Tag: মোংলা

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বড় অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ ছোট সুমন বাহিনীর সদস্য আটক

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের বড় অভিযান: অস্ত্র-গুলিসহ ছোট সুমন বাহিনীর সদস্য আটক

    এবিএনএ,মোংলা: বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ কুখ্যাত ছোট সুমন বাহিনীর এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের মাধ্যমে বাহিনীটি জানতে পারে যে সুন্দরবনের সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্যরা চিলা ইউনিয়নের ফেলুরখন্ড-বৈদ্যমারী এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার বিকেলে বৈদ্যমারী বাজারের আশপাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযান চলাকালে ইয়াছিন শেখ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যিনি ছোট সুমন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে সুন্দরবনের ধানসিঁড়ির চর খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি একনালা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা গুলি এবং চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি উদ্ধার করা হয়।

    আটক ইয়াছিন শেখ মোংলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডাকাত দলের সঙ্গে জড়িত থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পাশাপাশি অস্ত্র ও রসদ সরবরাহে ভূমিকা রাখছিলেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলিও জব্দ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

  • ঈদের আনন্দ ম্লান মোংলায়: তৃণমূল বিএনপি কর্মীদের চোখে জল, নেতৃত্বের ভূমিকায় প্রশ্ন

    ঈদের আনন্দ ম্লান মোংলায়: তৃণমূল বিএনপি কর্মীদের চোখে জল, নেতৃত্বের ভূমিকায় প্রশ্ন

    এবিএনএ,মাসুদ রানা, মোংলা: পবিত্র ঈদুল ফিতর দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলেও বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মীর জন্য এবারের ঈদ ছিল বিষণ্নতায় ঘেরা। দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষা সত্ত্বেও স্থানীয় নেতৃত্বের অবহেলায় তারা চরম হতাশায় ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহু তৃণমূল কর্মী গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক হামলা-মামলা ও কারাবাসের কারণে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ঈদের সময় অন্তত দলের প্রভাবশালী নেতাদের কাছ থেকে সহানুভূতি বা সহায়তা পাবেন—এমন আশা থাকলেও বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে জানান তারা।

    মোংলা উপজেলা ও পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে জানা গেছে, অনেক কর্মী পরিবার-পরিজনের জন্য ন্যূনতম খাবারের ব্যবস্থাও করতে পারেননি। কোথাও সীমিত পরিসরে কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও তা সবার মধ্যে পৌঁছেনি। অভিযোগ রয়েছে, চাল ও নগদ সহায়তা বণ্টনে স্বচ্ছতা ছিল না এবং প্রকৃত কর্মীদের অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন।

    এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একাধিক নেতাকর্মী। তাদের ভাষ্য, ঈদের দিন তো দূরের কথা, এর আগেও অনেক স্থানীয় নেতা কর্মীদের খোঁজখবর নেননি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মী বলেন, তারা কোনো পদ বা সুবিধার জন্য রাজনীতি করেন না, বরং দলের আদর্শে বিশ্বাস করেই রাজপথে সক্রিয় থাকেন। কিন্তু ঈদের মতো সময়ে সন্তানদের মুখে ভালো খাবার তুলে দিতে না পারার কষ্ট তাদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

    তাদের আরও অভিযোগ, নেতারা নিজেদের প্রচার ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকলেও তৃণমূল কর্মীদের দুর্দশার দিকে নজর দিচ্ছেন না।

    এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে এমন অসন্তোষ দীর্ঘমেয়াদে দলের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করতে পারে এবং ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    অন্যদিকে, খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক এক নেত্রী নাইনুর লিপি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দল অনুকূল অবস্থানে থাকলেও তৃণমূল কর্মীদের প্রাপ্য মূল্যায়ন হচ্ছে না। যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, তাদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    মোংলা পৌর যুবদলের এক নেতা জানান, দুর্দিনে কর্মীরা একে অপরের পাশে দাঁড়ালেও দলীয় পর্যায়ে সে ধরনের উদ্যোগ চোখে পড়ে না। তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত কর্মীদের বাদ দিয়ে সুবিধাভোগীরা সহায়তা পাচ্ছেন।

    এদিকে, বিএনপির এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন তুলে বলেন, ঈদ উপলক্ষে দেওয়া সহায়তা কারা পেয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তিনি এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

    তবে একই এলাকায় ঈদ উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি, কাপড় ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

    সব মিলিয়ে, এবারের ঈদ মোংলার তৃণমূল বিএনপি কর্মীদের জন্য বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকল। এখন দেখার বিষয়, দলের দায়িত্বশীল নেতারা এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেন কি না।

  • মোংলায় ঈদের রাতে চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কেটে দিলো ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি

    মোংলায় ঈদের রাতে চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কেটে দিলো ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি

    এবিএনএ,মোংলা: মোংলায় ঈদের দিন রাতের আঁধারে চিংড়ির ঘেরের বাঁধ কেটে অন্য ঘেরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা তলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহিল মারুফ সহ তার দলবল। এতে ঘের মালিকের কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘের দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী।

    মোংলা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, উপজেলার জয়খাঁ গ্রামের দীর্ঘদিন ধরে নিজের ১৮ বিঘা জমিতে চিংড়ি চাষ করে আসছে স্থানীয় বাসিন্দা শেখ নাজিম উদ্দিন (৫৩)। তার ওই ঘেরটি দখলে নেয়ার জন্য শনিবার দিবাগত রাতের অন্ধকারে (ঈদের দিন রাতে) ২৫/৩০ জন নিয়ে ওই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মারুফ ও যুবদল নেতা মহিদুল সহ ঘেরে গিয়ে ঘেরের বাঁধ কেটে পাশের ঘোরের সাথে মিশিয়ে দিয়েছে।

    সোনাইলতলা ইউনিয়নের প্রভাবশালী এ বিএনপির সভাপতি মারুফ (৪৫) ও মহিদুল শেখের নেতৃত্বে নাজিমের ঘেরের ভেঁড়ীর ৮ জায়গায় বাঁধ কেটে দেয়। এতে মাছ বেরিয়ে যাওয়া ঘের মালিকে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মারুফ ও মহিদুল এরআগেও নাজিমের এই চিংড়ি ঘের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

    এ ঘটনায় ঘের মালিক রোববার দুপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মারুফ ও যুবদল নেতা মহিদুলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন

    মোংলা থানার ওসি শেখ শাহিনুর রহমান জানান, সোনাইলতলা ইউনিয়নের জয়খাঁ গ্রামের চিংড়ি ঘেরের বাঁধ কাটার একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান। সত্যতা পেলে ব্যাবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন থানার এ কর্মকর্তা।

  • সুন্দরবনে আবারও জেলে অপহরণ! মুক্তিপণে ৬০ হাজার টাকা দাবি বনদস্যুদের

    সুন্দরবনে আবারও জেলে অপহরণ! মুক্তিপণে ৬০ হাজার টাকা দাবি বনদস্যুদের

    এবিএনএ,মোংলা : সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ এলাকায় কাঁকড়া ধরতে গিয়ে এক জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। ‘আল আমিন বাহিনী’ পরিচয়ে একদল সশস্ত্র দস্যু তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    অপহৃত জেলে মিজান শেখ (৪০) মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজ্জাক শেখের ছেলে।

    মিজানের সঙ্গে থাকা তার চাচাতো ভাই আল আমিন শেখ জানান, প্রয়োজনীয় অনুমতি (পাস) নিয়ে তারা গত ১৪ মার্চ সুন্দরবনে প্রবেশ করেন মাছ ও কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে। ১৬ মার্চ রাতে বনাঞ্চলের একটি খালে অবস্থানকালে হঠাৎ করে দস্যুরা তাদের ঘিরে ফেলে।

    এ সময় দস্যুরা মিজান শেখকে জোরপূর্বক নৌকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা আল আমিন শেখকে নৌকাসহ ছেড়ে দেওয়া হয়, যাতে তিনি বাড়িতে গিয়ে মুক্তিপণের টাকা জোগাড়ের খবর দেন।

    অপহরণের পরপরই বনদস্যুরা মিজানকে মুক্তি দিতে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    এ ঘটনায় মিজানের বড় ভাই হুমায়ন শেখ মোংলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “ঋণ করে জীবিকার তাগিদে বনে গিয়েছিল আমার ভাই। এখন একদিকে আয় বন্ধ, অন্যদিকে মুক্তিপণের টাকা জোগাড়ের চাপ—সব মিলিয়ে আমরা দিশেহারা।”

    তবে মোংলা থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মহরম জানান, এ বিষয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে অন্য কোনো কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এ ঘটনায় সুন্দরবন এলাকায় কর্মরত জেলেদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

  • মোংলায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ২১ জন, আশঙ্কাজনক ২ জন খুলনায়

    মোংলায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ২১ জন, আশঙ্কাজনক ২ জন খুলনায়

    এবিএনএ,মোংলা : বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি এলাকায় চিংড়ি ঘের দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে কানাইনগর এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বিঘা আয়তনের একটি চিংড়ি ঘেরের মালিকানা ও লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। জমিটির মালিক হিসেবে সেলিম রেজা বাচ্চু ও মৃণাল নামের দুইজনের নাম উল্লেখ করা হলেও লিজ ও অর্থ লেনদেন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

