এ বি এন এ : বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় মোবাইল গেম ‘পোকোমন’র বিরুদ্ধে ফতোয়া নবায়ন করেছে সৌদি আরব। গেমটিকে ইসলামবিরোধী অাখ্যায়িত করে পনের বছরের পুরনো একটি ফতোয়া [ডিক্রি] নবায়ন করলো দেশটির বয়োজ্যোষ্ঠ ইসলামি পণ্ডিতদের নিয়ে গঠিত একটি পরিষদ। তবে ফতোয়ার নবায়নে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় নতুন গেম ‘পোকোমন গো’র কোনো উল্লেখ নেই। সৌদি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়াটার্স তাদের এক প্রতিবেদনে একথা জানায়। খবর দ্য হিন্দুর ইসলামে বিশ্বাসীদের কাছ থেকে প্রশ্নের মুখে পোকোমন কার্ড গেমের বিরুদ্ধে ২০০১ সালে একটি ফতোয়া দিয়েছিল সৌদি সরকার। আজ এই ফতোয়াটি-ই নবায়ন করা হলো।
Category: তথ্য প্রযুক্তি
-

বাংলাদেশের অনুরোধে সাড়া দিয়েছে গুগল
এ বি এন এ : বাংলাদেশের সরকারের কাছ থেকে অনুরোধে সাড়া দিয়েছে গুগল। গত সোমবার গুগলের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছ থেকে গুগলের কাছে তথ্য চেয়ে যে অনুরোধ পাঠানো হয়, তা জনগণকে জানাতে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে গুগল।
-

সব রেকর্ড ভেঙে পোকেমন গো
এ বি এন এ : টেম্পল রান, অ্যাংরি বার্ড, ক্যানডি ক্রাশ কিংবা ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানসের মতো জনপ্রিয় সব গেমের রেকর্ড ভেঙেছে পোকেমন গো। ৬ জুলাই অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উন্মুক্ত করার পর তিন দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ৫ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েডে স্মার্টফোনে গেমটি ইনস্টল করা হয়েছে। ইনস্টল না করতে পেরে ভিন্নপথে খেলেছেন আরও ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী। যাঁরা ইনস্টল করেছেন, তাঁদের ৬০ শতাংশ প্রতিদিন গড়ে ৪৩ মিনিট গেমটি খেলছেন। সিমিলার ওয়েবের এই তথ্য থেকেই পোকেমন গো গেমের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।
অর্থনৈতিক দিক থেকে ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছে গেমের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। বাজারে উন্মুক্ত করার পাঁচ দিনের মধ্যে নিনটেন্ডোর বাজারদর ৯০০ কোটি ডলার বেড়ে গেছে।
শুরুটা দুই দশক আগে
পোকেমন গো গেম সম্পর্কে জানার আগে পোকেমন কী, তা জানা দরকার। পোকেমনের ধারণা গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক থেকেই প্রচলিত। পোকেমন একধরনের ভার্চ্যুয়াল প্রাণী। একে প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্যান্য পোকেমন ধরার কাজে কিংবা অন্যান্য ব্যবহারকারীর পোকেমনের সঙ্গে যুদ্ধে অংশ নিতে ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি পোকেমন চরিত্রের আলাদা কিছু সুপারপাওয়ার থাকে, যেগুলো দিয়ে শত্রুকে ঘায়েল করা যায়। ব্যবহারকারীদের রুচির পার্থক্যের জন্য একেকজনের কাছে একেকটি চরিত্র জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র ‘পিকাচু’। ভিডিও গেম নির্মাতা নিনটেন্ডোর গেম কনসোলে প্রথম পোকেমনের অস্তিত্ব মেলে। এরপর একাধারে কার্ড, কার্টুন ছবি, চলচ্চিত্র ও কমিক বুকে জনপ্রিয়তা পায়। আর এখন পোকেমনের দেখা মিলবে হাতের মুঠোয়, পোকেমন গো গেমে। গত ২০ বছরে প্রায় ৭০০ পোকেমন চরিত্র দেখা গেছে, সেখান থেকে ১৫১টি চরিত্র এই গেমে যোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু চরিত্র নির্দিষ্ট এলাকার জন্য সীমাবদ্ধ। দেশ বা শহর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন কিছু পোকেমন খুঁজে পাওয়া যাবে।যেভাবে খেলতে হবে
গেমটিতে ভালো করার কৌশল হলো ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় যেতে হবে আর হাঁটার সময় আস্তে আস্তে হাঁটতে হবে, কখনো কখনো পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার পর একটি এলাকায় নতুন পোকেমন তৈরি হয়। সেই সঙ্গে পোকেমন ধরার দক্ষতাও বেশ জরুরি, একটি নতুন পোকেবল পোকেমনের ওপরে প্রথমে ঘুরিয়ে তারপর ছুড়ে মারতে হয়। তবে কিছু পোকেমন খুব শক্তিশালী হয়। এদের যেমন ধরা কঠিন, তেমনি এরা বল ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম নয়। এ ক্ষেত্রে এদের সঙ্গে আগে লড়াই করে কিংবা কিছু খাবার দিয়ে পোষ মানিয়ে অধিগ্রহণ করা যেতে পারে। কোন পোকেমনটি বেশি শক্তিশালী, তা এর রং থেকে জানা সম্ভব, যেমন সবুজ পোকেমনের চেয়ে হলুদ পোকেমন বেশি শক্তিশালী, এরপর যথাক্রমে কমলা, লাল এভাবে। আর গেমে খুঁজে পাওয়া পোকেমনের ডিম ফুটানোর জন্য দুই থেকে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত হাঁটতে হতে পারে গেমারকে।গেমটি খেলার জন্য পোকেজেম অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সুবিধাসহ দুর্লভ প্রজাতির পোকেমন কেনার জন্য এই জেম খরচ করা যাবে। ১৪ হাজার ৫০০ পোকেজেমের জন্য মূল্য নির্ধারণ করেছে ৮০ পাউন্ড, যা গেমের সুবিধাদি কেনার জন্য আকাশচুম্বী। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, দীর্ঘ সময় গেম খেলার মাধ্যমে আস্তে আস্তে জেম সংগ্রহ করা সম্ভব। এ ছাড়া একই ধরনের পোকেমন যদি একাধিক থেকে থাকে, তবে সেগুলো বিক্রি করেও জেম অর্জন করা সম্ভব। গেমটি সম্পর্কে সব থেকে নেতিবাচক যে বিষয়টি এসেছে তা হলো, ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যায়, তাই গেমটি খেলতে হলে পাওয়ার ব্যাংক (অতিরিক্ত ব্যাটারি) সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গেমাররা।
গেম নিয়ে বিতর্ক
গেমটি খেলার সময় নিজ নিজ এলাকায় পোকেমন ধরা যায়। গুগল ম্যাপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনার আশপাশে লুকিয়ে থাকা পোকেমন খুঁজে বের করতে হয় এই গেমে। অর্থাৎ ম্যাপ থেকে খুঁজে বের করতে হবে কোথায় পোকেমন আছে এবং হেঁটে গিয়ে অন্য কেউ নিজের করে নেওয়ার আগেই সেটি উদ্ধার করতে হবে। এ থেকে সহজেই অনুমেয়, গেমটি খেলার জন্য প্রচুর হাঁটার বিকল্প নেই। ফলে আগে যেখানে বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক দেখিয়ে চিকিৎসকেরা বেশি গেম খেলতে নিষেধ করতেন, সেখানে উল্টো তাঁরাই পরামর্শ দিচ্ছেন পোকেমন গো খেলার জন্য। সে জন্য সবাই অফিসে বা স্কুলে যাওয়ার সময়, রাস্তাঘাটে, বাসে, নদীর ধারে, বন-জঙ্গলে গিয়ে পর্যন্ত পোকেমন গো গেমটি খেলছেন পছন্দের পোকেমন ধরার জন্য আর এসব করতে গিয়ে বাধা-বিপত্তিও পোহাতে হচ্ছে ঢের। একদল দুষ্কৃতকারী ম্যাপ থেকে জেনে রাখছে কোনো দুর্গম এলাকায় পোকেমন রয়েছে, সেখানে অবস্থান নিয়ে কেউ তা খুঁজতে এলে মুঠোফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার নজিরও পাওয়া গেছে, আর অতি উৎসাহী হয়ে গেমটি খেলার সময় সেতুর ওপর থেকে পড়ে গিয়ে এরই মধ্যে একজনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।
-

বছরের সেরা ৫ ডিজিটাল ট্রেন্ড
এ বি এন এ : সময় এখন ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন প্রযুক্তির। ফলে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেইসঙ্গে ইন্টারনেটের বদৌলতে বিশ্বের প্রতিটি বিষয়ই এখন একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হচ্ছে। ইন্টারনেটের এ উন্নয়নের কারণে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত তেমন কিছু প্রযুক্তিগত প্রবণতা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো :
মেসেজিং অ্যাপ : মোবাইলের ক্ষেত্রে মেসেজিং অ্যাপ হতে যাচ্ছে নতুন অপারেটিং সিস্টেম। প্রোগ্রাম্যাটিক অ্যাডভার্টাইজিং : ডিজিটাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম্যাটিক অ্যাডভার্টাইজিং হতে যাচ্ছে সবচেয়ে দ্রুতবর্ধনশীল ক্ষেত্র।
মোবাইল ওয়ালেট : অর্থ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট সিস্টেম। অনলাইন থেকে দ্রুত ডেলিভারি : ই-কমার্সের ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছানো ও জাহাজীকরণ খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এর কারণ বহু অনলাইন প্রতিষ্ঠান এক্ষেত্রে তাদের প্রভাব বিস্তার করছে এবং দ্রুত পণ্য পৌঁছানোর চার বাড়ছে। খরচ কমাতে অনলাইন : বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই তাদের পরিচালণার খরচ কমাতে অনলাইনের আশ্রয় নিচ্ছে।
-

ভুলেও ডাউনলোড করবেন না WhatsApp ‘গোল্ড অ্যাপ’
এ বি এন এ : হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা ভাঙিয়ে ফের সক্রিয় হ্যাকার চক্র। গ্রাহকদের প্রতারিত করে ব্যক্তিগত তথ্য লুঠের উদ্দেশে চলেছে ‘হোয়াটসঅ্যাপ গোল্ড আ্যাপ’-এর ব্যাপক প্রচার। ফাঁদে পা দিলেই সর্বনাশ! আপনার মোবাইল ফোনে ‘হোয়াট্সঅ্যাপ গোল্ড আ্যাপ’ ডাউনলোড করার মেসেজ এলে সাবধান! এই বিজ্ঞাপনের আড়ালে রয়েছে আপনার ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করার দুরভিসন্ধি। মেসেজে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করলে পৌঁছে যাবেন www.goldenversion.com ওয়েবসাইটে। বিশেষ অ্যাপটি ডাউনলোড করার জন্য ওই ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশ মেনে ক্লিক করতে হবে। কিন্তু সেই কাজটি করলেই পড়বেন মহা বিপদে।
মোবাইল মেসেজ ও ওয়েবসাইটের ভাষ্য অনুসারে, হোয়াটসঅ্যাপের এই এক্সক্লুসিভ সংস্করণ বিশ্বের মুষ্টিমেয় সেলেবরা ব্যবহার করেন। এই অ্যাপের সাহায্যে একই সঙ্গে পাঠানো যাবে ১০০টি ছবি। এ ছাড়াও রয়েছে ভিডিও কলিং, ফ্রি কলিং, হোয়াট্সঅ্যাপ থিম পরিবর্তন করার মতো বেশ কিছু লোভনীয় ফিচার্স। কিন্তু লোভের ফাঁদে পা দিলেই মুশকিল।
অ্যাপটি ডাউনলোড প্রক্রিয়ার সাহায্যে আসলে আপনার ব্যক্তিগত ডেটা চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের জিম্মায়। পাশাপাশি, আপনার প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর থাকছে তাদের কড়া নজর। প্রোগ্রামটি ডাউনলোডের সঙ্গে সঙ্গে আপনার ডিভাইস ম্যালওয়্যার আক্রান্ত হবে আর সেই সূত্রেই ব্যক্তিগত ডেটায় থাবা বসাবে হ্যাকার চক্র। তবে হোয়াট্সঅ্যাপের নামে লোভ দেখিয়ে অতীতেও ডেটা হাতানোর ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। এমনই এক ভুয়ো প্রচারের ঢল নেমেছিল ‘হোয়াট্সঅ্যাপ প্লাস’ ঘিরে।
