Category: অর্থ বাণিজ্য

  • দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী

    দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: বাণিজ্যমন্ত্রী

    এ বি এন এ : আসন্ন রমজানে বাজারে ছোলা, পেঁয়াজ, ডালসহ ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বাজারে পণ্য মজুদ ও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় মূল্য বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্য বিক্রি না করে মজুদ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    মঙ্গলবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের বিভিন্ন নিত্যপণ্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকের এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, আসন্ন রমজান উপলক্ষে সারাদেশে ১৭৪টি ট্রাকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি করবে টিসিবি। তবে এতে করে ব্যবসায়ীদের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সে দিকেও নজর রাখবে সরকার। মন্ত্রী বলেন, আমাদের কোনো পণ্যই চাহিদার তুলনায় কম নয়। ৬০ হাজার মেট্রিক টন ছোলার চাহিদা, সেখানে সরকারের মজুদ আছে ২৬০ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদার তুলনায় আমাদের কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই।
    তিনি আরো বলেন, ভোজ্যতেলের চাহিদা ১৫ লাখ মেট্রিক টন, সেখানে দেশীয় উত্পাদনসহ পরিশোধিত ও অপরিশোধিত ১৯ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেল দেশীয় বাজারে প্রবেশ করেছে। এক্ষেত্রে ভোজ্যতেলেরও কোনো সংকট নেই বলে জানান মন্ত্রী।
  • বাংলাদেশের ৩ বেসরকারি ব্যাংকের তথ্য চুরি

    বাংলাদেশের ৩ বেসরকারি ব্যাংকের তথ্য চুরি

    এ বি এন এ :বাংলাদেশের তিনটিসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য চুরি করেছে তুরস্কের একটি হ্যাকার গ্রুপ।

    একই সঙ্গে শিগগিরই এশিয়ার আরও ব্যাংকের তথ্য হ্যাক করার হুমকি দিয়েছে তারা।

    যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডেটাব্রিচটুডে’ এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য দিয়েছে।

    ‘বোজকার্টলার বা ধূসর নেকড়েরা’  নামের ওই হ্যাকার গ্রুপ চুরি করা সব তথ্যই অনলাইনে প্রকাশ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো হল- ডাচ বাংলা ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক। আর বাকি ব্যাংক দুটি নেপালের কাঠমান্ডুভিত্তিক বিজনেস ইউনিভার্সাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও সানিমা ব্যাংক।

    ‘ডেটাব্রিচটুডে’ বলছে, তথ্য চুরির বিষয়ে তারা ওই পাঁচ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও ব্যাংকগুলো কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

    এর আগে হ্যাকার গ্রুপটি কাতার ন্যাশনাল ব্যাংক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনভেস্টব্যাংকের তথ্য চুরি করেছিল। আর সব ব্যাংকের তথ্য সম্বলিত আর্কাইভগুলো তারা একটি টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছে। হ্যাকার গ্রুপটি তুরস্কের চরমপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মনে করা হয়।

    ‘ডেটাব্রিচটুডে’র মতে, সিটি ব্যাংকের ১১ দশমিক ২ মেগাবাইট, ডাচ বাংলা ব্যাংকের ৩১২ কিলোবাইট ও ট্রাস্ট ব্যাংকের ৯৫ কিলোবাইট আকারের ফাইল টুইটারে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া নেপালের দুই ব্যাংকের ফাইলগুলোর আকার যথাক্রমে ২৫১ ও ৪৭ মেগাবাইট।

    যদিও এসব ব্যাংকের কোনো গ্রাহকের টাকা চুরি করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে হ্যাকাররা কিছু জানায়নি।

    এই হ্যাকার গ্রুপের ওপর নজর রাখেন এমন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ‘ডেটাব্রিচটুডে’ বলছে, এই পাঁচ ব্যাংকের চুরি করা তথ্য আসল বলেই মনে হচ্ছে। যদিও কাতার ন্যাশনাল ব্যাংক ও ইনভেস্ট ব্যাংকের চুরি করা তথ্যের তুলনায় পরিমাণে তা অনেক কম।

    ওমার বেনবোয়াজ্জা নামে এক সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারকে উদ্ধৃত করে ‘ডেটাব্রিচটুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকাররা সানিমা ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকে ওয়েবশেল আপলোড করেছে বলে তার মনে হয়েছে। কাতার ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্ষেত্রেও একই কাজ করা হয়েছিল।

    ওয়েবশেল হল একটি কোড, যা কম্পিউটার বা সার্ভারে ঢুকিয়ে দিতে পারলে হ্যাকার অ্যাডমিন সুবিধা ও পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পায়। এর মাধ্যমে সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্যও বের করে আনা যায়।

    চুরি যাওয়া তথ্যে যা আছে
    হ্যাকাররা পাঁচ ব্যাংকের নামে যেসব তথ্য অনলাইনে ছেড়েছে, তা প্রাথমিকভাবে বিশ্লেষণের পর একজন গবেষক ডেটাব্রিচটুডেকে বলেছেন, হ্যাকিংয়ের বিষয়টি উদ্বেগজনক হলেও আগের দুই ব্যাংকের মতো ততটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এগুলোতে নেই। কিউএনবি ও ইনভেস্টব্যাংকের মতো এগুলোতে কোনো ক্রেডিট কার্ড নম্বর নেই।

    তিনি প্রত্যেকটি ব্যাংকের তথ্য আলাদাভাবে ধরে এগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করেছেন;

    ডাচ বাংলা ব্যাংক এই ব্যাংকের ৩১২ কেবি আর্কাইভে গ্রাহকের সরাসরি ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের রেকর্ড রয়েছে। ওই গবেষক জানান, এর মধ্যে কিছু তথ্য থেকে অ্যাডমিনের সত্যায়নকারী গোপন তথ্য (আইডি, পাসওয়ার্ড) তিনি পেয়েছেন, যা ব্যবহার করে পাবলিক ইন্টারনেট থেকে ব্যাংকের এটিএম ট্রানজেকশন অ্যানালাইজারে ঢুকতে পেরেছিলেন তিনি। ওইসব ইউজার নেইম ও পাসওয়ার্ড খুবই সহজ বা ডিফল্ট। ডাচ বাংলা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে ঝুঁকির উপাদান রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ইন্টারনেট সার্ভার বা ফাইলে অনুপ্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও বিশ্লেষণ করেছেন ওই গবেষক। ট্রাস্ট ব্যাংক সবচেয়ে কম চুরি যাওয়া ট্রাস্ট ব্যাংকের ৯৬ কেবি তথ্যের মধ্যে দুটি স্প্রেডশিট রয়েছে, যেগুলোতে ইউজার আইডি, ই-মেইল ঠিকানা, ইউজার নেইম ও এনক্রিপটেড পাসওয়ার্ড রয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ২০১৫ সালের জুনের তথ্য রয়েছে। দ্য সিটি ব্যাংক এই ব্যাংকের ১১.২ এমবি তথ্যের একটি স্প্রেডশিট রয়েছে, যাতে প্রায় এক লাখ গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে গ্রাহকের পূর্ণাঙ্গ নাম, বাবার নাম, মায়ের না, জন্ম তারিখ, বয়স, ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর, স্থায়ী ঠিকানা এবং ই-মেইলের তথ্য রয়েছে। তাদের সর্ব সাম্প্রতিক তথ্য ২০১৫ সালের আগস্টের।

     

    এছাড়া নেপালের দুটি ব্যাংক সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানিমা ব্যাংকের চুরি যাওয়া তথ্যের মধ্যে একটি স্প্রেডশিট রয়েছে, যেখানে গ্রাহকের নাম, অ্যাকাউন্ড ব্যালেন্স, সাম্প্রতিক লেনদেনের তথ্য রয়েছে। তাদের সর্ব সাম্প্রতিক তথ্য ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির। আর বিজনেস ইউনিভার্সাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকটির ২৫১ মেগাবাইটের ফাইল ২০১০ সালের মে মাসে চুরি করে হ্যাকার গ্রুপ বোজকার্টলার। এতে ব্যাংকটির সিনিয়র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্যবস্থাপকদের মাইক্রোসফট আউটলুকের মাধ্যমে ই-মেইল যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। এছাড়া এতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের মোবাইল নম্বর, ইউজার নেইম, এনক্রিপটেড পাসওয়ার্ড ও গ্রাহকের আইডিসহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। তাদের সর্ব সাম্প্রতিক তথ্য ২০১৫ সালের জানুয়ারির। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি যায়। হ্যাকাররা সুইফট মেসেজিং সিস্টেমের মাধ্যমে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে এই টাকা বেহাত করে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এছাড়া সিটি ব্যাংকসহসহ ঢাকায় চারটি ব্যাংকের এটিএম বুথে ‘স্কিমিং ডিভাইস’ বসিয়ে কার্ড ক্লোন করে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ও টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এসব ব্যাংকগুলোর ৩৬টি কার্ড ক্লোন করে ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা তুলে নেয় জালিয়াতরা। ওই চক্র অন্তত ১ হাজার ২০০ কার্ডের তথ্য চুরি করে বলেও তদন্তে জানা যায়। এসব ঘটনায় করা এক মামলার এজাহারের সঙ্গে এটিএম বুথের সিসি ক্যামেরার ছবি দেখে পিওতর সিজোফেন নামে এক বিদেশী ও সিটি ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়।

  • দেশে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দেশে ফের বাড়ল সোনার দাম

    এবিএনএ : মাত্র দুই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে সোনার দাম। এবার প্রতি ভরি সোনাতে দাম বেড়েছে এক হাজার ২২৫ টাকা। নতুন মূল্য আগামী শুক্রবার (৬ মে) থেকে কার্যকর হবে বলে বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বাংলাদেশেও দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হবে ৪৭ হাজার ৪১৫ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৪৫ হাজার ৩১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ৩৮ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হবে।

    বর্ধিত দাম অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২৭ হাজার ৫৮৬ টাকায় বিক্রি হবে যার বর্তমান দাম ২৬ হাজার ৩৬১ টাকা। সোনার সঙ্গে রুপার (ক্যাডমিয়াম) দামও বাড়ছে। প্রতি ভরি রুপার দাম ৫৭ টাকা বেড়ে হবে এক হাজার ১৬৫ টাকা। সর্বশেষ গত ৭ মার্চ ভরিতে সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে চলতি বছর এই নিয়ে দেশের বাজারে পঞ্চমবারের মতো সোনার দাম বাড়ল।

  • পোশাক খাতে বিশ্বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তার প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক

    পোশাক খাতে বিশ্বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তার প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক

    এবিএনএ :দক্ষিণ এশিয়ার পোশাক খাতের বড় রফতানিকারক দেশ হলো বাংলাদেশ। এ খাত থেকেই দেশে মোট চাহিদার ৬.৪ শতাংশ পূরণ হচ্ছে। এই অবস্থান ধরে রাখতে হলে প্রয়োজন উৎপাদনশীলতা, পণ্যের মান, বিশ্বাসযোগ্যতা, ভাল নিরাপত্তা পরিবেশ এবং অন্যান্য কমপ্ল্যায়েন্স নীতিমালার উন্নয়ন ঘটাতে হবে বলে বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণায় বলা হয়েছে।

    সোমবার বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের পোশাক খাতের উপর বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে পোশাক রফতানি বাংলাদেশের সামান্য বেড়েছে। বিশ্বক্রেতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো এখানে নন কস্ট ফ্যাক্টরগুলোর উন্নতি ঘটাতে হবে। সফলভাবে এ খাতে সংস্কার কার্যক্রম বাংলাদেশের রফতানি বাড়াতে ও অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, এশিয়ায় চায়না ৪১ শতাংশ, ভারত সাড়ে ৩ শতাংশ, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা রফতানি করছে ১.২ শতাংশ করে। অন্যান্যরা করছে ৪৬.৭ শতাংশ। বাংলাদেশ হলো এ অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানিকারক। বাংলাদেশের মোট রফতানির ৮৩ শতাংশ আসছে পোশাক রফতানি থেকে। স্থানীয় কোম্পানির অধীনে এই শিল্প। কিন্তু সরাসরি বিদেশি বিনিযোগ (এফডিআই) কেন্দ্রীয়ভাবে এই শিল্পে ভূমিকা পালন করতে পারে।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেস্টা ড. মশিউর রহমান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়াও ফান, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বিজিএমইএ সভাপতি এম. সিদ্দিকুর রহমান, বিল্ডের প্রেসিডেন্ট এম. আসিফ ইব্রাহিম ও বিআইডিএসের ডিজি ড. কে. এ. এস মুরশিদ।

  • নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল

    নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল

    এবিএনএ : বিশ্ববাজারের সঙ্গে সঙ্গে অবশেষে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। পেট্রোল-অকটেনে ১০ টাকা এবং ডিজেল-কেরোসিনে ৩ টাকা কমেছে। রবিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে ওই দামে বিক্রি করছে ফিলিং স্টেশনগুলো।

    দুই একটি ছাড়া প্রায় সবক’টি ফিলিং স্টেশন নতুন মূল্যে গাড়িতে পেট্রোল-অকটেন ও ডিজেল বিক্রি করছে।

    আগের লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৬৮ টাকা, পেট্রোল ৯৬ টাকা, অকটেন ৯৯ টাকা ছিল। এখন থেকে নতুন দাম অনুযায়ী ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা এবং পেট্রোল, অকটেন যথাক্রমে ৮৬ ও ৮৯ টাকায় পাওয়া যাবে।

    মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর ও মহাখালীসহ সব সময় খোলা থাকে এমন ফিলিং স্টেশনগুলোতে নতুন মূল্যে কম দামে পেট্রোলে ডিজেল কিনতে গাড়ির ভিড় দেখা গেছে।

  • রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে

    রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি তাদের অন্তবর্তী প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে হস্তান্তর করেছে।

    বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এ প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ একাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং ডিভিশনের অতিরিক্ত সচিব গকুল চাঁদ দাস এবং বুয়েটের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

    কমিটিকে রিজার্ভ চুরি নিয়ে দুটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। প্রথম প্রতিবেদনটি ৩০ দিনের মধ্যে এবং পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনটি ৭৫ দিনের মধ্যে দেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংক অব নিউইয়র্কে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ একাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে যাওয়া হয় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখায়। বাকি ২০ মিলিয়ন নিয়ে যাওয়া হয় শ্রীলংকার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শাকিলা ফাউন্ডেশনের নামে। প্রাপক সংস্থার নামের বানানে ভুল থাকায় টাকার পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

  • রিজার্ভ চুরি: রাজসাক্ষী হচ্ছেন দেগুইতো!

    রিজার্ভ চুরি: রাজসাক্ষী হচ্ছেন দেগুইতো!

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফিলিপাইনে এনে ভাগ-বাটোরোয়ায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে রাজসাক্ষী হতে পারেন দেশটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দেগুইতো। এ তথ্য জানিয়েছেন দেগুইতোর আইনজীবী ফার্দিনান্দ তোপাসিও।

    রিজার্ভ চুরির তথ্য ফাঁস হওয়ার পর ফিলিপাইন সিনেট কমিটি গত চার সপ্তাহে চার দফা শুনানির আয়োজন করে। ওই শুনানিতে সন্দেহভাজনদের ডাকা হয়। অন্যদের মতো বক্তব্য দেন এ ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা দেগুইতোও।

    অর্থ পাচারের এ বিষয়টি এখন তদন্ত করছে ফিলিপাইনের বিচার বিভাগ। সিনেট কমিটিতে দেগুইতো বলেছেন, ‘তিনি দাবার গুটি, গ্র্যান্ড মাস্টার নন।’ দেগুইতোর এ বক্তব্যের সূত্রধরে তদন্ত দল খতিয়ে দেখছে যে, দেগুইতোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার মতো যথেষ্ট প্রমাণাদি আছে কি-না।

    ফিলিপাইনের সাক্ষী সুরক্ষা আইনের আওতায় ‘সঠিক সময়ে’ দেগুইতো সরকারের কাছে আবেদন করবেন বলে জানান সাবেক এ ব্যাংক ব্যবস্থাপকের আইনজীবী ফার্দিনান্দ তোপাসিও। শুক্রবার নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এ তথ্য জানান দেগুইতোর এ আইনজীবী।

    ফাডিনান্ড তোপাসিও বলেন দেশের প্রচলিত সাক্ষি সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, ‘গুরুত্বপূর্ণ কোনো মামলায় আদালতে কিংবা তদন্ত সংস্থার সামনে কোনো নাগরিক সাক্ষ্য দিলে তাকে আইনি জটিলতায় ফেলা যাবে না। রাজসাক্ষী হলে তার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগও তুলে নেবে রাষ্ট্র।’

    তিনি বলেন, ‘আমার মক্কেল সিনেট কমিটির শুনানিতে রিজার্ভ চুরি নিয়ে বেশ খোলামেলা কথা বলেছেন। আমরা এ নিয়ে সহযোগিতা দিতে চাই যাতে সরকার কলঙ্কিত এ অধ্যায়ের আদ্যোপান্ত উদঘাটন করতে পারে। রিজার্ভ চুরির গ্র্যান্ড কনসপিরেসির সঙ্গে আমার মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

    দেগুইতোর আইনজীবী আরো বলেন, ‘সিনেট কমিটির শুনানিতে আমার মক্কেলের বক্তব্যের সূত্র ধরেই তদন্ত কমিটি ইতিহাসের বড় এ জালিয়াতিতে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পেরেছে। এজন্য সিনেট কমিটির সদস্যরা আমার মক্কেলকে তদন্তে ‘নির্ভরযোগ্য সাক্ষী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।’

    ফিলিপাইনে রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখার একটি অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির যে ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানো হয় তা পরে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারি প্রতিষ্ঠান ফিলরেম সার্ভিস কোম্পানি হয়ে চলে যায় জুয়ার বোর্ডে। এ টাকার কিছু অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকিটার হদিস এখন পাওয়া যায়নি।

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। ওই টাকার ৮১ মিলিয়ন ডলার পাঠানো হয় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখায় ব্যবসায়ী কিম অংয়ের অ্যাকাউন্টে।

    ব্যাংক জালিয়াতির ইতিহাসে বড় এ লোপাটের বাকি ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানো হয় শ্রীলংকার সেচ্ছাসেবী সংগঠন শাকিলা ফাউন্ডেশনের অ্যাকাউন্টে। প্রাপকসংস্থার নামের বানানে ভুল থাকায় পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

  • ‘বাজেটের আকার হতে পারে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা’

    ‘বাজেটের আকার হতে পারে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা’

    এবিএনএ : আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ভবনে সংগঠনটির প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহিত বলেন, আগামী অর্থবছরের (২০১৬-২০১৭) বাজেট ২ জুন উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, এবার মেগা প্রকল্প বাজেট ও ক্যাপিটাল বাজেট নামে দুটি আলাদা বাজেট করার চিন্তা রয়েছে। এমসিসিআই সভাপতি সৈয়দ নাসিম মনজুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান।

  • রিজার্ভ চুরি : আরো ৮ লাখ ডলার ফেরত

    রিজার্ভ চুরি : আরো ৮ লাখ ডলার ফেরত

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া অর্থের আরো ৩৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন পেসো (প্রায় ৮ লাখ ৩১ হাজার ডলার) ফেরত দিয়েছেন ফিলিপাইনের ক্যাসিনো জাঙ্কেট অপারেটর কিম ওয়াং।

    সোমবার ফিলিপাইনের মুদ্রা পাচার কর্তৃপক্ষের (এএমএলসি) কাছে আইনজীবীর মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত দেন কিম ওয়াং। তবে ফেরত দেওয়া পেসোর মধ্যে ৫০০ পেসোর দুটি জাল নোট ছিল, যা নিয়ে কিছুটা জটিলতার সৃষ্টি হয়। বেলা ১১টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে পেসোগুলো গোনা হয়। এসময় ভুয়া নোট দুটি শনাক্ত হয়।

    এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া ব্যাকে আবাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দ্য ইনকোয়ারার অনলাইনে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    কিম ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে অর্থ ফেরত দিতে আসা আইনজীবী ভিক্টর ফার্নান্দেজ গণমাধ্যমকে বলেন, কিমের আইনি পরামর্শক এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জাল নোটের পরিবর্তে দুটি ভালো নোট নিজ পকেট থেকে দিয়ে হিসাব বুঝিয়ে দেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্টার্ন হাওয়াই লেজার কোম্পানি লিমিটেড এবং/অথবা মাইডাস ক্যাসিনোতে শুহুয়া গাও যে অর্থ ফেলে যান, সেই অর্থ থেকে এই ৩৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন পেসো ফেরত দেওয়া হয়েছে।

    ফিলিপাইনে বাংলাদেশের ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে ধার শোধ হিসেবে শুহুয়া গাও প্রায় ৪৬ লাখ ডলার কিম ওয়াংকে দেন। সেই অর্থ এর আগে এএমএলসির কাছে ফেরত দেন কিম ওয়াং।

    কিম ওয়াংয়ের আইনজীবী ফার্নান্দেজ আরো জানিয়েছেন, কিম ওয়াংয়ের কাছ থেকে শুহুয়া গাওয়ের ধার করা ৫৪০ মিলিয়ন পেসোর (প্রায় ১ কোটি ডলার) বাকি অর্থ ফেরত দিতে আরো ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় দেশজুড়ে যখন নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, তখন চুরির অর্থ ফেরত আসার খবরে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে। তবে চুরি হওয়া অর্থের পুরোটা ফেরত আসা নিয়ে এখনো সংশয় কাটেনি।

    ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে ভুয়া নির্দেশনা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকে সরিয়ে নেওয়া হয়। রিজল ব্যাংকের চারটি হিসাব থেকে এই অর্থ জুয়ার আসরে হাতবদল হয়ে ফিলিপাইনের অর্থ ব্যবস্থার সঙ্গে মিশে যায় বলে দাবি করে দেশটির গণমাধ্যম।

    ফিলিপাইনের অর্থ স্থানান্তরের খবর জানাজানির পর দেশটির সিনেটে শুনানি হয়। শুনানিতে অংশ নিয়ে কিম ওয়াং দাবি করেন, চীনের বেইজিংয়ের শুহুয়া গাও এবং ম্যাকাওয়ের ডিং জিজে নামে দুই জাঙ্কেট এজেন্ট (ক্যাসিনোর মক্কেল) বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া অর্থ ফিলিপাইনে নিয়ে আসেন।

    চুরি হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

  • তিন ধাপে কমছে তেলের দাম

    তিন ধাপে কমছে তেলের দাম

    এবিএনএ : অবশেষে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে ফার্নেস অয়েলের দাম কমানো হয়েছে। এরই ধারবাহিকতায় অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল ও পেট্রোলের দাম কমছে। সব ধরনের তেলের প্রতি লিটারের দাম গড়ে সাড়ে ১১ টাকা এবং ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লিটারে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ টাকা কমানোর সুপারিশ করেছে অর্থমন্ত্রণালয়।

    তিন ধাপে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে বলে আজ সোমবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    এরআগে এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের চাহিদা অনুযায়ী অর্থমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ সুপারিশ তৈরি করে তা অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন। অর্থমন্ত্রীর সাড়া পেয়েই তেলে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    ডিজেলের প্রতি লিটার সর্বোচ্চ দাম কমছে ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হয় ৬৮ টাকায়। এতে সরকারের লাভ হয় ২৩ টাকা ৩২ পয়সা। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমিয়ে ৫৪ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সরকারের লাভ হবে ৯ টাকা ৭২ পয়সা।

    প্রতি লিটার অকটেনে দাম কমছে ৯ টাকা ৯০ পয়সা। বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এটা ৮৯ টাকা ১০ পয়সা বিক্রি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি বছর জানুয়ারি-মার্চ সময়ে প্রতি লিটার অকটেনে সরকারের লাভ হয়েছে ৩৭ টাকা । দাম সমন্বয়ের পর প্রতি লিটারে লাভ হবে ২৭ টাকা ১১ পয়সা।

    প্রতি লিটার কেরোসিন দাম কমছে ১৩ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে প্রতি লিটার কোরোসিন বিক্রি হচ্ছে ৬৮ টাকা। এতে সরকারের লাভ হয় ২২ টাকা ৭১ পয়সা। কেরোসিনের দাম কমিয়ে ৫৪ টাকা ৪০ পয়সা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সরকারের লাভ হবে ৯ টাকা ১১ পয়সা।

    প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম কমছে ৯ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে প্রতি লিটার পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ৯৬ টাকায়। এতে সরকারের লাভ হয় ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা। প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৮৬ টাকা ৪০ পয়সা বিক্রির সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সরকারের লাভ হবে ২৩ টাকা ৯০ পয়সা।

    ফার্নেস অয়েলের দাম ইতিমধ্যে কমানো হয়েছে। দাম কমানোর আগে প্রতি লিটার বিক্রি হতো ৬০ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকা। দাম কমানোর আগে প্রতি লিটারে লাভ হতো ২৬ টাকা ২৩ পয়সা। দাম কমানোর পর লাভ হচ্ছে ১৪ টাকা ২৩ পয়সা।

    আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করার দাবি অনেক দিনের। কিন্তু বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর পুঞ্জিভূত লোকসান ও বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল অংকের ঋণ পরিশোধের অজুহাতে জ্বালানি তেলের দাম আর সমন্বয় করা হয়নি। ইতিমধ্যে বিপিসি তাদের ঋণ পরিশোধ করার পর বর্তমানে লাভজনক অবস্থানে আছে। এ অবস্থায় দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

    অর্থসচিবের সুপারিশে বলা হয়েছে, বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের ফলে অকটেন এবং পেট্রোল বিক্রয়ে বিপিসি’র লাভ হচ্ছে ৩৭ টাকা ১ পয়সা ও ৩৩ টাকা ৫০ পয়সা। এ দুটি জ্বালানি সমাজের উচ্চবিত্তরা ব্যবহার করলেও লাভ বিবেচনায় ১০ শতাংশ কমানো যৌক্তিক হবে প্রতীয়মান হয়। এতে করে অকটেনের দাম দাঁড়ায় ৮০ টাকা ১০ পয়সা এবং পেট্রোলের দাম ৮৬ টাকা ৪০ পয়সা। দেশে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সিএনজি চালিত যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে এবং পরিবেশের উপর এর বিরূপ প্রভাব বিবেচনায় এ দুটি জ্বালানির দাম বর্ণিত হারে কমানো যেতে পারে। দাম কমানোর পরও এ দুটি জ্বালানি বিক্রয়ে লাভ হবে লিটার প্রতি প্রায় ২৭ টাকা ১১ পয়সা এবং ২৩ টাকা ৯০ পয়সা।