Tag: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন, এবার ভোটকেন্দ্র থাকবে হলের বাইরে

    ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন, এবার ভোটকেন্দ্র থাকবে হলের বাইরে

    এবিএনএ: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঘোষণা এলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন।

    মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সেনেট ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন।


    🗳️ এবার ভিন্নধর্মী উদ্যোগ: হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র

    ডাকসু নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো হলের বাইরে ছয়টি নিরপেক্ষ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের যেন নির্বিঘ্নে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে এই নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।


    📍 নির্ধারিত ভোট কেন্দ্রগুলো:

    ১. কার্জন হল কেন্দ্র (পরীক্ষার হল):
    → ভোটার: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল, ফজলুল হক হল

    ২. ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি):
    → ভোটার: রোকেয়া হল, শামসুন নাহার হল, কবি সুফিয়া কামাল হল

    ৩. শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র:
    → ভোটার: জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল

    1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্র:
      → ভোটার: বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল, শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল

    2. সেনেট ভবন কেন্দ্র (এলামনাই ফ্লোর, সেমিনার কক্ষ, ডাইনিং রুম):
      → ভোটার: স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মহসীন হল, বিজয় একাত্তর হল

    3. উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র:
      → ভোটার: সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল, কবি জসীমউদ্দীন হল


    🧭 পরবর্তী করণীয়

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটার তালিকা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং প্রচার-প্রচারণার সময়সীমাও শিগগির ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

    এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে, যা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ছাত্রসমাজের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। এই নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, যিনি প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। ডাকসু সংবিধানের ৮(এফ) ধারা অনুযায়ী উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

    বাকি নয়জন রিটার্নিং কর্মকর্তার তালিকায় রয়েছেন—

    • ড. এ এস এম মহিউদ্দিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ),

    • ড. গোলাম রব্বানী (সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট),

    • ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ),

    • ড. কাজী মারুফুল ইসলাম (উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ),

    • ড. নাসরিন সুলতানা (স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট),

    • ড. মো. শহিদুল ইসলাম (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ),

    • ড. তারিক মনজুর (বাংলা বিভাগ),

    • ড. এস এম শামীম রেজা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ),

    • এবং সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)।

    প্রসঙ্গত, পূর্ববর্তী ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৬। এবার সেটি বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যাতে নির্বাচন পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়।

    বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এই ঘোষণাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ডাকসু নির্বাচন কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে।

  • ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা ও সাম্য হত্যাকাণ্ড: ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগে ছাত্রদলের অনড় দাবি

    ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা ও সাম্য হত্যাকাণ্ড: ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগে ছাত্রদলের অনড় দাবি

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্য হত্যাকাণ্ড, ছাত্রলীগের সহিংসতা এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবি পুনরায় জোরালোভাবে তোলে।

    সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস লিখিত বক্তব্যে জানান, শহীদ সাম্য হত্যার তদন্তে চরম গাফিলতি লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রায় ১৩ দিন পর পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা ছিল ধোঁয়াসাপূর্ণ ও অস্পষ্ট। সাম্যকে একটি ছোট টেজার গান নিয়ে বিরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হলেও, ডাক্তারদের মতে, তার উরুতে সুচারুভাবে ছুরিকাঘাত করে গুরুত্বপূর্ণ ধমনী কেটে দেওয়া হয়, যার ফলে অল্প সময়েই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

    ছাত্রদল দাবি করে, এভাবে পরিকল্পিতভাবে একজন পরিচিত ছাত্রনেতাকে হত্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয় এবং এর পেছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে। তদন্তে প্রকৃত হত্যাকারীদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য এখনো পরিস্কার নয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে ছাত্রদল জানায়, হলসমূহে লুকিয়ে থাকা ছাত্রলীগের সহিংস কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। বরং ক্ষমতাসীন দলের অনুগত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষমতায় বসিয়ে, প্রশাসন ছাত্ররাজনীতিতে বৈষম্যের পরিবেশ তৈরি করেছে।

    সংগঠনটি অভিযোগ করে, সাম্য হত্যার বিচার দাবিকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে প্রশাসন একটি বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। ছাত্রদলের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপদ, সহনশীল পরিবেশ গঠনে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিলেও প্রশাসন একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তাহীন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ নেই। উপাচার্য ও প্রক্টর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তারা ব্যর্থ হওয়ায়, তাদের পদত্যাগ এখন সময়ের দাবি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক ওয়াসি তামি, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম ভূঁইয়া ইমনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • গণতন্ত্রের সংকটে আনু মুহাম্মদের সতর্কবার্তা: নতুন ফ্যাসিবাদের উত্থান!

    গণতন্ত্রের সংকটে আনু মুহাম্মদের সতর্কবার্তা: নতুন ফ্যাসিবাদের উত্থান!

    এবিএনএ

    গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটছে। সমাজে একটি নতুন ফ্যাসিবাদী শক্তির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।”

    শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক সংহতি সমাবেশে’ আনু মুহাম্মদ এসব মন্তব্য করেন। সমাবেশের আয়োজন করা হয় যুদ্ধাপরাধী এ টি এম আজহারুল ইসলামকে দায়মুক্তি এবং রাজশাহী ও চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের মিছিলে জামায়াত-শিবিরের হামলার প্রতিবাদে।

    আনু মুহাম্মদ বলেন, “গণ–অভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সেখানে জনগণ একটি নতুন রাজনৈতিক কাঠামোর স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সরকারের ভূমিকা নির্লিপ্ত, কোথাও তাদের অস্তিত্ব আছে বলে মনে হয় না। বরং হামলা-নির্যাতনে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি বাহিনীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে এবং এর প্রতিবাদ জানালে কিছু ছাত্র সংগঠন গণতন্ত্রকামী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। নারীদের টার্গেট করে তারা হামলা করছে। যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে কথা হয় সেটাকে ইসলামবিরোধী বলে অপপ্রচার চালায়। ধর্মকে ব্যবহার করে তারা রাজনীতিতে ফায়দা নিতে চায়।”

    সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যুদ্ধাপরাধী আজহারের খালাসের প্রতিবাদে মশাল মিছিলে ছাত্র শিবির দুই দফা হামলা চালায়। ১৯৯৩ সালে শহীদ রিমুর হত্যার মতোই আজ আবার শিবির সন্ত্রাস শুরু করেছে। রাবিতে সন্ত্রাসের এই নবতর ধারা যদি অব্যাহত থাকে, তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক কাঠামো বিপন্ন হতে বাধ্য।”

    সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশীদ, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির সদস্য মানজুর আল মতিনসহ অন্যান্যরা। তারা সকলেই বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

    আনু মুহাম্মদের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

  • ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার তিন হামলাকারী

    ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার তিন হামলাকারী

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্য তার দুই বন্ধুর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় ১০-১২ জনের একটি দল, যাদের মধ্যে কেউ একজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাম্যের উরুতে আঘাত করে।

    ডিএমপি জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে সাম্য তার দুই বন্ধু নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ফিরছিলেন। পথে রমনা কালীমন্দিরের উত্তরে পুরনো ফোয়ারার কাছে একটি দল তাদের গতি রোধ করে মোটরসাইকেল ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

    পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একপর্যায়ে, হামলাকারীরা ইট দিয়ে আঘাত করতে শুরু করে এবং এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাম্যের ডান পায়ের উরুর পেছনে আঘাত করে। রক্তক্ষরণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সাম্য। হামলাকারীরা ভয় দেখিয়ে স্থান ত্যাগ করে।

    আহত অবস্থায় সাম্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পরদিন ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্যের বড় ভাই শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তিনজনকে শনাক্ত করে। গ্রেফতার তিনজন হলেন—তামিম হাওলাদার (৩০), সম্রাট মল্লিক (২৮) পলাশ সরদার (৩০)। তাদের শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয়।

    সাম্য ছিলেন স্যার এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর ওপর ধরনের নৃশংস হামলা গোটা শিক্ষাঙ্গনে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ বাকি জড়িতদের আইনের আওতায় আনা কত দ্রুত সম্ভব হয়।