Tag: বাংলাদেশ ক্রিকেট

  • অপরিণত ব্যাটিংয়ে প্রথমদিনেই চাপে বাংলাদেশ, লঙ্কানদের হাতে ম্যাচের রাশ

    অপরিণত ব্যাটিংয়ে প্রথমদিনেই চাপে বাংলাদেশ, লঙ্কানদের হাতে ম্যাচের রাশ

    এবিএনএ: বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিং দুর্বলতা যেন পুরনো ব্যাধির মতো ফিরে আসে বারবার। কলম্বো টেস্টেও তার ব্যতিক্রম হলো না। প্রথম দিনে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও একের পর এক দায়িত্বহীন শটে সাজঘরে ফিরেছেন ব্যাটাররা। ফলাফল—বৃষ্টিতে কমে আসা দিনে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ মাত্র ২২০ রান।

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরু থেকেই হোঁচট খাওয়া শুরু। এনামুল হক বিজয় দশ বল খেলেও রানে খাতা খুলতে ব্যর্থ হন। দু’বার জীবন পেয়েও ‘প্লেড অন’ হয়ে ফেরেন তিনি। গল টেস্টেও প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরার পরেও তাকে সুযোগ দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচকদের কৌশল নিয়ে।

    দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক সামান্য প্রতিরোধ গড়লেও সেটি ভেঙে যায় পার্ট টাইম স্পিনার ধনাঞ্জয়ার হাতে। এরপর শান্ত ও সাদমান দুই রানের ব্যবধানে আউট হয়ে মধ্যাহ্নভোজ পরবর্তী সময়ে চাপ বাড়িয়ে দেন। সাদমান তুলনামূলক ভালো ব্যাটিং করলেও ৪৬ রান করে তিনিও বিদায় নেন।

    সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। তাদের ব্যাটে আসে ৬৭ রান। কিন্তু মুশফিক সুইপ শটে ৩৫ রানে আর লিটন ৩৪ রানে বাজে শটে আউট হন। এই দুই উইকেট পতনেই ভেঙে পড়ে দলের মনোবল।

    শেষ দিকে মেহেদী মিরাজ ওয়ানডে ধাঁচে ব্যাট চালাতে গিয়ে ৩১ রানে ফিরলে হতাশা আরও বাড়ে। ব্যাট ছুঁড়ে নিজের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিরাজ, যা তার আত্মগ্লানিরই বহিঃপ্রকাশ। তবে নাঈম হাসানের ২৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে দুইশ’ পেরোয় দল।

    লঙ্কানদের হয়ে সেরা ছিলেন অভিষিক্ত সুনীল দিনুশা, যিনি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন মুশফিক ও লিটনের। এছাড়া ফার্নান্দো-দ্বয়ের পেস জুটি এবং ধনাঞ্জয়া-থারিন্ডুর স্পিন আক্রমণ ছিল কার্যকর।

    বৃষ্টির কারণে খেলা থেমে থাকায় দ্বিতীয় দিন ম্যাচ শুরু হবে নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে। বাংলাদেশ দল এখন দ্বিতীয় দিনের দিকে তাকিয়ে, যেখানে তাদের বোলারদের দায়িত্ব নিতে হবে লঙ্কানদের চাপের মুখে ফেলার জন্য।

  • মিরাজ ফিরছেন, কলম্বো টেস্টে বদল আসতে পারে একাদশে – কারা থাকছেন, কারা বাদ পড়বেন?

    মিরাজ ফিরছেন, কলম্বো টেস্টে বদল আসতে পারে একাদশে – কারা থাকছেন, কারা বাদ পড়বেন?

    এবিএনএ: বাংলাদেশ টেস্ট দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ভাইরাল জ্বর থেকে সেরে উঠেছেন এবং সম্পূর্ণ ফিট হয়ে গেছেন। গল টেস্ট চলাকালীনই তিনি ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেন এবং এখন কলম্বোতে দলের সঙ্গে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মূল একাদশে ফিরছেন তিনি।

    মিরাজের ফেরার ফলে একাদশে পরিবর্তন অবধারিত। সম্ভাব্যভাবে বাদ পড়তে পারেন ডানহাতি স্পিনার নাঈম হাসান, যিনি গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেও কন্ডিশনের কারণে হয়তো এই ম্যাচে সুযোগ নাও পেতে পারেন।

    কলম্বোর উইকেট সাধারণত পেসারদের সহায়ক। শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা এবং বাংলাদেশের হেড কোচ ফিল সিমন্স ইঙ্গিত দিয়েছেন, উইকেট অনুযায়ী স্পিনের চেয়ে পেসে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই অনুযায়ী তিন পেসার খেলাতে চাইলে একজন ব্যাটারকে জায়গা ছাড়তে হবে।

    এই সমীকরণে সম্ভাব্যভাবে বাদ পড়তে পারেন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটার জাকের আলী। যদি তিন পেসার খেলানো হয়, তাহলে একাদশে জায়গা পেতে পারেন এবাদত হোসেন, যিনি ইনজুরি থেকে ফিট হয়ে ফিরেছেন এবং দলে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুত।

    তরুণ পেসার নাহিদ রানাকে বিশ্রামে রাখা হতে পারে, কারণ গল টেস্টে তেমন প্রভাব রাখতে পারেননি। অন্যদিকে এবাদত ইনজুরির আগে ছিলেন টেস্ট দলে প্রথম পছন্দের পেসার।

    বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ:
    এনামুল হক বিজয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, জাকের আলী/এবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন/নাহিদ রানা।

  • গল টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের দাপ্যতা, লিড ছাড়াল ১৮০ রান

    গল টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের দাপ্যতা, লিড ছাড়াল ১৮০ রান

    এবিএনএ: গল টেস্টের চতুর্থ দিনটি ছিল পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে। শ্রীলঙ্কার তৃতীয় দিনের দাপট ম্লান করে দিয়ে টাইগাররা দিনের শুরু থেকেই দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতেও দৃঢ়তা দেখিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

    চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৭৭ রান, ফলে টাইগারদের মোট লিড এখন দাঁড়িয়েছে ১৮৭ রানে।

    এর আগে শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেটে ৩৬৮ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করলেও নাঈম হাসানের স্পিন জাদুতে আর ১১৭ রানই যোগ করতে পেরেছে দলটি। ইনিংস থামে ৪৮৫ রানে। নাঈম একাই তুলে নিয়েছেন ৫টি উইকেট, তার সঙ্গে হাসান মাহমুদ নেন ৩ উইকেট এবং তাইজুল ইসলাম ও মুমিনুল হক ভাগাভাগি করেন একটি করে উইকেট।

    শ্রীলঙ্কার ইনিংসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার ১৮৭ রানের ইনিংস। এছাড়া কামিন্দু মেন্ডিস করেন ৮৭ এবং দিনেশ চান্দিমাল ৫৪ রান। বাকিরা ব্যর্থ হন।

    দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হলেও এনামুল হক বিজয় ৪ রানে কুশল মেন্ডিসের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন। এরপর মুমিনুল হক থিতু হলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি—১৪ রানে থারিন্দু রত্নায়েকের বলে ধরা পড়েন ফিল্ডারে।

    চা-বিরতির সময় স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৬৫। এরপর মাঠে নেমে সাদমান ইসলাম দারুণ ব্যাটিং করে পৌঁছান নিজের ষষ্ঠ ফিফটিতে, শেষ পর্যন্ত তিনি আউট হন ৭৬ রানে।

    দিনের শেষ দিকে ব্যাটিং চালিয়ে যান প্রথম ইনিংসের দুই সেঞ্চুরিয়ান শান্ত ও মুশফিক। শান্ত ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে পৌঁছেছেন তার ফিফটিতে, মুশফিক রয়েছেন ২২ রানে অপরাজিত।

    চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ম্যাচের লাগাম এখনো বাংলাদেশের হাতে, পঞ্চম দিনেও ফলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

  • জোরে বল করে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ, লঙ্কানদের সুইং থেকে নিতে চায় শিক্ষা

    জোরে বল করে ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ, লঙ্কানদের সুইং থেকে নিতে চায় শিক্ষা

    এবিএনএ,স্পোর্টস ডেস্ক:
    বৃষ্টির বিরতির পর লঙ্কান পেসারদের দাপটে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ৬১ রানের মধ্যে ৫টি মূল্যবান উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা, যার মধ্যে শেষ বেলার ২৬ রানের সময়েই পড়েছে ৫টি উইকেট। বিশেষ করে মিলান রত্নায়েকে দুর্দান্ত সুইং বোলিং করে তুলে নেন ৩টি উইকেট।

    এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানালেন, কীভাবে লঙ্কানদের বোলিং থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের বোলিং বিভাগে উন্নতি ঘটাতে চান তারা। তার মতে, বাংলাদেশের পেসাররা—বিশেষত হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা—দ্রুতগতিতে বল করতে পারেন এবং যদি তারা নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেন, তবে ম্যাচে ফায়দা তুলতে পারবেন।

    সালাউদ্দিনের ভাষায়:
    “লঙ্কানরা যেভাবে নতুন বল সুইং করিয়েছে ও বলের মেইনটেন্যান্স করেছে, তা আমাদের শেখার জায়গা। আমাদের পেসাররা যদি একইরকমভাবে বল পরিচালনা করতে পারে, তাহলে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করা সম্ভব।”

    তিনি আরও বলেন, গল টেস্টের উইকেট তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে স্পিন সহায়ক হয়ে উঠবে, যা স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও নাঈম হাসানের জন্য ভালো সুযোগ তৈরি করবে।

    কোচের পর্যবেক্ষণ:
    “উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য উপযোগী। আমাদের ফিল্ডারদের দারুণ পরিশ্রম করতে হবে। পরিকল্পনামাফিক বল করতে হবে। তারা (লঙ্কানরা) যেমন করেছে, তেমনি আমাদেরও একই মানের বল করতে হবে। তাহলেই ফল আসবে।”

    নতুন বলে রিভার্স সুইং আদায়ের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন সালাউদ্দিন। তার মতে, বল ঠিকভাবে রিভার্স হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারে।

    শেষ কথা:
    লঙ্কান সুইং আক্রমণের বিপরীতে এখন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ—জোরে এবং সঠিক লাইন-লেংথে বল করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলা। তরুণ পেসারদের হাতে সেই সুযোগ এখন।

  • শান্ত-মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে গলে প্রথম দিন বাংলাদেশের দখলে

    শান্ত-মুশফিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে গলে প্রথম দিন বাংলাদেশের দখলে

    এবিএনএ:  গল টেস্টের প্রথম দিনেই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। একসময় মাত্র ৪৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে টাইগাররা। তবে এরপর দলকে টেনে তুললেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। উভয়ের সেঞ্চুরিতে দিন শেষে ৩ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

    মঙ্গলবার গলে শুরু হওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুটা একেবারেই হতাশাজনক ছিল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে শূন্য রানে ফেরেন এনামুল হক বিজয়। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা বেশিদূর এগোয়নি।

    সাদমান করেন ৫৩ বলে ১৪ রান, আর মুমিনুল মাত্র ৩৩ বলে ২৯ রান করে বিদায় নেন। দলীয় সংগ্রহ তখন মাত্র ৪৫ রান। তিনটি মূল্যবান উইকেট হারিয়ে যখন বাংলাদেশ কোণঠাসা, তখন শান্ত-মুশফিকের দৃঢ়তা ছিল এক অনন্য দৃশ্য।

    অধিনায়ক শান্ত খেলেন দায়িত্বশীল এক ইনিংস। ২০২ বলে নিজের ষষ্ঠ টেস্ট শতক পূর্ণ করেন তিনি। অন্যদিকে, প্রায় দশ মাস পর টেস্ট সেঞ্চুরি পেলেন মুশফিক। ১৭৬ বল মোকাবেলা করে ১২তম শতকে পৌঁছান তিনি। দিন শেষে মুশফিক অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে, আর শান্ত ১৩৬ রানে।

    এই জুটির ব্যাটিংয়ে কেবল বাংলাদেশের ইনিংসই টিকে যায়নি, বরং প্রথম দিন পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা।

  • হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    হোয়াইটওয়াশ এড়াতে গর্জে উঠল টাইগাররা, পাকিস্তানের বিপক্ষে ঝলমলে ব্যাটিংয়ে ১৯৬ রান

    এবিএনএ:

    পাকিস্তানের মাঠে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে আজ মরিয়া হয়ে নামে বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়েছে টাইগাররা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরু থেকেই দেখিয়েছে আক্রমণাত্মক মনোভাব।

    প্রথম দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ আগেই হারিয়েছে লাল-সবুজের দল। আজকের ম্যাচ ছিল সম্মান রক্ষার লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। পাওয়ার প্লেতে আসে ৫৩ রান। ইমন মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এবং একাদশ ওভারের শুরুতে বিশাল ছক্কায় দলীয় স্কোর নিয়ে যান তিন অঙ্কে।

    উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-ইমন যোগ করেন ১১০ রান। এরপর তামিম ৩২ বলে ৪২ রান করে আউট হলে ভাঙে প্রথম উইকেট। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমনও ফিরে যান শাদাব খানের বলে ক্যাচ দিয়ে। তিনি করেন ৩৪ বলে ৬৬ রান, যেখানে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

    তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তবে অধিনায়ক লিটন ১৮ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন হাসান আলীর বলে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও, ব্যাটাররা থামেননি।

    শেষ দিকে আফিফ হোসেন, হৃদয় ও জাকির হাসানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ১৯৬ রানের সংগ্রহে। প্রতিপক্ষের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য এখন ১৯৭।

     

    টাইগারদের এ পারফরম্যান্স দলীয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি, ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে আশার আলো জ্বালিয়েছে। এখন দেখার পালা, এই সংগ্রহ রক্ষা করতে কতটা সফল হয় বাংলাদেশের বোলাররা।

  • সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    সিরিজ বাঁচাতে মরিয়া বাংলাদেশ, লাহোরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

    এবিএনএ:

    লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয় ছাড়া কোনো পথ নেই টাইগারদের সামনে। কিন্তু শুরুটা আশানুরূপ হলো না—টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং করতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩৭ রানে পরাজিত হয়ে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। ফলে আজকের ম্যাচে হার মানেই সিরিজ হাতছাড়া। সেই চাপ নিয়েই মাঠে নামছে টাইগাররা।

    টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এদিন দুই দলের একাদশেই এসেছে পরিবর্তন। বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়েছেন শেখ মেহেদি হাসান, তার জায়গায় দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। অন্যদিকে, চোটের কারণে পাকিস্তান একাদশে নেই ফখর জামান, তার পরিবর্তে ওপেনিংয়ে এসেছেন শাহিবজাদা ফারহান।

    বাংলাদেশের একাদশ:
    তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক (উইকেটরক্ষক), শামীম হোসেন পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম।

    ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন লাহোরের মাঠের দিকে। এই ম্যাচে কি টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? উত্তরের অপেক্ষায় কোটি ভক্ত।

  • ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় বদলে গেল বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-২০ সিরিজের সময়সূচি

    ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় বদলে গেল বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-২০ সিরিজের সময়সূচি

    এবিএনএ: ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনার জেরে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যকার আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের সূচিতে।

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৫ মে সিরিজটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এখন নতুন সময় অনুযায়ী প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মে ফয়সালাবাদে।

    সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ যথাক্রমে ২৯ মে ও ১ জুন একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সিরিজের চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে লাহোর, যেগুলো অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩ ও ৫ জুন।

    এই পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে পিসিবি জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে নতুন সূচি তৈরি করা হয়েছে।

    তবে শুধু সূচিই নয়, বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বিসিবি শেষ মুহূর্তে দল পাঠানো থেকে বিরত থাকতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত সিরিজটি হলে, এটি দুই দেশের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে বিবেচিত হবে।


    এই সিরিজটি হবে টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে মাঠের বাইরের এই উত্তেজনা মাঠের খেলায় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।