Category: বিনোদন

  • প্রথমবার লন্ডনে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পথে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র

    প্রথমবার লন্ডনে ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পথে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র

    এবিএনএ: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলা ফেস্ট ও ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড (বিএফডিএ) ২০২৬। রোববার দুপুরে এফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে চলচ্চিত্র শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও আন্তর্জাতিক অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, মহাসচিব শাহীন কবির টুটুল, বিশ্বপ্রসিদ্ধ শেফ টমি মিয়া, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম এবং এটিএন বাংলার অনুষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাসিক আহমেদসহ আরও অনেকে।

    আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শেফ টমি মিয়া এমবিই–এর সহযোগিতায় ‘টমি মিয়া’স ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ আগামী বছরের অক্টোবরে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ থেকে জনপ্রিয় বহু তারকা এই উৎসবে অংশ নেবেন।

    সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন বলেন, “এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদান নয়, বরং বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিকভাবে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশের শিল্পী ও বৈশ্বিক দর্শকের মধ্যে নতুন সংযোগও তৈরি হবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ, নিরব হোসেন, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস, শিল্পী মেহরীন, পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, সালাউদ্দিন লাভলু, দেওয়ান নজরুল, গাজী মাহবুব, দেবাশীষ বিশ্বাস, বুলবুল বিশ্বাস, অপূর্ব রানা, সাইমন তারেকসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখ।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ তিন দশক ধরে টমি মিয়া এমবিই আন্তর্জাতিকভাবে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি খাবার প্রচারে অবদান রেখে আসছেন। বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও গৌরব ছড়িয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ তাঁরই অংশীদারিত্বে আরও আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেতে যাচ্ছে।

  • ঢাকায় পৌঁছেও মঞ্চে উঠতে পারল না পাকিস্তানি ব্যান্ড কাভিশ: শেষ মুহূর্তে স্থগিত কনসার্ট

    ঢাকায় পৌঁছেও মঞ্চে উঠতে পারল না পাকিস্তানি ব্যান্ড কাভিশ: শেষ মুহূর্তে স্থগিত কনসার্ট

    এবিএনএ:  ‘ওয়েভ ফেস্ট: ফিল দ্য উইন্টার’ কনসার্টে অংশ নিতে পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড কাভিশ বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌঁছায়। শুক্রবার বিকেলে মাদানী অ্যাভিনিউয়ের কোর্টসাইড এলাকায় আয়োজন করার কথা ছিল এই অনুষ্ঠানটির। তবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও ভেন্যুর চূড়ান্ত অনুমতি না পাওয়ায় কনসার্ট স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ওয়েভ কমিউনিকেশনস।

    আয়োজকরা জানান, ইভেন্টের ভেন্যু বুকিং, শিল্পীদের পারিশ্রমিক পরিশোধ, কাগজপত্র ও অনুমতি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা পার হওয়ার পরও দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠানটি নতুন তারিখে করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাই কনসার্ট বাতিল নয়, কেবল স্থগিত রেখে ভবিষ্যতে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।

    এই ইভেন্টে কাভিশ ছাড়াও বাংলাদেশের শিরোনামহীন, মেঘদল ও আরও কয়েকজন শিল্পী অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কাভিশ পৌঁছানোর পর তাদের বিমানবন্দরের ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে আয়োজকরা জানায় যে ব্যান্ডটি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসে গেছে।

    পরে কনসার্ট স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর কাভিশ ব্যান্ডের পক্ষ থেকেও একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়। ভিডিও বার্তায় দলটি দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, তারা ভক্তদের সামনে পারফর্ম করতে না পেরে আন্তরিকভাবে মর্মাহত।

  • চার বছরের ছোট প্রেমিক ম্যাক্সের সঙ্গে অবশেষে বাগদান সেরেছেন মাইলি সাইরাস: ভক্তদের চমকে দেওয়া নতুন অধ্যায়

    চার বছরের ছোট প্রেমিক ম্যাক্সের সঙ্গে অবশেষে বাগদান সেরেছেন মাইলি সাইরাস: ভক্তদের চমকে দেওয়া নতুন অধ্যায়

    এবিএনএ:  দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সেরেছেন মার্কিন পপ তারকা মাইলি সাইরাস ও তার প্রেমিক ম্যাক্স মোরান্দো। ৩৩ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পীর চেয়ে চার বছরের ছোট ম্যাক্সের সঙ্গে বহুদিনের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনে রেখে দিতে সক্ষম হন।

    মাইলি প্রথমে বাগদানের বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে না চাইলেও অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন পিপল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুখবরটি নিশ্চিত করেন। সম্প্রতি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ চলচ্চিত্রের প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হলে তিনি বাগদানের কথা স্বীকার করেন।

    গোপনে বাগদান করতে পারা নিয়ে মাইলির ভাষায়—
    “আমাদের কোন বিষয়গুলো শেয়ার করব আর কোনগুলো নিজেদের কাছে রাখব, সেই সিদ্ধান্ত সবসময় আমাদেরই হওয়া উচিত। সবচেয়ে সুখের ব্যাপার হলো, আমরা তা করতে পেরেছি।”

    মাইলি জানান, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি আরও সতর্ক হয়েছেন। ‘অ্যাভাটার’ সিনেমার ভালোবাসা, বন্ধন ও দৃঢ়তার থিম এখন তার জীবনের সঙ্গে অন্যরকম মিল খুঁজে পেয়েছে।

    গত ১ ডিসেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-এর বিশ্বপ্রিমিয়ারে যখন মাইলি ও ম্যাক্স একসঙ্গে রেড কার্পেটে হাজির হন, তখনই মাইলির হাতের ঝলমলে আংটি নজর কাড়ে। যদিও ২৩ নভেম্বর নিজের জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ করা ছবিতেও আংটিটি দেখা গিয়েছিল, তবে তখন তা বাগদানের আংটি কি না পরিষ্কার ছিল না।

    মাইলি ও ম্যাক্সের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রথম শোনা যায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর। মায়ামিতে এনবিসির একটি হলিডে শোর ব্যাকস্টেজে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনায় আসে সম্পর্কের বিষয়টি। পরে ২০২২ সালের এপ্রিলে ওয়েস্ট হলিউডে তাদের চুম্বনের ছবি প্রকাশ্যে আসার মধ্য দিয়ে সম্পর্কটি প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

    এবার সেই সম্পর্ক নতুন মোড় নিয়ে আনুষ্ঠানিক বাগদানে রূপ নিল—আর এতে ভক্তদের উচ্ছ্বাসও তুঙ্গে।

  • দশ বছর পর আবার পর্দায় রণবীর-দীপিকা, অয়নের নতুন ছবিতে জমজমাট প্রত্যাবর্তন

    দশ বছর পর আবার পর্দায় রণবীর-দীপিকা, অয়নের নতুন ছবিতে জমজমাট প্রত্যাবর্তন

    এবিএনএ: দশ বছর পর আবারও পর্দায় ফিরছে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি রণবীর কাপুর ও দীপিকা পাড়ুকোন। বাস্তব জীবনে সম্পর্কের উত্থান-পতন পেরিয়ে এখন তারা নিজ নিজ জীবনে স্বচ্ছন্দ হলেও পর্দায় তাদের রোমান্টিক রসায়ন আজও দর্শকের মনে অমলিন। ‘বাচনা অ্যায়ে হাসিনো’, ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ও ‘তামাশা’–র পর তাদের নতুন ফিরতি ছবি নিয়ে বলিউডজুড়ে আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস তুঙ্গে।

    ২০১৫ সালের ‘তামাশা’ ছিল রণবীর-দীপিকার সর্বশেষ যৌথ অভিনীত ছবি। এরপর বহু গুঞ্জন, জল্পনা ও প্রত্যাশার পর আবারও তারা একসঙ্গে দেখা যেতে চলেছেন অয়ন মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবিতে। অয়ন, যিনি ইতিপূর্বে এই জুটিকে নিয়ে সুপারহিট ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ নির্মাণ করেছিলেন, এবার তাঁর নতুন চিত্রনাট্য সাজাচ্ছেন রাজ কাপুরের ১৯৫৬ সালের কালজয়ী ছবি ‘চোরি চোরি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।

    মূল গল্পের ধাঁচ ধরে রেখে নির্মাতা এতে যুক্ত করেছেন আধুনিক প্রযুক্তি, সামাজিক বাস্তবতা, তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা ও মানসিক টানাপোড়েন। প্রেম থাকবে, থাকবে দ্বন্দ্ব, তবে এবার আরও গভীর বিদ্রোহ, অনুভূতি ও নাটকীয়তা দিয়ে সাজানো হবে কাহিনি। সিনেমার নতুন সংস্করণে হৃদয়ের গল্প যেমন থাকবে, তেমনি যোগ হবে ডিজিটাল যুগের মানসিক সম্পর্কের জটিলতা।

    শোনা যাচ্ছে, এই ছবির মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন রণবীর কাপুর। তাঁর প্রযোজনা সংস্থা আরকে ফিল্মস থেকে ছবিটি নির্মিত হতে পারে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে গণমাধ্যম বলছে প্রি-প্রোডাকশন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

    ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের শুরুতেই শুরু হবে শুটিং, আর ছবির লোকেশন হিসেবে ভারত ছাড়াও ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ বিবেচনায় রয়েছে। বড় বাজেট, ক্ল্যাসিক গল্পের আধুনিক উপস্থাপন আর বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অনস্ক্রিন জুটির রসায়ন—সব মিলিয়ে সিনেমাটি মুক্তির আগেই হয়ে উঠেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

    বলিউডপ্রেমীদের মতে, রণবীর-দীপিকার এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি আবেগঘন মুহূর্ত ও নতুন সম্ভাবনার দরজা।

  • বাংলা সংগীতজগতকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন ‘একটা চাদর হবে’ খ্যাত শিল্পী জেনস সুমন

    বাংলা সংগীতজগতকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন ‘একটা চাদর হবে’ খ্যাত শিল্পী জেনস সুমন

    এবিএনএ: বাংলা ব্যান্ডসংগীতের আলোচিত নাম জেনস সুমন আর নেই। ‘একটা চাদর হবে’ গানটির মাধ্যমে সারা দেশে জনপ্রিয় হওয়া এই সংগীতশিল্পীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতাঙ্গনে। কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুমন।

    পারিবারিক সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ তীব্র বুকে ব্যথা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাঁকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলেও চিকিৎসকেরা আর তাঁকে ফিরিয়ে আনতে পারেননি। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    জেনস সুমনের প্রকৃত নাম ছিল গালিব আহসান মেহেদি। সুমন নামেই তিনি বেশি পরিচিতি পান সংগীতজগতে। নব্বই দশকের শেষ দিকে তাঁর সংগীতজীবন শুরু হলেও আলোচনায় আসেন বিটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান থেকে প্রচারিত ‘একটা চাদর হবে’ গানটির জন্য। গানটি প্রচারের পর রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি এবং নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেন সংগীতজগতে।

    শিল্পীজীবনে সুমন উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান ও অ্যালবাম। ১৯৯৭ সালে তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয়। এরপর ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘চেরী’সহ একের পর এক সফল অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মন চলো রূপের নগরে’ ছিল তাঁর শেষ অ্যালবাম, এরপর দীর্ঘ বিরতিতে চলে যান।

    ১৬ বছরের বিরতি শেষে গত বছর ‘আসমান জমিন’ গানটির মাধ্যমে আবারও শ্রোতাদের সামনে ফিরে আসেন তিনি। সম্প্রতি নিয়মিত নতুন গান প্রকাশ করছিলেন এবং সংগীতজগতে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভক্ত ও শিল্পীসমাজে নেমে এসেছে গভীর শোক।

    বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে, আর তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘একটা চাদর হবে’ গানটি বেঁচে থাকবে বাংলা সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে।

  • একসঙ্গে ফিরছেন অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদ? জোড়া সিনেমায় জমজমাট চমক!

    একসঙ্গে ফিরছেন অপু বিশ্বাস ও আদর আজাদ? জোড়া সিনেমায় জমজমাট চমক!

    এবিএনএ: সাময়িক বিরতির পর আবারো আলোচনায় ফিরেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। নতুন রূপে, নতুন লুকে, আরও বেশি আত্মবিশ্বাসীভাবে হাজির হয়েছেন তিনি। ওজন কমিয়ে নিজেকে একেবারে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন এই চিত্রতারকা। ইতোমধ্যেই তাঁর পরিবর্তিত লুক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

    এদিকে সময়ের ব্যস্ততম নায়ক আদর আজাদও সম্প্রতি শেষ করেছেন ‘পিনিক’ ও ‘ট্রাইবুন্যাল’ সিনেমার কাজ। এখন তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার শুটিং শুরু করার।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। ছবিতে একসঙ্গে ধরা দিয়েছেন অপু বিশ্বাস, আদর আজাদ ও নির্মাতা বন্ধন বিশ্বাস। এরপর থেকেই চলচ্চিত্রপাড়ায় শোনা যাচ্ছে, অপু ও আদর নাকি একসঙ্গে জোড়া সিনেমায় কাজ করছেন। অন্তত দু’টি সিনেমায় তাদের জুটি নিশ্চিত বলেই দাবি অনেকের। যদিও এ বিষয়ে দুজনেই এখনো মুখ খুলছেন না।

    গুঞ্জনের সূত্র শুরু হয় কোরিওগ্রাফার মাহফুজ কাদরীর ফেসবুক পোস্ট থেকে। যদিও তিনি জানান, ছবিটি শুধুই একটি ইভেন্টের মুহূর্ত; তবু ভক্ত ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের ধারণা—একাধিক প্রজেক্টে একসঙ্গে কাজ করছেন অপু ও আদর।

    জানা গেছে, একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন পরিচালক বন্ধন বিশ্বাস। অন্যটি পরিচালনা করবেন ঢালিউডেরই আরেক খ্যাতিমান নির্মাতা। একটি সিনেমার কাজ শুরু হতে পারে আগামী মাসেই, আর অন্যটির শুটিং নতুন বছরের শুরুতে।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমি কাজে ফিরতে পুরোপুরি প্রস্তুত। নতুন ছবির প্রস্তুতি নিচ্ছি, তবে কার সঙ্গে ফিরছি সেটা এখনই বলতে চাই না। খুব শিগগিরই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে সবকিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।”

    একইভাবে আদর আজাদ বলেন, “কয়েকটি নতুন সিনেমার বিষয়ে আলাপ চূড়ান্ত করেছি। তবে বিস্তারিত জানাবেন পরিচালক আর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। অপেক্ষা করতে হবে কিছু দিন।”

    উল্লেখ্য, ‘লাল শাড়ি’ ছিল অপু বিশ্বাসের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা। অন্যদিকে আদর আজাদের সর্বশেষ সিনেমা ‘টগর’ দর্শকপ্রিয়তা পায়।

    চলচ্চিত্রপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায়—জোড়া সিনেমায় অপু ও আদরের জুটি কি সত্যিই আসছে? নাকি এটি কেবল গুঞ্জন? সময়ই বলবে সবকিছু।

  • শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ সিনেমায় কলকাতার নায়িকা জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু? আলোচনা সরগরম বিনোদন অঙ্গনে

    শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ সিনেমায় কলকাতার নায়িকা জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু? আলোচনা সরগরম বিনোদন অঙ্গনে

    এবিএনএ: ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের বহুল আলোচিত নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’ নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা। প্রথমে কলকাতার ইধিকা পালকে নায়িকা হিসেবে শোনা গেলেও পরে তা বাতিল হয়। এরপর গত ১৬ নভেম্বর ঘোষিত হয় প্রথম নায়িকা হিসেবে বাংলাদেশি অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের নাম। অবশেষে দ্বিতীয় নায়িকা নিয়ে ফের আলোচনায় উঠে আসে কলকাতার তরুণ অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর নাম।

    আনন্দবাজার পত্রিকার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ ও প্রযোজকদের সঙ্গে জ্যোতির্ময়ীর আলোচনাও নাকি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। তবে অভিনেত্রী নিজেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

    ‘বঁধুয়া’ ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয়জগতে অভিষেক হওয়া জ্যোতির্ময়ী এরই মধ্যে দেবের বিপরীতে ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমায় কাজ করেছেন, যা মুক্তির অপেক্ষায়। এবার শাকিব খানের বিপরীতে তার অভিনয়ের সম্ভাবনা বিনোদন অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।

    সিনেমা-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ‘প্রিন্স’ সিনেমার গল্পে এক নয়, বরং তিনজন নায়িকার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রয়েছে। তবে কাউকেই প্রধান নায়িকা বলা যাচ্ছে না, কারণ গল্পের প্রতিটি চরিত্রই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানান, আরও দুজন নায়িকা নিয়ে আলোচনা চলছে এবং নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই তাদের নাম ঘোষণা করা হবে।

    সিনেমার গল্প লিখেছেন মেজবাহ উদ্দিন সুমন। চিত্রনাট্য করেছেন তিনি ও মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। এই সিনেমার কাহিনি নির্মিত হয়েছে নব্বইয়ের দশকের ঢাকার অপরাধজগতকে ঘিরে, যেখানে দেখানো হবে সেই সময়ের অন্ধকার বাস্তবতা ও এক নায়কের নানা বয়সের জীবন। এজন্য শাকিব খানকে প্রস্থেটিক মেকআপ ব্যবহার করতে হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা দল।

    ‘প্রিন্স’ সিনেমার ক্যামেরা, নৃত্য, অ্যাকশন ও রূপসজ্জার দায়িত্বে থাকছেন বলিউডের কয়েকজন অভিজ্ঞ শিল্পী। চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক অমিত রায়। একই সিনেমার মেকআপ আর্টিস্ট শাকিব খানের রূপসজ্জা সামলাবেন।

    ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শুটিং শুরু হবে ‘প্রিন্স’ সিনেমার। সব ঠিক থাকলে আগামী রোজার ঈদে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এ ছাড়া শাকিব খানের আরেকটি নতুন সিনেমা ‘সোলজার’-এর শুটিং চলছে, যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন তানজিন তিশা ও জান্নাতুল ঐশী।

  • মারধর, নির্যাতন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি

    মারধর, নির্যাতন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি

    এবিএনএ:  ১৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে আদালতের দ্বারস্থ হলেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী পিটার হাগের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অর্থ আত্মসাৎ এবং সন্তানদের কাছ থেকে দূরে রাখার অভিযোগ এনে তিনি আদালতে মামলা করেছেন। একই সঙ্গে দাবি করেছেন ৫০ কোটি টাকা খোরপোষ এবং ঘোষণা দিয়েছেন বিবাহবিচ্ছেদ।

    অভিনেত্রী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর হাতে তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি আদালতে বেশ কিছু নথি ও তথ্য জমা দিয়েছেন। সেলিনার দাবি, স্বামী শুধু তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা কেড়ে নেননি, বরং তার ব্যক্তিগত অর্থও আত্মসাৎ করেছেন।

    তিনি আরও জানান, পিটার হাগ নাকি তাকে প্রায়ই অপমান করতেন, কখনো গৃহপরিচারিকার সঙ্গে তুলনা করতেন, কখনো Again গালিগালাজ করতেন। এমনকি কথায় কথায় মাথা গরম করা এবং মদ্যপ অবস্থায় সহিংস আচরণ করাও নিয়মিত ঘটত। অভিনেত্রী বলেন, “সে শুধু স্বার্থপর নয়, অমানবিকও। আমার সম্মান, স্বাধীনতা ও আত্মসম্মান সবকিছুই পদদলিত করেছে।”

    এর পাশাপাশি সন্তানদের থেকেও জোরপূর্বক দূরে রাখা হয়েছিল তাকে—এমন অভিযোগও তুলেছেন সেলিনা। তার মতে, এসব আচরণ তাকে অসহায় করে তুললেও শেষ পর্যন্ত আইনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    আগামী ১২ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত।

    উল্লেখ্য, ‘নো এন্ট্রি’, ‘অপনা সপনা মনি মনি’, ‘থ্যাঙ্ক ইউ’-এর মতো জনপ্রিয় বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান সেলিনা জেটলি। পাশাপাশি তেলেগু ও কন্নড় ভাষার ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি।

  • বলিউডের কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্র আর নেই: শেষবিদায়ে তারকাদের ঢল মুম্বাইতে

    বলিউডের কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্র আর নেই: শেষবিদায়ে তারকাদের ঢল মুম্বাইতে

    এবিএনএ: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং কিংবদন্তি তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার সকালে মুম্বাইয়ের জুহুতে নিজ বাসভবনে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর, আর মাত্র কয়েকদিন পরই তিনি পা দিতেন জীবনের ৯০তম বছরে। যদিও পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এখনো দেওয়া হয়নি, তবে দ্য হিন্দু, এনডিটিভি ও ফিল্মফেয়ারসহ ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলো তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

    মুম্বাইয়ের পবন হংসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তাঁর শেষকৃত্য। যেখানে উপস্থিত হয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, সালমান খান, অক্ষয় কুমার, আমির খান, অনিল কাপুর, সঞ্জয় দত্তসহ অনেক তারকা। ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী, দুই মেয়ে এষা দেওল ও আহনা দেওল এবং প্রথম সংসারের সানি ও ববি দেওলও ছিলেন সেখানে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, করণ জোহর, কারিনা কাপুর থেকে শুরু করে অসংখ্য তারকা সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন।

    গত কয়েকদিন ধরেই ধর্মেন্দ্রর অসুস্থতা নিয়ে নানা গুজব ছড়ায়। কিছু গণমাধ্যম ভুল সংবাদও প্রকাশ করে। পরে এষা দেওল সবাইকে জানান, তাঁর বাবার অবস্থা স্থিতিশীল। হেমা মালিনীও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন এমন ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো আশঙ্কা। রাতে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়; চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেও তাঁকে আর বাঁচাতে পারেননি।

    ১৯৩৫ সালে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় জন্ম নেওয়া ধর্মেন্দ্রর প্রকৃত নাম ছিল ধর্মসিং দেওল। দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান হয়েও ছোটবেলা থেকেই তাঁর সিনেমার প্রতি অদম্য আগ্রহ ছিল। ১৯৬০ সালে ফিল্মফেয়ার ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতায় জিতে তিনি মুম্বাইয়ে আসেন। ‘ফুল অউর পাথর’ ছবিটি তাঁকে প্রথম সুপারস্টার হিসেবে পরিচিতি দেয়।

    পরবর্তী দুই দশকে ‘শোলে’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘ধর্মবীর’, ‘দোস্ত’সহ অসংখ্য সুপারহিট ছবিতে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’ হিসেবে। সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনীর সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অধ্যায়।

    দুই স্ত্রী ও চার সন্তানের জনক ধর্মেন্দ্র ছিলেন বহু প্রজন্মের দর্শকের প্রিয় অভিনেতা। ছয় দশকেরও বেশি দীর্ঘ অভিনয়জীবন শেষে বলিউডের এই কিংবদন্তি অভিনেতা রেখে গেলেন অমর স্মৃতি ও অসংখ্য হৃদয়ছোঁয়া সিনেমা।

  • মোদি মায়ের জীবনীতে রাবিনা ট্যান্ডন: এক মায়ের নিঃশব্দ সংগ্রামের বলিউড উপাখ্যান

    মোদি মায়ের জীবনীতে রাবিনা ট্যান্ডন: এক মায়ের নিঃশব্দ সংগ্রামের বলিউড উপাখ্যান

    এবিএনএ: বলিউডে শুরু হচ্ছে এক নতুন বায়োপিকের যাত্রা—ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন মোদিকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে ‘মা বন্দে’ নামের সিনেমা। দীর্ঘ কৌতূহল ও জল্পনার শেষে নিশ্চিত হয়েছে, হীরাবেনের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী রাবিনা ট্যান্ডন। এই খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সিনেপ্রেমী থেকে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

    ছবিটি পরিচালনা করছেন দক্ষিণ ভারতের নির্মাতা ক্রান্তি কুমার চৌধুরী। তাঁর প্রথম হিন্দি ভাষার বায়োপিক হলেও গল্পের গভীরতাই এটিকে তুলে ধরেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শুধু রাজনৈতিক জীবনের গল্প নয়, এতে তুলে ধরা হবে মায়ের নিঃশব্দ ত্যাগ, সন্তানকে মূল্যবোধ শেখানোর সংগ্রাম, এবং একজন সাধারণ গৃহিণীর অসাধারণ চরিত্র গঠনের গল্প।

    মোদি চরিত্রে দেখা যাবে মালয়ালম তারকা উন্নি মুকুন্দনকে। শৈশবের চাওয়ালা থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ—সবকিছুর আড়ালে যে মায়ের অদৃশ্য শক্তি কাজ করেছে, সেটিই সিনেমার মূল সুর।

    রাবিনা ট্যান্ডন জানান, হীরাবেন মোদির চরিত্র তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তিনি বলেন, “তিনি ছিলেন নিঃশব্দ শক্তি। সাধারণ পরিবারে থেকেও সন্তানকে যে সংযম, সততা ও আত্মনিবেদন শিখিয়েছেন—তা সত্যিই অনুকরণীয়।”

    হীরাবেন মোদির সঙ্গে সরাসরি দেখা না হওয়ায় রাবিনা তাঁর চরিত্র ফুটিয়ে তুলছেন পুরোনো ভিডিও, পরিবারের স্মৃতিচারণা ও আর্কাইভ ফুটেজ দেখে। গুজরাটি উচ্চারণ, অভ্যাস ও জীবনযাপন বুঝতে তিনি নিচ্ছেন বিশেষ প্রশিক্ষণ।

    হীরাবেন ছিলেন অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক, সংসারকেন্দ্রিক ও সংযমী একজন নারী। মোদি বহুবার বলেছেন, তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর মা—যিনি তাঁকে শিখিয়েছেন সততা, আত্মনিবেদন ও দায়িত্ববোধের মূল্য।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চরিত্র রাবিনার ক্যারিয়ারে এনে দিতে পারে এক নতুন উচ্চতা। শুধু অভিনয় নয়, এতে প্রকাশ পাবে আবেগ, দৃঢ়তা ও মাতৃত্বের গভীর মানবিকতা।

    বলিউডের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনেও ‘মা বন্দে’ নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। নির্মাতারা আশা করছেন, সিনেমাটি শুধু রাজনৈতিক জীবনী নয়, হয়ে উঠবে এক অনুপ্রেরণার গল্প—এক মায়ের, যিনি নিঃশব্দে গড়ে তুলেছিলেন একজন বিশ্বনেতাকে।