এ কারণে এই বিষয়ে হোয়াট্সঅ্যাপের নিজস্ব ওয়েবসাইটে FAQ সেকশনে একটি সতর্কতা জারি করা রয়েছে। সেখানে সাফ বলে দেওয়া হয়েছে, ‘হোয়াট্সঅ্যাপ প্লাস অ্যাপ্লিকেশনটি হোয়াট্সঅ্যাপের তৈরি নয়। অ্যাপটি হোয়াট্সঅ্যাপ দ্বারা অনুমোদিতও নয়। এই অ্যাপে এমন কিছু সোর্স কোড রয়েছে যার কারণে ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা সম্পর্কে হোয়াট্সঅ্যাপ কোনও গ্যারান্টি দিতে পারছে না। এই সূত্রে অনুমতি ছাড়াই গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় ব্যক্তির হস্তগত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ ওই সতর্কীকরণে আরও বলা হয়েছে, ‘অবিলম্বে অ্যাপটি আনইনস্টল করুন এবং গুগল প্লে থেকে হোয়াট্সঅ্যাপ ডাউনলোড করুন। শর্তানুযায়ী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে আপনি হোয়াট্সঅ্যাপ ফের ব্যবহার করতে পারবেন।
‘ আসলে হোয়াট্সঅ্যাপ কখনওই মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে কোনও বিজ্ঞাপন প্রচার করে না। সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ই-মেল ছাড়া আর কোনও মাধ্যমে গ্রাহকদের বার্তা দেওয়ার চল তাদের নেই। মোবাইল স্ক্রিনে ভুতুড়ে মেসেজ ভেসে উঠলে তাই দেরি না করে দ্রুত ডিলিট করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
-

বেশি শব্দে টুইটের সুবিধা টুইটারে
এ বি এন এ : সপ্তাহ খানেক আগেই আভাস দেয়া হয়, বার্তা লেখার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের আরও বেশি স্বাধীনতা দিতে টুইটের শব্দ-সীমা গণনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে টুইটার ইনকর্পোরেশন। এই আভাসের ব্যাপারে এবার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।জানিয়েছে, টুইটের ১৪০ শব্দের হিসাবে আর ছবি, ভিডিও, জিআইএফ, পুল ও অন্যান্য মিডিয়াকে ধরবে না ক্ষুদে ব্লগ লেখার সাইটটি। যার মানে, সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি শব্দে টুইট করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।মঙ্গলবার এক ব্লগ পোস্টে এই পরিবর্তনের ব্যাপারে ঘোষণা দেয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটটি। নতুন নতুন ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে এই পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সান ফ্রান্সিস্কোভিত্তিক কোম্পানিটি।ছবি, ভিডিও, জিআইএফ, পুল ছাড়াও টুইটারের শব্দ-সীমায় এখন থেকে ‘@’-এই সংকেতকেও ধরা হবে না।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রযুক্তিবিশ্বে গুঞ্জন উঠে, টুইটের শব্দ-সীমায় পরিবর্তন আসছে। ওই সময় প্রযুক্তির খবর প্রচারকারী ওয়েবপোর্টাল ‘রি/কোড’ এক প্রতিবেদনে জানায়, ব্যবহারকারীদের জন্য ১৪০ শব্দের পরিবর্তে ১০ হাজার শব্দে টুইট করার সেবা চালুর পরিকল্পনা করছে টুইটার।বর্তমানে টুইটারে মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে ৩১০ মিলিয়ন, যা প্রতিদ্বন্দ্বী ফেসবুকের চেয়ে অনেক কম। এই সংখ্যাকে আরও বাড়াতে নানান উদ্যোগ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে নতুন পরিবর্তন টুইটারে। -

যে ভাবে অল্প সময়ে মোবাইল চার্জ করবেন!
