এক সুবিধা চালু করছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে ছবির বিষয়বস্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্ণনা করবে।’ এর ফলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা জানতে পারবে তার বন্ধুরা কী শেয়ার করছে।
    বর্তমানে কম্পিউটারে পর্দার লেখা পড়ে শোনানোর প্রযুক্তি চালু আছে। আছে ব্রেইল পদ্ধতি। কিন্তু ছবির বিষয়বস্তু পড়ে শোনানোর কোনো প্রযুক্তি নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এখন থেকে ফেসবুক এ কাজটি করতে পারবে। এটি ছবির বিষয়বস্তুকে বিশ্লেষণ করবে। এরপর পর্দার লেখা পড়ে শোনাবে। ফলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা ছবিটির বর্ণনা শুনতে পারবে। ফেসবুক বলছে, নতুন প্রযুক্তির সফটওয়্যার এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা ৮০টির মতো একইরকম বস্তু এবং কার্যক্রমকে শনাক্ত করতে পারবে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে থাকবে। প্রতিটি ছবিতে ক্যাপশন হিসেবে এটি যুক্ত থাকবে। যত ছবি স্ক্যান করবে, ততই সমৃদ্ধ হবে এর ডেটাবেইস।
    চোখের রেটিনার আলোকসংবেদী কোষকে ধ্বংসকারী রোগ রেটিনিটিস পিগমেন্টোসার কারণে দৃষ্টি হারানো ফেসবুক প্রকৌশলী ম্যাট কিং এবং তাঁর দল এই প্রযুক্তির উন্নয়নের পেছনে কাজ করছেন।
    অনলাইনের সব বস্তু দেখার এবং জানার অধিকার সবার সমান—এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, তবে এগোচ্ছে সঠিক পথেই। যেকোনো বিষয় নিয়ে আলোচনায় এটি সবাইকে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেবে।’
    প্রসঙ্গত, গত মাসে টুইটারও একই ধরনের প্রযুক্তি যোগ করেছে। তবে ফেসবুকেরটা উন্নত এবং উপকারী বলে ধারণা হচ্ছে।
    ফেসবুক আশা করে, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ছবির মানুষটির চেহারা শনাক্ত করে বলে দিতে পারবে তিনি কে!

  • জিকা ভাইরাসের জৈবিক কাঠামো ‘আবিষ্কার

    জিকা ভাইরাসের জৈবিক কাঠামো ‘আবিষ্কার

    এবিএনএ : জিকা ভাইরাসের জৈব-আনবিক গঠন আবিষ্কারের কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক, যা এই রোগের প্রতিষেধক তৈরির পথে এক ধাপ এগিয়ে দিল বলে মনে করা হচ্ছে। একই শ্রেণির ডেঙ্গু ও ইয়েলো ফিভারের মতো ফ্ল্যাভিভাইরাসের গঠনের সঙ্গে বাইরের স্তরে প্রোটিনের খোলসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে জিকার।

    এই পার্থক্য থেকেই একই গ্রুপের অন্যান্য ফ্ল্যাভিভাইরাস স্নায়ুকোষ আক্রান্ত না করলেও জিকা কেন করে সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা এবং তা থেকে জিকা প্রতিরোধে প্রতিষেধক বা ওষুধ তৈরির নতুন পথ পাওয়া যাবে বলে ধারণা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেক্সাস ডিজিজের পরিচালক ড. অ্যান্থনি ফসি।

    প্রতিষ্ঠানটির অর্থায়নে পারড্যু বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের এই গবেষণা সাইন্স সাময়িকীকে প্রকাশিত হয়েছে।

    গর্ভবতী মা মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হলে তার অনাগত শিশুর মাথা স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট হতে পারে, মস্তিষ্কের গঠন থাকতে পারে অপূর্ণ। এ রোগকে বলে মাইক্রোসেফালি। ফলে এইসব শিশুরা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, শারীরিক প্রতিবন্ধী এমনকি তাদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    (Kuhn and Rossman Research Groups / Purdue University) ডেঙ্গু রোগের জীবাণুর মতো জিকা ভাইরাসের বাহক এডিস এজিপ্টি মশা। গত বছর মে মাসে ব্রাজিলে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সেখানে মাইক্রোসেফালিতে আক্রান্ত শিশু জন্মের হার আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। এরপর বিশ্বের প্রায় ৩৩টি দেশে এই ভাইরাস সংক্রমণের চিহ্ণ পাওয়া গেলে বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    জিকা ভাইরাসের সংক্রমণে কারও মৃত্যু না হলেও স্নায়ুবিক কোষ, যেগুলো মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র গঠন করে জিকা ভাইরাস তা ধ্বংস বা এর বৃদ্ধি ব্যাহত করতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। এর আগে মেডিকেল জার্নাল সেল স্টেম সেলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জিকা ভাইরাস মস্তিষ্কের কর্টেক্স বা বহিঃস্তরের কোষকে বেছে বেছে আক্রমণ করে: ‘অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষের মৃত্যু হয় এবং অন্যদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও নতুন কোষ তৈরি ব্যহত হয়।

    জৈব-আনবিক গঠনের বাইরের খোলসে পাওয়া ওই প্রোটিনই কিছু মানব কোষের সঙ্গে জুড়ে গিয়ে মানুষের স্নায়ুতন্ত্রে প্রবেশ করতে পারে বলে ধারণা ওই গবেষক দলের। রয়টার্সকে ড. অ্যান্থনি ফসি বলেন, গবেষকরা এখনও এটা প্রমাণ করেনি; কিন্তু এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র (কীভাবে জিকা স্নায়ু কোষে যায়)। জৈব-আনবিক গঠনে পাওয়া ওই প্রোটিনই স্নায়ুকোষে ঢোকার কারণ হলে রোগটির প্রতিষেধক আবিষ্কারে এটি কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাবে বলে আশা গবেষকদের।

  • স্মার্টফোন সারাবে কানের সংক্রমণ!

    স্মার্টফোন সারাবে কানের সংক্রমণ!

    এবিএনএ : স্মার্টফোন আধুনিক জীবনের অনুষঙ্গ। নানান কাজে ব্যবহারের জন্য এই ফোনের জুড়ি মেলা ভার। বিমানের টিকিট, ট্রেনের টিকিট, গ্যাসের বিল, মোবাইল ব্যাংকিং থেকে শুরু করে খবরের কাগজ সবকিছুই এক নিমেষে হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিচ্ছে স্মার্টফোন। সম্প্রতি এক গবেষণার ফলাফলে বলা হচ্ছে, এখন থেকে কানের সংক্রমণও সারিয়ে তুলবে মোবাইল ফোন।

    সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার একদল গবেষক এমনটাই দাবি করেছেন। গবেষণাপত্রটি ইবিওমেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, গবেষকেরা অটোস্কোপ নামে একটি ইমেজ প্রসেসিং প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সংক্রমিত কানের পর্দার ছবি তোলা হয়। সে ছবি স্মার্টফোনের মাধ্যমে আপলোড করা হবে ক্লাউডে। সে ছবি দেখে চিকিৎসকেরা রোগীর কানের অবস্থা পর্যালোচনা করবেন। এই প্রচেষ্টা গরিব দেশগুলোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী হবে বলে গবেষক দলে আশা।
    গবেষকদের বরাত দিয়ে পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, কানের সংক্রমণ (ওটিটিস মিডিয়া) সারাবে স্মার্টফোন। প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটির মতো শিশু এ রোগে আক্রান্ত হয়। সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ক্লড লরেন্ট বলেছেন, ‘বিশ্বে অনেক উন্নয়নশীল দেশে উপযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের অভাবে কানের সংক্রমণ প্রায়ই ভালোভাবে রোগ নির্ণয় করতে পারে না বা এসব ধরাও পড়ে না। আর রোগ নির্ণয় না হলে কানের ক্ষতি হতে পারে, এমনকি জীবনের ক্ষেত্রে আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

    লরেন্ট আর বলেন, ‘ (ওটিটিস মিডিয়া) পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর্মীরা কান সংক্রমণের মাত্রা নির্ণয় করতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘এই পদ্ধতিতে ইমেজ আপলোড করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটা বিশ্লেষণ করা যাবে। এটা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সঠিক এবং কম খরচে দ্রুত নির্ণয়ের সুবিধা প্রদান করবে।’

    এই পদ্ধতিতে একটি কর্ণ বীক্ষণ যন্ত্র, সাধারণত যা কানের পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় তা দিয়ে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। একটি ডিজিটাল স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত কর্ণ বীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে চিত্র, একটি আর্কাইভের ইমেজের তুলনা করা হয়।
    এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শতকরা ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ পরীক্ষায় সঠিক হয়েছে এবং ভিডিও-কর্ণ বীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে সাইট ইমেজ পরীক্ষায় ৭৮ শতাংশ ৭ শতাংশ সঠিক হয়েছে।

  • প্রচ্ছদ     বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি     খবরাখবর  স্মার্টফোন যখন পাসপোর্ট!

    প্রচ্ছদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খবরাখবর স্মার্টফোন যখন পাসপোর্ট!

    এবিএনএ : তাড়াহুড়ো করে প্রস্তুত হয়ে বিমানবন্দরে গিয়ে একদিন হয়তো হঠাৎ খেয়াল করলেন, ভুলে পাসপোর্টটাই ফেলে এসেছেন ঘরে। কী হবে এখন? সময়-স্বল্পতার কারণে ফিরে যাওয়াও হয়তো সম্ভব না। যদি আপনার সঙ্গে স্মার্টফোন থাকে তবে তখন আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না। সাম্প্রতিক এক গবেষণা এমন সম্ভাবনার কথাই বলছে। আধুনিক পাসপোর্টে ইতিমধ্যে ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে, যা পাসপোর্টে দেওয়া মূল মালিকের ছবির সঙ্গে বহনকারীর মুখাবয়ব মিলিয়ে দেখে।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাসপোর্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ডি লা রুয়ে ব্রিটিশ ব্যাংক নোটও তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানটি এমন এক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, বলা যায় যা পাসপোর্টকে ব্যবহারকারীর মুঠোফোনের ভেতর ঢুকিয়ে দেবে! স্মার্টফোনটাই ভার্চ্যুয়াল পাসপোর্ট হিসেবে কাজ করবে, ফলে কাগজের পাসপোর্ট দেখানোর প্রয়োজন হবে না। কাগজবিহীন এই পাসপোর্ট মোবাইল বোর্ডিং কার্ডের মতোই কাজ করবে। এটি স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে এবং ভ্রমণকারী কোনো ধরনের কাগজ সঙ্গে না নিয়েই এয়ারপোর্টে ভ্রমণ করতে পারবেন।

    তবে মুঠোফোন হারিয়ে গেলে ভ্রমণকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। ডি লা রুয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘কাগজবিহীন পাসপোর্ট আমাদের সাম্প্রতিক সময়ের অনেক উদ্যোগের মধ্যে একটি। তবে এটি এখনো অগ্রগতির প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’
    নিরাপত্তা-বিষয়ক প্রতিষ্ঠান প্রুফপয়েন্টের ডেভিড জেভানস বলেছেন, ফোনে ডিজিটাল পাসপোর্টকে নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য নতুন যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে, যা ওই নির্দিষ্ট ফোন থেকে পাসপোর্টটিকে কপি করতে দেবে না। পাসপোর্টের পাঠকদের কাছে একে পৌঁছে দিতে হবে তারহীন প্রযুক্তির সাহায্যে, অন্যথায় পাসপোর্টের মালিকের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।