Tag: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবদুল কাদেরের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে আবদুল কাদের লেখেন— “আমার ডাকসুতে জেতা জরুরি নয়, আমি শুধু বেঁচে থাকতে চাই। অন্তত আমাকে বাঁচার সুযোগ দিন।” তার এই হৃদয়স্পর্শী বার্তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

    এরপর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাদেরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি লিখেন, “কাদের, তোমাকে কথা দিচ্ছি— রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের বংশধরদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় তোমার পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাইবার বুলিংয়ের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত একটি চক্র নিয়মিতভাবে বিরোধী মতাদর্শী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করছে। শুধু নারী নেতৃত্বই নয়, মতভিন্নতার কারণে ছাত্রসমাজের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন।

    রাকিবুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, এইসব সাইবার আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, তারাই নাকি তরুণ সমাজকে ইসলামের নৈতিকতা শেখাবে? ছাত্রসমাজ এর আসল চেহারা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছে।”

  • ডাকসু নির্বাচন সামনে: পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল, কেবল ভোটের দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ডাকসু নির্বাচন সামনে: পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল, কেবল ভোটের দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে তিন দিনের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটের দিন অর্থাৎ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

    বুধবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডাকসুর প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দীন।

    তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরুতে ৮, ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধুমাত্র ভোটের দিন অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বর ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর যথারীতি সব ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে।

    অধ্যাপক জসীম উদ্দীন আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

  • ডাকসু নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

    ডাকসু নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা ভণ্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত ডাকসু নির্বাচন–২০২৫ উপলক্ষে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে আমরা প্রস্তুত। কেউ যদি নির্বাচন ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি আরও জানান, একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা জরুরি। যৌথভাবে কাজ করলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সভায় শুরুতেই ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ নির্বাচনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পরে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা মতামত তুলে ধরেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, হাসান মো. শওকত আলী, মো. মাসুদ করিম, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. জিললুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, ডাকসু নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও অংশ নেন।

  • চেম্বার আদালতের আদেশে স্থগিত নেই, নির্ধারিত সময়েই হবে ডাকসু নির্বাচন

    চেম্বার আদালতের আদেশে স্থগিত নেই, নির্ধারিত সময়েই হবে ডাকসু নির্বাচন

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কেটে গেছে। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন।

    সোমবার বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্বাচনটি স্থগিত ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

    তিনি বলেন, “ডাকসু নির্বাচনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়। চেম্বার আদালত সেই আদেশ স্থগিত করায় নির্বাচনে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।”

    এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন নির্ধারিত তারিখেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

  • ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ডাকসু নির্বাচন সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চারদিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ:  আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ উপলক্ষে চারদিনের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্বাচন চলাকালীন নির্বিঘ্ন পরিবেশ বজায় রাখতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে ১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) পর্যন্ত সকল ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে হল ও ক্যাম্পাস এলাকায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কাজে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিয়োজিত থাকবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে। ছয় বছর পর আবারও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসে। শিক্ষার্থীরা নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে মুখিয়ে আছে।

  • ডাকসু নির্বাচন: ঢাবির ৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

    ডাকসু নির্বাচন: ঢাবির ৮ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ এবার অনুষ্ঠিত হবে ক্যাম্পাসের ৮টি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে

    শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    কোন হলে কোন কেন্দ্রে ভোট দেবেন শিক্ষার্থীরা:

    • কার্জন হল কেন্দ্র: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল, অমর একুশে হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।

    • শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র: জগন্নাথ হল, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।

    • টিএসসি (ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র): শুধুমাত্র রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব: বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীরা।

    • সিনেট ভবন: স্যার এ এফ রহমান হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ও বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।

    • উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ: সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ভূতত্ত্ব বিভাগ: কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা।

    • ইউল্যাব স্কুল অ্যান্ড কলেজ: শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থীরা।

    এছাড়া একই দিনে প্রকাশিত আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ক্যাম্পাসে যেসব বিলবোর্ড ও ব্যানার ঝোলানো হয়েছে সেগুলো দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্ধারিত তারিখ থেকে আচরণবিধি মেনে কেবল প্রচারকাজ চালানো যাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত ৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে।

  • ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ২৮ পদে ৫৬৫, হলে ১,২২৬ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

    ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: ২৮ পদে ৫৬৫, হলে ১,২২৬ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের শেষ দিন সোমবার জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করে ক্যাম্পাসে। ডাকসুর ২৮টি পদে মোট ৫৬৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ হয়েছে। পাশাপাশি ১৮টি হল সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীরা নিয়েছেন মোট ১,২২৬টি মনোনয়নপত্র।

    নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৩টার মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। এরপর যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    হলভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সর্বাধিক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ হয়েছে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে—৯৭টি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম মনোনয়নপত্র নিয়েছেন বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা, সংখ্যা মাত্র ২৯।

    এছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৭১ জন, জগন্নাথ হলে ৬৬ জন, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৭৮ জন, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ৯৩ জন, রোকেয়া হলে ৪৬ জন, সূর্যসেন হলে ৯০ জন, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ৭৪ জন, শামসুন নাহার হলে ৩৭ জন, কবি জসীম উদ্দীন হলে ৭৪ জন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ৮৭ জন, শেখ মুজিবুর রহমান হলে ৬৯ জন, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ৩০ জন, অমর একুশে হলে ৮৪ জন, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৪০ জন, বিজয় একাত্তর হলে ৮৮ জন এবং স্যার এ এফ রহমান হলে ৭৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ইতোমধ্যেই নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, গণতান্ত্রিক এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা একটি প্রাণবন্ত ও প্রতিনিধিত্বশীল ডাকসু ও হল সংসদ গড়ে তুলতে পারবেন।

  • ঢাবিতে ছবিতে জুতা নিক্ষেপের ঘোষণায় খায়রুল বাসারের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

    ঢাবিতে ছবিতে জুতা নিক্ষেপের ঘোষণায় খায়রুল বাসারের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

    এবিএনএ:  ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার আবারও আলোচনায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসা পেলেও, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোয় এবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ শিক্ষার্থী তার ও কয়েকজন তারকার বিরুদ্ধে ছবিতে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজদের উদ্দেশে সামাজিক মাধ্যমে খোলামেলা বার্তা দিয়েছেন বাসার।

    তিনি লেখেন, “আজ নাকি ঢাবি ক্যাম্পাসে আমার ছবিতে জুতা নিক্ষেপ হবে? আমি কোন অপরাধ করেছি? অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছি বলে, নাকি বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছি বলে?”

    নিজের আবেগ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, “আমার ভাইয়েরা, আমার ছবিটা বড় করে প্রিন্ট করো এবং সবচেয়ে পচা জুতাটা ছুঁড়ে মারো। আমি হাসিমুখে তা গ্রহণ করবো। কারণ আমি বুঝেছি, তোমরা রাজনৈতিক পথে নেমেছো। মানুষের আবেগ এখন তোমাদের কাছে গুরুত্বহীন। তবুও ভালোবাসা আর শুভকামনা রইলো।”

    এর আগে ১৫ আগস্ট বাসার তার সামাজিক মাধ্যমে আল মাহমুদের একটি কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মলেন্দু গুণের ‘বাংলার ধ্রুবতারা’ কবিতার অংশ শেয়ার করেন। পোস্টটিতে তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • ঢাবিতে হলে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবির পরও বহাল ছাত্রদল কমিটি, জানালেন রাকিব

    ঢাবিতে হলে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবির পরও বহাল ছাত্রদল কমিটি, জানালেন রাকিব

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি উঠলেও ছাত্রদল ঘোষিত হল কমিটিগুলো বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    রাকিব জানান, বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, কেন্দ্রীয় ক্যাম্পাস ও ডাকসুকে ঘিরে ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ক্যাম্পাসে গুপ্ত ছাত্র রাজনীতি ও সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করবে এবং হল কমিটিগুলো বিদ্যমান থাকবে।

    এর আগে ৯ আগস্ট ছাত্রদল ঢাবির ১৮টি হলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে। একই রাতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

    বিক্ষোভের পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা বহাল থাকবে। প্রতিটি হল প্রশাসন নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।

    রাকিব বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গুপ্ত ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আমরা সচেতন ছাত্র সংগঠন হিসেবে প্রশাসনের সঙ্গে আছি।” ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “যেভাবে ছাত্রলীগ হলে দখলদারি করেছে, শিবিরও গুপ্ত রাজনীতি করে একই কাজ করছে।”

    তিনি আরও জানান, শনিবারের মধ্যে প্রশাসন ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ, হলে ছাত্র রাজনীতির ধরন ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিষয়ে আপডেট দেবে বলে আশা করছেন। তার অভিযোগ, “আমরা মিডিয়া ট্রায়াল ও মিথ্যা প্রচারণার শিকার হচ্ছি।”

    এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা ও গঠনমূলক ছাত্র রাজনীতির রূপরেখা তৈরিতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটি দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্র সংগঠন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সুপারিশ দেবে।

  • শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    শিবিরের প্রদর্শনীতে রাজাকারদের ছবি! বিতর্কের মুখে ব্যবস্থা নিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

    এবিএনএ:  জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টিএসসির পায়রা চত্বরে তিন দিনব্যাপী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। এই প্রদর্শনীতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের কয়েকজন নেতার ছবি স্থান পায়—যার ফলে ক্যাম্পাসে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যানারটি সরিয়ে নেয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কিত ছবিটি ছড়িয়ে পড়তেই একাধিক শিক্ষার্থী এবং প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠন টিএসসিতে এসে প্রতিবাদ জানায়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম শিবির নেতাদের সাথে কথা বলে ব্যানারটি সরিয়ে নেন।

    ছবিতে দেখা যায়, ‘বিচারিক হত্যাকাণ্ড’ শিরোনামে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের—যেমন নিজামী, কাদের মোল্লা, মুজাহিদ, সাঈদী প্রমুখের ছবি টাঙানো হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রমৈত্রী ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদসহ মুক্তিযুদ্ধপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা।

    ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে একাত্তরের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা চলছে। প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তারা ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলন চলবে।”

    গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বলেন, “শিবির ২০২৪ সালের ঘটনাকে সামনে এনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করছে। এটি ঠেকাতেই হবে।”

    অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তারা প্রশাসনের অনুরোধে ছবি সরিয়ে ফেলেছে।

    শিবিরের প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, “একটি মহল বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি পরিষ্কার করতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের আবেগ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধু প্রশাসনিক নয়, আদর্শিক বিষয় বলেও মনে করছে শিক্ষার্থীরা।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে রাজাকারদের পুনর্বাসনের অভিযোগ, এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজনের তীব্রতা। প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা না থাকলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।