    ২০২৫ সালে মো. সেলিম হাওলাদার ঘেরটি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করেন। তবে পরবর্তীতে হিসাব-নিকাশ নিয়ে তার সঙ্গে মালিক পক্ষের বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বের বকেয়া মেটানো ছাড়াই ২০২৬ সালে ঘেরটি জাকির গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে করে পূর্বের লিজগ্রহীতা ও নতুন পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে।

    বুধবার দুপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেলিম হাওলাদারের সমর্থক রশিদ গ্রুপ এবং জাকির গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

    সংঘর্ষে রশিদ গ্রুপের অন্তত ১১ জন আহত হন। অন্যদিকে জাকির গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে গুরুতর আহত দুইজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    এদিকে, এক পক্ষের অভিযোগ—জাকির স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার সমর্থকরাই হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অপর পক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক জানান, দুপুরের পর থেকে একাধিক আহত ব্যক্তি হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতরদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

    অন্যদিকে পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো সংঘর্ষ না ঘটে।

    পুলিশ আরও জানায়, এ ঘটনার পেছনে জমির মালিকদের ভূমিকা রয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    ঘটনার পর পুরো কানাইনগর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে মোংলা এলাকায় চিংড়ি ঘের দখল নিয়ে একাধিক সহিংস ঘটনার নজির রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

  • সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: ডাকাতের কবল থেকে জীবিত ফিরলেন ৬ জেলে

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের দুঃসাহসিক অভিযান: ডাকাতের কবল থেকে জীবিত ফিরলেন ৬ জেলে

    এবিএনএ,মোংলা: সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্ধর্ষ ডাকাতচক্র ‘নানা ভাই বাহিনী’র হাতে জিম্মি ছিলেন।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, গত ৭ মার্চ মাছ ও কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ৬ জেলে অপহরণের শিকার হন। পরে ডাকাতরা তাদের আটকে রেখে নির্যাতন চালায় এবং পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। বিষয়টি ১০ দিন পর কোস্ট গার্ডের জরুরি নম্বর ১৬১১১-তে জানানো হলে অভিযান প্রস্তুতি শুরু হয়।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ মার্চ ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ডের নলিয়ান আউটপোস্ট শিবসা নদীর কাছাকাছি কালির খাল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় জিম্মি থাকা ৬ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ডাকাতরা দ্রুত বনের ভেতরে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন—রফিকুল (৩০), আলামিন (২৬), ইসমাঈল শানা (২৪) (খুলনার কয়রা থানা) এবং রমজান আলী (৩৬), রেজওয়ান (২২), মিয়া রাজ (১৮) (সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানা)।

    বর্তমানে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।

    কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, খাবারে নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারে জরিমানা

    মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, খাবারে নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারে জরিমানা

    এবিএনএ,মোংলা: বাগেরহাটের মোংলায় বেকারি ও মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত এবং নিষিদ্ধ রঙ ব্যবহারের অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়েছে। এ সময় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার মোংলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের পাশের একটি বেকারি এবং সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারি নামের একটি মিষ্টির দোকানে এই অভিযান পরিচালনা করেন মোংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওসীনা আরিফ।

    অভিযান চলাকালে দেখা যায়, কিছু দোকানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপরিচ্ছন্ন স্থানে বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরি করা হচ্ছিল। এতে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    এছাড়া পরিদর্শনের সময় বিএসটিআই অনুমোদনহীন খাদ্য রঙ ব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়ে। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় বরিশাল বেকারিকে ২০ হাজার টাকা এবং একটি মিষ্টির দোকানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওসীনা আরিফ বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে। যারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি আরও জানান, আজকের অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অভিযান চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে স্থানীয় ক্রেতারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন।

  • মোংলায় মহিলা দল নেত্রীর বাড়িতে কোস্টগার্ডের অভিযান: ১৯৭ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার, স্বামী আটক

    মোংলায় মহিলা দল নেত্রীর বাড়িতে কোস্টগার্ডের অভিযান: ১৯৭ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার, স্বামী আটক

    এবিএনএ,মোংলা : বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের পরিমাণ ১৯৭ বোতল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে মোংলা থানার চিলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয় এবং একই সঙ্গে একজনকে আটক করা হয়।

    আটক ব্যক্তি অভিজিৎ পাড়ই শান্ত। তিনি মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের দক্ষিণ কাইনমারী গ্রামের বাসিন্দা পিতর পাড়ইয়ের ছেলে বলে জানা গেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি, যে বাড়ি থেকে মদ উদ্ধার করা হয়েছে সেটি মোংলা থানা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি তানিয়া বিশ্বাস (লিথি)-এর বসতবাড়ি। অভিযানের সময় তিনি বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে আটক অভিজিৎ পাড়ই শান্ত পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন।

    এ বিষয়ে তানিয়া বিশ্বাস লিথি জানান, তাদের বাড়ি থেকে মদ উদ্ধারের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করছেন না। তবে তার দাবি, জব্দ করা মদের মালিক তারা নন। তার স্বামীর এক পরিচিত ব্যক্তি এগুলো সাময়িকভাবে তাদের বাড়িতে রাখার জন্য দিয়েছিল। যদিও ওই ব্যক্তির নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

    মোংলা থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক লিপি বেগম বলেন, অপরাধের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক নেই। যদি কেউ মাদক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকে, তবে আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তিনি আরও জানান, বিষয়টি সংগঠনের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শুক্রবারের অভিযানে ১৯৭ বোতল বিদেশি মদসহ অভিজিৎ পাড়ই শান্তকে আটক করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, জব্দ করা মদ এবং আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোংলা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    এবিএনএ,মোংলা : মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাসের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় শতশত নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ রাজারে বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। এ মানববন্ধনে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নারী-পুরুষেরা অংশ নেন।

    মানববন্ধন শেষে সেখানে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা যুবদল নেতা শেখ জিহাদুল ইসলাম মৃদুল, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনি পাটোয়ারী, উপজেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক নুর নাহার বেগম।
    এ সময় বক্তারা বলেন, হাবিব একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। সে এখানকার ঘের ও জমি দখল করছে। তেল পাম্প, হোটেল ও দেকানপাট থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা নিচ্ছে। আর সে প্রতিনিয়ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় থাকে। স্থানীয় নারীদেরকে কুপ্রস্তাবসহ গালিগালাজ ও অপমান অপদস্ত করে থাকে। এই চাঁদাবাজকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সভাপতির পদ থেকে বহিস্কৃত করতে হবে। অন্যথায় আমরা বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের মোংলা-রামপালের এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোনভানেই চাঁদাবাজী, দখল, সন্ত্রাসী ও মাদক বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই, চাঁদাবাজ হাবিবকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার চাই।
  • মোংলার বাজারে মিলল বিরল ‘গোলপাতা’ মাছ, কেজি ৫০০ টাকাতেও কিনতে ভিড় ক্রেতাদের

    মোংলার বাজারে মিলল বিরল ‘গোলপাতা’ মাছ, কেজি ৫০০ টাকাতেও কিনতে ভিড় ক্রেতাদের

    এবিএনএ,মোংলা : সুন্দরবন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় তিন মণ ওজনের বিরল প্রজাতির দুটি গোলপাতা মাছ। এই মাছটির বৈজ্ঞানিকভাবে নাম সেইল ফিস। শনিবার (৭ মার্চ) সকালে মোংলার প্রধান মাছ বাজারের রাইজিং ফিস আড়তে জেলেরা মাছটি নিয়ে আসেন। এ সময় মাছটি একনজর দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

    পরে নিলামের মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন রমজান মিঞা নামের এক মাছ ব্যবসায়ী।

    বাজারে আসা খায়রুল আলম নামে এক ব্যক্তি বলেন, মোংলা বাজারে সব সময় এত বড় মাছ আসতে দেখা যায় না। সকালে জেলেরা ট্রলার থেকে মাছটি নিয়ে এলে মাছটি এক নজর দেখতে আসি’।

    এমরান শেখ নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘আমি এত বড় গোলপাতা মাছ আগে কখনো দেখিনি’।

    মাছ ব্যবসায়ী রমজান মিঞা বলেন, মোংলা বাজারে বড় মাছ উঠলে আমি কেনার চেষ্টা করি। সকালে রাইজিং ফিস আড়তে মাছ দুটি উঠানো হলে ডাকের মাধ্যমে আমি ২৪ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছি। মাছ দুটি প্রায় ১৫ ফুট লম্বা। মাছটি কেটে ৫০০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি করছি। সুস্বাদু মাছ হিসেবে স্থানীয় বাজারে এর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে বলে জানান তিনি।

    মোংলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের গোলপাতা মাছ বলতে মূলত বঙ্গোপসাগরে পাওয়া বিরল প্রজাতির সেইল ফিশ (Sailfish) বা গোলপাতা মাছ কে বোঝায়, যা দেখতে গোলপাতার মতো চ্যাপ্টা বা বড় আকারের হওয়ায় স্থানীয়রা এই নাম দিয়েছেন।

    এটি বিশাল ওজনের সামুদ্রিক মাছ, যা সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মাঝে মাঝে জেলেদের জালে ধরা পড়ে।  এটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দ্রুতগামী সামুদ্রিক মাছ, যা সাধারণত গভীর সমুদ্রে বাস করে। এর শরীর চ্যাপ্টা ও পিঠের দিকে বড় একটি পাখনার মতো অংশ থাকে, যা দেখতে গোলপাতার ফলের মতো বা বড় পাতার আকৃতির হয় বলেও জানান তিনি।