এ বি এন এ : মোবাইল আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য। সময় সময়ের সাথী। মোবাইল যেমন আামাদের গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনই গুরুত্বপূর্ণ মোবাইলে চার্জ থাকাটা। অনেকেই বলেন, মোবাইলটিকে এয়ারপ্লেন মোডে বা ফ্লাইট মোডে রেখে চার্জ দিলে নাকি দ্রুত চার্জ হয়ে যায়। কারণ আপনার মোবাইল যখন এয়ারপ্লেন মোডে থাকে তখন আপনার ফোন যাবতীয় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির আওতার বাইরে থাকে। কিন্তু এই ধারণা কতটুকু সত্যি?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্লাইট মোডে থাকলে ফোন থেকে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ঠিকই কিন্তু তাতে ফোনের চার্জিং-এ কোনও প্রভাব প্রায় পড়ে না বললেই চলে। দেখা গেছে, স্বাভাবিক অবস্থায় একটি মোবাইল চার্জ দিতে যতটা সময় লাগে, ফ্লাইট মোডে ফোনটিকে রেখে চার্জ দিলে তার চেয়ে মাত্র চার মিনিট সময় কম লাগে। কাজেই দ্রুত চার্জিং-এর এই উপায়টির কোনও কার্যকারিতা নেই।
তাহলে কীভাবে দ্রুত চার্জ দেবেন ফোনে? রইল কয়েকটি টিপস:
১. বাজারে ফাস্ট চার্জার বলে এক ধরনের চার্জার পাওয়া যায়। এগুলির পাওয়ার আউটপুট বেশি হওয়ার কারণে এগুলির মাধ্যমে ফোনে তাড়াতাড়ি চার্জ হয়। চার্জিং-এর সময়ে এই ধরনের একটি চার্জার ব্যবহার করুন।
২. ফোনটিকে ব্যাটারি সেভিং মোডে রেখে চার্জ দিন।
৩. অপ্রয়োজনীয় ফিচারগুলি (যেমন ওয়াই ফাই বা ব্লু টুথ) চার্জিং-এর সময়ে অফ রাখুন।
৪. চেষ্টা করুন চার্জিং-এর সময়ে ফোনটি ব্যবহার না করতে। মনে রাখবেন, ফোনের স্ক্রিনটি যত বেশিক্ষণ অন থাকবে ফোনের ব্যাটারি খরচ তত বাড়বে। তাই কিছুক্ষণ বাদে বাদেই কারণে অকারণে ফোনের স্ক্রিনটি অন করলে চার্জিং-এর সময়ও বৃদ্ধি পাবে।
-

আজব ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাচ্ছেন?
এ বি এন এ : ফেসবুকে আপনার বন্ধু হয়ে আছে, অথচ আবার তার কাছ থেকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাচ্ছেন? ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে সম্প্রতি এ ধরনের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বা বন্ধুত্বের অনুরোধ আসার হার বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন। কোনো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করার আগে তা যাচাই-বাছাই করুন। কারণ, ফেসবুকে ‘ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট’ নামে নতুন একটি স্ক্যাম ছড়াচ্ছে।
সাইবার দুর্বৃত্তরা পরিচিতজন কিংবা বন্ধুত্বের ছদ্মবেশে ব্যক্তিগত নানা তথ্য চুরি করে নিচ্ছে।
এই দুর্বৃত্তরা ফেসবুক ব্যবহারকারীকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে পরিচিতজনের প্রোফাইল কপি বা নকল করছে এবং বন্ধু হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে। প্রথম দর্শনে এই ভুয়া প্রোফাইলগুলো দেখে বোঝার তেমন উপায় থাকে না। কারণ, এসব অ্যাকাউন্ট দেখে মনে হয় আপনার পরিচিত ওই বন্ধু কোনো কারণে তার পুরোনো প্রোফাইল মুছে দিয়ে নতুন করে প্রোফাইল খুলে আপনাকে বন্ধু হওয়ার অনুরোধ করেছে। বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করলে তারা চ্যাট কিংবা সাক্ষাৎ করার কথা বলে অর্থ বাগিয়ে নেওয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই স্ক্যামটি একবারে নতুন নয়। তবে বিভিন্নভাবে ঘুরে–ফিরে আবার প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা শুরু করেছে দুর্বৃত্তরা।
গবেষকেরা বলছেন, ফেসবুকের যে আইডিগুলোতে ব্যবহারকারী তার নাম, পরিচয়, লিঙ্গ, ছবি, ব্যক্তিগত তথ্য, কর্মক্ষেত্র, পড়াশোনার স্থানসহ কোনো কোনো ব্যক্তিগত বিষয়ে ভুয়া বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে, সেগুলোকে ফেক আইডি বলা হয়। ভুয়া আইডির বিড়ম্বনা থেকে স্বস্তি পেতে বন্ধুত্বের অনুরোধগুলো ভালো করে যাচাই-বাছাই করে দেখা উচিত।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, ফেসবুকে অচেনা-অজানা কাউকে বন্ধু বানাবেন না। কারণ, ফেসবুকে ছদ্মবেশী অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনার ওপর নজরদারি করা হতে পারে। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করতে চ্যাট করার সময় অদ্ভুত আচরণ, বানানের ধরন ও প্রোফাইলটি নতুন কি না, তা পরীক্ষা করে দেখুন। যে বন্ধুর কাছ থেকে অনুরোধ এসেছে, তার কাছ থেকে অন্য কোনো মাধ্যমে তাঁর নিজের অ্যাকাউন্ট কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।
-

যে কারণে কি-বোর্ডে A,B,C…X,Y,Z পাশাপাশি থাকে না
এ বি এন এ : কম্পিউটার থেকে ল্যাপটপ, কোথাওই ইংরেজি বর্ণমালার লেটারগুলি কি-বোর্ডে পাশাপাশি থাকে না। সেই আদ্যিকালের টাইপ রাইটারের মতো ছড়ানো ছিটানো। লেখার সময় বেশ খুঁজে নিতে হয় লেটারগুলিকে। কিন্তু, কী কারণে কি-বোর্ডে এভাবে রাখা হয় লেটারগুলি?
এর আসল কারণ হল QWERTY। এটিই হলো প্রথম কমার্শিয়াল টাইপরাইটারের লে-আউট। ক্রিস্টোফার শোলেস ১৮৭৪ সালে এই লে-আউটটি তৈরি করেন। এর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘Remmington Number 1’। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেন, লেটারের বাটনগুলো হয় আটকে যাচ্ছে, নয়তো একটা আরেকটার সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। যার ফলে টাইপ করার সময় মিস হয়ে যাচ্ছে লেটার।
ফলে এই সমস্যা দূর করতেই, কমন লেটারগুলিকে পরস্পরের থেকে দূরে রাখা হয়। যাতে টাইপ করার সময় কোনও বাটন আটকে না যায়। আর তাতে কাজও হয়। পরে আধুনিক কম্পিউটারেও সেই একই লজিকই ফলো করা হয়।
-

ডিগ্রি দেবে ফেসবুক !
এ বি এন এ : কিছুদিন পর কেউ যদি বলে ফেসবুক থেকে পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জন করেছি, এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ, ফেসবুক ও গুগলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এ প্রস্তাবে যুক্তরাজ্যে গুগল ও ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ও সেখান থেকে ডিগ্রি দেওয়ার অনুমতি দেওয়ার কথা রয়েছে।ওই প্রস্তাবটিকে বলা হচ্ছে ‘সাকসেস অ্যাজ আ নলেজ ইকোনমি’। এতে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভালো করবে তাদের প্রতিবছর টিউশন ফি বাড়ানোর সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।
অবশ্য ফেসবুক বা গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এ ধরনের সুযোগ নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
