Tag: বাংলাদেশ

  • জাতীয় নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা: রাজধানীসহ ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    জাতীয় নির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা: রাজধানীসহ ৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়েছে, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। তবে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, দাকোপ, মনপুরা ও রাঙ্গাবালি—এই ছয়টি উপজেলা মোতায়েনের তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

    এর আগে বিজিবি জানায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে ১ হাজার ১৫১টি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে। ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় বাহিনীটি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী সময় মিলিয়ে মোট সাত দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় থাকবে। পরিপত্র অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মোতায়েন শুরু হয়ে চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি), কোস্ট গার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার অংশ নেবেন। ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন বাহিনীর ৮ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • এলপিজির দামে পরিবর্তন আসছে? চলতি মাসের নতুন মূল্য জানাবে রোববার

    এলপিজির দামে পরিবর্তন আসছে? চলতি মাসের নতুন মূল্য জানাবে রোববার

    এবিএনএ: চলতি জানুয়ারি মাসের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য ঘোষণা করা হবে রোববার (৪ জানুয়ারি)। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিইআরসি প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত জানুয়ারি ২০২৬ মাসের সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুসারে বেসরকারি খাতের এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ের দাম সমন্বয় করা হবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা রোববার বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

    এর আগে গত ২ ডিসেম্বর ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত দামের সঙ্গে খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে এখনও অসন্তোষ রয়েছে।

    নতুন ঘোষণার মাধ্যমে চলতি মাসে এলপিজির দামে পরিবর্তন আসে কি না, সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা।

  • বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    বুধবার সাধারণ ছুটি হলেও যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না—জেনে নিন বিস্তারিত

    এবিএনএ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী বুধবার থেকে টানা তিন দিন রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। পাশাপাশি তার জানাজার দিন বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

    মঙ্গলবার দুপুরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে এবং তার জানাজার দিনে সাধারণ ছুটি কার্যকর থাকবে।

    এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ৩১ ডিসেম্বর বুধবার নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

    তবে প্রজ্ঞাপনে ছুটির আওতার বাইরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলোর কথাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাসসহ জ্বালানি খাত, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা সেবা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক বিভাগ এবং এসব সেবার সঙ্গে যুক্ত যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন।

    এছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে। জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসগুলোকেও ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।

    ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রম সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ভোট ও গণভোট ঘিরে ডিজিটাল সতর্কতা: সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের কড়া নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    ভোট ও গণভোট ঘিরে ডিজিটাল সতর্কতা: সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের কড়া নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    এবিএনএ: আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সামগ্রিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে তথ্যপ্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো এবং সব ধরনের সাইবার অপরাধ কঠোরভাবে দমনের বিকল্প নেই।

    প্রধান উপদেষ্টা জানান, সরকার নাগরিক সেবাগুলোকে দ্রুত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসছে। দেশ ও প্রবাসে এসব সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে হলে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।

    তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার হালনাগাদ, দক্ষ জনবল তৈরি এবং সাইবার সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়নে একটি রেটিং পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দেন।

    আর্থিক খাতে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

    সভায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ইতোমধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এ তালিকা সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে।

    তিনি আসন্ন নির্বাচন ঘিরে গুজব, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি ও বিটিআরসির মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, ব্যাংকিং খাতের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেক্টরাল সার্ট (CERT) গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

    সভায় আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, আইজিপি বাহারুল আলম ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বারবার শান্তির বার্তা তারেক রহমানের: নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় গণসংবর্ধনা মঞ্চে

    বারবার শান্তির বার্তা তারেক রহমানের: নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় গণসংবর্ধনা মঞ্চে

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিই মানুষের প্রধান আকাঙ্ক্ষা। জনগণের দোয়ায় প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকায় ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পরপর তিনবার বলেন, “আমরা দেশের শান্তি চাই।” তারেক রহমানের ভাষায়, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে একজন মা নিশ্চিন্তে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারেন।

    তিনি আরও বলেন, যে দেশে মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে—সেই বাংলাদেশই আমাদের লক্ষ্য। ১৯৭১ সালে যেমন দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালেও জনগণ সম্মিলিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, আজ দেশের মানুষ আবার কথা বলার স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। শক্তিশালী গণতন্ত্র এবং মজবুত অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

    এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনার মঞ্চে পৌঁছালে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ৩০০ ফিট সড়ক ও আশপাশের এলাকা। হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত জনতার ভালোবাসার জবাব দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত তার গাড়িবহরকে ঘিরে দেখা যায় বিপুল জনসমাগম ও উৎসবমুখর পরিবেশ।

  • নির্বাচন নিয়ে বার্তা: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে পাঁচ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি

    নির্বাচন নিয়ে বার্তা: প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে পাঁচ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি

    এবিএনএ: বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন প্রভাবশালী আইনপ্রণেতা।

    মঙ্গলবার দেওয়া ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস, বিল হুইজেঙ্গা ও সিডনি কামলাগার-ডোভ। তাঁদের সঙ্গে চিঠিতে আরও সই করেন কংগ্রেস সদস্য জুলি জনসন ও টম আর সুওজি। চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

    চিঠিতে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে আইনপ্রণেতারা বলেন, জাতীয় সংকটের এই সময়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণে ড. ইউনূসের এগিয়ে আসাকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

    তাঁরা উল্লেখ করেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিফলনের পরিবেশ তৈরি করতে হলে অন্তর্বর্তী সরকারকে রাজনৈতিক মতাদর্শের সব পক্ষের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করতে হবে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনিক ভূমিকার প্রতি সমর্থন থাকলেও একটি বড় রাজনৈতিক শক্তিকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া মৌলিক মানবাধিকার ও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    মার্কিন আইনপ্রণেতারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারে কাঠামোগত সংস্কারের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম স্থগিত রাখা বা ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনরায় সক্রিয় করলে এসব লক্ষ্য অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলেও চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে।

  • আজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস

    আজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস

    এবিএনএ:  আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি উপলক্ষে নানা আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

    দিবসটি স্মরণে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, আইনজীবী ও বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যানসহ বিচারাঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বরকে ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দিবস’ হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কারণ হিসেবে জানানো হয়, ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমবারের মতো উচ্চ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। সেই ঐতিহাসিক দিনটির স্মরণে প্রতিবছর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।

  • আবার কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল! ঘোড়াশালকে কেন্দ্র করে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প

    আবার কাঁপল ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল! ঘোড়াশালকে কেন্দ্র করে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলায় আবারও অনুভূত হয়েছে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভব করেন অনেকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশাল, যা আগারগাঁও আবহাওয়া অফিস থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, ভূমিকম্পের ধরণ ছিল মৃদু ও স্বল্পমাত্রার। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি নিশ্চিত করেছে যে, এই কম্পন ঢাকার উত্তর-পূর্ব দিকে আনুমানিক ২৩ কিলোমিটার দূর থেকে সূচিত হয়।

    এর আগে গত শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। যার উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে এবং ভূ-পৃষ্ঠ থেকে গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। সেই ভূমিকম্পে প্রাণহানি ঘটে অন্তত ১০ জনের, আহত হন ছয় শতাধিক মানুষ। ঢাকার বিভিন্ন ভবনে ফাটল দেখা দেয়, কোথাও কোথাও ভবন হেলে পড়ার ঘটনাও ঘটে।

    সেই ঘটনার পরদিন শনিবার আবারও সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশ এলাকায় অনুভূত হয় ৩ দশমিক ৩ মাত্রার নতুন আরেকটি ভূমিকম্প। একই দিন সন্ধ্যায় খুব কাছাকাছি সময়ে অনুভূত হয় আরও দুটি ভূমিকম্প—সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে ঢাকার বাড্ডায় রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ মাত্রা এবং তার মাত্র এক সেকেন্ড পর নরসিংদীতে উৎপন্ন ৪ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘন ঘন এমন কম্পন ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে এখনই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সাধারণ মানুষের মধ্যে হালকা উদ্বেগ থাকলেও বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়ার যায়নি।

    রাজধানীসহ আশপাশের এলাকাবাসী এখন অপেক্ষায়—এই কম্পন কি কেবল সতর্কবার্তা, নাকি আরও বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস? সময়ই বলবে তার উত্তর।

  • জুলাই সনদের দাবিতে জামায়াতসহ ৮ দলের বৈঠক: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত

    জুলাই সনদের দাবিতে জামায়াতসহ ৮ দলের বৈঠক: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছে জামায়াতসহ আট দলীয় জোট। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি বা গণভোটের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না আসায় তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ অবস্থায় আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত করার পরিকল্পনা নেয় দলগুলো।

    বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হবে, যেখানে জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি এবং নির্বাচনের আগেই গণভোট আয়োজনের দাবি জানানো হবে। তবে সেই আলোচনায় ইতিবাচক ফল না এলে আট দলের জোট কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়েছে।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর চরমোনাই), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

    নেতারা বলেন, জুলাই সনদের দাবিতে জনগণের প্রত্যাশা রক্ষায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, তবে সরকারের নীরবতা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী পদক্ষেপ আরও কঠোর হবে।

  • ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

    ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ল সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

    এবিএনএ: বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ক্ষমতা বহাল থাকবে।

    মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তার ঊর্ধ্বতন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা, পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে প্রেষণে থাকা সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাও এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

    এই বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির বিভিন্ন ধারার অধীনে নির্দিষ্ট অপরাধের মামলা গ্রহণ ও বিচারিক পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৭ সেপ্টেম্বর সশস্ত্র বাহিনীকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর থেকে সরকার ধাপে ধাপে এই মেয়াদ বাড়িয়ে আসছে।