Tag: বিক্ষোভ

  • ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল করেছে একাধিক সংগঠন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘বীর চট্টলার ছাত্র-জনতা’ ব্যানারে নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। তারা অবিলম্বে হাদির হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    মিছিলে এনসিপি, ইনকিলাব মঞ্চ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা ও চট্টগ্রাম নগরের সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয়কে দেখা যায় মিছিলে।

    সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর বিপ্লব উদ্যানে অবস্থান নেয় শতাধিক ছাত্রজনতা। পরে তারা দুই নম্বর গেট মোড়ে গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। সেখানে ১০ মিনিট অবস্থানের পর মিছিল নিয়ে নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যান বিক্ষোভকারীরা।

    রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর দেওয়ানহাট মোড় থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর দক্ষিণ শাখা। আর রাত ৯টায় নগরীর চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর উত্তর শাখা।
    এর আগে বিকেলে নগরীর বিপ্লব উদ্যান এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে নগর ছাত্রদল।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু):
    ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দীর মোড় ঘুরে আবার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে মাগরিবের নামাজের পর জিরো পয়েন্ট মসজিদে ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল হয়।

    শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকার বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রাখার কথা জানান হাসপাতালের পরিচালক। এখন তাকে ঢাকার বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

  • দাবি আদায়ে স্বাস্থ্য সহকারীদের বিক্ষোভে অচল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সেবা বন্ধ দেশে

    দাবি আদায়ে স্বাস্থ্য সহকারীদের বিক্ষোভে অচল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সেবা বন্ধ দেশে

    এবিএনএ: বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, নিয়োগবিধি সংশোধনসহ ছয় দফা দাবিতে স্বাস্থ্য সহকারীদের আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চত্বর। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাজারো স্বাস্থ্য সহকারী প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পুরো এলাকা জিও জিও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষুব্ধ সহকারীরা। তারা জানান, বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই কর্মবিরতিতে যেতে হয়েছে।

    এই অবস্থান কর্মসূচির কারণে সারাদেশে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার আউটরিচ ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ফলে টিকা নিতে আসা মায়েরা ও নবজাতকরা ফিরে যেতে বাধ্য হন। শীতের সকালে টিকা না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফেরার দৃশ্য দেখা গেছে অনেক টিকাকেন্দ্রে। কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    বিক্ষোভকারী স্বাস্থ্য সহকারীরা বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা দেওয়া বন্ধ করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু বহু বছর ধরে দাবি উপেক্ষার কারণে তারা অবস্থান কর্মসূচিতে আসতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি বাস্তবায়নের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলেই তারা কাজে ফিরে যাবেন বলে জানান।

    সংগঠনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২৭ বছর ধরে বারবার দাবি যৌক্তিক স্বীকার করলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, দেশে এমন বৈষম্যের শিকার আর কোনো সরকারি বিভাগ নেই।

    এদিন সকাল থেকে দেশের ৬৪ জেলা থেকে স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকরা মহাখালীতে এসে অবস্থান নেন। বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে গত ২৯ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি চলছে। এর আগে ২৩ নভেম্বর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল—২৮ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতিতে যাওয়া হবে।

    স্বাস্থ্য সহকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
    • নিয়োগবিধি সংশোধন করে স্নাতক বা সমমান যোগ্যতা যুক্ত করে ১৪তম গ্রেড প্রদান
    • ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমাধারীদের ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ
    • ধারাবাহিক পদোন্নতি নিশ্চিত করা
    • প্রশিক্ষণ ছাড়াই সকল স্বাস্থ্যকর্মীকে স্নাতক স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করা
    • বেতন স্কেল পূর্ননির্ধারণে পূর্বপ্রাপ্ত টাইম স্কেল ধরে রাখা
    • ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমা (এসআইটি) কোর্স সম্পন্নকারীদের সমমর্যাদা প্রদান

    গত অক্টোবরে একই দাবিতে আন্দোলন হলেও প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। তবে এবার দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠন।

  • ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    এবিএনএ: প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আবারও মাঠে নেমেছে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অধ্যাদেশ দ্রুত জারি না হলে আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না থাকলে ৭ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার ঢাকা কলেজের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাত কলেজ প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “বহুদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেমে আছে। অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাই এবার আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

    এর আগে সকাল থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে সমাবেশ শুরু করেন। পরে তারা মিরপুর সড়কে অবস্থান নিয়ে রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন।

    এদিকে, সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাস্তায় নামার ঘোষণা পিটিআইয়ের—ইমরান খানের সাক্ষাৎ নিষেধাজ্ঞায় তুমুল ক্ষোভ

    ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাস্তায় নামার ঘোষণা পিটিআইয়ের—ইমরান খানের সাক্ষাৎ নিষেধাজ্ঞায় তুমুল ক্ষোভ

    এবিএনএ: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে নতুন করে রাস্তায় নামার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বর এবং রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের সামনে দুই দফা কর্মসূচি পালন করবে তারা।

    এরই মধ্যে দুই এলাকাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডি প্রশাসন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তালাল চৌধুরী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের কোনো সুযোগ নেই; আদালত হোক বা কারাগার এলাকা—সবখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিটিআই নেতা আসাদ কায়সার জানিয়েছেন, বিরোধী সংসদ সদস্যরা প্রথমে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। পরে তাঁরা আদিয়ালা কারাগারের সামনে গিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেবেন।

    তিনি আরও দাবি করেন, সংসদীয় কমিটি ইতোমধ্যে ইমরান খানের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। তাঁর পরিবারকে সাক্ষাতের সুযোগ না দেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল বলে তারা মন্তব্য করেছে।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইমরান খানের পরিবারের সদস্যদের তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে পাকিস্তানে। যদিও সরকার ও পিটিআই উভয় পক্ষই জানাচ্ছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন।

    এর আগে গত ২৫ নভেম্বর ইমরানের বোনদের কারাগারে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় পিটিআই নেতারা রাতেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, আর জনসমাবেশে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

  • মাদাগাস্কারে প্রেসিডেন্ট পালানোর পর সেনা অভ্যুত্থান, দুই বছরের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা

    মাদাগাস্কারে প্রেসিডেন্ট পালানোর পর সেনা অভ্যুত্থান, দুই বছরের মধ্যে নির্বাচনের ঘোষণা

    এবিএনএ:  দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যাপক জনবিক্ষোভের পর মাদাগাস্কারে ক্ষমতা দখল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর সোমবার রাতে সেনারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভে সরকারের পতনের দাবি তীব্র আকার ধারণ করেছিল। বিদ্যুৎ ও পানি সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামে হাজারো মানুষ। তাদের দাবি ছিল, প্রেসিডেন্ট আন্দ্রির পদত্যাগ এবং নতুন নির্বাচনের ঘোষণা।

    গত শনিবার সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনীর একটি অংশ হঠাৎ করেই ব্যারাক থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়। এরপর সোমবার জানা যায়, প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি ফ্রান্সগামী একটি সামরিক বিমানে করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজের দেশত্যাগের খবর নিশ্চিত করে জানান, ‘জীবন রক্ষার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছি।’

    এদিকে, তার অনুপস্থিতিতে মাদাগাস্কারের সংসদ সদস্যরা অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করেন। তবে আন্দ্রি সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করলেও এমপিরা সেটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়ে অভিশংসন প্রস্তাব পাস করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেনাবাহিনী রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণা দেয়—তারা দেশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।

    সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর দুই বছরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে একই সেনা ইউনিটই প্রেসিডেন্ট আন্দ্রিকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। এবার সেই একই ইউনিট তার বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়ে ক্ষমতা দখল করল।

  • মধ্যরাতে নেপালে বিক্ষোভ: নতুন প্রধানমন্ত্রী সুশীলার পদত্যাগে জেন-জিদের স্লোগান

    মধ্যরাতে নেপালে বিক্ষোভ: নতুন প্রধানমন্ত্রী সুশীলার পদত্যাগে জেন-জিদের স্লোগান

    এবিএনএ:  নেপালে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে জেন-জি আন্দোলন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির পদত্যাগ দাবি জানিয়ে রোববার মধ্যরাতে রাজধানী কাঠমান্ডুর বালুওয়াতারে তার সরকারি বাসভবনের সামনে জড়ো হয় জেন-জি নেতাকর্মীরা।

    এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক সুদান গুরুং। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা যদি আবার রাস্তায় নামি, কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। যাকে বসিয়েছি, তাকেই সরাতে জানি।”

    গুরুং আরও অভিযোগ করেন, আইনজীবী ওমপ্রকাশ আর্যল ভেতর থেকেই নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানানোর চেষ্টা করছেন। তার সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন গত সপ্তাহে সহিংসতায় হতাহতদের পরিবারের সদস্যরাও।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি আর্যলকে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন। একইসঙ্গে তিনি রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী এবং কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। উল্লেখ্য, আর্যল সুপ্রিম কোর্টে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নিয়োগ নিয়ে আলোচিত মামলাসহ বিভিন্ন জনস্বার্থ মামলা পরিচালনা করেছেন।

    অন্যদিকে, গত সপ্তাহের জেন-জি বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কার্কি বলেন, “এগুলো দেশের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কাজ। তদন্ত করে সত্য প্রকাশ করতে হবে এবং দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই রোববার মধ্যরাতে নতুন করে আন্দোলনে নামে জেন-জি কর্মীরা।

    এর আগে জেন-জিদের চাপেই পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন কে পি শর্মা অলি। তার পরই অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান সুশীলা কার্কি, যিনি নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। শপথের পরপরই তিনি প্রতিনিধি পরিষদ ভেঙে দিয়ে আগামী ৫ মার্চ নতুন নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

  • ক্ষমতার জন্য আসিনি, ছয় মাসেই নির্বাচন দিয়ে বিদায়: নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    ক্ষমতার জন্য আসিনি, ছয় মাসেই নির্বাচন দিয়ে বিদায়: নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি

    এবিএনএ:  নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে প্রথম বক্তব্যেই গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁর সরকার ক্ষমতার জন্য নয়, বরং আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করবে।

    রবিবার দায়িত্ব নেওয়ার পর কাঠমান্ডু পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুশীলা কার্কি বলেন, “আমরা ক্ষমতার স্বাদ নিতে আসিনি। ছয় মাসের বেশি থাকব না। নতুন সংসদ গঠিত হলে দায়িত্ব তাদের কাছে হস্তান্তর করব।”

    ৭৩ বছর বয়সী এই নেতা সাম্প্রতিক ‘জেন-জি’ আন্দোলনের প্রশংসা করে জানান, নিহতদের শহীদ স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়া হবে ১০ লাখ নেপালি রুপি, আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করবে সরকার। এছাড়া ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্তদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

    কার্কি বলেন, “মাত্র ২৭ ঘণ্টার বিক্ষোভে এমন পরিবর্তন আমি আগে দেখিনি। তবে এর মধ্যেও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের ছাপ রয়েছে। যারা ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে।”

    তিনি আরও জানান, নেপাল বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে এবং তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার হবে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।

    দ্য হিমালয়ান টাইমসের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৭২ জন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে ৫৯ জন বিক্ষোভকারী, ১০ জন কারাবন্দি ও তিনজন পুলিশ সদস্য।

    এদিকে নেপালের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কাঠমান্ডুতে মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগকে তারা সমর্থন করছে এবং নির্বাচনের পথে নেপালকে সহায়তা করবে।

    বিবৃতিতে সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের ভূমিকাকেও প্রশংসা করা হয়, যিনি শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং বেসামরিক সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ সুগম করেছেন।

  • কারফিউ তুলে স্বাভাবিকতার পথে নেপাল: নতুন সরকারের শপথের পর জনজীবনে স্বস্তি

    কারফিউ তুলে স্বাভাবিকতার পথে নেপাল: নতুন সরকারের শপথের পর জনজীবনে স্বস্তি

    এবিএনএ:  নেপালে টানা সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে স্বস্তির বাতাস বইতে শুরু করেছে। শনিবার কাঠমান্ডু উপত্যকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়। রাস্তায় নেমেছে সাধারণ মানুষ, খুলেছে বাজার-দোকান, আবারও জমে উঠছে স্বাভাবিক জনজীবন।

    শুক্রবার রাতে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেলের বাসভবন শীতল নিবাসে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুশীলা কারকি। শপথের পরপরই তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ২০২৬ সালের ৫ মার্চ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।

    এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দুর্নীতির অবসানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেকে হতাহত হন, যার ফলে আন্দোলন ভয়াবহ রূপ নেয়। সহিংসতায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৫১ জন, আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি। নিহতদের মধ্যে পুলিশ সদস্য, আন্দোলনকারী ও সাধারণ মানুষ রয়েছেন।

    কে পি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর কয়েকদিনের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাল সুশীলা কারকির শপথ। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, আজ থেকে চলাফেরায় কোনো বিধিনিষেধ নেই।

    এর ফলে কয়েকদিন পর পুনরায় চালু হয়েছে গণপরিবহন, দূরপাল্লার গাড়িও ছেড়েছে। রাস্তায় জট দেখা গেলেও জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি। একাধিক সরকারি ভবন ও বাজার এলাকায় চলছে পরিচ্ছন্নতার কাজ, যা সাম্প্রতিক সহিংস বিক্ষোভে ভস্মীভূত হয়েছিল।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সহিংসতার সময় প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ বন্দি পালিয়ে যায় কারাগার থেকে। তাদের মধ্যে এক হাজার জনকে পুনরায় আটক করা গেলেও বাকিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের শপথের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণার মাধ্যমে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে নেপাল। রাজনৈতিক সহিংসতার কালো অধ্যায় পেরিয়ে দেশটি এখন অপেক্ষা করছে স্থিতিশীল ভবিষ্যতের।

  • গোয়ালন্দে দরবার হামলা: ইমামসহ ২৪ গ্রেপ্তার, সাতজনের স্বীকারোক্তি

    গোয়ালন্দে দরবার হামলা: ইমামসহ ২৪ গ্রেপ্তার, সাতজনের স্বীকারোক্তি

    এবিএনএ:  রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার দরবার শরীফে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ভক্ত রাসেল মোল্লা হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার অভিযানে আরও অগ্রগতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ জানায়, এ পর্যন্ত মোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে সাতজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন গোয়ালন্দ বাজার বড় মসজিদের ইমাম মাওলানা আবু সাঈদ (৪৫) এবং গোয়ালন্দ পৌর এলাকার দেওয়ানপাড়া গ্রামের যুবক রাসেল শেখ (২৪)। তাদের ফরিদপুর ও ঢাকায় অভিযান চালিয়ে ধরা হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) শরীফ আল রাজীব জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর মামলায় ১৬ জনকে এবং রাসেল হত্যাকাণ্ডে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যেই অপু, বিল্লু, সোহান সরদার, অভি মণ্ডল রঞ্জু, মাওলানা আব্দুল লতিফ, আবু সাঈদ ও রাসেল শেখ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    মামলার বাদী নিহত রাসেলের বাবা আমজাদ মোল্লা। তিনি প্রায় সাড়ে তিন হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকেও পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

    গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ইমান আকিদা রক্ষা কমিটির ব্যানারে তৌহিদি জনতা বিক্ষোভ মিছিল করে। এরপর নুরাল পাগলার দরবারে হামলা চালানো হয়। পাল্টা প্রতিরোধে সংঘর্ষ বাঁধে, এতে ভক্ত রাসেল নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হন। দরবারে আগুন দেওয়া হয় এবং পুলিশের ওপর হামলাও ঘটে।

    পুলিশ জানায়, উত্তেজনার সূত্রপাত হয়েছিল নুরাল পাগলার দাফনকে ঘিরে। ২৩ আগস্ট তার মৃত্যু হলে ভক্তরা দরবারের ভেতরে কবর দেন। তৌহিদি জনতা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছিল। অবশেষে ক্ষুব্ধ জনতা মরদেহ কবর থেকে তুলে এনে মহাসড়কের পদ্মার মোড়ে পুড়িয়ে দেয়।

  • বাগেরহাটে চার আসন বহালের দাবিতে হরতাল শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    বাগেরহাটে চার আসন বহালের দাবিতে হরতাল শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    এবিএনএ,বাগেরহাট:  বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ৩৬ ঘণ্টা শেষে স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এক জরুরি সভায় কমিটির কো-কনভেনর ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ সালাম এ ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তিনি পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

    ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী রোববার জেলার সব সরকারি অফিস-আদালতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। পাশাপাশি সোম, মঙ্গল ও বুধবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা তিন দিনের হরতাল চলবে। তবে রাতের সময় হরতালের বাইরে থাকবে।

    সভায় জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, বিএনপি নেতা মোজাফফর রহমান আলম, শেখ মোহাম্মদ ইউনুস আলীসহ কমিটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    তাদের অভিযোগ, হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিলসহ একাধিক কর্মসূচি পালনের পরও নির্বাচন কমিশন কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এমএ সালাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কমিশন যদি চারটি আসন বহালের দাবি না মানে তবে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে। পাশাপাশি আসন রক্ষায় আগামী সপ্তাহে উচ্চ আদালতে রিট করার সিদ্ধান্তও জানানো হয়।

    হরতাল চলাকালে জেলার বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি হওয়ায় বাগেরহাট কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যাত্রী ও স্থানীয়রা চরম ভোগান্তির শিকার হন। বাড়তি ভাড়া, কখনও হেঁটে, কখনও ইজিবাইক বা ভ্যানে যাতায়াত করতে হয়েছে তাদের।

    এছাড়া রাতের বেলায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে ট্রাকচালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও সর্বদলীয় কমিটির নেতারা এসব ঘটনায় নিজেদের জড়িত নয় বলে দাবি করেছেন।

    উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন বাগেরহাটের চারটি আসন কমিয়ে তিনটিতে সীমিত করার প্রস্তাব দেয়। পরে ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। এতে বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ নম্বর আসন রাখা হয়। দীর্ঘদিন ধরে চারটি আসনে নির্বাচন হয়ে আসলেও এবার একটি আসন সংকোচনকে গণমানুষের দাবির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় নেতারা।