আজান না হলে কি ইফতার থামিয়ে রাখতে হবে? রোজাদারদের বহুল জিজ্ঞাসার স্পষ্ট উত্তর

Written by

in

এবিএনএ: রমজান মাসে ইফতার রোজাদারদের জন্য সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। সূর্য অস্ত যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোজা ভাঙার অনুমতি রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় আজান দিতে দেরি হলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়—তখন কি আজান শোনা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে?

ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী, ইফতার শুরুর মূল নির্ধারক হলো সূর্যাস্ত। হাদিসে এসেছে—দিনের আলো শেষ হয়ে সূর্য ডুবে গেলে রোজাদার ইফতার করবে। অর্থাৎ, আজান নিজেই ইফতারের শর্ত নয়; আজান হলো সময় জানানোর মাধ্যম। বাস্তবে অধিকাংশ মানুষ আজানের ওপর নির্ভর করে সময় বোঝেন বলে আজান শোনা পর্যন্ত অপেক্ষা করাকে উত্তম আমল ধরা হয়।

আজান দেরি হলে করণীয় কী?
অনেক সময় মসজিদের সময়সূচি বা কারিগরি সমস্যায় আজান কয়েক মিনিট দেরিতে হতে পারে। এ অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে আলেমরা কয়েকটি দিক নির্দেশনা দিয়েছেন—

  1. বিশ্বস্ত সময়সূচি দেখে ইফতার করা যাবে:
    নামাজের অনুমোদিত সময়সূচি বা নির্ভরযোগ্য ক্যালেন্ডারে যদি সূর্যাস্তের সময় পার হয়ে যায়, তাহলে আজান না হলেও ইফতার করা জায়েজ। সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়াই এখানে মূল বিষয়।

  2. অযথা সন্দেহ এড়িয়ে চলুন:
    ইসলামে অহেতুক সন্দেহে পড়তে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। সূর্যাস্ত নিশ্চিত হলে ইফতার করতে পারেন। তবে সময় নিয়ে যদি সংশয় থাকে, তাহলে আজান পর্যন্ত অপেক্ষা করাই নিরাপদ ও উত্তম পথ।

সংক্ষেপে, ইফতারের অনুমতি সূর্যাস্তের সঙ্গে যুক্ত—আজান সময় জানানোর মাধ্যম মাত্র। নিশ্চিত হলে দেরি না করে ইফতার করা সুন্নতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *