এ বি এন এ : চীনের প্রাচীর, হোয়াইট হাউস, বাকিংহাম প্যালেস, এমনকী সাহারা মরুর ঢিবির আবডাল আপনার সামনে উন্মুক্ত গুগল আর্থ-এর দাক্ষিণ্যে। পৃথিবীর এমন কোন জায়গা কি রয়েছে, যাকে এই অ্যাপ দেখাতে অসমর্থ? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি কথাটা এই যে, তেমন কিছু জায়গা বাস্তবিকই রয়েছে, যাদের বিস্তারিত গুগল আর্থ দিতে অসমর্থ। জানুন, কোন কোন জায়গাগুলো গুগল আর্থ দেখাতে অসমর্থ- • অ্যান্থ্রাক্স দ্বীপ, স্কটল্যান্ড— মাত্র এক মাইল দৈর্ধ্যের এই ডিম্বাকৃতি দ্বীপটির চেহারা গুগল আর্থ কিছুতেই দেখাতে পারে না। গ্রুইনার্ড উপসাগরের এই দ্বীপটি বহুকাল ধরেই মনুষ্যবর্জিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা এখানে অ্যান্থ্রাক্স বোমা পরীক্ষা করতেন বলেই এই দ্বীপ বাসযোগ্যতা হারায়। ঠিক কী কারণে গুগল আর্থ এই দ্বীপের গহীনে প্রবেশ করতে পারে না, তা জানা যায় না। • রসওয়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র— নিউ মেক্সিকোর এই জায়গাটির খ্যাতি ‘ইউএফও’ সাইট হিসেবে। এসময়ে মানুষের কৌতূহল ফেটে পড়েছিল এখানে ইউএফও দেখতে পাওয়ার সংবাদে। কিন্তু এই জায়গাটির আর একটি ইতিহাস রয়েছে। ১৯৪৭ সালে মার্কিন বিমান বাহিনীর এক গুপ্তচর বেলুন এখানে ভেঙে পড়েছিল। পরে ইউএফও-র গল্প ছড়িয়ে ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলে বলে জানা যায়। ১৯৭০-দশকে ইউএফও-র গুজব তুঙ্গে ওঠে। কোন অজ্ঞাত কারণে এই জায়াগটির ডিটেলও গুগল আর্থ-এ অলভ্য। • গেথসেমানে বাগান, জেরুসালেম, ইজরায়েল— খ্রিস্টীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই বাগানে যিশু তার ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার আগের রাত্রিটি কাটিয়েছিলেন। এখানেই শয়তান তাকে প্রলুব্ধ করে বলে কথিত রয়েছে। আজ এই বাগান এক পবিত্র খ্রিস্টীয় তীর্থ। মা মেরিকে এই বাগানেই প্রথমে সমাহিত করা হয়েছিল বলেও কিংবদন্তি রয়েছে। গুগল আর্থ-এ এই স্থানটি কোন অজ্ঞাত কারণে ঝাপসা হয়ে দেখা দেয়। • নারসার্সুক, গ্রিনল্যান্ড— মেরুবলয়ের এই জায়গাটি সংবাদশীর্ষে উঠে আসে ১৯৬৮ সালে। এই সময়ে একটি আণবিক অস্ত্রবাহী বিমান এই স্থানটির কাছেই উত্তর সমুদ্রে ভেঙে পড়ে। পুরো এলাকাটি প্লুটোনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তায় দুষ্ট হয়ে পড়ে বলে জানা যায়। গুগুল আর্থ-এ জায়গাটিকে দেখতে চাইলে কিছুতেই স্পষ্ট ছবি আসে না। • মদিনা, সৌদি আরব— ইসলামের বিখ্যাত তীর্থ। পয়গম্বর হজরত মোহাম্মদের পদধূলি ধন্য এই পবিত্র নগরীকে গুগুল আর্থ যেভাবে দেখায়, তা অতি অদ্ভুত। ‘আলোকিত নগরী’ হিসেবে খ্যাত মদিনাকে কতগুলো সাদা ব্লকের সমাহার ছাড়া অন্য কিছু মনে হয় না গুগল আর্থ-এ। অথচ অ-মুসলিমদের কাছে মদিনা মোটেই ‘নিষিদ্ধ নগরী’ নয়। কেন এমন হয়, তা জানা যায় না।
