Category: অর্থ বাণিজ্য

  • আপাতত ব্যাংক কমিশন হচ্ছে না

    আপাতত ব্যাংক কমিশন হচ্ছে না

    এবিএনএ : অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আপাতত ব্যাংক কমিশন গঠিত হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনাকালে তিনি এ কথা জানান।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপাতত ব্যাংক কমিশন গঠনের কোনো ইচ্ছে নেই। বিভিন্ন ব্যাংকের দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ ছাড়া রিজার্ভের টাকা চুরির ঘটনা অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের পর প্রতিবেদন অনুসারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

    আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন গঠনের প্রসঙ্গ উঠলে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের লক্ষ্যে গত বছর ব্যাংক কমিশন গঠনের কথা বলেছিলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও উন্নয়নে চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছিল।

  • রিজার্ভ কেলেঙ্কারির ঘটনায় আসলেই কি ৩ নারী জড়িত?

    রিজার্ভ কেলেঙ্কারির ঘটনায় আসলেই কি ৩ নারী জড়িত?

    এবিএনএ : ব্যাংকের আইটি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ও সুশাসনের অভাবকে কাজে লাগিয়ে সরিয়ে নেয়া হয় রিজার্ভের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার। যার পরিকল্পনা হয় বছরখানেক আগেই। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে খোলা হয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট।

    যার বড় একটি অংশ যায় ফিলিপাইনে। একটি অংশ যায় শ্রীলংকায়। এ ঘটনায় সামনে এসেছে তিন দেশের তিন নারীর নাম। কিন্তু তারা কি সত্যিই এ ঘটনার শিকার, নাকি তাদের সামনে রেখে কুশীলবরা ঘুঁটি সাজিয়েছেন— সে প্রশ্ন উঠছে।

    ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) যে শাখার মাধ্যমে রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বেরিয়ে গেছে, তার ব্যবস্থাপক ছিলেন মায়া সান্তোস দাগুইতো নামের এক নারী।

    বিষয়টি আরসিবিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা জানতেন বলে দাবি করে আসছেন দাগুইতো। অর্থ ছাড় না করলে খুন হতে হতো— এমন মন্তব্যও করেছেন এ শাখা ব্যবস্থাপক।

    আর এ ঘটনায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন শ্রীলংকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাগোদা গ্যামেজ শালিকা পেরেরা। তার প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে গেছে চুরি হওয়া অর্থের ২ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারায় অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদেশিক মুদ্রা-বিষয়ক বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানাকে।

    দেশের প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর হিসেবে ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়োগ পান নাজনীন সুলতানা। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে পুনর্নিয়োগ দেয়া হয়। ডেপুটি গভর্নর হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১১টি বিভাগের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

    ১৯৮০ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কম্পিউটার উপবিভাগে যোগ দেন নাজনীন সুলতানা। এ বিভাগ থেকে তৈরি প্রায় ৮৫টি সফটওয়্যারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮৪ সালে একই বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম অ্যানালিস্ট হন নাজনীন সুলতানা।

    জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট হিসেবে পদোন্নতি পান ১৯৯৬ সালে। ২০০০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান এ কর্মকর্তা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইটি নিরাপত্তায় কোনো দুর্বলতা থাকলে স্বাভাবিকভাবে তার দায়ভার বিভাগটির তত্ত্বাবধানকারীর ওপর অনেকখানিই বর্তায়। দায় এড়াতে পারেন না সুইফটের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারাও।

    সিটিও ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় জড়িত মূল ব্যক্তিদের এখনো চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষপর্যায়ের যারা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন, তত্ত্বাবধানকারী হিসেবে তাদের কেউই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।
    তবে অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত, তাদের দায়বদ্ধতা এক্ষেত্রে অনেক বেশি। অথচ এসব কর্মকর্তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এটি অত্যন্ত জরুরি।

    বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ চুরি নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত নাম ফিলিপাইনের মাকাতি সিটিতে আরসিবিসির জুপিটার স্ট্রিট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দাগুইতো। আরসিবিসির এ শাখার চারটি হিসাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায় রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। তবে ব্যাংকটির শীর্ষপর্যায় বিষয়টিতে শুরু থেকেই অবগত ছিলেন বলে দাবি করে আসছেন দাগুইতো। অর্থ ছাড়ে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন— গণমাধ্যমে এমন বক্তব্যও এসেছে।

    আরসিবিসির এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে ফিলিপাইনের গণমাধ্যম ইনকোয়্যারার এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া অর্থ ছাড় না করলে মায়া সান্তোস দাগুইতোকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।

    ব্যাংকটির মাকাতি সিটির জুপিটার স্ট্রিট শাখার কাস্টমার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা সিনেটকে জানান, অর্থ লেনদেনের সময় দাগুইতো জুপিটার ব্যাংকের একটি কক্ষে ছিলেন। তাকে সে সময় খুব ভীতসন্ত্রস্ত দেখাচ্ছিল। দাগুইতো তখন অনেক কিছুই বলছিলেন। কিন্তু আমার একটি কথাই মনে আছে।

    তিনি বলছিলেন, হয় আমাকে এ অর্থ ছাড় করতে হবে, নয়তো আমি বা আমার বাবা খুন হব। তবে কার কাছ থেকে হুমকি এসেছে, সে বিষয়ে আমি জিজ্ঞাসা করিনি।

    ২০১৩ সালে আরসিবিসির জুপিটার স্ট্রিট শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ পান মায়া সান্তোস দাগুইতো। এর আগে ইস্টওয়েস্ট ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ইস্টওয়েস্ট ব্যাংকের ‘স্টার পারফরমারের’ তালিকায় ছিলেন এ নারী।

    শ্রীলংকার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাগোদা গ্যামেজ শালিকা পেরেরা। তার পরিচালিত এনজিও শালিকা ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি যাওয়া অর্থের মধ্য থেকে ২ কোটি ডলার তার অ্যাকাউন্টে যায়। বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রয়টার্সের সামনে প্রথমবারের মতো মুখ খোলেন এ নারী।

    রয়টার্সকে তিনি জানান, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) থেকে তার কাছে ২ কোটি ডলার আসার কথা ছিল। তবে জাইকার সঙ্গে তার সরাসরি কোনো যোগাযোগ ছিল না। জাপানে যোগাযোগ রয়েছে এমন এক শ্রীলংকান বন্ধুর মাধ্যমে চুক্তির বিষয়টি স্থির হয়েছিল।

    আমার পরিচিত ওই ব্যক্তি হয় অপরাধীদের শিকার, নয়তো তিনি নিজেই এর সঙ্গে জড়িত। তারা এ কাজে আমাদের ধোঁকা দিয়ে সংযুক্ত করেছে। তিনি এ সময় সুইফট মেসেজিং সিস্টেম থেকে আসা বার্তার একটি অনুলিপিও প্রদর্শন করেন।

    শালিকা ফাউন্ডেশনের যাত্রা ২০১৪ সালে। শালিকা পেরেরার মন্তব্যের পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে জাইকা। এমনকি কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও নয়। জাইকার মুখপাত্র নাওইউকি নেমোতো বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের কোনো লেনদেন নেই। তাদের সঙ্গে ঋণ বা অনুদান-বিষয়ক কোনো সম্পর্কও আমাদের নেই।

    শালিকা পেরেরা বলেন, তিনি নিজে সংগ্রামী মানুষ। তার আরো চারটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান, একটি গাড়ির যন্ত্রাংশের কোম্পানি, একটি নির্মাণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও অন্যটি ক্যাটারিং ফার্ম।

    ২০১৪ সালে তার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে এত বেশি লোকসান হয়েছে যে, তিনি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। তার মূল ব্যবসা এখন ইন্টারনেট ক্যাফেকেন্দ্রিক। বর্তমানে তিনি পিত্জা হাটের মতো কিছু রেস্টুরেন্টে বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে আলোচনা করছেন।

  • এসএমই মেলা শুরু রোববার

    এসএমই মেলা শুরু রোববার

    এবিএনএ : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, বিক্রয় ও ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে জাতীয় এসএমই মেলা-২০১৬ শুরু হচ্ছে।

    আগামীকাল রোববার থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পাঁচদিন ব্যাপী এ মেলা শুরু হবে। এদিন সকাল ১১টায় মেলার উদ্বোধন করবেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এসএমই প্রতিষ্ঠান অনেক উন্নত ও মাণসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে। কিন্তু বিপণন সুযোগ-সুবিধার অভাবে উদ্যোক্তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বাংলাদেশি এসএমইদের জন্য পণ্য বিপণনের সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ আয়োজন।

    মেলায় সারাদেশ থেকে ১৮৩টি এসএমই প্রতিষ্ঠান ১৯৩টি স্টলে তাদের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে মেলায় অংশ নিচ্ছে বলে জানান সফিকুল ইসলাম। এছাড়া মেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা মিটিং বুথ, রক্তদান কর্মসূচি, মিডিয়া সেন্টার, তথ্য কেন্দ্রের স্টল থাকবে। এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চতুর্থবারের মত এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    তিনি আরো জানান, মেলায় দেশে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য, খাদ্য ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, আইটি পণ্য, প্লাস্টিক ও অন্যান্য সিনথেটিক, হস্তশিল্প, ডিজাইন ও ফ্যাশনওয়্যারসহ অন্যান্য মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের স্বদেশী পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হবে। কোনো বিদেশি পণ্য মেলায় প্রদর্শন ও বিক্রি করা হবে না।

    এছাড়া মেলায় সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই উদ্যোক্তাদের অবদান ও অংশগ্রহণকে স্বীকৃতি দিতে পুরুষ ও নারী ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার-২০১৬’ দেবে এসএমই ফাউন্ডেশন। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন উদ্যোক্তাকে এ সম্মাননা।

    আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানায়, দর্শনার্থীদের জন্য মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মেলায় কোনো প্রবেশ মূল্য নাই।

  • হাজারীবাগে কাঁচা চামড়া ঢুকবে না: শিল্পমন্ত্রী

    হাজারীবাগে কাঁচা চামড়া ঢুকবে না: শিল্পমন্ত্রী

    এবিএনএ : কোনোভাবেই হাজারীবাগে কাঁচা চামড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এ ছাড়া ব্যাংক ঋণের ব্যাপারে ট্যানারি মালিকদের দাবির বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় কিছু ভাবছে না বলেও তিনি জানান।

    আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    এদিকে আজ সকাল থেকেই হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরিয়ে নিচ্ছেন অনেক মালিক। যন্ত্রপাতি সরানোর কাজ চলছে। কাঁচা চামড়া যাতে ঢুকতে না পারে, সে জন্য ট্যানারি এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। প্রবেশপথগুলোতে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।

    অবশ্য কয়েকটি ট্যানারির মালিক, কর্মকর্তা এবং পুলিশ সদস্যরা বলছেন, ৩১ মার্চের পর ট্যানারিগুলোতে নতুন করে আর কোনো কাঁচা চামড়া ঢোকেনি। কয়েকজন পুলিশ সদস্য বলেন, আগে থেকেই বিষয়টি নির্ধারিত ছিল। এ কারণে মালিকেরা সেভাবেই কাজ করেছেন। তবে পুলিশ তৎপর আছে। কোনোভাবেই কাঁচা চামড়া নিয়ে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

    হাজারীবাগ থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁরা সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসিয়েছেন। পাশাপাশি টহলও চলছে। কাঁচা চামড়া নিয়ে কেউ ঢোকার চেষ্টা করেছেন—এমন খবর তিনি পাননি।

  • এসপ্তাহে কমছে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম

    এসপ্তাহে কমছে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম

    এবিএনএ : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, দেশের সাধারণ জনগণের স্বার্থে আমরা জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করব। আশা করছি এ সপ্তাহের মধ্যে সবধরণের জ্বালানি তেলের দাম কমানো সম্ভব হবে।

    শনিবার রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য দেন।
    তিনি বলেন, মুদ্রা বিনিময় হার কাঙ্খিত পর্যায়ে রাখা হবে। দেশে এখন রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মুল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এটা যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যেতে পারে সেদিকেও নজর রাখা হবে।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। প্রতি অর্থবছরই বাজেটের আকার বাড়ছে। আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেট ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা থেকে ৩ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। তবে বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের শেষ বাজেট ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    আগামী বাজেটে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
    অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের শুল্ক আদায়ের হার অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। এটাকে বাড়াতে হবে। শুল্ককর পরিশোধে যাতে সাধারণ মানুষ উৎসাহী হয় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে। সরকারের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে জ্বালানি খাতে ভ্যাট-ট্যাক্স পরিশোধে সবচেয়ে বেশি অনীহা দেখা যায়। আগামী অর্থবছরে এ প্রবণতা দূর করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভ্যাট-ট্যাক্স সময়মত পরিশোধ করতে হবে।
    প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৫৫ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে জ্বালানি তেল পাওয়া যায় । কিন্তু বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী টাকায় জ্বালানি তেলের মূল্য ২৭ টাকা থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন অজুহাতে সরকার জ্বালানি তেলের দাম এত দিন কমায়নি।

  • প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে এডিবির ইতিবাচক পূর্বাভাস

    প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে এডিবির ইতিবাচক পূর্বাভাস

    এবিএনএ : চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে ইতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তাদের মতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গত অর্থবছরের তুলনায় বাড়বে এবং বার্ষিক মূল্যস্ফীতি কমবে। এ ছাড়া আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এডিবির কার্যালয়ে প্রকাশিত বার্ষিক এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়।

    ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০১৬ আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি সারা বিশ্বে একযোগে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এডিবির প্রিন্সিপাল কান্ট্রি স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ পারভেজ এমদাদ প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজুহিকো হিগুচি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। আর আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশে।

    আউটলুকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিটেন্স বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ বাড়ার ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। একই সঙ্গে দেশের মূল্যস্ফীতিও সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে।

    মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে এডিবি বলেছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়াবে ৬ দশমিক ২ শতাংশে, যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

    সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেশ কিছু পলিসি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যাট আইনের প্রয়োগ, জমি রেকর্ড এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাল করা, রপ্তানি বাধা দূর করা, তেল ও বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার, এডিপি বাস্তবায়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে সংস্কার করা।

    বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়বে কারণ হচ্ছে, পোশাক খাতের রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক রপ্তানি বাড়বে, সরকারি পে-স্কেল বাস্তবায়িত হওয়ায় এবং রেমিটেন্স বাড়ায় বেসরকারি ভোগ বাড়বে।

    খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধি সামান্য কমবে। অর্থাৎ এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৩ দশমিক ২ শতাংশে, যা ২০১৫ অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

    শিল্পখাতে সামান্য প্রবৃদ্ধি বাড়বে। এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হবে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে তৈরি পোশাকখাত ম্যানুফ্যাকচারিং, অভ্যন্তরীণ বাজার এবং নির্মাণ শিল্প বেশ ভূমিকা রাখবে।

    সেবাখাতে প্রবৃদ্ধি সামান্য বাড়বে। এটি দাঁড়াবে ৫ দশমিক ৯ শতাংশে, যা অর্থবছর ২০১৪-১৫ এ ছিল ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। এক্ষেত্রে শিল্পের প্রসার, পর্যটন, টেলিযোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিল্প এবং প্রযুক্তিখাত ভাল ভূমিকা রাখবে।

  • নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনকে স্মরণ

    নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনকে স্মরণ

    ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী প্রয়াত মাহবুবুল হায়দার মোহনকে স্মরণ করা হয়েছে।

    রোববার (২৭ মার্চ) নিউইর্য়কের প্রবাসী বাংলাদেশি সংস্কৃতি কর্মীদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৩ মার্চ মাহবুবুল হায়দার মোহনের চতুর্থ প্রয়ান দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মিলনায়তনে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রতিবছর এখন থেকে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মাহবুবুল হায়দার মোহনের প্রয়াণ দিবসে ‘মোহন মেলা’ আয়োজনের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলায় প্রচারিত সবচেয়ে পুরাতন ও খ্যাতনামা বাংলা টিভি নিউইয়র্ক’র সিইও মীর শিবলী।

    .

    এ সময় উপস্থিত প্রবাসী বিশিষ্টজনেরা ‘মোহন মেলা’ আয়োজনের বিষয়টিকে তাৎক্ষণিক সমর্থন দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার কথাও ব্যক্ত করেন।

    মেলার পাশাপাশি জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা এবং গণসংগীত উৎসব আয়োজনের প্রস্তাব আনা হয়।

    শিল্পী মোহনের স্মৃতিতে বাংলাদেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের কথাও ঘোষণা করা হয়।

  • সন্তান হত্যা জাতির জন্য অভিশাপ

    সন্তান হত্যা জাতির জন্য অভিশাপ

    সন্তান মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। পরম ভালোবাসার ধন। সন্তানের মুখের হাসি স্বপ্ন দেখায় নতুন জীবনের, তার গায়ের গন্ধ জীবনে আনে কর্মোদ্যমতা। অন্যদিকে সন্তান পৃথিবীর সব নিরাশার মাঝে আশ্রয় খোঁজে পিতা-মাতার বুকে। তাদের বুকে মাথাগুজে নির্ভার হয় সে। ভালোবাসা ও মমতার শক্ত এ ভিতের ওপর টিকে আছে মানবজাতি, দাঁড়িয়ে আছে মানবসভ্যতা। মমতার গভীর এ মেলবন্ধন না থাকলে অন্যান্য জীবগোষ্ঠির মতো হয়তো মনুষ্য জাতি এতোদিন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যেতো।

    আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে একজন মমতাময়ী মা ও তার কাছে সন্তানের আশ্রয় প্রদানের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন- ‘এবং মুসার মায়ের অন্তর অস্থির হয়ে উঠলো। যদি তার অন্তর সুদৃঢ় না করতাম তবে সে অস্থিরতা প্রকাশের উপক্রম হয়েছিলো। আর আমি তা করেছিলাম যেনো সে মুমিনদের অর্ন্তভুক্ত থাকে। … অতঃপর আমি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম যাতে তার চক্ষু জুড়ায় এবং সে দুঃখ না করে। এবং জানতে পারে আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।’ -সূরা কাসাস : ১০ ও ১৩

    কিন্তু দুর্ভাগ্য স্নেহ ও মমতার পবিত্র বন্ধনে যেনো ছেদ পড়তে শুরু করেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন মায়ের কাছেও সন্তানরা হয়ে উঠছে অনিরাপদ। মায়ের আঁচলে আশ্রয় নেওয়া সন্তানের নির্মম মৃত্যু হচ্ছে মায়ের হাতেই। কখনও কখনও সন্তানের হাতেও খুন হচ্ছে প্রিয় মা-বাবা। নিকট অতীতকালে দেশবাসী এমন কিছু খবর দেখেছে। যার মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। ভ্রুণ হত্যা ও অবৈধ গর্ভপাতের কথা না হয় বাদই দিলাম।

    ক্রমবর্ধমান এ অপরাধ প্রবণতা সমাজের বিবেকবান শ্রেণীকে ভাবিয়ে তুলেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় পিতা-মাতার কাছে যদি সন্তানের জীবন অনিরাপদ হয়ে যায়, তবে শিশুরা যাবে কোথায়? আর কেনোইবা এই নৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হলো আমাদের সমাজে?

    সমাজতাত্ত্বিকদের অভিমত হলো, বস্তুবাদী জীবনব্যবস্থার ভোগবাদী মানসিকতা, তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট নৈতিক স্খলন, একক পরিবার ব্যবস্থার চাপ ও বিষন্নতা, সুশাসনের অভাব ও ভবিষ্যৎ জীবনের অনিশ্চয়তা, পারিবারিক ও সামাজিক অনুশাসনের অনুপস্থিতি; সর্বোপরি খোদাভীতি ও ধর্মীয় জীবন থেকে বিমুখতাই এ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।

  • কানের উদ্বোধনী ছবি উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’

    কানের উদ্বোধনী ছবি উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’

    কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৯তম আসরের উদ্বোধনী ছবি নির্বাচিত হলো উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’। আগামী ১১ মে ফ্রান্সের সমুদ্রতীরবর্তী শহর কানে প্যালেস দ্যু ফেস্টিভ্যালের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে প্রতিযোগিতা বিভাগর বাইরে দেখানো হবে ছবিটি।

    ‘ক্যাফে সোসাইটি’র গল্প এক তরুণকে ঘিরে। ১৯৩০-এর দশকে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করার আশায় হলিউডে পা রাখে সে। এরপর এক তরুণীর প্রেমে পড়ে। এই মেয়েটিও হলিউডের উঠতি তারকা।

    ছবিটিতে তরুণ-তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসি আইজেনবার্গ ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। এ ছাড়াও আছেন ব্লেক লিভলি, পার্কার পসি ও স্টিভ ক্যারেল। ফ্রান্সে কান উৎসবের উদ্বোধনী দিনেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    এর আগে আরও দু’বার বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আয়োজন কান উৎসবের উদ্বোধন হয়েছিলো উডি অ্যালেনের ছবির মাধ্যমে। ২০০২ সালে ‘হলিউড এন্ডিং’ আর ২০১১ সালে ‘মিডনাইট ইন প্যারিস’ দেখানো হয় কানের প্রথম দিন।

    সব মিলিয়ে ১৪বার কান উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে স্থান পেলো মার্কিন পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, লেখক ও কমেডিয়ান উডি অ্যালেনের ছবি। গতবার ছিলো ‘ইরেশনাল ম্যান’। তার এবারের ছবি ‘ক্যাফে সোসাইটি’র চিত্রগ্রহণ করেছেন ভিত্তোরিও স্তোরারো। ১৯৯১ সালের কান উৎসবে তিনি বিচারক প্যানেলে ছিলেন। তিনি অস্কার জিতেছেন মোট তিনবার। ছবিগুলো হলো ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার ‘অ্যাপোক্যালিপস নাউ’ (১৯৮০), ওয়ারেন বেটির ‘রেডস’ (১৯৮২) ও বার্নার্ডো বার্তোলুচ্চির ‘দ্য লাস্ট এম্পারার’ (১৯৮৮)।

    ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট ২০১২ সালের কান উৎসবে লালগালিচায় পা মাড়িয়েছেন ‘অন দ্য রোড’ ছবির জন্য। এর দুই বছর পর ‘ক্লাউডস অব সিলস মারিয়া’ তাকে আবার নিয়ে আসে কানে। এ ছবির জন্য সিজার অ্যাওয়ার্ড জেতেন তিনি। অন্যদিকে জেসি আইজেনবার্গ অভিনীত ‘লাউডার দ্যান বোম্বস’ গত বছর কান উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পায়।

    এবারের কান উৎসব চলবে ২২ মে পর্যন্ত। প্রতিযোগিতা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অস্ট্রেলীয় নির্মাতা জর্জ মিলার। আগামী ১৪ এপ্রিল প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত ছবির তালিকা ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে জোডি ফস্টার পরিচালিত ‘মানি মনস্টারস’ (জর্জ ক্লুনি, জুলিয়া রবার্টস) ও স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘দ্য বিএফজি’ চূড়ান্ত হয়েছে কানে।

  • তনু হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর

    তনু হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর

    কুমিল্লা: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা এবার অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

    মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন আইজিপি।

    কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ আবিদ হোসেন এ বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন ।

    তিনি জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর ২৬ মার্চ হত্যা মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়। কিন্তু গত ৪ দিনে মামলার তেমন অগ্রগতি হয়নি। এখন আইজিপির নির্দেশে তনুর হত্যার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।

    ২০ মার্চ রাতে সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। পরে কুমিল্লার ‘বিশেষ এলাকা’ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।