Tag: বিক্ষোভ

  • শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগ

    শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা, থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগ

    এবিএনএ: রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ সময় ডাকসুর আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও থানার ভেতরে আটকা পড়েন বলে জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, ক্যাম্পাসে কথিত গুপ্ত রাজনীতি এবং জাইমা রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে সন্ধ্যার দিকে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।

    একপর্যায়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন।

    অভিযোগ রয়েছে, এ সময় থানার ভেতরে ঢুকে মুসাদ্দিকের ওপর হামলা চালানো হয়। ঘটনাস্থলে ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভিও অবস্থান করছিলেন।

    ঘটনার পর থানার বাইরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। ঘটনাটি ঘিরে শাহবাগ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের বিস্ফোরণ—ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে উত্তাল পরিস্থিতি

    মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের বিস্ফোরণ—ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে উত্তাল পরিস্থিতি

    এবিএনএ,মোংলা:  মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একদল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, সীমাহীন অনিয়ম এবং রোগীদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার আর ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা করায় উত্তাপ্ত হয়ে উঠছে মোংলার রাজনৈতিক অঙ্গন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এহেন কর্মকান্ড এবং ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে কলেজ ছাত্রছাত্রী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা।
    বৃহস্পতিবার সকালে মোংলা সরকারি কলেজের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষ সেখানে চিকিৎসা নিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ডাক্তারদের হাতে লাঞ্ছিত ও দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছেন। সরকারি ওষুধ রোগীদের না দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া, সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে ক্লিনিকে রোগী দেখা এবং নিম্নমানের চিকিৎসা সেবার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসবের প্রতিবাদ করতে গেলেই সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

    বিক্ষোভ কর্মসুচিতে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই মামলায় ছাত্রদল নেতা সজিব মিয়া শান্ত এবং যুবদল নেতা মোঃ মানিককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বক্তারা এই মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত’ দাবি করে অবিলম্বে নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

    আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী প্রধানত কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দুর্নীতিবাজ ও দুর্ব্যবহারকারী চিকিৎসকদের অবিলম্বে অপসারণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গরিব অসহায় মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা ও সরকারি ওষুধের নিশ্চয়তা দেওয়া।

    এদিন মোংলা সরকারি কলেজের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে শত শত শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনসাধারণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা এতে অংশ নেন। তারা স্লোগান দেন, ডাক্তারদের অনিয়ম সইবে না আর মোংলাবাসী” এবং “মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করো, শান্ত-মানিকের মুক্তি দাও”। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয় এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার না করা হয়, তবে আগামীতে মোংলায় আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    এই কর্মসূচির ফলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসকদের কর্মকান্ড ও তাদের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা গেছে।

  • মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    মোংলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী, মানববন্ধন ও বিক্ষোভে সরব জনগণ

    এবিএনএ,মোংলা : মোংলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বিশ্বাসের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয় শতশত নারী-পুরুষ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের দিগরাজ রাজারে বিএনপি নেতা হাবিবের বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। এ মানববন্ধনে বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা নারী-পুরুষেরা অংশ নেন।

    মানববন্ধন শেষে সেখানে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা যুবদল নেতা শেখ জিহাদুল ইসলাম মৃদুল, বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনি পাটোয়ারী, উপজেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক নুর নাহার বেগম।
    এ সময় বক্তারা বলেন, হাবিব একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। সে এখানকার ঘের ও জমি দখল করছে। তেল পাম্প, হোটেল ও দেকানপাট থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদা নিচ্ছে। আর সে প্রতিনিয়ত মদ্যপান করে মাতাল অবস্থায় থাকে। স্থানীয় নারীদেরকে কুপ্রস্তাবসহ গালিগালাজ ও অপমান অপদস্ত করে থাকে। এই চাঁদাবাজকে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সভাপতির পদ থেকে বহিস্কৃত করতে হবে। অন্যথায় আমরা বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। আমরা এ বিষয়ে দ্রুত উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের মোংলা-রামপালের এমপি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, কোনভানেই চাঁদাবাজী, দখল, সন্ত্রাসী ও মাদক বরদাস্ত করা হবেনা। আমরা সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই, চাঁদাবাজ হাবিবকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার চাই।
  • গুলিবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদের মাঝেই চমক! ইলহান ওমরের সম্পদ তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    গুলিবিদ্ধ মৃত্যুর প্রতিবাদের মাঝেই চমক! ইলহান ওমরের সম্পদ তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট দলীয় কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের সম্পদের বিষয়ে তদন্ত শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে এক বিক্ষোভকারীর গুলিতে মৃত্যুকে ঘিরে যখন ট্রাম্প প্রশাসন তীব্র সমালোচনার মুখে, ঠিক সেই সময় এই ঘোষণা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ট্রাম্প জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টম হোম্যানকে তিনি মিনেসোটায় পাঠাচ্ছেন। সেখানে এক নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে টানা বিক্ষোভ চলছে। ওই ঘটনার জেরে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মিনেসোটায় ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কল্যাণ তহবিল জালিয়াতির অভিযোগে একটি বড় তদন্ত চলছে। তার দাবি, এই আর্থিক অনিয়মই সহিংস ও সংগঠিত বিক্ষোভের পেছনে আংশিকভাবে দায়ী।

    একই পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিচার বিভাগ এবং কংগ্রেস ইলহান ওমরের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সোমালিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শূন্য হাতে আসা ইলহান ওমরের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ নাকি ৪৪ মিলিয়ন ডলারের বেশি। সময়ই এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইলহান ওমরের সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যেখানে তার বর্তমান স্বামীর আর্থিক অবস্থার প্রভাব রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এর আগেও ট্রাম্প একাধিকবার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর আহ্বান জানিয়েছিলেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইলহান ওমরের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। সোমালি বংশোদ্ভূত এই মুসলিম কংগ্রেস সদস্য ট্রাম্পের অন্যতম কড়া সমালোচক। মিনিয়াপোলিস থেকে নির্বাচিত ইলহান ওমর অতীতে ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও সোমালি সম্প্রদায় নিয়ে তার মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন।

    প্রসঙ্গত, গত মাসেও ট্রাম্প ইলহান ওমর ও সোমালি সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন।

  • অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উত্তাল রাজপথ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে উত্তাল রাজপথ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজারো মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। মঙ্গলবার দেশজুড়ে শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও অভিবাসনপন্থি সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

    ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে তার অভিবাসন দমননীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে এক মার্কিন নারীকে গাড়ি থেকে জোরপূর্বক নামানো এবং ৩৭ বছর বয়সী রেনে গুড নিহত হওয়ার ঘটনায় জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওয়াশিংটন ডিসি ছাড়াও নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিলের মতো ছোট শহরগুলোতেও শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ‘নো আইসিই, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের বিষয়ে তারা ভোটারদের কাছ থেকে সুস্পষ্ট সমর্থন পেয়েছে। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, আইসিই ও অন্যান্য ফেডারেল সংস্থার অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক।

    ওহাইওর ক্লিভল্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা ‘নো হেইট, নো ফিয়ার, রিফিউজিস আর ওয়েলকাম হিয়ার’ স্লোগানে বিক্ষোভ করেন। একই সময়ে নিউ মেক্সিকোর সান্তা ফেতে হাই স্কুল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে ‘স্টপ আইসিই টেরর’ সমাবেশে অংশ নেন।

    ইন্ডিভিজিবল, ৫০৫০১সহ বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন, শ্রমিক ইউনিয়ন ও তৃণমূল আন্দোলনকারীরা এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। টেক্সাসের এল পাসোর একটি অভিবাসী আটক কেন্দ্রে ছয় সপ্তাহে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। এই বিক্ষোভ এখন সান ফ্রান্সিসকো ও সিয়াটলের মতো পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

  • ইরানের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের নেপথ্যে কারা? যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে আঙুল খামেনির

    ইরানের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের নেপথ্যে কারা? যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে আঙুল খামেনির

    এবিএনএ: ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই পরিস্থিতির অন্যতম ‘অপরাধী’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।

    শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত এক ভাষণে খামেনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সাম্প্রতিক ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবেই জড়িত। তার অভিযোগ, বিদেশি শক্তির মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা উসকে দিয়ে দেশজুড়ে রক্তপাত ঘটিয়েছে।

    খামেনির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চক্রগুলোই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং এতে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ গেছে। তিনি বলেন, এই সহিংসতা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন নয়, বরং বহিরাগত শক্তির পরিকল্পিত অপচেষ্টা।

    ইরানি কর্তৃপক্ষও সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য বিদেশি শক্তিগুলোর দিকে আঙুল তুলছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রেখেছে।

    খামেনি তার বক্তব্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান এই পরিস্থিতিকে সীমান্তের বাইরে সামরিক সংঘাতে রূপ দিতে চায় না। তবে দেশি বা বিদেশি যেকোনো অপরাধীকে শাস্তির আওতার বাইরে রাখা হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

    এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ

    হাদি হত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতুর মুখে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার পর সংগঠনটির কয়েকশ নেতা-কর্মী সেতুর মুখে অবস্থান নেন। পরে ধীরে ধীরে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। শুরুর দিকে সেতুর মুখে সড়কের এক পাশে অবস্থান নিলেও পরে উভয় পাশে অবস্থান নেন তারা। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজার, বান্দরবান,ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেতুর দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

    ইনকিলাব মঞ্চ চট্টগ্রামের আহ্বায়ক রাফসান রাকিব বলেন, কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাহ আমানত সেতুর মুখে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

  • বিক্ষোভ ও হুমকির জেরে অচল শিলিগুড়ি–আগরতলা ভিসা সেন্টার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের সামনে উত্তাল পরিস্থিতি

    বিক্ষোভ ও হুমকির জেরে অচল শিলিগুড়ি–আগরতলা ভিসা সেন্টার, কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনের সামনে উত্তাল পরিস্থিতি

    এবিএনএ: ভারতের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে শিলিগুড়ি ও আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনেও দিনভর উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভিসা সেবার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।

    এর আগে শিলিগুড়ি ও কলকাতায় একাধিক সংগঠনের বিক্ষোভে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সংবলিত ফ্লেক্স ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। শিলিগুড়িতে প্রকাশ্যেই বাংলাদেশ ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখার হুমকি দেওয়া হয়।

    দুপুরের দিকে ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে জমায়েত করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। সেখান থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে যায়। সেখানে উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা পতাকা সংবলিত ফ্লেক্স ছিঁড়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভিসা সেন্টার ঘিরে ফেলে। ওই দিন আগে থেকেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশের মাধ্যমে ভেতরে গিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার হুমকি দেয়।

    এদিকে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে একদিনে তিন দফা বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে ‘নাস্তিক মঞ্চ’, পরে জাতীয় কংগ্রেস এবং সর্বশেষ বিজেপি ও বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে হিন্দু সনাতনী সংগঠনের কর্মীরা বিক্ষোভে অংশ নেন। এক পর্যায়ে পুলিশি বাধা অতিক্রম করতে গিয়ে ধস্তাধস্তি ও সড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটে।

    শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, দিপু দাস হত্যার প্রতিবাদে এর আগের দিন দিল্লি ও ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন রাজ্যেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। চলমান এই পরিস্থিতিতে ভারতস্থিত বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশন ও ভিসা সেবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

  • বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগে থমথমে ধানমন্ডি ৩২ এলাকা

    বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগে থমথমে ধানমন্ডি ৩২ এলাকা

    এবিএনএ:  ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকাতেও বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্দোলনকারীরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ওই এলাকার একটি ভবনের ভেতরে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকশ বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ওই এলাকায় সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেয়। এতে আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কিছু বিক্ষোভকারী ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে অগ্নিসংযোগ করে এবং বাইরে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। এদিকে হাদির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও মিছিল ও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

    সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় আন্দোলনকারীদের অবস্থান অব্যাহত ছিল।

  • হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ, শরণখোলা: শুক্রবার দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বাগেরহাটের শরণখোলায় বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সভা করেছে শরণখোলা উপজেলা বিএনপি। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল ৪:০০ টায় শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা পাঁচরাস্তা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি রায়েন্দা বাজার প্রদক্ষিণ করে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল শেষে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল, সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন,ধানসাগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুজ্জামান বাবু, রায়েন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, শরণখোলা উপজেলা যুবদল নেতা মাসুম হোসেন, শরণখোলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন জোমাদ্দারসহ শরণখোলা উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতেই ওসমান হাদীর উপর হামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা সম্পুর্ন পরিকল্পিত। জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা ওসমান হাদীর উপর হামলায় জড়িতদের অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমান বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা বর্তমান বাংলাদেশে একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনায় আওয়ামী প্রেতাত্মারা জড়িত। শরণখোলা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ওসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।