Tag: বিসিবি

  • আবাহনীতে গিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    আবাহনীতে গিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    এবিএনএ: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শনিবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেড ক্লাব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবের বাইরে রেখে স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

    সম্প্রতি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পরিদর্শনের পর এবার আবাহনীতে যান প্রতিমন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত হয়ে সাবেক এই ফুটবলার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আবাহনী ও মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশের ফুটবলের ঐতিহ্যের অংশ। তবে গত কয়েক বছরে এই ক্লাবগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ক্ষতিকর। বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ক্লাবগুলোর স্বাধীন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে চায় বলেও জানান তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আবাহনীর ব্যবস্থাপনায় নতুনত্ব আনা হলে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য খেলায় ক্লাবটির পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরে ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।

    আবাহনী পরিদর্শনে মোহামেডান ক্লাবের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি উল্লেখ করে তিনি এটিকে স্পোর্টসম্যানশিপের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন। তার মতে, ক্লাবগুলো শক্তিশালী হলে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎও নিরাপদ হবে। এ কারণে সরকার সব ধরনের ক্রীড়া ক্লাবকে টেকসই সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    তিনি আরও জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ খেলোয়াড়কে ক্রীড়াভাতা দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০০ জনে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং বিসিবির এডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা ও রফিকুল ইসলাম বাবুসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিদায়ের সিদ্ধান্ত জানান। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।

    সবশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল। এরপর জাতীয় দলে আর সুযোগ পাননি। দীর্ঘ বিরতির পরই তিনি ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন।

    কেন এখনই অবসর?

    অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রুবেল বলেন, বয়স ও ফিটনেসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় আসরগুলোতেও নিয়মিত না থাকায় মনে হয়েছে এটাই উপযুক্ত সময়।

    তিনি জানান, দীর্ঘদিন জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। তবে তরুণ পেসারদের উত্থান এবং নিজের বাস্তবতা বিবেচনায় অবসর নেওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।

    আক্ষেপ রয়ে গেল

    আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রুবেল জানান, তার ভালো সময়েও নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সুযোগ পেলে ম্যাচ সংখ্যা ও উইকেট দুটোই বাড়তে পারত বলে মনে করেন তিনি।

    তার ভাষ্য, ক্যারিয়ারের কিছু সময় ভালো পারফরম্যান্স থাকলেও ধারাবাহিকভাবে দলে জায়গা হয়নি। তাই মনে হয় আরও দুই-তিন বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতেন। তবে এ নিয়ে ক্ষোভ না থাকলেও আক্ষেপ রয়ে গেছে বলে জানান এই পেসার।

    সেরা মুহূর্তগুলো

    রুবেলের কাছে ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত কিংবদন্তি ব্যাটারদের উইকেট পাওয়া। তিনি জানান, শচীন টেন্ডুলকার, এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং বিরাট কোহলির উইকেট তার কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে।

    এ ছাড়া ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিকেও ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ওই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

    চ্যালেঞ্জিং সময়েও পারফরম্যান্স

    ২০১৫ বিশ্বকাপের সময় ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় পার করলেও মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করতে পেরেছিলেন বলে জানান রুবেল। চাপের মধ্যেও দলের জন্য অবদান রাখতে পারাটা তার জন্য বিশেষ অর্জন ছিল।

    নিদাহাস ট্রফির স্মৃতি এখনো কষ্ট দেয়

    ক্যারিয়ারের কিছু হতাশার কথাও তুলে ধরেন এই পেসার। বিশেষ করে নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল ও ক্যারিয়ারের শুরুর একটি ম্যাচ তার কাছে এখনও কষ্টের স্মৃতি। তিনি মনে করেন, ওই সময় আরও পরিকল্পিত বোলিং করলে ফল ভিন্ন হতে পারত।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রুবেল জানান, আপাতত ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান। ভবিষ্যতে কোচিং বা ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তবে ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

    পেসার হান্ট চালুর আহ্বান

    বাংলাদেশে নতুন পেসার তুলে আনতে আবারও পেসার হান্ট কর্মসূচি চালুর আহ্বান জানিয়েছেন রুবেল। তিনি বলেন, নিজেও এমন একটি কর্মসূচির মাধ্যমে উঠে এসেছিলেন। তাই নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই অভিজ্ঞ পেসার।

  • ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    এবিএনএ: জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎসগুলোর একটি হলো ঢাকা লিগ। তবে চলতি মৌসুমে এই জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট সময়মতো আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। লিগ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল ক্রিকেট অঙ্গনে।

    মূলত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে সাবেক পরিচালনা পর্ষদ এবং ঢাকার ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন আটকে ছিল। এতে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন অনেক ক্রিকেটার, বিশেষ করে যারা জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এবং এই লিগের ওপর নির্ভরশীল।

    পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর। গত বুধবার ঢাকা লিগ আয়োজন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তার উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুত সমাধানের পথে এগোয় বিষয়টি।

    বৃহস্পতিবার বিসিবি কার্যালয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে। এই বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রায় সব ক্লাবই লিগে অংশগ্রহণে সম্মতি জানিয়েছে। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় দলবদল ও লিগ শুরুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সূত্র মতে, চলতি মাসের মধ্যেই ঢাকা লিগের দলবদল সম্পন্ন করা হবে। এরপর আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মাঠে গড়াবে বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রতিযোগিতা। এতে করে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার ও ক্লাব কর্মকর্তাদের।

    এদিকে বিসিএলের প্রথম দুই রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২১ এপ্রিল থেকে। ওই পর্ব শেষ হওয়ার পর ৫ মে থেকে ঢাকা লিগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াবে দেশের অন্যতম প্রধান ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

  • ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    এবিএনএ: ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে। সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে দুই বোর্ডের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এ লক্ষ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার নাফীস। তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলো মূলত ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি)-এর অংশ হিসেবেই নির্ধারিত থাকে। ভারতের বিপক্ষে যে সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা ছিল, সেটি পুনঃনির্ধারণ করে এ বছর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বোর্ডের মতো ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ চলছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে আসন্ন সিরিজকে সামনে রেখে মিরপুরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে চলছে ফিটনেস ক্যাম্প। নাফীস বলেন, ক্রিকেটাররা কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং অনুশীলনও ভালো হচ্ছে। গরম আবহাওয়া থাকলেও খেলোয়াড়রা দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছেন এবং প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন।

    তিনি আরও জানান, শুরুতে অনুশীলন ছিল মূলত ফিটনেস ও ফিল্ডিংকেন্দ্রিক। এখন সেখানে যোগ হয়েছে ব্যাটিং-বোলিংসহ স্কিল ট্রেনিং। সিরিজের আগে সাধারণত খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না, তবে এবার প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক বেশি সময় পাওয়া গেছে এবং কোচিং স্টাফ সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে সম্ভাব্য সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ দল। বোর্ড কর্তারা আশা করছেন, সূচি চূড়ান্ত হলে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।

  • বিশ্বকাপের আগে বড় প্রস্তুতি: স্কটল্যান্ড–নেদারল্যান্ডস সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ, নারী বিপিএল শুরু চট্টগ্রামে

    বিশ্বকাপের আগে বড় প্রস্তুতি: স্কটল্যান্ড–নেদারল্যান্ডস সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ, নারী বিপিএল শুরু চট্টগ্রামে

    এবিএনএ: আসন্ন আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে প্রস্তুতির গতি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপের আগে ম্যাচ প্র্যাকটিস জোরদার করতে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বোর্ডের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রুবাবা দৌলা। সিরিজের নির্দিষ্ট সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    বিসিবির একাধিক সূত্র জানায়, সিরিজের সম্ভাব্য ভেন্যু হতে পারে স্কটল্যান্ড। লক্ষ্য একটাই—বিশ্বকাপ আয়োজক ইংল্যান্ড-এর আবহাওয়ার কাছাকাছি কন্ডিশনে খেলে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা। আগের বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ না পাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আর ঝুঁকি নিতে চায় না বোর্ড।

    বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এপ্রিলে শুরু হচ্ছে নারী বিপিএল। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী পর্ব বসছে চট্টগ্রাম-এ; পরে ম্যাচগুলো ফিরবে ঢাকা-তে। বিসিবি জানিয়েছে, ৪ এপ্রিল শুরু হয়ে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতা। বিদেশি তারকা ক্রিকেটার আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, এমনকি ভারতীয় ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের পথও খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন রুবাবা দৌলা।

    নারী বিপিএলে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে আর্থিক লেনদেন ও চুক্তির বিষয়গুলো কঠোরভাবে তদারকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিসিবি।

    এবারের আসরে তিনটি দল মাঠে নামবে। তিন আইকন ক্রিকেটার হিসেবে দলগুলোর নেতৃত্ব দেবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তারসোবহানা মোস্তারি। আইকন ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশীয় খেলোয়াড়দের ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ৭, ৫ ও ৩ লাখ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

    বিশ্বকাপের আগে আন্তর্জাতিক সিরিজ ও ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ—দুই দিক থেকেই প্রস্তুতি জোরদার করে বড় মঞ্চে ভালো করার লক্ষ্য নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল।

  • ব্যাংককে রাইজিং স্টার এশিয়া কাপ: ফাহিমার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্কোয়াড প্রকাশ

    ব্যাংককে রাইজিং স্টার এশিয়া কাপ: ফাহিমার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্কোয়াড প্রকাশ

    এবিএনএ: নারী ক্রিকেটের উদীয়মান প্রতিভাদের নিয়ে আয়োজিত এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য এই আসরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন ফাহিমা খাতুন।

    ঘোষিত স্কোয়াডে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ কয়েকজন ক্রিকেটারের পাশাপাশি তরুণ প্রতিভাদেরও রাখা হয়েছে। রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সানজিদা আক্তার মেঘলা, লতা মণ্ডল ও তাজ নেহারের মতো খেলোয়াড়রা এই দলে জায়গা পেয়েছেন। বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, পারফরম্যান্স ও সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় নিয়েই দল নির্বাচন করা হয়েছে।

    গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও স্বাগতিক থাইল্যান্ড। গ্রুপের প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শীর্ষে উঠতে পারলে নকআউট পর্বে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হবে দলটি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ১৮ ফেব্রুয়ারি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে লড়বে ফাহিমার দল।

    বাংলাদেশ নারী রাইজিং স্টার স্কোয়াড:
    ফাহিমা খাতুন (অধিনায়ক), শামীমা সুলতানা, ইশমা তানজিম, রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা, শরিফা খাতুন, শারমিন সুলতানা, ফারিহা ইসলাম, সাদিয়া আক্তার, ফারজানা ইয়াসমিন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, তাজ নেহার, লতা মণ্ডল, ফাতেমা জাহান।

    স্ট্যান্ডবাই:
    দিশা বিশ্বাস, মিষ্টি রানী সাহা, হালিমাতুল সাদিয়া, হাবিবা ইসলাম পিংকি।

  • সব জল্পনার অবসান! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অ্যাক্রিডিটেশন পাচ্ছেন বাংলাদেশি সাংবাদিকরা

    সব জল্পনার অবসান! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অ্যাক্রিডিটেশন পাচ্ছেন বাংলাদেশি সাংবাদিকরা

    এবিএনএ: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, অবশেষে তার অবসান ঘটেছে। বিশ্বকাপ কাভারের জন্য বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল হয়নি। বরং যাচাই-বাছাই শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ইতোমধ্যে একাধিক বাংলাদেশি সাংবাদিককে অ্যাক্রিডিটেশন প্রদান করেছে।

    আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে বসে কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে শতাধিক সাংবাদিক আইসিসির কাছে আবেদন জমা দেন। আবেদন গ্রহণের পর আইসিসি ধাপে ধাপে আবেদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথিপত্র চায়।

    আইসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্র ও তথ্য জমা দেওয়ার পর শুরু হয় যাচাই প্রক্রিয়া। যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর আইসিসির নির্ধারিত অফিস থেকে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের একটি অংশকে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আবেদনগুলো বাতিল না হয়ে নিয়ম অনুযায়ীই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ায় অ্যাক্রিডিটেশন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও বাস্তবে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করার সুযোগ বন্ধ হয়নি। আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে যোগাযোগের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    সবকিছু মিলিয়ে যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়া হচ্ছে। ফলে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাঠে থেকেই বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত হতে যাচ্ছে।

  • বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড

    বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ! আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে জায়গা পেল স্কটল্যান্ড

    এবিএনএ: ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ অংশ না নেওয়ায় তাদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে খেলবে স্কটল্যান্ড।

    শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানায়, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত না করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারতে অনুষ্ঠেয় ২০ দলের এই বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের জায়গায় সুযোগ পাচ্ছে স্কটিশরা।

    আইসিসি জানায়, ভারতের ভেন্যুগুলোতে বাংলাদেশের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পাওয়া যায়নি। সে কারণেই বিসিবির ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে বিসিবির উদ্বেগ নিরসনে আইসিসি তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে একাধিক বৈঠক ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা চালায়।

    এই আলোচনার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বিশেষজ্ঞদের স্বাধীন মূল্যায়ন এবং উন্নত নিরাপত্তা প্রোটোকলসহ বিস্তারিত অপারেশনাল পরিকল্পনা বিসিবির সঙ্গে ভাগ করা হয়। আইসিসি বিজনেস কর্পোরেশন (আইবিসি) বোর্ডের বৈঠকেও এসব নিশ্চয়তা বারবার তুলে ধরা হয়।

    সব দিক বিবেচনায় আইসিসির মূল্যায়নে উঠে আসে, ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো বাস্তব নিরাপত্তা হুমকি নেই। তাই টুর্নামেন্ট সূচি পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখেনি সংস্থাটি। একই সঙ্গে আইসিসি জানিয়েছে, সূচির স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা রক্ষা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    বুধবারের আইবিসি বোর্ড বৈঠকের পর বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছিল অংশগ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো নিশ্চয়তা না পাওয়ায় আইসিসি তাদের গভর্ন্যান্স ও কোয়ালিফিকেশন নীতিমালা অনুযায়ী বিকল্প দল নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে।

    এ ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ দলগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা স্কটল্যান্ডকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১৪তম স্থানে থাকা স্কটল্যান্ড নামিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ওমান ও ইতালির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

  • আইসিসিতে ধাক্কা বাংলাদেশের! বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর সিদ্ধান্তের পথে জয় শাহ

    আইসিসিতে ধাক্কা বাংলাদেশের! বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর সিদ্ধান্তের পথে জয় শাহ

    এবিএনএ: ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনে গত বুধবার আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে জরুরি সভা ডাকা হলেও ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের প্রস্তাব ১৪–২ ব্যবধানে নাকচ হয়ে যায়।

    আইসিসির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বিসিবি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, ভারতে খেলতে না পারলে তারা বিশ্বকাপ বর্জনের পথেই থাকবে।

    গভর্নিং বোর্ডের সিদ্ধান্ত বদলানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে বিসিবি আইসিসির বিবাদ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে আপিল করে। কিন্তু ডিআরসির টার্ম অব রেফারেন্সের ১.৩ ধারা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালকদের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার এখতিয়ার নেই এই কমিটির। ফলে বিসিবির আপিল গ্রহণই করা হয়নি।

    বিসিবির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, সব পথ খোলা রাখতে চেয়েই ডিআরসিতে আপিল করা হয়েছিল। যদি সেখানে কোনো সুযোগ না থাকে, তাহলে শেষ ভরসা হিসেবে সুইজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস (সিএএস)-এ যাওয়ার কথা ভাবছে বিসিবি।

    এদিকে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ ইতোমধ্যে দুবাইয়ে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। সেখান থেকেই বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা আসতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অনমনীয় অবস্থানের কারণে বিসিবির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

    পিটিআইকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র জানায়, বিসিবির প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ভূমিকা নিয়ে আইসিসি বোর্ড সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে না জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে।

  • ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ চায় বাংলাদেশ: আইসিসির সিদ্ধান্তে অনড় সরকার ও বিসিবি

    ভারতে নয়, শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ চায় বাংলাদেশ: আইসিসির সিদ্ধান্তে অনড় সরকার ও বিসিবি

    এবিএনএ: ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডভুক্ত ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন ক্রীড়া উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকারের অবস্থান একেবারেই পরিষ্কার—বাংলাদেশ দল ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না। তার ভাষায়, আইসিসি বাংলাদেশের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ যথাযথভাবে বিবেচনা করেনি।

    আসিফ নজরুল বলেন, ক্রিকেটারদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি—যা বর্তমান উদ্বেগকে আরও বাস্তব করেছে। তার মতে, সেখানে খেলোয়াড়, দর্শক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

    অন্যদিকে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, বাংলাদেশের মতো প্রায় ২০ কোটি মানুষের দেশের দাবি উপেক্ষা করায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার ভূমিকা নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি জানান, এখনও আলোচনার পথ খোলা আছে এবং আইসিসির সঙ্গে আবারও যোগাযোগ করা হবে।

    বুলবুল স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা ভারতে খেলতে আগ্রহী নই। নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে শ্রীলঙ্কায় খেলতে প্রস্তুত।”

    বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের ফলে আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টাইগারদের অংশগ্রহণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এর আগে আইসিসির বোর্ড সভা শেষে জানানো হয়, ভারত ছাড়া অন্য কোথাও খেলার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ যদি ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।