Tag: বাংলাদেশ ক্রিকেট

  • তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    এবিএনএ: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম একপ্রান্ত সামলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাবর আজম ৩৭ এবং সালমান আলি আগা ৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের তুলনায় এখনও ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। খুব দ্রুতই সেই চাপের ফল পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৯ রান করে বিদায় নেন তরুণ এই ব্যাটার।

    এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান এদিন করেন ১৩ রান।

    দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে এই জুটিও বড় হতে দেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। ২১ রান করা মাসুদ কাভার অঞ্চলে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

    এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলও মিরাজের ঘূর্ণিতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চাপ কাটাতে সুইপ খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়, আর সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৮ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

    ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানকে সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম ও সালমান আলি আগা। বিশেষ করে বাবর ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে সিঙ্গেল-ডাবল আর বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের বোলাররা যদিও এখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন।

  • নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    স্পোর্টস ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে সফরকারী দলকে ১৬৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১০৪ রানের অনন্য জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটি টানা তৃতীয় টেস্ট জয়। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের পর এবার ঘরের মাঠেও ঐতিহাসিক সাফল্য পেল টাইগাররা। একই সঙ্গে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

    ২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর আজান আওয়াইস ও অধিনায়ক শান মাসুদও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।

    দলের বিপর্যয়ের মাঝেও আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজন মিলে ৫১ রানের জুটি গড়লেও সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৬৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে এলবিডব্লিউ হন ফজল। পরের ওভারেই তাসকিনের শিকার হন সালমান আগা।

    এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাদের বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। টানা দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান এই তরুণ পেসার।

    শেষদিকে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত ভেঙে পড়ে। হাসান আলিকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর শেষ দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলার হন তিনি।

    বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দারুণ সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে ৪১৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে পাকিস্তান ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে, যেখানে আজান আওয়াইস করেন সেঞ্চুরি।

    দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৮৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এতে পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। তবে শেষ পর্যন্ত টাইগার বোলারদের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

  • জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    এবিএনএ: দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও জাতীয় দলে জায়গা পেলেন ডানহাতি পেসার রিপন মণ্ডল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পেলেও একাদশে সুযোগ হয়নি রিপনের। এরপর দীর্ঘ সময় দলে জায়গা না পাওয়ার পর এবার নতুন করে সুযোগ পেলেন এই পেসার। দলে ফেরার খবর পেয়ে নিজের সন্তানের একটি ছবি শেয়ার করে আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।

    পোস্টে রিপন লেখেন, সন্তানের হাসিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। পরিবারের মুখে এই আনন্দ সবসময় দেখতে চান তিনি। আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ক্রিকেট খেলতে পারা পর্যন্ত যেন পরিবারের মুখে এমন হাসি বজায় থাকে।

    সমর্থকদের উদ্দেশে রিপন জানান, প্রশংসা তাকে অনুপ্রাণিত করে, তবে সমালোচনাও তার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সমালোচনা থেকে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারেন এবং সেগুলো শুধরে নিতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। তার অর্জনের পেছনে সমর্থকদের অবদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রিপন আরও বলেন, ভালো খেললে যেমন প্রশংসা করা হয়, খারাপ খেললে তেমনি যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। এতে নিজের ভুল বুঝে উন্নতির সুযোগ তৈরি হয়। পরিবারের মতো সমর্থকরাও তাকে পথ দেখান—এমন বিশ্বাসের কথাও তুলে ধরেন এই পেসার।

    জাতীয় দলে ফিরে নতুন উদ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রিপন মণ্ডল। সমর্থকদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সামনে সুযোগ পেলে দলের জন্য সেরাটা দিতে পারবেন।

  • ডিপিএলের দলবদলে প্রথম দিনেই চমক — রিয়াদ, সৌম্য, আফিফসহ ৭৯ ক্রিকেটারের নতুন ঠিকানা

    ডিপিএলের দলবদলে প্রথম দিনেই চমক — রিয়াদ, সৌম্য, আফিফসহ ৭৯ ক্রিকেটারের নতুন ঠিকানা

    এবিএনএ: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) ঘিরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে দলবদল কার্যক্রম। শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের দলবদলেই দল পরিবর্তন করেছেন মোট ৭৯ জন ক্রিকেটার। দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার নতুন দলে নাম লেখানোয় শুরুতেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

    প্রথম দিনের দলবদলে উল্লেখযোগ্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ইমন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আকবর আলী ও তানজিম হাসান সাকিব। দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে।

    প্রাইম ব্যাংকের চমক

    প্রথম দিনেই শক্তিশালী দল গঠন করে নজর কাড়ে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। তারা দলে ভিড়িয়েছে আজিজুল হক তামিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আলিস আল ইসলাম, আকবর আলী, এনামুল হক বিজয়, তানজিদ তামিম ও তানজিম হোসেন সাকিবকে। অভিজ্ঞ ও তরুণদের সমন্বয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ার চেষ্টা করেছে ক্লাবটি।

    আবাহনীর বড় সংগ্রহ

    ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আবাহনীও দলবদলে পিছিয়ে নেই। প্রথম দিনেই তারা দলে টেনেছে খালেদ আহমেদ, সাব্বির রহমান, জাকের আলী অনিক, মারুফ মৃধা, অনিক সরকার, রোহনাত দৌলা বর্ষণ, সাব্বির হোসেন, ইকবাল হোসেন ইমন এবং সৌম্য সরকারকে। শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ে শিরোপা ধরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে দলটি।

    মোহামেডানের বড়সড় পরিবর্তন

    মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবও বেশ কয়েকজন পরিচিত ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে। তাদের দলে যোগ দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়, পারভেজ হোসেন ইমন, ইয়াসির আলী, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয়, নাইম আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, রিপন মন্ডল, নাঈম শেখ, তানভীর ইসলাম, রিশাদ হোসেন এবং আফিফ হোসেন।

    অন্যান্য দলের দলবদল

    অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে যোগ দিয়েছেন নাসির হোসেন ও তৌফিক খান তুষারসহ পাঁচ ক্রিকেটার। বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সে গেছেন আল আমিন, রুয়েল মিয়া, ইরফান শুক্কুর ও নাহিদুল ইসলাম। এছাড়া সিটি ক্লাবে যোগ দিয়েছেন ১৫ জন ক্রিকেটার, গুলশান ক্রিকেট ক্লাবে ৩ জন এবং ঢাকা লেওপার্ডে যুক্ত হয়েছেন ১৫ জন।

    আবাহনীর পূর্ণ স্কোয়াড ঘোষণা

    দলবদল শেষ হওয়ার আগেই স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আবাহনী। কোচ হান্নান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের তালিকা প্রকাশ করেন।

    আসন্ন ডিপিএলে আবাহনীর স্কোয়াড:
    নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকার, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, সাব্বির রহমান, জিসান আলম, মেহরব হাসান অহিন, রাকিবুল হাসান, মাহফুজুর রাব্বি, সাব্বির হোসেন, অনিক সরকার, শামসুল ইসলাম অনিক, নাঈমুর নয়ন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইকবাল হোসেন ইমন, মারুফ মৃধা, রোহনাত দৌলা বর্ষণ, মেহেদি হাসান।

    উল্লেখ্য, আগামী ৪ মে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। দলবদলের শেষ দিন রবিবার, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে কার্যক্রম।

  • সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    এবিএনএ: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের দোরগোড়ায় গিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৬ রানের হার মেনেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের দুটি দায়িত্বশীল ফিফটি ম্যাচে আশা জাগালেও শেষদিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে হেনরি নিকলস ও ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতকে ভর করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

    এরপর সাইফ হাসান ও লিটন দাস জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন। তাদের ৯৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করলেও কিছুটা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন লিটন। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

    দুজনের ৫২ রানের জুটি ভাঙতেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। ৪১তম ওভারে আফিফ হোসেনকে ফেরান ব্লেয়ার টিকনার। তখনও বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল ছিল—৫৭ বলে দরকার ছিল ৬৪ রান, হাতে পাঁচ উইকেট।

    কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় ধস। টিকনারের আক্রমণে দ্রুত বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে চার ওভারে ৩৫ রান দরকার থাকলেও চাপ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ।

    শেষ জুটিতে তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে ৫৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে ম্যাচ শেষ করার আগেই ৪৯তম ওভারে ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।

    বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানে অলআউট হয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্লেয়ার টিকনার ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। স্মিথ তিন উইকেট নিয়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

  • অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিদায়ের সিদ্ধান্ত জানান। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।

    সবশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল। এরপর জাতীয় দলে আর সুযোগ পাননি। দীর্ঘ বিরতির পরই তিনি ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন।

    কেন এখনই অবসর?

    অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রুবেল বলেন, বয়স ও ফিটনেসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় আসরগুলোতেও নিয়মিত না থাকায় মনে হয়েছে এটাই উপযুক্ত সময়।

    তিনি জানান, দীর্ঘদিন জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। তবে তরুণ পেসারদের উত্থান এবং নিজের বাস্তবতা বিবেচনায় অবসর নেওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।

    আক্ষেপ রয়ে গেল

    আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রুবেল জানান, তার ভালো সময়েও নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সুযোগ পেলে ম্যাচ সংখ্যা ও উইকেট দুটোই বাড়তে পারত বলে মনে করেন তিনি।

    তার ভাষ্য, ক্যারিয়ারের কিছু সময় ভালো পারফরম্যান্স থাকলেও ধারাবাহিকভাবে দলে জায়গা হয়নি। তাই মনে হয় আরও দুই-তিন বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতেন। তবে এ নিয়ে ক্ষোভ না থাকলেও আক্ষেপ রয়ে গেছে বলে জানান এই পেসার।

    সেরা মুহূর্তগুলো

    রুবেলের কাছে ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত কিংবদন্তি ব্যাটারদের উইকেট পাওয়া। তিনি জানান, শচীন টেন্ডুলকার, এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং বিরাট কোহলির উইকেট তার কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে।

    এ ছাড়া ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিকেও ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ওই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

    চ্যালেঞ্জিং সময়েও পারফরম্যান্স

    ২০১৫ বিশ্বকাপের সময় ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় পার করলেও মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করতে পেরেছিলেন বলে জানান রুবেল। চাপের মধ্যেও দলের জন্য অবদান রাখতে পারাটা তার জন্য বিশেষ অর্জন ছিল।

    নিদাহাস ট্রফির স্মৃতি এখনো কষ্ট দেয়

    ক্যারিয়ারের কিছু হতাশার কথাও তুলে ধরেন এই পেসার। বিশেষ করে নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল ও ক্যারিয়ারের শুরুর একটি ম্যাচ তার কাছে এখনও কষ্টের স্মৃতি। তিনি মনে করেন, ওই সময় আরও পরিকল্পিত বোলিং করলে ফল ভিন্ন হতে পারত।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রুবেল জানান, আপাতত ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান। ভবিষ্যতে কোচিং বা ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তবে ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

    পেসার হান্ট চালুর আহ্বান

    বাংলাদেশে নতুন পেসার তুলে আনতে আবারও পেসার হান্ট কর্মসূচি চালুর আহ্বান জানিয়েছেন রুবেল। তিনি বলেন, নিজেও এমন একটি কর্মসূচির মাধ্যমে উঠে এসেছিলেন। তাই নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই অভিজ্ঞ পেসার।

  • ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    ঢাকা লিগ নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান, চলতি মাসেই দলবদল—মে’র শুরুতে মাঠে গড়ানোর প্রস্তুতি

    এবিএনএ: জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎসগুলোর একটি হলো ঢাকা লিগ। তবে চলতি মৌসুমে এই জনপ্রিয় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট সময়মতো আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। লিগ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল ক্রিকেট অঙ্গনে।

    মূলত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে সাবেক পরিচালনা পর্ষদ এবং ঢাকার ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে মতবিরোধের কারণে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন আটকে ছিল। এতে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন অনেক ক্রিকেটার, বিশেষ করে যারা জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন এবং এই লিগের ওপর নির্ভরশীল।

    পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে নতুন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর। গত বুধবার ঢাকা লিগ আয়োজন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তার উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয় এবং দ্রুত সমাধানের পথে এগোয় বিষয়টি।

    বৃহস্পতিবার বিসিবি কার্যালয়ে ঢাকার ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকে। এই বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রায় সব ক্লাবই লিগে অংশগ্রহণে সম্মতি জানিয়েছে। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় দলবদল ও লিগ শুরুর সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সূত্র মতে, চলতি মাসের মধ্যেই ঢাকা লিগের দলবদল সম্পন্ন করা হবে। এরপর আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মাঠে গড়াবে বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রতিযোগিতা। এতে করে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার ও ক্লাব কর্মকর্তাদের।

    এদিকে বিসিএলের প্রথম দুই রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২১ এপ্রিল থেকে। ওই পর্ব শেষ হওয়ার পর ৫ মে থেকে ঢাকা লিগ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াবে দেশের অন্যতম প্রধান ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

  • ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে নতুন বার্তা বিসিবির, পুনরায় সূচি ও প্রস্তুতি নিয়ে যা জানা গেল

    এবিএনএ: ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে। সাম্প্রতিক কিছু ইস্যুতে দুই বোর্ডের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্থিরতা কাটিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এ লক্ষ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক বার্তাও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার নাফীস। তিনি জানান, দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলো মূলত ভবিষ্যৎ সফর সূচি (এফটিপি)-এর অংশ হিসেবেই নির্ধারিত থাকে। ভারতের বিপক্ষে যে সিরিজটি গত বছর হওয়ার কথা ছিল, সেটি পুনঃনির্ধারণ করে এ বছর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বোর্ডের মতো ভারতীয় বোর্ডের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ চলছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে আসন্ন সিরিজকে সামনে রেখে মিরপুরে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে চলছে ফিটনেস ক্যাম্প। নাফীস বলেন, ক্রিকেটাররা কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং অনুশীলনও ভালো হচ্ছে। গরম আবহাওয়া থাকলেও খেলোয়াড়রা দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছেন এবং প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছেন।

    তিনি আরও জানান, শুরুতে অনুশীলন ছিল মূলত ফিটনেস ও ফিল্ডিংকেন্দ্রিক। এখন সেখানে যোগ হয়েছে ব্যাটিং-বোলিংসহ স্কিল ট্রেনিং। সিরিজের আগে সাধারণত খুব বেশি সময় পাওয়া যায় না, তবে এবার প্রস্তুতির জন্য তুলনামূলক বেশি সময় পাওয়া গেছে এবং কোচিং স্টাফ সেই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে ভারতের বিপক্ষে সম্ভাব্য সিরিজ সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছে বাংলাদেশ দল। বোর্ড কর্তারা আশা করছেন, সূচি চূড়ান্ত হলে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।

  • সাকিব ফিরলে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বড় ভরসা পাবে বাংলাদেশ:আশরাফুলের জোরালো বার্তা

    সাকিব ফিরলে বিশ্বকাপ পর্যন্ত বড় ভরসা পাবে বাংলাদেশ:আশরাফুলের জোরালো বার্তা

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে সাকিব আল হাসান–এর সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার পর আর লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে। দেশে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েও শেষ পর্যন্ত মাঠে ফেরা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলে তার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা জোরালো।

    এ বিষয়ে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, বয়সের দিক থেকে এখনো সাকিবের দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে। এক ফরম্যাটে মনোযোগ দিলে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশকে কার্যকর সার্ভিস দিতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার থাকলে ব্যাটিং-বোলিং—দুই দিকেই দল উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন আশরাফুল।

    দলের বর্তমান ঘাটতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টেস্ট দলে সেটআপ বেশ ভালো এবং টি-টোয়েন্টি দলও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিচ্ছে। তবে ওয়ানডেতে দীর্ঘদিন নিয়মিত খেলা না হওয়ায় সেখানে কিছুটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) খেলোয়াড়রা ধারাবাহিকভাবে ভালো করলে এই জায়গাগুলো পূরণ করা সম্ভব, তবে ম্যাচ জেতানোর মতো পারফরম্যান্স জরুরি।

    ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার লক্ষ্য নিয়ে আশরাফুল জানান, তিন ফরম্যাটের মধ্যে ওয়ানডেতেই বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে, যদিও একসময় এটাই ছিল দলের সবচেয়ে শক্তিশালী ফরম্যাট। মিডল অর্ডারে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ভূমিকা কমে যাওয়ার পর যারা খেলছেন, তারা চেষ্টা করছেন—তবে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না।

    তিনি আরও বলেন, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার জন্য র‌্যাঙ্কিংয়ের টপ এইটে থাকতে হবে। তাই সামনে প্রতিটি সিরিজ ও প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দল এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে কীভাবে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করা যায়।

  • স্বপ্নভঙ্গের বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল, প্রশ্নের মুখে পারফরম্যান্স

    স্বপ্নভঙ্গের বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল, প্রশ্নের মুখে পারফরম্যান্স

    এবিএনএ: শিরোপার স্বপ্ন আর বড় প্রত্যাশা নিয়ে যুব এশিয়া কাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ মিশনে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই স্বপ্নের প্রতিফলন দেখা যায়নি। ব্যর্থতা সঙ্গী করেই আজ সোমবার বিকেলে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

    দলের সব ক্রিকেটার একসঙ্গেই দেশে ফেরেন। শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পেলেও তার আগেই সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে নিয়মরক্ষার লড়াইয়ে জিম্বাবুয়েকে ৭৪ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন দল।

    ব্যাটিং বিভাগে পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই হতাশাজনক পারফরম্যান্স চোখে পড়েছে। বড় মঞ্চে আবারও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি ওপেনার জাওয়াদ আবরার। চার ইনিংসে মাত্র ৮৩ রান করেন তিনি, যেখানে গড় ছিল ২০.৭৫। ভারতের বিপক্ষে ৫, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৪৭, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৫ রান করেন এই ব্যাটার।

    আরেক ওপেনার রিফাত বেগও ক্রিজে সময় কাটালেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতা না থাকায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় দল। ব্যাটিংয়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন অধিনায়ক তামিম, যিনি তিনটি ফিফটির সাহায্যে মোট ১৯৪ রান সংগ্রহ করেন।

    তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব নিতে না পারাই শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে দেয়। টুর্নামেন্ট শেষে দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন করে মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন সংশ্লিষ্টরা।