Tag: রাজনীতি

  • সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আট খণ্ডের প্রতিবেদন জনগণের জ্ঞাতার্থে উন্মুক্ত করে সহজবোধ্য বই আকারে প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার হাতে প্রতিবেদনটি তুলে দেন। প্রতিবেদনে কমিশনের সুপারিশ, বৈঠক, আলোচনার কার্যবিবরণী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামতের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    প্রতিবেদন গ্রহণের সময় প্রফেসর ইউনূস বলেন,

    “এই প্রতিবেদনটি যেন শুধু কর্মকর্তাদের টেবিলে না থাকে, সাধারণ মানুষেরও বুঝতে পারে—সেজন্য সহজ ভাষায় বই আকারে প্রকাশ করতে হবে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও যেন এটি পড়ে দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারে।”

    তিনি আরও নির্দেশ দেন, প্রতিবেদনটি বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় প্রকাশ করতে হবে, যাতে এটি দেশে-বিদেশে গবেষণার জন্যও প্রামাণ্য দলিল হয়ে ওঠে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন,

    “এই বইটি ভবিষ্যতে তরুণদের অবশ্যপাঠ্য হতে হবে। তারা যেন জানতে পারে, এই দেশের গণতন্ত্র ও সংস্কার আন্দোলনের ভিত্তি কীভাবে গড়ে উঠেছে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

    প্রফেসর আলী রীয়াজ জানান,

    “এই আট খণ্ডের প্রতিবেদনে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫, কমিশনের কার্যক্রম, প্রাপ্ত প্রস্তাবনা ও সংলাপসহ সকল প্রক্রিয়া লিপিবদ্ধ আছে। এটি ভবিষ্যতের গবেষণার জন্য একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”

    এর আগে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) কমিশন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়।

  • বাগেরহাটে নাবালিকা ধর্ষণচেষ্টা: রাকিবসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা, আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার

    বাগেরহাটে নাবালিকা ধর্ষণচেষ্টা: রাকিবসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা, আতঙ্কে ভুক্তভোগী পরিবার

    এবিএনএ: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা থানায় মামলা দিতে না পেরে বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৩ অক্টোবর (শনিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বাহিরদিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

    অভিযোগে বলা হয়, বাগেরহাট সদর উপজেলার বাদেকাড়াপাড়া এলাকার রাকিব নামের এক যুবক ওই কিশোরীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নেয়। পরে কৌশলে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়, যেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল তার সহযোগী রাহুল ও আলমগীরসহ আরও কয়েকজন

    তারা মেয়েটিকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। তবে অভিযুক্তদের একজনকে হাতে নাতে ধরা হলেও পরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা তাকে ছাড়িয়ে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্য আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    জানা গেছে, প্রধান আসামি রাকিব বাগেরহাট সদরের বাদেকাড়াপাড়া গ্রামের মৃত জাকারিয়া আলমের ছেলে এবং কাড়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

    মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)–এর ৭, ১০/৩০ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

    এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, একটি প্রভাবশালী মহল আসামিদের রক্ষায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে।

    এ বিষয়ে ফকিরহাট থানার এক কর্মকর্তা বলেন,

    “আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। প্রমাণ পেলে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

    এদিকে স্থানীয়দের দাবি—ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

  • বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পদ সৃষ্টির ঘোষণা দিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ

    বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষকের পদ সৃষ্টির ঘোষণা দিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ

    এবিএনএ:  বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ

    শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে তিনি বলেন, “জনগণ যদি আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে ধর্ম ও নৈতিকতা শিক্ষার জন্য আলাদা পদ সৃষ্টি করব এবং সেখানে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করব।”

    তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান—তাদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংখ্যা নির্ধারণের সময় শিক্ষার্থীর অনুপাতের ভারসাম্য বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার শিক্ষক নিয়োগ করতে হলে তা আলোচনার মাধ্যমে করতে হবে। কাউকে বঞ্চিত করা নয়, বরং সমতা নিশ্চিত করাই হবে মূল লক্ষ্য।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি নষ্টের চেষ্টা হয়েছে। তার মতে, “জাতির নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার জন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তবেই একটি শক্তিশালী নৈতিক ভিত্তির ওপর জাতি গড়ে উঠবে।”

    সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব সাজিদুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এবং অন্যান্য ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অন্যদিকে, একই দিনে নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সমাবেশে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “একটি দল শেখ হাসিনার মতোই মিথ্যাচার ও ভণ্ডামির রাজনীতি করছে। জনগণ এসব প্রহসন বুঝে ফেলেছে।”

    রিজভী আরও দাবি করেন, বর্তমান সরকার দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে এবং এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশের সহযোগিতায় ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

  • পিআর পদ্ধতি নিয়ে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ সংসদের—গণতন্ত্র রক্ষায় আহ্বান ফখরুলের

    পিআর পদ্ধতি নিয়ে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ সংসদের—গণতন্ত্র রক্ষায় আহ্বান ফখরুলের

    এবিএনএ: সংখ্যানুপাতিক বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিষয়টি আগামী সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    রবিবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে খ্রিস্টান ফোরামের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আবারও প্রমাণ করবে যে এই দেশ সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক চেতনার। আমরা চাই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যদিও কিছু মহল এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হঠাৎ পিআর পদ্ধতির দাবি তুলে আন্দোলনের চেষ্টা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। নির্বাচনী ব্যবস্থার রূপ কেমন হবে—তা নির্ধারণ করা উচিত আগামী সংসদের মাধ্যমে। সেই সংসদই সিদ্ধান্ত নেবে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের ধরন।”

    সংসদ কাঠামো নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা উচ্চকক্ষের প্রস্তাব দিয়েছি, যা একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে। তবে নিম্নকক্ষের বাস্তবতা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।”

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে হলে সব পক্ষের উচিত জনগণের মতামতকে সম্মান জানানো এবং সংলাপের মাধ্যমে পথ বের করা।”

  • জুলাই সনদে অচলাবস্থা: জাতীয় নির্বাচনে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক উত্তাপ

    জুলাই সনদে অচলাবস্থা: জাতীয় নির্বাচনে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক উত্তাপ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও গণভোটের সময় নির্ধারণে এক বছরের আলোচনার পরও রাজনৈতিক দলগুলো কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকও শেষ হয়েছে সমাধান ছাড়াই।

    বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে দীর্ঘ আট ঘণ্টার বৈঠকে দলগুলো মূলত দুই ভাগে বিভক্ত হয়। বিএনপি, কিছু নিবন্ধিত দল ও নতুন নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের পক্ষে থাকলেও, জামায়াতে ইসলামী ও কয়েকটি ছোট দল নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি জানায়। তবে প্রশ্নের ভাষা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়েও মতবিরোধ থেকেই গেছে।

    কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব ও বিশেষজ্ঞদের মতামত মিলিয়ে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারে পাঠানো হবে। ১৫ থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এদিকে, নির্বাচন ঘিরে তৈরি হওয়া এই অনিশ্চয়তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নড়বড়ে করে তুলেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত নির্বাচন সময়মতো অনুষ্ঠিত হওয়া এখন বড় প্রশ্ন। রাজনৈতিক অচলাবস্থা ছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং আন্তর্জাতিক মহলের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সচিব শূন্য, মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলাজনিত সংকট এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি জনআস্থার ঘাটতি—সব মিলিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কর্মকর্তাও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চিত বলে জানা গেছে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের বক্তব্যও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তারা বলেছে, “অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।” রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ কিছু রাজনৈতিক শক্তিকে পুনরায় বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনকে ঘিরে রহস্যময় ভূমিকা নিচ্ছে। তারা বারবার নিজেদের অবস্থান বদল করছে। প্রথমে তারা জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটে রাজি থাকলেও, সর্বশেষ বৈঠকে তারা নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবি জানিয়েছে। দলের প্রতীক ‘শাপলা’ নিয়েও জটিলতা সমাধান হয়নি।

    দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও অবনতির দিকে। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, নারী নির্যাতন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। এ অবস্থায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্র একাধিকবার সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণ পথ খুঁজে নিয়েছে। এবারও তা সম্ভব, যদি দলগুলো সংলাপের টেবিলে ফিরে আসে।” তবে বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু অনিশ্চিতই নয়, বরং দেশের স্থিতিশীলতার জন্য নতুন হুমকি বয়ে আনতে পারে।

  • অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে গতি আনছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যেই অধিকাংশ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে ‘সবুজ সংকেত’।

    সোমবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে জানানো হয়, প্রতিটি আসনে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এখন থেকে তরুণ ও জনসম্পৃক্ত প্রার্থীদেরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    স্থায়ী কমিটির এক নেতা বলেন, “প্রতি আসনে বহু প্রার্থী থাকলেও দল এমন প্রার্থী বেছে নিচ্ছে যারা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমান নিজেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া তদারক করছেন এবং দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে।

    এবারের নির্বাচনে প্রায় চার কোটি তরুণ ভোটারের মনোভাব বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি জেন-জি প্রজন্মের অংশগ্রহণ ও সমর্থন নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তও এসেছে বৈঠকে।

    গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত
    বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজনের প্রস্তাব সমর্থন করেছে বিএনপি স্থায়ী কমিটি। নেতারা মনে করেন, সংবিধানের ধারা অনুযায়ী এখন রেফারেন্ডামের জন্য আলাদা সংশোধন প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সংসদ ‘হ্যাঁ-না’ ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

    অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে আলাদা গণভোট চাইলেও বিএনপি মনে করে, তা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ এতে সময়ক্ষেপণ ও নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকার নির্দেশ
    স্থায়ী কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে। এর প্রতিকারে তারা ফ্যাক্টচেক ও তথ্যভিত্তিক প্রচারণা জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    দলীয় ঐক্যে জোর
    বৈঠকে আগামী নির্বাচনে ঐক্য ধরে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। নেতারা বলেন, একজন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও অন্যরা যাতে ক্ষুব্ধ বা নিষ্ক্রিয় না হন, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, যেসব নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার করা হয়েছিল কিন্তু পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের দলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

  • দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, আর এখন চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপি এবার শরিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে শরিক দলগুলোর কাছ থেকে আসনবণ্টনের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকাও বিএনপির হাইকমান্ডের হাতে তুলে দিয়েছে। সব তালিকা যাচাইয়ের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তবে তার আগেই যোগ্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য পাঁচটি মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন—

    1. এলাকায় ক্লিন ইমেজ: যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম, দখল বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    2. জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা: সারা দেশে চালানো জরিপে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হবে।

    3. দল ও দেশের জন্য ত্যাগ: যারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, কারাবরণ করেছেন বা পরিবার থেকে কেউ নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

    4. সংগঠনে অবদান: দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে থেকে যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    5. কোন্দলমুক্ত নেতৃত্ব: যেসব প্রার্থী এলাকায় গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে দূরে ছিলেন, তারাও গুরুত্ব পাবেন।

    এই পাঁচটি মানদণ্ডে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল। তবে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ডই নির্ধারণ করবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্তি ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ।

  • নতুন কৌশলে নির্বাচনী মাঠে বিএনপির নারীরা, শুরু খুলনা বিভাগ থেকে

    নতুন কৌশলে নির্বাচনী মাঠে বিএনপির নারীরা, শুরু খুলনা বিভাগ থেকে

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ভিন্ন কৌশলে মাঠে নামছে বিএনপির নারীকর্মীরা। সরাসরি মহিলা দলকে নামানো না হলেও তাদের পরিবর্তে ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ মাঠে কাজ করবে। তৃণমূল পর্যায়ে নারী ভোটারদের সংগঠিত করে ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের ওপর।

    বিএনপি নেতারা জানান, সরাসরি মহিলা দলকে সক্রিয় না করে ফোরামের মাধ্যমেই নারী ভোটারদের কাছে পৌঁছানো হবে। ২০১৯ সালের আগস্টে যাত্রা শুরু করা এ সংগঠনের আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, আর সদস্য সচিব ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী

    এরই মধ্যে জামায়াতে ইসলামী তাদের মহিলা কর্মী ও ছাত্র সংগঠনের মেয়েদের সক্রিয় করেছে। তারা প্রতিশ্রুতি ও সহায়তার মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, এই প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় ফোরামকে সামনে আনা প্রয়োজন।

    তবে প্রশ্ন উঠেছে— ফোরাম কতটা কার্যকর হবে? কারণ এ সংগঠন মূলত ঘরোয়া সভা-সেমিনারে সীমাবদ্ধ এবং সারাদেশে এর বিস্তার এখনো সীমিত।

    সেলিমা রহমান বলেন,
    “আমরা চাই জনগণ বুঝুক, দেশকে উন্নত করতে হলে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে। সচেতন নাগরিকই পারে সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে।”

    বিএনপি সূত্র জানায়, ফোরামের কার্যক্রম সফল হলে মহিলা দলকেও মাঠে নামানো হবে। এদিকে মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান জানান, তারেক রহমানের নির্দেশনায় আসনভিত্তিক কাজ চলছে।

    আগামী ১৪ অক্টোবর খুলনা বিভাগ থেকে ফোরামের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রথম দিন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ ও নড়াইলে, আর ১৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় হবে আলোচনা সভা।

    সব কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন সেলিমা রহমান ও নিপুণ রায় চৌধুরী। নিপুণ রায় বলেন,
    “আমাদের মূল উদ্দেশ্য নারী ভোটারদের কাছে বিএনপির ভাবনা তুলে ধরা, তাদের অধিকার, সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিয়ে সচেতন করা।”

  • বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    বিসিবি নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন সাকিব, জানালেন নিজের অবস্থান

    এবিএনএ: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক প্রভাব ও উত্তাপ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এ বিষয়ে খুব একটা সরব নন।

    সমকালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
    “আমি তেমন কিছু ফলো করিনি। যারা দায়িত্বে আসবেন, আশা করব তারা বিসিবির উন্নতির জন্য কাজ করবেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল।”

    এর আগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিসিবি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এ বিষয়ে সাকিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,
    “নির্বাচনের খবর তেমন দেখি না বা পড়ি না। তাই মন্তব্য করাটা আমার জন্য কঠিন। যা জানি না, সে বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”

    সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের সঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এর সূত্রপাত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সাকিবের দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ওই পোস্টে সাকিব লিখেছিলেন, “শুভ জন্মদিন, আপা।”

    এর জবাবে আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, “খুনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া কাউকে কেবল ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করা যায় না। আইন সবার জন্য সমান।”

    এই ভার্চুয়াল দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও সাকিব কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং তিনি রাজনীতি এড়িয়ে বলেন,
    “রাজনীতি নিয়ে কিছু বলার মানে নেই। আমি ক্রিকেটেই থাকি।”

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সাকিব ছিলেন দেশের বাইরে। যদিও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরতে না পারলেও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে।

  • রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    রাজধানীতে গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান, সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় অভিযুক্ত

    এবিএনএ: সাবেক সিনিয়র সচিব এবং এক সময়ের প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আবু আলম শহীদ খানকে রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে আটক করা হয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ১২টার দিকে অভিযান চালিয়ে আবু আলম শহীদ খানসহ মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলে ডিবি সূত্রে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, আবু আলম শহীদ খান ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পর তিনি অবসর নেন।

    তবে কী কারণে এই মামলায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বা গ্রেপ্তারের পেছনের নির্দিষ্ট কারণ কী—তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    এ ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।