Category: আইন ও আদালত

  • হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে নুসরাত ফারিয়া

    হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে নুসরাত ফারিয়া

    ভাটারা থানায় দায়ের হওয়া এনামুল হত্যাচেষ্টা মামলায় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন আক্তার এ আদেশ দেন।

    এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল ভূইয়া তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে ২২ মে তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন। রবিবার থাইল্যান্ড যাওয়ার পথে তাকে বিমানবন্দর থেকে আটক করে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ জুলাই ভাটারা থানাধীন এলাকায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন এনামুল হক। এদিন আসামিদের ছোড়া গুলি ভুক্তভোগীর পায়ে লাগে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে এ বছরের ৩ মে মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৭ শিল্পীসহ ২৮৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়। এ মামলায় নুসরাত ফারিয়া ২০৭ নম্বর আসামি। মামলায় তাকে আওয়ামী লীগের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ইশরাককে মেয়র ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, শপথ না নেওয়ার আবেদন

    ইশরাককে মেয়র ঘোষণার রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট, শপথ না নেওয়ার আবেদন

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথগ্রহণ ঠেকাতে এবং তাকে মেয়র ঘোষণা করা রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের হয়েছে।

    বুধবার মো. মামুনুর রশিদ নামে একজনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী আকবর আলী রিট আবেদন করেন। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে হাইকোর্টে বিষয়টি শুনানির জন্য তোলা হবে।

    রিট আবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যেন ইশরাক হোসেনকে শপথ পাঠ না করায় এবং একই সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়, যেন নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে প্রতারণা জালিয়াতির অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    এর আগে গত ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের নতুন মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে। অথচ তার আগেই দুই নাগরিকের পক্ষে এক আইনজীবী নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দিয়ে গেজেট প্রকাশ শপথ বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়ে ছিলেন।

    মামলার পেছনের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস বিজয়ী হন। তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম পূর্বঘোষিত ফল বাতিল করে ইশরাককে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

    এই রায়ের পর ২২ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে গেজেট প্রকাশের বিষয়ে মতামত চায় এবং মাত্র পাঁচ দিন পরেই, ২৭ এপ্রিল গেজেট জারি করা হয়।

    নতুন রিটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—এই রায় গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া কতটা আইনগতভাবে সঠিক হয়েছে, এবং এর পেছনে কোনো অনিয়ম বা জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার।

    আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। শপথ গ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও, বিষয়টি এখন পুরোপুরি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

  • বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চাই: প্রধান বিচারপতির অঙ্গীকার

    বাংলাদেশে ন্যায়বিচারের নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চাই: প্রধান বিচারপতির অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় প্রদানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আইনের সঠিক প্রয়োগ মানবিকতা নিশ্চিত করবে—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে লিগ্যাল এইডের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা এমন এক দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে সবাই বলে—বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শুধু রায় দেয়নি, প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে।”

    জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি এই সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিচারপতি কাজী জিনাত হক। আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব এম জামিউল হক ফয়সাল।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা যে সংস্কারের পথে হাঁটছি, সেটি কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ হলেও দেশজুড়ে বিচার বিভাগ এবং আইন পেশার সদস্যদের সাড়া দেখে আমি আশাবাদী। রাজধানীসহ সাতটি বিভাগে সফর করে আমি বিচার বিভাগের পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।”

    তিনি আরও জানান, বিচার ব্যবস্থা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোরও সমর্থন রয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য সুইডেন এই উদ্যোগে কেবল প্রযুক্তিগত নয়, নৈতিক সহায়তাও দিচ্ছে। এতে করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের পথে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।

    আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দিকেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, “যারা দূর-দূরান্ত থেকে ন্যায়বিচারের আশায় আসে, তাদের জন্য আমাদের কার্যক্রম কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত।”

    বিচারপ্রার্থীদের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ সমাধানে সুপ্রিম কোর্টের মতো অধস্তন আদালতগুলোতেও হেল্পলাইন চালু করার ঘোষণা দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “৬৪ জেলা ৮টি মেট্রোপলিটন এলাকায় এই হেল্পলাইন চালু হবে, যাতে মানুষ সরাসরি দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন।”

    এই দিনটি উপলক্ষে তিনি সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, বিচারক, গণমাধ্যম এবং উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি আহ্বান জানান—তারা যেন আরও মানবিক জনগণকেন্দ্রিক বিচার ব্যবস্থার জন্য নতুন করে প্রতিশ্রুতি নেন।

  • বৈষম্যবিরোধী মামলায় আসামি ধরতে আর অনুমতির প্রয়োজন নেই: চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল

    বৈষম্যবিরোধী মামলায় আসামি ধরতে আর অনুমতির প্রয়োজন নেই: চেম্বার আদালতের আদেশ বহাল

    এবিএনএ:  বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর আসামিদের গ্রেপ্তারে আর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন নেই—এমন নির্দেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

    বুধবার (মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ‘নো অর্ডার’ দিয়ে হাইকোর্টের পূর্বের রায়েই স্থির থাকেন। এর ফলে এই সংক্রান্ত মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তারে কোনো বাড়তি প্রশাসনিক অনুমতির দরকার হবে না। একইসঙ্গে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ১৫ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

    এর আগে এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক অফিস আদেশে জানিয়েছিল, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঘিরে করা মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা সাধারণত বেশি থাকে। তাই এমন মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে প্রমাণসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এই আদেশে অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার নিষিদ্ধও করা হয়।

    তবে এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন একটি রিট দায়ের করেন। তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    জানা গেছে, আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া অনেক মামলায় অভিযোগপত্রে এমন অনেকের নাম রয়েছে যাদের সঙ্গে মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু ক্ষেত্রে বাদী নিজেই মামলার বিস্তারিত জানেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি আসামিদের কাছ থেকে ঘুষ আদায়ের অভিযোগও সামনে এসেছে।

    এই পরিস্থিতিতে ডিএমপি কর্তৃপক্ষ অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার বন্ধের উদ্যোগ নেয়। তবে আদালতের রায়ে সেই নির্দেশনা কার্যকর থাকছে না, ফলে এখন বৈষম্যবিরোধী মামলায় আসামিদের সরাসরি গ্রেপ্তার করা যাবে।

  • কারামুক্ত মডেল মেঘনা আলম, ছিলেন বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক

    কারামুক্ত মডেল মেঘনা আলম, ছিলেন বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক

    এবিএনএ: আলোচিত মডেল ও ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ ২০২০’ খেতাবপ্রাপ্ত মেঘনা আলম জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) জাহাঙ্গীর কবির।

    এর আগে, সোমবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহ শুনানি শেষে নারী বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। মেঘনা আলমের বিরুদ্ধে রাজধানীর ধানমণ্ডি থানায় প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা করা হয়।

    জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল মেঘনাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে পরবর্তীতে তার আটকাদেশ বাতিল হলে ১৭ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়ার আদালত মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখান।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেঘনা আলম, দেওয়ান সমির, সানজানা এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা সুন্দরী তরুণীদের মাধ্যমে বিদেশি কূটনীতিক ও দেশীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করতেন। এই চক্রটি ভুয়া সম্পর্ক স্থাপন করিয়ে পরে সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করত।

    প্রতারণার কৌশল হিসেবে, মেঘনা তার প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট তরুণীদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দিতেন, যাতে তারা সহজে টার্গেট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছাতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় বিদেশি কূটনীতিক ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

  • আরও ৫৬৩ একর জমি জব্দের আদেশ এস আলমের

    আরও ৫৬৩ একর জমি জব্দের আদেশ এস আলমের

    এবিএনএ: এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে থাকা ৫৬৩.৫৭ একর জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব।

    দুদকের আবেদন সূত্রে জানা যায়, এসব জমির দলিল মূল্য এক হাজার এক কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

    আবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নামে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে সেগুলো উদ্ধার করা দুরূহ হয়ে পড়বে।

    এর আগে, ২৩ এপ্রিল শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে থাকা ১৫৯.১৫ একর জমি জব্দের আদেশ দেন ঢাকার আদালত। এসব জমি ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থিত। আর এসব জমির বর্তমান বাজার মূল্য ৪০৭ কোটি টাকা বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন।

    তার আগেও, ১৭ এপ্রিল এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে থাকা এক হাজার ৩৬০ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত। এসব হিসাবে দুই হাজার ৬১৯ কোটি সাত লাখ ১৬ হাজার টাকা রয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের তিন হাজার ৫৬৩ কোটি ৮৪ লাখ ২১ হাজার টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন একই আদালত।

    গত ৩ ফেব্রুয়ারি এস আলমের ৩৬৮ কোটি ২৫ লাখ ৬৩ হাজার পাঁচশো টাকা মূল্যের ১৭৫ বিঘা সম্পদ জব্দের আদেশ দেন আদালত। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে থাকা তাদের ৪৩৭ কোটি ৮৫ লাখ দুই হাজার ২৭৪টি শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব শেয়ারের মূল্য পাঁচ হাজার ১০৯ কোটি টাকা।

    গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তাদের আট হাজার ১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭২ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত। গত ১০ মার্চ এস আলমের এক হাজার ছয় বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে, ৯ এপ্রিল তার ৯০ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়। একইদিন আদালত তার ঘনিষ্ঠজনদের নামে থাকা ৩৭৪ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন।

  • পুতুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ

    পুতুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ

    এবিএনএ: রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায়  শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    রবিবার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

    দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করে দুদক। পরে আদালত শুনানিতে সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

    এর আগে, ১০ এপ্রিল প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত। আর প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা আলাদা তিনটি মামলায় ১৩ এপ্রিল শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেওয়া হয়।

    তিন মামলাতেই শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, তার দুই মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক ও ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদসহ ১৬ জন অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।

    জানা যায়, পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার পরিবারের সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন এবং জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আলাদা আটটি অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করে দুদক। গত ১২, ১৩  ও ১৪ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করা হয়।

    চার্জশিটে অভিযোগ করা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ও পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে বহাল থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ছয়টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি আইনের ১৬১/১৬৩/১৬৪/৪০৯/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

  • ১৫ বিচারকের তথ্য চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি

    ১৫ বিচারকের তথ্য চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে দুদকের চিঠি

    এবিএনএ: বিচার বিভাগের ১৫ বিচারকের সম্পদের বিবরণ ও ব্যক্তিগত নথির তথ্য চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিটি মঙ্গলবার সচিবের দপ্তরে পাঠানো হয়। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    চিঠিতে বলা হয়, আইন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, ঢাকার সাবেক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রেজাউল করিম চৌধুরী ও সাবেক অতিরিক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ঘুষ গ্রহণ, অপরাধমূলক অসদাচরণ ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আরও ১৫ জন বিচারকের সম্পদ বিবরণী ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। ওই ১৫ জনের সর্বশেষ দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী, ব্যক্তিগত নথির ফটোকপি ও ব্যক্তিগত ডাটাশিটের সত্যায়িত ফটোকপি ২৯ এপ্রিলের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ মাল মামুনের সমন্বয়ে গঠিত টিম অভিযোগটি অনুসন্ধান করছে।

    দুদকের চিঠিতে যে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে সাবেক যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহাসহ ওই তিনজনের নামও রয়েছে। চিঠিতে ১৫ জনের নাম পদবী উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, ঢাকার সাবেক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রেজাউল করিম চৌধুর, সাবেক অতিরিক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্ঘাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ গোলাম মাহবুব, কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্ঘাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাহবুবুর রহমান সরকার, সিলেটের সাবেক জেলা জজ মনির কামাল, সাবেক ঢাকা মহানগর আদালতের সাবেক অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন, মাগুরার সাবেক অতিরিক্ত জেলা জজ মুশফিকুর ইসলাম, গাজীপুরের সাবেক চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাইসারুল ইসলাম, নরসিংদীর সবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোল্লা সাইফুল আলম, ময়মনসিংহের সাবেক বিশেষ জজ ফারহানা ফেরদৌস, শেরপুরের নারী ও শিশু নির্ঘাতন ট্রাইব্যুনালের সাবেক জজ কামরুন নাহার রুমি, ঢাকার সাবেক অতিরিক্ত জেলা জজ শওকত হোসেন, সিরাজগঞ্জের সাবেক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ ও হাবিগঞ্জ জেলা জজ সাইফুল আলম চৌধুরী।

  • সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমানের ব্যাংক হিসাব, গাড়ি জব্দ-শেয়ার অবরুদ্ধ

    সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমানের ব্যাংক হিসাব, গাড়ি জব্দ-শেয়ার অবরুদ্ধ

    এবিএনএ: সাবেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের সাতটি ব্যাংক হিসাব, তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা সাড়ে তিন লাখ শেয়ারের অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুটি গাড়ি জব্দের আদেশ দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

    অবরুদ্ধ হওয়া শেয়ারের মধ্যে এনাম মেডিক্যাল হাসপাতাল লিমিটেডের তিন লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টি, এনাম অ্যাডুকেশন এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিলেজের ১০ হাজার ও এনাম ক্যান্সার হাসপাতাল লিমিটেডের ১০ হাজার শেয়ার রয়েছে। এক কোটি ৪৬ লাখ টাকা মূল্যের দুটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামির নিজ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে চলতি হিসাব, সঞ্চয়ী হিসাব, এফডিআরসহ অন্যান্য হিসাবের অর্থ (অস্থাবর সম্পদ) অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর, বা বেহাত করার প্রচেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির পূর্বে সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। মামলা তদন্তকালে তার নামে এসব ব্যাংক হিসাবে গচ্ছিত অর্থের তথ্য পাওয়া যায়। যা তিনি যেকোনো সময় হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করছেন মর্মে জানা যায়। এমনকি হিসাবসমূহের অর্থ বিদেশেও পাঠাততে পারেন বলে প্রতীয়মাণ হয়। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ অবরুদ্ধ ও ক্রোক করা আবশ্যক।

    এর আগে গত ১০ মার্চ দুদক বাদী হয়ে ডা. মো. এনামুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডা. মো. এনামুর রহমানের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৬ কোটি ৫০ লাখ ৯২ হাজার ৭৮৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া তার নামের ৫টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ১২ কোটি ৬৯ লাখ ৫৭ হাজার ৫০৫ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি আয়ের উৎস আড়াল করে মানিলন্ডরিং আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

    রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে ২৬ জানুয়ারি দিবাগত রাতে  তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

  • ঈদে পুলিশ সদস্যদের ছুটি নেই : স্বরাষ্ট্র সচিব

    ঈদে পুলিশ সদস্যদের ছুটি নেই : স্বরাষ্ট্র সচিব

    এবিএনএ: পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ছুটি নেই, ফলে ঈদে টানা ছুটি থাকলেও নিরাপত্তায় কোনো বিঘ্ন ঘটবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯ দিনের ছুটি থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। নাসিমুল গণি বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছুটিতে নেই। তারা সমস্ত কাজের জন্য সতর্ক থাকবে।

    ঈদের ছুটিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা থেকে গ্রামে যাবে। তাদের যাত্রাটা আনন্দদায়ক করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। এক্ষেত্রে পরিবহন খাতে যারা সম্পৃক্ত রয়েছেন তাদের সহযোগিতা নিয়ে আগাচ্ছি। আশা করছি অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটবে না।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সতর্কতার মধ্যে থাকবে। আশা করছি আল্লাহ আমাদের রহমতের চাদরে আগলে রাখবেন।  পুলিশের ছুটি কি বাতিল করা হয়েছে – এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তাদের তো ২৪ ঘণ্টাই ডিউটি। থানা এমন একটা অফিস যেটা ১৮৬১ সালে শুরু হয়েছিল দিবারাত্র চলেছে, ২০২৪ সালের আগে এই দেশে আর কোনোদিন থানা বন্ধ হয়নি। এখন আবার চালু হয়েছে। সব থানা চালু থাকবে।

    বাসমালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, হাইওয়ে পুলিশ সচল আছে। ঈদের ছুটিতে যারা বাসা ছেড়ে যাবেন, তারাও নিশ্চিন্তে থাকবেন। এ ছাড়া ঈদে ৯ দিনের ছুটিতে অর্থনীতিতে কোনো স্থবিরতা তৈরি হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    ঈদের ছুটিতে উপদেষ্টামণ্ডলীর বেশির ভাগ সদস্য ঢাকায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সচিবরা দেশের বাইরে গেলেও সিদ্ধান্ত নিতে কোনো সমস্যা হবে না। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আজকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

    এদিকে রাজধানীর গাবতলীর র‍্যাব কন্ট্রোল রুম থেকে সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাব-৪ এর সিও লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম।