Category: বিনোদন

  • আলো নিভে গেছে, নীরবতা গ্রাস করেছে: সিনেমার প্রাণকেন্দ্র এফডিসি কি সত্যিই ভূতুড়ে ভবনে পরিণত?

    আলো নিভে গেছে, নীরবতা গ্রাস করেছে: সিনেমার প্রাণকেন্দ্র এফডিসি কি সত্যিই ভূতুড়ে ভবনে পরিণত?

    এবিএনএ: এক সময় যেখানে প্রতিদিন শোনা যেত “লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন”—আজ সেখানে নেমে এসেছে নিস্তব্ধতা। ঢাকাই সিনেমার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) এখন কার্যত অচল এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। শুটিং ফ্লোরে নেই ব্যস্ততা, ডাবিং স্টুডিওতে নেই কণ্ঠের কোলাহল, আর ঝলমলে আলোয় ভরা সেই পরিবেশ এখন শুধুই স্মৃতি।

    ২০২২ সালে শুরু হওয়া বহুল আলোচিত বিএফডিসি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের অগ্রগতি প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি নয়। সংশোধিত সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবতা নিয়ে সংশয় কাটেনি। ব্যয়ও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬৫ কোটি টাকায়।

    ১৯৫৭ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠান একসময় দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা রূপ নেয় আমলাতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ—যাঁরা দায়িত্বে এসেছেন, তাঁদের অনেকেই সিনেমার উন্নয়নের বদলে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। এর ফলেই ধীরে ধীরে কার্যকারিতা হারিয়েছে এফডিসি।

    অর্থনৈতিক দিক থেকেও চরম সংকটে রয়েছে সংস্থাটি। ২০১৬ সাল থেকে নিয়মিত ভর্তুকি ও ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে এফডিসি। গত এক দশকে সরকার থেকে প্রায় ৮০ কোটি টাকার অনুদান ও ঋণ নিতে হয়েছে। অথচ লোকসান কমেনি; বরং নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, প্রতিষ্ঠানের মোট লোকসান ছাড়িয়েছে ১৪২ কোটি টাকা।

    প্রযুক্তিগত দিক থেকেও এফডিসি পিছিয়ে পড়েছে বহু বছর। আধুনিক ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, এডিটিং সফটওয়্যার কিংবা ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট সুবিধা—সব ক্ষেত্রেই রয়েছে চরম ঘাটতি। অধিকাংশ যন্ত্রপাতি পুরোনো ও অচল। ফলে নির্মাতারা বাধ্য হচ্ছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরঞ্জাম ভাড়া নিতে। শুটিং ও ডাবিংয়ের কাজও বাইরে করাতে হচ্ছে।

    বর্তমানে এফডিসিতে কার্যকর শুটিং ফ্লোরের সংখ্যা কমে এসেছে। আগে যেখানে নয়টি ফ্লোর ছিল, সেখানে এখন কার্যত ব্যবহারের উপযোগী মাত্র কয়েকটি। অনেক শুটিং স্পট নষ্ট হয়ে গেছে, অবকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ নেই বললেই চলে। ছাদ চুইয়ে পানি পড়া, নষ্ট এসি—এসব অভিযোগ এখন নিয়মিত।

    এফডিসির বর্তমান ব্যবস্থাপনা মনে করে, আন্তরিক উদ্যোগ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি জানিয়েছেন, সেবা মূল্য কমানো ও নিয়ম সহজ করার ফলে সাম্প্রতিক সময়ে আয় কিছুটা বেড়েছে। তাঁর মতে, আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করা গেলে এবং সঠিক পরিকল্পনায় এগোলে এফডিসিকে আবার লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

    তবে চলচ্চিত্রকারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এফডিসিকে বিকল্প ব্যবহারের চিন্তা ও ‘গবেষণাগার’ হিসেবে রূপান্তরের প্রস্তাব। তাঁদের আশঙ্কা, এতে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প আরও কোণঠাসা হয়ে পড়বে।

    সাত দশকের ঐতিহ্য বহন করা এই প্রতিষ্ঠান এখন দাঁড়িয়ে আছে এক অনিশ্চিত মোড়ে। আলো-ঝলমলে অতীত ফিরে আসবে, নাকি এফডিসি সত্যিই রূপ নেবে এক ভূতুড়ে ভবনে—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে।

  • সালমান খানের প্রতি আবেগে ভাসলেন সজল আলি, এক লাইনের পোস্টেই ভাইরাল অনুভূতি

    সালমান খানের প্রতি আবেগে ভাসলেন সজল আলি, এক লাইনের পোস্টেই ভাইরাল অনুভূতি

    এবিএনএ: বলিউড তারকাদের প্রতি পাকিস্তানি অভিনয়শিল্পীদের অনুরাগ নতুন নয়। অতীতে শাহরুখ খান কিংবা রেখার প্রতি পাকিস্তানি তারকাদের প্রকাশ্য প্রশংসা দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে। এবার সেই আলোচনায় নতুন করে নাম লেখালেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সজল আলি।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সালমান খানের একটি ফ্যান-মেড ভিডিও নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেন সজল। সেখানে দীর্ঘ কোনো বক্তব্য না লিখে মাত্র দুটি শব্দে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি—‘আমার হৃদয়’। সংক্ষিপ্ত এই ক্যাপশনেই সালমান খানের প্রতি তার ভালোবাসার বার্তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    সজলের এই পোস্ট মুহূর্তেই ভক্তদের নজর কাড়ে। অনেকেই এটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য ও শেয়ার করতে থাকেন। সালমান খানের জনপ্রিয়তা যে সীমান্ত ছাড়িয়ে বিস্তৃত, সজলের এই প্রকাশ তারই আরেকটি প্রমাণ বলে মনে করছেন অনেকে।

    উল্লেখ্য, সজল আলি শুধু পাকিস্তানেই নয়, বলিউডেও নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শ্রীদেবী অভিনীত সিনেমা ‘মম’-এ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন তিনি।

    এদিকে ২০২৫ সালে হামজা সোহেলের সঙ্গে অভিনীত নাটক ‘দিল ওয়ালি গলি মে’ দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সামনে ২০২৬ সালে হাম টিভির ব্যানারে প্রচারিত হতে যাচ্ছে তার নতুন প্রজেক্ট ‘জানজেরিন’, যেখানে তার সঙ্গে অভিনয় করবেন আমির জিলানি ও দানিয়াল জাফরসহ আরও বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ।

  • বাংলাদেশের অভিনেতাদের অভিনয়ে মুগ্ধ সোহিনী সরকার, বললেন—‘অনেকের কাজ আমরা চেটেপুটে উপভোগ করি’

    বাংলাদেশের অভিনেতাদের অভিনয়ে মুগ্ধ সোহিনী সরকার, বললেন—‘অনেকের কাজ আমরা চেটেপুটে উপভোগ করি’

    এবিএনএ: স্বাভাবিক ও সংবেদনশীল অভিনয়ের জন্য দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। নিজের অভিনয়জীবনের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রতিও রয়েছে তার গভীর আগ্রহ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের কাজ নিয়ে অকপট প্রশংসা করেছেন তিনি।

    সোহিনী জানান, বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতাদের কাজ তিনি নিয়মিত অনুসরণ করেন। বিশেষভাবে তার ভালো লাগে আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরীর জুটি। তার ভাষায়, এই দুজনের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি অসাধারণ, আর নিশোর অভিনয় বরাবরই তাকে মুগ্ধ করে।

    বাংলাদেশের অভিনয় জগতের কিংবদন্তি শিল্পীদের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে সোহিনী বলেন, হুমায়ুন ফরিদী, সুবর্ণা মুস্তাফা, মোশাররফ করিম ও চঞ্চল চৌধুরীর মতো অভিনয়শিল্পীরা বাংলা অভিনয়কে সমৃদ্ধ করেছেন। পাশাপাশি জয়া আহসান ও অপি করিমের কাজও তার কাছে ভীষণ প্রিয়।

    তিনি আরও বলেন, এপার বাংলা ও ওপার বাংলার দর্শক হিসেবে বাংলাদেশের অনেক শিল্পীর কাজ সত্যিই অসাধারণ লাগে। অনেক সময় তো এমনও হয়—ওই অভিনয় আমরা চেটেপুটে উপভোগ করি।

    বর্তমান সময়ের অভিনেত্রীদের মধ্যে তাসনিয়া ফারিণের কাজের প্রশংসা করেন সোহিনী। একই সঙ্গে নুসরাত ইমরোজ তিশার অভিনয় দক্ষতাও তার নজর কেড়েছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে সিয়ামের বিপরীতে শবনম বুবলীর অভিনয় দেখেও তিনি প্রশংসা না করে পারেননি।

    ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান প্রসঙ্গে সোহিনীর মন্তব্য, শাকিব খান এমন একজন তারকা, যার বিষয়ে নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজনই পড়ে না। পাশাপাশি চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর সঙ্গে কাজ করার স্মৃতিও আনন্দের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি।

    সব মিলিয়ে, নিজের কাজের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের কাজ যে নিয়মিত দেখেন এবং তা গভীর মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করেন—সোহিনীর বক্তব্যেই তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে।

  • আইনি চাপে মুখ খুললেন শিল্পা শেঠি: ‘ন্যায়বিচারে বিশ্বাস আছে’, রেস্তরাঁ বিতর্কে নতুন মোড়

    আইনি চাপে মুখ খুললেন শিল্পা শেঠি: ‘ন্যায়বিচারে বিশ্বাস আছে’, রেস্তরাঁ বিতর্কে নতুন মোড়

    এবিএনএ: বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির নামে ফের আইনি বিতর্ক। তার মালিকানাধীন জনপ্রিয় রেস্তরাঁ ‘বাস্তিয়ান’-এর বেঙ্গালুরু শাখার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের একদিন পরই আয়কর বিভাগের তল্লাশির মুখে পড়ে মুম্বাইয়ের শাখা। ধারাবাহিক আইনি ঝামেলার মধ্যে অবশেষে প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি বেঙ্গালুরু পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয়, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেও গভীর রাত পর্যন্ত খোলা ছিল বাস্তিয়ান রেস্তরাঁ। রাজ্য সরকারের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগে কর্ণাটক পুলিশ আইনের ১০৩ ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা হয়। এ ঘটনায় রেস্তরাঁর ম্যানেজারকে আটকও করা হয়।

    এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার মুম্বাইয়ের দাদর এলাকায় অবস্থিত বাস্তিয়ান রেস্তরাঁয় আয়কর বিভাগের তল্লাশি শুরু হয়। বলিউড সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগের ৬০ কোটি টাকার আর্থিক মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    এর আগেও শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা একাধিক আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন। পর্নকাণ্ড, আর্থিক মামলায় যুক্ত হওয়া এবং লুকআউট নোটিসের কারণে বিদেশ সফর বাতিল—সব মিলিয়ে সমালোচনার কেন্দ্রে ছিলেন এই তারকা দম্পতি।

    সবশেষ পরিস্থিতিতে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি বিবৃতি দেন শিল্পা শেঠি। সেখানে তিনি জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আইনি ভিত্তি ছাড়াই বিষয়গুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, বিষয়টি বর্তমানে হাইকোর্টের বিবেচনাধীন। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারই প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি তার অটুট আস্থার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন শিল্পা শেঠি।

  • মেসির সঙ্গে ছবি ঘিরে কুরুচিকর আক্রমণ, শুভশ্রীর পক্ষে থানায় গেলেন রাজ চক্রবর্তী

    মেসির সঙ্গে ছবি ঘিরে কুরুচিকর আক্রমণ, শুভশ্রীর পক্ষে থানায় গেলেন রাজ চক্রবর্তী

    এবিএনএ: লিওনেল মেসির সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর কুরুচিকর মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়েন টালিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী, নির্মাতা ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী টিটাগড় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    রাজ চক্রবর্তী জানান, একজন নারীকে প্রকাশ্যে যেভাবে অপমান করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, এই ঘটনায় পরিকল্পিত উসকানির ইঙ্গিত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চান না বলেও জানান তিনি।

    ঘটনার সূত্রপাত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত আলোচিত ফুটবল অনুষ্ঠানের পর। বিপুল প্রত্যাশা ও অর্থ ব্যয় করেও মাঠে উপস্থিত দর্শকদের বড় অংশ লিওনেল মেসিকে কাছ থেকে দেখতে না পারায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাজনিত জটিলতার মধ্যেই মাঠ ছাড়েন আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকারা। এ ঘটনার পর আয়োজক গ্রেপ্তার হলেও সামাজিক ক্ষোভের বড় অংশ গিয়ে পড়ে শুভশ্রীর দিকে।

    শুভশ্রীর দাবি, তিনি সেখানে গিয়েছিলেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পের প্রতিনিধি হিসেবে। কিন্তু মেসির সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে লক্ষ্য করে বিদ্রুপ, ব্যঙ্গচিত্র ও কদর্য মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

    এই প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বক্তব্যে রাজ চক্রবর্তী বলেন, আয়োজনে চরম অব্যবস্থাপনা থাকলেও দায় চাপানো হচ্ছে একজন অভিনেত্রীর ওপর। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অভিনেত্রী বলেই কি কেউ ফুটবলের ভক্ত হতে পারেন না?

    রাজ আরও বলেন, শুভশ্রী শুধু একজন অভিনেত্রী নন— তিনি একজন মানুষ, মা, স্ত্রী ও নাগরিক। ব্যক্তিগত আক্রমণ ও প্রতিবাদের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি। তাঁর মতে, এ ধরনের ট্রোলিং কেবল বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের জন্যও সমাজে ভয়ংকর বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

    তিনি গণমাধ্যম ও সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

  • খুলনার মাটির গল্প পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপে, রটারড্যাম উৎসবে নির্বাচিত সিনেমা ‘দেলুপি’

    খুলনার মাটির গল্প পাড়ি দিচ্ছে ইউরোপে, রটারড্যাম উৎসবে নির্বাচিত সিনেমা ‘দেলুপি’

    এবিএনএ: খুলনার জনপদের মাটি, নদী আর মানুষের জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ এবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে। সিনেমাটি নির্বাচিত হয়েছে বিশ্বের মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যাম ২০২৬-এ।

    নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম শহরে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে উৎসবের ৫৫তম আসর। স্বাধীন ধারার ও নতুন নির্মাতাদের সিনেমার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এই উৎসবে জায়গা করে নেওয়াকে বড় অর্জন হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

    পরিচালক মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ উৎসবের ‘ব্রাইট ফিউচার’ বিভাগে ইন্টারন্যাশনাল প্রিমিয়ার পেতে যাচ্ছে। এই বিভাগে সাধারণত নতুন নির্মাতাদের প্রথম কিংবা দ্বিতীয় সিনেমা প্রদর্শিত হয়, যা ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় পরিচালকদের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দরজা খুলে দেয়।

    রটারড্যামে সিনেমাটির নির্বাচনের খবরে আবেগাপ্লুত নির্মাতা ও কলাকুশলীরা। পরিচালক মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম জানান, প্রথমবার উৎসব কর্তৃপক্ষের ইমেইল পেয়ে তারা কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। কারণ, সিনেমা নির্মাণের সময় তারা স্থানীয় মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—সবার আগে দেশের দর্শকরাই ছবিটি দেখবেন।

    তিনি আরও বলেন, দেশের দর্শকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আয়োজকদের জানানো হলে তারা তাতে সম্মতি দেন। ফলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে ‘দেলুপি’ পৌঁছালেও, বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য প্রদর্শনের পথও উন্মুক্ত থাকছে।

    উল্লেখ্য, খুলনার প্রান্তিক এলাকার মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ গল্প নিয়ে নির্মিত ‘দেলুপি’ ইতোমধ্যেই চলচ্চিত্রবোদ্ধাদের নজর কেড়েছে।

  • বছরের সেরা নারী চরিত্র: মোনিকা থেকে রাশমিকা: আউটলুক ইন্ডিয়ার চমকপ্রদ তালিকা

    বছরের সেরা নারী চরিত্র: মোনিকা থেকে রাশমিকা: আউটলুক ইন্ডিয়ার চমকপ্রদ তালিকা

    এবিএনএ: ভারতীয় চলচ্চিত্রে নারীকেন্দ্রিক গল্পের জনপ্রিয়তা গত কয়েক বছরে দ্রুত বেড়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালে নারীর শক্তি, সংগ্রাম, আবেগ ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের মন জয় করেছে। এই ধারাবাহিক সাফল্যের মধ্যেই ভারতীয় গণমাধ্যম আউটলুক ইন্ডিয়া বছরের সেরা নারী চরিত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে পাঁচজন নারী অভিনয়শিল্পীকে, যাদের অভিনয় দক্ষতা ও চরিত্রের গভীরতা আলাদা করে চোখে পড়েছে।

    ১. মোনিকা পানওয়ার — ‘খাউফ’, ‘নিশাঞ্চি ১’ ও ‘নিশাঞ্চি ২’

    ২০২৫ সাল যেন মোনিকা পানওয়ারের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিল। ‘খাউফ’-এ মধু চরিত্রে তিনি দেখিয়েছেন নারীবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই, অদ্ভুত ভৌতিক পরিস্থিতি ও নারী ঐক্যের শক্তি—সবই স্বাভাবিক অভিনয়ের মাধ্যমে। অন্যদিকে ‘নিশাঞ্চি’ সিরিজে মঞ্জরীর রূপে হাজির হয়ে তিনি উপস্থাপন করেছেন শোক, দায়িত্ববোধ ও নেতৃত্বগুণের এক অনন্য চরিত্র। এক বছরে এমন বৈচিত্র্যময় অভিনয় খুব কম অভিনেত্রীই ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

    ২. কাল্যাণী প্রিয়দর্শিনী — ‘লোকাহ: চ্যাপ্টার ১’

    এই সিনেমার মাধ্যমে কাল্যাণী নিজের অভিনয় পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করেছেন। পৌরাণিক সুপারহিরো এবং নির্মম ভ্যাম্পায়ারের দ্বৈত চরিত্রে তিনি প্রবেশ করেছেন সহিংসতা, নৈতিকতা ও মানবিক দ্বন্দ্বে ভরা এক জগতে। তাঁর শক্তিশালী স্ক্রিন প্রেজেন্স চরিত্রটিকে সাধারণ ‘অ্যাকশন হিরোইন’-এর বাইরেও এক পরিণত অভিনেত্রীর উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

    ৩. তৃপ্তি দিমরি — ‘ধড়ক ২’

    আন্তঃবর্ণ প্রেমের বাস্তবধর্মী গল্পে তৃপ্তি দিমরি বিদ্ধি চরিত্রে তুলে ধরেছেন নারীর সংগ্রাম, আত্মমর্যাদা ও আবেগের অনবদ্য প্রকাশ। আগের সংস্করণের তুলনায় ‘ধড়ক ২’ এসেছে আরও সংবেদনশীল ও বাস্তব ছোঁয়া নিয়ে, আর তৃপ্তির অভিনয় সেই আবেগকে দ্বিগুণ করেছে।

    ৪. রাশমিকা মন্দানা — ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’

    রাশমিকা অভিনীত ভূমা দেবীর চরিত্রটি শুরু হয় এক সরল, অনুভূতিপ্রবণ তরুণী হিসেবে, কিন্তু ধীরে ধীরে আত্মপরিচয়ের গভীর সংকট থেকে উঠে আসে এক দৃঢ় মানসিকতার নারী। পুরুষ-নির্ভর গল্প প্রবণতার বিপরীতে এই চলচ্চিত্র নারীর আবেগ, সম্মান ও পুনর্গঠনের যাত্রাকে তুলে ধরে, যা রাশমিকার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    ৫. অঞ্জলি শিবরামন — ‘ব্যাড গার্ল’

    ‘ব্যাড গার্ল’-এ রামিয়া চরিত্রে অঞ্জলি শিবরামন দেখিয়েছেন এক বিদ্রোহী, কল্পনাপ্রবণ এবং আবেগপ্রবণ তরুণীর বেড়ে ওঠার গল্প। স্বাধীনতা, প্রেম, আঘাত ও আত্ম-অন্বেষণের মিশেলে তিনি তৈরি করেছেন দারুণ মানবিক ও বর্ণিল একটি চরিত্র, যেখানে তাঁর অভিনয় যেমন মন ভরায়, তেমনি ছবির সঙ্গীতে তাঁর অবদানও প্রশংসিত হয়েছে।

    ভারতীয় সিনেমার নারীশিল্পীদের এমন শক্তিশালী উপস্থিতি আগামী দিনের চলচ্চিত্রকে আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় করবে—এমনটাই মনে করছে সমালোচকরা।

  • অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ দিন হাসপাতালে নচিকেতা: এখন কী অবস্থায় আছেন গায়ক?

    অস্ত্রোপচারের পর পাঁচ দিন হাসপাতালে নচিকেতা: এখন কী অবস্থায় আছেন গায়ক?

    এবিএনএ: বাংলা সংগীতের জনপ্রিয় শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী গত কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হৃদ্‌যন্ত্রে ব্লকেজ ধরা পড়ার পর তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঁচ দিন চিকিৎসা চলার পর এখন তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি আগের তুলনায় অনেকটাই সুস্থ অনুভব করছেন।

    চিকিৎসা দল জানায়, গত শনিবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে নচিকেতাকে দ্রুত বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষার পর দেখা যায় হৃদ্‌যন্ত্রে দুটি ব্লকেজ রয়েছে। রাতেই জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার শরীরে দুটি স্টেন্ট বসানো হয়।

    অস্ত্রোপচারের পর নচিকেতাকে আইসিইউতে পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও বর্তমানে তাকে জেনারেল বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিনি স্বাভাবিকভাবে খাওয়া–দাওয়া করছেন এবং পরিবার ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। সবকিছু অনুকূলে থাকলে শুক্রবারই তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    নচিকেতার শারীরিক অবস্থার আপডেট দিতে গিয়ে তার মেয়ে ধানসিঁড়ি চক্রবর্তী বলেন,
    “বাবা আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল। তার অবস্থা দ্রুত ভালো হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, আশঙ্কা কেটে গেছে।”

    এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে নচিকেতার খোঁজখবর নেন। চিকিৎসা অগ্রগতি ও নচিকেতার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি সরাসরি চিকিৎসকদের থেকে তথ্য নেন।

  • ‘প্রতারক পুরুষ’ নিয়ে ভাবনার খোলামেলা মন্তব্যে নতুন আলোচনার ঝড়

    ‘প্রতারক পুরুষ’ নিয়ে ভাবনার খোলামেলা মন্তব্যে নতুন আলোচনার ঝড়

    এবিএনএ: ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা—দুই জগতে সমান দক্ষতায় নিজের জায়গা করে নেওয়া অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা আবারও আলোচনায়। তবে এবার কোনো নাটক বা সিনেমা নয়, বরং সম্পর্কের প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে তার লেখা ফেসবুক পোস্টই নেটদুনিয়ায় তুমুল আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    বুধবার রাতে সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে ভাবনা লিখেছেন, প্রতারক পুরুষের আচরণ যতই লুকানো থাকুক না কেন, সত্য একসময় প্রকাশ পেতেই হয়। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবুও তার বক্তব্যে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ছাপ অনেকেই খুঁজে পেয়েছেন।

    ভাবনা লিখেছেন, একজন প্রতারক পুরুষ বিশ্বাসঘাতকতা আড়াল করার চেষ্টা করলেও আল্লাহর ন্যায়বিচার শেষমেশ সত্যকে প্রকাশ্যে আনে। তার ভাষায়,
    “নারীকে রক্ষা করার জন্যই আল্লাহ প্রতারণার সত্য সামনে এনে দেন। পুরুষ যতই চালাক হোক, লুকানো কিছু কখনো চিরদিন আড়ালে থাকে না।”

    সম্পর্কে মিথ্যা বলা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা এবং কৃত্রিম স্বাভাবিক আচরণের মতো বিষয়ের প্রসঙ্গ টেনে ভাবনা আরও লেখেন,
    “নারীটির অনুপস্থিতিতে বলা প্রতিটি মিথ্যা, নীরবে ভাঙা প্রতিটি প্রতিশ্রুতি—সবই একসময় তার সামনে ফিরে আসে।”

    তার মতে, কেউ সাময়িকভাবে সত্য আড়াল করলেও শেষমেশ মুখোশ খোলাই পড়ে। তিনি বলেন,
    “আল্লাহ সত্য প্রকাশ করেন কাউকে ধ্বংস করার জন্য নয়; বরং যার প্রতি অবিচার হয়েছে তাকে রক্ষা করার জন্য।”

    পোস্টের শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ভাবনা লিখেন,
    “বিশ্বাসঘাতকতা গোপনে ঘটলেও সত্য প্রকাশই আসলে ঐশ্বরিক সুরক্ষা। তাই আমি আজ গর্বের সঙ্গে বলতে পারি—আলহামদুলিল্লাহ।”

    অভিনয়ে ভাবনা পথচলা শুরু করেন ২০১৫ সালে ‘নট আউট’ নাটকের মাধ্যমে। পরে ধারাবাহিকভাবে নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ২০১৭ সালের ‘ভয়ংকর সুন্দর’ চলচ্চিত্র দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেকের পর তিনি নিয়মিত সিনেমায়ও অভিনয় করে চলেছেন।

  • ‘বিগ বস ১৯’-এ গৌরবের দারুণ জয়: কত টাকা পুরস্কার পেলেন এই জনপ্রিয় তারকা?

    ‘বিগ বস ১৯’-এ গৌরবের দারুণ জয়: কত টাকা পুরস্কার পেলেন এই জনপ্রিয় তারকা?

    এবিএনএ: তিন মাসের দীর্ঘ প্রতিযোগিতা, টানটান উত্তেজনা, নানান দ্বন্দ্ব আর আবেগঘন মুহূর্ত পেরিয়ে শেষ হলো আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৯’। রোববার রাতে সালমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড ফিনালেতে এবারের শিরোপা জিতে নিলেন ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেতা গৌরব খান্না। বহুদিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সালমানই ঘোষণা করেন মৌসুমের সেরা প্রতিযোগীর নাম।

    বিজয় ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে খুশির ঝড় তুলেছেন গৌরব। ইনস্টাগ্রামে স্ত্রী আকাঙ্ক্ষা চামোলা ও বন্ধুদের সঙ্গে তোলা ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “অবশেষে ট্রফিটা ঘরে এলো।” মুহূর্তেই তাঁর পোস্ট ভরে যায় শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায়।

    গৌরবের টিমও তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট করে। সেখানে বলা হয়, এই জয় শুধু গৌরবের নয়—তাঁর পাশে থাকা হাজারো ভক্তের বিশ্বাস, সমর্থন ও ভোটের ফল।

    শীর্ষ পাঁচ ও পুরস্কার ঘোষণা

    ফিনালের সেরা পাঁচ প্রতিযোগীর তালিকায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন ফারহানা ভাট। এরপর অবস্থান করেন কৌতুকশিল্পী প্রণীত মোরে (তৃতীয়), তান্যা মিত্তাল (চতুর্থ) এবং সঙ্গীত পরিচালক আমাল মালিক (পঞ্চম)। শেষ দুই প্রতিযোগী হিসেবে গৌরব ও ফারহানা যখন মঞ্চে দাঁড়ান, তখন স্টুডিওজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা।

    অবশেষে সালমান খানের ঘোষণায় জানা যায়, ‘বিগ বস ১৯’-এর ট্রফি জিতে গৌরব বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬৭ লাখ টাকা।

    গৌরবের ক্যারিয়ারে নতুন মাইলফলক

    এটি গৌরবের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় রিয়েলিটি শো জয়। এর আগে তিনি ‘সেলিব্রিটি মাস্টারশেফ’-এরও বিজয়ী ছিলেন। শান্ত স্বভাব, নিয়ন্ত্রণে থাকা আচরণ ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল—এই তিনেই তিনি দর্শকের মন জয় করেছেন।

    ফিনালে সালমান খান প্রশংসা করে বলেন, “গৌরবের ব্যক্তিত্ব এবং স্থির মনোভাবই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।” তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই গৌরবের সঙ্গে একটি প্রজেক্টেও কাজ করবেন।

    মৌসুমের শুরুতে গৌরবকে অনেকেই সাধারণ প্রতিযোগী ভাবলেও সময়ের সাথে তাঁর পরিপক্ব সিদ্ধান্ত, ধৈর্য ও কৌশলী খেলার ধরন তাঁকে এনে দেয় ‘বিগ বস ১৯’-এর সেরা আসন।