Tag: বিএনপি

  • টেলিকম নীতিমালা নিয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা বিএনপির

    টেলিকম নীতিমালা নিয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা বিএনপির

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রণীত ‘ড্রাফট টেলিকম নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং রিফর্ম পলিসি ২০২৫’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিএনপি। দলটির দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা দ্রুততার সঙ্গে গ্রহণ না করে, প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ ও অংশগ্রহণমূলক সংলাপ।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, “নীতিমালার উদ্দেশ্য ভালো হলেও, এর প্রয়োগ পদ্ধতিতে অস্পষ্টতা রয়েছে। SME এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারা বড় ধাক্কা খেতে পারেন। এই নীতিমালা একতরফাভাবে না করে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন।”

    বিএনপির অভিযোগ, নীতিমালার প্রস্তাব অনুযায়ী একাধিক সেবাখাতে মালিকানার সীমা তুলে দিলে বড় অপারেটররা বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করতে পারবে। এতে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে এবং বাজারের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

    SME ও স্থানীয় অপারেটরদের জন্য অনিশ্চয়তা
    ডি-রেগুলেশনের ফলে SME ও স্থানীয় ISP গুলো আর্থিকভাবে চাপে পড়তে পারে বলে জানায় বিএনপি। নীতিমালায় এদের দায়বদ্ধতা ও সম্পদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকনির্দেশনার অভাব রয়েছে।

    বিদেশি মালিকানার অস্পষ্ট সীমা নিয়ে আশঙ্কা
    মির্জা ফখরুল বলেন, বিদেশি মালিকানা নিয়ন্ত্রণে স্পষ্টতা না থাকায় ভবিষ্যতে দেশীয় নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে।

    এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, “দেশীয় উদ্যোগ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বড় কোম্পানির একচেটিয়া দখল মানেই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মৃত্যু।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ।

    বিএনপি সরকারকে অনুরোধ জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে যেকোনো নীতিগত পদক্ষেপের আগে আর্থিক ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনা করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে এ ধরনের নীতিমালা একতরফাভাবে বাস্তবায়ন সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে বিএনপির মন্তব্য।

  • “মুক্তিযোদ্ধা হয়েও সদস্যপদ বঞ্চিত!”—বিএনপি ঘরানার মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ বৈষম্যের

    “মুক্তিযোদ্ধা হয়েও সদস্যপদ বঞ্চিত!”—বিএনপি ঘরানার মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ বৈষম্যের

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটিতে আওয়ামী লীগপন্থীদের একচেটিয়া উপস্থিতি এবং বিএনপিপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবিচার ও বৈষম্য করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ এনেছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।

    মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, “বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি প্রায় সম্পূর্ণভাবে ক্ষমতাসীন দলের অনুসারীদের দিয়ে গঠিত। শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যেমন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে গিয়েছিল, তেমনই এখনো কিছু বিতর্কিত ব্যক্তির কারণে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।”

    তিনি বলেন, “সংবিধান বা কোনো আইনেই বলা হয়নি বিএনপি করা কোনো মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য হতে পারবে না। অথচ বর্তমান কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট। মুক্তিযোদ্ধা হলেও, শুধুমাত্র বিএনপি করা মানেই সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত হওয়া—এটি গভীর অন্যায়।”

    সংবাদ সম্মেলনে ইসতিয়াক আরও বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান এই জাতিকে আত্মনির্ভরতার পথ দেখিয়েছিলেন। তার দল গঠন ও নেতৃত্বে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছে। অথচ এখন তার দলের মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত হচ্ছে। এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক।”

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার শহীদ বাবলু, মো. মোবারক, শরীফ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার।

    তারা জানান, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই ও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা থাকছে না, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অসম্মান করে। সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বৈষম্যের অবসান দাবি করে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার আহ্বান জানানো হয়।

  • “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শহীদদের রক্ত বৃথা না যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

    খালেদা জিয়া বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র ও জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এ লড়াইয়ে নিহতদের ত্যাগ আমাদের পথ দেখায়।” তিনি তাদের জন্য যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, বিচার ও পুনর্বাসনের দাবি জানান।

    তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই দেশে একদলীয় শাসনের ভয়াবহতা চলছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে দমন করা হচ্ছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

    বিএনপির চেয়ারপারসন এ সময় গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য তালিকা প্রণয়ন, ন্যায়বিচার ও সম্মানজনক পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, “এই রক্তের মূল্য দিতে হবে। বীরদের আত্মত্যাগ যেন ব্যর্থ না হয়। আমাদের সবার দায়িত্ব শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়া এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”

    অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। সভার শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও শহীদদের অবদান তুলে ধরা হয়।

    খালেদা জিয়া তার বক্তব্যের শেষে বলেন, “চলুন, আমরা সবাই মিলে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করি, জনগণের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করি এবং আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করি।”

  • প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছরে সীমাবদ্ধ করার প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষে একমত বিএনপি

    প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছরে সীমাবদ্ধ করার প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষে একমত বিএনপি

    এবিএনএ:  একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন— এমন সাংবিধানিক বিধান অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে সম্মত হয়েছে বিএনপি। বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

    তিনি বলেন, “শুধু নির্বাহী ক্ষমতা কমিয়ে দিলে রাষ্ট্র সঠিকভাবে চলবে— এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতে একজন ব্যক্তি স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ করেছেন বলে সার্বিকভাবে নির্বাহী ক্ষমতা খর্ব করা যৌক্তিক নয়। আমাদের মানসিকতা হতে হবে ভারসাম্য রক্ষার দিকেই।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, সাংবিধানিক নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কারের বিষয়ে বিএনপি মনে করে— বিদ্যমান আইনের আওতায় সার্চ কমিটি বা কমিশন ব্যবস্থার মাধ্যমেই নিয়োগ সম্পন্ন করা সম্ভব। তবে এসব প্রতিষ্ঠান যেন নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত থাকে, সেজন্য জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আইনি সংস্কার প্রয়োজন।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংবিধানে আলাদা নতুন কোনো নিয়োগ বডি গঠনের প্রয়োজন নেই। বরং বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই উত্তরোত্তর উন্নয়ন সম্ভব।”

    বৈঠকে সংবিধানের মূলনীতিসমূহ নিয়েও বিস্তৃত আলোচনা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ এবং ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ বাক্যগুলো সংবিধানে বহাল রাখতে চায়।

    তবে শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধই নয়, বিএনপি চায় আধুনিক রাষ্ট্রের নীতি হিসেবে গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সহনশীলতাকেও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে।

    জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন দিক বিবেচনায় বিএনপির এমন শর্তসাপেক্ষ সহমত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    নগর ভবনে ইশরাক সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিককে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি!

    এবিএনএ:  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় সংঘর্ষ কাভার করতে যাওয়া একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হন, এমনকি একজনকে ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টার দিকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান প্রিন্স তার সমর্থকদের নিয়ে নগর ভবনে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত দলের আরেক পক্ষের নেতা আরিফ চৌধুরীর অনুসারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তেই তা রূপ নেয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায়। দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হলেও তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

    পরে দেখা যায়, আরিফুজ্জামানের অনুসারী সন্দেহে নগর ভবনের এক কর্মী শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে মারধর করা হয়। পুলিশ হস্তক্ষেপ করলেও ইশরাক সমর্থকরা তাকে পুলিশের কাছে তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানান। একইভাবে আরেক ব্যক্তিকেও প্রিন্সের অনুসারী সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হতে হয়। পুলিশ পরে দুইজনকেই উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    ঘটনার বিষয়ে আরিফুজ্জামান প্রিন্স দাবি করেন, নগর ভবনে তাদের শান্তিপূর্ণ প্রবেশকে প্রতিহত করতে প্রতিনিয়ত বহিরাগতরা হুমকি ও হামলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি জানান, তারা একত্রে প্রবেশের চেষ্টা করলেই প্রতিপক্ষ অতর্কিত হামলা চালায়।

    অন্যদিকে, আরিফ চৌধুরীর ভাষ্যমতে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে নগর ভবনে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি এসে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে অন্তত আটজনকে আহত করে।

    এই সংঘর্ষ চলাকালে সংবাদ সংগ্রহে থাকা সাংবাদিকদেরও ছাড় দেওয়া হয়নি। নাগরিক টেলিভিশনের রিপোর্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শিশির জানান, তিনি ভিডিও ধারণ করছিলেন, এমন সময় তার মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে সব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়। এমনকি তাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়।

    এনটিভির রিপোর্টার নাজিবুর রহমানও জানান, তাকে এবং তার ক্যামেরাম্যানকে ভয় দেখিয়ে ভিডিও ধারণ থেকে বিরত রাখা হয়।

    এই ঘটনায় নগর ভবনে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং তথ্য সংগ্রহের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে ইশরাকপন্থীদের বিরুদ্ধে।

  • তিন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে বিএনপি, রোববারই শুরু

    তিন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে বিএনপি, রোববারই শুরু

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আগামি রোববার তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। দলটি অভিযোগ করেছে, এসব নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং কমিশনের ভূমিকা ছিল পক্ষপাতদুষ্ট।

    শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দশম (২০১৪), একাদশ (২০১৮) ও দ্বাদশ (২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী তিনজন সিইসি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

    📍 মামলার প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া:

    রোববার সকালে একটি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রথমে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যাবে মামলার আবেদনপত্রের একটি অনুলিপি জমা দিতে। পরে, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শেরে বাংলানগর থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার আবেদন করবেন তারা।

    প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তার সঙ্গে থাকবেন আরও দুইজন সদস্য।

    ⚖️ কারা মামলার আওতায় আসছেন?

    • কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ – দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সিইসি (২০১৪)

    • কেএম নূরুল হুদা – একাদশ সংসদ নির্বাচন পরিচালনাকারী সিইসি (২০১৮)

    • কাজী হাবিবুল আউয়াল – সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (২০২৪)

    বিএনপির অভিযোগ, এই তিনজনের অধীনে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনেই ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ রয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।

    📌 রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

    বিএনপির এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে আসছে, যখন নতুন সরকার গঠনের পর আন্তর্জাতিক মহলও নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড তদন্তের ইঙ্গিত দিয়েছে।

    তবে সরকারপক্ষ এখনও এই মামলা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বিএনপি মনে করে, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।


    এই মামলার মাধ্যমে বিএনপি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফেরানো ও কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দাবিতে আরও জোরালো অবস্থানে যেতে চায় বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি বদলে নতুন পথ খুঁজছে রাজনৈতিক দলসমূহ: আলী রীয়াজ

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি বদলে নতুন পথ খুঁজছে রাজনৈতিক দলসমূহ: আলী রীয়াজ

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তনের ব্যাপারে প্রায় সকল রাজনৈতিক দল ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে একটি নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া গঠন করতে তারা আগ্রহী।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার চতুর্থ দিনে এই তথ্য জানান তিনি। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, এই আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনের জন্য একমত পোষণ করেছে। তবে নতুন পদ্ধতির বিস্তারিত নিয়মাবলী নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা হবে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতির সঙ্গে সংযুক্ত দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনের প্রস্তাবে অধিকাংশ দল সমর্থন জানিয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর পদে পরপর দুই মেয়াদে থাকার নিয়ম নিয়ে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ কেউ বিরতি দিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর পদে আসার সম্ভাবনার বিষয়ে কমিশনের কাছে বিবেচনার আবেদন করেছে।

    অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার পরিবেশ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং প্রতিটি দল স্বাধীনভাবে মত প্রকাশে স্বতন্ত্র।

    আগামী রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দ্বিতীয় দফার পঞ্চম বৈঠকে পুনরায় সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেসব বৈঠকের মাধ্যমে রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য গড়ে উঠবে।

    আজকের আলোচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) সহ মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।

  • জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের সংলাপে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশিত হয়েছে। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে যৌথ বিবৃতিতে তাদের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির যৌথ বিবৃতি আমাদের জন্য অগ্রহণযোগ্য।” এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

    জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে, যেখানে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে তারা মনে করেন, প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরে টেলিভিশনে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো।

    দলটি জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা নিরপেক্ষভাবে সকল রাজনৈতিক দলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাদের মতে, যৌথ বিবৃতি দেয়ার আগে সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।

    এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা মনে করে, নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও মানবতাবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা উচিত।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে, তারা আশা করছেন, উভয় দল আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাবে।

    এখন দেখার বিষয় হলো, জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌ন ও রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করে।

  • ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    ইশরাক হোসেনের হুঁশিয়ারি: আন্দোলন থামবে না, জরুরি সেবা চলবে আগের মতো

    এবিএনএ:

    বিএনপি নেতা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রার্থী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, তাকে মেয়র হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, এ আন্দোলনের কারণে নগরবাসীর জরুরি নাগরিক সেবা ব্যাহত হবে না।

    রবিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় রাজধানীর নগর ভবনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে ইশরাক এই ঘোষণা দেন। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন করছি। জনগণের সেবা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে আমাদের সর্বোচ্চ নজর থাকবে।”

    তিনি আরও বলেন, “ডিএসসিসির দায়িত্ব নেওয়ার বৈধ অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি, তাই আমার শপথ গ্রহণের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

    এদিকে, সকাল থেকেই বিএনপির অসংখ্য নেতা-কর্মী নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ইশরাকের পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন এবং তাকে দ্রুত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।

    আন্দোলনের ফলে জনজীবন কিছুটা প্রভাবিত হলেও ইশরাক নিশ্চিত করেন যে, চিকিৎসা, পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জরুরি নাগরিক সেবা চালু থাকবে।

    ডিএসসিসির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লেও, সাধারণ নাগরিকদের জন্য স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন—আন্দোলন চললেও সেবামূলক কার্যক্রম থেমে থাকবে না।


  • রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    এবিএনএ:

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রমজান শুরুর আগেই আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার (১৩ জুন) এক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

    বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের জন্য এপ্রিলের প্রথমার্ধকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনায় রেখেছেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, তারেক রহমান রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন এবং জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এই সময়কে উপযুক্ত মনে করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জানান, “যদি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়, তবে রমজানের আগের সপ্তাহেই নির্বাচন সম্ভব।” তিনি ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার এই মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানান। আলোচনার সফলতার জন্য প্রধান উপদেষ্টাও বিএনপি নেতাদের ধন্যবাদ জানান।