Category: তথ্য প্রযুক্তি
-

প্রি-একটিভেটেড সিম চালু পেলেই ৫০ ডলার জরিমানা
এ বি এন এ : টেলিযোগাযোগ নির্ভর বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বন্ধে সরকার প্রি-একটিভেটেড সিমের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি শক্ত অবস্থান নিতে যাচ্ছে। সরকার এবার এসব প্রাক-সক্রিয় সিমের দিকে নজর দিচ্ছে এবং সে অনুযায়ী এই বিপুল সংখ্যক প্রি-একটিভেটেড সিম বাজেয়াপ্ত করতে যাচ্ছে। কারণ ব্যবহারকারীদের বায়োমেট্রিক কার্যক্রমের পর এ সকল সিম আর বাজারে পাওয়ার কথা ছিল না। এ ব্যাপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম প্রি-একটিভেটেড সিমের ব্যাপারে মোবাইল অপারেটরদের উদ্দেশে বলেন, এসব সিম বাজারে পাওয়ার ব্যাপরে আগামী সপ্তাহ থেকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে সিম প্রতি অপারেটর প্রতিষ্ঠানকে ৫০ ডলার জরিমানার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেকোনোভাবেই হোক প্রি-একটিভেটেড সিমের ব্যবহার আমি বন্ধ করবই। তিনি বলেন, দেশের মানুষ সিমগুলোর মালিক হিসেবে বাধাবিপত্তির পরও স্থায়ীভাবে বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে এ কার্যক্রম বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। গত বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে এ বছর ৩১ মে দেশের সকল সিমের বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ টলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী দেশের ছয়টি মোবাই কোম্পানীর মোট ১৩ কোটি ১৩ লক্ষ গ্রাহক রয়েছে। ইতিমধ্যে কমিশন সিম বিক্রেতা ও বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে বিস্তারীত তথ্য সংগ্রহ করেছে। সম্প্রতি বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্নের পর গত ৮ জুন পুলিশের এক অভিযানে রাজধানী থেকে প্রি-একটিভেটেড সিম বিক্রির অভিযোগে সাত জন বিক্রতাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এ ধরনের ১৩টি সিম জব্দ করা হয়। এসব সিম অন্যের নামে নিবন্ধন করে বিক্রি করা হচ্ছিল। অপরদিকে গত ২৪ জুলাই চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার এলাকায় ডিবির অভিযানে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা প্রায় ৪ হাজার প্রি-একটিভেটেড সিমসহ সাতজনকে আটক করা হয়। এ ব্যাপারে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (কমিউনিকেশন এন্ড কর্পোরেট রেস্পন্সিবিলিটি) ইকরাম কবির বাসসকে বলেন, এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি থেকে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আমরা কাজ করার জন্য অপেক্ষ করছি।
-

রোগীর শরীরে অস্ত্রোপচার করবে ব্যাকটেরিয়া!
এ বি এন এ : মানুষের শরীরে প্রবেশ করে অস্ত্রোপচার করবে ‘ব্যাকটেরিয়া’! শরীরের ভেতর যে সব জায়গায় সরাসরি ওষুধ পৌঁছে দিলে দ্রুত আরোগ্য হয়, এবার সেই সব জায়গায় দ্রুত ওষুধ পৌঁছে দেবে ব্যাকটেরিয়া। করবে অনেক জটিল অস্ত্রোপচার। ধমনীগুলোর মধ্যে জট পাকিয়ে গেলে তা খুলে দিয়ে রক্ত সঞ্চালনকে স্বাভাবিক করে তুলবে। ব্যাপারটা অাসলেই অদ্ভুত! ব্যাকটেরিয়ার দুশ্চিন্তায় মানুষ সবসময়ই তটস্থ থাকে, এখন সেই ব্যাকটেরিয়াই কিনা সার্জেন হয়ে বাঁচাবে মানুষের প্রাণ! নরমসরম এই ‘সার্জেন’দের খুব সহজেই দোমড়ানো-মোচড়ানো যায়। আর তাদের চালাতে কোনও যন্ত্রেরও দরকার হয় না। ফলে, শরীরে ঢুকে সেই ‘সার্জেন’ যখন অসম্ভব দ্রুত গতিতে কোষ, কলাগুলোর কাটাছেঁড়া করবে, জুড়বে, বাদ দেবে, তখন তার শরীরের ভেতরে কোনও যন্ত্র না থাকায়, তাতে কোনও গলদের সম্ভাবনা থাকবে না। আর সেই গলদের জন্য কোনও বিপত্তি ঘটারও আশঙ্কা থাকবে না সার্জারিতে। যাদের ছাড়া ‘অপারেশন থিয়েটার’ চলে না, সেই ছুরি, কাঁচি, ফরসেপ, ট্রে’র কোনও দরকারই হবে না এই যন্ত্রহীন কিন্তু অসম্ভব রকমের যান্ত্রিক এই ‘সার্জেন’দের ‘থিয়েটার’-এ! এই ‘স্মার্ট সার্জেন’দের আবিষ্কার করেছে সুইজারল্যান্ডের ‘ইকোলে পলিটেকনিক ফেডেরাল দে লসাঁ’র রোবোটিক সার্জারি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর পদার্থবিজ্ঞানী সেলমান সাকার ও নেদারল্যান্ডসের ‘ইউনিভার্সিটি অফ তোয়েন্তে’র পদার্থবিদ্যার অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর সার্থক মিশ্র সহ একটি গবেষক দল। তাঁদের গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-কমিউনিকেশন্স’-এর জুলাই সংখ্যায়। যার শিরোনাম- ‘সফ্ট মাইক্রোমেশিনস্ উইথ প্রোগ্রামেব্ল মোটিলিটি অ্যান্ড মরফোলজি’। কেমন দেখতে হবে ওই ‘স্মার্ট সার্জেন’রা? শরীরের ভেতরে ঢুকে কী ভাবে চালাবে তারা ‘অপারেশন’? অন্যতম প্রধান গবেষক বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সার্থক মিশ্র জানিয়েছেন, খুব সহজেই দোমড়ানো-মোচড়ানো যায়, অত্যন্ত নরম আর আদ্যন্ত যন্ত্রবিহীন এই ‘সার্জেন’রা আসলে মাইক্রো-রোবট। যাদের বানানো হয়েছে হাইড্রোজেল আর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র চৌম্বক (ম্যাগনেটিক) ন্যানো-পার্টিকল’ দিয়ে। এই ন্যানো-পার্টিকলগুলির কাজ হবে দু’রকম। ‘সার্জেন’ মানে মাইক্রো-রোবটদের চেহারা কেমন হবে, তা ঠিক করে দেবে এই ন্যানো-পার্টিকলরাই। যেহেতু ন্যানো-পার্টিকলদের চৌম্বক ধর্ম রয়েছে, তাই বাইরে থেকে তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্র (ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক ফিল্ড) প্রয়োগ করা হলে, তার টানেই এই ন্যানো-পার্টিকলরা নড়াচড়া করে। জলের মতো হাইড্রোজেলেরও কোনও নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি না থাকায়, তার ভেতরে থাকা ন্যানো-পার্টিকলগুলো ত়ড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রের টানে যে ভাবে নড়াচড়া করবে, তার ওপরেই নির্ভর করবে মাইক্রো-রোবটের চেহারাটা কেমন হবে। তা কী ভাবে, কোন দিকে এগোবে। এমনকী, শরীরের ভেতরে প্রয়োজনে কী ভাবে তারা সাঁতারও কাটতে পারবে।’’ গবেষণাপত্রে প্রধান গবেষক সেলমান সাকার লিখেছেন, ‘‘ওই ম্যাগনেটিক ন্যানো-পার্টিকলগুলিকে প্রথমে বসানো হয় অনেকটা জলের মতো পদার্থ হাইড্রোজেলের মধ্যে। তার পর বাইরে থেকে প্রয়োগ করা হয় তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্র। যাতে হাইড্রোজেলের মধ্যে থেকেই ন্যানো-পার্টিকলগুলি তার বিভিন্ন অংশে ঘোরাফেরা করতে পারে। ওই তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রের টানে। এর পর হাইড্রোজেলটাকে আর আগের মতো নমনীয় রাখা হবে না। তাকে ধীরে ধীরে ‘কঠিন’ করে তোলা হবে। সেটিকে বসিয়ে দেওয়া হবে জলের মধ্যে। তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রের টানে ভেতরে থাকা ন্যানো-পার্টিকলগুলো যে ভাবে, যে দিকে নড়াচড়া করবে, জলে ভেসে থাকা হাইড্রোজেলটাও (মাইক্রো-রোবট) সে ভাবেই সে দিকে হেলে যাবে বা এগোবে অথবা সাঁতার কাটতে থাকবে। তার পরের ধাপে শরীরের ভেতর ওই মাইক্রো-রোবটের গতি বাড়াতে বাইরে থেকে প্রয়োগ করা তড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রের শক্তি আরও বাড়ানো হবে। যাতে শরীরের ভেতর মাইক্রো-রোবটটি আরও দ্রুত ও অনায়াসে সাঁতার কাটতে পারে। পৌঁছে যেতে পারে শরীরের ভেতর তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে। যেখানে সরাসরি ওষুধ প্রয়োগ করতে চাইছেন ডাক্তাররা। বা চাইছেন অস্ত্রোপচার করতে।’’ সার্থকের কথায়, ‘‘আমরা ব্যাকটেরিয়াদের দেখেই শিখেছি। বিশেষ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ঠিক এই ভাবেই কাজ করে আমাদের দেহে। এই ব্যাকটেরিয়াদের জন্যই আমাদের একটি রোগ হয়। যার নাম- ‘আফ্রিকান ট্রাইপ্যানোসোমিয়াসিস’। যার অন্য নাম- ‘স্লিপিং সিকনেস’। এই ব্যাকটেরিয়ারা যখন আমাদের রক্তের মধ্যে চলাচল করে, তখন তারা তাদের ক্ষণপদ বা ফ্ল্যাজেলামকে এমন ভাবে গুটিয়ে রাখে, যাতে শরীরের প্রতিরোধী ব্যবস্থা তার হাল-হদিশ না জানতে পারে। কিন্তু যেখানে গিয়ে সে হানাদারি চালাবে, সেই কোষ, কলার মুলুকে পৌঁছেই ওই গুটিয়ে রাখা ক্ষণপদটাকে বের করেই কোষ, কলার যা ক্ষতি করার করে দেয় ওই ব্যাকটেরিয়া। আমরা ওই ব্যাকটেরিয়ার মতোই বানিয়েছি এই মাইক্রো-রোবটটিকে। ভেতরের ন্যানো-পার্টিকলগুলোর নড়াচড়া হাইড্রোজেলটাকে কী চেহারা দেবে, তা বোঝা যাবে যখন তার গন্তব্যে পৌঁছে মাইক্রো-রোবট ওষুধটা দিচ্ছে বা অস্ত্রোপচার করছে, তখনই।’’ তবে এই ধরনের ‘অপারেশন’-এর কোনও পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া রয়েছে কি না, থাকলে সেগুলো কী কী, গবেষকরা জানাচ্ছেন, সে সবই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
-

‘অ্যাপল মূল্য জালিয়াতিতে জড়িত নয়’
এ বি এন এ : ‘আইফোনরে মূল্য ‘জালয়িাতরি’ সঙ্গে অ্যাপল জড়তি’ মঙ্গলবার রাশয়িার করা এমন অভযিোগ অস্বীকার করে প্রতষ্ঠিানটি বলছে,ে খুচরা বক্রিতোরা তাদরে নজিদেরে মত করে মূল্য নর্ধিারণ করতে পারনে।
তার আগে, রাশিয়ার ফেডারেল অ্যান্টি মনোপোলি সার্ভিস (এফএএস) জানিয়েছিল, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে, রাশিয়ায় আইফোন ৬ আর আইফোন ৬ প্লাসের মূল্য ‘অভিন্ন’-একজন গ্রাহকের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তারা মামলা দায়ের করেছেন। রাশিয়ার প্রায় ১৬টি প্রধান খুচরা বিক্রেতার থেকে এর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।
মার্কিন এই প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, “খুচরা বিক্রেতারা রাশিয়াসহ সারা বিশ্বে অ্যাপল পণ্যের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন।”
তবে রয়টার্সের তথ্যমতে, অ্যাপল কোনোভাবে খুচরা বিক্রেতাদেরকে কোনো পণ্যের জন্য বিক্রয়মূল্য নির্ধারণে ‘বাধ্য’ করেছিল কিনা এফএএস তা তদন্ত করে দেখছে। এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খুচরা বিক্রেতারা অ্যাপলের অন্যান্য বেশ কিছু মডেলের জন্য ‘অভিন্ন’ মূল্য নির্ধারণ করেন আর তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলমান রাখেন।
-

মারাত্মক হুমকির মুখে ১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন!
এ বি এন এ : মারাত্মক একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত স্মার্টফোন ও ট্যাব এর শিকার। বিশ্বের প্রায় ১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘কোয়াডরুটার’ নামের ভাইরাসটির আক্রমণ ঘটেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ব্যবহারে হ্যাকাররা ফোনের ক্যামেরাসহ যাবতীয় ডেটায় প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ইন্টারন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি কম্পানি চেক পয়েন্ট এসব তথ্য জানায়। কোয়াডরুটার-এর আক্রমণ ঘটেছে বলেই সন্দেহ করছেন তারা। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কোয়ালকম চিপ দিয়ে নির্মিত বিশ্বের ৯০ কোটি ফোন হুমকির মুখে রয়েছে। চেক পয়েন্টের হেড অব মোবিলিটি প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট মাইকেল শাওলভ এ-সংক্রান্ত সন্দেহের কথা দুই সপ্তাহ আগেই জেডডিনেট নামের একটি ওয়েবসাইটে জানান দেন। বলেন, এই মুহূর্তে পৃথিবীতে কারো স্মার্টফোন নিরাপদ নয়। সমস্যা দূরীকরণের ক্ষেত্রে কোয়ালকম ও গুগলের মধ্যে সমন্বয়কারীর ঘাড়ে দায় চাপে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একজন আক্রমণকারী কারো ফোনে কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার জন্য একটি লিঙ্ক দিতে পারেন। এই অ্যাপটি ইনস্টল হতে কোনো পারমিশন লাগবে না। এর মাধ্যমে হ্যাকার ফোনের ‘রুট’ অ্যাকসেস পাবেন। অর্থাৎ, তারা এর মাধ্যমে ফোনের সব ডেটা দেখতে পারবেন এবং ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করবেন। কোয়ালকম জানায়, তারা এ বিষয়ে গুগলের সঙ্গে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামী মাসেই হয়ত আপডেটের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান ঘটবে। গুগলের নেক্সাস ফোন সবার আগে এই আপডেট পাবে। পরে অন্যান্য ফোনে আসবে। কোয়াডরুটার আক্রমণের ক্ষেত্রে হ্যাকার পছন্দের সম্ভাব্য ফোনগুলো হতে পারে ব্ল্যাকবেরি প্রিভ এবং ডিটেক৫০, নেক্সাস ৫এক্স, নেক্সাস ৬, নেক্সাস ৬পি, এলজি জি৪, এলজি জি৫, এলজি ভি১০, সন এক্সপেরিয়া জেড আল্ট্রাম, এইচটিসি ওয়ান, এইচটিসি এম৯, এইচটিসি ১০, ব্ল্যাকফোন ১ এবং ব্ল্যাকফোন ২। এ ছাড়া আমেরিকার ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন এবং ফেডারেল ট্রেড কমিশন এ মাসের শুরুতেই অ্যাপল, গুগল, ব্ল্যাকবেরি, এইচটিসি, মটোরলাসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফোন নির্মাতাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকঠাক করতে চিঠি দিয়েছে। কোয়ালকমের আরেক কর্মকর্তা জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। গবেষকদের মাধ্যমে আমরা এই হুমকি সম্পর্কে সচেতন। এ বছরের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলের মধ্যে হুমকি সম্পর্কে তথ্য আসে। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যেই সবার নিরাপত্তার জন্যে ৪ ধরনের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিরাপত্তাসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় নিয়ে আমাদের তৎপরতা অব্যহত থাকবে।
-

ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প
এ বি এন এ : প্লাস্টিক ক্রেডিট কার্ডকে বিদায় দেওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়েছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা। ম্যাকডোনাল্ডের মতো প্রতিষ্ঠান ফিঙ্গার-স্ক্যানিং পেমেন্টপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করছে। এ প্রযুক্তির নাম ফিঙ্গো পে। এটি তৈরি করেছে ব্রিটিশ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান স্টালার।
এ পদ্ধতিতে একটি বায়োমেট্রিক রিডারের মাধ্যমে ক্রেতার আঙুলের শিরা স্ক্যান করা হয়। এতে ক্রেতার শিরার একটি মানচিত্র তৈরি হয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এই মানচিত্র অনন্য।
প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা বলছেন, মানুষের আঙুলের শিরার এই ধরন ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করা হলে ছোট একটি স্ক্যানারে আঙুল রেখেই লেনদেন করা যাবে। নগদ অর্থ বা ক্রেডিট কার্ড বহনের ঝামেলা থাকবে না।
স্টালার প্রতিষ্ঠা করেছেন নিক ড্রাইডেন নামের একজন উদ্যোক্তা। শিগগিরই লন্ডনের একটি নাইট ক্লাবে এ প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হবে। এটি পাসওয়ার্ড বা পিনের চেয়ে নিরাপদ হবে বলে মনে করছেন তিনি।
ফিঙ্গো পে নিয়ে ভিসা ইউরোপের উদ্ভাবনী সহযোগী প্রতিষ্ঠান কোলাবের পরিচালক হেনড্রিক ক্লেইনসমিড বলেন, মানুষ নিরাপদ অথেনটিকেশন পদ্ধতি হিসেবে বায়োমেট্রিক গ্রহণ করতে প্রস্তুত। -

হজযাত্রীদের জন্য বাংলালিংকের রোমিং অফার
এ বি এন এ : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম হজফ্লাইট বিজি-১০১১ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবে।
বাংলাদেশ থেকে এবার ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ হজযাত্রী সৌদি যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন মোট ৫ হাজার ২০০ জন, অবশিষ্টরা যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।
হজযাত্রীদের জন্য মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক দিচ্ছে আকর্ষণীয় রোমিং অফার। এসএমএস এর মাধ্যমে তাদের গ্রাহকদের এই সেবার বিষয়ে জানাচ্ছে কোম্পানিটি।
রোমিং অফারে ইনকামিং কলে ১৫ টাকা এবং যে কোনো নম্বরে কল করতে মিনিটে ২৫ টাকা খরচ পড়বে।
-

যৌন অপরাধীদের ‘পোকেমন গো’ নিষিদ্ধ!
এ বি এন এ : যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দাদের কাছে জনপ্রিয় একটি ভিডিও গেম ‘পোকেমন গো’। তবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির এই গেমটি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে দেশটি। এরই ধারাবাহিকতায় পোকেমন গো কি খেলে এমন শিশুদের নিরাপত্তায় প্যারোলে মুক্তি পাওয়া তিন হাজার নিবন্ধিত যৌন অপরাধীর খেলাটি থেকে বিরত রাখতে কর্তৃপক্ষকে আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো। কুমো বলেন, “নিউইয়র্কের শিশুদের রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের দিক থেকে এক নাম্বার, আর যেহেতু প্রযুক্তি বিবর্তিত হচ্ছে, আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, উন্নতি যাতে বিপজ্জনক শিকারীদের নতুন শিকার ধরার জায়গা না হয়ে যায়। এই পদক্ষেপ এই অগমেন্টেড রিয়ালিটি গেইমগুলোর খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেবে আর যারা আমাদের শিশুদের ক্ষতি করতে চাচ্ছে তাদের দূর করতে আরও সহায়তা করবে।” একই সঙ্গে যৌন হয়রানিকারীদের পোকেমন গো থেকে দূরে রাখতে গেইমটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিয়ানটিকের কাছে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন কুমো। তবে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
-

ডিলিট মেসেজও থেকে যায় হোয়াটসঅ্যাপে!
এ বি এন এ : হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচার হলো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন। এই ফিচারের কল্যাণে ব্যবহারকারীদের মধ্য এই বিশ্বাস বদ্ধমূল হয়েছে যে, তাদের কথা চালাচালিতে প্রবেশ করতে পারবে না কেউ-ই। সরকার বা আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তো নয়ই; খোদ হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও না।এই বিশ্বাস কি আদৌ ঠিক? না, ঠিক নয়। কারণ এক নিরাপত্তা গবেষক হোয়াটসঅ্যাপের আইওএস প্ল্যাটফর্মে নতুন এক ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন, যা দেখিয়েছে ডিলিট করা মেসেজ চিরতরে মুছে যায় না হোয়াটসঅ্যাপ থেকে!জনাথন জেডজিয়ারস্কি নামের ওই আইওএস গবেষক হোয়াটসঅ্যাপের সর্ব সাম্প্রতিক সংস্করণ থেকে নেয়া এক ডিস্ক ইমেজ গবেষণা করে আবিষ্কার করেছেন, একজন ব্যবহারকারী মেসেজ ডিলিট করে দেয়ার পরও তা চিরতরে নিঃচিহ্ন হয় না। ওই সব মেসেজে প্রবেশ করতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ! -

হিলারির প্রচারণায় আইফোনে নতুন গেমিং অ্যাপস!
এ বি এন এ : আইফোনে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে একটি মোবাইল অ্যাপস উন্মুক্ত করেছেন। নতুন এই অ্যাপসটির নাম ‘হিলারি ২০১৬’।
ব্যবহারকারীদের জন্য এই অ্যাপসে কিছু আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা এই অ্যাপসে নিজেদের ডিজিটাল হেডকোয়ার্টার খুলতে পারবে এবং এর ডিজাইন ও লেআউট পরিবর্তন করতে পারবে। গেমিং কনসেপ্টের আদলে এই অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে।
অ্যাপস হলেও এতে সত্যিকারের পুরষ্কার অর্জনের সুযোগও রয়েছে। অ্যাপসটিতে ব্যবহারকারীরা একে অন্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উভয় পুরুস্কার লাভ করবে। বাস্তব পুরুস্কার হিসেবে এতে রয়েছে হিলারির সাইন করা বিভিন্ন স্মারক।
