Tag: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    ঢাবি ভিপি প্রার্থী আবিদের ঘোষণা: “আমার পথচলা এখানেই থেমে নেই”

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তাঁর রাজনৈতিক পথচলা এখানেই শেষ নয়। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি দাবি আদায়ের জন্য ছাত্রনেতা হিসেবেই প্রশাসনের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাবেন।

    বুধবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি কখনো ভাবিনি এতদূর আসতে পারব। আন্দোলন-সংগ্রামের পথই আমাকে আজকের জায়গায় এনেছে। এই নির্বাচনে শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি। তবে এখনও আশা রাখি, সব অভিযোগের সঠিক তদন্ত ও সুষ্ঠু সিদ্ধান্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসবে।”

    আবিদ আরও বলেন, “মানুষ হিসেবে আমি হয়তো সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। তবে মাত্র ২০ দিনের প্রচারণায় আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাতে। সবাইকে হয়তো ছুঁতে পারিনি, কিন্তু আমি আশ্বস্ত করছি—আমার যাত্রা এখানেই থেমে নেই, এটি আরও দীর্ঘ।”

    তিনি অঙ্গীকার করেন, ছাত্রদলের একজন নেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ চালিয়ে যাবেন। “আমরা রাজপথের প্রহরী হয়ে লড়াই করব এবং ইনশাআল্লাহ এর প্রতিফলন আগামী ডাকসুতে সবাই দেখতে পাবেন।”

    ফেসবুক পোস্টের শেষে আবিদ লিখেছেন— “আবিদ আপনাদের কখনো ছেড়ে যাবে না।”

  • ডাকসু ভোটে চমক: সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের বিপুল জয়

    ডাকসু ভোটে চমক: সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের বিপুল জয়

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেল বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে। ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম ফরহাদ।

    গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সারারাত ধরে চলে ভোটগণনা। বুধবার সকালে সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।

    জিএস পদে এস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ পদে ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানবীর বারী হামিম পান ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

    সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও শিবির সমর্থিত প্যানেলের মো. মহিউদ্দিন খান জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

    অন্যদিকে, নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা ও ছাত্রদলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল কাদের পান ১ হাজার ৩ ভোট।

    তবে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন দাবি করেছেন, “এই নির্বাচন ছিল একটি মডেল নির্বাচন। কোনও ধরনের কারচুপির সুযোগ ছিল না।”

  • ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলকে ‘পরিকল্পিত প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, “দুপুরের পরই অনুমান করেছিলাম, ফলাফল কারচুপির মাধ্যমে সাজানো হবে। সংখ্যাগুলো নিজের মতো করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি এই পরিকল্পিত প্রহসনকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।”

    এর আগে দিনভর ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি এবং পরিকল্পিত কারচুপির অভিযোগ তোলেন। ফলাফল ঘোষণার সময় আবিদুল ইসলাম খানের এই প্রতিক্রিয়া নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন ঘোষণা করেছে, আগামীকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস এবং পরীক্ষা বন্ধ থাকবে

    মঙ্গলবার রাতের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদলসহ কয়েকজন প্রার্থী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামসহ কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা টিএসসিতে গিয়ে ভোট গণনা প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসন তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। এ সময় প্রার্থীরা ভেতরে প্রবেশের দাবি জানিয়ে অবস্থান নেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন—“ভোট চোর ভোট চোর, শিবির ভোট চোর”, “প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না।”

    প্রার্থীদের অভিযোগ, টিএসসিতে স্থাপিত এলইডি স্ক্রিনে ব্যালট বাক্সের দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল না। তারা দাবি করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট বাক্স লুকিয়ে কারচুপি করছে। স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী হাসিবুল অভিযোগ করেন, “শিবির প্রার্থীদের ভোট গণনার সময় ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হলেও আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।”

    অবস্থান কর্মসূচি আধাঘণ্টারও বেশি সময় চলার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রশাসন গেট খুলে দিলেও ছাত্রদল নেতারা ভেতরে প্রবেশ না করে টিএসসি ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    টিএসসি থেকে বের হয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন কারচুপি লুকোতে চাইছে। তাই আমরা এই প্রহসনের নির্বাচন মানি না।”

    এ ঘটনার পর টিএসসির এলইডি স্ক্রিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়।

  • লাইভ সম্প্রচারের পর সাংবাদিক শিবলীর মৃত্যু, সহকর্মীদের চোখে অশ্রু

    লাইভ সম্প্রচারের পর সাংবাদিক শিবলীর মৃত্যু, সহকর্মীদের চোখে অশ্রু

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচন কভার করতে গিয়ে লাইভ শেষে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন চ্যানেল এস টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার তরিকুল ইসলাম শিবলী। তার হঠাৎ মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কার্জন হলের সামনে থেকে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে সরাসরি লাইভ সম্প্রচার করেন শিবলী। ভোটারদের অভিমত তুলে ধরছিলেন পাঠকদের সামনে। কিন্তু অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত সহকর্মীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    শিবলীর মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের জোয়ার ওঠে। সহকর্মীরা ফেসবুকে নানা স্মৃতি শেয়ার করেন। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, কিছুক্ষণ আগে যিনি লাইভে প্রাণবন্তভাবে কথা বলছিলেন, তিনিই হঠাৎ নেই।

    চ্যানেল এস-এর অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর শাফি উদ্দিন আহমেদ জানান, ডাকসু নির্বাচন কভার করতে পাঁচ সদস্যের টিম গিয়েছিল। শিবলী ছিলেন তিন রিপোর্টারের একজন। তিনি শুধু সংবাদ সংগ্রহ করতেন না, আন্তরিকভাবে দায়িত্বও পালন করতেন। সকালেই সহকর্মীদের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন ফেসবুকে, যেখানে তার মুখভরা হাসি ছিল।

    প্রায় এক বছর ধরে চ্যানেল এস-এ কাজ করছিলেন শিবলী। তিনি উত্তরায় স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে বসবাস করতেন। সহকর্মীরা জানিয়েছেন, তার প্রথম জানাজা হবে কর্মস্থল সেগুনবাগিচায়।

    শিবলীর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ শোকাহত। অনেকেই বলেছেন, “যিনি মাঠে থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খবরের সঙ্গে ছিলেন, তাকেই হারালাম সংবাদ কভারেজের মাঝেই।”

  • ডাকসু নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, নজরদারিতে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি

    ডাকসু নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, নজরদারিতে পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার বিকেলে টিএসসি এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, আজ রাত ৮টা থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লাইসেন্সধারী অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। বর্তমানে ১ হাজার ৭৭১ জন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, আর ভোটের দিন সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ২ হাজার ৯৬ জনে উন্নীত করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব ও বিজিবিও দায়িত্ব পালন করবে।

    ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। মোবাইল টিম, বিশেষায়িত টিম, সোয়াত টিম এবং সাদা পোশাকে ডিবির সদস্যরা সক্রিয় থাকবেন। পুরো ক্যাম্পাস সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের আওতায় থাকবে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে।

    এছাড়া যারা সাইবার আক্রমণের চেষ্টা করছে, তাদের শনাক্ত করার কাজও চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি কমিশনার। তার মতে, সব মিলিয়ে এবারের ডাকসু নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচন কাল: ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রস্তুতি চূড়ান্ত, সীমিত চলাচলে নিরাপত্তা জোরদার

    ডাকসু নির্বাচন কাল: ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রস্তুতি চূড়ান্ত, সীমিত চলাচলে নিরাপত্তা জোরদার

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ আয়োজনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে প্রশাসন। আগামীকাল মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে নিরবচ্ছিন্নভাবে।

    এবারের নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে বসানো হয়েছে ৮১০টি ভোট বুথ। ভোটারদের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২০,৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ১৮,৯০২ জন।

    প্রথমবারের মতো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে ব্রেইল পদ্ধতিতে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর।

    রোববার ছিল নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন। দিনভর প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি, লিফলেট বিতরণ ও ইশতেহার উপস্থাপনায় মুখর ছিল পুরো ক্যাম্পাস। প্রতিটি প্যানেল তাদের দাবির পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছুটে বেড়ায়।

    ভোটের দিন ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেতসহ প্রধান প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা প্রবেশ করতে পারবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (অ্যাম্বুলেন্স, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস) ব্যতীত অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। ভোটারদের সুবিধার্থে বাস সার্ভিস পরিচালনা করা হবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী।

    ভোট কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, পানির বোতল বা অন্য কোনো তরল পদার্থ বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

    ভোটে অংশ নিচ্ছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। ভিপি, জিএসসহ ২৮টি কেন্দ্রীয় পদ এবং হল সংসদের ১৩টি পদে নির্বাচন হবে।

    এদিকে, নিরাপত্তা ও জনসমাগম এড়াতে ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ডিএমটিসিএল।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৩৮তম ডাকসু নির্বাচন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন হয় ২০১৯ সালে, উচ্চ আদালতের নির্দেশে। ওই নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন নুরুল হক নুর এবং জিএস হন গোলাম রাব্বানী।

    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রথম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ২৮ বছর কোনো নির্বাচন হয়নি। অবশেষে আদালতের রায় অনুযায়ী ২০১৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ডাকসুর ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

  • ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রার্থীদের শপথ, ঐতিহাসিক বটতলায় জমকালো আয়োজন

    ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রার্থীদের শপথ, ঐতিহাসিক বটতলায় জমকালো আয়োজন

    এবিএনএ: আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেছেন। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলাভবন সংলগ্ন ঐতিহাসিক বটতলায় অনুষ্ঠিত হয় এই শপথ অনুষ্ঠান।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদ-হামিম-মায়েদ পরিষদের প্রার্থীরা এ সময় শপথবাক্য পাঠ করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন হল সংসদের ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    এ তথ্য আগেই জানানো হয়েছিল ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রার্থীরা ন্যায্যতা ও সততার সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করবেন।

    শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। তারা শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ডাকসু নির্বাচনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।