Tag: রমজান

  • কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী হবে? জানুন সঠিক শরয়ি বিধান ও করণীয়

    কাজা রোজা ভেঙে ফেললে কী হবে? জানুন সঠিক শরয়ি বিধান ও করণীয়

    এবিএনএ: ইসলামে প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ ইবাদত। তবে মানবজীবনের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় শরিয়তে রয়েছে কিছু ছাড় এবং বিকল্প বিধানও।

    কাদের জন্য রোজা স্থগিতের সুযোগ রয়েছে

    যারা অসুস্থ, সফরে রয়েছেন, অথবা গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারী—যদি নিজের বা সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে তারা রমজানে রোজা না রেখে পরবর্তীতে তা কাজা করে নিতে পারেন।

    পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের রোজা অন্য সময়ে পূরণ করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যারা একেবারেই অক্ষম, তারা ফিদিয়া আদায় করতে পারেন।

    কাজা রোজা দ্রুত আদায়ের গুরুত্ব

    যেসব রোজা কোনো কারণে রাখা সম্ভব হয়নি, সেগুলো বিলম্ব না করে যত দ্রুত সম্ভব আদায় করা উত্তম। কারণ, মানুষের জীবন অনিশ্চিত—অপ্রত্যাশিতভাবে সুযোগ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কাজা রোজা ফেলে রাখা ঠিক নয়।

    কাজা রোজা ভেঙে গেলে কী করবেন?

    কাজা রোজা আদায়ের সময় সেটি ভেঙে ফেলা শরীয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়, যদি না কোনো বৈধ কারণ থাকে। তাই রোজা রাখার সময় সতর্ক থাকা জরুরি।

    • বিনা কারণে ভেঙে ফেললে:
      যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কাজা রোজা ভেঙে ফেলে, তবে এটি গুনাহের কাজ। এজন্য আন্তরিকভাবে তওবা করতে হবে এবং পুনরায় সেই রোজাটি অন্য দিনে কাজা আদায় করতে হবে।
    • ওজর বা বৈধ কারণে ভাঙলে:
      অসুস্থতা বা অন্য কোনো বৈধ কারণ থাকলে রোজা ভাঙা যাবে। সেক্ষেত্রেও পরে একটি রোজা কাজা রাখতে হবে।

    কাফফারা কি দিতে হবে?

    কাজা রোজা ভেঙে ফেললে সাধারণত কাফফারা দিতে হয় না। কাফফারা শুধুমাত্র রমজানের ফরজ রোজা ইচ্ছাকৃতভাবে ভঙ্গ করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য—বিশেষ করে পানাহার বা দাম্পত্য সম্পর্কের মাধ্যমে।

    শেষ কথা

    রোজা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, তাই কাজা রোজাও যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে আদায় করা প্রয়োজন। সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে এই ইবাদত পূর্ণতা পায়।

  • ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রচারিত ওই বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈদ মোবারক। প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।” তিনি উল্লেখ করেন, এক মাসের সিয়াম সাধনার পর পবিত্র মাহে রমজান বিদায় নিয়েছে, যা মানুষকে ত্যাগ, সংযম ও তাকওয়ার শিক্ষা দেয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য নিয়ে আসে আনন্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার বার্তা। এই উৎসব যেন সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে, সে আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারে ঈদের আনন্দ পৌঁছে যাক—এই কামনা সবার। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে সবাই যেন একে অপরের পাশে দাঁড়ায় এবং আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, সেটিই হওয়া উচিত ঈদের মূল বার্তা।

    বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

  • রমজানের শেষ সময়কে বদলে দিন সাফল্যের সোপানে—যেভাবে কাটাবেন শেষ দশক

    রমজানের শেষ সময়কে বদলে দিন সাফল্যের সোপানে—যেভাবে কাটাবেন শেষ দশক

    এবিএনএ: শেষের পথে পবিত্র রমজান মাস। রহমত ও মাগফিরাতের পর এখন চলছে নাজাতের দশক—যে সময়টি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে শুরু হবে ঈদুল ফিতর, আর বিদায় নেবে বরকত, রহমত ও কোরআন নাজিলের এই মহিমান্বিত মাস।

    ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, এই রমজানই হয়তো অনেকের জীবনের শেষ রমজান হতে পারে। তাই শেষ সময়টুকুকে অর্থবহ করে তুলতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা বাড়ানো জরুরি।

    তওবার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি
    মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। রমজানেও নানা ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে। তাই আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তওবা কর, যাতে তোমরা সফল হতে পারো” (সুরা নূর: ৩১)।

    আরেক স্থানে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্মে অবিচল থাকে, আল্লাহ তার প্রতি ক্ষমাশীল (সুরা ত্বহা: ৮২)।
    গুনাহের পর দ্রুত তওবা করে নিজেকে পবিত্র করা একজন মুমিনের কর্তব্য।

    রমজানের ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা
    রমজান ইবাদতের বিশেষ মাস হলেও নানা ব্যস্ততায় অনেকেই পূর্ণভাবে আমল করতে পারেন না। তাই এ মাসে যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে, তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং বাকি সময়টুকু সঠিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা উচিত।

    সারা বছরের জন্য নেক আমলের তাওফিক চাওয়া
    রমজান কেবল একটি মাস নয়, বরং সারা বছরের জন্য ইবাদতের প্রশিক্ষণ। রজব ও শাবান মাস থেকে শুরু হওয়া প্রস্তুতির পর রমজানে ইবাদতের অভ্যাস তৈরি হয়। এই অভ্যাস যেন সারা বছর বজায় থাকে, সে জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা জরুরি।

    সদকাতুল ফিতর আদায়ের গুরুত্ব
    রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল হলো সদকাতুল ফিতর আদায়। এটি রোজার ত্রুটি দূর করে এবং দরিদ্রদের সহায়তা করে। যারা এখনো আদায় করেননি, তারা ঈদের নামাজের আগে এটি পরিশোধ করে নিতে পারেন।

    সব মিলিয়ে, রমজানের শেষ সময়টুকু আত্মশুদ্ধি, তওবা, দোয়া ও দানের মাধ্যমে কাটাতে পারলে তা একজন মুমিনের জন্য পরকালীন সফলতার পথ খুলে দিতে পারে।

  • সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি—ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে শুক্রবার

    সৌদিতে চাঁদ দেখা যায়নি—ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে শুক্রবার

    এবিএনএ: সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ)। এর ফলে দেশটিতে রমজান মাস পূর্ণ ৩০ দিনে সম্পন্ন হচ্ছে।

    বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে দেশের কোথাও নতুন চাঁদের দেখা না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই নতুন মাস শুরু হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশই একই নিয়ম অনুসরণ করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ৩০ রোজা পূর্ণ করে ঈদ উদযাপন করা হবে।

    এদিকে, দেশটির শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় আগেই ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে। বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের কর্মীদের জন্য বুধবার রাত থেকে ছুটি কার্যকর হচ্ছে, যা পরবর্তী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, আগাম ছুটি ঘোষণার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করতে পারছে এবং কর্মীরাও নির্বিঘ্নে ঈদের প্রস্তুতি নিতে পারছেন।

    এবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবের জনগণ ৩০টি রোজা পূর্ণ করার পর শুক্রবার ঈদুল ফিতরের আনন্দে শামিল হবেন।

  • ঈদ কবে? মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে দিন নিয়ে জোর জল্পনা

    ঈদ কবে? মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা, বাংলাদেশে দিন নিয়ে জোর জল্পনা

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাস শেষের পথে, আর সেই সঙ্গে এগিয়ে আসছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ইতোমধ্যে ছুটি শুরু হওয়ায় নগর ছেড়ে গ্রামে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে সবার মুখে এখন একটাই প্রশ্ন—এবার ঈদ কবে?

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আগামী ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হতে পারে। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির তথ্যমতে, এবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

    ধারণা করা হচ্ছে, ১৮ মার্চ আরব অঞ্চলের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ওই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ১৯ মার্চই ঈদ হতে পারে।

    বাংলাদেশে ঈদ কবে হতে পারে?
    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সে হিসেবে দেশে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনের সম্ভাব্য তারিখ ২১ মার্চ (শনিবার) ধরা হচ্ছে।

    তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার ওপর। ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন চাঁদ দেখা গেলে ২০ মার্চ ঈদ পালিত হবে, আর না দেখা গেলে ৩০ রমজান পূর্ণ করে ২১ মার্চ ঈদ উদ্‌যাপন করা হবে।

    এদিকে ঈদকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও নৌপথে যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে ছুটছে নিজ নিজ বাড়িতে। আবহাওয়া অনিশ্চিত থাকলেও উৎসবের আনন্দে ভাটা নেই কারও মধ্যে।

    এখন সবার দৃষ্টি আকাশের দিকে—কবে দেখা মিলবে শাওয়ালের চাঁদের, আর কবে উদ্‌যাপিত হবে খুশির ঈদ।

  • লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, ইবাদতে মনোযোগের আহ্বা

    লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা, ইবাদতে মনোযোগের আহ্বা

    এবিএনএ: পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশের মানুষসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    রোববার (১৬ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, লাইলাতুল কদর ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত। এই মহিমান্বিত রাতেই পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয় এবং মহান আল্লাহ এই রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পবিত্র রাতে ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। রমজান মাস মানুষের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ধৈর্যের শিক্ষা দেয় এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে।

    তিনি আরও বলেন, লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে ন্যায়, শান্তি এবং মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই এই রাতের মাহাত্ম্য উপলব্ধি করে সবাইকে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই পবিত্র রাতের বরকত মানুষের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনবে এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

  • শবে কদর পাওয়ার আশায় ইতিকাফে কীভাবে ইবাদত করবেন? জানুন গুরুত্বপূর্ণ আমলের নির্দেশনা

    শবে কদর পাওয়ার আশায় ইতিকাফে কীভাবে ইবাদত করবেন? জানুন গুরুত্বপূর্ণ আমলের নির্দেশনা

    এবিএনএ: রমজান মাসের শেষ দশকে ইতিকাফ পালন ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি কেবল মসজিদে অবস্থান করা নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, আল্লাহর নৈকট্য লাভ এবং শবে কদরের ফজিলত অর্জনের একটি বিশেষ সুযোগ।

    ইতিকাফে থাকা অবস্থায় একজন মুসলমান তার সময়কে যত বেশি ইবাদতে ব্যয় করতে পারেন, ততই তিনি আধ্যাত্মিকভাবে উপকৃত হন। বিশেষ করে শবে কদরের সন্ধানে এই সময়ের প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান।

    সময়কে গুরুত্ব দিন

    ইতিকাফে বসে অযথা সময় নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। তারাবির নামাজ শেষ হওয়ার পর থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়টিকে ইবাদতের জন্য কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। আলস্য বা ক্লান্তিকে দূরে রেখে আল্লাহর স্মরণে নিজেকে ব্যস্ত রাখা উচিত।

    কোরআন তিলাওয়াত ও অর্থ অনুধাবন

    ইতিকাফের সময় বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা উত্তম। শুধু পড়া নয়, কোরআনের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করলে তা হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং মন খুলে দোয়া করা গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রয়োজনীয় বিরতি ও পানি পান

    দীর্ঘ সময় ইবাদত করতে গিয়ে অনেক সময় শরীরে ক্লান্তি আসে। তাই মাঝে মাঝে স্বল্প সময়ের জন্য বিশ্রাম নেওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। এতে শরীর সতেজ থাকে এবং ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া সহজ হয়।

    নফল নামাজ ও তাহাজ্জুদ

    ইতিকাফের সময় বেশি বেশি নফল নামাজ আদায় করা উত্তম। বিশেষ করে রাতের শেষভাগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। কারণ এই সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করার বিশেষ সুযোগ রয়েছে এবং দোয়া কবুলের সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

    দান-সদকার গুরুত্ব

    ইতিকাফে থাকলে বাইরে গিয়ে দান করা সম্ভব হয় না। তাই আগে থেকেই দান-সদকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে অথবা পরিবারের সদস্য বা পরিচিত কারও মাধ্যমে দরিদ্রদের সাহায্য করা যেতে পারে।

    ধৈর্য ও উত্তম আচরণ

    ইতিকাফের সময় বিনয়ী ও নম্র আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাগ বা বিরক্তি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা ইবাদতের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়।

    শবে কদরের বিশেষ দোয়া

    হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি একবার রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন— যদি তিনি কদরের রাত পান, তাহলে কী দোয়া পড়বেন? উত্তরে নবীজি (সা.) একটি বিশেষ দোয়া শিক্ষা দেন।

    আরবি উচ্চারণ:
    আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।

    অর্থ:
    হে আল্লাহ! আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

    এই দোয়াটি শবে কদরের রাতে বেশি বেশি পাঠ করার পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামী বিদ্বানরা।

  • রমজানে জাকাতের গুরুত্ব: যেসব সম্পদের উপর জাকাত ফরজ, জেনে নিন বিস্তারিত

    রমজানে জাকাতের গুরুত্ব: যেসব সম্পদের উপর জাকাত ফরজ, জেনে নিন বিস্তারিত

    এবিএনএ: ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের একটি হলো জাকাত। এটি কেবল দান নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত, যা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে জাকাত আদায়ের প্রতি মুসলমানদের আগ্রহ বেশি দেখা যায়। এই সময়ে অনেকেই জানতে চান—কোন কোন সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ হয়।

    ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী সব ধরনের সম্পদের ওপর জাকাত বাধ্যতামূলক নয়। নির্দিষ্ট কিছু সম্পদের ওপরই জাকাত দিতে হয়, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা ‘নিসাব’ পূরণ করলে এবং এক বছর অতিক্রম করলে ফরজ হয়ে যায়।

    সোনা ও রুপা
    সোনা ও রুপার ওপর জাকাত দেওয়া ফরজ। তা অলংকার হিসেবে ব্যবহার করা হোক বা না হোক—সব অবস্থাতেই এর জাকাত আদায় করতে হবে। একইভাবে অলংকার ছাড়া অন্য কোনো রূপে থাকা সোনা-রুপার ক্ষেত্রেও এই বিধান প্রযোজ্য।

    সোনা-রুপার কারুকাজযুক্ত সামগ্রী
    কোনো পোশাক বা অন্যান্য জিনিসে যদি সোনা-রুপার কারুকাজ থাকে, তাহলে সেই অংশের সোনা-রুপার পরিমাণ হিসাব করে জাকাতের আওতায় ধরা হবে। অন্য জাকাতযোগ্য সম্পদের সঙ্গে মিলিয়ে এর হিসাব করতে হয়।

    অন্যান্য ধাতু বা রত্নপাথর
    সোনা ও রুপা ছাড়া অন্য ধাতুর তৈরি অলংকার বা সামগ্রীতে সাধারণত জাকাত ফরজ হয় না। তেমনি হিরা, মণি-মুক্তা বা মূল্যবান পাথর যদি ব্যবসার পণ্য না হয়, তবে সেগুলোর ওপর জাকাত দিতে হয় না।

    নগদ অর্থ ও সঞ্চয়
    প্রয়োজনীয় খরচের বাইরে যে টাকা সঞ্চিত থাকে এবং তা যদি নিসাব পরিমাণে পৌঁছায়, তাহলে এক বছর পূর্ণ হলে সেই অর্থের ওপর জাকাত দিতে হবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা অর্থ, ফিক্সড ডিপোজিট, বন্ড বা সঞ্চয়পত্রও একইভাবে জাকাতের আওতায় পড়ে।

    অব্যবহৃত অর্থ
    কোনো অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে শুধু জমিয়ে রাখা হলেও তার ওপর জাকাত ফরজ হয়, যদি তা নিসাব পরিমাণে পৌঁছে এবং এক বছর অতিক্রম করে।

    ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে সঞ্চিত অর্থ
    হজ, বাড়ি নির্মাণ বা সন্তানের বিয়ের মতো ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে জমিয়ে রাখা অর্থও জাকাতের হিসাব থেকে বাদ যায় না। নির্ধারিত নিসাব পূরণ হলে এবং এক বছর অতিবাহিত হলে এর ওপরও জাকাত দিতে হবে।

    ব্যবসায়িক পণ্য
    দোকান বা ব্যবসায় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা সব ধরনের পণ্য—যেমন খাদ্যদ্রব্য, কাপড়, অলংকার, নির্মাণসামগ্রী, গাড়ি, ফার্নিচার বা ইলেকট্রনিক পণ্য—বাণিজ্যিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব পণ্যের বাজারমূল্য যদি নিসাবের সমপরিমাণ হয়, তাহলে সেগুলোর ওপরও জাকাত ফরজ হবে।

    ইসলামি চিন্তাবিদরা মনে করেন, জাকাত শুধু সম্পদের পবিত্রতাই নিশ্চিত করে না, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা হলে ১০-১৫ বছরেই কমতে পারে দারিদ্র্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা হলে ১০-১৫ বছরেই কমতে পারে দারিদ্র্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    এবিএনএ: দেশে সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনা চালু করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত বিতরণ করা গেলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের দারিদ্র্য অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

    শনিবার যমুনায় আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে যদি প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে পাঁচ লাখ পরিবারকে এক লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হয়, তাহলে অনেক পরিবারই অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, যেসব পরিবারকে এভাবে সহায়তা দেওয়া হবে তাদের অনেকেরই পরবর্তী বছরগুলোতে আর যাকাতের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

    আলেম-ওলামা ও মাশায়েখদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে হলে বিত্তবানদের সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে সমাজে প্রভাবশালী আলেম-ওলামারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

    তিনি জানান, যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যমান যাকাত বোর্ডকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, ইসলামিক স্কলার ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যাকাতের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে বাংলাদেশকে দারিদ্র্য বিমোচনে একটি সফল মডেল হিসেবে ইসলামী বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব।

    বিভিন্ন গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার যাকাত দেওয়া হয়। কারও কারও মতে এর পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। তবে সুসংগঠিত পরিকল্পনার অভাবে এই বিপুল অর্থ দারিদ্র্য দূরীকরণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

    রমজান মাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি ত্যাগ, সংযম ও রহমতের মাস। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই সময়েই কেউ কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এতে সাধারণ মানুষ কষ্টে পড়ে। যারা এ ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের প্রতি তিনি এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, সাধারণত রমজানের প্রথম দিনেই আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে ইফতার আয়োজন করা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এবার কিছুটা দেরিতে এই আয়োজন করা হয়েছে।

    বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে এবার সীমিত পরিসরে ইফতার আয়োজন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এ বছর এখন পর্যন্ত দুটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এটিই হয়তো শেষ আয়োজন হতে পারে।

  • রমজানে বিদ্যুৎ সংকট এড়াতে গ্রাহকদের জন্য ৭ জরুরি নির্দেশনা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ

    রমজানে বিদ্যুৎ সংকট এড়াতে গ্রাহকদের জন্য ৭ জরুরি নির্দেশনা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ

    এবিএনএ: বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি ও বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে পবিত্র রমজান মাস, গ্রীষ্মকাল এবং সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে গ্রাহকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার লক্ষ্যে গ্রাহকদের জন্য সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, এসব নির্দেশনা মেনে চললে বিদ্যুতের অপচয় কমবে এবং সবার জন্য স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেচ মৌসুমে কৃষি কার্যক্রম চালু রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সেচ পাম্প রাত ১১টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে চালু রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয় নিশ্চিত করতে ‘ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই’ পদ্ধতিতে সেচ কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিভাগটি। একইসঙ্গে দোকানপাট, শপিং মল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

    নিরাপত্তার বিষয়েও সতর্ক করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দুর্ঘটনা এড়াতে অবৈধ হুকিং বা অননুমোদিত বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ইজি বাইক, অটোরিকশা ও অন্যান্য ব্যাটারিচালিত যানবাহনে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

    পাশাপাশি বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পিক আওয়ারে এসি, ওয়েল্ডিং মেশিন, লন্ড্রি মেশিন, ওভেন বা মাইক্রোওভেন, হিটার, পানির পাম্প, ইস্ত্রি এবং বৈদ্যুতিক বিলবোর্ডসহ বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় এমন যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করছে, গ্রাহকেরা যদি এসব নির্দেশনা মেনে চলেন, তাহলে রমজান ও সেচ মৌসুমে সাধারণ মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা অনেক সহজ হবে।