Tag: বাংলাদেশ

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    এবিএনএ:  সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৮২ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তাদের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৫ জনে, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১৪৫ জন (এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১১৮ ও দক্ষিণ সিটিতে ৯০ জন), খুলনায় ৫৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, রংপুরে ১১ জন এবং সিলেটে পাঁচজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং একজনের খুলনা বিভাগে। একই সময়ে ৭৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৪৮ হাজার ১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। তার আগের বছর ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান এবং ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণই এ সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

  • অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    অক্টোবরে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার আশঙ্কা: পূজার ছুটিতে বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আবহাওয়া ও পূজার ছুটির কারণে এডিস মশার বংশবিস্তার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ বলে তারা মনে করছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছেছে এবং মৃত্যু ২১২ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন আরও ৯ জন, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৪২ জন রোগী।

    সেপ্টেম্বর মাসে এককভাবে ১৫ হাজার ৮৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৭৬ জন। আক্রান্তের হার অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসই ছিল বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ সময়। তবে অক্টোবরের শুরুতেই রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে।

    আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “এখন রোদ-বৃষ্টি মিলিয়ে যে আবহাওয়া চলছে, তাতে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা কঠিন। বৃষ্টি থেমে গেলেও আগামী দুই মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি রয়ে যাবে।”

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, “অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিক থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়বে। পূজার ছুটিতে ফাঁকা বাসাবাড়ি ও জমে থাকা পানি থেকে মশা জন্ম নিচ্ছে। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল ধোঁয়া দিয়ে নয়—জনসচেতনতা ও স্থানীয়ভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম জোরদার করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

  • দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে: ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১০৪২ জন

    এবিএনএ: সারা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) মশাবাহিত এই রোগে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১০৪২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২১২ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৯০৭ জন।

    রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো নিয়মিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকায় সর্বাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৮ জন, দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে আরও ২০১ জন ভর্তি হয়েছেন।

    এছাড়া বিভাগভিত্তিক হিসেবে বরিশালে ১৯৫ জন, চট্টগ্রামে ১০৪ জন, খুলনায় ৭২ জন, ময়মনসিংহে ৪১ জন, রাজশাহীতে ৮২ জন, রংপুরে ২৩ জন এবং সিলেটে ৫ জন নতুন করে ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯৮ জন ডেঙ্গুরোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ হাজার ২৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন, মারা যান ৫৭৫ জন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু ঘটে, আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। বর্তমান বছরের পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবারও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • বাংলাদেশকে কড়া বার্তা দিলো ভারত: ‘দোষ চাপানো অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যাস’

    বাংলাদেশকে কড়া বার্তা দিলো ভারত: ‘দোষ চাপানো অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যাস’

    এবিএনএ: খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে বাংলাদেশ সরকারের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী অভিযোগ করেছিলেন, পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে ‘ভারতের ইন্ধন’ রয়েছে।

    শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ অভিযোগকে সরাসরি অস্বীকার করে বলেন, “অন্যের ওপর দোষ চাপানো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তারা নিজেদের দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে।”

    তিনি অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে আরও বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের জন্য ভালো হবে যদি তারা আত্মসমালোচনা করে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর স্থানীয় উগ্রবাদীদের হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভূমি দখলের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত করে।”

    প্রসঙ্গত, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে খাগড়াছড়িতে এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে ‘জুম্ম ছাত্র–জনতা’। এসময় গুইমারা উপজেলায় সহিংস সংঘর্ষে প্রাণ হারান তিনজন। ঘটনায় সেনাবাহিনীর এক মেজরসহ ১৩ সেনাসদস্য, তিন পুলিশ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা আহত হন।

    এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দাবি করেন, খাগড়াছড়িতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোর নেপথ্যে ভারতের ভূমিকা রয়েছে। এই বক্তব্যকেই কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করল ভারত।

  • ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, তিন লাখ প্রার্থীর লড়াই মাত্র ৬৮৩ আসনের জন্য

    ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, তিন লাখ প্রার্থীর লড়াই মাত্র ৬৮৩ আসনের জন্য

    এবিএনএ: দেশের সরকারি কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক সংকট নিরসনে ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর (শুক্রবার)। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) আয়োজিত এ পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৬৮৩ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    পিএসসি জানিয়েছে, ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এমসিকিউভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষা শুধুমাত্র ঢাকায় নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।

    এবারের বিশেষ বিসিএসে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছে প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার প্রার্থী। অর্থাৎ, প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৪৫৬ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। যেহেতু এটি শিক্ষা ক্যাডারের বিশেষ বিসিএস, তাই নির্দিষ্ট বিভাগভিত্তিক প্রার্থীরাই নিজেদের বিভাগে প্রতিযোগিতা করবেন। ফলে বিভাগভেদে প্রতিটি শূন্যপদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ভিন্ন হবে।

    বিশেষ বিসিএসে অন্যান্য সাধারণ বিসিএসের মতো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয় না। সরাসরি ২০০ নম্বরের লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য পরে ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

    গত ২১ জুলাই ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২২ জুলাই থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলে ২২ আগস্ট পর্যন্ত। আবেদনকারীরা ২৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আবেদন ফি ছিল সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ২০০ টাকা এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ৫০ টাকা। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২১ থেকে ৩২ বছর

    পিএসসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি সাধারণ কলেজে ৬৫৩টি শূন্যপদে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০টি শূন্যপদে প্রভাষক নেওয়া হবে।

    বিভাগভিত্তিক শূন্যপদের মধ্যে সর্বাধিক ৬১টি পদ বাংলা বিভাগে। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৫৫টি, ইংরেজিতে ৫০টি, অর্থনীতিতে ৪০টি, দর্শন ও রসায়নে ৩০টি করে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৩২টি পদসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, একদিনে নতুন ভর্তি ৬৮৫ রোগী

    এবিএনএ:  দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আবারও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫০ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত একদিনে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬৮৫ জনকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে শুধু ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪৪ জন। এছাড়া ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এলাকায় ১২২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯ জন, খুলনায় ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৩৯ জন, বরিশালে ১২৫ জন, ময়মনসিংহে ২১ জন, রংপুরে ছয়জন এবং সিলেটে চারজন ভর্তি হয়েছেন।

    চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৮৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

  • টানা চার দিনের ছুটি: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে স্বস্তি সরকারি কর্মচারীদের

    টানা চার দিনের ছুটি: শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিতে স্বস্তি সরকারি কর্মচারীদের

    এবিএনএ:  সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আসছে টানা চার দিনের ছুটির সুখবর। শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটি একসঙ্গে মিলিয়ে ১ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ভোগ করবেন তারা।

    ২০২৫ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি এবং ২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) দুর্গাপূজার সাধারণ ছুটি থাকবে। এরপর ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি কর্মচারীরা একটানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন।

    সাধারণত ঈদে সরকারি চাকরিজীবীরা তিন দিনের এবং দুর্গাপূজায় এক দিনের ছুটি পেয়ে থাকেন। তবে কিছু বছরে নির্বাহী আদেশে তা বাড়ানো হয়। এবারও দুর্গাপূজায় ছুটি বাড়িয়ে টানা চার দিন করার ফলে কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

    ২০২৫ সালে দুই ঈদ মিলিয়ে মোট ১১ দিনের ছুটি এবং দুর্গাপূজায় দুই দিনের ছুটি অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। গত বছরের ১৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ তালিকা চূড়ান্ত করে।

    এবারের দুর্গাপূজার ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য এটি হয়ে উঠছে বছরের অন্যতম দীর্ঘ ছুটির একটি।

  • ভারতের নতুন আইন: বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-পাকিস্তানের অমুসলিম শরণার্থীদের বিশেষ সুবিধা

    ভারতের নতুন আইন: বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-পাকিস্তানের অমুসলিম শরণার্থীদের বিশেষ সুবিধা

    এবিএনএ:  ভারত সরকার প্রতিবেশী তিন দেশ—বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে আসা অমুসলিম শরণার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে। ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে বাঁচতে পাসপোর্ট বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করা এসব শরণার্থী এখন দেশটিতে শাস্তির ভয়ে ভীত না হয়ে অবস্থান করতে পারবেন।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট-২০২৫ অনুযায়ী, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তারা সিএএ’র (নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন) আওতায় আবেদন করতে পারবেন। এর আগে এই সুযোগ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সীমিত ছিল।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশ করলেও নির্যাতিত অমুসলিম সংখ্যালঘুরা ফেরত পাঠানো হবে না। তবে যারা বৈধ নথি ছাড়াই অন্য কারণে ভারতে অবস্থান করছেন, তাদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো বা নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এছাড়া নেপাল, ভুটান ও তিব্বতের কিছু নাগরিককেও বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে তারা যদি পাকিস্তান, চীন, ম্যাকাও বা হংকং হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন, তবে সেই সুবিধা পাবেন না। আইন ভঙ্গকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ৫ লাখ রুপি জরিমানা কিংবা কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষে অতিরিক্ত সময় অবস্থান করলে ধাপে ধাপে জরিমানা দিতে হবে। বিশেষত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের দীর্ঘমেয়াদি ভিসাধারী এবং তিব্বতি ও মঙ্গোলিয়ার বৌদ্ধ ভিক্ষুরাও এর আওতায় পড়বেন।

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ আইন পাস করে, যাতে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা অমুসলিম সংখ্যালঘুরা নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারেন। তবে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের ক্ষেত্রে এই আইনে বিশেষ ছাড় রয়েছে।

  • রোহিঙ্গা নিপীড়নের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করল ওআইসি

    রোহিঙ্গা নিপীড়নের ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করল ওআইসি

    এবিএনএ:  রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার আট বছর পূর্তিতে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) আবারও এই জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহতি জানিয়ে ন্যায়বিচার ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছে।

    সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, রোহিঙ্গারা এখনও রাষ্ট্রহীনতা, নিপীড়ন এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার। বর্তমানে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে শরণার্থী হিসেবে দিন কাটাচ্ছেন। অপরদিকে মিয়ানমারে হাজারো রোহিঙ্গা হত্যা, বৈষম্য এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন।

    ওআইসি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) চলমান মামলার প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানায়, যা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে কাজ করছে। একই সঙ্গে তারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিকে আইসিজের নির্দেশনা মেনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

    এ ছাড়া বাংলাদেশসহ ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলো যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা বিশেষভাবে প্রশংসা করেছে সংগঠনটি। বিবৃতিতে বলা হয়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মুসলিম বিশ্বের অবদান প্রশংসনীয় এবং এটি অব্যাহত রাখতে হবে।

    ওআইসি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সংকটের মূল কারণ নিরসনে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, এই বিশেষ দিনে ওআইসি রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহস ও দৃঢ়তাকে শ্রদ্ধা জানায় এবং তাদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করে।

  • রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে ১১ দেশ: যৌথ বিবৃতিতে মানবিক সমর্থনের অঙ্গীকার

    রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে ১১ দেশ: যৌথ বিবৃতিতে মানবিক সমর্থনের অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও ফিনল্যান্ডসহ মোট ১১টি দেশ রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে।

    ঢাকায় ফ্রান্স দূতাবাসের এক্স হ্যান্ডেল ও ফেসবুক পেজে সোমবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আগমনের আট বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মানবিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ডের ফলে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে এবং নতুন শরণার্থী এখনও আশ্রয়শিবিরে আসছে।

    দেশগুলো বাংলাদেশের সহনশীলতা ও স্থানীয় জনগণের মানবিক সহযোগিতার প্রশংসা করেছে। তারা রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা এখনো সম্ভব নয়।

    বিবৃতিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হয়েছে। সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণকেও সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের অংশগ্রহণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে।