Tag: প্রধান উপদেষ্টা

  • বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলের সঙ্গে রাতে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশের চলমান সংকট ও আন্দোলন নিয়ে আলোচনার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, মঙ্গলবার রাত ৯টায় এই বৈঠকটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অংশ নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের নায়েবে আমীর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও যুগ্ম-মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

    সূত্র জানায়, বৈঠকে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সোমবার রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জন নিহত এবং ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    এই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন মাইলস্টোন কলেজ ও আশপাশের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রায় ৯ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন।

    এছাড়াও মাইলস্টোন ও এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ের গেটে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। গেট ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর গুলিস্তান ও সচিবালয় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে সাধারণ মানুষকেও অংশ নিতে দেখা যায়।

    এই পটভূমিতে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টার এ বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • তত্ত্বাবধায়ক প্রধান নিয়োগে র‍্যাংক চয়েজ পদ্ধতির নতুন প্রস্তাব দিল ঐকমত্য কমিশন

    তত্ত্বাবধায়ক প্রধান নিয়োগে র‍্যাংক চয়েজ পদ্ধতির নতুন প্রস্তাব দিল ঐকমত্য কমিশন

    এবিএনএ:  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে নতুন একটি পদ্ধতির প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ‘র‍্যাংক চয়েজ’ বা পছন্দক্রমভিত্তিক ভোটের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টাকে বাছাই করার এই প্রস্তাব দেওয়া হয় রবিবার অনুষ্ঠিত সংলাপের ১১তম দিনে।

    কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ জানান, এর আগের সংলাপে দুটি বিকল্প প্রস্তাব ছিল। আজ তা সংশোধন করে এই নতুন পদ্ধতির রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে সোমবারের মধ্যে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি আশাবাদী, আলোচনা শেষে চলতি জুলাই মাসেই ‘জুলাই সনদ’ চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন: নতুন কাঠামো কী বলছে?

    নতুন ফর্মুলা অনুযায়ী, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কিংবা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে ভেঙে গেলে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ হলে, সাত সদস্যের কমিটি গঠিত হবে— যেখানে থাকবেন:

    • প্রধানমন্ত্রী

    • স্পিকার

    • সংসদ উপনেতা বা চিফ হুইপ

    • বিরোধীদলীয় নেতা

    • বিরোধীদলীয় উপনেতা বা ডেপুটি স্পিকার

    • বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ

    • তৃতীয় বৃহত্তম দলের একজন প্রতিনিধি

    যদি সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়, তাহলে উপরের তালিকার সঙ্গে যুক্ত হবেন:

    • উচ্চকক্ষের চেয়ারম্যান

    • বিরোধীদলীয় ডেপুটি চেয়ারম্যান

    • উচ্চকক্ষের নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা

    • রাষ্ট্রপতির মনোনীত সদস্য

    • অন্যান্য বিরোধী দলের প্রতিনিধি

    কমিটি যদি সর্বসম্মতভাবে একজনকে নির্ধারণ করতে পারে, রাষ্ট্রপতি তাকেই প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেবেন। অন্যথায়, জোটগুলোর পক্ষ থেকে মনোনীত মোট ১৪ জনের মধ্যে শুনানি ও ভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত নির্বাচন হবে।

    নির্বাচন পদ্ধতি: র‍্যাংক চয়েজ

    সরকারি দল ও প্রধান বিরোধীদল প্রত্যেকে পাঁচজন করে ১০ জনের নাম দেবে। তৃতীয় বৃহত্তম দল দুইজন করে চারজনের নাম দেবে।

    এই ১৪ প্রার্থীর নাম নিয়ে সংসদে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর—

    • সরকার বিরোধীদলের তালিকা থেকে ১ জন বাছাই করবে

    • বিরোধীদল সরকারের তালিকা থেকে ১ জন বেছে নেবে

    • উভয়পক্ষ তৃতীয় বৃহত্তম দলের তালিকা থেকে ১ জন করে বাছাই করবে

    • তৃতীয় বৃহত্তম দল সরকারের-বিরোধীদলের তালিকা থেকে ১ জন বেছে নেবে

    ফলাফলে থাকবে ৫ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা। এই ৫ জনের মধ্য থেকে কমিটির সদস্যরা র‍্যাংক চয়েজ পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে যার সর্বোচ্চ র‍্যাংকিং থাকবে, তাকেই নিয়োগ দেওয়া হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে।

  • ফেসবুক পোস্টে সমালোচনার জেরে বরখাস্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মি

    ফেসবুক পোস্টে সমালোচনার জেরে বরখাস্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মি

    এবিএনএ:  ফেসবুকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করায় লালমনিরহাটের সাবেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মিকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

    বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর অধীনে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর তাবাসসুম ঊর্মি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসে সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য নিয়ে বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া জানান, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে ওএসডি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বরখাস্তের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং কারণ দর্শানোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। জবাব দেওয়ার সময় তিনি ব্যক্তিগত শুনানিতে নিরাপত্তা জনিত কারণে উপস্থিত হতে অপারগতা জানান। তবে তাঁর দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যাকে অগ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

    তদন্ত শেষে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    এই ঘটনাটি সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনপ্রশাসনের শৃঙ্খলা রক্ষায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশেও নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দেওয়া আবশ্যক।

  • আত্মাহুতি দিয়ে স্কাউটিংয়ের নজির বিশ্বের ইতিহাসে নেই: প্রধান উপদেষ্টা

    আত্মাহুতি দিয়ে স্কাউটিংয়ের নজির বিশ্বের ইতিহাসে নেই: প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের স্কাউটরা একটি অনন্য ইতিহাস গড়েছে। দেশের মঙ্গল ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে চারজন স্কাউট নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন—যা বিশ্ব স্কাউটিংয়ের ইতিহাসে বিরল ও নজিরবিহীন।

    সোমবার (২৩ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বাংলাদেশ স্কাউটসের দেশব্যাপী আয়োজিত কাব কার্নিভালের উদ্বোধন ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দুনিয়া ও নিজেকে আবিষ্কারের সুযোগ তৈরি করে স্কাউটসের কার্যক্রম।‌ গৎবাঁধা ছাত্রজীবনে নিজের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আর সুযোগ থাকে না। তোমাকে তোমার সঙ্গে পরিচিত করে দেওয়ার জন্য স্কাউটিং একটা বড় দরজা খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু নিজে নয়, অন্যদেরও নিজেকে চেনার সুযোগ করে দেওয়া যায়।

  • পরিবেশ ধ্বংস করে নয়, টেকসই উন্নয়নই চাই: প্রধান উপদেষ্টার স্পষ্ট বার্তা

    পরিবেশ ধ্বংস করে নয়, টেকসই উন্নয়নই চাই: প্রধান উপদেষ্টার স্পষ্ট বার্তা

    এবিএনএ:  বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ‘টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সমন্বিত অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়ন’ প্রকল্প নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

    প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ কোনোভাবেই ব্যাহত করা যাবে না। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক ও ব-দ্বীপ অঞ্চল, তাই পানিপ্রবাহ রক্ষা করা জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।”

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হো ইউন জোং, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তারা, সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক দূত লুৎফে সিদ্দিকী, এসডিজি মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

    প্রধান উপদেষ্টা তিনটি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন—
    ১. নদী ও পানিপ্রবাহ সংরক্ষণ,
    ২. অঞ্চলভিত্তিক জনসংখ্যা ও বন্যার ঝুঁকি বিবেচনা,
    ৩. আন্তর্জাতিক সংযোগ ও আঞ্চলিক বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা

    তিনি বলেন, “অনেক সময় দেখা যায়, উন্নয়ন প্রকল্প বন্যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। উঁচু রাস্তা, সেতু বা রেলপথ বানানোর সময় সেই অবকাঠামো জনগণের জন্য আশ্রয় হবে, না বিপদ ডেকে আনবে—তা ভাবতে হবে।”

    এ সময় তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের উপযোগী করিডোর পরিকল্পনার আহ্বান জানান এবং প্রকল্পে পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার পাশাপাশি একটি জাতীয় মাস্টারপ্ল্যান তৈরির নির্দেশ দেন।

    সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান উদাহরণ টেনে বলেন, “হাওর এলাকায় এক সময় বিশাল সড়ক নির্মাণ করা হয়েছিল, কিন্তু পরে দেখা গেছে তা পুরো ইকোসিস্টেম ধ্বংস করেছে এবং মানুষকে চরম বন্যায় ফেলেছে। তাই প্রকল্পের আগে পরিবেশগত প্রভাব ভালোভাবে বিবেচনা জরুরি।”

    এই বৈঠকে উন্নয়নকে টেকসই, সমন্বিত ও পরিবেশবান্ধব রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।

  • জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    জামায়াতের আপত্তি: নির্বাচনের সময় নয়, যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের সংলাপে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশিত হয়েছে। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণে তাদের কোনো আপত্তি নেই, তবে যৌথ বিবৃতিতে তাদের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির যৌথ বিবৃতি আমাদের জন্য অগ্রহণযোগ্য।” এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

    জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে, যেখানে ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে তারা মনে করেন, প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরে টেলিভিশনে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো।

    দলটি জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন তারা নিরপেক্ষভাবে সকল রাজনৈতিক দলের মতামত বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাদের মতে, যৌথ বিবৃতি দেয়ার আগে সকল দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল।

    এদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তারা মনে করে, নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও মানবতাবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা উচিত।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। তবে, তারা আশা করছেন, উভয় দল আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছাবে।

    এখন দেখার বিষয় হলো, জাতীয় ঐকমত্য ক‌মিশ‌ন ও রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করে।

  • বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন তদন্তে উদ্যোগ: জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠনের নির্দেশ

    বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন তদন্তে উদ্যোগ: জড়িতদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠনের নির্দেশ

    এবিএনএ: বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে থাকা বিতর্ক অবসানের লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আজ সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সাবেক কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ড. ইউনূস নিজেই। উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন এবং মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

    সরকারপ্রধানের দপ্তরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আয়োজিত তিনটি জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, তা নিরসনে নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। এ জন্যই তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে যে, বিতর্কিত নির্বাচনগুলোর পেছনে যেসব কর্মকর্তার ভূমিকা ছিল, তাদের তদন্তে আনতে হবে।”

    এছাড়া কমিশনের সদস্যরা আলোচনায় জানান, “জুলাই সনদের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই তা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে।”

    প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই আমরা জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সনদ জনসমক্ষে উপস্থাপন করতে পারব।”

    এ সময় লন্ডনে তার সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, “সেখানে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা সংস্কার প্রক্রিয়া ও ভোটাধিকার নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এখনই পোস্টাল ব্যালটসহ সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে কাজ শুরু করা দরকার।”

    বৈঠকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে জরুরি আলোচনা শুরুর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। নির্বাচনী সংস্কারে এই উদ্যোগ রাজনৈতিক পরিসরে নতুন অধ্যায় রচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ঈদ শুভেচ্ছায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা ও নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ঈদ শুভেচ্ছায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনা ও নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    এবিএনএ:

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান।
    শনিবার (৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’-তে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    দুই বাহিনীর প্রধানই তাদের সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, এই সৌজন্য সাক্ষাতে পারস্পরিক শুভকামনা ও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তাঁরা।
    এ সময় দেশের সামগ্রিক কল্যাণ, শান্তি ও শৃঙ্খলার বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, “ঈদ মানেই সৌহার্দ্য, সম্মান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বন্ধন আরও দৃঢ় করার সময়। এই সাক্ষাৎ সে বার্তাই বহন করে।”

  • ২০২৬ সালের এপ্রিলেই জাতীয় নির্বাচন! জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বড় ঘোষণা

    ২০২৬ সালের এপ্রিলেই জাতীয় নির্বাচন! জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার বড় ঘোষণা

    এবিএনএ:

    জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় জানালেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন তিনি। ভাষণের শুরুতেই তিনি দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং সকল বয়সের নাগরিকের প্রতি শুভকামনা প্রকাশ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের জানার অধিকার রয়েছে যে নির্বাচন কবে হবে। আমরা ইতোমধ্যেই বলেছিলাম ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬–এর মধ্যে নির্বাচন হবে। আজ জানাতে চাই, নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমভাগে অনুষ্ঠিত হবে।”

    তিনি বলেন, বিগত ইতিহাস প্রমাণ করে, দেশে প্রতিটি বড় রাজনৈতিক সংকটের মূল ছিল ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন। এই ধরনের প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা দখলের ফলেই দেশে ফ্যাসিবাদ ও রাজনৈতিক নিপীড়ন মাথাচাড়া দেয়। তাই একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    ভবিষ্যতের নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোর মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে জনগণের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে।”

    তিনি আরও জানান, বিচার, সংস্কার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়েই তারা অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    সবশেষে তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে সর্বোচ্চ ভোটার ও প্রার্থীর অংশগ্রহণ থাকবে এবং যা জাতির জন্য একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই রোডম্যাপ প্রকাশ করবে।”

  • প্রধান উপদেষ্টা আবারও বিএনপিকে ডেকেছেন: আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও ‘কাজের খবর নেই’—সালাহউদ্দিন আহমদ

    প্রধান উপদেষ্টা আবারও বিএনপিকে ডেকেছেন: আনুষ্ঠানিকতা থাকলেও ‘কাজের খবর নেই’—সালাহউদ্দিন আহমদ

    এবিএনএ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আবারও প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণ পেয়েছে ২ জুনের আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য। তবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই উদ্যোগকে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “আলোচনার কোনো অভাব নেই, কিন্তু কাজের কোনো খবর নেই।”

    শনিবার, রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “২ জুন দ্বিতীয় পর্বের আলোচনার শুভ উদ্বোধন হবে, কিন্তু কেন বারবার উদ্বোধন করতে হবে? এটি আমাদের সংস্কারের কলা দেখানোর মতো।”

    তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে, কারণ এটি বাংলাদেশের মানুষের দাবি। একটিও কারণ নেই ডিসেম্বরের বাইরে নির্বাচন যাওয়ার।”

    বিএনপির এই নেতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “সংস্কার হবে, তবে তার থেকে বেশি জরুরি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিচার। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল, তাদের সবাইকে কাঠগড়ায় নিয়ে আসা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে কথা বললে ইসলামবিরোধী অপপ্রচারের ট্যাগ লাগিয়ে তাদের দমন করা হচ্ছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, “যে ব্যক্তি ইতিহাসের বিবেচনায় চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী, তাকে নির্দোষ ঘোষণার মাধ্যমে ইতিহাসকেই বিকৃত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৭১–এর শহীদ, নির্যাতিত নারী ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের বর্তমান তরুণ কর্মীদের অনেকেই ৭১ সালে জন্মায়নি। তারা যুদ্ধাপরাধ করেনি ঠিকই, কিন্তু তারা যদি সেই রাজনীতি ধারণ করে, তবে সেই অপরাধের দায় থেকেও তারা মুক্ত থাকতে পারে না।”

    বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যুদ্ধাপরাধী আজহারের খালাসের প্রতিবাদে মশাল মিছিলে ছাত্র শিবির দুই দফা হামলা চালায়। ১৯৯৩ সালে শহীদ রিমুর হত্যার মতোই আজ আবার শিবির সন্ত্রাস শুরু করেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “ছাত্ররাজনীতিকে দখলের হাতিয়ার বানিয়ে যারা ক্যাম্পাসে সহিংসতা ছড়াচ্ছে, তাদের প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদেরই এগিয়ে আসতে হবে।”

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশীদ, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মানজুর আল মতিনসহ অন্যান্যরা।

    এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির আলোচনায় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় দলটির নেতারা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তারা দাবি করেছেন, সরকার আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান চায় না, বরং সময়ক্ষেপণ করছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি সরকার আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান না করে, তাহলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে।

    এদিকে, বিএনপি আগামী ২ জুনের আলোচনায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবি-দাওয়া স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই আলোচনার ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশা করছেন, সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই জনগণের স্বার্থে সমঝোতায় আসবে।

    এমন পরিস্থিতিতে, দেশের জনগণ অপেক্ষা করছে সরকারের সদিচ্ছার প্রমাণ দেখতে, যাতে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার যদি আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান না করে, তাহলে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে।