এবিএনএ : খুব ছোট ও প্রিয় কিছু মুহূর্ত আছে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার। বৃষ্টির পরই হোয়াইট হাউসের সাউথ লনের সতেজ ঘাসগুলো তাঁকে টানে। ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকার মুহূর্তটিও বড় প্রিয়।
জানা যায়, হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাওয়ার পর এই মুহূর্তগুলোই সবচেয়ে বেশি মনে পড়বে মিশেলের। এই স্মৃতিগুলো তাঁর মনে গাঁথা থাকবে।
ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগ তৃতীয়বারের মতো ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানেই এসব কথা বলেছেন মিশেল।
প্রচ্ছদে মিশেলের ছবিটিও তাঁর প্রিয় একটি মুহূর্তকে ধরে রেখেছে। সেখানে দেখা গেছে, সাউথ লনের সবুজ ঘাসে গা এলিয়ে বসেছেন মিশেল। এলানো চুল পড়ে আছে। হাত রেখেছেন ফুলের বাগানে।
ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মিশেল ওবামা বলেন, ‘খুব ছোট, ছোট কিছু মুহূর্ত আছে। ঘন, সবুজ সাউথ লন অথবা ওয়াশিংটন মনুমেন্টের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা। বৃষ্টির পরই ঘাসগুলো সবুজ, সতেজ হয়ে ওঠে। সবকিছুকেই তখন খুব আদুরে মনে হয়। এত সুন্দর সেই দৃশ্য! সেই মুহূর্তগুলো আমার মনে পড়বে। চাইলেই যখন-তখন এমন সৌন্দর্যের কাছে আমি পৌঁছাতে পারব না।’
মিশেলের কথা থেকে এটা স্পষ্ট যে হোয়াইট হাউসের বিলাসী জীবন নয়, সবুজ প্রকৃতির সৌন্দর্যই বেশি টেনেছে তাঁকে। সেগুলোই বেশি মনে পড়বে তাঁর।
২০০৯ সালে বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ভোগ মিশেলকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করে। ২০১২ সালে ভোগ দ্বিতীয়বারের মতো মিশেলকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ নিয়ে ভোগ তৃতীয়বারের মতো মিশেলকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করল।
Category: এক্সক্লুসিভ
-

মিশেলের প্রিয় মুহূর্তগুলো
-

৫৭৫ দিনের প্রচারণা, ২১০ কোটি ডলার খরচ, স্ক্যান্ডাল, তবু ‘চ্যাম্পিয়ন হতে চাই’
এবিএনএ : ৫৭৫ দিনের প্রচারণা। ২১০ কোটি ডলার ব্যয়। ডজন ডজন স্ক্যান্ডালের ছড়াছড়ি। সবকিছু একদিনে মিশে যাচ্ছে। এ দিনটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিন। আজ মঙ্গলবার মার্কিনিরা সেই মহা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জানান দিচ্ছেন। তারা তাদের ভোটের শক্তি দিয়ে জানিয়ে দিচ্ছেন হিলারি ক্লিনটন নাকি ডনাল্ড ট্রাম্পের হাতে হোয়াইট হাউজের চাবি তুলে দেবেন। ২০১৫ সালের ১২ই এপ্রিল হিলারি ঘোষণা করেছিলেন দীর্ঘদিন মনের গভীরে লুকিয়ে রাখা একটি কথা। আনুষ্ঠানিকভাবে বলেই দিয়েছিলেন দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউজের জন্য লড়াই করবেন তিনি। সেদিন তিনি রোববার সন্ধ্যায় এক ভিডিওতে বলেছিলেন, প্রতিদিন আমেরিকানদের প্রয়োজন একজন চ্যাম্পিয়ন। আমিই সেই চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
তারপর থেকে কেটে গেছে ১৮ মাস। এরই মধ্যে হিলারি কঠিন এক প্রাইমারি নির্বাচনের মুখোমুখি হয়েছেন। তাতে উৎরে গেছেন। তারপর পড়েছেন রিপাবলিকান দলের আগ্রাসী প্রতিদ্বন্দ্বী ডনাল্ড ট্রাম্পের মুখে। হিলারির স্টামিনা বা কর্মশক্তি, তার স্বাস্থ্য, এমনকি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার প্রার্থিতার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। এমন সব আক্রমণে হিলারি ভেঙে পড়েন নি। তিনি নিজেকে সংবরণ করে নিয়েছেন।
শীতের এক সোমবার রাতে হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রচারণার বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি সেই প্রচারণার ইতি টানেন ফিলাডেলফিয়ায়। এই সেই শহর যেখানে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতার ঘোষণায় স্বাক্ষর করেছিল। এ সময় হিলারির পাশে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামা, হিলারির স্বামী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, মেয়ে চেলসি ক্লিনটন, ব্রুস স্প্রিংস্টিন ও জোন বন জোভি। ঐতিহাসিক সেই ফিলাডেলফিয়ায় উত্তাল মানুষের ¯্রােতের সামনে দাঁড়িয়ে স্প্রিয়স্টিন উদাত্ত আহ্বান জানালেন, ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসুন। ভোট দিতে যান। এ সময় জনপ্রিয় এ সঙ্গীতশিল্পী পরিবেশন করেন ‘থান্ডার রোড’ ও ‘ড্যান্সিং দ্য ডার্ক’। নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে শেষ দিনগুলোতে ভাল একটি লিড নিতে পেরেছেন তিনি। ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের জরিপে হিলারিকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৭ ভাগ ভোটার। ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন ৪৩ ভাগ। অন্যদিকে সিবিএস নিউজের জরিপে হিলারিকে সমর্থন করেছেন শতকরা ৪৫ ভাগ ভোটার। ট্রাম্পকে শতকরা ৪১ ভাগ। তবে এসব জরিপে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে মত পরিবর্তন করবেন এমন ভোটারের সংখ্যা নেই বললেই চলে।
প্রায় ২০ হাজার মানুষের উপস্থিতি ফিলাডেলফিয়ায়। রাতের ঘুম নষ্ট করে তারা সমবেত হয়েছেন এসব গুণী ব্যক্তির কথা শোনার জন্য। সেখানে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার ঘোষণায় স্বাক্ষরের কথা স্মরণ করে বিল ক্লিনটন বললেন, যুক্তরাষ্ট্রের সূচনা হয়েছিল এখান থেকেই। এই ফিলাডেলফিয়া থেকেই। তিনি বললেন, আমার স্ত্রী তার প্রচারণার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন এই দেশ কিভাবে এগিয়ে যাবে। আমরা একত্রিত হলে আরো উন্নততর উপায়ে এগিয়ে যাবো। ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার বক্তব্যের পর মঞ্চে আসেন বিল ক্লিনটন। এবার নির্বাচনী প্রচারণায় হিলারি ক্লিনটনের কার্যকর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রচারণায় পরিণত হয়েছিলেন এই মিশেল ওবামা। মিশেল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একজন নেতা দাবি করে, যিনি আমাদের কন্যাদের সম্মান জানাবেন। সবার মর্যাদা স্বীকার করবেন। আমরা যদি নির্বাচনের দিনে ঘরের বাইরে বের হই তাহলে নির্বাচনে বিজয়ী হবেন হিলারি ক্লিনটন। তারপরই মঞ্চে আসেন তুখোড় বক্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি টানা ২০ মিনিট প্রাণখোলা কথা বলেন। কখনও আবেগ তাকে স্পর্শ করে। এ সময়ও ডনাল্ড ট্রাম্পকে দেশের প্রেসিডেন্ট পদে অযোগ্য ঘোষণা করেন তিনি। ওবামা বলেন, হিলারিকে সম্মান করে সারাবিশ্ব। এক সময় ওবামার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে। আবেগ তাকে তাড়া করে ফেরে। তিনি সে অবস্থায় বললেন, আমি এই নারী, এই মা, এই গ্রান্ডমাদারের জন্য আপনাদের কাছে ভোট চাই। তিনিই হতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্টের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট। হিলারি বলেন, শেষ এই নির্বাচনী র্যালিতে বেরিয়ে আসার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমার স্বামী, কন্যাকে পাশে রেখে এই নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করতে পেরে ব্যক্তিগতভাবে আনন্দিত। আমরা সারাদেশ ঘুরেছি। সাক্ষাত করেছি মানুষের সঙ্গে। হিলারি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা যদি লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাই তাহলে সবচেয়ে সেরাদিন আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে। -

বাংলাদেশে হেলথ কেয়ার সিস্টেম চালু করবেন ওবামা
এবিএনএ : বাংলাদেশে খুব শিগগিরই হেলথ কেয়ার সিস্টেম চালু করার ইচ্ছা পোষণ করেছে ওবামা প্রশাসন। ইউ.এস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী হেলথ কভারেজের (ইউএইচসি) এমন উদ্যোগ বাংলাদেশে বৃহৎ আকারে হেলথ ইন্স্যুরেন্স কভারেজকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশে সরকারি এবং বেসরকারি খাতে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম শুরু হবে। চলতি মাসের গোড়ার দিকে বোর্ড এজেন্সি এনাউন্সমেন্ট (বিএএ) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওবামা প্রশাসন ইতোমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম প্রধান এই দেশে একাধিক স্বাস্থ্য সেবার সহযোগী বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালু করেছে। ২০১৭ অর্থ-বছরের মধ্যে এসব সেবামূলক কার্যক্রমে ২০৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে ৪১ শতাংশ বা ৮৫ মিলিয়ন ডলারই খরচ হবে স্বাস্থ্যখাতে।
২০৩২ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউএসএআইডি। এই প্রোগ্রামের আওতায় কম খরচে বাংলাদেশিদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে।
-

যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়েছে
এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে গেছে। নিউইয়র্ক সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে ১টা বাজানো হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে স্ট্যান্ডার্ড টাইমটেবল শুরু হল। এর ফলে ঢাকায় যখন বেলা ১২টা বাজবে, নিউইয়র্কে তখন রাত ১টা।
সূর্যের আলো কাজে লাগানোর জন্যে গত ১৩ মার্চ রাতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে দেয়া হয়েছিল ‘ডে লাইট সেভিঙ্গস টাইম’র আওতায়। স্ট্যান্ডার্ড টাইমটেবল অব্যাহত থাকবে ১২ মার্চ শনিবার দিবাগত রাত ২টা পর্যন্ত। ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে ও পিছিয়ে নেয়ার জন্যে মার্কিন কংগ্রেসে একটি বিল পাস হয়েছে।
-

নিউইয়র্কে দুর্গাপূজায় সর্বজনীন উত্সব
এবিএনএ : নিউইয়র্কে ব্যাপক উত্সাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উত্সব দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এখানে স্থানীয় সময় শুক্রবার দুর্গতিনাশিনী দশভুজা দেবীর বোধনের মধ্যদিয়ে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।নিউইয়র্কে কমপক্ষে ১০টি স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্দিরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভিড় ছিল অন্য বছরের তুলনায় বেশী। পাশাপাশি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক উপস্থিতি সার্বজনীন এই উত্সবে এনে দিয়েছে ভিন্নমাত্রা।
কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসের ওঁম শক্তি মন্দিরে শুরুর দিন শুক্রবারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ভিড় জমে। অসীম দে শংকর, গৌরাঙ্গ রায়, স্বপন ক্লুু ও স্বরূপ সাহা পূজার আনুষ্ঠানিকতার দিন সবাইকে স্বাগত জানান। এরপর ঢাকের ঢোল, কাঁসর ঘণ্টা, শাঁখের ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে মন্দির এলাকা। মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দেবীপক্ষ। শনিবার মহাষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোত্সব।
বাংলাদেশ বেদান্ত সোসাইটি এবার নিউইয়র্কে বড় পরিসরে সর্বজনীন শারদীয় দুর্গা উত্সবের আয়োজন করেছে। স্থানীয় সময় রবি ও সোমবার উডসাইডের কুইন্স প্যালেসের পূজা মণ্ডপে চলবে দুর্গোত্সব। এতে ছিল দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রখ্যাত সঙ্গীত ও নৃত্য শিল্পীদের পরিবেশন করেন। রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিষদ নিবেদিত গিরীনন্দিনী এবং সোমবার রঞ্জনী নিবেদিত দুর্গতি নাশিনী উপস্থাপন করা হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টায় নীলকমল ভৌমিক নিবেদন করেন শ্রী শ্রী চণ্ডীপাঠ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরা, কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, শিল্পী কৃষ্ণা তিথি, তনিমা হাদী, শাহ মাহবুব, মৌগন্ধা, রোকসানা মির্জা, শতরুপা এবং ইন্ডিয়ান আইডল ভয়েস অব সেভেন সিস্টারস দেবারতি। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা রন নর্থ আমেরিকার জনপ্রিয় প্রোগ্রাম উপস্থাপক ও টিবিএন ২৪ এর সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার শামসুন নাহার নিম্মি। এ অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলেন নিউইয়র্কের সংস্কৃতিসেবী ও বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর মো. আনোয়ার হোসেন।জ্যাকসন হাইটস পূজা ফাউন্ডেশন ৮ অক্টোবর থেকে ৪ দিনব্যাপী জ্যাকসন হাইটসের ৭২-১১ রুজভেল্ট এভিনিউয়ের নান্দুসে জ্যাকসন হাইটস পূজা ফাউন্ডেশন শারদীয় দুর্গোত্সবের আয়োজন করেছে। স’ানীয় সময় রবিবার অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভিন।এদিকে আমেরিকান বাঙ্গালী হিন্দু ফাউন্ডেশন, হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ আন্তর্জাতিক মতুয়া মিশন, সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, রাধা মধাব মন্দির, উত্তর আমেরিকা হিন্দু কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা সমিতি, রাধাকৃষ্ণ সেবক সংঘ গত ৮ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা উদযাপন করছে। -

বন্ধ হয়ে গেল ‘ট্রাম্প তাজমহল’
এ বি এন এ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন ক্যাসিনো ‘ট্রাম্প তাজমহল’ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাসিনো ব্যবসায় মন্দা দেখা দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গত রোববার প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের কাছে হার মেনেছেন ট্রাম্প। এর পরই আরেক দুঃসংবাদ পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল সোমবার মার্কিন এ ধনকুবেরের মালিকানাধীন ক্যাসিনো ‘ট্রাম্প তাজমহল’ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা প্রদেশের ক্যাসিনোর বাজারে এখন মন্দা চলছে। ২০১৪ সাল থেকে একের পর ক্যাসিনো অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেই তালিকায় সম্প্রতিক যোগ হলো এটি। এর ফলে প্রায় ৩ হাজার কর্মী বেকার হয়েছেন।
বেশ কিছুদিন ধরেই এই ক্যাসিনোর কর্মীরা স্বাস্থ্য বিমা ও পেনশনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। শ্রমিক হিসেবে সমস্ত সুবিধা না পেলে কাজ বন্ধ করে দেয়ারও হুমিক দেন তারা। কিন্তু শ্রমিকদের দাবি মেটাতে ট্রাম্পের এই ক্যাসিনোর ক্ষমতা নেই।
ফলে বাধ্য হয়েই ট্রাম্পের বন্ধু ও ক্যাসিনোর আরেক মালিক কার্ল ইচান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে তাজমহলের অনুকরণে ট্রাম্পের এই তৈরি করা হয়। ভারতীয় স্থাপত্যকে কিছুটা ব্যঙ্গ করাই এর উদ্দেশ্য ছিল। এটিকে পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য বলতেন ট্রাম্প।
-

এক ঝলকে হিলারি-ট্রাম্পের নাচ (ভিডিও)
এ বি এন এ : দুজনই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের শীর্ষ আসনটি দখল করতে চান। আর এ জন্যই সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছিলেন বিতর্কে। সেই বিতর্কে ট্রাম্পই পিছিয়ে ছিলেন। আর হিলারি ছিলেন এগিয়ে। কিন্তু বিতর্ক শুরুর আগে নাচে কে এগিয়ে ছিলেন? দর্শকরাই ভিডিওটি দেখে বলতে পারবেন… আসলে কে ছিলেন নাচে এগিয়ে।
-

যুক্তরাষ্ট্রে ফের বাংলাদেশি খুন
এ বি এন এ : যুক্তরাষ্ট্রে ডাকাতের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম মোহাম্মদ আবুল কালাম। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসের নর্থ হলিউডেতে হামলার শিকার হন তিনি। স্থানীয় সময় রবিবার রাত ১২টার (বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ১০টা) দিকে শেরম্যান ওয়েতে লিকোয়ার মার্ট নামের একটি সুপারশপে ডাকাতরা ওই হামলা চালায়। নিউ ইয়র্কে দুর্বৃত্তের হামলায় তিন বাংলাদেশি খুনের রেশ না কাটতেই এ ঘটনা ঘটল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুপারশপের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবুল কালাম যখন দোকানটি বন্ধ করছিলেন তখন দুজন ডাকাতির উদ্দেশ্যে সেখানে ঢোকে। তাঁর কাছে টাকা দাবি করে তারা। আবুল কালাম আপত্তি জানালে তখনই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ভিডিও ফুটেজ দেখে সন্ত্রাসীদের ধরার চেষ্টা করছে। আবুল কালামের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার বাতাকান্দি গ্রামে। তাঁর বাবা প্রয়াত আলহাজ মোহাম্মদ ছাদিরুজ্জামান। যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বাস করতেন আবুল কালাম। তাঁর বড় দুই মেয়ে ঢাকায় থাকেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞাপনী সংস্থা বিটপীতে যোগ দেন তরুণ আবুল কালাম। তিনি সেখানে কাজের পাশাপাশি বাটাসহ একাধিক ব্র্যান্ডের মডেল হয়েছিলেন। একজন ফুটবলার হিসেবেও বন্ধুদের কাছে তিনি জনপ্রিয় ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ শিবিরেও যোগ দিয়েছিলেন তিন। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর গাড়ির ঠিক সামনের ছবিতে যে তরুণকে (ন্যাড়া মাথার) দেখা যায় তিনিই আবুল কালাম। প্রসঙ্গত, গত ৩১ আগস্ট নিউ ইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা হিলস এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হন বাংলাদেশি নাগরিক নাজমা খানম (৬০)। তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার যুবক পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, ছিনতাইয়ে ব্যর্থ হয়ে সে নাজমাকে খুন করে। এর আগে ১৩ আগস্ট কুইন্সের ওজন পার্ক এলাকায় বাংলাদেশি ইমাম মাওলানা আলাউদ্দিন আখঞ্জি (৫৫) ও তাঁর সঙ্গী তারা মিয়া (৬৪) দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।
-

হিলারি-ট্রাম্প প্রথম বিতর্ক শুরু
এ বি এন এ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে প্রথম বিতর্ক শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার সকাল সাতটায় এই বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিতর্কে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করছেন এনবিসি টিভির অ্যাংকর লেস্টর হল্ট।
এই দুই প্রার্থীর মধ্যে মোট তিনটি বিতর্ক হবে। প্রতিটি বিতর্ক হবে ৯০ মিনিট করে। এই দুই প্রার্থী ইতিমধ্যে প্রায় দেড় বছর কাটিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে। অসংখ্য বিতর্ক ও নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়েছেন, পত্রিকা-টিভিতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তবে এই বিতর্কের গুরুত্ব আগের সবকিছুকেই ম্লান করে দেবে।
হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য মার্কিন ভোটারদের সামনে কার্যত ‘সাক্ষাৎকার’ দেবেন। তাঁরাই ঠিক করবেন কে বেশি যোগ্য। এরপর আরও দুটি বিতর্কে তাঁরা মিলিত হবেন, কিন্তু প্রথম বিতর্কে যিনি পরাজিত হবেন, তাঁর পক্ষে উঠে দাঁড়ানো হবে খুব কঠিন।অন্যদিকে ট্রাম্পের ব্যাপারে সবার প্রত্যাশা এতই কম যে ৯০ মিনিট একেবারে গুলিয়ে না ফেললে তাঁকেই জয়ী ভাববে অধিকাংশ রিপাবলিকান এবং স্বতন্ত্র ভোটারদের একটি বড় অংশ।
-

জাতিসংঘে ওবামার শেষ ভাষণ, সতর্ক করলেন মার্কিনিদের
এ বি এন এ : আমেরিকানদের সতর্ক করলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মঙ্গলবার তিনি শেষ ভাষণ দেন। এতে সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ ও জাতীয়তাবাদের বিষয়ে তিনি হুঁশিয়ার করে দিলেন মার্কিন ভোটারদের। এ সময় তিনি বর্তমান বিশ্বে যেসব জটিল সমস্যা রয়েছে সে দিকেই দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বরাবরের মতোই তিনি এদিনও ছিলেন দৃপ্তকণ্ঠের বক্তা। আগামী ৮ই নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প। তার নাম উল্লেখ না করেই তার বাণিজ্য, অভিবাসন, বহুত্ববাদ সহ তুলে ধরেন। নির্বাচনে যদি ‘আগ্রাসী জাতীয়তাবাদ’ অথবা ‘অশোধিত জনপ্রিয়তা’ বিজয়ী হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের জন্য যে ভবিষ্যত অপেক্ষা করছে তার একটি অন্ধকারময় চিত্র তুলে ধরেন বারাক ওবামা। ডনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় মেক্সিকো সীমান্তে যে দেয়াল নির্মাণের কথা বলেছেন, সীমান্ত নিরাপত্তার কথা বলেছেন সে বিষয় তুলে ধরেন তিনি। ট্রাম্পের ওই প্রস্তাবের সমালোচনা করে ওবামা বলেন, একটি জাতি যদি দেয়াল দিয়ে চারদিক থেকে নিজেকে আবৃত করে তাহলে তার মধ্য দিয়ে সে শুধু নিজেকেই বন্দি করবে। এ সময় বারাক ওবামা পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ে গোলার আহ্বান জানান। শান্তির কথা বলেন, যেমনটা তিনি এর আগে জাতিসংঘের ভাষণে বলেছিলেন। সময় এবং মানবজাতি এমন একটি পর্যায়ে এসেছে যেখানে বার বার যুদ্ধ ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। হয়তো এটাই আমাদের পরিণতি। ওই ভাষণে ওবামা ঘোষণা করেন ৫০ টি দেশ এ বছর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর ৩ লাখ ৬০ হাজার শরণার্থীকে নেয়ার অঙ্গীকার করেছে। তিনি আরও বলেন, জার্মানি, কানাডা সহ বিশ্ব নেতারা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুন শরণার্থী নিতে চেয়েছে। জাতিসংঘের হিসাবে যুদ্ধ অথবা নির্মমতার শিকার হয়ে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ মানুষ নিজ দেশ ছেড়ে শরণার্থী হয়েছে। এর মধ্যে ৬ বছরের যুদ্ধকবলিত সিরিয়ারই রয়েছে ৯০ লাখ মানুষ। বাকিরা যুদ্ধকবলিত অন্য দেশগুলো থেকে পালিয়েছে। এ প্রসঙ্গে বারাক ওবামা বলেন, আমরা আমাদের চোখ বন্ধ করে রাখতে পারি না। পারি না পিছু ফিরতে। এসব বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোর জন্য যদি আমরা দরজা বন্ধ করে দিই তাহলে আমাদের গভীরে যে মূল্যবোধ রয়েছে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। ২০১৭ আর্থিক বছরে নতুন এক লাখ ১০ হাজার শরণার্থী নিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ১লা অক্টোবর থেকে।